শব্দের শুরুতে ও মধ্যে আলিফ সর্বদা ا রুপেই বসে। তবে শেষে বসার ক্ষেত্রে ইসম, ফেল ও হারফের নিজ নিজ নিয়ম আছে। মনে রাখতে হবে যে শব্দের শেষের প্রকাশ্য আলিফ মূলত و কিংবা ي
ইসমের ক্ষেত্রেঃ |
||
মাবনী |
মু’রাব |
|
|
তিন অক্ষরের ইসম |
তিনোর্ধ অক্ষরের ইসম |
মাবনী ইসমের ক্ষেত্রে أَلى ، أَنَّى ، مَتَى ، لَدَى، أُوْلَى এই পাঁচটি ছাড়া সকল ক্ষেত্রে ا লেখা হয়। যেমনঃ أَنَا، هٰذَا |
و থেকে উদ্ভূত হলে ا যেমনঃ عصَا এবং ي থেকে উদ্ভূত হলে ى যেমনঃ هُدًى
|
১) জাতিবাচক নামের শেষে আলিফের পুর্বে ي হলে ا হবে যেমনঃ دُنْيَا আর আলিফের পুর্বে ي না হলে ى হবে। যেমনঃ مُشْتَشْفَى । তবে নামবাচক বিশেষ্যে আলিফের পুর্বে ي হলেও ى হবে। যেমনঃ يَحْيَى ২) অনারব নামে সর্বদা ا হবে যেমনঃ فَرَنْسَا ، أَمْرِيْكَا তবে مُوْسَى عِيْسَى، كَسْرَى ইত্যাদি ব্যতিক্রম। |
ফে’লের ক্ষেত্রে |
|
তিন অক্ষরের ফে’ল |
তিনোর্ধ অক্ষরের ফে’ল |
আলিফটি و থেকে উদ্ভূত হলে ا আর ي থেকে উদ্ভূত হলে ى যেমনঃ دَعَا عَفَا، مَشَى মনে রাখার জন্য, শব্দের মধ্যে و বা ء থাকলে শেষেى হয় যেমনঃ جَوَى، وَقَى، شَأَى، بَأَى |
তিনোর্ধ অক্ষরের ক্ষেত্রে শেষ আলিফের পুর্বে ي হলে ا হবে যেমনঃ أَحْيَا আর না হলে ى হবে। যেমনঃ اِنْتَهَى |
হারফের ক্ষেত্রে |
إلَى، عَلَى، حَتَّى، بَلَى এই চারটি ব্যতিত সকল হারফে ا হবে। যেমনঃ لَا، أَلَّا، كَلَّا، عَدَا |
আলিফ মাকসুরা ى এর পরে মানসুব বা মাজরুর অবস্থায় ضَمِيْرٌ আসলে তা ‘ ا ‘হয়ে যায়।
আমি তার অর্থ জানি না |
لَا أَدْرِي مَعْنَاهُ |
مَعْنَى + هُ = مَعْنَاهُ |
সে সেটা ইস্ত্রী করল |
كَوَاهُ |
كَوَى + هُ = كَوَاهُ |
বুখারি তা বর্ণনা করল |
رَوَاهُ الْبُخَارِي |
رَوَى + هُ = رَوَاهُ |
কোর্স বিষয়বস্তু