আর আছে খোসাবিশিষ্ট শস্য ও সুগন্ধি ফুল (৫৫:১২)

وَالْحَبُّ ذُو الْعَصْفِ وَالرَّيْحَانُ

সুগন্ধি গাছ

رَيْحَان

আর তিনি জিনকে সৃষ্টি করেছেন আগুনের শিখা দিয়ে (৫৫:১৫)

وَخَلَقَ الْجَانَّ مِن مَّارِجٍ مِّن نَّارٍ

অগ্নিশিখা

مَارِجٌ

তাকে অচিরেই নিক্ষেপ করা হবে স্ফুলিঙ্গ সম্পন্ন অগ্নিতে (১১১-৩)

سَيَصْلَىٰ نَارًا ذَاتَ لَهَبٍ

অগ্নিশিখা, স্ফুলিঙ্গ, অগ্নিস্ফুলিঙ্গ

لَهَبٌ

তদুভয় থেকে বের হয় মোতি ও প্রবাল (৫৫:২২)

يَخْرُجُ مِنْهُمَا اللُّؤْلُؤُ وَالْمَرْجَانُ

মুক্তো

لُؤْلُؤٌ

তদুভয় থেকে বের হয় মোতি ও প্রবাল (৫৫:২২)

يَخْرُجُ مِنْهُمَا اللُّؤْلُؤُ وَالْمَرْجَانُ

প্রবাল

مَرْجَانٌ

তারা যেন চুনি ও প্রবাল (৫৫:৫৮)

كَأَنَّهُنَّ الْيَاقُوتُ وَالْمَرْجَانُ

পদ্মরাগ

يَاقُوتٌ

পূণ্যময় আপনার পালনকর্তার নাম, যিনি মহিমাময় ও মহানুভব (৫৫:৭৮)

تَبَارَكَ اسْمُ رَبِّكَ ذِي الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ

শীর্ষ মর্যাদা, মহত্ব, শ্রেষ্ঠত্ব

جَلَالٌ

এবং আমাদের পালনকর্তার মহান মর্যাদা সবার উর্ধ্বে (৭২-৩)

وَأَنَّهُ تَعَالَىٰ جَدُّ رَبِّنَا

শ্রেষ্ঠত্ব, বড়ত্ব, শান, মর্যাদা

جَدٌّ

তোমাদের কী হয়েছে যে তোমরা আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে শ্রেষ্ঠত্ব স্বীকার করতে চাইছ না (৭১:১৩)

مَّا لَكُمْ لَا تَرْجُونَ لِلَّـهِ وَقَارًا

মর্যাদা, সম্মান, ইজ্জত, গাম্ভীর্য, বড়ত্ব, গৌরব

وَقَارٌ

তোমাদিগের উপরে পাঠানো হবে আগুনের শিখা (৫৫-৩৫)

يُرْسَلُ عَلَيْكُمَا شُوَاظٌ مِّن نَّارٍ

অগ্নিস্ফুলিঙ্গ

شُوَاظٌ

এটা নিক্ষেপ করবে অট্টালিকাসম অগ্নিস্ফুলিঙ্গ (৭৭:৩২)

نَّهَا تَرْمِي بِشَرَرٍ كَالْقَصْرِ

অগ্নিশিখা, অগ্নিস্ফুলিঙ্গ,

شَرَرٌ

অতঃপর ক্ষুরাঘাতে অগ্নিবিচ্ছুরক অশ্বসমূহের (১০০-২)

فَالْمُورِيَاتِ قَدْحًا

প্রাণীর ক্ষুরের আঘাতে আগুন জ্বালানো

قَدْحٌ

তখন সেটি হয়ে যাবে রক্তবর্ণ চামড়ার মত (৫৫:৩৭)

فَكَانَتْ وَرْدَةً كَالدِّهَانِ

রক্তবর্ণ

وَرْدَةٌ

তাদের পান করানো হবে ফুটন্ত ফোয়ারা থেকে (৮৮:৫)

تُسْقَىٰ مِنْ عَيْنٍ آنِيَةٍ

ফুটন্ত পানি, উচ্ছ্বসিত পানি

آنٍ، آنِيَةٌ

তারা হেলান দিয়ে বসে থাকবে সবুজ তাকিয়াতে (৫৫:৭৬)

مُتَّكِئِينَ عَلَىٰ رَفْرَفٍ خُضْرٍ

কুশন

رَفْرَفَةٌ ج رَفْرَفٌ

এবং সারি সারি গালিচা (৮৮-১৫)

وَنَمَارِقُ مَصْفُوفَةٌ

গালিচা, কার্পেট, গদি,

نَمَارِقُ

তারা হেলান দিয়ে বসে থাকবে সবুজ তাকিয়াতে ও মনোরম গালিচার উপরে (৫৫:৭৬)

مُتَّكِئِينَ عَلَىٰ رَفْرَفٍ خُضْرٍ وَعَبْقَرِيٍّ حِسَانٍ

গালিচা

عَبْقَرِيٌّ

এবং বিস্তৃত বিছানো কার্পেট (৮৮-১৬)

وَزَرَابِيُّ مَبْثُوثَةٌ

গালিচা, কার্পেট, মখমল

زَرْبِيَّهٌ ج زَرَابِيٌّ

তারা হেলান দিয়ে বসে থাকবে সবুজ তাকিয়াতে ও মনোরম গালিচার উপরে (৫৫:৭৬)

مُتَّكِئِينَ عَلَىٰ رَفْرَفٍ خُضْرٍ وَعَبْقَرِيٍّ حِسَانٍ

সৎকাজ, পুণ্য, উত্তম, সুন্দর, সুশ্রী, শ্রেষ্ঠ

حَسَنَةٌ، حَسْنَاءُ ج حِسَانٌ

আর তাতে আমরা জন্মিয়েছি হরেক রকমের নয়নাভিরাম উদ্ভিদ (৫০:৭)

وَأَنبَتْنَا فِيهَا مِن كُلِّ زَوْجٍ بَهِيجٍ

শোভাময়, সুরম্য, সুন্দর, চমৎকার

بَهِيجٌ

কারুকার্যময় সিংহাসনের উপরে (৫৬:১৫)

عَلَىٰ سُرُرٍ مَّوْضُونَةٍ

মণিমুক্তা খচিত

مَوْضُونَةٌ

পানপাত্র কুঁজা ও খাঁটি সূরাপূর্ণ পেয়ালা নিয়ে (৫৬:১৮)

بِأَكْوَابٍ وَأَبَارِيقَ وَكَأْسٍ مِّن مَّعِينٍ

চমকদার কেটলি, ঝকঝকে জগ, কুঁজা

إبْرِيقٌ ج أَبَارِيقُ

যদ্বারা তাদের শিরঃপীড়া হবে না এবং বিকারগ্রস্ত ও হবে না (৫৬:১৯)

لَّا يُصَدَّعُونَ عَنْهَا وَلَا يُنزِفُونَ

মাথাব্যথা ঘটানো

صَدَّعَ-يُصَدِّعُ

কাঁটা বিহীন বরই গাছে (৫৬:২৮)

فِي سِدْرٍ مَّخْضُودٍ

কাঁটাবিহীন

مَخْضُودٌ

আর সারি সারি কলাগাছ (৫৬:২০)

وَطَلْحٍ مَّنضُودٍ

কলা গাছ

طَلْحٌ

তদুপরী তাদেরকে রেখেছি কুমারী (৫৬:৩৬)

فَجَعَلْنَاهُنَّ أَبْكَارًا

কুমারী

بِكْرٌ ج أَبْكَارٌ

অকুমারী ও কুমারী (৬৬-৫)

ثَيِّبَاتٍ وَأَبْكَارًا

অকুমারী, বিধবা

ثَيِّبَةٌ ج ثَيِّبَاتٌ

সোহাগিনী, সমবয়স্কা (৫৬:৩৭)

عُرُبًا أَتْرَابًا

প্রেমময়ী

عَرُوبٌ ج عُرُبٌ

আমি সেই বৃক্ষকে করেছি স্মরণিকা এবং মরুবাসীদের জন্য সামগ্রী (৫৬:৭৩)

جَعَلْنَاهَا تَذْكِرَةً وَمَتَاعًا لِّلْمُقْوِينَ

পথিক/ মরুচারী

مُقْوٍ ج مُقْوُونَ

আর বৈরাগ্যবাদ তো তারা নিজেরাই উদ্ভাবন করেছে; আমি এটা তাদের উপর নির্দেশ করিনি (৫৭:২৭)

وَرَهْبَانِيَّةً ابْتَدَعُوهَا مَا كَتَبْنَاهَا عَلَيْهِمْ

উদ্ভাবন করা, প্রবর্তন করা,

اِبْتَدَعَ-يَبْتَدِعُ

তুমি জানো না, হয়ত আল্লাহ্ এর পরে কোনো সুযোগ সৃষ্টি করে দেবেন (৬৫:১)

لَا تَدْرِي لَعَلَّ اللَّـهَ يُحْدِثُ بَعْدَ ذَٰلِكَ أَمْرًا

নতুনভাবে সৃষ্টি করা, আবিষ্কার করা, ঘটানো

أَحْدَثَ- يُحْدِثُ

যখন তোমাদের বলা হয় মজলিসে জায়গা করে দাও, তখন জায়গা করে দিয়ো (৫৮:১১)

إِذَا قِيلَ لَكُمْ تَفَسَّحُوا فِي الْمَجَالِسِ فَافْسَحُوا

প্রশস্ত করা

تَفَسَّحَ-يَتَفَسَّحُ

আল্লাহ্ তোমাদের জন্য জায়গা করে দেবেন (৫৮:১১)

يَفْسَحِ اللَّـهُ لَكُمْ

স্থান প্রশস্ত করা, বসতে দেওয়া, স্থান দেওয়া

فَسحَ-يَفْسَحُ

আর যখন বলা হয় উঠো, তখন উঠে যেও (৫৮:১১)

وَإِذَا قِيلَ انشُزُوا فَانشُزُوا

উঠে যাওয়া

نَشَزَ-يَنْشُزُ

তারা তাদের শপথগুলোকে ঢাল হিসেবে গ্রহণ করেছে, অত:পর তারা আল্লাহ্‌র পথে বাধা দেয় (৫৮:১৬)

اِتَّخَذُوا أَيْمَانَهُمْ جُنَّةً فَصَدُّوا عَن سَبِيلِ اللَّـهِ

ঢাল, রক্ষা কবচ

جُنَّةٌ

তাঁর পথে লড়াই করে সারিবদ্ধভাবে যেন তারা সীসাগালানো প্রাচীর (৬১:৪)

يُقَاتِلُونَ فِي سَبِيلِهِ صَفًّا كَأَنَّهُم بُنْيَانٌ مَّرْصُوصٌ

সীসা ঢালা

مَرْصُوصٌ

তারা প্রাচীরে ঠেকানো কাঠসদৃশ্ (৬৩:৪)

كَأَنَّهُمْ خُشُبٌ مُّسَنَّدَةٌ

ঠেস দেয়ানো

مُسَنَّدَةٌ

তোমরা যদি জেদাজেদি কর, তবে অন্য কেউ তাকে স্তন্যদান করুক (৬৫:৬)

وَإِن تَعَاسَرْتُمْ فَسَتُرْضِعُ لَهُ أُخْرَىٰ

পরস্পরকে কষ্ট দেয়া/ জেদ করা

تَعَاسَرَ-يَتَعَاسَرُ

ওহে যারা ঈমান এনেছ! আল্লাহ্‌র নিদর্শনসমূহ লঙ্ঘন করো না, আর পবিত্র মাসেরও না (৫:২)

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تُحِلُّوا شَعَائِرَ اللَّـهِ وَلَا الشَّهْرَ الْحَرَامَ

শপথ প্রত্যাহার করা, কসম বাতিল করা

تَحِلَّةٌ

আল্লাহ তা’আলার কাছে তওবা কর-আন্তরিক তওবা (৬৬:৮)

تُوبُوا إِلَى اللَّـهِ تَوْبَةً نَّصُوحًا

আন্তরিক

نَصُوحٌ

তুমি পরম করুণাময়ের সৃষ্টিতে কোনো অসামঞ্জস্য দেখতে পাবে না (৬৭:৩)

مَّا تَرَىٰ فِي خَلْقِ الرَّحْمَـٰنِ مِن تَفَاوُتٍ

অসামঞ্জস্য

تَفَاوُتٌ

তার রক্ষীরা তাদের জিজ্ঞাসা করবে -- ''তোমাদের কাছে কি কোনো সতর্ককারী আসেন নি?” (৬৭:৮)

سَأَلَهُمْ خَزَنَتُهَا أَلَمْ يَأْتِكُمْ نَذِيرٌ

প্রহরী

خَازِنٌ ج خَزَنَةٌ

তাকে পেয়েছি প্রহরীতে পূর্ণ (৭২-৮)

فَوَجَدْنَاهَا مُلِئَتْ حَرَسًا

প্রহরী, রক্ষক

حَرَسٌ

তোমরা তার বুকে বিচরণ কর (৬৭:১৫)

فَامْشُوا فِي مَنَاكِبِهَا

বুক/ কাঁধ

مَنكِبٌ ج مَنَاكِبُ

বরং আমরা বঞ্চিত হয়েছি (৬৮:২৭)

بَلْ نَحْنُ مَحْرُومُونَ

বঞ্চিত, নিরাশ

مَحْرُومٌ ج مَحْرُومُونَ

 

 

কুৎসিত, বিশ্রী, কুশ্রী, কদাকার, বীভৎস

مَقْبُوحٌ ج مَقْبُحُونَ

কঠোর স্বভাব, তদুপরি কুখ্যাত (৬৮:১৩)

عُتُلٍّ بَعْدَ ذَٰلِكَ زَنِيمٍ

কুখ্যাত

زَنِيمٌ

যখন তিনি প্রার্থনা করেছিলেন ভারাক্রান্ত হয়ে (৬৮:৪৮)

إِذْ نَادَىٰ وَهُوَ مَكْظُومٌ

চিন্তা ও দুঃখে আচ্ছন্ন

مَكْظُومٌ

তারা তো তাদের দৃষ্টিতেই আপনাকে আছাড় মারতে চায় (৬৮:৫১)

وَإِن يَكَادُ الَّذِينَ كَفَرُوا لَيُزْلِقُونَكَ بِأَبْصَارِهِمْ

আছড়ে ফেলা

أَزْلَقَ-يُزْلِقُ

আপনি তাদেরকে দেখতেন ভূপাতিত (৬৯:৭)

فَتَرَى الْقَوْمَ فِيهَا صَرْعَىٰ

ভূপাতিত, পড়ে থাকা

صَرِيعٌ ج صَرْعَى

আর আকাশ বিদীর্ণ হবে, আর তা সেইদিন হবে ভঙ্গুর (৬৯:১৬)

وَانشَقَّتِ السَّمَاءُ فَهِيَ يَوْمَئِذٍ وَاهِيَةٌ

বিক্ষিপ্ত, ভঙ্গুর

وَاهِيَةٌ

অতঃপর সে সুখী জীবন-যাপন করবে (৬৯:২১)

فَهُوَ فِي عِيشَةٍ رَّاضِيَةٍ

জীবন যাপন

عِيْشَةٌ

মানুষ তো সৃজিত হয়েছে ভীরুরূপে (৭০:১৯)

إِنَّ الْإِنسَانَ خُلِقَ هَلُوعًا

অস্থিরমনা/ ভীরু

هَلُوعٌ

 

যা চামড়া খসিয়ে দিবে (৭০:১৬)

نَزَّاعَةً لِّلشَّوَىٰ

যে আগুন চামড়া তুলে ফেলবে

نَزَّاعَةٌ

 

অথচ তিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন বিভিন্ন স্তরে (৭১:১৪)

وَقَدْ خَلَقَكُمْ أَطْوَارًا

পর্যায়, স্তর

طَوْرٌ ج أًطْوَارٌ

হে বস্ত্রাবৃত! (৭৩:১)

يَا أَيُّهَا الْمُزَّمِّلُ

চাদরাবৃত

مُزَّمِّلٌ

হে চাদরাবৃত (৭৪:১)

يَا أَيُّهَا الْمُدَّثِّرُ

চাদর মুড়িয়ে শয়নকারী,  বস্ত্রাবরক

مُدَّثِّرٌ

নিশ্চয়ই রাত্রিজাগরণ প্রবৃত্তি দলনে সহায়ক এবং স্পষ্ট উচ্চারণের অনুকূল (৭৩:৬)

إِنَّ نَاشِئَةَ اللَّيْلِ هِيَ أَشَدُّ وَطْئًا وَأَقْوَمُ قِيلًا

সৃজনশীল সময়, গঠনমূলক সময়, রাতের প্রহর

نَاشِئَةٌ

নিশ্চয়ই রাত্রিজাগরণ প্রবৃত্তি দলনে সহায়ক এবং স্পষ্ট উচ্চারণের অনুকূল (৭৩:৬)

إِنَّ نَاشِئَةَ اللَّيْلِ هِيَ أَشَدُّ وَطْئًا وَأَقْوَمُ قِيلًا

আত্মসংযম, প্রবৃত্তি দমন

وَطْءٌ

আপনি আপনার পালনকর্তার নাম স্মরণ করুন এবং একাগ্রচিত্তে তাঁর প্রতি মগ্ন হোন (৭৩:৮)

وَاذْكُرِ اسْمَ رَبِّكَ وَتَبَتَّلْ إِلَيْهِ تَبْتِيلًا

নিরালায় ধ্যান করা, মগ্ন হওয়া

تَبَتَّلَ-يَتَبَتَّلُ

আপনি আপনার পালনকর্তার নাম স্মরণ করুন এবং একাগ্রচিত্তে তাঁর প্রতি মগ্ন হোন (৭৩:৮)

وَاذْكُرِ اسْمَ رَبِّكَ وَتَبَتَّلْ إِلَيْهِ تَبْتِيلًا

নিরালায় ধ্যান করা, বিজনে সাধনা করা, মুরাকাবা করা

تَبْتِيلٌ

আর খাদ্য যা গলায় আটকে যায়, আর মর্মন্তুদ শাস্তি (৭৩:১৩)

وَطَعَامًا ذَا غُصَّةٍ وَعَذَابًا أَلِيمًا

গলায় আটকে যাওয়া

غُصَّةٌ

আর পাহাড়গুলো হয়ে যাবে ঝরঝরা বালির স্তূপ (৭৩:১৪)

وَكَانَتِ الْجِبَالُ كَثِيبًا مَّهِيلًا

বালুর স্তূপ

كَثِيبٌ

আর পাহাড়গুলো হয়ে যাবে ঝরঝরা বালির স্তূপ (৭৩:১৪)

وَكَانَتِ الْجِبَالُ كَثِيبًا مَّهِيلًا

চলমান

مَهِيلٌ

পালিয়ে যাচ্ছে সিংহের থেকে (৭৪:৫১)

فَرَّتْ مِن قَسْوَرَةٍ

সিংহ

قَسْوَرَةٌ

আমি শপথ করছি আ‌ত্মসমালোচক আ‌ত্মার (৭৫:২)

أُقْسِمُ بِالنَّفْسِ اللَّوَّامَةِ

তিরস্কারকারিণী প্রাণ, অতিনিন্দুকিনী, অনুশোচনাকারিনী

لَوَّامَةٌ

যখন এটি গলায় এসে পৌঁছুবে (৭৫:২৬)

إِذَا بَلَغَتِ التَّرَاقِيَ

কণ্ঠ হাড়

تُرْقُوَةٌ ج تَرَاقٍ

তারা ধারণা করবে যে, তাদের সাথে কোমর-ভাঙ্গা আচরণ করা হবে (৭৫:২৫)

تَظُنُّ أَن يُفْعَلَ بِهَا فَاقِرَةٌ

কোমর ভাঙ্গা আচরণ

فَاقِرَةٌ

এবং বলা হবে, কে ঝাড়বে (৭৫:২৭)

وَقِيلَ مَنْ ۜ رَاقٍ

ঝাড়ফুঁক কারী

رَاقٍ

এবং গোছা গোছার সাথে জড়িত হয়ে যাবে (৭৫:২৯)

وَالْتَفَّتِ السَّاقُ بِالسَّاقِ

জড়িয়ে যাওয়া

الْتَفَّ-يَلْتِفُّ

মানুষ কি মনে করে যে, তাকে এমনি ছেড়ে দেয়া হবে? (৭৫:৩৬)

أَيَحْسَبُ الْإِنسَانُ أَن يُتْرَكَ سُدًى

এমনি

سُدًى

তারা পান করবে পাত্র থেকে, তার মিশ্রণ হবে কর্পূরের (৭৬-৫)

يَشْرَبُونَ مِن كَأْسٍ كَانَ مِزَاجُهَا كَافُورًا

কাফুর, কর্পূর

كَافُورٌ

আপনি তাদের মুখমন্ডলে স্বাচ্ছন্দ্যের সজীবতা দেখতে পাবেন (৮৩:২৪)

تَعْرِفُ فِي وُجُوهِهِمْ نَضْرَةَ النَّعِيمِ

উজ্জ্বলতা, সজীবতা

نَضْرَةٌ

আর তাদেরকে সেখানে পান করানো হবে এমন পাত্র থেকে যার মিশ্রণ আদার (৭৬:১৭)

وَيُسْقَوْنَ فِيهَا كَأْسًا كَانَ مِزَاجُهَا زَنجَبِيلًا

আদা

زَنْجَبِيلٌ

আর তাদের প্রদক্ষিণ করবে চিরস্ফুটিত কিশোরগণ (৭৬:১৯)

وَيَطُوفُ عَلَيْهِمْ وِلْدَانٌ مُّخَلَّدُونَ

চিরকিশোর, অমরসংগী

مُخَلَّدٌ ج مُخَلَّدُونَ

আর যখন রসূলগণকে নির্ধারিত সময়ে নিয়ে আসা হবে (৭৭:১১)

وَإِذَا الرُّسُلُ أُقِّتَتْ

সময় হওয়া

أَقَّتَ-يُؤَقِّتُ

সমবয়স্কা, পূর্ণযৌবনা তরুণী (৭৮:৩৩)

وَكَوَاعِبَ أَتْرَابًا

নব্য যুবতী/ পূর্ণ যৌবনা

كَاعِبٌ ج كَوَاعِبُ

শপথ সেই ফেরেশতাগণের, যারা ডুব দিয়ে আত্মা উৎপাটন করে (৭৯:১)

وَالنَّازِعَاتِ غَرْقًا

টেনেহিঁচড়ে প্রাণ সংহারকারী ফেরেশতা,

نَازِعَةٌ ج نَازِعَاتٌ

শপথ তাদের, যারা আত্মার বাঁধন খুলে দেয় মৃদুভাবে (৭৯:২)

وَالنَّاشِطَاتِ نَشْطًا

দেহ থেকে আত্মার বাঁধন উন্মুক্তকারী ফেরেশতা

نَاشِطَةٌ ج نَاشِطَاتٌ

শপথ তাদের, যারা আত্মার বাঁধন খুলে দেয় মৃদুভাবে (৭৯:২)

وَالنَّاشِطَاتِ نَشْطًا

বাঁধন মৃদুভাবে খোলা

نَشْطٌ

তারা বলছে -- ''আমরা কি ফিব্রে যাব প্রথমাবস্থায়? (৭৯:১০)

يَقُولُونَ أَإِنَّا لَمَرْدُودُونَ فِي الْحَافِرَةِ

পূর্বাবস্থা, আদি সৃষ্টি

حَافِرَةٌ

তিনি ভ্রূকুঞ্চিত করলেন এবং মুখ ফিরিয়ে নিলেন (৮০:১)

عَبَسَ وَتَوَلَّىٰ

ভ্রূ কুঞ্চিত করা

عَبَسَ-يَعْبَسُ

আর রাত্রিকে যখন বিগত হয়ে যায় (৮১:১৭)

وَاللَّيْلِ إِذَا عَسْعَسَ

অবসান ঘটা/ বিদায় নেয়া

عَسْعَسَ

আর প্রভাত যখন উজ্জ্বল হতে থাকে (৮১:১৮)

وَالصُّبْحِ إِذَا تَنَفَّسَ

নিঃশ্বাস নেয়া, আগমন করা

تَنَفَّسَ-يَتَنَفَّسُ

আর যখন কবরগুলো উন্মোচিত হবে (৮২:৪)

وَإِذَا الْقُبُورُ بُعْثِرَتْ

উন্মোচন করা, উপড়ে ফেলা, অনুসন্ধান করা

بَعْثَرَ-يُبَعْثِرُ

যারা মানুষের কাছ থেকে যখন মেপে নেয় তখন পুরো মাপ চায় (৮৩:২)

الَّذِينَ إِذَا اكْتَالُوا عَلَى النَّاسِ يَسْتَوْفُونَ

পূর্ণ দাবি করা

اِسْتَوْفَى

তারা যা অর্জন করে চলেছিল তা তাদের হৃদয়ে মরচে ধরিয়েছে (৮৩:১৪)

رَانَ عَلَىٰ قُلُوبِهِم مَّا كَانُوا يَكْسِبُونَ

মরিচা পড়া

رَانَ-يَرِينُ

তারা সেদিন তাদের পালনকর্তার থেকে পর্দার অন্তরালে থাকবে (৮৩:১৫)

إِنَّهُمْ عَن رَّبِّهِمْ يَوْمَئِذٍ لَّمَحْجُوبُونَ

পর্দাবৃত, আবরণে ঢাকা, বাধাপ্রাপ্ত

مَحْجُوبٌ ج مَحْجُوبُونَ

তার মোহর হবে কস্তুরী (৮৩:২৬)

خِتَامُهُ مِسْكٌ

মিশক

مِسْكٌ

এবং তারা যখন তাদের কাছ দিয়ে গমন করত তখন পরস্পরে চোখ টিপে ইশারা করত (৮৩:৩০)

وَإِذَا مَرُّوا بِهِمْ يَتَغَامَزُونَ

চোখ টেপা

تَغَامَزَ-يَتَغَامَزُ

শপথ আকাশের এবং রাত্রিতে আগমনকারীর (৮৬:১)

وَالسَّمَاءِ وَالطَّارِقِ

রাতে আগমনকারী

طَارِقٌ

তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে সবেগে-স্খলিত পানি থেকে (৮৬:৬)

خُلِقَ مِن مَّاءٍ دَافِقٍ

সবেগে স্খলিত

دَافِقٌ

নির্গত হয় মেরুদন্ড ও বক্ষপাজরের মধ্য থেকে (৮৬:৭)

يَخْرُجُ مِن بَيْنِ الصُّلْبِ وَالتَّرَائِبِ

পাঁজর, বক্ষস্থ হাড়

تَرِيبَةٌ ج تَرَائِبُ

এটা তাদেরকে পুষ্ট করবে না এবং ক্ষুধাও মিটাবে না (৮৮:৭)

لَّا يُسْمِنُ وَلَا يُغْنِي مِن جُوعٍ

পুষ্টিসাধন করা

أسْمَنَ-يُسْمِنُ

এবং পৃথিবীর দিকে যে, তা কিভাবে সমতল বিছানো হয়েছে (৮৮:২০)

وَإِلَى الْأَرْضِ كَيْفَ سُطِحَتْ

বিছিয়ে দেয়া

سَطحَ

কসম জোড় ও বেজোড়-এর (৮৯:৩)

وَالشَّفْعِ وَالْوَتْرِ

জোড়

شَفْعٌ

কসম জোড় ও বেজোড়-এর (৮৯:৩)

وَالشَّفْعِ وَالْوَتْرِ

বিজোড়

وَتْرٌ

আর একটি জিহবা ও দুটি ঠোঁট (৯০:৯)

وَلِسَانًا وَشَفَتَيْنِ

ঠোঁট

شَفَةٌ

আর রাত্রির, যখন তা অন্ধকার ছড়িয়ে দেয় (৯৩:২)

وَاللَّيْلِ إِذَا سَجَىٰ

গভীর হওয়া, নিঝুম হওয়া

سَجَا-يَسْجُو

শপথ ডুমুরের, আর জলপাইয়ের (৯৫:১)

وَالتِّينِ وَالزَّيْتُونِ

ডুমুর

تِينٌ

আমিও আহবান করব জাহান্নামের প্রহরীদেরকে (৯৬:১৮)

سَنَدْعُ الزَّبَانِيَةَ

জাহান্নামের প্রহরী

زَبَانِيَةٌ

আহলে-কিতাব ও মুশরেকদের মধ্যে যারা কাফের ছিল (৯৮: ১)

مِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ وَالْمُشْرِكِينَ مُنفَكِّينَ

সরে আসা/ ফিরে আসা

مُنْفَكٌّ ج مُنْفَكُّونَ

অতঃপর ক্ষুরাঘাতে অগ্নিবিচ্ছুরক অশ্বসমূহের (১০০-২)

فَالْمُورِيَاتِ قَدْحًا

অগ্নিস্ফুলিঙ্গ বিচ্ছুরক

مُوْرِيَةٌ ج مُوْرِيَاتٌ

অতঃপর প্রভাতকালে আক্রমণকারী অশ্বসমূহের (১০০-৩)

فَالْمُغِيرَاتِ صُبْحًا

আক্রমণকারী

مُغِيرَةٌ ج مُغِيرَاتٌ

যেদিন মানুষ হবে বিক্ষিপ্ত পতংগের মত (১০১-৪)

يَوْمَ يَكُونُ النَّاسُ كَالْفَرَاشِ الْمَبْثُوثِ

পতঙ্গ

فَرَاشٌ

 

 

ধুনিত

مَنْفُوشٌ

আপনি কি দেখেননি আপনার পালনকর্তা হস্তীবাহিনীর সাথে কিরূপ ব্যবহার করেছেন? (১০৫-১)

أَلَمْ تَرَ كَيْفَ فَعَلَ رَبُّكَ بِأَصْحَابِ الْفِيلِ

হাতী

فِيْلٌ

কোরাইশের আসক্তির কারণে, (১০৬-১)

لِإِيلَافِ قُرَيْشٍ

আকর্ষণ, আসক্তি, নিরাপত্তা

إيلَافٌ

যে আপনার শত্রু, সেই তো লেজকাটা, নির্বংশ। (১০৮-৩)

إِنَّ شَانِئَكَ هُوَ الْأَبْتَرُ

নির্বংশ, লেজকাটা

أَبْتَرُ

তার অনিষ্ট থেকে, যে কুমন্ত্রণা দেয় ও আত্নগোপন করে, (১১৪-৪)

مِن شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ

গোপনে প্ররোচনা দাতা

خَنَّاسٌ

 

কোর্স বিষয়বস্তু

11 চ্যাপ্টার • 79 পাঠ