নিশ্চয় তিনি জানেন প্রকাশ্য ও গোপন বিষয়। (৮৭-৭)

إِنَّهُ يَعْلَمُ الْجَهْرَ وَمَا يَخْفَىٰ

গোপন থাকা, লুকিয়ে থাকা, অজ্ঞাত থাকা

خَفِيَ- يَخْفَى (خُفْيَةٌ)

আর তোমার পরওয়ারদেগার থেকে গোপন থাকে না একটি কনাও। (১০-৬১)

وَمَا يَعْزُبُ عَن رَّبِّكَ مِن مِّثْقَالِ

অগোচরে যাওয়া, গোপন থাকা

عَزبَ-يَعْزِبُ

অনন্তর যখন তারা বৃক্ষ আস্বাদন করল, তাদের লজ্জাস্থান তাদের সামনে খুলে গেল(-২২)

فَلَمَّا ذَاقَا الشَّجَرَةَ بَدَتْ لَهُمَا سَوْآتُهُمَا

প্রকাশ পাওয়া, ফাঁস হওয়া, বাস করা

بَدَا-يَبْدُو

নির্লজ্জতার কাছেও যেয়ো না, প্রকাশ্য হোক কিংবা অপ্রকাশ্য। (৬-১৫১)

وَلَا تَقْرَبُوا الْفَوَاحِشَ مَا ظَهَرَ مِنْهَا وَمَا بَطَنَ

প্রকাশিত হওয়া, জয়ী হওয়া,

ظَهَرَ-يَظْهَرُ

এখন সত্য কথা প্রকাশ হয়ে গেছে। (১২-৫১)

الْآنَ حَصْحَصَ الْحَقُّ

প্রকাশ হওয়া, প্রমাণ হওয়া

حَصْحَصَ-يُحَصْحِصُ

আপনি অন্তরে এমন বিষয় গোপন করছিলেন,যা আল্লাহ পাক প্রকাশ করে দেবেন। (৩৩-৩৭)

وَتُخْفِي فِي نَفْسِكَ مَا اللَّهُ مُبْدِيهِ

প্রকাশকারী, ফাঁসকারী

مُبْدٍ

তিনিই সেই আল্লাহ, যিনি তোমাদের আকৃতি গঠন করেন মায়ের গর্ভে। (৩-৬)

هُوَ الَّذِي يُصَوِّرُكُمْ فِي الْأَرْحَامِ

আকৃতি দেয়া

صَوَّرَ-يُصَوِّرُ

যিনি তোমাকে তাঁর ইচ্ছামত আকৃতিতে গঠন করেছেন। (৮২-৮)

فِي أَيِّ صُورَةٍ مَّا شَاءَ رَكَّبَكَ

গঠন করা

رَكَّبَ-يُرَكِّبُ

তিনিই আল্লাহ তাআলা,স্রষ্টা, উদ্ভাবক, রূপদাতা। (৫৯-২৪)

 هُوَ اللَّهُ الْخَالِقُ الْبَارِئُ الْمُصَوِّرُ

আকৃতিদাতা, রূপকর,

مُصَوِّرٌ

তাতে কিছু আয়াত রয়েছে সুস্পষ্ট। (৩-৭)

مِنْهُ آيَاتٌ مُّحْكَمَاتٌ

সুস্পষ্ট, সুদৃঢ়, অবধারিত

مُحْكَمَةٌ ج مُحْكَمَاتٌ

তারা এদের সম্পর্কে প্রকাশ্য প্রমাণ উপস্থিত করে না কেন? (১৮-১৫)

لَّوْلَا يَأْتُونَ عَلَيْهِم بِسُلْطَانٍ بَيِّنٍ

সুস্পষ্ট বর্ণনা করা,

بَيِّنٌ

আমি তো সুস্পষ্ট আয়াত সমূহ অবর্তীর্ণ করেছি। (২৪-৪৬)

لَّقَدْ أَنزَلْنَا آيَاتٍ مُّبَيِّنَاتٍ

স্পষ্টকারী, স্পষ্ট প্রকাশক,

مُبَيِّنَةٌ ج مُبَيِّنَاتٌ

আমি উভয়কে দিয়েছিলাম সুস্পষ্ট কিতাব। (৩৭-১১৭)

وَآتَيْنَاهُمَا الْكِتَابَ الْمُسْتَبِينَ

স্পষ্টকারী, স্পষ্ট প্রকাশক, সুস্পষ্ট

مُسْتَبِينٌ

যাতে তোমাদের মাঝে নিজেদের কাজের ব্যাপারে কোন সন্দেহ-সংশয় না থাকে। (১০-৭১)

لَا يَكُنْ أَمْرُكُمْ عَلَيْكُمْ غُمَّةً

অস্পষ্ট

غُمَّةٌ

আর সেগুলোর ব্যাখ্যা আল্লাহ ব্যতীত কেউ জানে না। (৩-৭)

وَمَا يَعْلَمُ تَأْوِيلَهُ إِلَّا اللَّهُ

ব্যাখ্যা, বাস্তবায়ন, পরিণতি

تَأْوِيلٌ

আমি আপনার প্রতি গ্রন্থ নাযিল করেছি যেটি এমন যে তা প্রত্যেক বস্তুর সুস্পষ্ট বর্ণনা। (১৬-৮৯)

وَنَزَّلْنَا عَلَيْكَ الْكِتَابَ تِبْيَانًا لِّكُلِّ شَيْءٍ

সুস্পষ্ট ভাষ্য, বিশদ বিবরণ, ব্যাখ্যা

تِبْيَانٌ، بَيَانٌ

তার সঠিক জওয়াব ও সুন্দর ব্যাখ্যা দান করি। (২৫-৩৩)

جِئْنَاكَ بِالْحَقِّ وَأَحْسَنَ تَفْسِيرًا

ব্যাখ্যা

تَفْسِيرٌ

তুমিই সব কিছুর দাতা। (৩-৮)

إِنَّكَ أَنتَ الْوَهَّابُ

দাতা

وَهَّابٌ

হে আমাদের পালনকর্তা! তুমি মানুষকে একদিন অবশ্যই একত্রিত করবেঃ এতে কোনই সন্দেহ নেই। (৩-৯)

رَبَّنَا إِنَّكَ جَامِعُ النَّاسِ لِيَوْمٍ لَّا رَيْبَ فِيهِ

একত্রকারী,জমাকারী

جَامِعٌ

এবং শহরে বন্দরে লোক পাঠিয়ে দিন লোকদের সমবেত করার জন্য। (-১১১)

وَأَرْسِلْ فِي الْمَدَائِنِ حَاشِرِينَ

সমবেতকারী, সংগ্রাহক

حَاشِرٌ ج حَاشِرُونَ

উহা এমন একদিন, যে দিন সব মানুষেই সমবেত হবে(১১-১০৩)

ذَٰلِكَ يَوْمٌ مَّجْمُوعٌ لَّهُ النَّاسُ

সমবেত, একত্রিত, সম্মিলিত

مَجْمُوعٌ ج مَجْمُعُونَ

আর পক্ষীকুলকেও,যারা তার কাছে সমবেত হত। (৩৮-১৯)

وَالطَّيْرَ مَحْشُورَةً

সমবেত, একীভূত, দলবদ্ধ

مَحْشُورَةٌ

আমরা ছিলাম বিভিন্ন পথে বিভক্ত। (৭২-১১)

كُنَّا طَرَائِقَ قِدَدًا

পৃথক

قُدَّةٌ ج قِدَدٌ

তাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি কখনও কাজে আসবে না। (৩-১০)

لَن تُغْنِيَ عَنْهُمْ أَمْوَالُهُمْ وَلَا أَوْلَادُهُم

কাজে আসা

أَغْنَى- يُغْنِي

এবং ভয় কর এমন এক দিবসকে, যখন পিতা পুত্রের কোন কাজে আসবে না। (৩১-৩৩)

وَاخْشَوْا يَوْمًا لَّا يَجْزِي وَالِدٌ عَن وَلَدِهِ

উপকারী, উপকারকারী, বিনিময় দাতা

جَازٍ

ফেরআউনের সম্প্রদায় এবং তাদের পূর্ববর্তীদের ধারা অনুযায়ীই ... (৩-১১)

كَدَأْبِ آلِ فِرْعَوْنَ وَالَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ

স্বভাব, ধারা

دَأْبٌ

এবং আল্লাহর রীতি-নীতিতে কোন রকম বিচ্যুতিও পাবেন না। (৩৫-৪৩)

وَلَن تَجِدَ لِسُنَّتِ اللَّهِ تَحْوِيلًا

সুন্নাত, তরীকা, পন্থা, প্রথা, রীতিনীত

سُنَّةٌ ج سُنَنٌ

প্রত্যেকেই নিজ রীতি অনুযায়ী কাজ করে। (১৭-৮৪)

كُلٌّ يَعْمَلُ عَلَىٰ شَاكِلَتِهِ

অনুরূপ,সমরূপ,ত্বরিকা,পদ্ধতি,রীতিনীতি,প্রথা

شَاكِلَةٌ

আপনি অবশ্যই মহান চরিত্রের অধিকারী। (৬৮-৪)

وَإِنَّكَ لَعَلَىٰ خُلُقٍ عَظِيمٍ

চরিত্র, সৃষ্টিগত স্বভাব, নীতি

خُلُقٌ

তিনি পাশাপাশি দুই দরিয়া প্রবাহিত করেছেন। (৫৫-১৯)

مَرَجَ الْبَحْرَيْنِ يَلْتَقِيَانِ

মুখোমুখি হওয়া

اِلْتَقَى-يَلْتَقِي

আর আল্লাহ যাকে নিজের সাহায্যের মাধ্যমে শক্তি দান করেন। (৩-১৩)

وَاللَّهُ يُؤَيِّدُ بِنَصْرِهِ مَن يَشَاءُ

শক্তিশালী করা, শক্তি যোগানো, সাহায্য করা

أَيَّدَ-يُؤَيِّدُ

তখন আমি তাদেরকে শক্তিশালী করলাম তৃতীয় একজনের মাধ্যমে। (৩৬-১৪)

فَعَزَّزْنَا بِثَالِثٍ

সম্মানিত করা,শক্তিশালী করা,সবল করা,

عَزَّزَ-يُعَزِّزُ

হে আমার পালনকর্তা, তুমি আমাকে সামর্থ দাও যাতে আমি তোমার নিয়ামতের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারি। (২৭-১৯)

رَبِّ أَوْزِعْنِي أَنْ أَشْكُرَ نِعْمَتَكَ

আমাকে শক্তি দাও,আমাকে সামর্থ দাও

 

أَوْزَعَ-يُوْزِعُ

আল্লাহ নস্যাৎ করে দেবেন কাফেরদের সমস্ত কলা-কৌশল। (৮-১৮)

اللَّهَ مُوهِنُ كَيْدِ الْكَافِرِينَ

যিনি (নস্যাত,অকার্যকর,দুর্বল) করেন

مُوْهِنٌ

তাদের কাহিনীতে বুদ্ধিমানদের জন্য রয়েছে প্রচুর শিক্ষণীয় বিষয়। (১২-১১১)

لَقَدْ كَانَ فِي قَصَصِهِمْ عِبْرَةٌ لِّأُولِي الْأَلْبَابِ

শিক্ষণীয়, দৃষ্টান্ত

عِبْرَةٌ

তাদের পূর্বে অনুরূপ অনেক শাস্তিপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠী অতিক্রান্ত হয়েছে। (১৩-৬)

قَدْ خَلَتْ مِن قَبْلِهِمُ الْمَثُلَاتُ

দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি,শাস্তির দৃষ্টান্ত

مَثُلَاتٌ

অতএব, হে চক্ষুষ্মান ব্যক্তিগণ, তোমরা শিক্ষা গ্রহণ কর। (৫৯-২)

فَاعْتَبِرُوا يَا أُولِي الْأَبْصَارِ

শিক্ষা নেয়া

اِعْتَبَرَ-يَعْتَبِرُ

মানবকূলকে মোহগ্রস্ত করেছে নারী, সন্তান-সন্ততি, রাশিকৃত স্বর্ণ-রৌপ্য এবং চিহ্নিত অশ্ব। (৩-১৪)

زُيِّنَ لِلنَّاسِ حُبُّ الشَّهَوَاتِ مِنَ النِّسَاءِ وَالْبَنِينَ وَالْقَنَاطِيرِ الْمُقَنطَرَةِ مِنَ الذَّهَبِ وَالْفِضَّةِ وَالْخَيْلِ الْمُسَوَّمَةِ

স্তূপ

قِنْطَارٌ ج قَنَاطِيرُ

 

 

স্তূপীকৃত

مُقَنْطَرَةٌ

অতঃপর তাকে স্তরে স্তরে রাখেন। (২৪-৪৩)

ثُمَّ يَجْعَلُهُ رُكَامًا

পঞ্জীভূত,একত্র,স্তরে স্তরে সন্নিবেশিত, স্তরবিশিষ্ট

رُكَامٌ

(رَكَمَ-يَرْكُمُ)

পুঞ্জীভুত মেঘ। (৫২-৪৪)

سَحَابٌ مَّرْكُومٌ

পুঞ্জীভূত

مَرْكُومٌ

 

 

স্বর্ণ

ذَهَبٌ

 

 

রৌপ্য

فِضَّةٌ

 

 

ঘোড়া

خَيْلٌ

উৎকৃষ্ট অশ্বরাজি। (৩৮-১১)

الصَّافِنَاتُ الْجِيَادُ

অতিদ্রুতগামী অশ্ব

صَافِنَةٌ ج صَافِنَاتٌ

আর প্রস্তুত কর তাদের সাথে যুদ্ধের জন্য যাই কিছু সংগ্রহ করতে পার নিজের শক্তি সামর্থ্যের মধ্যে থেকে এবং পালিত ঘোড়া থেকে(-৬০)

وَأَعِدُّوا لَهُم مَّا اسْتَطَعْتُم مِّن قُوَّةٍ وَمِن رِّبَاطِ الْخَيْلِ

পালিত ঘোড়া,দড়ি দ্বারা আবদ্ধ ঘোড়া

 

رِبَاطُ الخَيْلِ

উৎকৃষ্ট অশ্বরাজি। (৩৮-১১)

الصَّافِنَاتُ الْجِيَادُ

দ্রুতগামী অশ্বপাল

جَوَادٌ ج جِيَادٌ

 

 

 

مُسَوَّمٌ

আল্লাহর নিকটই হলো উত্তম আশ্রয়। (৩-১৪)

وَاللَّهُ عِندَهُ حُسْنُ الْمَآبِ

আশ্রয়স্থল, গন্তব্যস্থল, প্রত্যাবর্তনস্থল

مَآبٌ

কোনো আশ্রয়স্থল আছে কি? (৫০-৩৬)

هَلْ مِن مَّحِيصٍ

আশ্রয়স্থল, পালানোর জায়গা,

مَحِيصٌ

চমৎকার প্রতিদান এবং কত উত্তম আশ্রয়। (১৮-৩১)

نِعْمَ الثَّوَابُ وَحَسُنَتْ مُرْتَفَقًا

আশ্রয়স্থল, সাহায্যের স্থান,

مُرْتَفَقٌ

তারা কোন আশ্রয়স্থল পেলে। (৯-৫৭)

لَوْ يَجِدُونَ مَلْجَأً

আশ্রয়স্থান, আশ্রয়স্থল,পানাহ,

مَلْجَأٌ

এবং তিনি ব্যতীত আমি কোন আশ্রয়স্থল পাব না। (৭২-২২)

وَلَنْ أَجِدَ مِن دُونِهِ مُلْتَحَدًا

একজন আশ্রয়প্রার্থী,যে কোন আশ্রয়প্রার্থী

مُلْتَحَدٌ

কাজেই তুমি তাদের ভেবো না যে তারা শাস্তি থেকে নিরাপদ। (৩-১৮৮)

فَلَا تَحْسَبَنَّهُم بِمَفَازَةٍ مِّنَ الْعَذَابِ

অব্যাহতি লাভ , সফলতা,

مَفَازَةٌ

যা থেকে তারা সরে যাওয়ার জায়গা পাবে না। (১৮-৫৮)

لَّن يَجِدُوا مِن دُونِهِ مَوْئِلًا

সরে যাওয়া, পালিয়ে যাওয়া,

مَوْئِلٌ

না কোথাও আশ্রয়স্থল নেই। (৭৫-১১)

كَلَّا لَا وَزَرَ

আশ্রয়স্থল, সফলতা,

وَزَرٌ

পলায়নের জায়গা কোথায় ? (৭৫-১০)

أَيْنَ الْمَفَرُّ

পালিয়ে যাওয়া,সরে পরা, কেটে পরা

مَفَرٌّ

যে কেউ আল্লাহর পথে দেশত্যাগ করে, সে এর বিনিময়ে অনেক স্থান ও সচ্ছলতা প্রাপ্ত হবে। (৪-১০০)

وَمَن يُهَاجِرْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ يَجِدْ فِي الْأَرْضِ مُرَاغَمًا كَثِيرًا وَسَعَةً

আশ্রয়স্থল,ধূলি, স্থানহিজরতভূমি, প্রবাসালয়,

مُرَاغَمٌ

কোর্স বিষয়বস্তু

11 চ্যাপ্টার • 79 পাঠ