প্রত্যেক লোকসকল তাদের পানিপানেরস্থান চিনে নিলো। (২:৬০) |
قَدْ عَلِمَ كُلُّ أُنَاسٍ مَّشْرَبَهُمْ |
পানিপানেরস্থান |
مَشْرَبٌ (ج) مَشَارِبُ |
এবং সেটা অতীব নিকৃষ্ট অবতরণস্থল। (১১:৯৮) |
وَبِئْسَ الْوِرْدُ الْمَوْرُودُ |
অবতরণস্থল, জলাশয়ের ঘাট, |
وِرْدٌ |
যে কেউ সেখান থেকে পান করবে সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়। (২:২৪৯) |
فَمَن شَرِبَ مِنْهُ فَلَيْسَ مِنِّي |
পানকরা |
شَرِبَ-يَشْرَبُ (شُرْبٌ) |
ঢোক গিলে তা পান করবে এবং গলার ভিতরে প্রবেশ করতে পারবে না। (১৪:১৭) |
يَتَجَرَّعُهُ وَلَا يَكَادُ يُسِيغُهُ |
ঢোকে ঢোকে গেলা, কষ্ট করে পান করা |
تَجَرَّعَ-يَتَجَرَّعُ |
এবং তোমাদের জন্যে আছে পানি পানের পালা নির্দিষ্ট এক দিনের। (২৬:১৫৫) |
وَلَكُمْ شِرْبُ يَوْمٍ مَّعْلُومٍ |
পান করার পালা, পানের সময়, নালা, |
شِرْبٌ |
তার পেট থেকে বিভিন্ন রঙে পানীয় নির্গত হয়। (১৬:৬৯) |
يَخْرُجُ مِن بُطُونِهَا شَرَابٌ |
পানীয়, শরবত, শরাব |
شَرَابٌ |
পানকারীদের জন্যে সুস্বাদু শরাবের নহর এবং পরিশোধিত মধুর নহর। (৪৭:১৫) |
خَمْرٍ لَّذَّةٍ لِّلشَّارِبِينَ وَأَنْهَارٌ مِّنْ عَسَلٍ مُّصَفًّى |
পানকারী, গলাধঃকরণকারী |
شَارِبٌ (ج) شَارِبُونَ |
তাদের জন্যে কোন খাদ্য নেই কন্টকপূর্ণ ঝাড় ব্যতীত। (৮৮:৬) |
لَّيْسَ لَهُمْ طَعَامٌ إِلَّا مِن ضَرِيعٍ |
খাদ্য |
طَعَامٌ |
তাতে তার খাদ্যের ব্যবস্থা করেছেন চার দিনের মধ্যে। (৪১:১০) |
وَقَدَّرَ فِيهَا أَقْوَاتَهَا فِي أَرْبَعَةِ أَيَّامٍ |
আহার্য, খাদ্য, রিজিক, খোরাক |
قُوتٌ ج أَقْوَاتٌ |
অতঃপর তিনি তাদেরকে ভক্ষিত তৃণসদৃশ করে দেন। (১০৫:৫)
|
فَجَعَلَهُمْ كَعَصْفٍ مَّأْكُولٍ |
ভক্ষিত, ভোজ্য, খাদ্য |
مَأْكُولٌ |
এবং সর্বপ্রকার সুদৃশ্য উদ্ভিদ উৎপন্ন করে।(২২:৫) |
وَأَنبَتَتْ مِن كُلِّ زَوْجٍ بَهِيجٍ |
উৎপন্নকরা |
أَنْبَتَ-يُنْبِتُ |
আহারকারীদের জন্যে তৈল ও ব্যঞ্জন উৎপন্ন করে। (২৩:২০) |
تَنبُتُ بِالدُّهْنِ وَصِبْغٍ لِّلْآكِلِينَ |
জন্মানো, গজানো, অঙ্কুরিত হওয়া |
نَبَتَ-يَنْبُتُ |
জমিতে উৎপন্ন হয় সেখান থেকে তরকারী। (২:৬১) |
تُنبِتُ الْأَرْضُ مِن بَقْلِهَا |
শাকসবজি, তরকারি |
بَقْلٌ |
আঙ্গুর, শাক-সব্জি। (৮০:২৮) |
وَعِنَبًا وَقَضْبًا |
শাকণ্ডসবজি, তরিতরকারি |
قَضْبٌ |
এবং সেখান থেকে শসা (২:৬১) |
وَقِثَّائِهَا |
শসা |
قِثَّاءٌ |
এবং সেখান থেকে গম (২:৬১) |
وَفُومِهَا |
গম, রসুন |
فُوْمٌ |
এবং সেখান থেকে মসুর ডাল (২:৬১) |
وَعَدَسِهَا |
ডাল, মসুর |
عَدَسٌ |
এবং সেখান থেকে পেয়াজ (২:৬১) |
وَبَصَلِهَا |
পিঁয়াজ |
بَصَلٌ |
আর যখন আমার বান্দারা তোমাকে জিজ্ঞেস করে আমার ব্যাপারে, বস্তুতঃ আমি রয়েছি সন্নিকটে। (২:১৮৬) |
وَإِذَا سَأَلَكَ عِبَادِي عَنِّي فَإِنِّي قَرِيبٌ |
চাওয়া, প্রশ্ন করা জানতে চাওয়া |
سَأَلَ-يَسَأَلُ (سُولٌ، سُؤَالٌ) |
তারা জান্নাতে পরস্পরে জিজ্ঞাসাবাদ করবে। (৭৪:৪০) |
فِي جَنَّاتٍ يَتَسَاءَلُونَ |
পরস্পরে জিজ্ঞাসাবাদ করা। |
تَسَائَلَ-يَتَسَائَلُ |
আপনি তাদেরকে জিজ্ঞেস করুন, তাদেরকে সৃষ্টি করা কঠিনতর, না আমি অন্য যা সৃষ্টি করেছি? (৩৭:১১) |
فَاسْتَفْتِهِمْ أَهُمْ أَشَدُّ خَلْقًا أَم مَّنْ خَلَقْنَا |
জানতে চাওয়া, জিজ্ঞাসা করা |
اِسْتَفْتَى-يَسْتَفْتِي |
আর তোমার কাছে সংবাদ জিজ্ঞেস করে, এটা কি সত্য? (১০:৫৩) |
وَيَسْتَنبِئُونَكَ أَحَقٌّ هُوَ |
সংবাদ জানতে চাওয়া, |
اِسْتَنْبَأَ-يَسْتَنْبِئُ |
তার সম্প্রদায়ের জবাব ছিল। (২৭:৫৬) |
كَانَ جَوَابَ قَوْمِهِ |
সাড়া, উত্তর, জবাব |
جَوَابٌ |
তাদের দৃষ্টি থাকবে ভীত-স্থম্ভিত; তারা হবে লাঞ্ছনাগ্রস্ত। (৭০:৪৪) |
خَاشِعَةً أَبْصَارُهُمْ تَرْهَقُهُمْ ذِلَّةٌ |
অপমান, লাঞ্ছনা |
ذِلَّةٌ |
যারা অপরাধ করছে, অতিসত্বর আল্লাহর পক্ষ থেকে তাদের উপর আপতিত হবে লাঞ্ছনা (৬:১২৪) |
سَيُصِيبُ الَّذِينَ أَجْرَمُوا صَغَارٌ عِندَ اللَّهِ |
লাঞ্ছনা, অপমান, তুচ্ছতা, গঞ্জনা |
صَغَارٌ |
সে অপমান সহ্য করে তাকে আগলে রাখবে, না তাকে মাটির নীচে পুতে ফেলবে। (১৬:৫৯) |
أَيُمْسِكُهُ عَلَىٰ هُونٍ أَمْ يَدُسُّهُ فِي التُّرَابِ |
নগণ্য, হীনতম, অতিলাঞ্ছিত, |
هُوْنٌ |
তাদের জন্য পৃথিবীতে লাঞ্ছনা। (৫:৩৩) |
لَهُمْ خِزْيٌ فِي الدُّنْيَا |
অপমান, লাঞ্ছনা, ধিক্কার, হেনস্থা |
خِزْيٌ |
নিশ্চয়ই যাবতীয় সম্মান শুধুমাত্র আল্লাহরই জন্য। (৪:১৩৯) |
فَإِنَّ الْعِزَّةَ لِلَّهِ جَمِيعًا |
ইজ্জত, সম্মান, মর্যাদা, |
عِزَّةٌ |
এবং তাদের উপর আরোপ করা হল লাঞ্ছনা ও দারিদ্রতা। (২:৬১) |
وَضُرِبَتْ عَلَيْهِمُ الذِّلَّةُ وَالْمَسْكَنَةُ |
দারিদ্র্য |
مَسْكَنَةٌ |
শয়তান তোমাদেরকে অভাব দরিদ্রতার ভয় দেখায় এবং অশ্লীলতার আদেশ দেয়। (২;২৬৮) |
الشَّيْطَانُ يَعِدُكُمُ الْفَقْرَ وَيَأْمُرُكُم بِالْفَحْشَاءِ |
দরিদ্রতা, দারিদ্র, দৈন্য |
فَقْرٌ |
আর যদি তোমরা দারিদ্রতার আশংকা কর, তবে আল্লাহ চাইলে নিজ করুনায় তোমাদের অভাবমুক্ত করে দেবেন। (৯:২৮) |
وَإِنْ خِفْتُمْ عَيْلَةً فَسَوْفَ يُغْنِيكُمُ اللَّهُ مِن فَضْلِهِ إِن شَاءَ |
অভাব, দারিদ্র, দরিদ্রতা, নিঃস্বতা, দুর্দশা, দুরাবস্থা |
عَيْلَةٌ |
সন্তানদেরকে দারিদ্রতার কারণে হত্যা করো না। (৬:১৫১) |
وَلَا تَقْتُلُوا أَوْلَادَكُم مِّنْ إِمْلَاقٍ |
দারিদ্র, অস্বচ্ছল |
إِمْلَاقٌ |
যারা স্বচ্ছলতায় ও দুরাবস্থার সময় ব্যয় করে। (৩:১৩৪) |
الَّذِينَ يُنفِقُونَ فِي السَّرَّاءِ وَالضَّرَّاءِ |
দুরাবস্থা, অসুবিধা, অসুখণ্ডবিসুখ |
ضَرَّاءُ |
এবং তারা নিজেরা অভাবগ্রস্ত হলেও তাদেরকে অগ্রাধিকার দান করে। (৫৯:৯) |
وَيُؤْثِرُونَ عَلَىٰ أَنفُسِهِمْ وَلَوْ كَانَ بِهِمْ خَصَاصَةٌ |
চরম অভাব, স্বতন্ত্র চাহিদা, ক্ষুধা, দৈন্য |
خَصَاصَةٌ |
অথবা ধুলি-ধুসরিত মিসকীনকে। (৯০:১৬)
|
أَوْ مِسْكِينًا ذَا مَتْرَبَةٍ |
নিঃস্বতা, অতীব দরিদ্র, ভিটাহীন, মিসকীন |
مَتْرَبَةٌ |
যারা স্বচ্ছলতায় ও দুরাবস্থার সময় ব্যয় করে। (৩:১৩৪) |
الَّذِينَ يُنفِقُونَ فِي السَّرَّاءِ وَالضَّرَّاءِ |
সচ্ছলতা |
سَرَّاءُ |
তোমাদের মধ্যে যারা উচ্চমর্যাদা ও আর্থিক প্রাচুর্যের অধিকারী। (২৪:২২) |
أُولُو الْفَضْلِ مِنكُمْ وَالسَّعَةِ |
প্রাচুর্য, প্রশস্ততা |
سَعَةٌ |
তাকে সুখভোগ করতে দেই দুঃখ কষ্টের পরে। (১১:১০) |
أَذَقْنَاهُ نَعْمَاءَ بَعْدَ ضَرَّاءَ |
নিয়ামত, অনুগ্রহ, দান, কৃপা |
نَعْمَاءُ |
যদি সে অভাবগ্রস্থ হয়, তবে তার সচ্ছলতা আসা পর্যন্ত দেখবে। (২:২৮০) |
وَإِن كَانَ ذُو عُسْرَةٍ فَنَظِرَةٌ إِلَىٰ مَيْسَرَةٍ |
স্বচ্ছলতা, সহজসাধ্যতা |
مَيسَرَةٌ |
যে আল্লাহর অসন্তুষ্টি অর্জন করেছে। (৩:১৬২) |
كَمَن بَاءَ بِسَخَطٍ مِّنَ اللَّهِ |
অর্জন করা, উপযুক্ত হওয়া, প্রত্যাবর্তন করা, আশ্রয় নেয়া |
بَاءَ-يَبُوءُ |
তারা ক্রোধের উপর ক্রোধ অর্জন করেছে। (২:৯০) |
فَبَاءُوا بِغَضَبٍ عَلَىٰ غَضَبٍ |
ক্রোধ, রাগ |
غَضَبٌ (غَضِبَ-يَغْضَبُ) |
যারা নিজেদের রাগকে সংবরণ করে আর মানুষকে ক্ষমা করে। (৩:১৩৪) |
وَالْكَاظِمِينَ الْغَيْظَ وَالْعَافِينَ عَنِ النَّاسِ |
রাগ, রোষ, ক্রোধ, মনস্তাপ, অন্তর্জ্বালা, আক্রোশ |
غَيْظٌ (غَاظَ-يَغِيظُ) |
যে আল্লাহর অসন্তুষ্টি অর্জন করেছে। (৩:১৬২) |
كَمَن بَاءَ بِسَخَطٍ مِّنَ اللَّهِ |
অসন্তুষ্টি, নাখোশ, অসন্তোষ, ক্ষোভ, ক্রোধ, |
سَخَطٌ (سَخِطَ-يَسْخَطُ) |
এটা এজন্যে যে, তারা সেই বিষয়ের অনুসরণ করে, যা আল্লাহর অসন্তোষ সৃষ্টি করে। (৪৭:২৮) |
ذَٰلِكَ بِأَنَّهُمُ اتَّبَعُوا مَا أَسْخَطَ اللَّهَ |
বিরক্ত করা, রাগানো, রুষ্ট করা, |
أَسْخَطَ-يُسْخِطُ |
যখন আমাকে ক্ষুদ্ধ করল তখন আমি তাদের কাছ থেকে প্রতিশোধ নিলাম। (৪৩:৫৫) |
فَلَمَّا آسَفُونَا انتَقَمْنَا مِنْهُمْ |
মর্মজ্বালা বাড়ানো, ক্ষুদ্ধ করা, মর্মাহত করা |
آسَفَ-يُؤَسِفُ |
এবং কত নাবীই তো আমি পূর্ববর্তী লোকদের মাঝে প্রেরণ করেছি। (৪৩:৬) |
وَكَمْ أَرْسَلْنَا مِن نَّبِيٍّ فِي الْأَوَّلِينَ |
পয়গম্বর, দূত |
نَبِيٌّ) ج (نَبِيُّونَ ، أَنْبِيَاء |
তোমাদের কাছে এসেছে তোমাদের মধ্য থেকেই একজন রসূল। (৯:১২৮) |
لَقَدْ جَاءَكُمْ رَسُولٌ مِّنْ أَنفُسِكُمْ |
রসূল, নবী, বার্তাবাহক, |
رَسُولٌ (ج) رُسُلٌ |
তারা বলেঃ আপনি প্রেরিত হননি। (১৩:৪৩) |
وَيَقُولُ الَّذِينَ كَفَرُوا لَسْتَ مُرْسَلًا |
রসূল, নবী, দূত, প্রেরিত, |
مُرْسَلٌ (ج) مُرْسَلُونَ |
অতঃপর সে মিথ্যারোপ করল এবং অবাধ্যতা করল। (৭৯:২১) |
فَكَذَّبَ وَعَصَىٰ |
অবাধ্যতাকরা |
عَصَى-يَعْصِي (عِصْيَانٌ، مَعْصِيَةٌ) |
নিশ্চয় যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের বিরুদ্ধাচারণ করে, তারাই লাঞ্ছিতদের অন্তর্ভুক্ত। (৫৮:২০)
|
إِنَّ الَّذِينَ يُحَادُّونَ اللَّهَ وَرَسُولَهُ أُولَٰئِكَ فِي الْأَذَلِّينَ |
বিরোধিতা করা, সীমালঙ্ঘন করা, শত্রুতা পোষণ করা, |
حَادَّ-يُحَادُّ |
যারা তাঁর আদেশের বিরুদ্ধাচরণ করে, তারা এ বিষয়ে সতর্ক হোক যে, বিপর্যয় তাদেরকে স্পর্শ করবে অথবা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি তাদেরকে গ্রাস করবে। (২৪:৬৩) |
فَلْيَحْذَرِ الَّذِينَ يُخَالِفُونَ عَنْ أَمْرِهِ أَن تُصِيبَهُمْ فِتْنَةٌ أَوْ يُصِيبَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ |
বিরোধিতা করা, মতবিরোধ করা |
خَالَفَ- يُخَالِفُ (خِلَافٌ) |
এবং তাদের পলায়নপরতাই বৃদ্ধি পায়। (২৫:৬০) |
وَزَادَهُمْ نُفُورًا |
ঘৃণা, দ্বেষ, দূরত্ব, বিচ্ছিন্নতা |
نُفُورٌ |
তোমাদের মধ্যে যে আল্লাহ ও তাঁর রসূলের অনুগত হবে। (৩৩:৩১) |
وَمَن يَقْنُتْ مِنكُنَّ لِلَّهِ وَرَسُولِهِ |
অনুগত থাকা |
قَنَتَ-يَقْنُتُ |
তারা এমন এক সম্প্রদায়ের কাছে গিয়ে পৌছাল, যার তাদের মূর্তিগুলোর নিকট অবস্থান করছিল। (৭:১৩৮) |
فَأَتَوْا عَلَىٰ قَوْمٍ يَعْكُفُونَ عَلَىٰ أَصْنَامٍ لَّهُمْ |
অবস্থান করা, জমে বসা, নিবেদন করা |
عَكَفَ-يَعْكُفُ |
তাদের আনুগত্য ও কথাবার্তা জানা আছে। (৪৭:২১) |
طَاعَةٌ وَقَوْلٌ مَّعْرُوفٌ |
আনুগত্য, বশ্যতা |
طَاعَةٌ |
এরপরও যে ব্যাক্তি সীমালঙ্ঘন করে, তার জন্য রয়েছে বেদনাদায়ক আযাব। (২:৭৮) |
فَمَنِ اعْتَدَىٰ بَعْدَ ذَٰلِكَ فَلَهُ عَذَابٌ أَلِيمٌ |
সীমালঙ্ঘনকরা |
اِعْتَدَى-يَعْتَدِي |
এবং তারা যখন ব্যয় করে, অপব্যয় করে না। (২৫:৬৭) |
وَالَّذِينَ إِذَا أَنفَقُوا لَمْ يُسْرِفُوا |
অপব্যয় করা, অমিতব্যয় করা, |
أَسْرَفَ-يُسْرِفُ |
অতঃপর যে ব্যক্তি সীমালংঘন করেছে। (৭৯:৩৭) |
فَأَمَّا مَن طَغَىٰ |
অবাধ্য হওয়া, সীমালঙ্ঘন করা, বিদ্রোহী হওয়া |
طَغَى-يَطْغَى |
হে আহলে-কিতাবগণ! তোমরা দ্বীনের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করো না। (৪:১৭১) |
يَا أَهْلَ الْكِتَابِ لَا تَغْلُوا فِي دِينِكُمْ |
বাড়াবাড়ি করা, সীমালঙ্ঘন করা, অতিরঞ্জিত করা |
غَلَا-يَغْلُو |
অতএব, আমাদের মধ্যে ন্যায়বিচার করুন, বাড়াবাড়ি করবেন না। আমাদেরকে সরল পথ প্রদর্শন করুন। (৩৮:২২) |
فَاحْكُم بَيْنَنَا بِالْحَقِّ وَلَا تُشْطِطْ وَاهْدِنَا إِلَىٰ سَوَاءِ الصِّرَاطِ |
সীমালঙ্ঘন করা, বাড়াবাড়ি করা, অতিরঞ্জিত করা, সীমা ছাড়ানো |
أَشَطَّ-يُشِطُّ |
যদি আল্লাহ তাঁর সকল বান্দাকে প্রচুর রিযিক দিতেন, তবে তারা পৃথিবীতে সীমালঙ্ঘন করত। (৪২:২৭) |
وَلَوْ بَسَطَ اللَّهُ الرِّزْقَ لِعِبَادِهِ لَبَغَوْا فِي الْأَرْضِ |
সীমালঙ্ঘন করা, বিদ্রোহ করা, কামনা করা, তালাশ করা |
بَغَى-يَبْغِي |
তিনি একে উচ্চ করেছেন ও সুবিন্যস্ত করেছেন। (৭৯:২৮) |
رَفَعَ سَمْكَهَا فَسَوَّاهَا |
উপরেউঠানো |
رَفَعَ-يَرْفَعُ |
আমি তুলে ধরলাম পাহাড়কে তাদের উপরে। (৭:১৭১) |
نَتَقْنَا الْجَبَلَ فَوْقَهُمْ |
উত্তোলন করা, তুলে ধরা |
نَتَقَ-يَنْتِقُ |
আল্লাহর দেয়া ব্যতীত কোন শক্তি নেই। (১৮:৩৯) |
لَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ |
দৃঢ়তা, শক্তি |
قُوَّةٌ (ج) قُوًى |
হে আমাদের রব! এবং আমাদের উপর ঐ বোঝা দিওনা, যা বহন করার সামর্থ্য আমাদের নাই। (২:২৮৬) |
رَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلْنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهِ |
সাধ্য, ক্ষমতা, সামর্থ্য |
طَاقَةٌ |
তিনি মহাশক্তিশালী। (১৩:১৩) |
هُوَ شَدِيدُ الْمِحَالِ |
কৌশল, কঠোর শাস্তি, প্রচণ্ড শক্তি |
مَحَالٌ |
আমি স্বীয় ক্ষমতাবলে আকাশ নির্মাণ করেছি এবং আমি অবশ্যই ব্যাপক ক্ষমতাশালী। (৫১:৪৭) |
وَالسَّمَاءَ بَنَيْنَاهَا بِأَيْدٍ وَإِنَّا لَمُوسِعُونَ |
শক্তি, বল, সাহায্য |
أَيْدٌ |
তার মাধ্যমে আমার কোমর মজবুত করুন। (২০:৩১) |
اشْدُدْ بِهِ أَزْرِي |
দৃঢ় করা, শক্তি, বল, মজবুত করা |
أَزْرٌ |
সহজাত শক্তিসম্পন্ন, সে নিজ আকৃতিতে প্রকাশ পেল। (৫৩:৬) |
ذُو مِرَّةٍ فَاسْتَوَىٰ |
শক্তি, ক্ষমতা, বল, দৃঢ়তা |
مِرَّةٌ |
তুমি কি তাকে দেখেছ, যে মুখ ফিরিয়ে নেয়। (৫৩:৩৩) |
أَفَرَأَيْتَ الَّذِي تَوَلَّىٰ |
মুখ ফিরিয়ে নেয়া |
تَوَلَّى-يَتَوَلَّى |
অতএব আপনি তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিন এবং অপেক্ষা করুন, তারাও অপেক্ষা করছে। (৩২:৩০) |
فَأَعْرِضْ عَنْهُمْ وَانتَظِرْ إِنَّهُم مُّنتَظِرُونَ |
বিমুখ হওয়া, মুখ ফিরানো, অবজ্ঞা করা |
أَعْرَضَ-يُعْرِضُ (إعْرَاضٌ) |
আল্লাহর আয়াত সমূহকে মিথ্যা বলে এবং এড়িয়ে চলে। (৬:১৫৭) |
كَذَّبَ بِآيَاتِ اللَّهِ وَصَدَفَ عَنْهَا |
পাশ কেটে যাওয়া, পার্শ্ববরণ করা, |
صَدَفَ-يَصْدِفُ |
জেনে রাখ, নিশ্চয়ই তারা নিজেদের বক্ষদেশ ঘুরিয়ে দেয় যেন আল্লাহর নিকট হতে লুকাতে পারে। (১১:৫) |
أَلَا إِنَّهُمْ يَثْنُونَ صُدُورَهُمْ لِيَسْتَخْفُوا مِنْهُ |
আক্রোশে পার্শ্ব ফেরা, মাথা নোয়ানো, |
ثَنَى-يَثْنِي |
আমি আমার মুখ ফিরালাম এমন একজনের দিকে যিনি যিনি নভোমন্ডল ও ভুমন্ডল সৃষ্টি করেছেন। (৬:৭৯) |
إِنِّي وَجَّهْتُ وَجْهِيَ لِلَّذِي فَطَرَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ |
মুখ করা |
وَجَّهَ-يُوَجِّهُ |
যখন তিনি মাদইয়ান অভিমুখে রওয়ানা হলেন তখন বললেন, আশা করা যায় আমার পালনকর্তা আমাকে সরল পথ দেখাবেন। (২৮:২২) |
وَلَمَّا تَوَجَّهَ تِلْقَاءَ مَدْيَنَ قَالَ عَسَىٰ رَبِّي أَن يَهْدِيَنِي سَوَاءَ السَّبِيلِ |
মুখ করা, মুখ ফিরানো, অভিমুখী হওয়া |
تَوَجَّهَ-يَتَوَجَّهُ |
এটা হল আল্লাহ-প্রদত্ত অনুগ্রহ। (৪:৭০) |
ذَٰلِكَ الْفَضْلُ مِنَ اللَّهِ |
অনুগ্রহ |
فَضْلٌ |
যদি আল্লাহর নিয়ামত গণনা কর, শেষ করতে পারবে না। (১৬:১৮) |
وَإِن تَعُدُّوا نِعْمَةَ اللَّهِ لَا تُحْصُوهَا |
নিয়ামত, অনুগ্রহ, দান, কৃপা, উপভোগ্য |
نِعْمَةٌ (ج) أَنْعُمٌ ، نِعَمٌ |
অতঃপর তুমি তোমার পালনকর্তার কোন অনুগ্রহকে মিথ্যা বলবে? (৫৩:৫৫) |
فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكَ تَتَمَارَىٰ |
অনুগ্রহ, দান করুণা, সম্পদ, নেয়ামত |
آلَاءٌ |
তোমাদের উপর আল্লাহর রহমত ও বরকত রয়েছে। (১১:৭৩) |
رَحْمَتُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ عَلَيْكُمْ |
বরকত, আশীর্বাদ, প্রাচূর্য, পর্যাপ্ত |
بَرَكَةٌ (ج) بَرَكَاتٌ |
হেদায়েত ও রহমত সৎকর্মপরায়ণদের জন্য। (৩১:৩) |
هُدًى وَرَحْمَةً لِّلْمُحْسِنِينَ |
দয়া, অনুকম্পা |
رَحْمَةٌ(رَحِمَ-يَرْحَمُ) |
পরস্পরকে উপদেশ দেয় সবরের ও উপদেশ দেয় দয়ার। (৯০:১৭) |
وَتَوَاصَوْا بِالصَّبْرِ وَتَوَاصَوْا بِالْمَرْحَمَةِ |
দয়া করা, অনুগ্রহ করা, রহম করা, |
مَرْحَمَةٌ |
তার চাইতে পবিত্রতায় ও ভালবাসায় ঘনিষ্ঠতর। (১৮:৮১) |
خَيْرًا مِّنْهُ زَكَاةً وَأَقْرَبَ رُحْمًا |
দয়া করা, অনুগ্রহ করা, রহম করা, |
رُحْمٌ |
আমি তার অনুসারীদের অন্তরে স্থাপন করেছি নম্রতা ও দয়া। (৫৭:২৭) |
وَجَعَلْنَا فِي قُلُوبِ الَّذِينَ اتَّبَعُوهُ رَأْفَةً وَرَحْمَةً |
কোমলহৃদয় হওয়া, হৃদয় গলা, দয়া করা, |
رَأْفَةٌ |
এবং নিজের পক্ষ থেকে কোমলতা ও পবিত্রতা দিয়েছি। (১৯:১৩) |
وَحَنَانًا مِّن لَّدُنَّا وَزَكَاةً |
কোমলতা, স্নেহ মমতা, ভালোবাসা, অনুরাগ, আগ্রহ |
حَنَانٌ |
আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। (১২:৮৭) |
وَلَا تَيْأَسُوا مِن رَّوْحِ اللَّهِ |
স্বাচ্ছন্দ্য, সুখ, সুশীতল বায়ু |
رَوْحٌ |
তোমরা তাদেরকে ভালরূপে জেনেছ, যারা শনিবারের ব্যাপারে সীমা লঙ্ঘণ করেছিল। (২:৬৫) |
وَلَقَدْ عَلِمْتُمُ الَّذِينَ اعْتَدَوْا مِنكُمْ فِي السَّبْتِ |
শনিবার |
اَلسَّبْتُ (سَبَتَ-يَسْبِتُ) |
আমি বলেছিলামঃ তোমরা লাঞ্ছিত বানর হয়ে যাও। (২:৬৫) |
فَقُلْنَا لَهُمْ كُونُوا قِرَدَةً خَاسِئِينَ |
বানর |
قِرْدٌ (ج) قِرَدَةٌ |
আমি বলেছিলামঃ তোমরা লাঞ্ছিত বানর হয়ে যাও। (২:৬৫) |
فَقُلْنَا لَهُمْ كُونُوا قِرَدَةً خَاسِئِينَ |
ধিকৃত, অপমানিত, লাঞ্ছিত, অক্ষম |
خَاسِئٌ (ج) خَاسِئُوْنَ |
ইহুদী ও খ্রীষ্টানরা বলে, আমরা আল্লাহর সন্তান ও তাঁর প্রিয়জন। (৫:১৮) |
وَقَالَتِ الْيَهُودُ وَالنَّصَارَىٰ نَحْنُ أَبْنَاءُ اللَّهِ وَأَحِبَّاؤُهُ |
বন্ধু, সুহৃদ, মিত্র, ঘনিষ্টজন, প্রিয়পাত্র, স্নেহধন্য |
حَبِيبٌ (ج) أَحِبَّاءُ |
তিনি জানেন যা কিছু তাদের সামনে ও পিছনে আছে। (২০:১১০) |
يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ |
পিছনে, পরে |
خَلْفَ |
কি তোমাদের কাছে আল্লাহর চেয়ে প্রভাবশালী? আর তোমরা তাকে পেছনে ফেলে রেখেছ। (১১:৯২) |
أَعَزُّ عَلَيْكُم مِّنَ اللَّهِ وَاتَّخَذْتُمُوهُ وَرَاءَكُمْ ظِهْرِيًّا |
পেছনে ফেলা বস্তু, পশ্চাতে নিক্ষিপ্ত বস্তুসম,তুচ্ছবস্তু, ফেলনা |
ظِهْرِيٌّ |
বরং মানুষ সামনেও পাপ করতে চায়। (৭৫:৫) |
بَلْ يُرِيدُ الْإِنسَانُ لِيَفْجُرَ أَمَامَهُ |
সামনে |
أَمَامَ |
তারা যখন তাদের উপত্যকা আগমনকারী দেখল, তখন বলল, এ তো মেঘ, আমাদেরকে বৃষ্টি দেবে। (৪৬:২৪) |
فَلَمَّا رَأَوْهُ عَارِضًا مُّسْتَقْبِلَ أَوْدِيَتِهِمْ قَالُوا هَٰذَا عَارِضٌ مُّمْطِرُنَا |
আগমনকারী, আগন্তক, আগুয়ান, আগত, ভবিষ্যতের |
مُسْتَقْبِلٌ |
এবং মুত্তাকীদের জন্য হেদায়েত ও উপদেশব। (৩:১৩৮) |
وَهُدًى وَمَوْعِظَةٌ لِّلْمُتَّقِينَ |
উপদেশ |
مَوْعِظَةٌ |
এবং আমার উপদেশ তোমাদের জন্য ফলপ্রসূ হবে না। (১১:৩৪) |
وَلَا يَنفَعُكُمْ نُصْحِي
|
নসীহত করা, উপদেশ দেওয়া, |
نُصْحٌ |
বলুন, আমি তোমাদেরকে একটি বিষয়ে উপদেশ দিচ্ছি। (৩৬:৪৬) |
قُلْ إِنَّمَا أَعِظُكُم بِوَاحِدَةٍ |
উপদেশ দেয়া |
وَعَظَ-يَعِظُ |
আমি তোমাদেরকে প্রতিপালকের বার্তা পৌছে দিয়েছি এবং তোমাদের কল্যাণ কামনা করেছি। (৭:৯৩) |
لَقَدْ أَبْلَغْتُكُمْ رِسَالَاتِ رَبِّي وَنَصَحْتُ لَكُمْ |
নসীহত করা, উপদেশ দেওয়া, |
نَصَحَ-يَنْصَحُ |
তুমি উপদেশ দাও অথবা উপদেশ নাই দাও, উভয়ই আমাদের জন্যে সমান। (২৬:১৩৬) |
سَوَاءٌ عَلَيْنَا أَوَعَظْتَ أَمْ لَمْ تَكُن مِّنَ الْوَاعِظِينَ |
উপদেশদাতা |
وَاعِظٌ (ج) وَاعِظُوْنَ |
আমি তোমাদের বিশ্বস্ত উপদেশদাতা। (৭:৬৮) |
وَأَنَا لَكُمْ نَاصِحٌ أَمِينٌ |
নসীহতকারী, উপদেশদাতা |
نَاصِحٌ (ج) نَاصِحُوْنَ |
কোর্স বিষয়বস্তু