এবং শয়তানের পদাংক অনুসরণ করো না। (২:২০৮)

وَلَا تَتَّبِعُوا خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ

পদাংক

خُطْوَةٌ (ج) خُطُوَاتٌ

 

শয়তান তোমাদেরকে অভাব অনটনের ভয় দেখায় এবং অশ্লীলতার আদেশ দেয়। (২:২৬৮)

الشَّيْطَانُ يَعِدُكُمُ الْفَقْرَ وَيَأْمُرُكُم بِالْفَحْشَاءِ

অশ্লীলতা

فَحْشَاءُ

 

যখন কোন অশ্লীল কাজ করে ফেলে কিংবা নিজেদের উপর জুলুম করে ফেলে তখন আল্লাহ কে স্মরণ করে নিজেদের পাপের জন্য ক্ষমা চায়। (৩:১৩৫)

إِذَا فَعَلُوا فَاحِشَةً أَوْ ظَلَمُوا أَنفُسَهُمْ ذَكَرُوا اللَّهَ فَاسْتَغْفَرُوا لِذُنُوبِهِمْ

অপকর্ম, অশ্লীলতা, ব্যভিচার, নিষিদ্ধকাজ,

فَاحِشَةٌ (ج) فَوَاحِشُ

 

আর ব্যভিচারের কাছেও যেয়ো না। (১৭:৩২)

وَلَا تَقْرَبُوا الزِّنَا

ব্যভিচার করা, জেনা করা, অপমিলন

زِنَا (زَنَى-يَزْنِي)

 

তোমাদের দাসীদের ব্যভিচার করতে বাধ্য করোনা। (২৪:৩২)

وَلَا تُكْرِهُوا فَتَيَاتِكُمْ عَلَى الْبِغَاءِ

কুকর্ম, ব্যভিচার

بِغَاءٌ

 

সেখানে কোন অসার কথা নেই আর না কোন অশ্লীলতা। (৫২:২৩)

لَّا لَغْوٌ فِيهَا وَلَا تَأْثِيمٌ

অশ্লীলতা, অপকথা, কুকথা

تَأْثِيمٌ

 

তোমাদের দাসীদের ব্যভিচার করতে বাধ্য করোনা, যদি তারা লজ্জাস্থানের পবিত্রতা রক্ষা করতে চায়। (২৪:৩২)

وَلَا تُكْرِهُوا فَتَيَاتِكُمْ عَلَى الْبِغَاءِ إِنْ أَرَدْنَ تَحَصُّنًا

লজ্জাস্থানের পবিত্রতা রক্ষা করা, সম্ভ্রম বাঁচানো

تَحَصُّنٌ

 

যে চিৎকার করছে যার সে কিছুই শুনতে পায়না। (:১৭১)

الَّذِي يَنْعِقُ بِمَا لَا يَسْمَعُ

চিৎকারকরা

نَعَقَ-يَنْعِقُ

 

সেখানে তারা আর্তনাদ করে বলবে, হে আমাদের পালনকর্তা, বের করুন আমাদেরকে, আমরা সৎকাজ করব, পূর্বে যা করতাম, তা করব না। (৩৫:৩৭)

وَهُمْ يَصْطَرِخُونَ فِيهَا رَبَّنَا أَخْرِجْنَا نَعْمَلْ صَالِحًا غَيْرَ الَّذِي كُنَّا نَعْمَلُ

হাঁকাহাঁকি করা, হাঁকডাক করা, আর্তনাদ করা, ফরিয়াদ করা, সাহায্যের চিৎকার করা

اِصْطَرَخَ-يَصْطَرِخُ

 

এমনকি, যখন আমি তাদের ঐশ্বর্যশালী লোকদেরকে শাস্তি দ্বারা পাকড়াও করব, তখনই তারা আর্তনাদ করবে। (২৩:৬৪)

حَتَّىٰ إِذَا أَخَذْنَا مُتْرَفِيهِم بِالْعَذَابِ إِذَا هُمْ يَجْأَرُونَ

আর্তনাদ করা, বিলাপ করা

جَأَرَ-يَجْأَرُ

 

গতকাল যে ব্যক্তি তাঁর সাহায্য চেয়েছিল, সে তাঁর আর্তনাদ করছে। (২৮:১৮)

الَّذِي اسْتَنصَرَهُ بِالْأَمْسِ يَسْتَصْرِخُهُ

হাঁকাহাঁকি করা, হাঁকডাক করা, আর্তনাদ করা,

اسْتَصْرَخَ-يَسْتَصْرِخُ

 

যা আল্লাহ এবং তাঁর রাসুল নিষিদ্ধ করেছেন। (৯:২৯)

مَا حَرَّمَ اللَّهُ وَرَسُولُهُ

নিষিদ্ধকরা, সম্মানিত করা

حَرَّمَ-يُحَرِّمُ

 

সকল পবিত্র বস্তু বৈধ করেছেন। (৭:১৫৭)

وَيُحِلُّ لَهُمُ الطَّيِّبَاتِ

বৈধ করা, লঙ্ঘন করা, অসম্মান করা

أَحَلَّ-يُحِلُّ

 

শিকার বৈধকারী হইয়ো না যখন তোমরা মুহরিম অবস্থায় থাক। (৫:১)

مُحِلِّي الصَّيْدِ وَأَنتُمْ حُرُمٌ

বৈধকারী

مُحِلٌّ

 

নিশ্চই আল্লাহ তোমাদের উপর মৃত প্রাণী কে হারাম করেছেন। (১৬:১১৫)

إِنَّمَا حَرَّمَ عَلَيْكُمُ الْمَيْتَةَ

মৃত প্রাণী

مَيْتَةٌ

 

তোমাদের জন্যে হারাম করা হয়েছে মৃত জীব, রক্ত, শুকরের মাংস, যেসব আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে উৎসর্গকৃত হয়, যা কন্ঠরোধে মারা যায়। (৫:৩)

حُرِّمَتْ عَلَيْكُمُ الْمَيْتَةُ وَالدَّمُ وَلَحْمُ الْخِنزِيرِ وَمَا أُهِلَّ لِغَيْرِ اللَّهِ بِهِ وَالْمُنْخَنِقَةُ

গলা টিপে মারা পশু, কণ্ঠরোধে মৃতপ্রাণী, ফাঁস দিয়ে মারা পশু

مُنْخَنِفَةٌ

 

যা আঘাত লেগে মারা যায়, যা উচ্চ স্থান থেকে পতনের ফলে মারা যা, যা শিং এর আঘাতে মারা যায়। (৫:৩)

وَالْمَوْقُوذَةُ وَالْمُتَرَدِّيَةُ وَالنَّطِيحَةُ

প্রহারে নিহত, আঘাতে মৃত

مَوْقُوذَةٌ

 

যা আঘাত লেগে মারা যায়, যা উচ্চ স্থান থেকে পতনের ফলে মারা যা, যা শিং এর আঘাতে মারা যায়। (৫:৩)

وَالْمَوْقُوذَةُ وَالْمُتَرَدِّيَةُ وَالنَّطِيحَةُ

পতনে মরা পশু, ভূপাতিতপশু

مُتَرَدِّيَةٌ

 

যা আঘাত লেগে মারা যায়, যা উচ্চ স্থান থেকে পতনের ফলে মারা যা, যা শিং এর আঘাতে মারা যায়। (৫:৩)

وَالْمَوْقُوذَةُ وَالْمُتَرَدِّيَةُ وَالنَّطِيحَةُ

শিঙের আঘাতে নিহত প্রাণী, আঘাতে নিহত, হতাহত

نَطِيحَةٌ

 

এবং শুকরের মাংস এবং, যেসব আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে উৎসর্গকৃত হয়। (৫:৩)

وَلَحْمُ الْخِنزِيرِ وَمَا أُهِلَّ لِغَيْرِ اللَّهِ بِهِ

মাংস

لَحْمٌ (ج) لُحُومٌ

 

এবং শুকরের মাংস এবং, যেসব আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে উৎসর্গকৃত হয়। (৫:৩)

وَلَحْمُ الْخِنزِيرِ وَمَا أُهِلَّ لِغَيْرِ اللَّهِ بِهِ

শূকর

خِنْزِيْرٌ خَنَازِيرُ

 

এবং শুকরের মাংস এবং, যেসব আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে উৎসর্গকৃত হয়। (৫:৩)

وَلَحْمُ الْخِنزِيرِ وَمَا أُهِلَّ لِغَيْرِ اللَّهِ بِهِ

উৎসর্গ করা

أَهَلَّ-يُهِلُّ

 

অবশ্য যে লোক অনন্যোপায় হয়ে পড়ে এবং নাফরমানী ও সীমালঙ্ঘনকারী না হয়, তার জন্য কোন পাপ নেই। (২:১৭৩)

فَمَنِ اضْطُرَّ غَيْرَ بَاغٍ وَلَا عَادٍ فَلَا إِثْمَ عَلَيْهِ

সীমালঙ্ঘনকারী, বিদ্রোহী

بَاغٍ

 

অবশ্য যে লোক অনন্যোপায় হয়ে পড়ে এবং নাফরমানী ও সীমালঙ্ঘনকারী না হয়, তার জন্য কোন পাপ নেই। (২:১৭৩)

فَمَنِ اضْطُرَّ غَيْرَ بَاغٍ وَلَا عَادٍ فَلَا إِثْمَ عَلَيْهِ

সীমালঙ্ঘনকারী, বাড়াবাড়িকারীবিদ্রোহী, জালিম

عَادٍ (ج) عَادُونَ

 

যে বাধা দিত মঙ্গলজনক কাজে, সীমালঙ্ঘনকারী ও সন্দেহ পোষণকারী। (৫০:২৫)

 

مَّنَّاعٍ لِّلْخَيْرِ مُعْتَدٍ مُّرِيبٍ

সীমালঙ্ঘনকারী, বাড়াবাড়িকারীবিদ্রোহী, জালিম

مُعْتَدٍ (ج) مُعْتَدُونَ

 

বরং তোমরাই ছিলে সীমালংঘনকারী সম্প্রদায়। (৩৭:৩০)

بَلْ كُنتُمْ قَوْمًا طَاغِينَ

অবাধ্য, পাপাচারী, সীমালঙ্ঘনকারী, নাফরমান, উদ্ধত, বিদ্রোহী

طَاغٍ (ج) طَاغُونَ

 

আমার গর্ভে যা রয়েছে আমি তাকে তোমার জন্য উৎসর্গ করলাম। (৩:৩৫)

إِنِّي نَذَرْتُ لَكَ مَا فِي بَطْنِي

পেট, অভ্যন্তর, গর্ভ

بَطْنٌ (ج) بُطُونٌ

 

যখন সে তাদের দূরবর্তী স্থান থেকে দেখবে। (২৫:১২)

إِذَا رَأَتْهُم مِّن مَّكَانٍ بَعِيدٍ

দূরবর্তী, মারাত্মক, চরম (দীর্ঘ হওয়া, মারাত্মক হওয়া)

بَعِيدٌ (بَعُدُ-يَبْعُدُ)

 

বাতাস তাকে উড়িয়ে নিয়ে কোন দূরবর্তী স্থানে নিক্ষেপ করল। (২২:৩১)

تَهْوِي بِهِ الرِّيحُ فِي مَكَانٍ سَحِيقٍ

দূরবর্তী, বহুদূর, দূরদূরান্ত

سَحِيقٌ

 

অতঃপর তিনি গর্ভে সন্তান ধারণ করলেন এবং তৎসহ এক দূরবর্তী স্থানে চলে গেলেন(১৯:২২)

فَحَمَلَتْهُ فَانتَبَذَتْ بِهِ مَكَانًا قَصِيًّا

দূরবর্তী ব্যবধান, তফাৎ, দূরত্ব

قَصِيٌّ

 

তারা আসবে প্রত্যেক প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে। (২২:২৭)

يَأْتِينَ مِن كُلِّ فَجٍّ عَمِيقٍ

দূরদূরান্ত, দূরবর্তী, বহুদূর, প্রত্যন্ত অঞ্চল, অজপাড়াগাঁ, গহীনপল্লী, গভীর

عَمِيقٌ

 

নিশ্চয় আল্লাহর করুণা সৎকর্মশীলদের নিকটবর্তী। (৭:৫৬)

إِنَّ رَحْمَتَ اللَّهِ قَرِيبٌ مِّنَ الْمُحْسِنِينَ

কাছে

قَرِيبٌ

 

তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি তোমাদেরকে আমার নিকটবর্তী করবে না। (৩৪:৩৭)

وَمَا أَمْوَالُكُمْ وَلَا أَوْلَادُكُم بِالَّتِي تُقَرِّبُكُمْ عِندَنَا زُلْفَىٰ

অধিক নিকটবর্তী, নৈকট্য, পদমর্যাদা

زُلْفَى

 

এটি দ্বারা আমার ছাগলপালকে নিকটে রাখি। (২০:১৮)

وَأَهُشُّ بِهَا عَلَىٰ غَنَمِي وَلِيَ

আশেপাশে থাকা, নিকটে থাকা, নৈকট্যে থাকা

وَلِيَ

 

নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাশীল,দয়াময়। (২:১৯২)

فَإِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ

ক্ষমাশীল

غَفُورٌ

 

পাপ ক্ষমাকারী, তওবা কবুলকারী। (৪০:৩)

غَافِرِ الذَّنبِ وَقَابِلِ التَّوْبِ

গফুর, গফফার, অতিশয় ক্ষমাশীল,

غَافِرٌ (ج) غَافِرُونَ

 

তিনি আসমান-যমীন ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সব কিছুর পালনকর্তা, পরাক্রমশালী, অতিশয় ক্ষমাশীল (৩৮:৬৬)

رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا الْعَزِيزُ الْغَفَّارُ

গফুর, গফফার, অতিশয় ক্ষমাশীল,

غَفَّارٌ

 

নিশ্চয় আল্লাহ মার্জনাকারী, ক্ষমাশীল। (৫৮;২)

وَإِنَّ اللَّهَ لَعَفُوٌّ غَفُورٌ

ক্ষমাকারী, মার্জনাকারী, মাফকারী

عَفُوٌّ

 

এবং মানুষকে ক্ষমাকারী। (৩:১৩৪)

وَالْعَافِينَ عَنِ النَّاسِ

ক্ষমাকারী, মাফকারী

عَافٍ (ج) عَافُونَ

 

আল্লাহ তাদের উপর আযাবদানকারী হবেন না যতক্ষণ তারা তাওবা করবে। (৮:৩৩)

وَمَا كَانَ اللَّهُ مُعَذِّبَهُمْ وَهُمْ يَسْتَغْفِرُونَ

শাস্তিদাতা, আজাবদানকারী, দণ্ড প্রদানকারী

مُعَذِّبٌ (ج) مُعَذِّبُونَ

 

নিশ্চই আমি অপরাধীদের শাস্তিদাতা(৩২:২২)

إِنَّا مِنَ الْمُجْرِمِينَ مُنتَقِمُونَ

প্রতিশোধ গ্রহণকারী, শাস্তিদাতা,

مُنْتَقِمٌ (ج) مُنْتَقِمُونَ

 

আত্নীয়-স্বজনকে তাদের প্রাপ্য দিবে এবং মিসকীন ও মুসাফিরদেরও। (৩০:৩৮)

فَآتِ ذَا الْقُرْبَىٰ حَقَّهُ وَالْمِسْكِينَ وَابْنَ السَّبِيلِ

পথিক, মুসাফির

اِبْنُ السَّبِيْلِ

 

সফরের অবস্থা ছাড়া। (৪:৪৩)

إِلَّا عَابِرِي سَبِيلٍ

সফর অবস্থা, মুসাফির

عَابِرُ السَبِيلِ

 

এবং প্রশ্নকারীকে ধমক দিবেনা। (৯৩:১০)

وَأَمَّا السَّائِلَ فَلَا تَنْهَرْ

সাহায্যপ্রার্থী, প্রশ্নকারী

سَائِلٌ

 

এবং খাওয়াও অভাবগ্রস্থ এবং ভিক্ষুকদের। (২২:৩৬)

وَأَطْعِمُوا الْقَانِعَ وَالْمُعْتَرَّ

অভাবী, ভিক্ষুক, গরীব,

مُعْتَرٌ

 

অতঃপর তার ঘাড়ে আঘাত করো। (৪৭:৪)

فَضَرْبَ الرِّقَابِ

ঘাড়

رَقَبَةٌ (ج) رِقَابٌ

 

অতঃপর সে তাদের পা ও গলদেশ ছেদন করতে শুরু করল। (৩৮:৩৩)

فَطَفِقَ مَسْحًا بِالسُّوقِ وَالْأَعْنَاقِ

ঘাড়, গ্রীবা, গর্দান, গলা

عُنُقٌ (ج) أَعْنَاقٌ

 

তার গলায় পাকানো রশি। (১১১:৫)

فِي جِيدِهَا حَبْلٌ مِّن مَّسَدٍ

ঘাড়, গ্রীবা

جِيدٌ

 

আমি তাদের পাকড়াও করেছিলাম অভাব অনটন ও দুঃখ কষ্ট দিয়ে। (৬:৪২)

فَأَخَذْنَاهُم بِالْبَأْسَاءِ وَالضَّرَّاءِ

যুদ্ধ, বিপদ, দুরাবস্থা, অভাব, শক্তি, শাস্তি

بَأْسٌ، بَأْسَاءُ

 

যখনই তারা যুদ্ধের আগুন প্রজ্বলিত করে আল্লাহ তা নিভিয়ে দেন। (৫:৬৪)

كُلَّمَا أَوْقَدُوا نَارًا لِّلْحَرْبِ أَطْفَأَهَا اللَّهُ

যুদ্ধ করা, লড়াই করা, অস্ত্রধারণ করা, রণসজ্জা করা

حَرْبٌ

 

যুদ্ধ করার জন্য আল্লাহ মুমিনদের জন্যে যথেষ্ট হয়ে গেছেন। (৩৩:২৫)

وَكَفَى اللَّهُ الْمُؤْمِنِينَ الْقِتَالَ

পরস্পরে হত্যা করা, যুদ্ধ বাঁধানো, যুদ্ধ লাগানো

قِتَالٌ

তোমাদের উপর নিহতদের ব্যাপারে কিসাস এর বিধান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। (২:১৭৮)

كُتِبَ عَلَيْكُمُ الْقِصَاصُ فِي الْقَتْلَى

কিসাস, সমহত্যা, হত্যার বদলায় হত্যা

قِصَاصٌ

 

এবং তার প্রাপ্য ভালভাবে আদায় করবে। (২:১৭৮)

وَأَدَاءٌ إِلَيْهِ بِإِحْسَانٍ

প্রাপ্য

أَدَاءٌ

 

বুদ্ধিমানদের জন্যে উপদেশ ও হেদায়েত স্বরূপ(৪০:৫৪)

هُدًى وَذِكْرَىٰ لِأُولِي الْأَلْبَابِ

বুদ্ধি, চিন্তাশক্তি

لُبٌّ (ج) أَلْبَابٌ

 

তাদের বুদ্ধি কি বিষয়ে তাদেরকে আদেশ করে? (৫২:৩২)

أَمْ تَأْمُرُهُمْ أَحْلَامُهُم بِهَٰذَا

বুদ্ধি, বিবেক, জ্ঞান, বোধ

حِلْمٌ (ج) أَحْلَامٌ

 

নিশ্চয় এতে বুদ্ধিমানদের জন্যে নিদর্শন রয়েছে। (২০:৫৪)

إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَاتٍ لِّأُولِي النُّهَىٰ

জ্ঞানী, বুদ্ধিমান, প্রতিভাবান, বিচক্ষণ

نُهَى

 

যদি কেউ ওসীয়তকারীর পক্ষ থেকে আশংকা করে পক্ষপাতিত্বের(:১৮২)

فَمَنْ خَافَ مِن مُّوصٍ جَنَفًا

পক্ষপাতিত্ব, পাপপ্রবণ

جَنَفٌ

 

তোমাদের উপর সিয়াম বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। (২:১৮৩)

كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ

রোজা, সিয়াম

صِيَامٌ

 

নিশ্চই আমি রহমানের জন্য একটি রোজা মানত করেছি। (১৯:২৬)

إِنِّي نَذَرْتُ لِلرَّحْمَٰنِ صَوْمًا

রোজা

صَوْمٌ

 

তোমাদের মধ্যে যে এ মাসটি পাবে, সে এ মাসের রোযা রাখবে। (২:১৮৪)

فَمَن شَهِدَ مِنكُمُ الشَّهْرَ فَلْيَصُمْهُ

রোজা রাখা

صَامَ-يَصُومُ

 

পুরুষ রোজাদার এবং নারী রোজাদার। (৩৩:৩৫)

وَالصَّائِمِينَ وَالصَّائِمَاتِ

রোজাদার, সিয়াম পালনকারী

صَائِمٌ (ج) صَائُمُونَ (صَائِمَاتٌ)

 

ইবাদতকারিণী, রোযাদার, অকুমারী ও কুমারী(৬৬:৫)

عَابِدَاتٍ سَائِحَاتٍ ثَيِّبَاتٍ وَأَبْكَارًا

রোজাদার মুসাফির, অনাহারে ভ্রমণকারী

سَائِحٌ (ج) سَائِحُونَ (سَائِحَاتٌ)

 

আমরা তো এই সফরে পরিশ্রান্ত হয়ে পড়েছি। (১৮:৬২)

لَقَدْ لَقِينَا مِن سَفَرِنَا هَٰذَا نَصَبًا

সফর, ভ্রমণ

سَفَرٌ (ج) أَسْفَارٌ

 

তোমরা এগুলোকে সফরকালে ও অবস্থান কালে পাও। (১৬:৮০)

تَسْتَخِفُّونَهَا يَوْمَ ظَعْنِكُمْ وَيَوْمَ إِقَامَتِكُمْ

ভ্রমণ, সফর, পর্যটন, যাত্রা

ظَعْنٌ

 

তাদের আসক্তি আছে শীত ও গ্রীষ্মকালীন সফরের। (১০৬:২)

إِيلَافِهِمْ رِحْلَةَ الشِّتَاءِ وَالصَّيْفِ

সফর করা, পর্যটন, বাণিজ্যিক ভ্রমণ, কাফেলা

رِحْلَةٌ

 

আর এটি যাদের জন্য অত্যন্ত কষ্ট দায়ক হয়, তারা এর পরিবর্তে একজন মিসকীনকে খাদ্যদান করবে। (২:১৮৪)

وَعَلَى الَّذِينَ يُطِيقُونَهُ فِدْيَةٌ طَعَامُ مِسْكِينٍ

কষ্টকর হওয়া, আয়াসসাধ্য হওয়া, কষ্ট করে করা,

أَطَاقَ-يُطِيْقُ

 

রমাদান মাসই হল সে মাস, যাতে নাযিল করা হয়েছে কোরআন। (২:১৮৫)

شَهْرُ رَمَضَانَ الَّذِي أُنزِلَ فِيهِ الْقُرْآنُ

মাস

شَهْرٌ (ج) شُهُورٌ، أَشْهُرٌ

 

আল্লাহ তোমাদের জন্য সহজতা চান। (২:১৮৫)

يُرِيدُ اللَّهُ بِكُمُ الْيُسْرَ

সহজতা

يُسْرٌ

 

আমরা তার জন্য সুগম করে দেব সহজ পথ। (৯২:৭)

فَسَنُيَسِّرُهُ لِلْيُسْرَىٰ

সহজ, সুসাধ্য, অনায়াস, স্বস্তি, শিথিলতা, মৃদুতা

يُسْرَى

 

নিশ্চয় কষ্টের সাথে স্বস্তি রয়েছে। (৯৪:৬)

إِنَّ مَعَ الْعُسْرِ يُسْرًا

কষ্ট

عُسْرٌ، عُسْرَةٌ

 

আমরা তার জন্য সুগম করে দেব কঠিনতর পথ। (৯২:১০)

 

فَسَنُيَسِّرُهُ لِلْعُسْرَىٰ

কঠিনতম, কঠিনতর, চরম সংকটাবস্থা

عُسْرَى

 

তোমরা পৌছাতে পারতে না নিজেদের পরিশ্রম ছাড়া। (১৬:৭)

لَّمْ تَكُونُوا بَالِغِيهِ إِلَّا بِشِقِّ الْأَنفُسِ

কষ্ট, পরিশ্রম, ভাঙন, ফাটল, বিদীর্ণতা

شِقٌّ

 

তোমার পালনকর্তার বড়ত্ব ঘোষণা কর(৭৪:৩)

وَرَبَّكَ فَكَبِّرْ

বড়ত্ব ঘোষণা করা

كَبَّرَ-يُكَبِّرُ (تَكْبِيرٌ)

 

রোযার রাতে তোমাদের স্ত্রীদের সাথে সহবাস করা তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে। (২:১৮৭)

أُحِلَّ لَكُمْ لَيْلَةَ الصِّيَامِ الرَّفَثُ إِلَىٰ نِسَائِكُمْ

সহবাস

رَفَثٌ

 

অতএব এখন তোমরা তাদের সাথে সহবাস করতে পার এবং আল্লাহ যা তোমাদের জন্য বিধিবদ্ধ করেছেন তা কামনা কর। (২:১৮৭)

فَالْآنَ بَاشِرُوهُنَّ وَابْتَغُوا مَا كَتَبَ اللَّهُ لَكُمْ

খুশিতে আলিঙ্গন করা, সহবাস করা

بَاشَرَ-يُبَاشِرُ

 

অতঃপর পুরুষ যখন নারীকে আলিঙ্গন করল, তখন, সে গর্ভবতী হল। (৭:১৮৯)

فَلَمَّا تَغَشَّاهَا حَمَلَتْ حَمْلًا

ঢেকে নেওয়া, জড়িয়ে ধরা, আলিঙ্গন করা, সহবাস করা

تَغَشَّى-يَتَغَشَّى

 

একে অপরকে স্পর্শ করার পূর্বে একটি দাসকে মুক্তি দিবে। (৫৮:৩)

فَتَحْرِيرُ رَقَبَةٍ مِّن قَبْلِ أَن يَتَمَاسَّا

শৃঙ্গার করা, সহবাস করা, রতিক্রিয়া

تَمَاسَّ-يَتَمَاسُّ

 

অথবা যদি নারীদের সাথে সহবাস কর আর পানি না পেয়ে থাক তখন তায়ায়্যুম করে নাও। (৪:৪৩)

أَوْ لَامَسْتُمُ النِّسَاءَ فَلَمْ تَجِدُوا مَاءً فَتَيَمَّمُوا

মাখামাখি করা, সহবাস করা,

لَامَسَ-يُلَامِسُ

 

আর তোমরা পাথেয় সাথে নিয়ে নাও, নিঃসন্দেহে সর্বোত্তম পাথেয় হচ্ছে আল্লাহর ভয়। (২:১৯৭)

وَتَزَوَّدُوا فَإِنَّ خَيْرَ الزَّادِ التَّقْوَىٰ

পাথেয় নেয়া

تَزَوَّدَ-يَتَزَوَّدُ

 

এবং সেখানে তাদের পোশাক হবে রেশমী। (২২:২৩)

وَلِبَاسُهُمْ فِيهَا حَرِيرٌ

পোশাক

لِبَاسٌ (لَبِسَ-يَلْبَسُ)

 

অথবা তাদের জামাকাপড় কিংবা একটি দাসকে মুক্তি দিবে। (৫:৮৯)

أَوْ كِسْوَتُهُمْ أَوْ تَحْرِيرُ رَقَبَةٍ

পোশাক, পরিচ্ছদ, পরিধেয়,

كِسْوَةٌ (كَسَا-يَكْسُو)

 

আমরা নাযিল করেছি তোমাদের জন্য পোশাক ও সাজসজ্জার বস্ত্র(:২৬)

قَدْ أَنزَلْنَا عَلَيْكُمْ لِبَاسًا يُوَارِي سَوْآتِكُمْ وَرِيشًا

সৌন্দর্যের পোশাক, সাজসজ্জার বস্ত্র, সম্পদ,

رِيشٌ

 

জেনে রাখ, যখন তারা তাদের কাপড় দ্বারা আবৃত করে তখন ও তিনি জানেন তারা যা গোপন এবং যা প্রকাশ্য। (১১:৫)

أَلَا حِينَ يَسْتَغْشُونَ ثِيَابَهُمْ يَعْلَمُ مَا يُسِرُّونَ وَمَا يُعْلِنُونَ

কাপড়, পোশাক, জামা

ثَوْبٌ (ج) ثِيَابٌ

 

তারা তার জামায় মিথ্যা রক্ত লাগিয়ে নিয়ে আসলো। (১২:১৮)

وَجَاءُوا عَلَىٰ قَمِيصِهِ بِدَمٍ كَذِبٍ

কামিজ, কামিস, কুর্তা, অঙ্গবাস, জামা

قَمِيصٌ

 

তোমাদের জন্যে দিয়েছেন পোশাক, যা তোমাদেরকে গ্রীষ্ম এবং বিপদের সময় রক্ষা করে। (১৬:৮১)

وَجَعَلَ لَكُمْ سَرَابِيلَ تَقِيكُمُ الْحَرَّ وَسَرَابِيلَ تَقِيكُم بَأْسَكُمْ

পোশাক-পরিচ্ছদ, জামা-কাপড়, পরিধেয় বস্ত্র

سِرْبَالٌ (ج) سَرَابِيلُ

 

যতক্ষন না প্রকাশিত হয় কাল সুতা থেকে সাদা সুতা। (২:১৮৭)

حَتَّىٰ يَتَبَيَّنَ لَكُمُ الْخَيْطُ الْأَبْيَضُ مِنَ الْخَيْطِ الْأَسْوَدِ

সুতা

خَيْطٌ

 

যতক্ষন না প্রকাশিত হয় কাল সুতা থেকে সাদা সুতা। (২:১৮৭)

حَتَّىٰ يَتَبَيَّنَ لَكُمُ الْخَيْطُ الْأَبْيَضُ مِنَ الْخَيْطِ الْأَسْوَدِ

সাদা, উজ্বল

أَبْيَضُ (بَيْضَاءُ) (ج) بِيْضٌ

 

সেদিন কোন কোন মুখ শুভ্রোজ্জ্বল হবে, আর কোন কোন মুখ হবে কালো বর্ণ। (৩:১০৭)

يَوْمَ تَبْيَضُّ وُجُوهٌ وَتَسْوَدُّ وُجُوهٌ

সাদা হওয়া, শুভ্রোজ্জ্বল হওয়া

اِبْيَضَّ-يَبْيَضُّ

 

সেদিন কোন কোন মুখ শুভ্রোজ্জ্বল হবে, আর কোন কোন মুখ হবে কালো বর্ণ। (৩:১০৭)

يَوْمَ تَبْيَضُّ وُجُوهٌ وَتَسْوَدُّ وُجُوهٌ

কালো বর্ণ, কৃষ্ণ

أَسْوَدُ (ج) سُوْدٌ

 

অতঃপর করেছেন তাকে কাল আবর্জনা। (৮৭:৫)

فَجَعَلَهُ غُثَاءً أَحْوَىٰ

লাল কালো ও সবুজের সমাহার

أَحْوَى

 

এবং নিকষ কালো। (৩৫:২৭)

وَغَرَابِيبُ سُودٌ

নিকষ কালো, গাড় কালো, কুচকুচে, মিশকালো

غَرْبِيبٌ (ج) غَرَابِيبُ

 

তার মুখ কাল হয়ে যায় এবং অসহ্য মনস্তাপে ক্লিষ্ট হতে থাকে। (১৬:৫৮)

وَجْهُهُ مُسْوَدًّا وَهُوَ كَظِيمٌ

কালো, মলিন, বিষণ্ন

مُسْوَدٌّ

 

সেদিন কোন কোন মুখ শুভ্রোজ্জ্বল হবে, আর কোন কোন মুখ হবে কালো বর্ণ। (৩:১০৭)

يَوْمَ تَبْيَضُّ وُجُوهٌ وَتَسْوَدُّ وُجُوهٌ

মলিন হওয়া, কালো হওয়া

اِسْوَدَّ-يَسْوَدُّ

 

কোর্স বিষয়বস্তু

11 চ্যাপ্টার • 79 পাঠ