তোমরা যখন কাফেরদের সাথে মুখোমুখী হবে, তখন পশ্চাদপসরণ করবে না। (৮-১৫) |
إِذَا لَقِيتُمُ الَّذِينَ كَفَرُوا زَحْفًا فَلَا تُوَلُّوهُمُ الْأَدْبَارَ |
যোদ্ধা বাহিনী |
زَحْفٌ |
যাতে করে সত্যকে সত্য এবং মিথ্যাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে দেন। (৮-৮) |
لِيُحِقَّ الْحَقَّ وَيُبْطِلَ الْبَاطِلَ |
সত্য প্রমাণিত করা, অনিবার্য করা |
أَحَقَّ-يُحِقُّ |
আর যে লোক সেদিন তাদের থেকে পশ্চাদপসরণ করবে, সে ব্যতীত যে তা করবে লড়াইয়ের কৌশল পরিবর্তনকল্পে। (৮-১৬) |
وَمَن يُوَلِّهِمْ يَوْمَئِذٍ دُبُرَهُ إِلَّا مُتَحَرِّفًا |
রণকৌশল পরিবর্তনকারী |
مُتَحَرِّفٌ |
কিংবা যে নিজ সৈন্যদের নিকট আশ্রয় নিতে আসে। (৮-১৬) |
أَوْ مُتَحَيِّزًا إِلَىٰ فِئَةٍ |
পক্ষাবলম্বী, মিলনার্থে |
مُتَحَيِّزٌ |
জেনে রেখো, আল্লাহ মানুষের এবং তার অন্তরের মাঝে অন্তরায় হয়ে যান। (৮-২৪) |
وَاعْلَمُوا أَنَّ اللَّهَ يَحُولُ بَيْنَ الْمَرْءِ وَقَلْبِهِ |
অন্তরায় হওয়া, আড়াল হওয়া, প্রতিবন্ধক হওয়া |
حَالَ-يَحُولُ |
এবং দুই সমুদ্রের মাঝখানে অন্তরায় রেখেছেন। (২৭-৬১) |
وَجَعَلَ بَيْنَ الْبَحْرَيْنِ حَاجِزًا |
প্রতিবন্ধক, অন্তরাল, বাধাদানকারী |
حَاجِزٌ |
ভীত-সস্ত্রস্ত্র ছিলে যে, তোমাদের না অন্যেরা ছোঁ মেরে নিয়ে যায়। (৮-২৬) |
تَخَافُونَ أَن يَتَخَطَّفَكُمُ النَّاسُ |
ছোঁ মেরে নেয়া, ছিনিয়ে নেয়া, কেড়ে নেয়া, হরণ করা |
تَخَطَّفَ-يَتَخَطَّفُ |
অতঃপর তিনি তোমাদিগকে আশ্রয়ের ঠিকানা দিয়েছেন, স্বীয় সাহায্যের দ্বারা তোমাদিগকে শক্তি দান করেছেন। (৮-২৬) |
فَآوَاكُمْ وَأَيَّدَكُم بِنَصْرِهِ |
আশ্রয় দেয়া, আবাস দেয়া, থাকতে দেয়া |
آوَى-يُآوِي |
অতঃপর তিনি তোমাদিগকে আশ্রয়ের ঠিকানা দিয়েছেন, স্বীয় সাহায্যের দ্বারা তোমাদিগকে শক্তি দান করেছেন। (৮-২৬) |
فَآوَاكُمْ وَأَيَّدَكُم بِنَصْرِهِ |
আশ্রয় নেয়া, আবাস নেয়া, নিবাসী হওয়া |
أَوَى-يَأْوِي |
আর কে নিরাপত্তা প্রদান করেন অথচ তাঁকে নিরাপত্তা প্রদান করতে হয় না। (২৩-৮৮) |
وَهُوَ يُجِيرُ وَلَا يُجَارُ عَلَيْهِ |
আশ্রয় দেয়া, রক্ষা করা, প্রতিবেশী বানানো |
أَجَارَ-يُجِيرُ |
আর যদি মুশরিকদের কোনো একজন তোমার কাছে আশ্রয় চায়। (৯-৬) |
وَإِنْ أَحَدٌ مِّنَ الْمُشْرِكِينَ اسْتَجَارَكَ |
আশ্রয় চাওয়া, প্রতিবেশী হতে চাওয়া |
اِسْتَجَارَ-يَسْتَجِيرُ |
তোমরা যখন কোন বাহিনীর সাথে সংঘাতে লিপ্ত হও, তখন সুদৃঢ় থাক। (৮-৪৫) |
إِذَا لَقِيتُمْ فِئَةً فَاثْبُتُوا |
বন্দি করা, বেঁধে ফেলা, অবরোধ করা, সুদৃঢ় রাখা |
أَثْبَتَ-يُثْبِتُ |
আর কা’বার নিকট তাদের নামায বলতে শিস দেয়া আর তালি বাজানো ছাড়া অন্য কোন কিছুই ছিল না। (৮-৩৫) |
وَمَا كَانَ صَلَاتُهُمْ عِندَ الْبَيْتِ إِلَّا مُكَاءً وَتَصْدِيَةً |
শিস |
مُكَاءٌ |
আর কা’বার নিকট তাদের নামায বলতে শিস দেয়া আর তালি বাজানো ছাড়া অন্য কোন কিছুই ছিল না। (৮-৩৫) |
وَمَا كَانَ صَلَاتُهُمْ عِندَ الْبَيْتِ إِلَّا مُكَاءً وَتَصْدِيَةً |
তালি |
تَصْدِيَةٌ |
কোন বস্তু-সামগ্রীর মধ্য থেকে যা কিছু তোমরা গনীমত হিসাবে পাবে। (৮-৪১) |
أَنَّمَا غَنِمْتُم مِّن شَيْءٍ |
যুদ্ধে লাভ করা |
غَنِمَ |
আল্লাহ যখন তোমাকে স্বপ্নে সেসব কাফেরের পরিমাণ অল্প করে দেখালেন। (৮-৪৩) |
إِذْ يُرِيكَهُمُ اللَّهُ فِي مَنَامِكَ قَلِيلًا |
স্বপ্ন |
مَنَامٌ |
তোমার স্বপ্ন বর্ণনা কর না। (১২-৫) |
لَا تَقْصُصْ رُؤْيَاكَ |
স্বপ্ন |
رُؤْيَا |
আর স্বপ্নের মর্মোদ্ধারে আমরা অভিজ্ঞ নই। (১২-৪৪) |
وَمَا نَحْنُ بِتَأْوِيلِ الْأَحْلَامِ بِعَالِمِينَ |
অলীক স্বপ্ন, সাবালকত্ব, স্বপ্নদোষ |
حُلْمٌ ج أَحْلَامٌ |
এবং তোমাদের মধ্যের যারা সাবালগত্বে পৌঁছায়নি। (২৪-৫৮) |
وَالَّذِينَ لَمْ يَبْلُغُوا الْحُلُمَ مِنكُمْ |
সাবালকত্ব, যৌবন, স্বপ্নদোষ, অলীকস্বপ্ন, |
حُلُمٌ ج أَحْلَامٌ |
তবে তাদের এমন শাস্তি দাও, যেন তাদের উত্তরসূরিরা তাই দেখে পালিয়ে যায়; তাদেরও যেন শিক্ষা হয়। (৮-৫৭) |
فَشَرِّدْ بِهِم مَّنْ خَلْفَهُمْ لَعَلَّهُمْ يَذَّكَّرُونَ |
শাস্তি দেয়া/ ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন করা |
شَرَّدَ-يُشَرِّدُ |
আমরা কি তোমাদের সন্ধান দেব এমন এক ব্যক্তির যে তোমাদের জানায় যে যখন তোমরা চুরমার হয়ে গেছো পুরোপুরি চূর্ণবিচূর্ণ অবস্থায়। (৩৪-৭) |
هَلْ نَدُلُّكُمْ عَلَىٰ رَجُلٍ يُنَبِّئُكُمْ إِذَا مُزِّقْتُمْ كُلَّ مُمَزَّقٍ |
খণ্ডখণ্ড করা, খণ্ডবিখণ্ড করা, |
مَزَّقَ-يُمَزِّقُ |
তোমরা সম্পুর্ণ ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেও তোমরা নতুন সৃজিত হবে। (৩৪-৭) |
إِذَا مُزِّقْتُمْ كُلَّ مُمَزَّقٍ إِنَّكُمْ لَفِي خَلْقٍ جَدِيدٍ |
খণ্ডখণ্ড করা, খণ্ডবিখণ্ড করা, |
مُمَزَّقٌ |
অতঃপর তিনি তাদেরকে ধরিয়ে দিয়েছেন। (৮-৭১) |
فَأَمْكَنَ مِنْهُمْ |
অধীন করে দেয়া |
أَمْكَنَ-يُمْكِنُ |
কোর্স বিষয়বস্তু