যখন তারা তন্মধ্যে নিক্ষিপ্ত হবে, তখন শুনতে পাবে তার গর্জন আর তা উথলে উঠতে থাকবে (৬৭:৭) |
إِذَا أُلْقُوا فِيهَا سَمِعُوا لَهَا شَهِيقًا وَهِيَ تَفُورُ |
উথলে উঠা |
فَارَ-يَفُورُ |
এবং চুলা উথলে উঠল (১১:৪০) |
وَفَارَ التَّنُّورُ |
চুলা |
تَنُّورٌ |
যখন তদুভয় নৌকায় আরোহণ করলেন, তিনি তাতে ছিদ্র করে দিলেন (১৮:৭১) |
إِذَا رَكِبَا فِي السَّفِينَةِ خَرَقَهَا |
আরোহণ করা |
رَكِبَ-يَرْكَبُ |
এবং তাদের জন্যে সৃষ্টি করেছি এর অনুরূপ যাতে তারা আরোহণ করে (৩৬:৪২) |
وَخَلَقْنَا لَهُم مِّن مِّثْلِهِ مَا يَرْكَبُونَ |
আরোহণ করা |
رَكِبَ-يَرْكَبُ |
তোমরা তার জন্য হাকাওনি কোনো ঘোড়া, আর না কোনো উট (৫৯:৬) |
فَمَا أَوْجَفْتُمْ عَلَيْهِ مِنْ خَيْلٍ وَلَا رِكَابٍ |
হাঁকানো, চালানো, চালনা করা, দ্রুত চালানো |
أَوْجَفَ-يُوْجِفُ |
আর নূহ (আঃ) তাঁর পুত্রকে ডাক দিলেন আর সে দূরে সরে রয়েছিল (১১:৪২) |
وَنَادَىٰ نُوحٌ ابْنَهُ وَكَانَ فِي مَعْزِلٍ |
দূরবর্তী/ আলাদা স্থান |
مَعْزِلٌ |
আল্লাহর নামেই এর গতি ও স্থিতি (১১:৪১) |
بِسْمِ اللَّـهِ مَجْرِٓاهَا وَمُرْسَاهَا |
গতি, প্রবাহ, বহমান |
مَجْرِى |
আর গর্ভসমূহ যা শুষে নেয় আর যা তারা বর্ধিত করে (১৩:৭) |
وَمَا تَغِيضُ الْأَرْحَامُ وَمَا تَزْدَادُ |
বসে যাওয়া, নীচে নেমে যাওয়া, হ্রাস পাওয়া |
غَاضَ-يَغِيضُ |
তাদের পাকড়ানো হবে চুলের মুঠি ও পদমূল ধরে (৫৫:৪১) |
فَيُؤْخَذُ بِالنَّوَاصِي وَالْأَقْدَامِ |
চুলের মুঠি |
نَاصِيةٌ ج نَوَاصٍ |
আর তা জুদী পর্বতে ভিড়ল এবং বলে দেয়া হল, সীমালংঘনকারী গোষ্ঠী নিপাত যাক (১১:৪৪) |
وَاسْتَوَتْ عَلَى الْجُودِيِّ وَقِيلَ بُعْدًا لِّلْقَوْمِ الظَّالِمِينَ |
ধ্বংস হোক, নিপাত যাক, দূর হোক |
بُعْدًا |
অত:পর, জ্বলন্ত আগুনের বাসিন্দাদের প্রতি -- 'দূর হ!’ (৬৭:১১) |
فَسُحْقًا لِّأَصْحَابِ السَّعِيرِ |
দূর হোক, দূরে থাক |
سُحْقٌ |
অবশ্যই মাদইয়ানবাসীর উপরে অভিশাপ, যেমন অভিশপ্ত হয়েছে সামুদ (১১:৯৫) |
أَلَا بُعْدًا لِّمَدْيَنَ كَمَا بَعِدَتْ ثَمُودُ |
ধ্বংস হওয়া, নির্মূল হওয়া, অপসারণ |
بَعِدَ-يَبْعَدُ |
আমাদের কোনো দেবতা তোমাতে ভর করেছেন খারাপ ভাবে এ ছাড়া আমরা অন্য কিছু বলি না (১১:৫৪) |
إِن نَّقُولُ إِلَّا اعْتَرَاكَ بَعْضُ آلِهَتِنَا بِسُوءٍ |
ভূতে চাপা, আবিষ্ট হওয়া |
اِعْتَرَى-يَعْتَرِي |
নিঃসন্দেহ তারা সে ব্যাপারে বিভ্রান্তিকর সন্দেহের মধ্যে রয়েছে (১১:১১০) |
إِنَّهُمْ لَفِي شَكٍّ مِّنْهُ مُرِيبٍ |
বিভ্রান্তিকর, অস্বস্তিকর |
مُرِيبٌ |
আর পাপিষ্ঠদের পাকড়াও করল ভয়ঙ্কর গর্জন (১১:৬৭) |
وَأَخَذَ الَّذِينَ ظَلَمُوا الصَّيْحَةُ |
প্রচণ্ড শব্দ |
صَيْحَةٌ |
নিশ্চয়ই তা হলো একটিমাত্র মহাগর্জন (৭৯:১৩) |
فَإِنَّمَا هِيَ زَجْرَةٌ وَاحِدَةٌ |
ধমক, একধমক, সতর্ক করা |
زَجْرَةٌ |
শুনতে পাও তাদের ফিসফিস (১৯:৯৮) |
تَسْمَعُ لَهُمْ رِكْزًا |
ক্ষীণতম শব্দ |
رِكْزٌ |
তারা এর হিস্হিস্ও শুনবে না (২১:১০২) |
لَا يَسْمَعُونَ حَسِيسَهَا |
ক্ষীণতম শব্দ, সাড়াশব্দ |
حَسِيسٌ |
ফলে মৃদু গুঞ্জন ছাড়া কিছু শুনতে পাবে না (২০:১০৮) |
فَلَا تَسْمَعُ إِلَّا هَمْسًا |
মৃদু গুঞ্জন |
هَمْسٌ |
তিনি একটি ভুনা করা বাছুর নিয়ে এলেন (১১:৬৯) |
جَاءَ بِعِجْلٍ حَنِيذٍ |
ভুনা |
حَنِيذٌ |
আর গোত্রসমূহের মধ্যে কতিপয় এর অংশবিশেষ অস্বীকার করে (১৩:৩৬) |
وَمِنَ الْأَحْزَابِ مَن يُنكِرُ بَعْضَهُ |
চিনতে না পারা |
نَكِرَ-يَنْكَرُ |
তিনি বললেন ''তার সিংহাসনখানা পরিবর্তিত করে দাও” (২৭:৪১) |
قَالَ نَكِّرُوا لَهَا عَرْشَهَا |
বিব্রত করা, আকৃতি পরিবর্তন করা, |
نَكَّرَ-يُنَكِّرُ |
তারা তাকে চিনল না (১২:৫৮) |
وَهُمْ لَهُ مُنكِرُونَ |
অস্বীকারকারী, চিনে না, পরিচয়ভোলা |
مُنْكِرٌ ج مُنْكِرُونَ |
তিনি জন্ম দেননা এবং কেউ তাকে জন্ম দেয়নি (১১২:৩) |
لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ |
জন্ম দেয়া |
وَلَدَ-يَلِدُ |
অতঃপর সে শক্তিবলে মুখ ফিরিয়ে নিল (৫১:৩৯) |
فَتَوَلَّىٰ بِرُكْنِهِ |
আশ্রয় |
رُكْنٌ |
তিনি বললেন ''আল্লাহর সহায়! তিনিই আমার প্রতিপালক, তিনি আমার আশ্রয়কে উত্তম বানিয়েছেন (১২:২৩) |
قَالَ مَعَاذَ اللَّـهِ إِنَّهُ رَبِّي أَحْسَنَ مَثْوَايَ |
আশ্রয়, পানাহ, শরণ, সহায়, ভরসা, নির্ভরতা, আশ্রয়স্থল |
مَعَاذٌ |
আর তোমাদের একজনও যেন পিছনে ফিরে না তাকায় (১১:৮১) |
وَلَا يَلْتَفِتْ مِنكُمْ أَحَدٌ |
পেছনে তাকানো |
الْتَفَتَ-يَلْتَفِتُ |
এবং তার উপর বর্ষণ করলাম পোড়া-মাটির কাঁকর স্তরের উপর স্তর (১১:৮২)
|
وَأَمْطَرْنَا عَلَيْهَا حِجَارَةً مِّن سِجِّيلٍ مَّنضُودٍ |
স্তরের পর স্তর |
مَنْضُودٌ |
আর লন্বা লন্বা খেজুর গাছ যাতে আছে গোছা গোছা কাঁদি (৫০:১০) |
وَالنَّخْلَ بَاسِقَاتٍ لَّهَا طَلْعٌ نَّضِيدٌ |
ঘনভাবে সাজানো, স্তরে স্তরে সজ্জিত, সুবিন্যস্ত |
نَضِيدٌ |
আল্লাহ্ সাত আসমানকে সৃষ্টি করেছেন স্তরে স্তরে (৭১:১৫) |
خَلَقَ اللَّـهُ سَبْعَ سَمَاوَاتٍ طِبَاقًا |
স্তর, পর্যায়ক্রম, থর, অবস্থা, থালা, তবাক |
طِباقٌ |
আর আমি আমার প্রভু ও তোমাদের প্রভুর কাছেই তোমাদের পাথর মারা থেকে আশ্রয় চাইছি (৪৪:২০) |
وَإِنِّي عُذْتُ بِرَبِّي وَرَبِّكُمْ أَن تَرْجُمُونِ |
পাথর ছুঁড়ে মারা |
رَجَمَ-يَرْجُمُ (رَجْمٌ ج رُجُومٌ) |
যদি তুমি বিরত না হও, হে নূহ, তবে তুমি নিশ্চিত প্রস্তরাঘাতপ্রাপ্ত হবেই (২৬:১১৬) |
لَئِن لَّمْ تَنتَهِ يَا نُوحُ لَتَكُونَنَّ مِنَ الْمَرْجُومِينَ |
প্রস্তর নিক্ষিপ্ত, শয়তান, অভিশপ্ত, বিতাড়িত |
مَرْجُومٌ ج مَرْجُومُونَ |
অত:পর তাদেরকে আগুনে পৌঁছে দিবে (১১:৯৮) |
فَأَوْرَدَهُمُ النَّارَ |
নেতৃত্ব দেয়া/ পৌঁছে দেয়া |
أَوْرَدَ-يُورِدُ |
তাদের উপর সে আযাব অবশ্যই আসবে, যা প্রতিরোধ্য নয় (১১:৭৬) |
وَإِنَّهُمْ آتِيهِمْ عَذَابٌ غَيْرُ مَرْدُودٍ |
ফেরতযোগ্য, প্রত্যাবর্তনীয়, |
مَرْدُودٌ |
নিকৃষ্ট সেই পুরস্কার যা তাদের দেয়া হবে (১১:৯৯) |
بِئْسَ الرِّفْدُ الْمَرْفُودُ |
উপহার, অতিরিক্ত দান |
رِفْدٌ |
আপনার পালকর্তার দানসমূহ সীমাবদ্ধ নয় (১৭:২০) |
وَمَا كَانَ عَطَاءُ رَبِّكَ مَحْظُورًا |
দান, উপঢৌকন, বখশিশ, হাদিয়া |
عَطَاءٌ |
আমি তাঁর কাছে কিছু উপঢৌকন পাঠাচ্ছি (২৭:৩৫) |
وَإِنِّي مُرْسِلَةٌ إِلَيْهِم بِهَدِيَّةٍ |
হাদিয়া, উপহার, উপঢৌকন, |
هَدِيَّةٌ |
নিকৃষ্ট সেই পুরস্কার যা তাদের দেয়া হবে (১১:৯৯) |
بِئْسَ الرِّفْدُ الْمَرْفُودُ |
যা দেয়া হবে |
مَرْفُودٌ |
আর তা হচ্ছে উপস্থিতির দিন (১১:১০৩) |
وَذَٰلِكَ يَوْمٌ مَّشْهُودٌ |
উপস্থিতি |
مَشْهُودٌ |
অতএব দুর্ভোগ অবিশ্বাসীদের জন্য সেই ভয়ঙ্কর দিনে হাজিরাদানের কারণে (১৯:৩৭) |
فَوَيْلٌ لِّلَّذِينَ كَفَرُوا مِن مَّشْهَدِ يَوْمٍ عَظِيمٍ |
উপস্থিতিকাল |
مَشْهَدٌ |
আর তিনি আমাকে বিদ্রোহীভাবাপন্ন হতভাগ্য করেন নি (১৯:৩২) |
وَلَمْ يَجْعَلْنِي جَبَّارًا شَقِيًّا |
দূর্ভাগা |
شَقِيٌّ (شَقِيَ-يَشْقَى) |
হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদের দূর্ভাগ্য আমাদেরকে পরাভূত করেছিল (২৩:১০৬) |
رَبَّنَا غَلَبَتْ عَلَيْنَا شِقْوَتُنَا |
দূর্ভাগ্য |
شِقْوَةٌ |
অবশ্যই আমরা তাদের উপরে পাঠিয়েছিলাম এক প্রচন্ড ঝড় এক চরম দুর্ভাগ্যের দিনে (৫৪:১৯) |
إِنَّا أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ رِيحًا صَرْصَرًا فِي يَوْمِ نَحْسٍ مُّسْتَمِرٍّ |
অশুভ, দুর্ভাগ্য, অমঙ্গল, অহিতকর |
نَحْسٌ، نَحِسَةٌ ج نَحِسَاتٌ |
অত:পর তাদের মধ্যে কেউ হবে হতভাগ্য আর কেউ ভাগ্যবান (১১:১০৫) |
فَمِنْهُمْ شَقِيٌّ وَسَعِيدٌ |
সৌভাগ্যবান |
سَعِيدٌ (أَسْعَدَ-يُسْعِدُ) |
তাদের জন্য সেখানে থাকবে দীর্ঘশ্বাস ও আর্তনাদ (১১:১০৬) |
لَهُمْ فِيهَا زَفِيرٌ وَشَهِيقٌ |
চিৎকার, হুঙ্কার |
زَفِيرٌ |
অতঃপর তাঁর স্ত্রী সামনে এলেন আর্তনাদের সাথে (৫১:২৯) |
فَأَقْبَلَتِ امْرَأَتُهُ فِي صَرَّةٍ |
আর্তনাদ করা, চিৎকার করা, |
صَرَّةٌ |
তারা শুনতে থাকবে তার গর্জন ও হুঙ্কার (২৫:১২) |
سَمِعُوا لَهَا تَغَيُّظًا وَزَفِيرًا |
গর্জন |
تَغَيُّظٌ |
তাদের জন্য সেখানে থাকবে দীর্ঘশ্বাস ও আর্তনাদ (১১:১০৬) |
لَهُمْ فِيهَا زَفِيرٌ وَشَهِيقٌ |
আর্তনাদ |
شَهِيقٌ |
এমন একটি দান যার বিরাম নেই (১১:১০৮) |
عَطَاءً غَيْرَ مَجْذُوذٍ |
কর্তিত, খণ্ডবিখণ্ড, বিরাম |
مَجْذُوذٌ |
তাদের জন্যে রয়েছে অফুরন্ত পুরস্কার (৪১:৮) |
لَهُمْ أَجْرٌ غَيْرُ مَمْنُونٍ |
অনর্পণীয় কৃপা, খোটাহীন দান, |
مَمْنُونٌ |
না হ্রাসকৃত না বাধাপ্রাপ্ত (৫৬:৩৩) |
لَّا مَقْطُوعَةٍ وَلَا مَمْنُوعَةٍ |
কর্তিত, কর্তনীয়, |
مَقْطُوعٌ |
আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী একত্রিত ছিল, অত:পর আমরা তদুভয়কে পৃথক করে দিয়েছি (২১:৩০) |
اَلسَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ كَانَتَا رَتْقًا فَفَتَقْنَاهُمَا |
সংযুক্ত |
رَتْقٌ |
কোর্স বিষয়বস্তু