আপনি ভয় প্রদর্শন করুন আর নাই করুন তাতে কিছুই আসে যায় না (২-৬)

سَوَاءٌ عَلَيْهِمْ أَأَنذَرْتَهُمْ أَمْ لَمْ تُنذِرْهُمْ

সতর্ক করা, ভয় দেখানো

أنْذَرَ-يُنْذِرُ

শাস্তি দ্বারা আল্লাহ তাঁর বান্দাদেরকে সতর্ক করেন (৩৯:১৬)

ذَٰلِكَ يُخَوِّفُ اللَّهُ بِهِ عِبَادَهُ

ভয় দেখানো, হুমকি দেয়া

خَوَّفَ-يُخَوِّفُ (تَخْوِيفٌ)

আল্লাহ তাঁর নিজের সম্পর্কে তোমাদের সাবধান করছেন। (:৩০)

وَيُحَذِّرُكُمُ اللَّهُ نَفْسَهُ

সতর্ক করা, ভয় দেখানো

حَذَّرَ-يُحَذِّرُ

ওযর-আপত্তির অবকাশ না রাখার জন্যে অথবা সতর্ক করার জন্যে। (৭৭:৬)

عُذْرًا أَوْ نُذْرًا

সতর্কতা, ভীতিপ্রদর্শন

نُذْرٌ، نُذُرٌ

যাতে সে বিশ্বজগতের জন্যে সতর্ককারী হয় (২৫:১)

لِيَكُونَ لِلْعَالَمِينَ نَذِيرًا

 সতর্ককারী

نَذِيرٌ ج  نُذُرٌ

বলুন, আমি তো একজন সতর্ককারী মাত্র

(৩৮:৬৫)

قُلْ إِنَّمَا أَنَا مُنذِرٌ

সতর্ককারী,

مُنْذِرٌ ج  مُنْذِرُونَ

সেই সতর্ককৃতদের উপর কতই না মারাত্নক ছিল সে বৃষ্টি। (২৭:৫৮)

فَسَاءَ مَطَرُ الْمُنذَرِينَ

সতর্কীকৃত, বিভীষিকা

مُنْذَرٌ ج  مُنْذَرُونَ

সুসংবাদ শুনিয়ে দেন ঈমনাদারগণকে

(১০:২)

وَبَشِّرِ الَّذِينَ آمَنُوا

সুসংবাদ দেয়া

بَشَّرَ- يُبَشِّرُ

তাদের জন্যে রয়েছে সুসংবাদ

(৩৯:১৭)

لَهُمُ الْبُشْرَىٰ

সুসংবাদ

بُشْرَى

অতঃপর যখন সুসংবাদদাতা পৌঁছল (১২:৯৬)

فَلَمَّا أَن جَاءَ الْبَشِيرُ

সুসংবাদদাতা

بَشِيرٌ

তিনি সুসংবাদবাহী বায়ু প্রেরণ করেন (৩০:৪৬)

يُرْسِلَ الرِّيَاحَ مُبَشِّرَاتٍ

সুসংবাদদাতা

مُبَشِّرٌ ج  مُبَشِّرُونَ (مُبَشِّرَاتٌ)

আল্লাহ তাদের অন্তকরণে সিল মেরে দিয়েছেন। (২: ৭)

خَتَمَ اللَّهُ عَلَىٰ قُلُوبِهِمْ

সিল মারা, বন্ধকরেদেয়া

خَتَمَ- يَخْتِمُ

আমি মোহর এঁটে দিয়েছি তাদের অন্তরসমূহের উপর। (:১০০)

وَنَطْبَعُ عَلَىٰ قُلُوبِهِمْ

সিল মারা, মোহর মারা

طَبَعَ - يَطْبَعُ

বরং তিনি আল্লাহর রাসূল এবং শেষ নবী। (৩৩:৪০)

وَلَٰكِن رَّسُولَ اللَّهِ وَخَاتَمَ النَّبِيِّينَ

সিলমোহর, আংটি, সমাপ্তি

خَاتَمٌ

তার মোহর হবে কস্তুরী।

(৮৩:২৬)

خِتَامُهُ مِسْكٌ

সিলকৃত, মোহরাঙ্কিত, সর্বশেষ

خِتَامٌ

তাদেরকে মোহর করা বিশুদ্ধ পানীয় পান করানো হবে। (৮৩:২৫)

يُسْقَوْنَ مِن رَّحِيقٍ مَّخْتُومٍ

মোহরাঙ্কিত

مَخْتُومٌ

আল্লাহ তাদের অন্তকরণে সিল মেরে দিয়েছেন। (২: ৭)

خَتَمَ اللَّهُ عَلَىٰ قُلُوبِهِمْ

অন্তর, হৃদয়

قَلْبٌ ج قُلُوبٌ

অতঃপর আপনি কিছু লোকের অন্তরকে তাদের প্রতি আকৃষ্ট করুন (১৪:৩৭)

فَاجْعَلْ أَفْئِدَةً مِّنَ النَّاسِ تَهْوِي إِلَيْهِمْ

অন্তর, মন, হৃদয়

فُؤَادٌ ج  أَفْئِدَةٌ

অতএব, এটি পৌছে দিতে আপনার মনে কোনরূপ সংকীর্ণতা থাকা উচিত নয়। (৭:২)

فَلَا يَكُن فِي صَدْرِكَ حَرَجٌ مِّنْهُ لِتُنذِرَ بِهِ

অন্তর, হৃদয়, বিবেক, বুক

صَدْرٌ ج صُدُورٌ

এবং তাদের কানসমূহ, আর চোখসমূহের উপর রয়েছে একটি পর্দা (২: ৭)

وَعَلَىٰ سَمْعِهِمْ وَعَلَىٰ أَبْصَارِهِمْ غِشَاوَةٌ

শ্রবণশক্তি , কর্ণপাত

سَمْعٌ (سَمِعَ- يَسْمَعُ)

আমাদের কর্ণে আছে বোঝা

(১৪:৩৭)

وَفِي آذَانِنَا وَقْرٌ

বধিরতা, শ্রবণহীনতা

وَقْرٌ

এবং দিয়েছেন কর্ণ, চক্ষু অন্তর। (৬৭: ২৩)

وَجَعَلَ لَكُمُ السَّمْعَ وَالْأَبْصَارَ وَالْأَفْئِدَةَ

দৃষ্টিশক্তি, অন্তর্দৃষ্টি, চোখ

بَصَرٌ ج  أَبْصَارٌ

এবং তাদের কানসমূহ, আর চোখসমূহের উপর রয়েছে একটি পর্দা (২: ৭)

وَعَلَىٰ سَمْعِهِمْ وَعَلَىٰ أَبْصَارِهِمْ غِشَاوَةٌ

পর্দা, আবরণ, অন্তরাল, ঢাকনা

غِشَاوَةٌ

এখন তোমার কাছ থেকে যবনিকা সরিয়ে দিয়েছি। (৫০:২২)

فَكَشَفْنَا عَنكَ غِطَاءَكَ

পর্দা, আবরণ, অন্তরাল, ঢাকনা

غِطَاءٌ

তোমরা তাঁর পত্নীগণের কাছে কিছু চাইলে পর্দার আড়াল থেকে চাইবে। (৩৩:৫৩)

فَاسْأَلُوهُنَّ مِن وَرَاءِ حِجَابٍ

পর্দা, আবরণ, আড়াল

حِجَابٌ

যাদের জন্যে সূর্যতাপ থেকে আত্নরক্ষার কোন আড়াল আমি সৃষ্টি করিনি। (১৮:৯০)

لَّمْ نَجْعَل لَّهُم مِّن دُونِهَا سِتْرًا

আবরণ, পর্দা, আচ্ছাদন

سِتْرٌ

কোন ফল আবরণমুক্ত হয় না।

(৪১:৪৭)

وَمَا تَخْرُجُ مِن ثَمَرَاتٍ مِّنْ أَكْمَامِهَا

আবরণ, খোসা

كِمٌّ ج أَكْمَامٌ

তারা বলে, আমাদের হৃদয় অর্ধাবৃত। (:৮৮)

وَقَالُوا قُلُوبُنَا غُلْفٌ

আবৃত, আচ্ছাদিত

غِلَافٌ ج غُلْفٌ

তারা বলে, আমাদের অন্তর আবরণে আবৃত (৪১:৫)

وَقَالُوا قُلُوبُنَا فِي أَكِنَّةٍ

পর্দা, আবরণ, ঢাকনা

أَكِنَّةٌ

বস্তুতঃ তাদের জন্য নির্ধারিত রয়েছে ভয়াবহ আযাব (২-১০)

وَلَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ

শাস্তি, সাজা, দণ্ড

عَذَابٌ

নিশ্চয় তিনি শক্তিধর, কঠোর শাস্তিদাতা।(৪০:২২)

إِنَّهُ قَوِيٌّ شَدِيدُ الْعِقَابِ

শাস্তি, পরিণাম, প্রতিশোধ

عِقَابٌ

তাদের কৃতকর্মের সাজা হিসেবে আল্লাহর পক্ষ থেকে শাস্তি (৫:৩৮)

جَزَاءً بِمَا كَسَبَا نَكَالًا مِّنَ اللَّهِ

দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি

نَكَالٌ

আর আল্লাহ শক্তি-সামর্থের দিক দিয়ে অত্যন্ত কঠোর এবং কঠিন শাস্তিদাতা। (৪:৮৪)

وَاللَّهُ أَشَدُّ بَأْسًا وَأَشَدُّ تَنكِيلًا

শাস্তি দেয়া, কর্মফল দেয়া, বদলা দেয়া

تَنْكِيلٌ

অতএব কি ভীষণ ছিল আমাকে অস্বীকৃতির পরিণাম। (২২:৪৪)

فَكَيْفَ كَانَ نَكِيرِ

শাস্তি, অস্বীকৃতির পরিণাম

نَكِيرٌ

তারপর আমি অবতীর্ণ করেছি যালেমদের উপর আযাব (২:৫৯)

فَأَنزَلْنَا عَلَى الَّذِينَ ظَلَمُوا رِجْزًا

শাস্তি, বিপদ, মূর্তিপূজা, অপবিত্র

رِجْزٌ

যারা একাজ করে, তারা শাস্তির সম্মুখীন হবে। (২৫: ৬৮)

وَمَن يَفْعَلْ ذَٰلِكَ يَلْقَ أَثَامًا

কঠোর শাস্তি,

أَثَامٌ

যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তিনি তাকে উর্ধমুখী আযাবে পরিচালিত করবেন। (৭২: ১৭)

وَمَن يُعْرِضْ عَن ذِكْرِ رَبِّهِ يَسْلُكْهُ عَذَابًا صَعَدًا

উর্ধমুখী শাস্তি, কঠোর শাস্তি

صَعَدٌ

আমি সত্ত্বরই তাকে শাস্তির পাহাড়ে আরোহণ করাব (৭৪:১৭)

سَأُرْهِقُهُ صَعُودًا

কঠিন বিপদ, জাহান্নামের একটি পর্বত

صَعُودٌ

আমি তোমাদের কাছে এর জন্য কোন প্রতিদান চাই না (২৬:১০৯)

وَمَا أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ مِنْ أَجْرٍ

প্রতিদান, পারিশ্রমিক, পুরষ্কার, দেনমোহর

أَجْرٌ ج أُجُورٌ

আর তাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি। (২-৭)

وَلَهُمْ عَذَابٌ عَظِيمٌ

বড়, ভয়ংকর, শ্রেষ্ঠ, সুমহান

عَظِيمٌ

(عَظُمَ- يَعْظُمُ)

বলে দাও, এতদুভয়ের মধ্যে রয়েছে মহাপাপ। (:২১৯)

قُلْ فِيهِمَا إِثْمٌ كَبِيرٌ

বড়, মহা, শ্রেষ্ঠ

كَبِيرٌ، كَبِيرَةٌ

(كَبُرَ- يَكْبُرُ)

আর তারা অল্প-বিস্তর যা কিছু ব্যয় করে (৯:১২১)

وَلَا يُنفِقُونَ نَفَقَةً صَغِيرَةً وَلَا كَبِيرَةً

ছোট, ক্ষুদ্র, তুচ্ছ

صَغِيرٌ، صَغِيرَةٌ

আর মানুষের মধ্যে কিছু লোক এমন রয়েছে যারা বলে, আমরা আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছি (২-৮)

وَمِنَ النَّاسِ مَن يَقُولُ آمَنَّا بِاللَّهِ

মানুষ, মানুষজাতি

النَّاسُ

নিশ্চয় মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত;

(২২:৩৯)

إِنَّ الْإِنسَانَ لَفِي خُسْرٍ

মানুষ, মানব জাতি

إنْسٌ ج أُنَاسٌ

আমি মানুষ সৃষ্টি করেছি

(৫০:১৬)

وَلَقَدْ خَلَقْنَا الْإِنسَانَ

মানুষ

الإِنْسَانُ

আমার সৃষ্ট জীবজন্তু ও অনেক মানুষের তৃষ্ণা নিবারণের জন্যে

(২৫:৪৯)

وَنُسْقِيَهُ مِمَّا خَلَقْنَا أَنْعَامًا وَأَنَاسِيَّ كَثِيرًا

মানুষ, মানব জাতি

إِنْسِيٌّ ج  أَنَاسِيٌّ

এখন তোমরা মানুষ, পৃথিবীতে ছড়িয়ে আছ। (৩০:২০)

ثُمَّ إِذَا أَنتُم بَشَرٌ تَنتَشِرُونَ

মানুষ

بَشَرٌ

আমার এবাদত করার জন্যই আমি মানব জিন জাতি সৃষ্টি করেছি।

(৫১:৫৬)

وَمَا خَلَقْتُ الْجِنَّ وَالْإِنسَ إِلَّا لِيَعْبُدُونِ

জ্বীন, জ্বীনজাতি, সাপ

جِنٌّ (جِنَّةٌ) ج جَانٌّ

জনৈক দৈত্য-জিন বলল (২৭:৩৯)

قَالَ عِفْرِيتٌ مِّنَ الْجِنِّ

শক্তিশালী জ্বিন

عِفْرِيْتٌ

তখন তারা বলে, আমরা তো মীমাংসার পথ অবলম্বন করেছি। (২-১১)

قَالُوا إِنَّمَا نَحْنُ مُصْلِحُونَ

বলা

قَالَ- يَقُولُ (قَوْلٌ)

এবং তাদের সাথে মৃতরা কথাবার্তা বলত (:১১১)

وَكَلَّمَهُمُ الْمَوْتَىٰ

কথাবার্তা বলা,

كَلَّمَ – يُكَلِّمُ (تَكْلِيمٌ)

আল্লাহ যাকে অনুমতি দিবেন, সে ব্যতিত কেউ কথা বলতে পারবে না (৭৮:৩৮)

لَّا يَتَكَلَّمُونَ إِلَّا مَنْ أَذِنَ لَهُ

কথা বলবে

تَكَلَّمَ - يَتَكَلَّمُ

সেদিন সে তার বৃত্তান্ত বর্ণনা করবে, (৯৯:৪)

يَوْمَئِذٍ تُحَدِّثُ أَخْبَارَهَا

বৃত্তান্ত, ঘটনা, ইতিহাস

حَدِّثَ- يُحَدِّثُ

সে যে কথাই উচ্চারণ করে

(৫০:১৮)

مَّا يَلْفِظُ مِن قَوْلٍ

বলা, উচ্চারণ করা

لَفَظَ- يَلْفِظُ

তোমাদের কি হল যে, কথা বলছ না? (৩৭:৯২)

مَا لَكُمْ لَا تَنطِقُونَ

কথা বলা,

نَطَقَ- يَنْطِقُ

পাপিষ্ঠদের ব্যাপারে আমাকে কোন কথা বলবেন না। (১১:৩৭)

وَلَا تُخَاطِبْنِي فِي الَّذِينَ ظَلَمُوا

সম্বোধন করা, কথা বলা, বাদানুবাদ করা

خَاطَبَ- يُخَاطِبُ (خِطَابٌ)

অতঃপর কথা প্রসঙ্গে সঙ্গীকে বললঃ (১৮:৩৪)

فَقَالَ لِصَاحِبِهِ وَهُوَ يُحَاوِرُهُ

জেরা করা, তর্কাতর্কি করা

حَاوَرَ- يُحَاوِرُ

তারা আল্লাহ এবং ঈমানদারগণকে ধোঁকা দেয়। (২-৯)

يُخَادِعُونَ اللَّهَ وَالَّذِينَ آمَنُوا

ধোঁকাদেয়া, প্রতারণা করা

خَادَعَ- يُخَادِعُ

পক্ষান্তরে তারা যদি তোমাকে প্রতারণা করতে চায় (:৬২)

وَإِن يُرِيدُوا أَن يَخْدَعُوكَ

ধোঁকাদেয়া,

خَدَعَ- يَخْدَعُ

এই সবই তোমাদেরকে আল্লাহ সম্পর্কে প্রতারিত করেছে। (৫৭:১৪)

وَغَرَّكُم بِاللَّهِ الْغَرُورُ

প্রতারিত, ধোকা দেওয়া

غَرَّ- يَغُرُّ

যারা মনে বিশ্বাস ঘাতকতা পোষণ করে তাদের পক্ষ থেকে বিতর্ক করবেন না। (:১০৭)

وَلَا تُجَادِلْ عَنِ الَّذِينَ يَخْتَانُونَ أَنفُسَهُمْ

বিশ্বাস ঘাতকতা করা, প্রতারণা করা

اِخْتَانَ - يَخْتَانُ

তারা আল্লাহর সাথেও ইতিপূর্বে প্রতারণা করেছে (:৭১)

خَانُوا اللَّهَ مِن قَبْلُ

খিয়ানত করা, আত্মসাৎ করা,

خَانَ-يَخُونُ

অবশ্যই মুনাফেকরা প্রতারণা করছে আল্লাহর সাথে (:১৪২)

إِنَّ الْمُنَافِقِينَ يُخَادِعُونَ اللَّهَ

প্রবঞ্চনাকারী,

বিশ্বাসঘাতক

خَادِعٌ

অতএব, পার্থিব জীবন যেন তোমাদেরকে ধোঁকা না দেয়

(৩১:৩৩)

فَلَا تَغُرَّنَّكُمُ الْحَيَاةُ الدُّنْيَا

ধোঁকাবাজ, শঠ

غَرُورٌ

কেবল মিথ্যাচারী, অকৃতজ্ঞ ব্যক্তিই আমার নিদর্শনাবলী অস্বীকার করে। (৩১:৩২)

وَمَا يَجْحَدُ بِآيَاتِنَا إِلَّا كُلُّ خَتَّارٍ كَفُورٍ

প্রতারক, প্রবঞ্চক

خَتَّارٌ

আপনি বিশ্বাসঘাতকদের পক্ষ থেকে বিতর্ককারী হবেন না।

(৪:১০৫)

وَلَا تَكُن لِّلْخَائِنِينَ خَصِيمًا

বিশ্বাসঘাতক, খিয়ানতকারী, আত্মসাৎকারী,

خَائِنَةٌ، خَائِنُونَ، خَوَّانٌ

শয়তান মানুষকে বিপদকালে ধোঁকা দেয়। (২৫:২৯)

وَكَانَ الشَّيْطَانُ لِلْإِنسَانِ خَذُولًا

অসহযোগী, লাঞ্ছিতকারী

خَذُولٌ

ছলনা ছাড়া শয়তান তাদেরকে কোন প্রতিশ্রুতি দেয় না।

(১৭:৬৪)

وَمَا يَعِدُهُمُ الشَّيْطَانُ إِلَّا غُرُورًا

ধোঁকা, বিশ্বাসঘাতকতা

غُرُورٌ

তবে কোন সম্প্রদায়ের ধোঁকা দেয়ার ব্যাপারে যদি তোমাদের ভয় থাকে (:৫৮)

وَإِمَّا تَخَافَنَّ مِن قَوْمٍ خِيَانَةً

বিশ্বাস ঘাতকতা,

خِيَانَةٌ

তোমরা স্বীয় কসমসমূহকে পারস্পরিক কলহ দ্বন্দ্বের বাহানা করো না। (১৬:৯৪)

وَلَا تَتَّخِذُوا أَيْمَانَكُمْ دَخَلًا بَيْنَكُمْ

অনুপ্রবেশ, আত্মসাৎ, হস্তক্ষেপ

دَخَلٌ

 

 

নিজ

نَفْسٌ ج  أَنْفُسٌ

অতঃপর আমি তার মধ্যে আমার পক্ষ থেকে জীবন ফুঁকে দিয়েছিলাম (৬৬:১২)

فَنَفَخْنَا فِيهِ مِن رُّوحِنَا

রূহ, আত্ম, ওহী, ফেরেশতা

رُوْحٌ

অথচ এতে তারা নিজেদেরকে ছাড়া অন্য কাউকে ধোঁকা দেয় না অথচ তারা তা অনুভব করতে পারে না।

وَمَا يَخْدَعُونَ إِلَّا أَنفُسَهُمْ وَمَا يَشْعُرُونَ

অনুধাবনকরা

شَعَرَ- يَشْعُرُ

তারা বলল-হে শোয়ায়েব (আঃ) আপনি যা বলেছেন তার অনেক কথাই আমরা বুঝি নাই (১১:৯১)

قَالُوا يَا شُعَيْبُ مَا نَفْقَهُ كَثِيرًا مِّمَّا تَقُولُ

বোঝা, বুঝতে পারা, জানা, উপলব্ধি করা,

فَقِهَ - يَفْقَهُ

অতঃপর বুঝে-শুনে তা পরিবর্তন করে দিত (:৭৫)

ثُمَّ يُحَرِّفُونَهُ مِن بَعْدِ مَا عَقَلُوهُ

বুঝতে পারা, বুদ্ধিমত্তা

 

عَقَلَ- يَعْقِلُ

অতঃপর ঈসা (আঃ) যখন কুফরী সম্পর্কে উপলব্ধি করতে পারলেন

(৩:৫২)

فَلَمَّا أَحَسَّ عِيسَىٰ مِنْهُمُ الْكُفْرَ

টের পাওয়া, বুঝতে পারা, অনুভব করা

أَحَسَّ-يُحِسُّ

কোর্স বিষয়বস্তু

11 চ্যাপ্টার • 79 পাঠ