এটি আল্লাহর সীমারেখা, অতএব তা অতিক্রম করো না। (২:২২৯) |
تِلْكَ حُدُودُ اللَّهِ فَلَا تَعْتَدُوهَا |
সীমারেখা, নির্দেশাবলী, ন্যায়ানুগ শাস্তি |
حَدٌّ (ج) حُدُودٌ |
|
|
অতপর সে তার বালতি নামিয়ে দিল। (১২:১৯) |
فَأَدْلَىٰ دَلْوَهُ |
ঝুলিয়ে দেওয়া, নামানো, নামিয়ে দেওয়া, ফেলা, |
أَدْلَى-يُدْلِي |
|
|
অতঃপর নিযুক্ত কর একজন বিচারক তার পরিবার হতে এবং একজন বিচারক তার পরিবার থেকে। (৪:৩৫) |
فَابْعَثُوا حَكَمًا مِّنْ أَهْلِهِ وَحَكَمًا مِّنْ أَهْلِهَا |
বিচারক |
حَكَمٌ (ج) حُكَّامٌ |
|
|
তিনিই শ্রেষ্ট বিচারক। (৭:৮৭) |
وَهُوَ خَيْرُ الْحَاكِمِينَ |
বিচারক, হাকিম, বিচারকর্তা, সালিস, ফয়সাল |
حَاكِمٌ (ج) حَاكِمُونَ، حُكَّامٌ |
|
|
এবং তিনিই শ্রেষ্ঠতম মীমাংসাকারী। (৬:৫৭) |
وَهُوَ خَيْرُ الْفَاصِلِينَ |
বিচারক, মীমাংসাকারী |
فَاصِلٌ (ج) فَاصِلُونَ |
|
|
আর আপনি শ্রেষ্ঠতম মীমাংসাকারী। (৭:৮৯) |
وَأَنتَ خَيْرُ الْفَاتِحِينَ |
বিচারক, মীমাংসাকারী, জয়ী, বিজেতা |
فَاتِحٌ، فَتَّاحٌ (ج) فَاتِحُونَ |
|
|
অতএব আপনি ফয়সালা করেদিন, যেহেতু আপনি ফয়সালাকারী। (২০:৭২) |
فَاقْضِ مَا أَنتَ قَاضٍ |
কাজি, বিচারক, ফয়সালাকারী, মীমাংসাকারী, |
قَاضٍ |
|
|
তোমাদের উপস্থিতি ব্যতিরেকে আমি কোন কাজের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি না। (২৭:৩২) |
مَا كُنتُ قَاطِعَةً أَمْرًا حَتَّىٰ تَشْهَدُونِ |
চূড়ান্তকারিণী, কর্তনকারী, অকাট্য |
قَاطِعَةٌ |
|
|
তারা তোমাকে চাঁদ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। (২:১৮৯) |
يَسْأَلُونَكَ عَنِ الْأَهِلَّةِ |
চাঁদ |
هِلَالٌ (ج) أَهِلَّةٌ |
|
|
চন্দ্রের জন্যে আমি বিভিন্ন মনযিল নির্ধারিত করেছি। (৩৬:৩৯) |
وَالْقَمَرَ قَدَّرْنَاهُ مَنَازِلَ |
চাঁদ, চন্দ্র, শশী, চন্দ্রিমা |
قَمَرٌ |
|
|
এবং সূর্যকে রেখেছেন প্রদীপরূপে। (৭১:১৬) |
وَجَعَلَ الشَّمْسَ سِرَاجًا |
সূর্য |
شَمْسٌ |
|
|
এবং আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধ কর। (২:২৪৪) |
وَقَاتِلُوا فِي سَبِيلِ اللَّهِ |
যুদ্ধ করা |
قَاتَلَ-يُقَاتِلُ |
|
|
সে আগে থেকে আল্লাহ ও তার রাসুলের সাথে যুদ্ধ করে। (৯:১০৭) |
حَارَبَ اللَّهَ وَرَسُولَهُ مِن قَبْلُ |
যুদ্ধ করা, লড়াই করা, অস্ত্রধারণ করা |
حَارَبَ-يُحَارِبُ |
|
|
যদি আল্লাহ না চাইতেন তারা লড়াই করত না। (২:২৫৩) |
وَلَوْ شَاءَ اللَّهُ مَا اقْتَتَلُوا |
খুনাখুনি করা, হানাহানি করা, মারামারি করা, লড়াই করা, |
اقْتَتَلَ-يَقْتَتِلُ |
|
|
আর তারা যদি থেমে যায়, তাহলে আল্লাহ অত্যন্ত দয়ালু। (২:১৯২) |
فَإِنِ انتَهَوْا فَإِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ |
শেষ হয়ে যাওয়া, থেমে যাওয়া |
اِنْتَهَى-يَنْتَهِي |
|
|
এবং হে আকাশ ক্ষান্ত হও। (১১:৪৪) |
وَيَا سَمَاءُ أَقْلِعِي |
বৃষ্টি বন্ধ করা, বর্ষণ বন্ধ করা, ক্ষান্ত হওয়া |
أَقْلَعَ-يُقْلِعُ |
|
|
আমার পালনকর্তার কথা, শেষ হওয়ার আগেই সে সমুদ্র নিঃশেষিত হয়ে যাবে। (১৮:১০৯) |
لَنَفِدَ الْبَحْرُ قَبْلَ أَن تَنفَدَ كَلِمَاتُ رَبِّي |
ফুরিয়ে যাওয়া, |
نَفِدَ-يَنْفَدُ |
|
|
এবং রাজত্বের যা ধ্বংস হবে না। (২০:১২০) |
وَمُلْكٍ لَّا يَبْلَىٰ |
বিনষ্ট হওয়া, ক্ষয় হওয়া, ধ্বংস হওয়া |
بَلِيَ-يَبْلَى |
|
|
তোমার পালনকর্তার নিকট শেষ গন্তব্য। (৭৯:৪৪) |
إِلَىٰ رَبِّكَ مُنتَهَاهَا |
গন্তব্য, শেষপ্রান্ত, নিষিদ্ধসীমা, দূরতম |
مٌنْتَهَى |
|
|
এটা আমার দেয়া রিযিক যা শেষ হবে না। (৩৮:৫৪) |
إِنَّ هَٰذَا لَرِزْقُنَا مَا لَهُ مِن نَّفَادٍ |
ফুরিয়ে যাওয়া, নিঃশেষ হওয়া, শেষ হওয়া, খতম করা |
نَفَادٌ |
|
|
অতএব, তোমরা এখন কি বিরত হবে? (৫:৯১) |
فَهَلْ أَنتُم مُّنتَهُونَ |
নিবৃত্ত হওয়া, বিরত হওয়া |
مُنْتَهٍ (ج) مُنْتَهُونَ |
|
|
তোমরা কি ইতোপূর্বে কসম খেতে না যে, তোমাদেরকে যেতে হবে না? (১৪:৪৪) |
أَوَلَمْ تَكُونُوا أَقْسَمْتُم مِّن قَبْلُ مَا لَكُم مِّن زَوَالٍ |
স্থানচ্যুত হওয়া, সরে যাওয়া, টলে যাওয়া, ঢলে পড়া |
زَوَالٌ |
|
|
যে কেউ আল্লাহর সম্মানিত বিধানাবলীর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করলে পালনকর্তার নিকট তা তার জন্যে উত্তম। (২২:৩০) |
وَمَن يُعَظِّمْ حُرُمَاتِ اللَّهِ فَهُوَ خَيْرٌ لَّهُ عِندَ رَبِّهِ |
সম্মানিত, পবিত্র |
حُرْمَةٌ (ج) حُرُمَاتٌ |
|
|
সম্মানিত মাসই সম্মানিত মাসের বদলা। (২:১৯৪) |
الشَّهْرُ الْحَرَامُ بِالشَّهْرِ الْحَرَامِ |
সম্মানিত, পবিত্র, মক্কামদিনা |
حَرَمٌ |
|
|
যদি তোমরা বাধাপ্রাপ্ত হও তাহলে কোরবানীর জন্য যাকিছু সহজে পাওয়া যায়। (২:১৯৬) |
فَإِنْ أُحْصِرْتُمْ فَمَا اسْتَيْسَرَ مِنَ الْهَدْيِ |
সহজে পাওয়া |
اِسْتَيْسَرَ-يَسْتَيْسِرُ |
|
|
এবং তোমরা মাথা মুণ্ডন করবেনা। (২:১৯৬) |
وَلَا تَحْلِقُوا رُءُوسَكُمْ |
চেঁছে ফেলা, মুণ্ডন করা |
حَلَقَ-يَحْلِقُ |
|
|
আল্লাহ চাইলে, তোমরা অবশ্যই মসজিদে হারামে প্রবেশ করবে নিরাপদে মস্তকমুন্ডিত অবস্থায় এবং কেশ কর্তিত অবস্থায়। (৪৮:২৭) |
لَتَدْخُلُنَّ الْمَسْجِدَ الْحَرَامَ إِن شَاءَ اللَّهُ آمِنِينَ مُحَلِّقِينَ رُءُوسَكُمْ وَمُقَصِّرِينَ لَا تَخَافُونَ |
মাথা মুণ্ডনকারী, মস্তকমুণ্ডিত, কেশমুণ্ডনকারী, |
مُحَلِّقٌ (ج) مُحَلِّقُونَ |
|
|
এবং তোমরা মাথা মুণ্ডন করবেনা। (২:১৯৬) |
وَلَا تَحْلِقُوا رُءُوسَكُمْ |
মাথা |
رَأْسٌ (ج) رُؤُوسٌ |
|
|
যতক্ষণ না কোরবাণীর জন্য যথাস্থানে পৌছে যাবে। (২:১৯৬) |
حَتَّىٰ يَبْلُغَ الْهَدْيُ مَحِلَّهُ |
কুরবানির জন্য নির্দিষ্ট স্থান |
مَحِلٌّ |
|
|
যতক্ষণ না কুরবানির পশু যথাস্থানে পৌছে যাবে। (২:১৯৬) |
حَتَّىٰ يَبْلُغَ الْهَدْيُ مَحِلَّهُ |
পৌঁছা, তুঙ্গে উঠা, উপনীত হওয়া |
بَلَغَ-يَبْلُغُ |
|
|
যখন দেখলেন যে, তার দিকে তাদের হাত পৌছাচ্ছে না। (১১:৭০) |
فَلَمَّا رَأَىٰ أَيْدِيَهُمْ لَا تَصِلُ إِلَيْهِ |
পৌঁছা, উপনীত হওয়া, নাগাল পাওয়া, |
وَصَلَ-يَصِلُ |
|
|
যখন তিনি মাদইয়ানের কূপের ধারে পৌছলেন, তখন কূপের কাছে একদল লোককে পেলেন। (২৮:২৩) |
وَلَمَّا وَرَدَ مَاءَ مَدْيَنَ وَجَدَ عَلَيْهِ أُمَّةً |
পৌঁছা, অবতরণ করা, পানির কাছে আসা, |
وَرَدَ-يَرِدُ |
|
|
কিন্তু সেটি তার পর্যন্ত পৌঁছে না। (১৩:১৪) |
وَمَا هُوَ بِبَالِغِهِ |
চূড়ান্তে উপনীত, অকাট্য, সুদৃঢ়, পৌঁছা |
بَالِغٌ (بَالِغَةٌ) (ج) بَالِغُونَ |
|
|
তালুত তার সৈন্যবাহিনী নিয়ে রওনা হল। (২:২৪৯) |
فَصَلَ طَالُوتُ بِالْجُنُودِ |
রওনা হওয়া |
فَصَلَ-يَفْصِلُ (فَصْلٌ) |
|
|
যতক্ষণ না কুরবানির পশু যথাস্থানে পৌছে যাবে। (২:১৯৬) |
حَتَّىٰ يَبْلُغَ الْهَدْيُ مَحِلَّهُ |
কুরবানির পশু |
هَدْيٌ |
|
|
আর হাজ্জ্বের কুরবানির জন্য উটকে আমি আল্লাহর নিদর্শনাবলি করেছি তোমাদের জন্য। (২২:৩৬) |
وَالْبُدْنَ جَعَلْنَاهَا لَكُم مِّن شَعَائِرِ اللَّهِ لَكُمْ |
হাজ্জ্বের কুরবানির জন্য উট বা গরু |
بَدَنَةٌ (ج) بُدْنٌ |
|
|
আমি তার পরিবর্তে দিলাম যবেহ করার জন্যে এক মহান জন্তু। (৩৭:১০৭) |
وَفَدَيْنَاهُ بِذِبْحٍ عَظِيمٍ |
জবায়ের পশু, উৎসর্গিত প্রাণী, জবাইযোগ্য |
ذِبْحٌ |
|
|
এবং অসুস্থের উপর নেই কোন চাপ। (৪৮:১৭) |
وَلَا عَلَى الْمَرِيضِ حَرَجٌ |
অসুস্থ |
مَرِيضٌ (ج) مَرْضَى |
|
|
অতঃপর বলল আমি পীড়িত। (৩৭:৮৯) |
فَقَالَ إِنِّي سَقِيمٌ |
অসুস্থ, পীড়িত, বিমার, রুগণ, রোগা |
سَقِيمٌ |
|
|
যে পর্যন্ত মরণপন্ন না হয়ে যান কিংবা মৃতবরণ না করেন। (১২:৮৫) |
حَتَّىٰ تَكُونَ حَرَضًا أَوْ تَكُونَ مِنَ الْهَالِكِينَ |
মুমূর্ষু, মরণাপন্ন |
حَرَضٌ |
|
|
তোমরা তোমাদের দান কে খোটা এবং কষ্ট দিয়ে নষ্ট করে দিওনা। (২:২৬৪) |
لَا تُبْطِلُوا صَدَقَاتِكُم بِالْمَنِّ وَالْأَذَىٰ |
কষ্ট, নাপাকী, বিরক্তিকর, প্রচণ্ডতা, উকুন |
أَذًى |
|
|
বিপদ-আপদ বিহীন। (৪:৯৫) |
غَيْرُ أُولِي الضَّرَرِ |
ক্ষতি, অনিষ্ট, অপকরা, |
ضَرَرٌ |
|
|
শয়তান আমাকে স্পর্শ করেছে অশান্তি ও কষ্ট দ্বারা। (৩৮:৪১) |
أَنِّي مَسَّنِيَ الشَّيْطَانُ بِنُصْبٍ وَعَذَابٍ |
বিপদ, মুসিবত, অশান্তি |
نُصْبٌ |
|
|
তোমরা তোমাদের দান কে খোটা এবং কষ্ট দিয়ে নষ্ট করে দিওনা। (২:২৬৪) |
لَا تُبْطِلُوا صَدَقَاتِكُم بِالْمَنِّ وَالْأَذَىٰ |
দান |
صَدَقَةٌ (ج) صَدَقَاتٌ |
|
|
তারা অল্প-বিস্তর যা কিছু ব্যয় করে। (৯:১২১) |
يُنفِقُونَ نَفَقَةً صَغِيرَةً |
খরচাপাতি, ব্যয়, খরচ |
نَفَقَةٌ (ج) نَفَقَاتٌ |
|
|
সুতরাং তার খেসারত সিয়াম দ্বারা, কিংবা দান দ্বারা কিংবা উৎসর্গ দ্বারা। (২:১৯৬) |
فَفِدْيَةٌ مِّن صِيَامٍ أَوْ صَدَقَةٍ أَوْ نُسُكٍ |
উৎসর্গ |
نُسُكٌ |
|
|
যা তারা ব্যয় করে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের জন্য। (৯:৯৯) |
مَا يُنفِقُ قُرُبَاتٍ عِندَ اللَّهِ |
নিকটবর্তী, নৈকট্য, সান্নিধ্য, আত্মীয়তা, |
قُرْبَةٌ (ج) قُرْبَاتٌ |
|
|
তারা আমাদের নিকট এমন কোরবানী নিয়ে আসবে যাকে আগুন গ্রাস করে নেবে। (৩:১৮৩) |
يَأْتِيَنَا بِقُرْبَانٍ تَأْكُلُهُ النَّارُ |
কুরবানী, উৎসর্গ, নৈকট্যার্থে, নৈকট্যের আশায় |
قُرْبَانٌ |
|
|
এই হচ্ছে পূর্ণ দশ দিন। (২:১৯৬) |
تِلْكَ عَشَرَةٌ كَامِلَةٌ |
পূর্ণ |
كَامِلَةٌ |
|
|
হে ঈমানদার গন! তোমরা পরিপূর্ণভাবে ইসলামে প্রবেশ কর। (২:২০৮) |
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا ادْخُلُوا فِي السِّلْمِ كَافَّةً |
সম্পূর্ণ, সবাই, পুরাপুরি, |
كَافَّةٌ |
|
|
তাদের জিজ্ঞেস কর সেই গ্রাম সম্পর্কে যেটি নদীর তীরে অবস্থিত। (৭:১৬৩) |
وَاسْأَلْهُمْ عَنِ الْقَرْيَةِ الَّتِي كَانَتْ حَاضِرَةَ الْبَحْرِ |
বাসিন্দা, অবস্থানকারী, উপস্থিত, বিদ্যমান |
حَاضِرٌ (حَاضِرَةٌ) (ج) حَاضِرُونَ |
|
|
আর তুমি মাদইয়ান অধিবাসীদের মধ্যে ছিলে না। (২৮:৪৫) |
وَمَا كُنتَ ثَاوِيًا فِي أَهْلِ مَدْيَنَ |
অবস্থানকারী, বাসিন্দা, অধিবাসী |
ثَاوٍ |
|
|
এবং নূহ বললঃ হে আমার পালনকর্তা, আপনি পৃথিবীতে কোন কাফের গৃহবাসীকে রেহাই দিবেন না। (৭১:২৬) |
وَقَالَ نُوحٌ رَّبِّ لَا تَذَرْ عَلَى الْأَرْضِ مِنَ الْكَافِرِينَ دَيَّارًا |
গৃহবাসী, বাসিন্দা, অবস্থানকারী, অধিবাসী, সন্ন্যাসী, যাযাবর, যোগী |
دَيَّارٌ |
|
|
তারা সেখানে শতাব্দীর পর শতাব্দী অবস্থান করবে। (৭৮:২৩) |
لَّابِثِينَ فِيهَا أَحْقَابًا |
অবস্থানকারী, বাসিন্দা, বাসকারী, অধিবাসী |
لَابِثٌ (ج) لَابِثُونَ |
|
|
তারা তাতে চিরকাল অবস্থান করবে। (১৮:৩) |
مَّاكِثِينَ فِيهِ أَبَدًا |
অবস্থানকারী, বাসিন্দা, |
مَاكِثٌ (ج) مَاكِثُونَ |
|
|
তাদের জন্য রয়েছে নির্দিষ্ট রিযিক। (৩৭:৪১) |
أُولَٰئِكَ لَهُمْ رِزْقٌ مَّعْلُومٌ |
নির্দিষ্ট, সুবিদিত |
مَعْلُومٌ (ج) (مَعْلُومَاتٌ) |
|
|
নাবীর উপর আল্লাহ যা ফরজ করেছেন তার জন্য, এতে নাবীর কোন সমস্যা নেই। (৩৩:৩৮) |
مَّا كَانَ عَلَى النَّبِيِّ مِنْ حَرَجٍ فِيمَا فَرَضَ اللَّهُ لَهُ |
ফরজ করা, আবশ্যক করা, অবধারিত করা, অপরিহার্য করা, |
فَرَضَ-يَفْرِضُ |
|
|
অতঃপর প্রত্যাবর্তন কর, যেখান থেকে মানুষ প্রত্যাবর্তন করে এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর। (২:১৯৯) |
ثُمَّ أَفِيضُوا مِنْ حَيْثُ أَفَاضَ النَّاسُ وَاسْتَغْفِرُوا اللَّهَ |
প্রবাহিত করা, সিক্ত করা, গা ভাসানো, |
أَفَاضَ-يُفِيضُ |
|
|
আর আল্লাহ কে স্মরণ কর সম্মানিত নিদর্শন এর নিকট। (২:১৯৮) |
فَاذْكُرُوا اللَّهَ عِندَ الْمَشْعَرِ الْحَرَامِ |
নিদর্শন, আলামত, চিহ্ন, প্রতীক |
مَشْعَرٌ |
|
|
হে ঈমানদার গন! তোমরা নিজেদেরকে এবং তোমাদের পরিবার-পরিজনকে আগুন থেকে রক্ষা কর। (৬৬:৬) |
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا قُوا أَنفُسَكُمْ وَأَهْلِيكُمْ نَارًا |
রক্ষা করা (রক্ষাকারী) |
وَقَى-يَقِي (وَاقٍ) |
|
|
বল, কে তোমাদের আল্লাহ হতে নিষ্কৃতি দিবে (৩৩:১৭) |
قُلْ مَن ذَا الَّذِي يَعْصِمُكُم مِّنَ اللَّهِ |
রক্ষা করা, হেফাজত করা, বাচানো, |
عَصَمَ-يَعْصِمُ (عَاصِمٌ) |
|
|
বল, কে তোমাদের দিনে এবং রাতে হেফাজত করবে রহমান থেকে? (২১:৪২) |
قُلْ مَن يَكْلَؤُكُم بِاللَّيْلِ وَالنَّهَارِ مِنَ الرَّحْمَٰنِ |
হেফাজত করা, তত্ত্বাবধান করা, দেখভাল করা, দেখাশোনা করা, |
كَلَأَ-يَكْلَأُ |
|
|
এরপর এতে তোমার প্রতিবেশীরূপে তারা সল্প সময় ই থাকবে। (৩৩:৬০) |
ثُمَّ لَا يُجَاوِرُونَكَ فِيهَا إِلَّا قَلِيلًا |
আশ্রয় দেওয়া, রক্ষা করা, প্রতিবেশী বানানো |
أَجَارَ-يُجِيرُ |
|
|
যেন তোমাদের বিপদের সময় রক্ষা করে। (২১:৮০) |
لِتُحْصِنَكُم مِّن بَأْسِكُمْ |
রক্ষা করা, আত্মসংবরণ করা, বিয়ে দেয়া |
أَحْصَنَ-يُحْصِنُ |
|
|
তারা তাদের নিজেদের সাহায্য করতে পারবে না এবং না আমার পক্ষ থেকে কোন সাহায্যকারীও পাবেনা। (২১;৪৩) |
لَا يَسْتَطِيعُونَ نَصْرَ أَنفُسِهِمْ وَلَا هُم مِّنَّا يُصْحَبُونَ |
সঙ্গী বানানো, বন্ধু পাওয়া, সঙ্গ দেওয়া, সঙ্গ লাভ করা, সাহায্য করা |
أَصْحَبَ-يُصْحِبُ |
|
|
আমি একে হেফাজত করেছি প্রত্যেক বিতাড়িত শয়তান থেকে। (১৫:১৭) |
وَحَفِظْنَاهَا مِن كُلِّ شَيْطَانٍ رَّجِيمٍ |
রক্ষা করা, যত্নবান হওয়া, সামলে রাখা, রক্ষণাবেক্ষণ করা |
حَفِظَ-يَحْفَظُ(حِفْظٌ) |
|
|
তারা তাদের স্বলাতের প্রতি যত্নশীল। (৬:৯২) |
وَهُمْ عَلَىٰ صَلَاتِهِمْ يُحَافِظُونَ |
যত্নবান হওয়া, রক্ষা করা, রক্ষণাবেক্ষণ করা |
حَافَظَ-يُحَافِظُ |
|
|
তা কেউ প্রতিরোধ করতে পারবে না। (৫২:৮) |
مَّا لَهُ مِن دَافِعٍ |
প্রতিহত করা, দফা করা, |
دَافَعَ-يُدَافِعُ |
|
|
তাদের মধ্যে অনেক কে দেখবে পাপাচারের দিকে ধ্রুত ধাবিত হচ্ছে। (৫:৬২) |
وَتَرَىٰ كَثِيرًا مِّنْهُمْ يُسَارِعُونَ فِي الْإِثْمِ |
দ্রুত |
سَرِيعٌ |
||
সেদিন তারা কবর থেকে ধ্রুতবেগে বেড়িয়ে আসবে। (৭০:৪৩) |
يَوْمَ يَخْرُجُونَ مِنَ الْأَجْدَاثِ سِرَاعًا |
দ্রুতগতিসম্পন্ন, জলদি, তড়িঘড়ি, |
سِرَاعٌ |
||
মানুষকে ত্বরাপ্রবণ করে সৃষ্টি করা হয়েছে। (২১:৩৭) |
خُلِقَ الْإِنسَانُ مِنْ عَجَلٍ |
ত্বরাপ্রবণ, তরাশীল, |
عَجَلٌ |
||
মানুষ তো খুবই শীঘ্রকারী। (১৭:১১) |
وَكَانَ الْإِنسَانُ عَجُولًا |
ত্বরাপ্রবণ, তরাশীল, |
عَجُولٌ |
||
তিনিই দিনকে রাত দিয়ে ঢেকে দেন, তাদের একে অন্যকে ধ্রুতগতিতে অনুসরণ করে। (৭:৫৪) |
يُغْشِي اللَّيْلَ النَّهَارَ يَطْلُبُهُ حَثِيثًا |
দ্রুত, ক্ষিপ্র |
حَثِيثٌ |
||
তারা বড় হয়ে যাবে মনে করে তাড়াতাড়ি খেয়ে ফেলো না। (৪:৬) |
وَلَا تَأْكُلُوهَا إِسْرَافًا وَبِدَارًا أَن يَكْبَرُوا |
তাড়াতাড়ি, দ্রুত, দৌড়ানো, ছুটা |
بِدَارٌ |
||
এবং ধ্রুত তোমাদের কাছে চলে আসে। (৩:১২৫) |
وَيَأْتُوكُم مِّن فَوْرِهِمْ |
তাড়াতাড়ি, আশু, আকস্মাৎ, হঠাৎ, তৎক্ষণাত |
فَوْرٌ |
||
তাদের হিসাব নেয়া আমার পালনকর্তারই কাজ; যদি তোমরা বুঝতে! (২৬:১১৩) |
إِنْ حِسَابُهُمْ إِلَّا عَلَىٰ رَبِّي لَوْ تَشْعُرُونَ |
হিসাব, গণনা |
حِسَابٌ، حُسْبَانٌ |
||
আল্লাহ তোমাদের কাছ থেকে তার হিসাব নেবেন। (২:২৮৪) |
يُحَاسِبْكُم بِهِ اللَّهُ |
হিসাব নিকাশ করা, |
حَاسَبَ-يُحَاسِبُ |
||
তিনি সবকিছুর সংখ্যার হিসাব রাখেন। (৭২:২৮) |
وَأَحْصَىٰ كُلَّ شَيْءٍ عَدَدًا |
হিসাব করা, গণনা করা |
أَحْصَى-يُحْصِي |
||
তোমরা যা করতে আমি তা লিপিবদ্ধ করতাম। (৪৫:২৯) |
إِنَّا كُنَّا نَسْتَنسِخُ مَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ |
অনুলিপি করা, কপি করা, |
اسْتَنْسَخَ-يَسْتَنْسِخُ |
||
হিসাব গ্রহণের জন্যে আমিই যথেষ্ট। (২১:৪৭) |
وَكَفَىٰ بِنَا حَاسِبِينَ |
হিসাবরক্ষক, গণনাকারী, যথেষ্ট |
حَاسِبٌ، حَسِيبٌ |
||
যে তাড়াহুড়া করবে দু’দিনের মধ্যে, তার জন্যে কোন পাপ নেই। (২:২০৩) |
فَمَن تَعَجَّلَ فِي يَوْمَيْنِ فَلَا إِثْمَ عَلَيْهِ |
তাড়াহুড়ো করা |
تَعَجَّلَ-يَتَعَجَّلُ |
||
আমি তাড়াতাড়ি তোমার কাছে এলাম, যাতে তুমি সন্তুষ্ট হও। (২০:৮৪) |
وَعَجِلْتُ إِلَيْكَ رَبِّ لِتَرْضَىٰ |
তাড়াহুড়া করা, তাড়াতাড়ি করা, |
عَجِلَ-يَعْجلُ |
||
যদি তিনি তাদেরকে তাদের কৃতকর্মের জন্যে পাকড়াও করেন তবে তাদের শাস্তি ত্বরাম্বিত করতেন। (১৮:৫৮) |
لَوْ يُؤَاخِذُهُم بِمَا كَسَبُوا لَعَجَّلَ لَهُمُ الْعَذَابَ |
তাড়াহুড়া করা, তাড়াতাড়ি করা, |
عَجَّلَ-يُعَجِّلُ |
||
হে মূসা, তোমার সম্প্রদায়কে পিছনে ফেলে তোমাকে তাড়াহুড়া করতে বাধ্য করল কে? (২০:৮৩)
|
وَمَا أَعْجَلَكَ عَن قَوْمِكَ يَا مُوسَىٰ |
তাড়াহুড়া করানো, তরা করতে বলা, দ্রুত করতে বলা, |
أَعْجَلَ-يُعْجِلُ |
||
তারা তোমার কাছে আযাব তাড়াতাড়ি কামনা করে। (২৯:৫৩) |
وَيَسْتَعْجِلُونَكَ بِالْعَذَابِ |
ত্বরা কামনা করা, শীঘ্রতা কামনা করা, |
اِسْتَعْجَلَ-يَسْتَعْجِلُ (اسْتِعْجَالٌ) |
||
আমি তাদেরকে ধ্রুত কল্যাণের দিকে নিয়ে যাচ্ছি। (২৩:৫৬) |
نُسَارِعُ لَهُمْ فِي الْخَيْرَاتِ |
দৌড়নো, ছুটে যাওয়া, দ্রুতগতিতে চলা, |
سَارَعَ-يُسَارِعُ |
||
তোমাদের মধ্যে যে অগ্রে যেতে চায় কিংবা পশ্চাতে থাকতে চায়। (৭৪:৩৭) |
لِمَن شَاءَ مِنكُمْ أَن يَتَقَدَّمَ أَوْ يَتَأَخَّرَ |
দেরি হওয়া, পিছিয়ে পড়া, পশ্চাতে থাকা |
تَأَخَّرَ-يَتَأَخَّرُ |
||
তাদের কাছ থেকে আযাবকে স্থগিত রাখি। (১১:৮) |
أَخَّرْنَا عَنْهُمُ الْعَذَابَ |
পশ্চাতে রাখা, অবকাশ দেয়া, স্থগিত রাখা |
أَخَّرَ-يُأَخِّرُ |
||
যখন তাদের সময় এসে যাবে, তখন তারা এক মুহুর্ত পিছে যেতে পারবে না। (৭:৩৪) |
فَإِذَا جَاءَ أَجَلُهُمْ لَا يَسْتَأْخِرُونَ سَاعَةً |
দেরি হওয়া, পিছিয়ে পড়া, পশ্চাতে থাকতে চাওয়া |
اِسْتَأْخَرَ-يَسْتَأْخِرُ |
||
প্রকৃতপক্ষে সে কঠিন ঝগড়াটে লোক। (২:২০৪) |
وَهُوَ أَلَدُّ الْخِصَامِ |
ঝগড়াটে |
لَدٌّ (ج) لُدٌّ |
||
বস্তুতঃ তারা হল এক বিবাদমান সম্প্রদায়। (৪৩:৫৮) |
بَلْ هُمْ قَوْمٌ خَصِمُونَ |
বিবাদমান পক্ষ, শত্রু, কলহপ্রবণ, ঝগড়াটে, প্রতিপক্ষ |
خَصِمٌ، خَصِيمٌ (ج) خَصِمُونَ |
||
তোমার কাছে কি দাবীদারদের বৃত্তান্ত পৌছেছে। (৩৮:২১) |
وَهَلْ أَتَاكَ نَبَأُ الْخَصْمِ |
দাবীদার |
خَصْمٌ |
||
একটি লোকের উপর পরস্পর বিরোধী কয়জন মালিক রয়েছে। (৩৯:২৯) |
رَّجُلًا فِيهِ شُرَكَاءُ مُتَشَاكِسُونَ |
পরস্পর বিরোধী |
مُتَشَاكِسٌ (ج) مُتَاشَاكِسُونَ |
||
এবং আমি তাদের পূর্বে কত ধ্বংস করেছি। (১৯:৭৪) |
وَكَمْ أَهْلَكْنَا قَبْلَهُم |
ধ্বংস করা |
أَهْلَكَ-يُهْلِكُ |
||
প্রত্যেককেই সম্পুর্ণরূপে ধ্বংস করেছি। (২৫:৩৯) |
وَكُلًّا تَبَّرْنَا تَتْبِيرًا |
ধ্বংস করা, বিনাশ করা, লণ্ডভণ্ড করা, বিধস্ত করা |
تَبَّرَ-يُتَبِّرُ |
||
তারা তাদের বাড়ী-ঘর নিজেদের হাতে ধ্বংস করছিল। (৫৯:২) |
يُخْرِبُونَ بُيُوتَهُم بِأَيْدِيهِمْ |
নষ্ট করা, ধ্বংস করা, বিনাশ করা, খারাপ করা |
أَخْرَبَ-يُخْرِبُ |
||
তাদের রব তাদের উপর ধ্বংসলীলা চালায়। (৯১:১৪) |
فَدَمْدَمَ عَلَيْهِمْ رَبُّهُم |
ধ্বংস করা, ধ্বংসলীলা চালানো, |
دَمْدَمَ-يُدَمْدِمُ |
||
তাদের সম্প্রদায়ের সকলকে ধ্বংস করে দিয়েছি। (২৭:৫১) |
دَمَّرْنَاهُمْ وَقَوْمَهُمْ أَجْمَعِينَ |
ধ্বংস করা, বিলুপ্ত করা, বিনাশ করা, |
دَمَّرَ-يُدَمِّرُ (تَدْمِيرٌ) |
||
সে বলবে, আল্লাহর কসম, তুমি তো আমাকে প্রায় অকেজোই করে দিয়েছিলে। (৩৭:৫৬) |
قَالَ تَاللَّهِ إِن كِدتَّ لَتُرْدِينِ |
অকেজো করা, অচল করা, |
أَرْدَى-يُرْدِي |
||
তাহলে তিনি তোমাদেরকে আযাব দ্বারা ধবংস করে দেবেন। (২০:৬১) |
فَيُسْحِتَكُم بِعَذَابٍ |
ধ্বংস করা, বিনাশ করা, বিলীন করা, |
أَسْحَتَ-يُسْحِتُ |
||
আমি কত জনপদের ধ্বংস সাধন করেছি। (২১:১১) |
وَكَمْ قَصَمْنَا مِن قَرْيَةٍ |
ধ্বংস করা, লণ্ডভণ্ড করা, বিধ্বস্ত করা, চুরমার করা |
قَصَمَ-يَقْصِمُ |
||
অথবা তাদের কৃতকর্মের জন্যে সেগুলোকে ধ্বংস করে দেন এবং অনেককে ক্ষমাও করে দেন। (৪২:৩৪) |
أَوْ يُوبِقْهُنَّ بِمَا كَسَبُوا وَيَعْفُ عَن كَثِيرٍ |
ধ্বংস করা, বিনাশ করা, বিলীন করা, |
أَوْبَقَ-يُوبِقُ |
||
এরাই তারা যারা শাস্তিযোগ্য হয়েছে তাদের অর্জনের কারনে। (৬:৭০) |
أُولَٰئِكَ الَّذِينَ أُبْسِلُوا بِمَا كَسَبُوا |
বঞ্চিত করা, শাস্তিযোগ্য হওয়া |
أَبْسَلَ-يُبْسِلُ |
||
আল্লাহ যদি মানবজাতির একদলকে অপর দল দ্বারা প্রতিহত না করতেন, তবে (খ্রীষ্টানদের) নির্ঝন গির্জা, এবাদত খানা, (ইহুদীদের) উপাসনালয় এবং মসজিদসমূহ বিধ্বস্ত হয়ে যেত, (২২:৪০) |
وَلَوْلَا دَفْعُ اللَّهِ النَّاسَ بَعْضَهُم بِبَعْضٍ لَّهُدِّمَتْ صَوَامِعُ وَبِيَعٌ وَصَلَوَاتٌ وَمَسَاجِدُ |
ধ্বংস করা, বিধ্বস্ত করা, চুরমার করা, ভেঙে ফেলা, ভূমিস্মাৎ করা, |
هَدَّمَ-يُهَدِّمُ |
||
কত নিকৃষ্ট সেই আবাস স্থল। (৩৮:৫৬) |
فَبِئْسَ الْمِهَادُ |
বাসস্থান |
مِهَادٌ |
||
তাদের বাসস্থান জাহান্নাম (৪৭:১২) |
وَالنَّارُ مَثْوًى لَّهُمْ |
অবস্থানস্থল, বাসস্থান, ঠিকানা |
مَثْوَى |
||
তাদের জন্য জান্নাত আশ্রয়স্থল। (৩২:১৯) |
فَلَهُمْ جَنَّاتُ الْمَأْوَىٰ |
আশ্রয়স্থল, ঠিকানা, বাসস্থান |
مَأْوَى |
||
আর আমি বনী-ইসরাঈলদিগকে দান করেছি উত্তম বাসস্থান। (১০:৯৩) |
وَلَقَدْ بَوَّأْنَا بَنِي إِسْرَائِيلَ مُبَوَّأَ صِدْقٍ |
আশ্রয়, বাসস্থান, বসতি |
مُبَوَّأٌ |
||
তারা ব্যয় করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে। (২:২৬৫) |
يُنفِقُونَ أَمْوَالَهُمُ ابْتِغَاءَ مَرْضَاتِ اللَّهِ |
সন্তুষ্টি |
مَرْضَاتٌ |
||
সবচেয়ে বড় হল আল্লাহর পক্ষ থেকে সন্তুষ্টি। (৯:৭২) |
وَرِضْوَانٌ مِّنَ اللَّهِ أَكْبَرُ |
সন্তুষ্টি, সন্তোষ, সম্মতি, |
رِضْوَانٌ |
||
হে ঈমানদার গন! তোমরা পরিপূর্ণভাবে ইসলামে প্রবেশ কর। (২:২০৮) |
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا ادْخُلُوا فِي السِّلْمِ كَافَّةً |
ইসলাম |
سِلْمٌ |
||
ইসলামকে তোমাদের জন্যে দ্বীন হিসেবে পছন্দ করলাম। (৫:৩) |
وَرَضِيتُ لَكُمُ الْإِسْلَامَ دِينًا |
ইসলাম ধর্ম |
إسْلَامٌ |
||
শয়তান তাদের দু’জনের পদস্খলন ঘটাল। (২:৩৬) |
فَأَزَلَّهُمَا الشَّيْطَانُ عَنْهَا |
পদস্খলন ঘটা |
زَلَّ-يَزِلُّ |
||
আর যখন আমি তুলে ধরলাম পাহাড়কে তাদের উপরে শামিয়ানার মত। (৭:১৭১) |
وَإِذْ نَتَقْنَا الْجَبَلَ فَوْقَهُمْ كَأَنَّهُ ظُلَّةٌ |
ছায়াচ্ছন্ন, ছায়াদার, তাবু, চাদোয়া, শামিয়ানা |
ظُلَّةٌ (ج) ظُلَلٌ |
||
নিশ্চয় আমি আকাশকে তারকারাজির সৌন্দর্য দ্বারা সুসজ্জিত করেছি। (৩৭:৬) |
إِنَّا زَيَّنَّا السَّمَاءَ الدُّنْيَا بِزِينَةٍ الْكَوَاكِبِ |
সুসজ্জিত করা, মোহনীয় করা |
زَيَّنَ-يُزَيِّنُ |
||
এমনকি যমীন যখন সৌন্দর্য সুষমায় ভরে উঠলো। (১০;২৪) |
إِذَا أَخَذَتِ الْأَرْضُ زُخْرُفَهَا وَازَّيَّنَتْ |
সজ্জিত হওয়া, অলঙ্কৃত হওয়া, |
ازَّيَنَ-يَزَّيَّنُ |
||
নিশ্চয় কেয়ামতের প্রকম্পন একটি ভয়ংকর ব্যাপার। (২২:১) |
إِنَّ زَلْزَلَةَ السَّاعَةِ شَيْءٌ عَظِيمٌ |
প্রকম্পিত হওয়া (কম্পন) |
زَلْزَلَ-يُزَلْزِلُ (زِلْزَالٌ، زَلْزَلَهٌ) |
||
তোমরা কি ভাবনামুক্ত হয়ে গেছ যে, আকাশে যিনি আছেন তিনি তোমাদেরকে ভূগর্ভে বিলীন করে দেবেন, যখন তা কাঁপতে থাকবে। (৬৭:১৬) |
أَأَمِنتُم مَّن فِي السَّمَاءِ أَن يَخْسِفَ بِكُمُ الْأَرْضَ فَإِذَا هِيَ تَمُورُ |
প্রলয় সৃষ্টি হওয়া, তরঙ্গিত হওয়া, তরঙ্গবিক্ষুব্ধ হওয়া, প্রকম্পিত হওয়া, |
مَارَ-يَمُورُ (مَوْرٌ) |
||
যারা ঈমানদার, তারা এমন যে, যখন আল্লাহর নাম নেয়া হয় তখন ভীত হয়ে পড়ে তাদের অন্তর। (৮:২) |
إِنَّمَا الْمُؤْمِنُونَ الَّذِينَ إِذَا ذُكِرَ اللَّهُ وَجِلَتْ قُلُوبُهُمْ |
ভয় পাওয়া, দুরদুর করা, ভীত হওয়া, |
وَجِلَ-يَوْجَلُ (وَجِلَةٌ ج وَجِلُونَ) |
||
যেদিন পৃথিবী পর্বতমালা প্রকম্পিত হবে এবং পর্বতসমূহ হয়ে যাবে বহমান বালুকাস্তুপ। (৭৩:১৪) |
يَوْمَ تَرْجُفُ الْأَرْضُ وَالْجِبَالُ وَكَانَتِ الْجِبَالُ كَثِيبًا مَّهِيلًا |
কাঁপা, প্রকম্পিত হওয়া, ভূমিকম্প হওয়া, |
رَجَفَ-يَرْجُفُ (رَجْفَةٌ) |
||
যখন প্রবলভাবে প্রকম্পিত হবে পৃথিবী। (৫৬:৪) |
إِذَا رُجَّتِ الْأَرْضُ رَجًّا |
কাঁপা, কম্পিত হওয়া, |
رَجَّ-يَرجُّ (رَجٌّ) |
||
তাদের পশম খাড়া হয়ে উঠে চামড়ার উপর, যারা তাদের পালনকর্তাকে ভয় করে। (৩৯:২৩) |
تَقْشَعِرُّ مِنْهُ جُلُودُ الَّذِينَ يَخْشَوْنَ رَبَّهُمْ |
পশম খাড়া হওয়া, শিউরে ওঠা, |
اقْشَعَرَّ-يَقْشَعِرُّ |
||
যখন আসবে আল্লাহর সাহায্য ও বিজয়। (১১০:১) |
إِذَا جَاءَ نَصْرُ اللَّهِ وَالْفَتْحُ |
সাহায্য |
نَصْرٌ |
||
যদিও এরুপ অনেক নিয়ে আসা হয়। (১৮:১০৯) |
وَلَوْ جِئْنَا بِمِثْلِهِ مَدَدًا |
সাহায্য, সহায়তা, অনেক সাহায্য, |
مَدَدٌ |
||
তোমাদের উপর যুদ্ধ ফরয করা হয়েছে, অথচ তা তোমাদের কাছে অপছন্দনীয়। (২:২১৬) |
كُتِبَ عَلَيْكُمُ الْقِتَالُ وَهُوَ كُرْهٌ لَّكُمْ |
অপছন্দনীয় |
كُرْهٌ |
||
এ সবের মধ্যে যেগুলো মন্দকাজ, সেগুলো তোমার পালনকর্তার কাছে অপছন্দনীয়। (১৭:৩৮) |
كُلُّ ذَٰلِكَ كَانَ سَيِّئُهُ عِندَ رَبِّكَ مَكْرُوهًا |
ঘৃণিত, অপ্রিয় |
مَكْرُوهٌ |
||
তোমরা যা কর না, তা বলা আল্লাহর কাছে খুবই ঘৃণিত। (৬১:৩) |
كَبُرَ مَقْتًا عِندَ اللَّهِ أَن تَقُولُوا مَا لَا تَفْعَلُونَ |
জঘন্য, বিরক্তিকর, ঘৃণিত, |
مَقْتٌ |
||
এবং তিনি তাঁর পালনকর্তার কাছে পছন্দনীয় ছিলেন। (১৯:৫৫) |
وَكَانَ عِندَ رَبِّهِ مَرْضِيًّا |
সন্তোষভাজন, পছন্দনীয়, |
مَرْضِيٌ، مَرْضِيَّةٌ |
||
আর হয়তোবা কোন একটি বিষয় তোমাদের কাছে পছন্দনীয় অথচ তা তোমাদের জন্যে অকল্যাণকর। (২:২১৬) |
وَعَسَىٰ أَن تُحِبُّوا شَيْئًا وَهُوَ شَرٌّ لَّكُمْ |
হয়তো |
عَسَى |
||
অতঃপর তারা দাঁড়াতে সক্ষম হল না। (৫১:৪৫) |
فَمَا اسْتَطَاعُوا مِن قِيَامٍ |
সক্ষম হওয়া |
اِسْتَطَاعَ-يَسْتَطِيعُ |
||
সে বলল, আফসোস আমি অক্ষম হলাম। (৫:৩১) |
قَالَ يَا وَيْلَتَا أَعَجَزْتُ |
অক্ষম হওয়া |
عَجَزَ-يَعْجِزُ |
||
আমি কি প্রথমবার সৃষ্টি করেই ক্লান্ত হয়ে পড়েছি? (৫০:১৫) |
أَفَعَيِينَا بِالْخَلْقِ الْأَوَّلِ |
অক্ষম হওয়া, অপারগ হওয়া, ক্লান্ত হওয়া |
عَيِيَ-يَعْيَى |
||
এবং আমরা অক্ষম নই। (৫৬:৬০) |
وَمَا نَحْنُ بِمَسْبُوقِينَ |
পশ্চাদ্বর্তী, পরাজিত |
مَسْبُوقٌ (ج) مَسْبُوقُونَ |
||
এরাই তারা যাদের আমলগুলো নিষ্ফল হয়ে গেছে। (৩:২২) |
أُولَٰئِكَ الَّذِينَ حَبِطَتْ أَعْمَالُهُمْ |
নস্যাৎ হওয়া, নষ্ট হওয়া, ব্যর্থ হওয়া, নিষ্ফল হওয়া |
حَبِطَ-يَحْبَطُ |
||
এবং বাতিল হয়ে গেল যা তারা করত। (৭:১১৮) |
وَبَطَلَ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ |
বাতিল হওয়া, রহিত হওয়া, নষ্ট হওয়া, নিরর্থ হওয়া |
بَطَلَ-يَبْطُلُ |
||
এবং যারা আল্লাহর রাস্তায় হিজরত করেছে। (২২:৫৮) |
وَالَّذِينَ هَاجَرُوا فِي سَبِيلِ اللَّهِ |
হিজরত করা |
هَاجَرَ-يُهَاجِرُ |
||
সে বলল, নিশ্চয়ই আমি আমার প্রতিপালকের দিকে একজন হিজরতকারী। (২৯:২৬) |
وَقَالَ إِنِّي مُهَاجِرٌ إِلَىٰ رَبِّي |
হিজরতকারী |
مُهَاجِرٌ (ج) مُهَاجِرُونَ (مُهَاجِرَاتٌ) |
||
তারা তোমাকে মদ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। (২:২১৯) |
يَسْأَلُونَكَ عَنِ الْخَمْرِ |
মদ |
خَمْرٌ |
||
তাদেরকে মোহর করা বিশুদ্ধ পানীয় পান করানো হবে। (৮৩:২৫) |
يُسْقَوْنَ مِن رَّحِيقٍ مَّخْتُومٍ |
বিশুদ্ধ পানীয়, খাঁটি শরাব, নির্র্ভেজাল সুরা |
رَحِيقٌ |
||
সেখান থেকে তোমরা নেশাদ্রব্য তৈরি করে থাক। (১৬:৬৭) |
تَتَّخِذُونَ مِنْهُ سَكَرًا |
মাদকদ্রব্য, নেশাদ্রব্য, নবিজ, মদ, মদিরা |
سَكَرٌ |
||
তারা তোমাকে মদ ও জুয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। (২:২১৯) |
يَسْأَلُونَكَ عَنِ الْخَمْرِ وَالْمَيْسِرِ |
জুয়া |
مَيْسَرٌ |
||
বল, এদুয়ের মাঝে আছে বড় ক্ষতি এবং কিছু উপকারিতা। (২:২১৯) |
قُلْ فِيهِمَا إِثْمٌ كَبِيرٌ وَمَنَافِعُ لِلنَّاسِ |
উপকারিতা |
مَنْفَعَةٌ (ج) مَنَافِعُ |
||
এবং তাদের কোন ক্ষতি ও উপকার করার ক্ষমতাও রাখে না। (২০:৮৯) |
وَلَا يَمْلِكُ لَهُمْ ضَرًّا وَلَا نَفْعًا |
উপকার করা, মঙ্গল করা, কল্যাণ করা, |
نَفْعٌ |
||
এবং তাদের কোন ক্ষতি ও উপকার করার ক্ষমতাও রাখে না। (২০:৮৯) |
وَلَا يَمْلِكُ لَهُمْ ضَرًّا وَلَا نَفْعًا |
ক্ষতি |
ضَرٌّ |
||
তারা বলল, কোন ক্ষতি নেই। (২৬:৫০) |
قَالُوا لَا ضَيْرَ |
অসুবিধা, ক্ষতি, সমস্যা |
ضَيْرٌ |
||
অপরের অনিষ্টকারী না হয়ে। (৪:১২) |
غَيْرَ مُضَارٍّ |
ক্ষতিকর, অনিষ্টকারী |
مُضَارٌّ |
||
আল্লাহ মার্জনাকারী, ক্ষমাশীল। (৪:৯৯) |
وَكَانَ اللَّهُ عَفُوًّا غَفُورًا |
উদ্বৃত্ত, মার্জনাকারী |
عَفْوٌ |
||
যাতে তারা চিন্তা-ভাবনা করে। (১৬;৪৪) |
وَلَعَلَّهُمْ يَتَفَكَّرُونَ |
চিন্তা করা |
تَفَكَّرَ-يَتَفَكَّرُ |
||
সে চিন্তা করেছে এবং মনঃস্থির করেছে। (৭৪:১৮) |
إِنَّهُ فَكَّرَ وَقَدَّرَ |
ফিকির করা, চিন্তা করা, |
فَكَّرَ-يُفَكِّرُ |
||
তারা কি কোরআন সম্পর্কে গভীর চিন্তা করে না? (৪৭:২৪) |
أَفَلَا يَتَدَبَّرُونَ الْقُرْآنَ |
চিন্তা করা, গভীরধ্যান করা, |
تَدَبَّرَ-يَتَدَبَّرُ |
||
তারা কি এই কথা সম্পর্কে গভীর চিন্তা করে না? (২৩:৬৮) |
أَفَلَمْ يَدَّبَّرُوا الْقَوْلَ |
চিন্তা করা, গভীরধ্যান করা, |
اِدَّبَرَ-يَدَّبَّرُ |
||
আমার ভাই হারুন। (২০:৩০) |
هَارُونَ أَخِي |
ভাই, সহোদর, জাতি ভাই, ভ্রাতৃত্ব |
أَخٌ (ج) إخْوَانٌ، إخْوَةٌ |
||
তোমাদের জন্যে হারাম করা হয়েছে তোমাদের মাতা, তোমাদের কন্যা, তোমাদের বোন। (৪:২৩) |
حُرِّمَتْ عَلَيْكُمْ أُمَّهَاتُكُمْ وَبَنَاتُكُمْ وَأَخَوَاتُكُمْ |
বোন, সহোদরা |
أُخْتٌ (ج) أَخَوَاتٌ |
||
তোমরা বিয়ে করোনা যাদেরকে তোমাদের বাবা বিয়ে করেছে। (৪:২২) |
وَلَا تَنكِحُوا مَا نَكَحَ آبَاؤُكُم |
বিয়ে করা |
نَكَحَ-يَنْكِحُ |
||
যদি নাবী চায় তাকে বিয়ে করতে। (৩৩:৫০) |
إِنْ أَرَادَ النَّبِيُّ أَن يَسْتَنكِحَهَا |
বিয়ে করতে চাওয়া |
اِسْتَنْكَحَ-يَسْتَنْكِحُ |
||
সে বলল, আমি তোমাকে বিয়ে দিতে চাই। (২৮:২৭) |
قَالَ إِنِّي أُرِيدُ أَنْ أُنكِحَكَ |
বিয়ে দেয়া |
أَنْكَحَ-يُنْكِحُ |
||
আমি তাকে আপনার সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ করলাম যাতে মুমিনদের উপর কোন অসুবিধা না থাকে। (৩৩:৩৭) |
زَوَّجْنَاكَهَا لِكَيْ لَا يَكُونَ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ حَرَجٌ |
বিয়ে দেয়া |
زَوَّجَ-يُزَوِّجُ |
||
অতঃপর যদি সে তাকে তালাক দেয়, সে তাঁর জন্য হালাল নয়। (২:২৩০) |
فَإِن طَلَّقَهَا فَلَا تَحِلُّ لَهُ |
তালাক দেয়া |
طَلَّقَ-يُطلِّقُ |
||
আর তারা তোমার কাছে জিজ্ঞেস করে হায়েয (ঋতু) সম্পর্কে। (২:২৩০) |
وَيَسْأَلُونَكَ عَنِ الْمَحِيضِ |
মাসিক, ঋতু |
مَحِيضٌ |
||
আর তালাকপ্রাপ্তা নারী নিজেকে অপেক্ষায় রাখবে তিন মাসিকের সময়কাল পর্যন্ত। (২:২২৮) |
وَالْمُطَلَّقَاتُ يَتَرَبَّصْنَ بِأَنفُسِهِنَّ ثَلَاثَةَ قُرُوءٍ |
মাসিকের সময়কাল |
قُرْءٌ (ج) قُرُوءٌ |
||
এবং তারা যাদের মাসিক হয়নি। (৬৫:৪) |
وَاللَّائِي لَمْ يَحِضْنَ |
মাসিক হওয়া, ঋতুস্রাব হওয়া |
حَاضَتْ-تَحِيضُ |
||
মাসিকের সময় নারীদের থেকে পৃথক হও। (২:২২২) |
فَاعْتَزِلُوا النِّسَاءَ فِي الْمَحِيضِ |
পৃথক হওয়া |
اِعْتَزَلَ-يَعْتَزِلُ |
||
তাদের পার্শ্ব শয্যা থেকে আলাদা থাকে তারা তাদের পালনকর্তাকে ডাকে ভয়ে ও আশায়। (৩২:১৬) |
تَتَجَافَىٰ جُنُوبُهُمْ عَنِ الْمَضَاجِعِ يَدْعُونَ رَبَّهُمْ خَوْفًا |
বিচ্ছিন্ন হওয়া, পৃথক হওয়া, |
تَجَافَى-يَتَجَافَى |
||
হে অপরাধীরা! আজ তোমরা আলাদা হয়ে যাও। (৩৬:৫৯) |
وَامْتَازُوا الْيَوْمَ أَيُّهَا الْمُجْرِمُونَ |
আলাদা হওয়া, বিভক্ত হওয়া, |
اِمْتَازَ-يَمْتَيزُ |
||
যদি তারা সরে যেত, তবে আমি অবশ্যই তাদের মধ্যে যারা কাফের তাদেরকে যন্ত্রনাদায়ক শস্তি দিতাম। (৪৮:২৫) |
لَوْ تَزَيَّلُوا لَعَذَّبْنَا الَّذِينَ كَفَرُوا مِنْهُمْ عَذَابًا أَلِيمًا |
পৃথক থাকা, দূরে থাকা, সরে যাওয়া, আলাদা হওয়া |
تَزَيَّلَ-يَتَزَيَّلُ |
||
যদি উভয়েই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, তবে আল্লাহ স্বীয় প্রশস্ততা দ্বারা প্রত্যেককে অমুখাপেক্ষী করে দিবেন। (৪:১৩০) |
وَإِن يَتَفَرَّقَا يُغْنِ اللَّهُ كُلًّا مِّن سَعَتِهِ |
পৃথক হওয়া, আলাদা হওয়া, বিচ্ছিন্ন হওয়া, |
تَفَرَّقَ-يَتَفَرَّقُ |
||
ফলে, তা বিদীর্ণ হয়ে গেল এবং প্রত্যেক ভাগ বিশাল পর্বতসদৃশ হয়ে গেল। (২৬:৬৩) |
فَانفَلَقَ فَكَانَ كُلُّ فِرْقٍ كَالطَّوْدِ الْعَظِيمِ |
বিদীর্ণ হওয়া, চিরা, চিরে যাওয়া, |
انْفَلَقَ-يَنْفَلِقُ |
||
তারা কখনও একটি মাছি সৃষ্টি করতে পারবে না, যদিও তারা সকলে একত্রিত হয়। (২২;৭৩) |
لَن يَخْلُقُوا ذُبَابًا وَلَوِ اجْتَمَعُوا لَهُ |
একত্র হওয়া, জড়ো হওয়া, জোটবদ্ধ হওয়া |
اجْتَمَعَ-يَجْتَمِعُ |
||
তখন পর্যন্ত তাদের নিকটবর্তী হবে না, যতক্ষণ না তারা পবিত্র হয়ে যায়। (২:২২২) |
وَلَا تَقْرَبُوهُنَّ حَتَّىٰ يَطْهُرْنَ |
পবিত্র হওয়া |
طَهرَ-يَطْهرُ |
||
যদি তোমরা অপবিত্র হও তবে পবিত্রতা অর্জন করে নাও। (৫:৬) |
وَإِن كُنتُمْ جُنُبًا فَاطَّهَّرُوا |
পবিত্রতা অর্জন করা, গোসল করা |
تَطَهَّرَ-يَتَطَهَّرُ |
||
নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবাকারী এবং পবিত্রতা অবলম্বনকারীদের ভালবাসেন। (২:২২২) |
إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ التَّوَّابِينَ وَيُحِبُّ الْمُتَطَهِّرِينَ |
পবিত্রতা অবলম্বনকারী |
مُتَطَهِّرٌ (ج) مُتَطَهِّرُونَ |
||
আর আল্লাহ পবিত্র লোকদের ভালবাসেন। (৯:১০৮) |
وَاللَّهُ يُحِبُّ الْمُطَّهِّرِينَ |
পবিত্রকারী, শুদ্ধিকারী, আত্মশুদ্ধিকারী |
مُطَّهِّرٌ (ج) مُطَّهِّرُونَ |
||
আর আল্লাহ পবিত্র লোকদের ভালবাসেন। (৭৫:৫) |
وَاللَّهُ يُحِبُّ الْمُطَّهِّرِينَ |
পাপ, অপবিত্রতা, মূর্তি, মূর্তিপূঁজা, অপবিত্র |
رُجْزٌ |
||
আল্লাহর কাছে অজুহাত দিওনা। (২:২২৪) |
وَلَا تَجْعَلُوا اللَّهَ عُرْضَةً |
অজুহাত, প্রতিবন্ধকতা |
عُرْضَهٌ |
||
আপনি আমার পক্ষ থেকে অভিযোগ মুক্ত হয়ে গেছেন। (১৮:৭৬) |
قَدْ بَلَغْتَ مِن لَّدُنِّي عُذْرًا |
ওজর, বাহানা, কৈফিয়তমূলক, জবাবদিহিমূলক |
عُذْرٌ، مَعْذِرَةٌ |
||
যদিও সে তার অজুহাত পেশ করতে চাইবে। (৭৫:১৫) |
وَلَوْ أَلْقَىٰ مَعَاذِيرَهُ |
ওজরসমূহ, বাহানা, ছল |
مِعْذَارٌ (ج) مَعَاذِيرُ |
||
আল্লাহর কাছে তোমাদের শপথ এর ব্যপারে অজুহাত দিওনা। (২:২২৪) |
وَلَا تَجْعَلُوا اللَّهَ عُرْضَةً لِّأَيْمَانِكُمْ |
শপথ |
يَمِينٌ (ج) أَيْمَانٌ |
||
নিশ্চয় এটা এক মহা শপথ-যদি তোমরা জানতে। (৫৬:৭৬) |
وَإِنَّهُ لَقَسَمٌ لَّوْ تَعْلَمُونَ عَظِيمٌ |
কসম, শপথ, দৃঢ়প্রতিজ্ঞা, হলফ, |
قَسَمٌ |
||
তোমরা যে মানত কর, নিশ্চয়ই আল্লাহ তা জানেন। (২:২৭০) |
نَذَرْتُم مِّن نَّذْرٍ فَإِنَّ اللَّهَ يَعْلَمُهُ |
মানত |
نَذْرٌ (ج) نُذُورٌ |
||
এবং যারা অনর্থক কথা হতে বিমুখ থাকে। (২৩:৩) |
وَالَّذِينَ هُمْ عَنِ اللَّغْوِ مُعْرِضُونَ |
নিরর্থক |
لَغْوٌ |
||
সেখানে শুনবেনা কোন অনর্থক কথা। (৮৮:১১) |
لَّا تَسْمَعُ فِيهَا لَاغِيَةً |
বকবকানি, |
لَاغِيَةٌ |
||
এবং এটা অহেতুক নয়। (৮৬:১৪) |
وَمَا هُوَ بِالْهَزْلِ |
মিছামিছি, খামাখা, |
هَزْلٌ |
||
অতঃপর তাদের ছেড়ে দিন তাদের বাজেকথা আর খেলাধুলার মধ্যে। (৬:৯১) |
ثُمَّ ذَرْهُمْ فِي خَوْضِهِمْ يَلْعَبُونَ |
বাজেকথায় লিপ্ত হওয়া, |
خَوْضٌ |
||
যারা নিজেদের স্ত্রীদের নিকট গমন করবেনা বলে কসম খেয়ে বসে তাদের জন্য চার মাসের অবকাশ রয়েছে। (২:২২৬) |
لِّلَّذِينَ يُؤْلُونَ مِن نِّسَائِهِمْ تَرَبُّصُ أَرْبَعَةِ أَشْهُرٍ |
স্ত্রী ত্যাগের কসম করা, সহবাস না করার শপথ করা |
آلَى-يُوْلِي |
||
তোমাদের মধ্যে যারা উচ্চমর্যাদার অধিকারী, তারা যেন কসম না খায়। (২৪:২২) |
وَلَا يَأْتَلِ أُولُو الْفَضْلِ مِنكُمْ |
কসম করা, শপথ করা, হলফ করা |
اِئْتَلَى-يَأْتَلِي |
||
তারা আল্লাহর নামে কসম করে বলে যে, তারা তোমাদেরই অন্তর্ভুক্ত। (৯:৫৬) |
وَيَحْلِفُونَ بِاللَّهِ إِنَّهُمْ لَمِنكُمْ |
শপথ করা, প্রতিজ্ঞা করা, কসম করা |
حَلَفَ-يَحْلِفُ |
||
অতঃপর আল্লাহর নামে কসম খাবে যে, অবশ্যই আমাদের সাক্ষ্য তাদের দুজনের সাক্ষ্যর চাইতে অধিক সত্য। (৫:১০৭) |
فَيُقْسِمَانِ بِاللَّهِ لَشَهَادَتُنَا أَحَقُّ مِن شَهَادَتِهِمَا |
কসম খাওয়া, শপথ করা, দৃঢ়প্রতিজ্ঞা করা, |
أَقْسَمَ-يُقْسِمُ |
||
সে তাদের কাছে কসম খেয়ে বলল, আমি অবশ্যই তোমাদের হিতাকাঙ্খী। (৭:২১) |
وَقَاسَمَهُمَا إِنِّي لَكُمَا لَمِنَ النَّاصِحِينَ |
কসম খাওয়া, শপথ করা, দৃঢ়প্রতিজ্ঞা করা, |
قَاسَمَ-يُقَاسِمُ |
||
তারা বলল, শপথ কর আল্লাহর নামে। (২৭:৪৯) |
قَالُوا تَقَاسَمُوا بِاللَّهِ |
পরস্পরে শপথ করা, অঙ্গীকারবদ্ধ হওয়া |
تَقَاسَمَ-يَتَقَاسَمُ |
||
আমি আল্লাহর উদ্দেশে একটি রোযা মানত করছি। (১৯;২৬) |
إِنِّي نَذَرْتُ لِلرَّحْمَٰنِ صَوْمًا |
মানত করা |
نَذَرَ-يَنْذِرُ |
||
তুমি তার আনুগত্য করবেন না, যে অধিক শপথ করে, যে লাঞ্ছিত। (৬৮:১০) |
وَلَا تُطِعْ كُلَّ حَلَّافٍ مَّهِينٍ |
অত্যধিক শপথকারী |
حَلَّافٌ |
||
যারা নিজেদের স্ত্রীদের নিকট গমন করবেনা বলে কসম খেয়ে বসে তাদের জন্য চার মাসের অবকাশ রয়েছে। (২:২২৬) |
لِّلَّذِينَ يُؤْلُونَ مِن نِّسَائِهِمْ تَرَبُّصُ أَرْبَعَةِ أَشْهُرٍ |
অবকাশ |
تَرَبُّصٌ |
||
এবং যদি অসুবিধায় থাকে তাহলে সহজতার দিকে তাকাবে। (২:২৮০) |
وَإِن كَانَ ذُو عُسْرَةٍ فَنَظِرَةٌ إِلَىٰ مَيْسَرَةٍ |
একবার তাকানো, এক নজর, |
نَظْرَةٌ |
||
অতএব, কাফেরদেরকে অবকাশ দিন, তাদেরকে অবকাশ দিন, কিছু দিনের জন্যে। (৮৬:১৭) |
فَمَهِّلِ الْكَافِرِينَ أَمْهِلْهُمْ رُوَيْدًا |
ইচ্ছামত চলতে দাও, সুযোগ দাও, অবকাশ দাও |
رُوَيْدٌ |
||
কেবল একটি মহানাদের অপেক্ষা করছে, যাতে দম ফেলার অবকাশ থাকবে না। (৩৮:১৫) |
وَمَا يَنظُرُ هَٰؤُلَاءِ إِلَّا صَيْحَةً وَاحِدَةً مَّا لَهَا مِن فَوَاقٍ |
ফিরত, প্রত্যাবর্তন, পুনরাগমন, পুনর্জ্ঞান, স্বল্পসময়, বিরতি, বিরাম |
فَوَاقٌ |
||
যদি তারা তালাকের সংকল্প করে তাহলে নিশ্চয়ই আল্লাহ শ্রবণকারী এবং জ্ঞানী। (২:২২৭) |
وَإِنْ عَزَمُوا الطَّلَاقَ فَإِنَّ اللَّهَ سَمِيعٌ عَلِيمٌ |
সংকল্প করা |
عَزَمَ-يَعْزِمُ (عَزْمٌ) |
||
তারা কি কোন পরিকল্পনা করেছে? নিশ্চয়ই আমিই চূড়ান্ত পরিকল্পনাকারী। (৪৩:৭৯) |
أَمْ أَبْرَمُوا أَمْرًا فَإِنَّا مُبْرِمُونَ |
পরিকল্পনা করা, সংকল্প করা, চূড়ান্ত করা |
أَبْرَمَ-يُبْرِمُ |
||
আর তারা নিবৃত্ত করতে সক্ষম, এ বিশ্বাস নিয়ে বাগানে যাত্রা করল। (৬৮:২৫) |
وَغَدَوْا عَلَىٰ حَرْدٍ قَادِرِينَ |
আক্রোশ, মনোবাঞ্ছা, লালসা, সামর্থ্য |
حَرْدٌ |
||
তারা কি কোন পরিকল্পনা করেছে? নিশ্চয়ই আমিই চূড়ান্ত পরিকল্পনাকারী। (৪৩:৭৯) |
أَمْ أَبْرَمُوا أَمْرًا فَإِنَّا مُبْرِمُونَ |
পরিকল্পনাকারী, সংকল্পকারী, চূড়ান্তকারী |
مُبْرِمٌ (ج) مُبْرِمُونَ |
||
যদি তারা তালাকের সংকল্প করে তাহলে নিশ্চয়ই আল্লাহ শ্রবণকারী এবং জ্ঞানী। (২:২২৭) |
وَإِنْ عَزَمُوا الطَّلَاقَ فَإِنَّ اللَّهَ سَمِيعٌ عَلِيمٌ |
তালাক |
طَلَاقٌ |
||
এবং তালাকপ্রাপ্ত নারীদের জন্য কিছু ভরণ পোষণ। (২:২৪২) |
وَلِلْمُطَلَّقَاتِ مَتَاعٌ بِالْمَعْرُوفِ |
তালাকপ্রাপ্ত নারী |
مُطَلَّقَةٌ (ج) مُطَلَّقَاتٌ |
||
যারা বিয়ের আশা রাখেনা। (২৪:৬০) |
لَا يَرْجُونَ نِكَاحًا |
বিয়ে |
نِكَاحٌ |
||
আর তালাকপ্রাপ্তা নারী নিজেকে অপেক্ষায় রাখবে তিন মাসিকের সময়কাল পর্যন্ত। (২:২২৮) |
وَالْمُطَلَّقَاتُ يَتَرَبَّصْنَ بِأَنفُسِهِنَّ ثَلَاثَةَ قُرُوءٍ |
অপেক্ষা করা |
تَرَبَّصَ-يَتَرَبَّصُ |
||
তারা কি অপেক্ষা করছে? (১০:১১০) |
فَهَلْ يَنتَظِرُونَ |
তাকিয়ে থাকা, পথ চেয়ে থাকা, অপেক্ষা করা |
اِنْتَظَرَ-يَنْتَظِرُ |
||
আমার কথার অপেক্ষা করেনি। (২০:৯৪) |
وَلَمْ تَرْقُبْ قَوْلِي |
অপেক্ষা করা, প্রতীক্ষা করা, |
رَقَبَ-يَرْقُبُ |
||
অতএব আপনি সেই দিনের অপেক্ষা করুন, যখন আকাশ ধূয়ায় ছেয়ে যাবে। (৪৪:১০) |
فَارْتَقِبْ يَوْمَ تَأْتِي السَّمَاءُ بِدُخَانٍ مُّبِينٍ |
অপেক্ষা করা, পর্যবেক্ষণ করা, |
اِرْتَقَبَ-يَرْتَقِبُ |
||
বল, তোমরা প্রতীক্ষা কর, আমিও তোমাদের সাথে প্রতীক্ষারত আছি। (৫২:৩১) |
قُلْ تَرَبَّصُوا فَإِنِّي مَعَكُم مِّنَ الْمُتَرَبِّصِينَ |
প্রতীক্ষমাণ, প্রত্যাশী, অপেক্ষাকারী, |
مُتَرَبِّصٌ (ج) مُتَرَبِّصُونَ |
||
এবং বাকিরা প্রতিক্ষিত আল্লাহর আদেশের জন্য, হয়ত তাদের আযাব দিবেন হবে অথবা তাদের ক্ষমা করে দিবেন। (৯:১০৬) |
وَآخَرُونَ مُرْجَوْنَ لِأَمْرِ اللَّهِ إِمَّا يُعَذِّبُهُمْ وَإِمَّا يَتُوبُ عَلَيْهِمْ |
আশান্বিত, প্রতীক্ষিত, আশার আলো, বিলম্বিত |
مُرْجَى (ج) مُرْجَوْنَ |
||
অপেক্ষা কর, তারাও অপেক্ষা করছে। (৪৪:৫৯) |
فَارْتَقِبْ إِنَّهُم مُّرْتَقِبُونَ |
অপেক্ষমাণ, প্রতীক্ষমাণ |
مُرْتَقِبٌ (ج) مُرْتَقِبُونَ |
||
অপেক্ষা কর, আমি ও তোমাদের সাথে অপেক্ষমাণ। (১০:২০) |
فَانتَظِرُوا إِنِّي مَعَكُم مِّنَ الْمُنتَظِرِينَ |
অপেক্ষাকারী, অপেক্ষমাণ, সুযোগসন্ধানী |
مُنْتَظِرٌ (ج) مُنْتَظِرُونَ |
||
আল্লাহ বললেনঃ তোমাকে অবকাশ দেয়া হল। (১৫:৩৭) |
قَالَ فَإِنَّكَ مِنَ الْمُنظَرِينَ |
অবকাশপ্রাপ্ত, সুযোগপ্রাপ্ত, দর্শনযোগ্য |
مُنْظَرٌ (ج) مُنْظَرُونَ |
||
তাদের জন্য বৈধ নয়, আল্লাহ যা তার জরায়ুতে সৃষ্টি করেছেন তা লুকিয়ে রাখা। (২:২২৮) |
وَلَا يَحِلُّ لَهُنَّ أَن يَكْتُمْنَ مَا خَلَقَ اللَّهُ فِي أَرْحَامِهِنَّ |
বৈধ হওয়া |
حَلَّ-يَحِّلُ |
||
তাদের জন্য বৈধ নয়, আল্লাহ যা তার জরায়ুতে সৃষ্টি করেছেন তা লুকিয়ে রাখা। (২:২২৮) |
وَلَا يَحِلُّ لَهُنَّ أَن يَكْتُمْنَ مَا خَلَقَ اللَّهُ فِي أَرْحَامِهِنَّ |
গর্ভ, জরায়ু |
رَحِمٌ (ج) أَرْحَامٌ |
||
এবং পুরুষের জন্য তাদের উপর মর্যাদা রয়েছে। (২:২২৮) |
وَلِلرِّجَالِ عَلَيْهِنَّ دَرَجَةٌ |
মর্যাদা, পর্যায় |
دَرَجَةٌ |
||
নিশ্চয়ই তোমরা উন্নীত হবে এক স্তর থেকে অন্য স্তরে। (৮৪:১৯) |
لَتَرْكَبُنَّ طَبَقًا عَن طَبَقٍ |
স্তর, পর্যায়ক্রম, থর, অবস্থা, থালা, তবাক |
طَبَقٌ |
||
অতঃপর ভালোভাবে রাখবে কিংবা সুন্দরভাবে বিদায় দিবে। (২:২২৯) |
فَإِمْسَاكٌ بِمَعْرُوفٍ أَوْ تَسْرِيحٌ بِإِحْسَانٍ |
রেখে দেয়া |
إِمْسَاكٌ (أَمْسَكَ-يُمْسِكُ) |
||
তারা কি সে রহমত রোধ করতে পারবে? (৩৯:৩৮) |
هَلْ هُنَّ مُمْسِكَاتُ رَحْمَتِهِ |
আটককারী, আবদ্ধকারী, বাধাদাতা, |
مُمْسِكٌ |
||
অতঃপর ভালোভাবে রাখবে কিংবা সুন্দরভাবে বিদায় দিবে। (২:২২৯) |
فَإِمْسَاكٌ بِمَعْرُوفٍ أَوْ تَسْرِيحٌ بِإِحْسَانٍ |
বিদায় দেয়া |
تَسْرِيحٌ (سَرَّحَ-يبسَرِّحُ) |
||
এবং তাদের বিদায় দিবে, উত্তম পন্থায়। (৩৩:৪৯) |
وَسَرِّحُوهُنَّ سَرَاحًا جَمِيلًا |
বিচ্ছেদ করা, বন্ধনমুক্ত করা, বিদায় করা |
سَرَاحٌ |
||
তাদের পথ ছেড়ে দাও। (৯:৫) |
فَخَلُّوا سَبِيلَهُمْ |
খালি করা, মুক্ত করা, অবারিত করা, |
خَلَّى-يُخَلِّي |
||
তোমাদের কোন গোনাহ হবে না যদি নির্ধারণের পর তোমরা পরস্পরে সম্মত হও। (৪:২৪) |
وَلَا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ فِيمَا تَرَاضَيْتُم بِهِ مِن بَعْدِ الْفَرِيضَةِ |
পরস্পর সম্মত হওয়া |
تَرَاضَى-يَتَرَاضَى |
||
তাহলে দু’বছরের ভিতরেই নিজেদের পারস্পরিক পরামর্শক্রমে দুধ পান করানো ছাড়িয়ে দিতে পারে। (২:২৩৩) |
فَإِنْ أَرَادَا فِصَالًا عَن تَرَاضٍ مِّنْهُمَا وَتَشَاوُرٍ |
পারস্পরিক সম্মতি |
تَرَاضٍ |
||
তবে পরস্পর কোন মীমাংসা করে নিলে এতে তাদের উভয়ের কোন সমস্যা নাই। (৪:১২৮) |
فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِمَا أَن يُصْلِحَا بَيْنَهُمَا صُلْحًا |
সংশোধন, শুদ্ধি, সংস্কার, নিষ্পত্তি, সন্ধি, শান্তিচুক্তি, আপোষ, মীমাংসা |
صُلْحٌ |
||
এবং তোমাদের সেই মা, যারা তোমাদের দুধ পান করিয়েছে। (৪:২৩) |
وَأُمَّهَاتُكُمُ اللَّاتِي أَرْضَعْنَكُمْ |
দুধপান করানো |
أَرْضَعَ-يُرْضِعُ |
||
এবং তোমাদের স্তন্য দানকরা মায়ের দিক থেকে বোন। (৪:২৩) |
وَأَخَوَاتُكُم مِّنَ الرَّضَاعَةِ |
স্তন্যদান করা, দুগ্ধপানের মেয়াদ |
رَضَاعَةٌ |
||
আর যদি তোমরা কোন ধাত্রীর দ্বারা নিজের সন্তানদেরকে দুধ খাওয়াতে চাও। (২:২৩৩) |
وَإِنْ أَرَدتُّمْ أَن تَسْتَرْضِعُوا أَوْلَادَكُمْ |
ধাত্রী নিযুক্ত করা, দুধপান করিয়ে নেওয়া, ধাত্রী রাখা |
اِسْتَرْضَعَ-يَسْتَرْضِعُ |
||
পূর্ব থেকেই আমি ধাত্রীদেরকে থেকে তাকে বিরত রেখেছিলাম। (২৮:১২)
|
وَحَرَّمْنَا عَلَيْهِ الْمَرَاضِعَ مِن قَبْلُ |
স্তন্যদানকারিণী, ধাত্রী, ধাইমা, মা, মাতা, জননি, দুধমা, দুধমাতা |
مُرْضِعَةٌ (ج) مَرَاضِعُ |
||
তাহলে দু’বছরের ভিতরেই নিজেদের পারস্পরিক পরামর্শক্রমে দুধ পান করানো ছাড়িয়ে দিতে পারে। (২:২৩৩) |
فَإِنْ أَرَادَا فِصَالًا عَن تَرَاضٍ مِّنْهُمَا وَتَشَاوُرٍ |
দুধ ছাড়ানো |
فِصَالٌ |
কোর্স বিষয়বস্তু