এটি আল্লাহর সীমারেখা, অতএব তা অতিক্রম করো না। (২:২২৯)

تِلْكَ حُدُودُ اللَّهِ فَلَا تَعْتَدُوهَا

সীমারেখা, নির্দেশাবলী, ন্যায়ানুগ শাস্তি

حَدٌّ (ج) حُدُودٌ

 

অতপর সে তার বালতি নামিয়ে দিল। (১২:১৯)

فَأَدْلَىٰ دَلْوَهُ

ঝুলিয়ে দেওয়া, নামানো, নামিয়ে দেওয়া, ফেলা,

أَدْلَى-يُدْلِي

 

অতঃপর নিযুক্ত কর একজন বিচারক তার পরিবার হতে এবং একজন বিচারক তার পরিবার থেকে। (৪:৩৫)

فَابْعَثُوا حَكَمًا مِّنْ أَهْلِهِ وَحَكَمًا مِّنْ أَهْلِهَا

বিচারক

حَكَمٌ (ج) حُكَّامٌ

 

তিনিই শ্রেষ্ট বিচারক(:৮৭)

وَهُوَ خَيْرُ الْحَاكِمِينَ

বিচারক, হাকিম, বিচারকর্তা, সালিস, ফয়সাল

حَاكِمٌ (ج) حَاكِمُونَ، حُكَّامٌ

 

এবং তিনিই শ্রেষ্ঠতম মীমাংসাকারী। (৬:৫৭)

وَهُوَ خَيْرُ الْفَاصِلِينَ

বিচারক, মীমাংসাকারী

فَاصِلٌ (ج) فَاصِلُونَ

 

আর আপনি শ্রেষ্ঠতম মীমাংসাকারী। (৭:৮৯)

وَأَنتَ خَيْرُ الْفَاتِحِينَ

বিচারক, মীমাংসাকারী, জয়ী, বিজেতা

فَاتِحٌ، فَتَّاحٌ (ج) فَاتِحُونَ

 

অতএব আপনি ফয়সালা করেদিন, যেহেতু আপনি ফয়সালাকারী। (২০:৭২)

فَاقْضِ مَا أَنتَ قَاضٍ

কাজি, বিচারক, ফয়সালাকারী, মীমাংসাকারী,

قَاضٍ

 

তোমাদের উপস্থিতি ব্যতিরেকে আমি কোন কাজের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি না(২৭:৩২)

مَا كُنتُ قَاطِعَةً أَمْرًا حَتَّىٰ تَشْهَدُونِ

চূড়ান্তকারিণী, কর্তনকারী, অকাট্য

قَاطِعَةٌ

 

তারা তোমাকে চাঁদ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। (২:১৮৯)

يَسْأَلُونَكَ عَنِ الْأَهِلَّةِ

চাঁদ

هِلَالٌ (ج) أَهِلَّةٌ

 

চন্দ্রের জন্যে আমি বিভিন্ন মনযিল নির্ধারিত করেছি। (৩৬:৩৯)

وَالْقَمَرَ قَدَّرْنَاهُ مَنَازِلَ

চাঁদ, চন্দ্র, শশী, চন্দ্রিমা

قَمَرٌ

 

এবং সূর্যকে রেখেছেন প্রদীপরূপে। (৭১:১৬)

وَجَعَلَ الشَّمْسَ سِرَاجًا

সূর্য

شَمْسٌ

 

এবং আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধ কর। (:২৪৪)

وَقَاتِلُوا فِي سَبِيلِ اللَّهِ

যুদ্ধ করা

قَاتَلَ-يُقَاتِلُ

 

সে আগে থেকে আল্লাহ ও তার রাসুলের সাথে যুদ্ধ করে। (৯:১০৭)

حَارَبَ اللَّهَ وَرَسُولَهُ مِن قَبْلُ

যুদ্ধ করা, লড়াই করা, অস্ত্রধারণ করা

حَارَبَ-يُحَارِبُ

 

যদি আল্লাহ না চাইতেন তারা লড়াই করত না। (২:২৫৩)

وَلَوْ شَاءَ اللَّهُ مَا اقْتَتَلُوا

খুনাখুনি করা, হানাহানি করা, মারামারি করা, লড়াই করা,

اقْتَتَلَ-يَقْتَتِلُ

 

আর তারা যদি  থেমে যায়, তাহলে আল্লাহ অত্যন্ত দয়ালু। (২:১৯২)

فَإِنِ انتَهَوْا فَإِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ

শেষ হয়ে যাওয়া, থেমে যাওয়া

اِنْتَهَى-يَنْتَهِي

 

এবং হে আকাশ ক্ষান্ত হও। (১১:৪৪)

وَيَا سَمَاءُ أَقْلِعِي

বৃষ্টি বন্ধ করা, বর্ষণ বন্ধ করা, ক্ষান্ত হওয়া

أَقْلَعَ-يُقْلِعُ

 

আমার পালনকর্তার কথা, শেষ হওয়ার আগেই সে সমুদ্র নিঃশেষিত হয়ে যাবে। (১৮:১০৯)

لَنَفِدَ الْبَحْرُ قَبْلَ أَن تَنفَدَ كَلِمَاتُ رَبِّي

ফুরিয়ে যাওয়া,

نَفِدَ-يَنْفَدُ

 

এবং রাজত্বের যা ধ্বংস হবে না। (২০:১২০)

وَمُلْكٍ لَّا يَبْلَىٰ

বিনষ্ট হওয়া, ক্ষয় হওয়া, ধ্বংস হওয়া

بَلِيَ-يَبْلَى

 

তোমার পালনকর্তার নিকট শেষ গন্তব্য। (৭৯:৪৪)

إِلَىٰ رَبِّكَ مُنتَهَاهَا

গন্তব্য, শেষপ্রান্ত, নিষিদ্ধসীমা, দূরতম

مٌنْتَهَى

 

এটা আমার দেয়া রিযিক যা শেষ হবে না। (৩৮:৫৪)

إِنَّ هَٰذَا لَرِزْقُنَا مَا لَهُ مِن نَّفَادٍ

ফুরিয়ে যাওয়া, নিঃশেষ হওয়া, শেষ হওয়া, খতম করা

نَفَادٌ

 

অতএব, তোমরা এখন কি বিরত হবে? (৫:৯১)

فَهَلْ أَنتُم مُّنتَهُونَ

নিবৃত্ত হওয়া, বিরত হওয়া

مُنْتَهٍ (ج) مُنْتَهُونَ

 

তোমরা কি ইতোপূর্বে কসম খেতে না যে, তোমাদেরকে যেতে হবে না? (১৪:৪৪)

أَوَلَمْ تَكُونُوا أَقْسَمْتُم مِّن قَبْلُ مَا لَكُم مِّن زَوَالٍ

স্থানচ্যুত হওয়া, সরে যাওয়া, টলে যাওয়া, ঢলে পড়া

زَوَالٌ

 

যে কেউ আল্লাহর সম্মানিত বিধানাবলীর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করলে পালনকর্তার নিকট তা তার জন্যে উত্তম। (২২:৩০)

وَمَن يُعَظِّمْ حُرُمَاتِ اللَّهِ فَهُوَ خَيْرٌ لَّهُ عِندَ رَبِّهِ

সম্মানিত, পবিত্র

حُرْمَةٌ (ج) حُرُمَاتٌ

 

সম্মানিত মাসই সম্মানিত মাসের বদলা। (২:১৯৪)

الشَّهْرُ الْحَرَامُ بِالشَّهْرِ الْحَرَامِ

সম্মানিত, পবিত্র, মক্কামদিনা

حَرَمٌ

 

যদি তোমরা বাধাপ্রাপ্ত হও তাহলে কোরবানীর জন্য যাকিছু সহজে পাওয়া যায়। (২:১৯৬)

فَإِنْ أُحْصِرْتُمْ فَمَا اسْتَيْسَرَ مِنَ الْهَدْيِ

সহজে পাওয়া

اِسْتَيْسَرَ-يَسْتَيْسِرُ

 

এবং তোমরা মাথা মুণ্ডন করবেনা। (:১৯৬)

وَلَا تَحْلِقُوا رُءُوسَكُمْ

চেঁছে ফেলা, মুণ্ডন করা

حَلَقَ-يَحْلِقُ

 

আল্লাহ চাইলে, তোমরা অবশ্যই মসজিদে হারামে প্রবেশ করবে নিরাপদে মস্তকমুন্ডিত অবস্থায় এবং কেশ কর্তিত অবস্থায়। (৪৮:২৭)

لَتَدْخُلُنَّ الْمَسْجِدَ الْحَرَامَ إِن شَاءَ اللَّهُ آمِنِينَ مُحَلِّقِينَ رُءُوسَكُمْ وَمُقَصِّرِينَ لَا تَخَافُونَ

মাথা মুণ্ডনকারী, মস্তকমুণ্ডিত, কেশমুণ্ডনকারী,

مُحَلِّقٌ (ج) مُحَلِّقُونَ

 

এবং তোমরা মাথা মুণ্ডন করবেনা। (:১৯৬)

وَلَا تَحْلِقُوا رُءُوسَكُمْ

মাথা

رَأْسٌ (ج) رُؤُوسٌ

 

যতক্ষণ না কোরবাণীর জন্য যথাস্থানে পৌছে যাবে। (২:১৯৬)

حَتَّىٰ يَبْلُغَ الْهَدْيُ مَحِلَّهُ

কুরবানির জন্য নির্দিষ্ট স্থান

مَحِلٌّ

 

যতক্ষণ না কুরবানির পশু যথাস্থানে পৌছে যাবে। (২:১৯৬)

حَتَّىٰ يَبْلُغَ الْهَدْيُ مَحِلَّهُ

পৌঁছা, তুঙ্গে উঠা, উপনীত হওয়া

بَلَغَ-يَبْلُغُ

 

যখন দেখলেন যে, তার দিকে তাদের হাত পৌছাচ্ছে না। (১১:৭০)

فَلَمَّا رَأَىٰ أَيْدِيَهُمْ لَا تَصِلُ إِلَيْهِ

পৌঁছা, উপনীত হওয়া, নাগাল পাওয়া,

وَصَلَ-يَصِلُ

 

যখন তিনি মাদইয়ানের কূপের ধারে পৌছলেন, তখন কূপের কাছে একদল লোককে পেলেন। (২৮:২৩)

وَلَمَّا وَرَدَ مَاءَ مَدْيَنَ وَجَدَ عَلَيْهِ أُمَّةً

পৌঁছা, অবতরণ করা, পানির কাছে আসা,

وَرَدَ-يَرِدُ

 

কিন্তু সেটি তার পর্যন্ত পৌঁছে না। (১৩:১৪)

وَمَا هُوَ بِبَالِغِهِ

চূড়ান্তে উপনীত, অকাট্য, সুদৃঢ়, পৌঁছা

بَالِغٌ (بَالِغَةٌ) (ج) بَالِغُونَ

 

তালুত তার সৈন্যবাহিনী নিয়ে রওনা হল। (২:২৪৯)

فَصَلَ طَالُوتُ بِالْجُنُودِ

রওনা হওয়া

فَصَلَ-يَفْصِلُ (فَصْلٌ)

 

যতক্ষণ না কুরবানির পশু যথাস্থানে পৌছে যাবে। (২:১৯৬)

حَتَّىٰ يَبْلُغَ الْهَدْيُ مَحِلَّهُ

কুরবানির পশু

هَدْيٌ

 

আর হাজ্জ্বের কুরবানির জন্য উটকে আমি আল্লাহর নিদর্শনাবলি করেছি তোমাদের জন্য। (২২:৩৬)

وَالْبُدْنَ جَعَلْنَاهَا لَكُم مِّن شَعَائِرِ اللَّهِ لَكُمْ

হাজ্জ্বের কুরবানির জন্য উট বা গরু

بَدَنَةٌ (ج) بُدْنٌ

 

আমি তার পরিবর্তে দিলাম যবেহ করার জন্যে এক মহান জন্তু। (৩৭:১০৭)

وَفَدَيْنَاهُ بِذِبْحٍ عَظِيمٍ

জবায়ের পশু, উৎসর্গিত প্রাণী, জবাইযোগ্য

ذِبْحٌ

 

এবং অসুস্থের উপর নেই কোন চাপ। (৪৮:১৭)

وَلَا عَلَى الْمَرِيضِ حَرَجٌ

অসুস্থ

مَرِيضٌ (ج) مَرْضَى

 

অতঃপর বলল আমি পীড়িত। (৩৭:৮৯)

فَقَالَ إِنِّي سَقِيمٌ

অসুস্থ, পীড়িত, বিমার, রুগণ, রোগা

سَقِيمٌ

 

যে পর্যন্ত মরণপন্ন না হয়ে যান কিংবা মৃতবরণ না করেন। (১২:৮৫)

حَتَّىٰ تَكُونَ حَرَضًا أَوْ تَكُونَ مِنَ الْهَالِكِينَ

মুমূর্ষু, মরণাপন্ন

حَرَضٌ

 

তোমরা তোমাদের দান কে খোটা এবং কষ্ট দিয়ে নষ্ট করে দিওনা। (২:২৬৪)

لَا تُبْطِلُوا صَدَقَاتِكُم بِالْمَنِّ وَالْأَذَىٰ

কষ্ট, নাপাকী, বিরক্তিকর, প্রচণ্ডতা, উকুন

أَذًى

 

বিপদ-আপদ বিহীন। (৪:৯৫)

غَيْرُ أُولِي الضَّرَرِ

ক্ষতি, অনিষ্ট, অপকরা,

ضَرَرٌ

 

শয়তান আমাকে স্পর্শ করেছে অশান্তি ও কষ্ট দ্বারা। (৩৮:৪১)

أَنِّي مَسَّنِيَ الشَّيْطَانُ بِنُصْبٍ وَعَذَابٍ

বিপদ, মুসিবত, অশান্তি

نُصْبٌ

 

তোমরা তোমাদের দান কে খোটা এবং কষ্ট দিয়ে নষ্ট করে দিওনা। (২:২৬৪)

لَا تُبْطِلُوا صَدَقَاتِكُم بِالْمَنِّ وَالْأَذَىٰ

দান

صَدَقَةٌ (ج) صَدَقَاتٌ

 

তারা অল্প-বিস্তর যা কিছু ব্যয় করে। (৯:১২১)

يُنفِقُونَ نَفَقَةً صَغِيرَةً

খরচাপাতি, ব্যয়, খরচ

نَفَقَةٌ (ج) نَفَقَاتٌ

 

সুতরাং তার খেসারত সিয়াম দ্বারা, কিংবা দান দ্বারা কিংবা উৎসর্গ দ্বারা। (২:১৯৬)

فَفِدْيَةٌ مِّن صِيَامٍ أَوْ صَدَقَةٍ أَوْ نُسُكٍ

উৎসর্গ

نُسُكٌ

 

যা তারা ব্যয় করে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের জন্য। (৯:৯৯)

مَا يُنفِقُ قُرُبَاتٍ عِندَ اللَّهِ

নিকটবর্তী, নৈকট্য, সান্নিধ্য, আত্মীয়তা,

قُرْبَةٌ (ج) قُرْبَاتٌ

 

তারা আমাদের নিকট এমন কোরবানী নিয়ে আসবে যাকে আগুন গ্রাস করে নেবে। (৩:১৮৩)

يَأْتِيَنَا بِقُرْبَانٍ تَأْكُلُهُ النَّارُ

কুরবানী, উৎসর্গ, নৈকট্যার্থে, নৈকট্যের আশায়

قُرْبَانٌ

 

এই হচ্ছে পূর্ণ দশ দিন। (২:১৯৬)

تِلْكَ عَشَرَةٌ كَامِلَةٌ

পূর্ণ

كَامِلَةٌ

 

হে ঈমানদার গন! তোমরা পরিপূর্ণভাবে ইসলামে প্রবেশ কর। (২:২০৮)

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا ادْخُلُوا فِي السِّلْمِ كَافَّةً

সম্পূর্ণ, সবাই, পুরাপুরি,

كَافَّةٌ

 

তাদের জিজ্ঞেস কর সেই গ্রাম সম্পর্কে যেটি নদীর তীরে অবস্থিত। (৭:১৬৩)

وَاسْأَلْهُمْ عَنِ الْقَرْيَةِ الَّتِي كَانَتْ حَاضِرَةَ الْبَحْرِ

বাসিন্দা, অবস্থানকারী, উপস্থিত, বিদ্যমান

حَاضِرٌ (حَاضِرَةٌ) (ج) حَاضِرُونَ

 

আর তুমি মাদইয়ান অধিবাসীদের মধ্যে ছিলে না(২৮:৪৫)

وَمَا كُنتَ ثَاوِيًا فِي أَهْلِ مَدْيَنَ

অবস্থানকারী, বাসিন্দা, অধিবাসী

ثَاوٍ

 

এবং নূহ বললঃ হে আমার পালনকর্তা, আপনি পৃথিবীতে কোন কাফের গৃহবাসীকে রেহাই দিবেন না(৭১:২৬)

وَقَالَ نُوحٌ رَّبِّ لَا تَذَرْ عَلَى الْأَرْضِ مِنَ الْكَافِرِينَ دَيَّارًا

গৃহবাসী, বাসিন্দা, অবস্থানকারী, অধিবাসী, সন্ন্যাসী, যাযাবর, যোগী

دَيَّارٌ

 

তারা সেখানে শতাব্দীর পর শতাব্দী অবস্থান করবে। (৭৮:২৩)

لَّابِثِينَ فِيهَا أَحْقَابًا

অবস্থানকারী, বাসিন্দা, বাসকারী, অধিবাসী

لَابِثٌ (ج) لَابِثُونَ

 

তারা তাতে চিরকাল অবস্থান করবে। (১৮:৩)

مَّاكِثِينَ فِيهِ أَبَدًا

অবস্থানকারী, বাসিন্দা,

مَاكِثٌ (ج) مَاكِثُونَ

 

তাদের জন্য রয়েছে নির্দিষ্ট রিযিক। (৩৭:৪১)

أُولَٰئِكَ لَهُمْ رِزْقٌ مَّعْلُومٌ

নির্দিষ্ট, সুবিদিত

مَعْلُومٌ (ج) (مَعْلُومَاتٌ)

 

নাবীর উপর আল্লাহ যা ফরজ করেছেন তার জন্য, এতে নাবীর কোন সমস্যা নেই। (৩৩:৩৮)

مَّا كَانَ عَلَى النَّبِيِّ مِنْ حَرَجٍ فِيمَا فَرَضَ اللَّهُ لَهُ

ফরজ করা, আবশ্যক করা, অবধারিত করা, অপরিহার্য করা,

فَرَضَ-يَفْرِضُ

 

অতঃপর প্রত্যাবর্তন কর, যেখান থেকে মানুষ প্রত্যাবর্তন করে এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর। (২:১৯৯)

ثُمَّ أَفِيضُوا مِنْ حَيْثُ أَفَاضَ النَّاسُ وَاسْتَغْفِرُوا اللَّهَ

প্রবাহিত করা, সিক্ত করা, গা ভাসানো,

أَفَاضَ-يُفِيضُ

 

আর আল্লাহ কে স্মরণ কর সম্মানিত নিদর্শন এর নিকট। (২:১৯৮)

فَاذْكُرُوا اللَّهَ عِندَ الْمَشْعَرِ الْحَرَامِ

নিদর্শন, আলামত, চিহ্ন, প্রতীক

مَشْعَرٌ

 

হে ঈমানদার গন! তোমরা নিজেদেরকে এবং তোমাদের পরিবার-পরিজনকে আগুন থেকে রক্ষা কর। (৬৬:৬)

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا قُوا أَنفُسَكُمْ وَأَهْلِيكُمْ نَارًا

রক্ষা করা (রক্ষাকারী)

وَقَى-يَقِي (وَاقٍ)

 

বল, কে তোমাদের আল্লাহ হতে নিষ্কৃতি দিবে (৩৩:১৭)

قُلْ مَن ذَا الَّذِي يَعْصِمُكُم مِّنَ اللَّهِ

রক্ষা করা, হেফাজত করা, বাচানো,

عَصَمَ-يَعْصِمُ (عَاصِمٌ)

 

বল, কে তোমাদের দিনে এবং রাতে হেফাজত করবে রহমান থেকে? (২১:৪২)

قُلْ مَن يَكْلَؤُكُم بِاللَّيْلِ وَالنَّهَارِ مِنَ الرَّحْمَٰنِ

হেফাজত করা, তত্ত্বাবধান করা, দেখভাল করা, দেখাশোনা করা,

كَلَأَ-يَكْلَأُ

 

এরপর এতে তোমার প্রতিবেশীরূপে তারা সল্প সময় ই থাকবে। (৩৩:৬০)

ثُمَّ لَا يُجَاوِرُونَكَ فِيهَا إِلَّا قَلِيلًا

আশ্রয় দেওয়া, রক্ষা করা, প্রতিবেশী বানানো

أَجَارَ-يُجِيرُ

 

যেন তোমাদের বিপদের সময় রক্ষা করে। (২১:৮০)

لِتُحْصِنَكُم مِّن بَأْسِكُمْ

রক্ষা করা, আত্মসংবরণ করা, বিয়ে দেয়া

أَحْصَنَ-يُحْصِنُ

 

তারা তাদের নিজেদের সাহায্য করতে পারবে না এবং না আমার পক্ষ থেকে কোন সাহায্যকারীও পাবেনা। (২১;৪৩)

لَا يَسْتَطِيعُونَ نَصْرَ أَنفُسِهِمْ وَلَا هُم مِّنَّا يُصْحَبُونَ

সঙ্গী বানানো, বন্ধু পাওয়া, সঙ্গ দেওয়া, সঙ্গ লাভ করা, সাহায্য করা

أَصْحَبَ-يُصْحِبُ

 

আমি একে হেফাজত করেছি প্রত্যেক বিতাড়িত শয়তান থেকে। (১৫:১৭)

وَحَفِظْنَاهَا مِن كُلِّ شَيْطَانٍ رَّجِيمٍ

রক্ষা করা, যত্নবান হওয়া, সামলে রাখা, রক্ষণাবেক্ষণ করা

حَفِظَ-يَحْفَظُ(حِفْظٌ)

 

তারা তাদের স্বলাতের প্রতি যত্নশীল। (৬:৯২)

وَهُمْ عَلَىٰ صَلَاتِهِمْ يُحَافِظُونَ

যত্নবান হওয়া, রক্ষা করা, রক্ষণাবেক্ষণ করা

حَافَظَ-يُحَافِظُ

 

তা কেউ প্রতিরোধ করতে পারবে না। (৫২:৮)

مَّا لَهُ مِن دَافِعٍ

প্রতিহত করা, দফা করা,

دَافَعَ-يُدَافِعُ

 

তাদের মধ্যে অনেক কে দেখবে পাপাচারের দিকে ধ্রুত ধাবিত হচ্ছে। (৫:৬২)

وَتَرَىٰ كَثِيرًا مِّنْهُمْ يُسَارِعُونَ فِي الْإِثْمِ

দ্রুত

سَرِيعٌ

সেদিন তারা কবর থেকে ধ্রুতবেগে বেড়িয়ে আসবে। (৭০:৪৩)

يَوْمَ يَخْرُجُونَ مِنَ الْأَجْدَاثِ سِرَاعًا

দ্রুতগতিসম্পন্ন, জলদি, তড়িঘড়ি,

سِرَاعٌ

মানুষকে ত্বরাপ্রবণ করে সৃষ্টি করা হয়েছে। (২১:৩৭)

خُلِقَ الْإِنسَانُ مِنْ عَجَلٍ

ত্বরাপ্রবণ, তরাশীল,

عَجَلٌ

মানুষ তো খুবই শীঘ্রকারী(১৭:১১)

وَكَانَ الْإِنسَانُ عَجُولًا

ত্বরাপ্রবণ, তরাশীল,

عَجُولٌ

তিনিই দিনকে রাত দিয়ে ঢেকে দেন, তাদের একে অন্যকে ধ্রুতগতিতে অনুসরণ করে। (৭:৫৪)

يُغْشِي اللَّيْلَ النَّهَارَ يَطْلُبُهُ حَثِيثًا

দ্রুত, ক্ষিপ্র

حَثِيثٌ

তারা বড় হয়ে যাবে মনে করে তাড়াতাড়ি খেয়ে ফেলো না। (৪:৬)

وَلَا تَأْكُلُوهَا إِسْرَافًا وَبِدَارًا أَن يَكْبَرُوا

তাড়াতাড়ি, দ্রুত, দৌড়ানো, ছুটা

بِدَارٌ

এবং ধ্রুত তোমাদের কাছে চলে আসে। (৩:১২৫)

وَيَأْتُوكُم مِّن فَوْرِهِمْ

তাড়াতাড়িআশু, আকস্মাৎ, হঠাৎ, তৎক্ষণাত

فَوْرٌ

তাদের হিসাব নেয়া আমার পালনকর্তারই কাজ; যদি তোমরা বুঝতে! (২৬:১১৩)

إِنْ حِسَابُهُمْ إِلَّا عَلَىٰ رَبِّي لَوْ تَشْعُرُونَ

হিসাব, গণনা

حِسَابٌ، حُسْبَانٌ

আল্লাহ তোমাদের কাছ থেকে তার হিসাব নেবেন। (২:২৮৪)

يُحَاسِبْكُم بِهِ اللَّهُ

হিসাব নিকাশ করা,

حَاسَبَ-يُحَاسِبُ

তিনি সবকিছুর সংখ্যার হিসাব রাখেন। (৭২:২৮)

وَأَحْصَىٰ كُلَّ شَيْءٍ عَدَدًا

হিসাব করা, গণনা করা

أَحْصَى-يُحْصِي

তোমরা যা করতে আমি তা লিপিবদ্ধ করতাম। (৪৫:২৯)

إِنَّا كُنَّا نَسْتَنسِخُ مَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ

অনুলিপি করা, কপি করা,

اسْتَنْسَخَ-يَسْتَنْسِخُ

হিসাব গ্রহণের জন্যে আমিই যথেষ্ট। (২১:৪৭)

وَكَفَىٰ بِنَا حَاسِبِينَ

হিসাবরক্ষক, গণনাকারী, যথেষ্ট

حَاسِبٌ، حَسِيبٌ

যে তাড়াহুড়া করবে দুদিনের মধ্যে, তার জন্যে কোন পাপ নেই(:২০৩)

فَمَن تَعَجَّلَ فِي يَوْمَيْنِ فَلَا إِثْمَ عَلَيْهِ

তাড়াহুড়ো করা

تَعَجَّلَ-يَتَعَجَّلُ

আমি তাড়াতাড়ি তোমার কাছে এলাম, যাতে তুমি সন্তুষ্ট হও। (২০:৮৪)

وَعَجِلْتُ إِلَيْكَ رَبِّ لِتَرْضَىٰ

তাড়াহুড়া করা, তাড়াতাড়ি করা,

عَجِلَ-يَعْجلُ

যদি তিনি তাদেরকে তাদের কৃতকর্মের জন্যে পাকড়াও করেন তবে তাদের শাস্তি ত্বরাম্বিত করতেন। (১৮:৫৮)

لَوْ يُؤَاخِذُهُم بِمَا كَسَبُوا لَعَجَّلَ لَهُمُ الْعَذَابَ

তাড়াহুড়া করা, তাড়াতাড়ি করা,

عَجَّلَ-يُعَجِّلُ

হে মূসা, তোমার সম্প্রদায়কে পিছনে ফেলে তোমাকে তাড়াহুড়া করতে বাধ্য করল কে? (২০:৮৩)

 

وَمَا أَعْجَلَكَ عَن قَوْمِكَ يَا مُوسَىٰ

তাড়াহুড়া করানো, তরা করতে বলা, দ্রুত করতে বলা,

أَعْجَلَ-يُعْجِلُ

তারা তোমার কাছে আযাব তাড়াতাড়ি কামনা করে। (২৯:৫৩)

وَيَسْتَعْجِلُونَكَ بِالْعَذَابِ

ত্বরা কামনা করা, শীঘ্রতা কামনা করা,

اِسْتَعْجَلَ-يَسْتَعْجِلُ (اسْتِعْجَالٌ)

আমি তাদেরকে ধ্রুত কল্যাণের দিকে নিয়ে যাচ্ছি। (২৩:৫৬)

نُسَارِعُ لَهُمْ فِي الْخَيْرَاتِ

দৌড়নো, ছুটে যাওয়া, দ্রুতগতিতে চলা,

سَارَعَ-يُسَارِعُ

তোমাদের মধ্যে যে অগ্রে যেতে চায় কিংবা পশ্চাতে থাকতে চায়। (৭৪:৩৭)

لِمَن شَاءَ مِنكُمْ أَن يَتَقَدَّمَ أَوْ يَتَأَخَّرَ

দেরি হওয়া, পিছিয়ে পড়া, পশ্চাতে থাকা

تَأَخَّرَ-يَتَأَخَّرُ

তাদের কাছ থেকে আযাবকে স্থগিত রাখি। (১১:৮)

أَخَّرْنَا عَنْهُمُ الْعَذَابَ

পশ্চাতে রাখা, অবকাশ দেয়া, স্থগিত রাখা

أَخَّرَ-يُأَخِّرُ

যখন তাদের সময় এসে যাবে, তখন তারা এক মুহুর্ত পিছে যেতে পারবে না। (৭:৩৪)

فَإِذَا جَاءَ أَجَلُهُمْ لَا يَسْتَأْخِرُونَ سَاعَةً

দেরি হওয়া, পিছিয়ে পড়া, পশ্চাতে থাকতে চাওয়া

اِسْتَأْخَرَ-يَسْتَأْخِرُ

প্রকৃতপক্ষে সে কঠিন ঝগড়াটে লোক। (২:২০৪)

وَهُوَ أَلَدُّ الْخِصَامِ

ঝগড়াটে

لَدٌّ (ج) لُدٌّ

বস্তুতঃ তারা হল এক বিবাদমান সম্প্রদায়। (৪৩:৫৮)

بَلْ هُمْ قَوْمٌ خَصِمُونَ

বিবাদমান পক্ষ, শত্রু, কলহপ্রবণ, ঝগড়াটে, প্রতিপক্ষ

خَصِمٌ، خَصِيمٌ (ج) خَصِمُونَ

তোমার কাছে কি দাবীদারদের বৃত্তান্ত পৌছেছে। (৩৮:২১)

وَهَلْ أَتَاكَ نَبَأُ الْخَصْمِ

দাবীদার

خَصْمٌ

একটি লোকের উপর পরস্পর বিরোধী কয়জন মালিক রয়েছে। (৩৯:২৯)

رَّجُلًا فِيهِ شُرَكَاءُ مُتَشَاكِسُونَ

পরস্পর বিরোধী

مُتَشَاكِسٌ (ج) مُتَاشَاكِسُونَ

এবং আমি তাদের পূর্বে কত ধ্বংস করেছি। (১৯:৭৪)

وَكَمْ أَهْلَكْنَا قَبْلَهُم

ধ্বংস করা

أَهْلَكَ-يُهْلِكُ

প্রত্যেককেই সম্পুর্ণরূপে ধ্বংস করেছি। (২৫:৩৯)

وَكُلًّا تَبَّرْنَا تَتْبِيرًا

ধ্বংস করা, বিনাশ করা, লণ্ডভণ্ড করা, বিধস্ত করা

تَبَّرَ-يُتَبِّرُ

তারা তাদের বাড়ী-ঘর নিজেদের হাতে ধ্বংস করছিল(৫৯:২)

يُخْرِبُونَ بُيُوتَهُم بِأَيْدِيهِمْ

নষ্ট করা, ধ্বংস করা, বিনাশ করা, খারাপ করা

أَخْرَبَ-يُخْرِبُ

তাদের রব তাদের উপর ধ্বংসলীলা চালায়। (৯১:১৪)

فَدَمْدَمَ عَلَيْهِمْ رَبُّهُم

ধ্বংস করা, ধ্বংসলীলা চালানো,

دَمْدَمَ-يُدَمْدِمُ

তাদের সম্প্রদায়ের সকলকে ধ্বংস করে দিয়েছি। (২৭:৫১)

دَمَّرْنَاهُمْ وَقَوْمَهُمْ أَجْمَعِينَ

ধ্বংস করা, বিলুপ্ত করা, বিনাশ করা,

دَمَّرَ-يُدَمِّرُ (تَدْمِيرٌ)

সে বলবে, আল্লাহর কসম, তুমি তো আমাকে প্রায় অকেজোই করে দিয়েছিলে। (৩৭:৫৬)

قَالَ تَاللَّهِ إِن كِدتَّ لَتُرْدِينِ

অকেজো করা, অচল করা,

أَرْدَى-يُرْدِي

তাহলে তিনি তোমাদেরকে আযাব দ্বারা ধবংস করে দেবেন। (২০:৬১)

فَيُسْحِتَكُم بِعَذَابٍ

ধ্বংস করা, বিনাশ করা, বিলীন করা,

أَسْحَتَ-يُسْحِتُ

আমি কত জনপদের ধ্বংস সাধন করেছি। (২১:১১)

وَكَمْ قَصَمْنَا مِن قَرْيَةٍ

ধ্বংস করা, লণ্ডভণ্ড করা, বিধ্বস্ত করা, চুরমার করা

قَصَمَ-يَقْصِمُ

অথবা তাদের কৃতকর্মের জন্যে সেগুলোকে ধ্বংস করে দেন এবং অনেককে ক্ষমাও করে দেন। (৪২:৩৪)

أَوْ يُوبِقْهُنَّ بِمَا كَسَبُوا وَيَعْفُ عَن كَثِيرٍ

ধ্বংস করা, বিনাশ করা, বিলীন করা,

أَوْبَقَ-يُوبِقُ

এরাই তারা যারা শাস্তিযোগ্য হয়েছে তাদের অর্জনের কারনে। (৬:৭০)

أُولَٰئِكَ الَّذِينَ أُبْسِلُوا بِمَا كَسَبُوا

বঞ্চিত করা, শাস্তিযোগ্য হওয়া

أَبْسَلَ-يُبْسِلُ

আল্লাহ যদি মানবজাতির একদলকে অপর দল দ্বারা প্রতিহত না করতেন, তবে (খ্রীষ্টানদের) নির্ঝন গির্জা, এবাদত খানা, (ইহুদীদের) উপাসনালয় এবং মসজিদসমূহ বিধ্বস্ত হয়ে যেত, (২২:৪০)

وَلَوْلَا دَفْعُ اللَّهِ النَّاسَ بَعْضَهُم بِبَعْضٍ لَّهُدِّمَتْ صَوَامِعُ وَبِيَعٌ وَصَلَوَاتٌ وَمَسَاجِدُ

ধ্বংস করা, বিধ্বস্ত করা, চুরমার করা, ভেঙে ফেলা, ভূমিস্মাৎ করা,

هَدَّمَ-يُهَدِّمُ

কত নিকৃষ্ট সেই আবাস স্থল। (৩৮:৫৬)

فَبِئْسَ الْمِهَادُ

বাসস্থান

مِهَادٌ

তাদের বাসস্থান জাহান্নাম (৪৭:১২)

وَالنَّارُ مَثْوًى لَّهُمْ

অবস্থানস্থল, বাসস্থান, ঠিকানা

مَثْوَى

তাদের জন্য জান্নাত আশ্রয়স্থল। (৩২:১৯)

فَلَهُمْ جَنَّاتُ الْمَأْوَىٰ

আশ্রয়স্থল, ঠিকানা, বাসস্থান

مَأْوَى

আর আমি বনী-ইসরাঈলদিগকে দান করেছি উত্তম বাসস্থান(১০:৯৩)

وَلَقَدْ بَوَّأْنَا بَنِي إِسْرَائِيلَ مُبَوَّأَ صِدْقٍ

আশ্রয়, বাসস্থান, বসতি

مُبَوَّأٌ

তারা ব্যয় করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে। (২:২৬৫)

يُنفِقُونَ أَمْوَالَهُمُ ابْتِغَاءَ مَرْضَاتِ اللَّهِ

সন্তুষ্টি

مَرْضَاتٌ

সবচেয়ে বড় হল আল্লাহর পক্ষ থেকে সন্তুষ্টি। (৯:৭২)

وَرِضْوَانٌ مِّنَ اللَّهِ أَكْبَرُ

সন্তুষ্টি, সন্তোষ, সম্মতি,

رِضْوَانٌ

হে ঈমানদার গন! তোমরা পরিপূর্ণভাবে ইসলামে প্রবেশ কর। (২:২০৮)

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا ادْخُلُوا فِي السِّلْمِ كَافَّةً

ইসলাম

سِلْمٌ

ইসলামকে তোমাদের জন্যে দ্বীন হিসেবে পছন্দ করলাম। (৫:৩)

وَرَضِيتُ لَكُمُ الْإِسْلَامَ دِينًا

ইসলাম ধর্ম

إسْلَامٌ

শয়তান তাদের দু’জনের পদস্খলন ঘটাল। (২:৩৬)

فَأَزَلَّهُمَا الشَّيْطَانُ عَنْهَا

পদস্খলন ঘটা

زَلَّ-يَزِلُّ

আর যখন আমি তুলে ধরলাম পাহাড়কে তাদের উপরে শামিয়ানার মত। (৭:১৭১)

وَإِذْ نَتَقْنَا الْجَبَلَ فَوْقَهُمْ كَأَنَّهُ ظُلَّةٌ

ছায়াচ্ছন্ন, ছায়াদার, তাবু, চাদোয়া, শামিয়ানা

ظُلَّةٌ (ج) ظُلَلٌ

নিশ্চয় আমি আকাশকে তারকারাজির সৌন্দর্য দ্বারা সুসজ্জিত করেছি। (৩৭:৬)

إِنَّا زَيَّنَّا السَّمَاءَ الدُّنْيَا بِزِينَةٍ الْكَوَاكِبِ

সুসজ্জিত করা, মোহনীয় করা

زَيَّنَ-يُزَيِّنُ

এমনকি যমীন যখন সৌন্দর্য সুষমায় ভরে উঠলো। (১০;২৪)

إِذَا أَخَذَتِ الْأَرْضُ زُخْرُفَهَا وَازَّيَّنَتْ

সজ্জিত হওয়া, অলঙ্কৃত হওয়া,

ازَّيَنَ-يَزَّيَّنُ

নিশ্চয় কেয়ামতের প্রকম্পন একটি ভয়ংকর ব্যাপার। (২২:১)

إِنَّ زَلْزَلَةَ السَّاعَةِ شَيْءٌ عَظِيمٌ

প্রকম্পিত হওয়া (কম্পন)

زَلْزَلَ-يُزَلْزِلُ (زِلْزَالٌ، زَلْزَلَهٌ)

তোমরা কি ভাবনামুক্ত হয়ে গেছ যে, আকাশে যিনি আছেন তিনি তোমাদেরকে ভূগর্ভে বিলীন করে দেবেন, যখন তা কাঁপতে থাকবে(৬৭:১৬)

أَأَمِنتُم مَّن فِي السَّمَاءِ أَن يَخْسِفَ بِكُمُ الْأَرْضَ فَإِذَا هِيَ تَمُورُ

প্রলয় সৃষ্টি হওয়া, তরঙ্গিত হওয়া, তরঙ্গবিক্ষুব্ধ হওয়া, প্রকম্পিত হওয়া,

مَارَ-يَمُورُ (مَوْرٌ)

যারা ঈমানদার, তারা এমন যে, যখন আল্লাহর নাম নেয়া হয় তখন ভীত হয়ে পড়ে তাদের অন্তর। (৮:২)

إِنَّمَا الْمُؤْمِنُونَ الَّذِينَ إِذَا ذُكِرَ اللَّهُ وَجِلَتْ قُلُوبُهُمْ

ভয় পাওয়া, দুরদুর করা, ভীত হওয়া,

وَجِلَ-يَوْجَلُ (وَجِلَةٌ ج وَجِلُونَ)

যেদিন পৃথিবী পর্বতমালা প্রকম্পিত হবে এবং পর্বতসমূহ হয়ে যাবে বহমান বালুকাস্তুপ। (৭৩:১৪)

يَوْمَ تَرْجُفُ الْأَرْضُ وَالْجِبَالُ وَكَانَتِ الْجِبَالُ كَثِيبًا مَّهِيلًا

কাঁপা, প্রকম্পিত হওয়া, ভূমিকম্প হওয়া,

رَجَفَ-يَرْجُفُ (رَجْفَةٌ)

যখন প্রবলভাবে প্রকম্পিত হবে পৃথিবী। (৫৬:৪)

إِذَا رُجَّتِ الْأَرْضُ رَجًّا

কাঁপা, কম্পিত হওয়া,

رَجَّ-يَرجُّ (رَجٌّ)

তাদের পশম খাড়া হয়ে উঠে চামড়ার উপর, যারা তাদের পালনকর্তাকে ভয় করে। (৩৯:২৩)

تَقْشَعِرُّ مِنْهُ جُلُودُ الَّذِينَ يَخْشَوْنَ رَبَّهُمْ

পশম খাড়া হওয়া, শিউরে ওঠা,

اقْشَعَرَّ-يَقْشَعِرُّ

যখন আসবে আল্লাহর সাহায্য ও বিজয়। (১১০:১)

إِذَا جَاءَ نَصْرُ اللَّهِ وَالْفَتْحُ

সাহায্য

نَصْرٌ

যদিও এরুপ অনেক নিয়ে আসা হয়। (১৮:১০৯)

وَلَوْ جِئْنَا بِمِثْلِهِ مَدَدًا

সাহায্য, সহায়তা, অনেক সাহায্য

مَدَدٌ

তোমাদের উপর যুদ্ধ ফরয করা হয়েছে, অথচ তা তোমাদের কাছে অপছন্দনীয়। (২:২১৬)

كُتِبَ عَلَيْكُمُ الْقِتَالُ وَهُوَ كُرْهٌ لَّكُمْ

অপছন্দনীয়

كُرْهٌ

এ সবের মধ্যে যেগুলো মন্দকাজ, সেগুলো তোমার পালনকর্তার কাছে অপছন্দনীয়। (১৭:৩৮)

كُلُّ ذَٰلِكَ كَانَ سَيِّئُهُ عِندَ رَبِّكَ مَكْرُوهًا

ঘৃণিত, অপ্রিয়

مَكْرُوهٌ

তোমরা যা কর না, তা বলা আল্লাহর কাছে খুবই ঘৃণিত(৬১:৩)

كَبُرَ مَقْتًا عِندَ اللَّهِ أَن تَقُولُوا مَا لَا تَفْعَلُونَ

জঘন্য, বিরক্তিকর, ঘৃণিত,

مَقْتٌ

এবং তিনি তাঁর পালনকর্তার কাছে পছন্দনীয় ছিলেন। (১৯:৫৫)

وَكَانَ عِندَ رَبِّهِ مَرْضِيًّا

সন্তোষভাজন, পছন্দনীয়,

مَرْضِيٌ، مَرْضِيَّةٌ

আর হয়তোবা কোন একটি বিষয় তোমাদের কাছে পছন্দনীয় অথচ তা তোমাদের জন্যে অকল্যাণকর। (২:২১৬)

وَعَسَىٰ أَن تُحِبُّوا شَيْئًا وَهُوَ شَرٌّ لَّكُمْ

হয়তো

عَسَى

অতঃপর তারা দাঁড়াতে সক্ষম হল না। (৫১:৪৫)

فَمَا اسْتَطَاعُوا مِن قِيَامٍ

সক্ষম হওয়া

اِسْتَطَاعَ-يَسْتَطِيعُ

সে বলল, আফসোস আমি অক্ষম হলাম। (৫:৩১)

قَالَ يَا وَيْلَتَا أَعَجَزْتُ

অক্ষম হওয়া

عَجَزَ-يَعْجِزُ

আমি কি প্রথমবার সৃষ্টি করেই ক্লান্ত হয়ে পড়েছি? (৫০:১৫)

أَفَعَيِينَا بِالْخَلْقِ الْأَوَّلِ

অক্ষম হওয়া, অপারগ হওয়া, ক্লান্ত হওয়া

عَيِيَ-يَعْيَى

এবং আমরা অক্ষম নই। (৫৬:৬০)

وَمَا نَحْنُ بِمَسْبُوقِينَ

পশ্চাদ্বর্তী, পরাজিত

مَسْبُوقٌ (ج) مَسْبُوقُونَ

এরাই তারা যাদের আমলগুলো নিষ্ফল হয়ে গেছে। (৩:২২)

أُولَٰئِكَ الَّذِينَ حَبِطَتْ أَعْمَالُهُمْ

নস্যাৎ হওয়া, নষ্ট হওয়া, ব্যর্থ হওয়া, নিষ্ফল হওয়া

حَبِطَ-يَحْبَطُ

এবং বাতিল হয়ে গেল যা তারা করত। (৭:১১৮)

وَبَطَلَ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ

বাতিল হওয়া, রহিত হওয়া, নষ্ট হওয়া, নিরর্থ হওয়া

بَطَلَ-يَبْطُلُ

এবং যারা আল্লাহর রাস্তায় হিজরত করেছে। (২২:৫৮)

وَالَّذِينَ هَاجَرُوا فِي سَبِيلِ اللَّهِ

হিজরত করা

هَاجَرَ-يُهَاجِرُ

সে বলল, নিশ্চয়ই আমি আমার প্রতিপালকের দিকে একজন হিজরতকারী। (২৯:২৬)

وَقَالَ إِنِّي مُهَاجِرٌ إِلَىٰ رَبِّي

হিজরতকারী

مُهَاجِرٌ (ج) مُهَاجِرُونَ (مُهَاجِرَاتٌ)

তারা তোমাকে মদ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। (২:২১৯)

يَسْأَلُونَكَ عَنِ الْخَمْرِ

মদ

خَمْرٌ

তাদেরকে মোহর করা বিশুদ্ধ পানীয় পান করানো হবে। (৮৩:২৫)

يُسْقَوْنَ مِن رَّحِيقٍ مَّخْتُومٍ

বিশুদ্ধ পানীয়, খাঁটি শরাব, নির্র্ভেজাল সুরা

رَحِيقٌ

সেখান থেকে তোমরা নেশাদ্রব্য তৈরি করে থাক। (১৬:৬৭)

تَتَّخِذُونَ مِنْهُ سَكَرًا

মাদকদ্রব্য, নেশাদ্রব্য, নবিজ, মদ, মদিরা

سَكَرٌ

তারা তোমাকে মদ ও জুয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। (২:২১৯)

يَسْأَلُونَكَ عَنِ الْخَمْرِ وَالْمَيْسِرِ

জুয়া

مَيْسَرٌ

বল, এদুয়ের মাঝে আছে বড় ক্ষতি এবং কিছু উপকারিতা। (:২১৯)

قُلْ فِيهِمَا إِثْمٌ كَبِيرٌ وَمَنَافِعُ لِلنَّاسِ

উপকারিতা

مَنْفَعَةٌ (ج) مَنَافِعُ

এবং তাদের কোন ক্ষতি ও উপকার করার ক্ষমতাও রাখে না। (২০:৮৯)

وَلَا يَمْلِكُ لَهُمْ ضَرًّا وَلَا نَفْعًا

উপকার করা, মঙ্গল করা, কল্যাণ করা,

نَفْعٌ

এবং তাদের কোন ক্ষতি ও উপকার করার ক্ষমতাও রাখে না। (২০:৮৯)

وَلَا يَمْلِكُ لَهُمْ ضَرًّا وَلَا نَفْعًا

ক্ষতি

ضَرٌّ

তারা বলল, কোন ক্ষতি নেই। (২৬:৫০)

قَالُوا لَا ضَيْرَ

অসুবিধা, ক্ষতি, সমস্যা

ضَيْرٌ

অপরের অনিষ্টকারী না হয়ে। (৪:১২)

غَيْرَ مُضَارٍّ

ক্ষতিকর, অনিষ্টকারী

مُضَارٌّ

আল্লাহ মার্জনাকারী, ক্ষমাশীল। (৪:৯৯)

وَكَانَ اللَّهُ عَفُوًّا غَفُورًا

উদ্বৃত্ত, মার্জনাকারী

عَفْوٌ

যাতে তারা চিন্তা-ভাবনা করে। (১৬;৪৪)

وَلَعَلَّهُمْ يَتَفَكَّرُونَ

চিন্তা করা

تَفَكَّرَ-يَتَفَكَّرُ

সে চিন্তা করেছে এবং মনঃস্থির করেছে। (৭৪:১৮)

إِنَّهُ فَكَّرَ وَقَدَّرَ

ফিকির করা, চিন্তা করা,

فَكَّرَ-يُفَكِّرُ

তারা কি কোরআন সম্পর্কে গভীর চিন্তা করে না? (৪৭:২৪)

أَفَلَا يَتَدَبَّرُونَ الْقُرْآنَ

চিন্তা করা, গভীরধ্যান করা,

تَدَبَّرَ-يَتَدَبَّرُ

তারা কি এই কথা সম্পর্কে গভীর চিন্তা করে না? (২৩:৬৮)

أَفَلَمْ يَدَّبَّرُوا الْقَوْلَ

চিন্তা করা, গভীরধ্যান করা,

اِدَّبَرَ-يَدَّبَّرُ

আমার ভাই হারুন। (২০:৩০)

هَارُونَ أَخِي

ভাই, সহোদর, জাতি ভাই, ভ্রাতৃত্ব

أَخٌ (ج) إخْوَانٌ، إخْوَةٌ

তোমাদের জন্যে হারাম করা হয়েছে তোমাদের মাতা, তোমাদের কন্যা, তোমাদের বোন। (৪:২৩)

حُرِّمَتْ عَلَيْكُمْ أُمَّهَاتُكُمْ وَبَنَاتُكُمْ وَأَخَوَاتُكُمْ

বোন, সহোদরা

أُخْتٌ (ج) أَخَوَاتٌ

তোমরা বিয়ে করোনা যাদেরকে তোমাদের বাবা বিয়ে করেছে। (৪:২২)

وَلَا تَنكِحُوا مَا نَكَحَ آبَاؤُكُم

বিয়ে করা

نَكَحَ-يَنْكِحُ

যদি নাবী চায় তাকে বিয়ে করতে। (৩৩:৫০)

إِنْ أَرَادَ النَّبِيُّ أَن يَسْتَنكِحَهَا

বিয়ে করতে চাওয়া

اِسْتَنْكَحَ-يَسْتَنْكِحُ

সে বলল, আমি তোমাকে বিয়ে দিতে চাই। (২৮:২৭)

قَالَ إِنِّي أُرِيدُ أَنْ أُنكِحَكَ

বিয়ে দেয়া

أَنْكَحَ-يُنْكِحُ

আমি তাকে আপনার সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ করলাম যাতে মুমিনদের উপর কোন অসুবিধা না থাকে। (৩৩:৩৭)

زَوَّجْنَاكَهَا لِكَيْ لَا يَكُونَ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ حَرَجٌ

বিয়ে দেয়া

زَوَّجَ-يُزَوِّجُ

অতঃপর যদি সে তাকে তালাক দেয়, সে তাঁর জন্য হালাল নয়। (২:২৩০)

فَإِن طَلَّقَهَا فَلَا تَحِلُّ لَهُ

তালাক দেয়া

طَلَّقَ-يُطلِّقُ

আর তারা তোমার কাছে জিজ্ঞেস করে হায়েয (ঋতু) সম্পর্কে। (২:২৩০)

وَيَسْأَلُونَكَ عَنِ الْمَحِيضِ

মাসিক, ঋতু

مَحِيضٌ

আর তালাকপ্রাপ্তা নারী নিজেকে অপেক্ষায় রাখবে তিন মাসিকের সময়কাল পর্যন্ত। (২:২২৮)

وَالْمُطَلَّقَاتُ يَتَرَبَّصْنَ بِأَنفُسِهِنَّ ثَلَاثَةَ قُرُوءٍ

মাসিকের সময়কাল

قُرْءٌ (ج) قُرُوءٌ

এবং তারা যাদের মাসিক হয়নি। (৬৫:৪)

وَاللَّائِي لَمْ يَحِضْنَ

মাসিক হওয়া, ঋতুস্রাব হওয়া

حَاضَتْ-تَحِيضُ

মাসিকের সময় নারীদের থেকে পৃথক হও। (২:২২২)

فَاعْتَزِلُوا النِّسَاءَ فِي الْمَحِيضِ

পৃথক হওয়া

اِعْتَزَلَ-يَعْتَزِلُ

তাদের পার্শ্ব শয্যা থেকে আলাদা থাকে তারা তাদের পালনকর্তাকে ডাকে ভয়ে ও আশায়(৩২:১৬)

تَتَجَافَىٰ جُنُوبُهُمْ عَنِ الْمَضَاجِعِ يَدْعُونَ رَبَّهُمْ خَوْفًا

বিচ্ছিন্ন হওয়া, পৃথক হওয়া,

تَجَافَى-يَتَجَافَى

হে অপরাধীরা! আজ তোমরা আলাদা হয়ে যাও। (৩৬:৫৯)

وَامْتَازُوا الْيَوْمَ أَيُّهَا الْمُجْرِمُونَ

আলাদা হওয়া, বিভক্ত হওয়া,

اِمْتَازَ-يَمْتَيزُ

যদি তারা সরে যেত, তবে আমি অবশ্যই তাদের মধ্যে যারা কাফের তাদেরকে যন্ত্রনাদায়ক শস্তি দিতাম। (৪৮:২৫)

لَوْ تَزَيَّلُوا لَعَذَّبْنَا الَّذِينَ كَفَرُوا مِنْهُمْ عَذَابًا أَلِيمًا

পৃথক থাকা, দূরে থাকা, সরে যাওয়া, আলাদা হওয়া

تَزَيَّلَ-يَتَزَيَّلُ

যদি উভয়েই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, তবে আল্লাহ স্বীয় প্রশস্ততা দ্বারা প্রত্যেককে অমুখাপেক্ষী করে দিবেন। (৪:১৩০)

وَإِن يَتَفَرَّقَا يُغْنِ اللَّهُ كُلًّا مِّن سَعَتِهِ

পৃথক হওয়া, আলাদা হওয়া, বিচ্ছিন্ন হওয়া,

تَفَرَّقَ-يَتَفَرَّقُ

ফলে, তা বিদীর্ণ হয়ে গেল এবং প্রত্যেক ভাগ বিশাল পর্বতসদৃশ হয়ে গেল(২৬:৬৩)

فَانفَلَقَ فَكَانَ كُلُّ فِرْقٍ كَالطَّوْدِ الْعَظِيمِ

বিদীর্ণ হওয়া, চিরা, চিরে যাওয়া,

انْفَلَقَ-يَنْفَلِقُ

তারা কখনও একটি মাছি সৃষ্টি করতে পারবে না, যদিও তারা সকলে একত্রিত হয়। (২২;৭৩)

لَن يَخْلُقُوا ذُبَابًا وَلَوِ اجْتَمَعُوا لَهُ

একত্র হওয়া, জড়ো হওয়া, জোটবদ্ধ হওয়া

اجْتَمَعَ-يَجْتَمِعُ

তখন পর্যন্ত তাদের নিকটবর্তী হবে না, যতক্ষণ না তারা পবিত্র হয়ে যায়। (২:২২২)

وَلَا تَقْرَبُوهُنَّ حَتَّىٰ يَطْهُرْنَ

পবিত্র হওয়া

طَهرَ-يَطْهرُ

যদি তোমরা অপবিত্র হও তবে পবিত্রতা অর্জন করে নাও। (৫:৬)

وَإِن كُنتُمْ جُنُبًا فَاطَّهَّرُوا

পবিত্রতা অর্জন করা, গোসল করা

تَطَهَّرَ-يَتَطَهَّرُ

নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবাকারী এবং পবিত্রতা অবলম্বনকারীদের ভালবাসেন। (২:২২২)

إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ التَّوَّابِينَ وَيُحِبُّ الْمُتَطَهِّرِينَ

পবিত্রতা অবলম্বনকারী

مُتَطَهِّرٌ (ج) مُتَطَهِّرُونَ

আর আল্লাহ পবিত্র লোকদের ভালবাসেন। (৯:১০৮)

وَاللَّهُ يُحِبُّ الْمُطَّهِّرِينَ

পবিত্রকারী, শুদ্ধিকারী, আত্মশুদ্ধিকারী

مُطَّهِّرٌ (ج) مُطَّهِّرُونَ

আর আল্লাহ পবিত্র লোকদের ভালবাসেন। (৭৫:৫)

وَاللَّهُ يُحِبُّ الْمُطَّهِّرِينَ

পাপ, অপবিত্রতা, মূর্তি, মূর্তিপূঁজা, অপবিত্র

رُجْزٌ

আল্লাহর কাছে অজুহাত দিওনা। (:২২৪)

وَلَا تَجْعَلُوا اللَّهَ عُرْضَةً

অজুহাত, প্রতিবন্ধকতা

عُرْضَهٌ

আপনি আমার পক্ষ থেকে অভিযোগ মুক্ত হয়ে গেছেন। (১৮:৭৬)

قَدْ بَلَغْتَ مِن لَّدُنِّي عُذْرًا

ওজর, বাহানা, কৈফিয়তমূলক, জবাবদিহিমূলক

عُذْرٌ، مَعْذِرَةٌ

যদিও সে তার অজুহাত পেশ করতে চাইবে। (৭৫:১৫)

وَلَوْ أَلْقَىٰ مَعَاذِيرَهُ

ওজরসমূহ, বাহানা, ছল

مِعْذَارٌ (ج) مَعَاذِيرُ

আল্লাহর কাছে তোমাদের শপথ এর ব্যপারে অজুহাত দিওনা। (:২২৪)

وَلَا تَجْعَلُوا اللَّهَ عُرْضَةً لِّأَيْمَانِكُمْ

শপথ

يَمِينٌ (ج) أَيْمَانٌ

নিশ্চয় এটা এক মহা শপথ-যদি তোমরা জানতে। (৫৬:৭৬)

وَإِنَّهُ لَقَسَمٌ لَّوْ تَعْلَمُونَ عَظِيمٌ

কসম, শপথ, দৃঢ়প্রতিজ্ঞা, হলফ,

قَسَمٌ

তোমরা যে মানত কর, নিশ্চয়ই আল্লাহ তা জানেন। (২:২৭০)

نَذَرْتُم مِّن نَّذْرٍ فَإِنَّ اللَّهَ يَعْلَمُهُ

মানত

نَذْرٌ (ج) نُذُورٌ

এবং যারা অনর্থক কথা হতে বিমুখ থাকে। (২৩:৩)

وَالَّذِينَ هُمْ عَنِ اللَّغْوِ مُعْرِضُونَ

নিরর্থক

لَغْوٌ

সেখানে শুনবেনা কোন অনর্থক কথা। (৮৮:১১)

لَّا تَسْمَعُ فِيهَا لَاغِيَةً

বকবকানি,

لَاغِيَةٌ

এবং এটা অহেতুক নয়। (৮৬:১৪)

وَمَا هُوَ بِالْهَزْلِ

মিছামিছি, খামাখা,

هَزْلٌ

অতঃপর তাদের ছেড়ে দিন তাদের বাজেকথা আর খেলাধুলার মধ্যে। (৬:৯১)

ثُمَّ ذَرْهُمْ فِي خَوْضِهِمْ يَلْعَبُونَ

বাজেকথায় লিপ্ত হওয়া,

خَوْضٌ

যারা নিজেদের স্ত্রীদের নিকট গমন করবেনা বলে কসম খেয়ে বসে তাদের জন্য চার মাসের অবকাশ রয়েছে। (২:২২৬)

لِّلَّذِينَ يُؤْلُونَ مِن نِّسَائِهِمْ تَرَبُّصُ أَرْبَعَةِ أَشْهُرٍ

স্ত্রী ত্যাগের কসম করা, সহবাস না করার শপথ করা

آلَى-يُوْلِي

তোমাদের মধ্যে যারা উচ্চমর্যাদার অধিকারী, তারা যেন কসম না খায়। (২৪:২২)

وَلَا يَأْتَلِ أُولُو الْفَضْلِ مِنكُمْ

কসম করা, শপথ করা, হলফ করা

اِئْتَلَى-يَأْتَلِي

তারা আল্লাহর নামে কসম করে বলে যে, তারা তোমাদেরই অন্তর্ভুক্ত। (৯:৫৬)

وَيَحْلِفُونَ بِاللَّهِ إِنَّهُمْ لَمِنكُمْ

শপথ করা, প্রতিজ্ঞা করা, কসম করা

حَلَفَ-يَحْلِفُ

অতঃপর আল্লাহর নামে কসম খাবে যে, অবশ্যই আমাদের সাক্ষ্য তাদের দুজনের সাক্ষ্যর চাইতে অধিক সত্য। (৫:১০৭)

فَيُقْسِمَانِ بِاللَّهِ لَشَهَادَتُنَا أَحَقُّ مِن شَهَادَتِهِمَا

কসম খাওয়া, শপথ করা, দৃঢ়প্রতিজ্ঞা করা,

أَقْسَمَ-يُقْسِمُ

সে তাদের কাছে কসম খেয়ে বলল, আমি অবশ্যই তোমাদের হিতাকাঙ্খী। (৭:২১)

وَقَاسَمَهُمَا إِنِّي لَكُمَا لَمِنَ النَّاصِحِينَ

কসম খাওয়া, শপথ করা, দৃঢ়প্রতিজ্ঞা করা,

قَاسَمَ-يُقَاسِمُ

তারা বলল, শপথ কর আল্লাহর নামে (২৭:৪৯)

قَالُوا تَقَاسَمُوا بِاللَّهِ

পরস্পরে শপথ করা, অঙ্গীকারবদ্ধ হওয়া

تَقَاسَمَ-يَتَقَاسَمُ

আমি আল্লাহর উদ্দেশে একটি রোযা মানত করছি। (১৯;২৬)

إِنِّي نَذَرْتُ لِلرَّحْمَٰنِ صَوْمًا

মানত করা

نَذَرَ-يَنْذِرُ

তুমি তার আনুগত্য করবেন না, যে অধিক শপথ করে, যে লাঞ্ছিত(৬৮:১০)

وَلَا تُطِعْ كُلَّ حَلَّافٍ مَّهِينٍ

অত্যধিক শপথকারী

حَلَّافٌ

যারা নিজেদের স্ত্রীদের নিকট গমন করবেনা বলে কসম খেয়ে বসে তাদের জন্য চার মাসের অবকাশ রয়েছে। (২:২২৬)

لِّلَّذِينَ يُؤْلُونَ مِن نِّسَائِهِمْ تَرَبُّصُ أَرْبَعَةِ أَشْهُرٍ

অবকাশ

تَرَبُّصٌ

এবং যদি অসুবিধায় থাকে তাহলে সহজতার দিকে তাকাবে। (২:২৮০)

وَإِن كَانَ ذُو عُسْرَةٍ فَنَظِرَةٌ إِلَىٰ مَيْسَرَةٍ

একবার তাকানো, এক নজর,

نَظْرَةٌ

অতএব, কাফেরদেরকে অবকাশ দিন, তাদেরকে অবকাশ দিন, কিছু দিনের জন্যে। (৮৬:১৭)

فَمَهِّلِ الْكَافِرِينَ أَمْهِلْهُمْ رُوَيْدًا

ইচ্ছামত চলতে দাও, সুযোগ দাও, অবকাশ দাও

رُوَيْدٌ

কেবল একটি মহানাদের অপেক্ষা করছে, যাতে দম ফেলার অবকাশ থাকবে না। (৩৮:১৫)

وَمَا يَنظُرُ هَٰؤُلَاءِ إِلَّا صَيْحَةً وَاحِدَةً مَّا لَهَا مِن فَوَاقٍ

ফিরত, প্রত্যাবর্তন, পুনরাগমন, পুনর্জ্ঞান, স্বল্পসময়, বিরতি, বিরাম

فَوَاقٌ

যদি তারা তালাকের সংকল্প করে তাহলে নিশ্চয়ই আল্লাহ শ্রবণকারী এবং জ্ঞানী। (২:২২৭)

وَإِنْ عَزَمُوا الطَّلَاقَ فَإِنَّ اللَّهَ سَمِيعٌ عَلِيمٌ

সংকল্প করা

عَزَمَ-يَعْزِمُ (عَزْمٌ)

তারা কি কোন পরিকল্পনা করেছে? নিশ্চয়ই আমিই চূড়ান্ত পরিকল্পনাকারী। (৪৩:৭৯)

أَمْ أَبْرَمُوا أَمْرًا فَإِنَّا مُبْرِمُونَ

পরিকল্পনা করা, সংকল্প করা, চূড়ান্ত করা

أَبْرَمَ-يُبْرِمُ

আর তারা নিবৃত্ত করতে সক্ষম, এ বিশ্বাস নিয়ে বাগানে যাত্রা করল। (৬৮:২৫)

وَغَدَوْا عَلَىٰ حَرْدٍ قَادِرِينَ

আক্রোশ, মনোবাঞ্ছা, লালসা, সামর্থ্য

حَرْدٌ

তারা কি কোন পরিকল্পনা করেছে? নিশ্চয়ই আমিই চূড়ান্ত পরিকল্পনাকারী। (৪৩:৭৯)

أَمْ أَبْرَمُوا أَمْرًا فَإِنَّا مُبْرِمُونَ

পরিকল্পনাকারী, সংকল্পকারী, চূড়ান্তকারী

مُبْرِمٌ (ج) مُبْرِمُونَ

যদি তারা তালাকের সংকল্প করে তাহলে নিশ্চয়ই আল্লাহ শ্রবণকারী এবং জ্ঞানী। (২:২২৭)

وَإِنْ عَزَمُوا الطَّلَاقَ فَإِنَّ اللَّهَ سَمِيعٌ عَلِيمٌ

তালাক

طَلَاقٌ

এবং তালাকপ্রাপ্ত নারীদের জন্য কিছু ভরণ পোষণ। (২:২৪২)

وَلِلْمُطَلَّقَاتِ مَتَاعٌ بِالْمَعْرُوفِ

তালাকপ্রাপ্ত নারী

مُطَلَّقَةٌ (ج) مُطَلَّقَاتٌ

যারা বিয়ের আশা রাখেনা। (২৪:৬০)

لَا يَرْجُونَ نِكَاحًا

বিয়ে

نِكَاحٌ

আর তালাকপ্রাপ্তা নারী নিজেকে অপেক্ষায় রাখবে তিন মাসিকের সময়কাল পর্যন্ত। (২:২২৮)

وَالْمُطَلَّقَاتُ يَتَرَبَّصْنَ بِأَنفُسِهِنَّ ثَلَاثَةَ قُرُوءٍ

অপেক্ষা করা

تَرَبَّصَ-يَتَرَبَّصُ

তারা কি অপেক্ষা করছে? (১০:১১০)

فَهَلْ يَنتَظِرُونَ

তাকিয়ে থাকা, পথ চেয়ে থাকা, অপেক্ষা করা

اِنْتَظَرَ-يَنْتَظِرُ

আমার কথার অপেক্ষা করেনি। (২০:৯৪)

وَلَمْ تَرْقُبْ قَوْلِي

অপেক্ষা করা, প্রতীক্ষা করা,

رَقَبَ-يَرْقُبُ

অতএব আপনি সেই দিনের অপেক্ষা করুন, যখন আকাশ ধূয়ায় ছেয়ে যাবে। (৪৪:১০)

فَارْتَقِبْ يَوْمَ تَأْتِي السَّمَاءُ بِدُخَانٍ مُّبِينٍ

অপেক্ষা করা, পর্যবেক্ষণ করা,

اِرْتَقَبَ-يَرْتَقِبُ

বল, তোমরা প্রতীক্ষা কর, আমিও তোমাদের সাথে প্রতীক্ষারত আছি। (৫২:৩১)

قُلْ تَرَبَّصُوا فَإِنِّي مَعَكُم مِّنَ الْمُتَرَبِّصِينَ

প্রতীক্ষমাণ, প্রত্যাশী, অপেক্ষাকারী,

مُتَرَبِّصٌ (ج) مُتَرَبِّصُونَ

এবং বাকিরা প্রতিক্ষিত আল্লাহর আদেশের জন্য, হয়ত তাদের আযাব দিবেন হবে অথবা তাদের ক্ষমা করে দিবেন। (৯:১০৬)

وَآخَرُونَ مُرْجَوْنَ لِأَمْرِ اللَّهِ إِمَّا يُعَذِّبُهُمْ وَإِمَّا يَتُوبُ عَلَيْهِمْ

আশান্বিত, প্রতীক্ষিত, আশার আলো, বিলম্বিত

مُرْجَى (ج) مُرْجَوْنَ

অপেক্ষা কর, তারাও অপেক্ষা করছে। (৪৪:৫৯)

فَارْتَقِبْ إِنَّهُم مُّرْتَقِبُونَ

অপেক্ষমাণ, প্রতীক্ষমাণ

مُرْتَقِبٌ (ج) مُرْتَقِبُونَ

অপেক্ষা কর, আমি ও তোমাদের সাথে অপেক্ষমাণ(১০:২০)

فَانتَظِرُوا إِنِّي مَعَكُم مِّنَ الْمُنتَظِرِينَ

অপেক্ষাকারী, অপেক্ষমাণ, সুযোগসন্ধানী

مُنْتَظِرٌ (ج) مُنْتَظِرُونَ

আল্লাহ বললেনঃ তোমাকে অবকাশ দেয়া হল। (১৫:৩৭)

قَالَ فَإِنَّكَ مِنَ الْمُنظَرِينَ

অবকাশপ্রাপ্ত, সুযোগপ্রাপ্ত, দর্শনযোগ্য

مُنْظَرٌ (ج) مُنْظَرُونَ

তাদের জন্য বৈধ নয়, আল্লাহ যা তার জরায়ুতে সৃষ্টি করেছেন তা লুকিয়ে রাখা। (২:২২৮)

وَلَا يَحِلُّ لَهُنَّ أَن يَكْتُمْنَ مَا خَلَقَ اللَّهُ فِي أَرْحَامِهِنَّ

বৈধ হওয়া

حَلَّ-يَحِّلُ

তাদের জন্য বৈধ নয়, আল্লাহ যা তার জরায়ুতে সৃষ্টি করেছেন তা লুকিয়ে রাখা। (২:২২৮)

وَلَا يَحِلُّ لَهُنَّ أَن يَكْتُمْنَ مَا خَلَقَ اللَّهُ فِي أَرْحَامِهِنَّ

গর্ভ, জরায়ু

رَحِمٌ (ج) أَرْحَامٌ

এবং পুরুষের জন্য তাদের উপর মর্যাদা রয়েছে। (২:২২৮)

وَلِلرِّجَالِ عَلَيْهِنَّ دَرَجَةٌ

মর্যাদা, পর্যায়

دَرَجَةٌ

নিশ্চয়ই তোমরা উন্নীত হবে এক স্তর থেকে অন্য স্তরে। (৮৪:১৯)

لَتَرْكَبُنَّ طَبَقًا عَن طَبَقٍ

স্তর, পর্যায়ক্রম, থর, অবস্থা, থালা, তবাক

طَبَقٌ

অতঃপর ভালোভাবে রাখবে কিংবা সুন্দরভাবে বিদায় দিবে। (২:২২৯)

فَإِمْسَاكٌ بِمَعْرُوفٍ أَوْ تَسْرِيحٌ بِإِحْسَانٍ

রেখে দেয়া

إِمْسَاكٌ (أَمْسَكَ-يُمْسِكُ)

তারা কি সে রহমত রোধ করতে পারবে? (৩৯:৩৮)

هَلْ هُنَّ مُمْسِكَاتُ رَحْمَتِهِ

আটককারী, আবদ্ধকারী, বাধাদাতা,

مُمْسِكٌ

অতঃপর ভালোভাবে রাখবে কিংবা সুন্দরভাবে বিদায় দিবে। (২:২২৯)

فَإِمْسَاكٌ بِمَعْرُوفٍ أَوْ تَسْرِيحٌ بِإِحْسَانٍ

বিদায় দেয়া

تَسْرِيحٌ (سَرَّحَ-يبسَرِّحُ)

এবং তাদের বিদায় দিবে, উত্তম পন্থায়(৩৩:৪৯)

وَسَرِّحُوهُنَّ سَرَاحًا جَمِيلًا

বিচ্ছেদ করা, বন্ধনমুক্ত করা, বিদায় করা

سَرَاحٌ

তাদের পথ ছেড়ে দাও। (৯:৫)

فَخَلُّوا سَبِيلَهُمْ

খালি করা, মুক্ত করা, অবারিত করা,

خَلَّى-يُخَلِّي

তোমাদের কোন গোনাহ হবে না যদি নির্ধারণের পর তোমরা পরস্পরে সম্মত হও। (৪:২৪)

وَلَا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ فِيمَا تَرَاضَيْتُم بِهِ مِن بَعْدِ الْفَرِيضَةِ

পরস্পর সম্মত হওয়া

تَرَاضَى-يَتَرَاضَى

তাহলে দুবছরের ভিতরেই নিজেদের পারস্পরিক পরামর্শক্রমে দুধ পান করানো ছাড়িয়ে দিতে পারে(:২৩৩)

فَإِنْ أَرَادَا فِصَالًا عَن تَرَاضٍ مِّنْهُمَا وَتَشَاوُرٍ

পারস্পরিক সম্মতি

تَرَاضٍ

তবে পরস্পর কোন মীমাংসা করে নিলে এতে তাদের উভয়ের কোন সমস্যা নাই। (৪:১২৮)

فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِمَا أَن يُصْلِحَا بَيْنَهُمَا صُلْحًا

সংশোধন, শুদ্ধি, সংস্কার, নিষ্পত্তি, সন্ধি, শান্তিচুক্তি, আপোষ, মীমাংসা

صُلْحٌ

এবং তোমাদের সেই মা, যারা তোমাদের দুধ পান করিয়েছে। (৪:২৩)

وَأُمَّهَاتُكُمُ اللَّاتِي أَرْضَعْنَكُمْ

দুধপান করানো

أَرْضَعَ-يُرْضِعُ

এবং তোমাদের স্তন্য দানকরা মায়ের দিক থেকে বোন(:২৩)

وَأَخَوَاتُكُم مِّنَ الرَّضَاعَةِ

স্তন্যদান করা, দুগ্ধপানের মেয়াদ

رَضَاعَةٌ

আর যদি তোমরা কোন ধাত্রীর দ্বারা নিজের সন্তানদেরকে দুধ খাওয়াতে চাও। (২:২৩৩)

وَإِنْ أَرَدتُّمْ أَن تَسْتَرْضِعُوا أَوْلَادَكُمْ

ধাত্রী নিযুক্ত করা, দুধপান করিয়ে নেওয়া, ধাত্রী রাখা

اِسْتَرْضَعَ-يَسْتَرْضِعُ

পূর্ব থেকেই আমি ধাত্রীদেরকে থেকে তাকে বিরত রেখেছিলাম। (২৮:১২)

           

وَحَرَّمْنَا عَلَيْهِ الْمَرَاضِعَ مِن قَبْلُ

স্তন্যদানকারিণী, ধাত্রী, ধাইমা, মা, মাতা, জননি, দুধমা, দুধমাতা

مُرْضِعَةٌ (ج) مَرَاضِعُ

তাহলে দুবছরের ভিতরেই নিজেদের পারস্পরিক পরামর্শক্রমে দুধ পান করানো ছাড়িয়ে দিতে পারে। (২:২৩৩)

فَإِنْ أَرَادَا فِصَالًا عَن تَرَاضٍ مِّنْهُمَا وَتَشَاوُرٍ

দুধ ছাড়ানো

فِصَالٌ

কোর্স বিষয়বস্তু

11 চ্যাপ্টার • 79 পাঠ