নিশ্চয় তোমাদের পশ্চাদ্ধবন করা হবে (৪৪:২৩)

إِنَّكُم مُّتَّبَعُونَ

যাদের পশ্চাৎধাবন করা হয়

مُتَّبَعٌ ج مُتَّبَعُونَ

আর শস্যক্ষেত্রে ও খেজুর-বাগানে যার ছড়াগুলো ভারী (২৬:১৪৮)

وَزُرُوعٍ وَنَخْلٍ طَلْعُهَا هَضِيمٌ

মঞ্জুরিত/ ফুলে আচ্ছাদিত/ ফলে ভারাক্রান্ত

هَضِيمٌ

পাহাড় কেটে বাড়িঘর তৈরি কর নিপুণভাবে (২৬:১৪৯)

وَتَنْحِتُونَ مِنَ الْجِبَالِ بُيُوتًا فَارِهِينَ

দক্ষতা/ জাঁকজমক

فَارِهٌ ج فَارِهُونَ

মাপ পূর্ণ কর এবং যারা পরিমাপে কম দেয়, তাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না। (২৬-১৮১)

 

أَوْفُوا الْكَيْلَ وَلَا تَكُونُوا مِنَ الْمُخْسِرِينَ

যারা পরিমাপে কম দেয়, ক্ষতিকারক

مُخْسِرٌ ج مُخْسِرُونَ

দুর্ভোগ তাদের জন্যে যারা মাপে কম করে (৮৩:১)

وَيْلٌ لِّلْمُطَفِّفِينَ

মাপে কমদাতা

مُطَفِّفٌ ج مُطَفِّفُونَ

এটি স্বচ্ছ কাঁচের প্রাসাদ (২৭:৪৪)

إِنَّهُ صَرْحٌ مُّمَرَّدٌ مِّن قَوَارِيرَ

স্বচ্ছ

مُمَرَّدٌ

তখন তিনি বিপরীত দিকে ছুটতে লাগলেন এবং পেছন ফিরেও দেখলেন না। (২৭-১০)

وَلَّىٰ مُدْبِرًا وَلَمْ يُعَقِّبْ

পৃষ্ঠ প্রদর্শনকারী

مُدْبِرٌ ج مُدْبِرُونَ

আর যদি তারা তোমাদের সাথে লড়াই করেই তবে তারা তোমাদের দিকে পিঠ ফিরিয়ে পালাবে (৩:১১১)

وَإِن يُقَاتِلُوكُمْ يُوَلُّوكُمُ الْأَدْبَارَ

পৃষ্ঠপ্রদর্শন করা, বিমুখ হওয়া

أَدْبَرَ-يُدْبِرُ (إدْبَارٌ)

আমাকে শিক্ষা দেয়া হয়েছে পক্ষীকূলের ভাষা (২৭:১৬)

عُلِّمْنَا مَنطِقَ الطَّيْرِ

ভাষা

مَنْطِقٌ

এক পিপীলিকা বলল, হে পিপীলিকার দল, তোমরা তোমাদের গৃহে প্রবেশ কর (২৭:১৮)

قَالَتْ نَمْلَةٌ يَا أَيُّهَا النَّمْلُ ادْخُلُوا مَسَاكِنَكُمْ

পিঁপড়া

نَمْلَةٌ ج نَمْلٌ

আর তিনি পাখিদের পর্যবেক্ষণ করলেন (২৭:২০)

وَتَفَقَّدَ الطَّيْرَ

খোঁজখবর নেয়া

تَفَقَّدَ-يَتَفَقَّدُ

এটি স্বচ্ছ কাঁচের প্রাসাদ (২৭:৪৪)

إِنَّهُ صَرْحٌ مُّمَرَّدٌ مِّن قَوَارِيرَ

কাঁচ

قَوَارِيرُ

অতঃপর তা দ্বারা আমি মনোরম বাগান সৃষ্টি করেছি (২৭:৬০)

فَأَنبَتْنَا بِهِ حَدَائِقَ ذَاتَ بَهْجَةٍ

বাগান

حَدِيقَةٌ ج حَدَائِقُ

তারা জান্নাতে সমাদৃত হবে (৩০-১৫)

فَهُمْ فِي رَوْضَةٍ يُحْبَرُونَ

বাগান, উদ্যান, কানন, কুঞ্জ, বাগিচা

رَوْضَةٌ ج رَوْضَاتٌ

তখন মূসা তাকে ঘুষি মারলেন এবং এতেই তার মৃত্যু হয়ে গেল (২৮:১৫)

فَوَكَزَهُ مُوسَىٰ فَقَضَىٰ عَلَيْهِ ۖ

ঘুষি মারা

وَكَزَ-يَكِزُ

এবং তাদের পশ্চাতে দূ’জন স্ত্রীলোককে দেখলেন তারা তাদের জন্তুদেরকে আগলিয়ে রাখছে (২৮:২৩)

وَوَجَدَ مِن دُونِهِمُ امْرَأَتَيْنِ تَذُودَانِ

আগলে রাখা

ذَالَ-يَذُولُ

আমরা পানি খাওয়াতে পারি না যে পর্যন্ত না রাখালরা সরে না যায় (২৮:২৩)

لَا نَسْقِي حَتَّىٰ يُصْدِرَ الرِّعَاءُ

সরে যাওয়া/ সরিয়ে নেয়া

أَصْدَرَ-يُصْدِرُ

নিশ্চয়ি কর্মে নিয়োগ দিতে সে-ই সব চাইতে ভাল যে বলবান, বিশ্বস্ত (২৮:২৬)

إِنَّ خَيْرَ مَنِ اسْتَأْجَرْتَ الْقَوِيُّ الْأَمِينُ

চাকুরিতে নেয়া, কাজে নেয়া, চাকর রাখা, শ্রমিক নিয়োগ দেয়া

اِسْتَأْجَرَ-يَسْتَأْجِرُ

তুমি আমার চাকরি করবে আট হজ্জ (২৮:২৭)

تَأْجُرَنِي ثَمَانِيَ حِجَجٍ

মজদুরি করা, কাজ করা, শ্রম দেয়া, চাকরি করা

أَجَرَ-يَأْجُرُ

সম্ভবতঃ আমি সেখান থেকে তোমাদের কাছে কোন খবর নিয়ে আসতে পারি অথবা কোন জ্বলন্ত কাষ্ঠখন্ড আনতে পারি (২৮-২৯)

آتِيكُم مِّنْهَا بِخَبَرٍ أَوْ جَذْوَةٍ مِّنَ النَّارِ

আমদানি করা, নিয়ে আসা

جَبَى-يَجْبِي

(جَذْوَةٌ)

তাদের কারণে তার মন সংকীর্ণ হয়ে গেল (২৯:৩৩)

وَضَاقَ بِهِمْ ذَرْعًا

অস্বস্তি, সংকীর্ণতা, অসহায়তা

ذَرْعٌ

সব ঘরের মধ্যে মাকড়সার ঘরই তো অধিক দুর্বল (২৯:৪১)

أَوْهَنَ الْبُيُوتِ لَبَيْتُ الْعَنكَبُوتِ

মাকড়সা

عَنْكَبُوتٌ

অতএব মহিমা আল্লাহ্‌রই যখন তোমরা বিকেল প্রাপ্ত হও এবং যখন তোমরা ভোরে পৌঁছাও (৩০:১৭)

فَسُبْحَانَ اللَّـهِ حِينَ تُمْسُونَ وَحِينَ تُصْبِحُونَ

সন্ধ্যায় প্রবেশ করা

أَمْسَى-يُمْسِي

তাদের ভোর হয়েছিল অনিবার্য শাস্তিতে (৫৪:৩৮)

صَبَّحَهُم بُكْرَةً عَذَابٌ مُّسْتَقِرٌّ

সকালে প্রবেশ করা

صَبَّحَ-يُصَبِّحُ

আল্লাহ্‌র প্রকৃতি -- যার উপরে তিনি মানুষকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন (৩০:৩০)

فِطْرَتَ اللَّـهِ الَّتِي فَطَرَ النَّاسَ عَلَيْهَا

প্রকৃতি, ফিতরাত

فِطْرَةٌ

অতঃপর তিনি তার বংশধর সৃষ্টি করেন তুচ্ছ পানির নির্যাস থেকে। (৩২: ৮)

ثُمَّ جَعَلَ نَسْلَهُ مِن سُلَالَةٍ مِّن مَّاءٍ مَّهِينٍ

তুচ্ছ

مَهِينٌ

আল্লাহ কোন মানুষের মধ্যে দুটি হৃদয় স্থাপন করেননি (৩৩:৪)

مَّا جَعَلَ اللَّـهُ لِرَجُلٍ مِّن قَلْبَيْنِ فِي جَوْفِهِ

অভ্যন্তর, পেট

جَوْفٌ

চোখ উল্টিয়ে থাকে তার মত যার উপর মৃত্যুর ছায়া পড়েছে (৩৩:১৯)

تَدُورُ أَعْيُنُهُمْ كَالَّذِي يُغْشَىٰ عَلَيْهِ مِنَ الْمَوْتِ

ঘোরা, উল্টিয়ে ফেলা

دَارَ-يَدُورُ

তোমাদের বিদ্ধ করে তীক্ষ জিহবা দিয়ে (৩৩:১৯)

سَلَقُوكُم بِأَلْسِنَةٍ حِدَادٍ

বিদ্ধ করা

سَلَقَ-يَسْلُقُ

আর যখন তোমাদের প্রাণ হয়েছিল কন্ঠাগত (৩৩:১০)

وَبَلَغَتِ الْقُلُوبُ الْحَنَاجِرَ

গলা, কন্ঠনালী

حَنْجَرَةٌ ج حَنَاجِرُ

যখন তা কন্ঠাগত হয়ে যায় (৫৬-১৯)

إِذَا بَلَغَتِ الْحُلْقُومَ

কন্ঠনালী, খাদ্যনালী, গলা

حُلْقُومٌ

তোমাদের জন্য নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌র রসূলের মধ্যে রয়েছে এক অত্যুৎকৃষ্ট দৃষ্টান্ত (৩৩:২১)

لَّقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللَّـهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ

নমুনা, আদর্শ

أُسْوَةٌ

তাদের কোনো এখতিয়ার নেই (২৮:৬৮)

مَا كَانَ لَهُمُ الْخِيَرَةُ

অধিকার, বিকল্প

خِيرَةٌ

তার প্রস্তুতির অপেক্ষা না করে (৩৩:৫৩)

غَيْرَ نَاظِرِينَ إِنَاهُ

প্রস্তুতি, যথাসময়

إنَاى

এবং গড়িমসি করো না বাক্যালাপের জন্য (৩৩:৫৩)

وَلَا مُسْتَأْنِسِينَ لِحَدِيثٍ

খবরাখবর গ্রহণকারী, উতকর্ণ, মুগ্ধচিত্তে উপবিষ্ট

مُسْتَأْنِسٌ ج مُسْتَأْنِسُونَ

ঈমানদারদের কি সময় হয় নি যে তাদের হৃদয়গুলো বিনত হবে (৫৭-১৬)

أَلَمْ يَأْنِ لِلَّذِينَ آمَنُوا أَن تَخْشَعَ قُلُوبُهُمْ

সময় হওয়া, সময় আসা

أَنِيَ-يَأْنِي/ أَنَى-يَأْنِي

তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দংশ নিজেদের উপর টেনে নেয় (৩৩:৫৯)

يُدْنِينَ عَلَيْهِنَّ مِن جَلَابِيبِهِنَّ

টেনে নেয়া

أَدْنَى-يُدْنِي

 

 

বড় চাদর

جِلْبَابٌ ج جَلَابِيبُ

যদি মুনাফিকরা ও যাদের অন্তরে ব্যাধি রয়েছে তারা, আর গুজব রটনাকারীরা না থামে (৩৩:৬০)

لَّئِن لَّمْ يَنتَهِ الْمُنَافِقُونَ وَالَّذِينَ فِي قُلُوبِهِم مَّرَضٌ وَالْمُرْجِفُونَ

গুজব রটনাকারী

مُرْجِفٌ ج مُرْجِفُونَ

তাদের চামড়া ও অন্তর আল্লাহর স্মরণে বিনম্র হয় (৩৯:২৩)

تَلِينُ جُلُودُهُمْ وَقُلُوبُهُمْ إِلَىٰ ذِكْرِ اللَّـهِ

নরম করা

أَلَانَ-يُلِينُ

প্রশস্ত বর্ম তৈরী কর এবং কড়াসমূহ যথাযথভাবে সংযুক্ত কর (৩৪-১১)

اِنعْمَلْ سَابِغَاتٍ وَقَدِّرْ فِي السَّرْدِ

কড়া

سَرْدٌ

এই মূর্তিগুলো কী যাদের উপাসনায় তোমরা লেগে আছ? (২১:৫৩)

مَا هَـٰذِهِ التَّمَاثِيلُ الَّتِي أَنتُمْ لَهَا عَاكِفُونَ

ভাস্কর্য

تِمْثَالٌ ج تَمَاثِيلُ

তারা তাঁর জন্য তৈরি করত যা তিনি চাইতেন, যথা দূর্গ-প্রাসাদ ও প্রতিমা আর পুকুরসম গামলা (৩৪:১৩)

يَعْمَلُونَ لَهُ مَا يَشَاءُ مِن مَّحَارِيبَ وَتَمَاثِيلَ وَجِفَانٍ كَالْجَوَابِ

বড় পাত্র, গামলা

جَفْنَةٌ ج جَفْنَةٌ ج جِفَانٌ

তাদেরকে পরিবেশন করা হবে রূপার পাত্রে (৭৬-১৫)

وَيُطَافُ عَلَيْهِم بِآنِيَةٍ مِّن فِضَّةٍ

পাত্র, বরতন, বাসন

إنَاءٌ ج آنِيَةٌ

তারা তাঁর জন্য তৈরি করত যা তিনি চাইতেন, যথা দূর্গ-প্রাসাদ ও প্রতিমা আর পুকুরসম গামলা আর অনড় ডেগ (৩৪:১৩)

يَعْمَلُونَ لَهُ مَا يَشَاءُ مِن مَّحَارِيبَ وَتَمَاثِيلَ وَجِفَانٍ كَالْجَوَابِ وَقُدُورٍ رَّاسِيَاتٍ

ডেগ, ডেকচি

قِدْرٌ ج قُدُورٌ

 

 

 

جَابِيَةٌ ج جَوَابٍ

এমন দুই উদ্যানে, যাতে উদগত হয় বিস্বাদ ফলমূল, ঝাউ গাছ এবং সামান্য কুলবৃক্ষ (৩৪:১৬)

جَنَّتَيْنِ ذَوَاتَيْ أُكُلٍ خَمْطٍ وَأَثْلٍ وَشَيْءٍ مِّن سِدْرٍ قَلِيلٍ

বরই গাছ

سِدْرَةٌ ج سِدْرٌ

যখন তাদের মন থেকে ভয়-ভীতি দূর হয়ে যাবে (৩৪:২৩)

إِذَا فُزِّعَ عَن قُلُوبِهِمْ

ভয় দূর করা

فَزَّعَ-يُفَزِّعُ

আর আপনি যদি দেখতেন যখন পাপিষ্ঠদেরকে তাদের পালনকর্তার সামনে দাঁড় করানো হবে (৩৪:৩১)

وَلَوْ تَرَىٰ إِذِ الظَّالِمُونَ مَوْقُوفُونَ عِندَ رَبِّهِمْ

দাঁড় করানো

مَوْقُوفٌ ج مَوْقُوفُونَ

কেমন করে তারা নাগাল পাবে  (৩৪:৫২)

وَأَنَّىٰ لَهُمُ التَّنَاوُشُ

নাগাল পাওয়া

تَنَاوُشٌ

আর তুমি দেখতে পাও জাহাজগুলো তাতে বুকচিরে চলছে (৩৫:১২)

وَتَرَى الْفُلْكَ فِيهِ مَوَاخِرَ

বুক চিরে

مَاخِرَةٌ ج مَوَاخِرُ

পর্বতসমূহের মধ্যে রয়েছে গিরিপথ - সাদা, লাল (৩৫:২৭)

وَمِنَ الْجِبَالِ جُدَدٌ بِيضٌ وَحُمْرٌ

গিরিপথ, রাস্তা, চিহ্ন, নিদর্শন

جُدَّةٌ ج جُدَدٌ

তোমরা যদি কাফেরদের অনুসরণ কর , তাহলে ওরা তোমাদেরকে পেছনের অবস্থানে ফিরিয়ে দেবে (৩:১৪৯)

إِن تُطِيعُوا الَّذِينَ كَفَرُوا يَرُدُّوكُمْ عَلَىٰ أَعْقَابِكُمْ

ঘাটি, পার্বত্যঘাটি, প্রজ্জ্বলিত অগ্নিকুণ্ড

عَقَبَةٌ

পর্বতসমূহের মধ্যে রয়েছে গিরিপথ - সাদা, লাল (৩৫:২৭)

وَمِنَ الْجِبَالِ جُدَدٌ بِيضٌ وَحُمْرٌ

লাল

أَحْمَرُ ج حُمْرٌ

তার থেকে আমরা বের করে আনি দিনকে, তারপর তারা অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে থাকে (৩৬:৩৭)

سْلَخُ مِنْهُ النَّهَارَ فَإِذَا هُم مُّظْلِمُونَ

অন্ধকারে প্রবেশ করা

مُظْلِمٌ ج مُظْلِمُونَ

অত:পর যখন তারা কবর থেকে তাদের পালনকর্তার দিকে ছুটে চলবে (৩৬:৫১)

فَإِذَا هُم مِّنَ الْأَجْدَاثِ إِلَىٰ رَبِّهِمْ يَنسِلُونَ

ছুটে আসা

نَسَلَ-يَنْسِلُ

আর তাঁর কওমের লোকেরা তার প্রতি ছুটে আসতে লাগল (১১:৭৮)

وَجَاءَهُ قَوْمُهُ يُهْرَعُونَ إِلَيْهِ

ত্বরা করা

هَرعَ-يَهْرعُ

তখন তারা তাঁর দিকে ছুটে এল

فَأَقْبَلُوا إِلَيْهِ يَزِفُّونَ

দৌড়ানো, ত্বরা করা

زَفَّ-يَزِفُّ

যেন তারা কোন এক লক্ষ্যস্থলের দিকে ছুটে যাচ্ছে (৭০-৪৩)

كَأَنَّهُمْ إِلَىٰ نُصُبٍ يُوفِضُونَ

দৌঁড়ানো, ধাবিত হওয়া

أَوْفَضَ-يُوْفِضُ

তারা বলবে, হায় আমাদের দুর্ভোগ! কে আমাদেরকে নিদ্রাস্থল থেকে উখিত করল (৩৬:৫২)

قَالُوا يَا وَيْلَنَا مَن بَعَثَنَا مِن مَّرْقَدِنَا

নিদ্রা স্থল

مَرْقَدٌ

সেইদিন জান্নাতের বাসিন্দারা আনন্দে মশগুল থাকবে (৩৬:৫৫)

إِنَّ أَصْحَابَ الْجَنَّةِ الْيَوْمَ فِي شُغُلٍ فَاكِهُونَ

মশগুল

شُغُلٌ (شَغَلَ)

অতএব, যখন অবসর হন তখন সাধনা করুন (৯৪:৭)

فَإِذَا فَرَغْتَ فَانصَبْ

স্থাপন করা, সংস্থাপন করা

نَصَبَ-يَنْصَبُ

আর ভোর হতেই মূসার মায়ের অন্তর অস্থির হয়ে পড়ল (২৮:১০)

وَأَصْبَحَ فُؤَادُ أُمِّ مُوسَىٰ فَارِغًا

শুন্যহৃদয়, অধৈর্য, অধীরা

فَارِغٌ (فَرَغَ-يَفْرُغُ)

আমরা তাকে কবিতা শিক্ষা দেইনি এবং তা তার জন্যে শোভনীয়ও নয় (৩৬:৫৯)

وَمَا عَلَّمْنَاهُ الشِّعْرَ وَمَا يَنبَغِي لَهُ

কবিতা

شِعْرٌ

বিভ্রান্ত লোকেরাই কবিদের অনুসরণ করে (২৬:২২৪)

وَالشُّعَرَاءُ يَتَّبِعُهُمُ الْغَاوُونَ

কবি

شَاعِرٌ ج شُعَرَاءُ

তাদের আমরা সৃষ্টি করেছি আঠালো কাদা থেকে (৩৭:১১)

خَلَقْنَاهُم مِّن طِينٍ لَّازِبٍ

আঠালো

لَازِبٌ

এতে মাথাব্যথার কিছু নেই, আর তারা এ থেকে উন্মত্তও হবে না (৩৭:৪৭)

لَا فِيهَا غَوْلٌ وَلَا هُمْ عَنْهَا يُنزَفُونَ

দেহের জন্য ক্ষতিকর/ মাথাব্যথার উপাদান

غَوْلٌ

তাদের বিয়ে দেব আয়তলোচনা অপ্সরা দের সাথে (৪৪:৫৪)

وَزَوَّجْنَاهُم بِحُورٍ عِينٍ

আয়তলোচনা, ডাগর চোখ বিশিষ্ট

عَيْنَاءُ ج عِينٌ

তাদের বিয়ে দেব আয়তলোচনা অপ্সরা দের সাথে (৪৪:৫৪)

وَزَوَّجْنَاهُم بِحُورٍ عِينٍ

নিকষ কালো মণিবিশিষ্ট, অপ্সরা

حَوْرَاءُ ج حُورٌ

যেন তারা সুরক্ষিত ডিম (৩৭:৪৯)

كَأَنَّهُنَّ بَيْضٌ مَّكْنُونٌ

ডিম

بَيْضٌ

আমরা যখন মরে যাব এবং মাটি ও হাড়ে পরিণত হব, তখনও কি আমরা প্রতিফল ভোগ করব? (৩৭:৫৩)

أَإِذَا مِتْنَا وَكُنَّا تُرَابًا وَعِظَامًا أَإِنَّا لَمَدِينُونَ

যাদের প্রতিফল দেয়া হবে

مَدِينٌ ج مَدِينُونَ

তিনি তাঁকে শোয়ালেন কপালের উপর (৩৭:১০৩)

وَتَلَّهُ لِلْجَبِينِ

চিৎ করে শোয়ানো

تَلَّ-يَتِلُّ

যখন তারা প্রাচীর ডিঙ্গীয়ে এবাদত খানায় প্রবেশ করেছিল (৩৮:২১)

إِذْ تَسَوَّرُوا الْمِحْرَابَ

দেয়াল টপকানো

سَوَّرَ-يُسَوِّرُ

তখন আমরা বাতাসকে তাঁর জন্য অনুগত করে দিলাম, তাঁর আদেশে তা স্বচ্ছন্দগতিতে চলত (৩৮:৩৬)

فَسَخَّرْنَا لَهُ الرِّيحَ تَجْرِي بِأَمْرِهِ رُخَاءً

মৃদু, অবাধে

رُخَاءٌ

আর শয়তানদের -- প্রতেকেই নির্মাণকারী ও ডুবুরী (৩৮:৩৭)

وَالشَّيَاطِينَ كُلَّ بَنَّاءٍ وَغَوَّاصٍ

নির্মাতা, স্থপতি, রাজমিস্ত্রি

بَنَّاءٌ

 

 

লৌকিকতাকারী/ ধোঁকাবাজ

مُتَكَلِّفٌ ج مُتَكَلِّفُونَ

তদুপরি তাদের জন্য থাকবে ফুটন্ত জলের পানীয় (৩৭:৬৭)

إِنَّ لَهُمْ عَلَيْهَا لَشَوْبًا مِّنْ حَمِيمٍ

মিশ্রণ

شَوْبٌ

আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি মিশ্র শুক্রবিন্দু থেকে (৭৬-২)

إِنَّا خَلَقْنَا الْإِنسَانَ مِن نُّطْفَةٍ أَمْشَاجٍ

মিশ্রিত, নরনারীর সংমিশ্রিত বীর্য, শুক্রাণু

أَمْشَاجٌ

তারা পান করবে পাত্র থেকে, তার মিশ্রণ হবে কর্পূরের (৭৬-৫)

يَشْرَبُونَ مِن كَأْسٍ كَانَ مِزَاجُهَا كَافُورًا

মিক্সচার, মিশ্রণ, মিশ্রিত দ্রব্য, সংমিশ্রণ

مِزَاجٌ

আর তাদের নিকটে থাকবে আনতনয়না সমবয়স্কাগণ (৩৮:৫২)

وَعِندَهُمْ قَاصِرَاتُ الطَّرْفِ أَتْرَابٌ

সমবয়স্কা, যুবতী

تِرْبٌ ج أَتْرَابٌ

আমি আমার ব্যাপার আল্লাহর কাছে সমর্পণ করছি (৪০:৪৪)

وَأُفَوِّضُ أَمْرِي إِلَى اللَّـهِ

সমর্পণ করা, সোপর্দ করা

فَوَّضَ-يُفَوِّضُ

তোমরা এখন আগুনের কিছু অংশ আমাদের থেকে নিবৃত করবে কি? (৪০:৪৭)

فَهَلْ أَنتُم مُّغْنُونَ عَنَّا نَصِيبًا مِّنَ النَّارِ

অন্যের জায়গা নেয়া/ নিবৃতকারী

مُغْنٍ ج مُغْنُونَ

যেদিন আকাশ ধূয়ায় ছেয়ে যাবে প্রকাশ্য ধোঁয়ায় (৪৪:১০)

يَوْمَ تَأْتِي السَّمَاءُ بِدُخَانٍ مُّبِينٍ

ধোঁয়া

دُخَانٌ

তোমাদিগের উপরে পাঠানো হবে আগুনের শিখা ও ধুম্রকুঞ্জ (৫৫-৩৫)

يُرْسَلُ عَلَيْكُمَا شُوَاظٌ مِّن نَّارٍ وَنُحَاسٌ

অগ্নিশিখা, শিখা, স্ফুলিঙ্গ, ধূম,

نُحَاسٌ

আর কালো ধোঁয়ার ছায়া (৫৬-৪৩)

وَظِلٍّ مِّن يَحْمُومٍ

কালো ধোঁয়া, তপ্ত ধোঁয়া,

يَحْمُومٌ

আমি তাদের পেছনে সঙ্গী লাগিয়ে দিয়েছিলাম (৪১:২৫)

وَقَيَّضْنَا لَهُمْ قُرَنَاءَ

জুটিয়ে দেয়া, পিছে লাগিয়ে দেয়া

قَيَّضَ-يُقَىِّضُ

এই কুরআন শুনো না, আর এতে শোরগোল করো (৪১:২৬)

لَا تَسْمَعُوا لِهَـٰذَا الْقُرْآنِ وَالْغَوْا فِيهِ

হট্টগোল করা

لَغَا-يَلْغُو

আমরা অচিরেই তাদের দেখাব আমাদের নিদর্শনাবলী দিগদিগন্তে (৪১:৫৩)

سَنُرِيهِمْ آيَاتِنَا فِي الْآفَاقِ

দিগন্ত, দিকচক্রবাল

أُفُقٌ ج آفَاقٌ

আর তারা তর্ক করত মিথ্যার ভিত্তিতে তদ্বারা সত্যকে পরাভূত করতে (৪০:৫)

وَجَادَلُوا بِالْبَاطِلِ لِيُدْحِضُوا بِهِ الْحَقَّ

বাতিল

دَاحِضَةٌ

যেন তাদের কেউ অপর কাউকে সেবক হিসেবে গ্রহণ করতে পারে (৪৩:৩২)

لِّيَتَّخِذَ بَعْضُهُم بَعْضًا سُخْرِيًّا

সেবক

سُخْرِيٌّ

তাদের কাছে পরিবেশন করা হবে স্বর্ণের থালা (৪৩:৭১)

يُطَافُ عَلَيْهِم بِصِحَافٍ مِّن ذَهَبٍ

থালা

صَحْفَةٌ ج صِحَافٌ

পেটের মধ্যে ফুটতে থাকবে গলিত তাম্রের মত (৪৪:৪৫)

كَالْمُهْلِ يَغْلِي فِي الْبُطُونِ

ফোটা, টগবগ করা

غَلَى-يَغْلِي (غَلْيٌ)

অতঃপর তার মাথার উপর ঢেলে দাও ফুটন্ত পানির আযাব ৪৪-৪৮))

ثُمَّ صُبُّوا فَوْقَ رَأْسِهِ مِنْ عَذَابِ الْحَمِيمِ

ঢালা

صَبَّ-يَصُبُّ (صَبٌّ)

আমার কাছে উপস্থিত কর এর পূর্ববর্তী কোন কিতাব অথবা কোনো প্রামাণ্য চিহ্ন (৪৬:৪)

ائْتُونِي بِكِتَابٍ مِّن قَبْلِ هَـٰذَا أَوْ أَثَارَةٍ مِّنْ عِلْمٍ

ঐতিহ্য, প্রমাণবাণী, নিদর্শনবাহী

أَثَارَةٌ (أَثرَ-يُؤْثرُ)

এ তো মেঘ, আমাদেরকে বৃষ্টি দেবে (৪৬:২৪)

قَالُوا هَـٰذَا عَارِضٌ مُّمْطِرُنَا

বর্ষণকারী,

বর্ষণমুখর

مُمْطِرٌ

এবং তার বন্ধনের মত বন্ধন কেউ দিবে না (৮৯:২৬)

وَلَا يُوثِقُ وَثَاقَهُ أَحَدٌ

বন্ধনী

وَثَاقٌ

এবং তার বন্ধনের মত বন্ধন কেউ দিবে না (৮৯:২৬)

وَلَا يُوثِقُ وَثَاقَهُ أَحَدٌ

বাঁধা

أَوْثَقَ-يُوْثِقُ

এবং পরিশোধিত মধুর নহর (৪৭:১৫)

وَأَنْهَارٌ مِّنْ عَسَلٍ مُّصَفًّى

মধু

عَسَلٌ

তাতে আছে দূষণমুক্ত পানির নহর (৪৭:১৫)

فِيهَا أَنْهَارٌ مِّن مَّاءٍ غَيْرِ آسِنٍ

দূষিত, পচা

آسِنٌ

এবং আমি আকাশ থেকে পবিত্র পানি বর্ষণ করি (২৫:৪৮)

وَأَنزَلْنَا مِنَ السَّمَاءِ مَاءً طَهُورًا

পবিত্রতম, অতিবিশুদ্ধ, বিশুদ্ধতর,

طَهُورٌ

যখন তিনি তাঁর প্রভুর কাছে এসেছিলেন বিশুদ্ধ চিত্ত নিয়ে (৩৭:৮৪)

إِذْ جَاءَ رَبَّهُ بِقَلْبٍ سَلِيمٍ

বিশুদ্ধ

سَلِيمٌ

এইমাত্র তিনি কি বললেন (৪৭:১৬)

مَاذَا قَالَ آنِفًا

এই মাত্র

آنِفٌ

এবং আপনি অবশ্যই কথার ভঙ্গিতে তাদেরকে চিনতে পারবেন (৪৭:৩০)

وَلَتَعْرِفَنَّهُمْ فِي لَحْنِ الْقَوْلِ

কথার ভঙ্গি

لَحْنٌ

সেইদিন এগুলো উত্তপ্ত করা হবে জাহান্নামের আগুনে (৯:৩৫)

يَوْمَ يُحْمَىٰ عَلَيْهَا فِي نَارِ جَهَنَّمَ

চাপ প্রয়োগ করা, নমনীয় করা

أَحْفَى- يُحْفِي

যখন কাফিররা তাদের অন্তরে জিদ পোষণ করেছিল (৪৮:২৬)

إِذْ جَعَلَ الَّذِينَ كَفَرُوا فِي قُلُوبِهِمُ الْحَمِيَّةَ

জিদ, মনস্তাপ, ঘৃণা, উত্তেজনা

حَمِيَّةٌ

অতঃপর তা শক্ত ও মজবুত হয় এবং কান্ডের উপর দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে চাষীকে অভিভুত করে (৪৮:২৯)

فَاسْتَغْلَظَ فَاسْتَوَىٰ عَلَىٰ سُوقِهِ يُعْجِبُ الزُّرَّاعَ

দৃঢ়পদ হওয়া, মজবুত হওয়া, শক্তিশালী হওয়া,

اسْتَغْلَظَ-يَسْتَغْلِظُ

তদ্বারা অজ্ঞাতসারে এক কলংক তোমাদের উপর আরোপিত হত (৪৮:২৫)

فَتُصِيبَكُم مِّنْهُم مَّعَرَّةٌ بِغَيْرِ عِلْمٍ

কলঙ্ক/ ক্ষতি

مَعَرَّةٌ

যারা ঘরের পিছন থেকে আপনাকে ডাকাডাকি করে (৪৯:৪)

يُنَادُونَكَ مِن وَرَاءِ الْحُجُرَاتِ

কামরা, প্রকোষ্ঠ

حُجْرَةٌ ج حُجُرَاتٌ

তিনি ঈমানকে তোমাদের কাছে প্রিয় করে দিয়েছেন (৪৯:৭)

حَبَّبَ إِلَيْكُمُ الْإِيمَانَ

প্রিয় করে দেয়া, অনুরক্ত বানানো, পছন্দনীয় করা

حَبَّبَ-يُحَبِّبُ

এবং কুফরকে তোমাদের কাছে অপ্রিয় করে দিয়েছেন (৪৯:৭)

وَكَرَّهَ إِلَيْكُمُ الْكُفْرَ

অপছন্দ বানানো, ঘৃণিত বানানো

كَرَّهَ-يُكَرِّهُ

 

 

পরনিন্দা করা

اغْتَابَ-يَغْتِيبُ

পরনিন্দাকারী, যে ঘুরে ঘুরে কলঙ্ক রটায় (৬৮:১১)

هَمَّازٍ مَّشَّاءٍ بِنَمِيمٍ

নিন্দুক, নিন্দাকারী, পরনিন্দাকারী, ঘৃণাকারী,

هُمَزَةٌ ، هَمَّازٌ

দুর্ভোগ প্রত্যেক নিন্দাকারী ও কটাক্ষকারী প্রতি (১০৪:১)

وَيْلٌ لِّكُلِّ هُمَزَةٍ لُّمَزَةٍ

ভ্রুকুটিকারী, কটাক্ষকারী,

নিন্দুক,

لُمَزَةٌ

পরনিন্দাকারী, যে ঘুরে ঘুরে কলঙ্ক রটায় (৬৮:১১)

هَمَّازٍ مَّشَّاءٍ بِنَمِيمٍ

নিন্দা, কুৎসা, পরনিন্দা, বিশ্বাসঘাতকতা

نَمِيمٌ

আমি তার গ্রিবাস্থ রগের থেকেও অধিক নিকটবর্তী (৫০:১৬)

وَنَحْنُ أَقْرَبُ إِلَيْهِ مِنْ حَبْلِ الْوَرِيدِ

গ্রীবাস্থ শিরা

وَرِيدٌ

 

নিশ্চয়ই তার কন্ঠশিরা কেটে ফেলতাম (৬৯:৪৬)

لَقَطَعْنَا مِنْهُ الْوَتِينَ

গর্দান, ঘাড়, রক্তবাহী রগ, হৃদয়তন্ত্রী, হৃৎপিণ্ডের ধমনী

وَتِينٌ

 

তার সঙ্গী শয়তান বলবেঃ হে আমাদের পালনকর্তা, আমি তাকে অবাধ্যতায় লিপ্ত করিনি (৫০:২৭)

قَالَ قَرِينُهُ رَبَّنَا مَا أَطْغَيْتُهُ

সীমালঙ্ঘন করানো

أَطْغَى-يُطْغِي

 

কসম কক্ষপথবিশিষ্ট আকাশের (৫১:৭)

وَالسَّمَاءِ ذَاتِ الْحُبُكِ

কক্ষপথ

حِبَاكٌ ج حُبُكٌ

প্রত্যেকেই কক্ষপথে বিচরণ করে (২১:৩৩)

كُلٌّ فِي فَلَكٍ يَسْبَحُونَ

আকাশ, কক্ষপথ 

فَلَكٌ

আর তিনি নিজ গালে চাপড় মারছেন এবং বলছেন, ''এক বুড়ি, বন্ধ্যা!’’ (৫১:২৯)

فَصَكَّتْ وَجْهَهَا وَقَالَتْ عَجُوزٌ عَقِيمٌ

চাপড় মারা

صَكَّ-يَصُكُّ

আর পৃথিবী -- আমরা একে বিছিয়ে দিয়েছি (৫১:৪৮)

وَالْأَرْضَ فَرَشْنَاهَا

বিছিয়ে দেয়া

فَرَشَ-يَفْرُشُ

এক প্রশস্ত পাতায় (৫২:৩)

فِي رَقٍّ مَّنشُورٍ

পৃষ্ঠা

رَقٌّ

এবং উত্তাল সমুদ্র (৫২:৬)

وَالْبَحْرِ الْمَسْجُورِ

তরঙ্গায়িত, উত্তাল

مَسْجُورٌ

সেইদিন তাদেরকে জাহান্নামের আগুনের দিকে ঠেলে নেওয়া হবে ধাক্কিয়ে ধাক্কিয়ে (৫২:১৩)

يَوْمَ يُدَعُّونَ إِلَىٰ نَارِ جَهَنَّمَ دَعًّا

গলা ধাক্কা দেয়া

دَعٌّ (دَعَّ-يَدُعُّ)

আপনার পালনকর্তার কৃপায় আপনি গণক নন (৫২:২৯)

فَمَا أَنتَ بِنِعْمَتِ رَبِّكَ بِكَاهِنٍ

গণক

كَاهِنٌ

আমরা তার মৃত্যু-দুর্ঘটনার প্রতীক্ষা করছি (৫২:৩০)

نَّتَرَبَّصُ بِهِ رَيْبَ الْمَنُونِ

দূর্ঘটনা

مَنُونٌ

তখন দুই ধনুকের ব্যবধান ছিল অথবা আরও কম (৫৩:৯)

فَكَانَ قَابَ قَوْسَيْنِ أَوْ أَدْنَىٰ

দূরত্ব

قَابٌ

তখন দুই ধনুকের ব্যবধান ছিল অথবা আরও কম (৫৩:৯)

فَكَانَ قَابَ قَوْسَيْنِ أَوْ أَدْنَىٰ

ধনুক, ধনু

قَوْسٌ

তাদের জ্ঞানের নাগাল এ পর্যন্তই (৫৩:৩০)

ذَٰلِكَ مَبْلَغُهُم مِّنَ الْعِلْمِ

পরিণতি, শেষ সীমা, মাত্রা, পর্যায়

مَبْلَغٌ

যারা ত্রুটি করলেও পরিহার করে বড় বড় অপরাধ এবং অশ্লীলতা (৫৩:৩২)

الَّذِينَ يَجْتَنِبُونَ كَبَائِرَ الْإِثْمِ وَالْفَوَاحِشَ إِلَّا اللَّمَمَ

ছোটখাট ত্রুটি

لَمَمٌ

যখন তোমরা ছিলে তোমাদের মায়ের পেটে ভ্রণরূপে (৫৩:৩২)

وَإِذْ أَنتُمْ أَجِنَّةٌ فِي بُطُونِ أُمَّهَاتِكُمْ

ভ্রূণ

جَنِينٌ ج أَجِنَّةٌ

আমি নূহকে আরোহণ করালাম তাতে যা ছিল কাঠ ও পেরেক সম্বলিত (৫৪:১৩)

وَحَمَلْنَاهُ عَلَىٰ ذَاتِ أَلْوَاحٍ وَدُسُرٍ

পেরেক

دِسَارٌ ج دُسُرٌ

অতঃপর তারা তাদের সঙ্গীকে ডাকল। সে তাকে ধরল এবং বধ করল (৫৪:২৯)

فَنَادَوْا صَاحِبَهُمْ فَتَعَاطَىٰ فَعَقَرَ

ধরা/ সাহস করা

تَعَاطَى

এতেই তারা হয়ে গেল খোয়াড়ের খড়কুটোর ন্যায় (৫৪:৩১)

فَكَانُوا كَهَشِيمِ الْمُحْتَظِرِ

খোঁয়াড়, যারা খোঁয়াড় বানায়

مُحْتَظِرٌ

যেদিন তাদেরকে জাহান্নামে নেয়া হবে মুখ হিঁচড়ে (৫৪:৪৮)

يَوْمَ يُسْحَبُونَ فِي النَّارِ عَلَىٰ وُجُوهِهِمْ

টেনে হিঁচড়ে নেয়া

سَحَبَ-يَسْحبُ

একে ধর এবং টেনে নিয়ে যাও জাহান্নামের মধ্যস্থলে (৪৪:৪৭)

خُذُوهُ فَاعْتِلُوهُ إِلَىٰ سَوَاءِ الْجَحِيمِ

সরিয়ে নেওয়া 

عَتل- يَعْتِلُ

যদি সে বিরত না হয়, তবে আমি অবশ্যই তাকে হেঁচড়ে নেব সম্মুখকেশ ধরে (৯৬-১৫)

لَئِن لَّمْ يَنتَهِ لَنَسْفَعًا بِالنَّاصِيَةِ

হেঁছড়ে নেওয়া,

سَفِعَ-يَسْفَعُ

কোর্স বিষয়বস্তু

11 চ্যাপ্টার • 79 পাঠ