আল্লাহর নামে (১-১) |
بِسْمِ اللَّهِ |
নাম |
اِسْمٌ (ج) أَسْمَاءٌ |
এবং একে অপরকে মন্দ নামে ডেকো না (৪৯-১১) |
وَلَا تَنَابَزُوا بِالْأَلْقَابِ |
উপাধি |
لَقَبٌ (ج) أَلْقَابٌ |
তারাই ফেরেশতাকে নারীবাচক নাম দিয়ে থাকে (৫৩-২৭) |
لَيُسَمُّونَ الْمَلَائِكَةَ تَسْمِيَةَ الْأُنثَى |
নাম দেওয়া |
سَمَّى-يُسَمِّى (تَسْمِيَةٌ) |
এবং একে অপরকে মন্দ নামে ডেকো না (৪৯-১১) |
وَلَا تَنَابَزُوا بِالْأَلْقَابِ |
নামে ডাকা |
تَنَابَزَ-يَتَنَابَزُ |
আর অপর নির্দিষ্টকাল আল্লাহর কাছে আছে (৬-২) |
وَأَجَلٌ مُّسمًّى عِندَهُ |
নামধারী, নির্ধারিত |
مُسَمًّى |
ইতিপূর্বে এই নামে আমি কারও নাম করণ করিনি (১৯-৭) |
لَمْ نَجْعَل لَّهُ مِن قَبْلُ سَمِيًّا |
নাম বিশিষ্ট, সমতুল্য |
سَمِيٌّ |
পরম করুণাময়, অতি দয়ালু (১-১) |
الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ |
দয়ালু |
رَحْمٰنُ |
এবং তুমি সর্বাধিক করুণাময় (৭-১৫১) |
وَأَنتَ أَرْحَمُ الرَّاحِمِينَ |
করুণাময় |
رَاحِمٌ (ج) رَاحِمُوْنَ |
নিজেদের মধ্যে পরস্পর সহানুভূতিশীল (৪৮-২৯) |
رُحَمَاءُ بَيْنَهُمْ |
সহানুভূতিশীল |
رَحِيمٌ (ج) رُحَمَاءُ |
মুমিনদের প্রতি স্নেহশীল, দয়াময় (৯-১২৮) |
بِالْمُؤْمِنِينَ رَءُوفٌ رَّحِيمٌ |
স্নেহশীল |
رَؤُوْفٌ |
আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি দয়ালু (৪২-১৯) |
اللَّهُ لَطِيفٌ بِعِبَادِهِ |
দয়ালু, সুক্ষ্ম |
لَطِيْفٌ |
নিশ্চয়ই আমার পরওয়ারদেগার খুবই মেহেরবান অতিস্নেহময়। (১১-৯০) |
إِنَّ رَبِّي رَحِيمٌ وَدُودٌ |
স্নেহ পরায়ণ, প্রেমময় |
وَدُودٌ |
যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তাআলার (১-২) |
الْحَمْدُ لِلَّهِ |
প্রশংসা |
حَمْدٌ (حَمِدَ-يَحْمَدُ) |
এবং তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান ও কৃতজ্ঞতা কামনা করি না (৭৬-৯) |
لَا نُرِيدُ مِنكُمْ جَزَاءً وَلَا شُكُورًا |
কৃতজ্ঞতা |
شُكْرٌ (ج) شُكُوْرٌ (شَكَرَ-يَشْكُرُ) |
তারা তওবাকারী, এবাদতকারী, শোকরগোযার (৯-১১২) |
التَّائِبُونَ الْعَابِدُونَ الْحَامِدُونَ |
শোকর গোযার |
حَامِدٌ (ج) حَامِدُوْنَ |
তবে আমরা অবশ্যই কৃতজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাব (৬-৬৩) |
لَنَكُونَنَّ مِنَ الشَّاكِرِينَ |
কৃতজ্ঞ |
شَاكِرٌ (ج) شَاكِرُوْنَ |
নিশ্চয় এতে প্রত্যেক সহনশীল, কৃতজ্ঞ ব্যক্তির জন্যে নিদর্শন রয়েছে (৩১-৩১) |
إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَاتٍ لِّكُلِّ صَبَّارٍ شَكُورٍ |
কৃতজ্ঞ |
شَكُوْرٌ |
আর যে অকৃতজ্ঞ হয়, আল্লাহ অভাবমুক্ত, প্রশংসিত। (৩১:১২) |
وَمَن كَفَرَ فَإِنَّ اللَّهَ غَنِيٌّ حَمِيدٌ |
প্রশংসিত |
حَمِيْدٌ |
আপনার পালনকর্তা আপনাকে মোকামে মাহমুদে পৌঁছাবেন (১৭:৭৯) |
أَن يَبْعَثَكَ رَبُّكَ مَقَامًا مَّحْمُودًا |
প্রশংসিত |
مَحْمُوْدٌ |
মানুষ বড়ই অকৃতজ্ঞ। (১৭:৬৭) |
وَكَانَ الْإِنسَانُ كَفُورًا |
অকৃতজ্ঞ |
كَفُوْرٌ |
নিশ্চয় মানুষ অত্যন্ত অন্যায়কারী, অকৃতজ্ঞ। (১৪:৩৪) |
إِنَّ الْإِنسَانَ لَظَلُومٌ كَفَّارٌ |
অকৃতজ্ঞ |
كَفَّارٌ |
নিশ্চয় মানুষ তার পালনকর্তার প্রতি অকৃতজ্ঞ। (১০০:৬) |
إِنَّ الْإِنسَانَ لِرَبِّهِ لَكَنُودٌ |
অকৃতজ্ঞ |
كَنُوْدٌ |
সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা। (১-২) |
رَبِّ الْعَالَمِينَ |
প্রতিপালক |
رَبٌّ (ج) أَرْبَابٌ |
সাম্রাজ্যের অধিকারী, তুমি সাম্রাজ্য দান কর। (৩:২৬)
|
مَالِكَ الْمُلْكِ تُؤْتِي الْمُلْكَ |
মালিক |
مَالِكٌ (ج) مَالِكُون |
অতএব শীর্ষ মহিমায় আল্লাহ, তিনি সত্যিকার মালিক (২৩:১১৬) |
فَتَعَالَى اللَّهُ الْمَلِكُ الْحَقُّ |
মালিক |
مَلِكٌ (ج) مُلُوكٌ |
সর্বাধিপতি সম্রাটের সান্নিধ্যে। (৫৪:৫৫) |
عِندَ مَلِيكٍ مُّقْتَدِرٍ |
সম্রাট |
مَلِيكٌ |
সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা। (১-২) |
رَبِّ الْعَالَمِينَ |
বিশ্বজগত, মহাজগত |
عَالَمٌ (ج) عَالَمُوْنَ |
যিনি বিচার দিনের মালিক (১-৪) |
مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ |
বিচারের দিন |
يَومُ الدِّيْنِ |
কেয়ামত কখন অনুষ্ঠিত হবে? (৭-১৮৭) |
السَّاعَةِ أَيَّانَ مُرْسَاهَا |
পুনুরুত্থানের সময় |
السَّاعَةُ |
কেয়ামতের বৃত্তান্ত। (৮৮-১) |
حَدِيثُ الْغَاشِيَةِ |
আচ্ছন্নকারী |
الغَاشِيَةُ |
যখন কিয়ামতের ঘটনা ঘটবে। (৫৬-১) |
إِذَا وَقَعَتِ الْوَاقِعَةُ |
দুর্যোগ, ঘটনা |
الوَاقِعَةُ |
অতঃপর যেদিন কর্ণবিদারক নাদ আসবে। (৮০- ৩৩) |
فَإِذَا جَاءَتِ الصَّاخَّةُ |
কর্ণ বিদারক শব্দ |
الصَاخَّةُ |
আদ ও সামুদ গোত্র মহাপ্রলয়কে মিথ্যা বলেছিল। (৬৯:৪) |
كَذَّبَتْ ثَمُودُ وَعَادٌ بِالْقَارِعَةِ |
মহাপ্রলয় |
القَارِعَةُ |
অতঃপর যখন মহাসংকট এসে যাবে। (৭৯:৩৪) |
فَإِذَا جَاءَتِ الطَّامَّةُ الْكُبْرَىٰ |
মহাসংকট |
الطَامَّةُ |
কেয়ামতের দিন তাদের সবাই তাঁর কাছে একাকী অবস্থায় আসবে। (১৯:৯৫) |
وَكُلُّهُمْ آتِيهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَرْدًا |
কেয়ামতের দিন |
يَوْمُ القِيَامَةِ |
আমরা আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান (২:৮) |
آمَنَّا بِاللَّهِ وَبِالْيَوْمِ الْآخِرِ |
পরকাল |
اليَومُ الآخِرُ |
আপনি তাদেরকে আসন্ন দিন সম্পর্কে সতর্ক করুন (৪০:১৮) |
وَأَنذِرْهُمْ يَوْمَ الْآزِفَةِ |
আসন্ন দিন |
يَوْمُ الآزِفَةِ |
আমি তোমাদের ব্যাপারে এক যন্ত্রণাদায়ক দিনের আযাবের ভয় করছি। (১১:২৬) |
أَخَافُ عَلَيْكُمْ عَذَابَ يَوْمٍ أَلِيمٍ |
যন্ত্রণাদায়ক দিন |
يَوْمٌ أَلِيْمٌ |
আল্লাহর কিতাব মতে পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত (৩০:৫৬) |
فِي كِتَابِ اللَّهِ إِلَىٰ يَوْمِ الْبَعْثِ |
পুনরুত্থান দিবস |
يَومُ البَعْثِ |
এদিন হার-জিতের দিন।(৬৪:৯) |
ذَٰلِكَ يَوْمُ التَّغَابُنِ |
হার-জিতের দিন |
يَوْمُ التَّغَابُنِ |
সাক্ষাতের দিন সম্পর্কে সকলকে সতর্ক করে। (৪০:১৫) |
لِيُنذِرَ يَوْمَ التَّلَاقِ |
সাক্ষাতের দিন |
يَوْمُ التَّلاَقِ |
আমি তোমাদের জন্যে প্রচন্ড হাঁক-ডাকের দিনের আশংকা করি।(৪০:৩২) |
إِنِّي أَخَافُ عَلَيْكُمْ يَوْمَ التَّنَادِ |
আর্তনাদের/হাঁক-ডাকের দিন |
يَوْمُ التَّنَادِ |
এক কঠিন দিবসকে পশ্চাতে ফেলে রাখে। (৭৬:২৭) |
وَرَاءَهُمْ يَوْمًا ثَقِيلًا |
ভার বহনের দিন, কঠিন দিবস |
يَوْمٌ ثَقِيْلٌ |
সতর্ক করেন সমাবেশের দিন সম্পর্কে(৪২:৭) |
وَتُنذِرَ يَوْمَ الْجَمْعِ |
সমাবেশের দিন |
يَوْمُ الجَمْعِ |
আমাদের প্রাপ্য অংশ হিসাব দিবসের আগেই দিয়ে দাও।(৩৮:১৬) |
لَّنَا قِطَّنَا قَبْلَ يَوْمِ الْحِسَابِ |
হিসাব দিবস |
يَوْمُ الحِسَابِ |
তাদেরকে পরিতাপের দিবস সম্পর্কে হুশিয়ার করে দিন(১৯:৩৯) |
وَأَنذِرْهُمْ يَوْمَ الْحَسْرَةِ |
পরিতাপের দিবস |
يَوْمُ الحَسْرَةِ |
এই দিবস সত্য। (৭৮:৩৯) |
ذَٰلِكَ الْيَوْمُ الْحَقُّ |
সুনিশ্চিত/সত্যদিবস |
اليَوْمُ الحَقُّ |
সেদিনই পুনরত্থান দিবস।(৫০:৪২) |
ذَٰلِكَ يَوْمُ الْخُرُوجِ |
বের হওয়ার দিবস |
يَوْمُ الخُرُوجِ |
এটাই অনন্তকাল বসবাসের জন্য প্রবেশ করার দিন। (৫০:৩৪) |
ذَٰلِكَ يَوْمُ الْخُلُودِ |
চিরন্তন (জীবনের) দিবস |
يَوْمُ الخُلُودِ |
আমরা আমাদের পালনকর্তার তরফ থেকে একভীতিপ্রদ ভয়ংকরদিনের ভয় রাখি।(৭৬:১০) |
إِنَّا نَخَافُ مِن رَّبِّنَا يَوْمًا عَبُوسًا قَمْطَرِيرًا |
দুখ দুর্দশার দিবস |
يَوْمٌ عَبُوسٌ قَمْطَرِيرٌ |
আমি যদি স্বীয় পরওয়ারদেগারের নাফরমানীকরি, তবে কঠিন দিবসের আযাবের ভয় করি।(১০:১৫) |
إِنِّي أَخَافُ إِنْ عَصَيْتُ رَبِّي عَذَابَ يَوْمٍ عَظِيمٍ |
মহান দিবস |
يَوْمٌ عَظِيمٌ |
তাদের উপরে এসে পড়ে এক ধ্বংসাত্মক দিনে শাস্তি। (২২:৫৫) |
يَأْتِيَهُمْ عَذَابُ يَوْمٍ عَقِيمٍ |
নিষ্ফল দিবস |
يَوْمٌ عَقِيمٌ |
বলুন, ফয়সালার দিনে কাফেরদের ঈমান তাদের কোন কাজে আসবেনা(৩২:২৯) |
قُلْ يَوْمَ الْفَتْحِ لَا يَنفَعُ الَّذِينَ كَفَرُوا إِيمَانُهُمْ |
ফয়সালার দিবস |
يَوْمُ الفَتْحِ |
আমি তোমাদের উপর এক মহাদিবসের আযাবের আশঙ্কা করছি।(১১:৩) |
أَخَافُ عَلَيْكُمْ عَذَابَ يَوْمٍ كَبِيرٍ |
মহাদিবস |
يَوْمٌ كبِيرٌ |
আমি তোমাদের উপর এমন একদিনের আযাবের আশঙ্কা করছি যেদিনটি পরিবেষ্টনকারী(১১:৮৪) |
أَخَافُ عَلَيْكُمْ عَذَابَ يَوْمٍ مُّحِيطٍ |
পরিবেষ্টনকারীদিবস |
يَوْمٌ مُحِيطٌ |
সবাই একত্রিত হবে এক নির্দিষ্ট দিনের নির্দিষ্ট সময়ে।(৫৬:৫০) |
لَمَجْمُوعُونَ إِلَىٰ مِيقَاتِ يَوْمٍ مَّعْلُومٍ |
নির্ধারিত/নির্দিষ্টদিবস |
يَوْمٌ مَعْلُومٌ |
এবং প্রতিশ্রুত দিবসের, (৮৫:২) |
وَالْيَوْمِ الْمَوْعُودِ |
প্রতিশ্রুত দিবস |
اليَوْمُ الْمَوْعُودُ |
এটা হবে ভয়প্রদর্শনের দিন।(৫০:২০) |
ذَٰلِكَ يَوْمُ الْوَعِيدِ |
ভয়প্রদর্শনের দিন |
يَوْمُ الوَعِيدِ |
এটাই ফয়সালার দিন (৩৭:২১) |
هَٰذَا يَوْمُ الْفَصْلِ |
ফয়সালার দিন |
يَوْمُ الفَصْلِ |
আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি (১-৫) |
إِيَّاكَ نَعْبُدُ |
উপাসনাকরা,দাসত্ব করা |
عَبَدَ-يَعْبُدُ (عِبَادَةٌ) |
এবং আমি এবাদতকারী নই, যার এবাদত তোমরা কর। (১০৯:৪) |
وَلَا أَنَا عَابِدٌ مَّا عَبَدتُّمْ |
উপাসনাকারী |
عَابِدٌ (ج) عَابِدُونَ |
এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি। (১-৫) |
وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ |
সাহায্য চাওয়া |
اِسْتَعَانَ-يَسْتَعِينُ |
গতকল্য যে ব্যক্তি তাঁর সাহায্য চেয়েছিল (২৮:১৮) |
الَّذِي اسْتَنصَرَهُ بِالْأَمْسِ |
সাহায্য কামনা করা |
اِسْتَنْصَرَ-يَسْتَنْصِرُ |
অতঃপর যে তাঁর নিজ দলের সে তাঁর শত্রু দলের লোকটির বিরুদ্ধে তাঁর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করল। (২৮:১৫) |
فَاسْتَغَاثَهُ الَّذِي مِن شِيعَتِهِ عَلَى الَّذِي مِنْ عَدُوِّهِ |
সাহায্য চাওয়া |
اسْتَغَاثَ-يَسْتَغِيثُ |
সে বিষয়ে একমাত্র আল্লাহই আমার সাহায্য স্থল। (১২:১৮) |
وَاللَّهُ الْمُسْتَعَانُ عَلَىٰ مَا تَصِفُونَ |
সাহায্যের আধার, ভরসাস্থল |
مُسْتَعَانٌ |
এবং অন্য লোকেরা তাঁকে সাহায্য করেছে। (২৫.৪) |
وَأَعَانَهُ عَلَيْهِ قَوْمٌ آخَرُونَ |
সাহায্য করা |
أَعَانَ-يُعِينُ |
যদি আল্লাহ তোমাদের সহায়তা করেন, তাহলে কেউ তোমাদের উপর পরাক্রান্ত হতে পারবে না। (৩.১৬০) |
إِن يَنصُرْكُمُ اللَّهُ فَلَا غَالِبَ لَكُمْ |
সাহায্য করা |
نَصَرَ-يَنْصُرُ |
এবং তাঁকে সাহায্য ও সম্মান কর (৪৮.৯) |
وَتُعَزِّرُوهُ وَتُوَقِّرُوهُ |
সাহায্য করা, সম্মান প্রদর্শন করা |
عَزَّرَ-يُعَزِّرُ |
তোমাদের সাহায্যার্থে তোমাদের পালনকর্তা আসমান থেকে অবতীর্ণ তিন হাজার ফেরেশতা পাঠাবেন। (৩:১২৪) |
أَن يُمِدَّكُمْ رَبُّكُم بِثَلَاثَةِ آلَافٍ مِّنَ الْمَلَائِكَةِ مُنزَلِينَ |
সাহায্য করা |
أَمَدَّ-يُمِدُّ |
এবং তোমাদের বিরুদ্ধে কাউকে সাহায্যও করেনি(৯.৪) |
وَلَمْ يُظَاهِرُوا عَلَيْكُمْ أَحَدًا |
সাহায্য করা, সমর্থন করা |
ظَاهَرَ-يُظَاهِرُ |
সৎকর্ম ও খোদাভীতিতে একে অন্যের সাহায্য কর। (৫.২) |
وَتَعَاوَنُوا عَلَى الْبِرِّ وَالتَّقْوَىٰ |
পরস্পরে সাহায্য করা |
تَعَاوَنَ-يَتَعَاوَنُ |
তোমাদের কি হল যে, তোমরা একে অপরের সাহায্য করছ না? (৩৭.২৫) |
مَا لَكُمْ لَا تَنَاصَرُونَ |
পরস্পরে সাহায্য করা |
تَنَاصَرَ-يَتَانَصَرُ |
আর যদি নবীর বিরুদ্ধে একে অপরকে সাহায্য কর, তবে জেনে রেখ আল্লাহ তাঁর সহায়। ( ৬৬-৪ ) |
وَإِن تَظَاهَرَا عَلَيْهِ فَإِنَّ اللَّهَ هُوَ مَوْلَاهُ |
পরস্পরে সাহায্য করা, আক্রমণ করা, |
تَظَاهَرَ |
কোর্স বিষয়বস্তু