দ্বীনের প্রতি তাচ্ছিল্য প্রদর্শনের উদ্দেশে। (৪-৪৬)

وَطَعْنًا فِي الدِّينِ

কটূক্তি করা

طَعَنَ-يَطْعَنُ

তাহলে তারা ধৃষ্টতা করে অজ্ঞতাবশতঃ আল্লাহকে মন্দ বলবে। (৬-১০৮)

فَيَسُبُّوا اللَّهَ عَدْوًا بِغَيْرِ عِلْمٍ

গালি দেওয়া

سَبَّ-يَسُبُّ

আমি মুছে দেব অনেক চেহারাকে। (৪-৪৬)

أَن نَّطْمِسَ وُجُوهًا

বিকৃত করে দেয়া

طَمَسَ-يَطْمسُ

আমি ইচ্ছা করলে তাদেরকে স্ব স্ব স্থানে আকার বিকৃত করতে পারতাম। (৩৬-৬৭)

وَلَوْ نَشَاءُ لَمَسَخْنَاهُمْ عَلَىٰ مَكَانَتِهِمْ

বিকৃত করা, আকৃতি বীভৎস করা,

مَسَخَ-يَمْسَخُ

আর আল্লাহর নির্দেশ অবশ্যই কার্যকর হবে। (৪-৪৭)

وَكَانَ أَمْرُ اللَّهِ مَفْعُولًا

কার্যকর

مَفْعُولٌ

মান্য করে প্রতিমা ও শয়তানকে। (৪-৫১)

يُؤْمِنُونَ بِالْجِبْتِ وَالطَّاغُوتِ

প্রতিমা, মূর্তি, উপাস্য

جِبْتٌ

সুতরাং তোমরা মূর্তিদের অপবিত্রতা থেকে বেঁচে থাক। (২২-৩০)

فَاجْتَنِبُوا الرِّجْسَ مِنَ الْأَوْثَانِ

মূর্তি, প্রতিমা, দেবদেবী

أَوْثَانٌ

এবং আমাকে ও আমার সন্তান সন্ততিকে মূর্তি পূজা থেকে দূরে রাখুন। (১৪-৩৫)

وَاجْنُبْنِي وَبَنِيَّ أَن نَّعْبُدَ الْأَصْنَامَ

মূর্তি, প্রতিমা, দেবদেবী

صَنَمٌ ج أَصْنَامٌ

এই যে মদ,জুয়া,প্রতিমা এবং ভাগ্য-নির্ধারক শরসমূহ এসব শয়তানের অপবিত্র কার্য বৈ তো নয়। (৫-৯০)

إِنَّمَا الْخَمْرُ وَالْمَيْسِرُ وَالْأَنصَابُ وَالْأَزْلَامُ رِجْسٌ مِّنْ عَمَلِ الشَّيْطَانِ

স্থাপিত বেদী, বেদীর পশু, বলির পশু, পাঠা

نُصُبٌ ج أَصْنَابٌ

তাদের চামড়াগুলো যখন জ্বলে-পুড়ে যাবে। (৪-৫৬)

كُلَّمَا نَضِجَتْ جُلُودُهُم

চামড়া

جِلْدٌ ج جُلُودٌ

যা চামড়া তুলে দিবে। (৭০-১৬)

نَزَّاعَةً لِّلشَّوَىٰ

চামড়া, চর্ম

شَوَاةٌ ج شَوًى

তখন সেটি রক্তবর্ণে রঞ্জিত চামড়ার মত হয়ে যাবে। (৫৫-৩৭)

فَكَانَتْ وَرْدَةً كَالدِّهَانِ

লাল চামড়া

دِهَانٌ

যেন প্রাপ্য আমানতসমূহ প্রাপকদের নিকট পৌছে দাও।

(৪-৫৮)

أَن تُؤَدُّوا الْأَمَانَاتِ إِلَىٰ أَهْلِهَا

আমানত, গচ্ছিত সম্পদ, রক্ষিত মালামাল

أَمَانَةٌ ج أَمَانَاتٌ

যারা দাবী করে যে,যা আপনার প্রতি অবর্তীর্ণ হয়েছে আমরা সে বিষয়ের উপর ঈমান এনেছি।

(৪-৬০)

الَّذِينَ يَزْعُمُونَ أَنَّهُمْ آمَنُوا بِمَا أُنزِلَ إِلَيْكَ

দাবি করা

زَعَمَ-يَزْعُمُ (زَعْمٌ)

তারা বিচার খুজঁতে চায় তাগুত থেকে। (৪-৬০)

يُرِيدُونَ أَن يَتَحَاكَمُوا إِلَى الطَّاغُوتِ

বিচার চাওয়া, মীমাংসা চাওয়া

تَحَاكَمَ-يَتَحَاكَمُ

যতক্ষণ না তাদের মধ্যে সৃষ্ট বিবাদের ব্যাপারে তোমাকে ন্যায়বিচারক বলে মনে না করে। (৪-৬৫)

حَتَّىٰ يُحَكِّمُوكَ فِيمَا شَجَرَ بَيْنَهُمْ

বিচারক বানানো, শাসক মানা, মামলা করা

حَكَّمَ-يُحَكِّمُ

কল্যাণকর কথা। (৪-৬৩)

قَوْلًا بَلِيغًا

প্রাঞ্জল, চূড়ান্ত

بَلِيغٌ

নিজের মনে কোন রকম সংকীর্ণতা পাবে না (৪-৬৫)

لَا يَجِدُوا فِي أَنفُسِهِمْ حَرَجًا

সংকীর্ণতা, সমস্যা, ক্ষতি, অন্যায়, কষ্ট, পাপ, আপত্তি

حَرَجٌ

এবং তাদের চক্রান্তের কারণে মন ছোট করবেন না। (১৬-১২৭)

وَلَا تَكُ فِي ضَيْقٍ مِّمَّا يَمْكُرُونَ

সংকীর্ণ, অপ্রশস্ত, অপ্রসন্ন

ضَيْقٌ

হে ঈমানদারগণ! নিজেদের অস্ত্র তুলে নাও

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا خُذُوا حِذْرَكُمْ

সতর্কতা, সাবধানতা, ভয়, অস্ত্রশস্ত্র

حِذْرٌ

এবং আমরা সবাই সদা শংকিত। (২৬-৫৬)

وَإِنَّا لَجَمِيعٌ حَاذِرُونَ

ভয়ার্ত, সন্ত্রস্ত, অস্ত্রধারী

حَاذِرٌ ج حَاذِرُونَ

আর তোমাদের মধ্যে এমনও কেউ কেউ রয়েছে, যারা অবশ্য বিলম্ব করবে। (৪-৭২)

وَإِنَّ مِنكُمْ لَمَن لَّيُبَطِّئَنَّ

পেছনে পড়া, মন্থর হওয়া, অলসতা করা

بَطَّأَ-يُبَطِّئُ

এবং অপর তিনজনকে যাদেরকে পেছনে রাখা হয়েছিল। (৯-১১৮)

وَعَلَى الثَّلَاثَةِ الَّذِينَ خُلِّفُوا

পেছনে ফেলা, পশ্চাতে রাখা

خَلَّفَ-يُخَلِّفُ

রসূলুল্লাহর সঙ্গ ত্যাগ করে পেছনে থেকে যাওয়া। (৯-১২০)

أَن يَتَخَلَّفُوا عَن رَّسُولِ اللَّهِ

পিছপা হওয়া, পিছিয়ে পড়া

تَخَلَّفَ-يَتَخَلَّفُ

এবং তারা মোটেই বিলম্ব করত না। (৩৩-১৪)

وَمَا تَلَبَّثُوا بِهَا إِلَّا يَسِيرًا

থাকা, অবস্থান করা, অপেক্ষা করা, বিলম্ব করা

تَلَبَّثَ-يَتَلَبَّثُ

শপথ চন্দ্রের যখন তা সূর্যের পশ্চাতে আসে। (৯১-২)

وَالْقَمَرِ إِذَا تَلَاهَا

পেছনে আসা, পশ্চাতে আসা

تَلَى-يَتْلِي

কেয়ামতের দিন সে তার জাতির লোকদের আগে আগে থাকবে। (১১-৯৮)

يَقْدُمُ قَوْمَهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ

সামনে থাকা

قَدَمَ-يَقْدُمُ

তোমাদের মধ্যে যে সামনে অগ্রসর হয় অথবা পশ্চাতে থাকে। (৭৪-৩৭)

لِمَن شَاءَ مِنكُمْ أَن يَتَقَدَّمَ أَوْ يَتَأَخَّرَ

অগ্রগামী হওয়া, অগ্রণী হওয়াপূর্বে হওয়া, আগে হওয়া

تَقَدَّمَ-يَتَقَدَّمُ

কিংবা তরাম্বিত করতে পারবে না। (১৬-৬১)

وَلَا يَسْتَقْدِمُونَ

অগ্রগামী হতে পারা,

اسْتَقْدَمَ-يَسْتَقْدِمُ

শীঘ্রই আল্লাহ কাফেরদের শক্তি-সামর্থ খর্ব করে দেবেন। (৪-৮৪)

عَسَى اللَّهُ أَن يَكُفَّ بَأْسَ الَّذِينَ كَفَرُوا

সংযত রাখা

كَفَّ-يَكُفُّ

তোমরা যেখানেই থাক না কেন; মৃত্যু কিন্তু তোমাদেরকে পাকড়াও করবেই। (৪-৭৮)

أَيْنَمَا تَكُونُوا يُدْرِككُّمُ الْمَوْتُ

পেয়ে বসা, পাকড়াও করা

أَدْرَكَ-يُدْرِكُ (دَرَكٌ)

আমরা যে ধরা পড়ে গেলাম। (২৬-৬১)

إِنَّا لَمُدْرَكُونَ

সচেতন

مُدْرَكٌ ج مُدْرَكُونَ

যদি তোমরা সুদৃঢ় দূর্গের ভেতরেও অবস্থান কর,তবুও। (৪-৭৮)

وَلَوْ كُنتُمْ فِي بُرُوجٍ مُّشَيَّدَةٍ

দূর্গ, প্রাসাদ, গ্রহ, রাশিচক্র

بَرْجٌ ج بُرُوجٌ

এবং তারা মনে করেছিল যে, তাদের দূর্গগুলো তাদেরকে আল্লাহর কবল থেকে রক্ষা করবে। (৫৯-২)

وَظَنُّوا أَنَّهُم مَّانِعَتُهُمْ حُصُونُهُم مِّنَ اللَّهِ

দূর্গ, সুরক্ষিত কেল্লা

حِصْنٌ ج حُصُونٌ

কিতাবীদের মধ্যে যারা কাফেরদের পৃষ্টপোষকতা করেছিল, তাদেরকে তিনি তাদের দূর্গ থেকে নামিয়ে দিলেন। (৩৩-২৬)

وَأَنزَلَ الَّذِينَ ظَاهَرُوهُم مِّنْ أَهْلِ الْكِتَابِ مِن صَيَاصِيهِمْ

দুর্গসমুহ,  কেল্লা, গড়,  সেনাকেন্দ্র

صِيصَةٌ ج صَيَاصٍ

যদি তোমরা সুদৃঢ় দূর্গের ভেতরেও অবস্থান কর,তবুও। (৪-৭৮)

وَلَوْ كُنتُمْ فِي بُرُوجٍ مُّشَيَّدَةٍ

উচ্চ নির্মিত , সুদৃঢ়

নির্মিত

مُشَيَّدَةٌ

কত কূপ পরিত্যক্ত হয়েছে ও কত সুদৃঢ় প্রাসাদ ধ্বংস হয়েছে।  (২২-৪৫)

وَبِئْرٍ مُّعَطَّلَةٍ وَقَصْرٍ مَّشِيدٍ

উচ্চ নির্মিত , সুদৃঢ়

নির্মিত

مَشِيدٌ

এবং লম্বমান খর্জুর বৃক্ষ, যাতে আছে গুচ্ছ গুচ্ছ খর্জুর (৫০-১০)

وَالنَّخْلَ بَاسِقَاتٍ لَّهَا طَلْعٌ نَّضِيدٌ

সুউচ্চ, লম্বা, বিশালকায়

بَاسِقَةٌ ج بَاسِقَاتٌ

আমি তাতে স্থাপন করেছি মজবুত সুউচ্চ পর্বতমালা। (৭৭-২৭)

وَجَعَلْنَا فِيهَا رَوَاسِيَ شَامِخَاتٍ

সুউচ্চ, উন্নত, উঁচুউঁচু

شَامِخَةٌ ج شَامِخَاتٌ

তিনিই সুউচ্চ মর্যাদার অধিকারী। (৪০-১৫)

رَفِيعُ الدَّرَجَاتِ

সমুন্নতকারী, উন্নতকারী

رَفِيعٌ

দরিয়ায় বিচরণশীল পর্বতদৃশ্য জাহাজসমূহ তাঁরই (নিয়ন্ত্রনাধীন)। (৫৫-২৪)

وَلَهُ الْجَوَارِ الْمُنشَآتُ فِي الْبَحْرِ كَالْأَعْلَامِ

রচিত, সৃজিত, নির্মিত,

مُنْشَأَةٌ ج مُنْشَآتٌ

এবং সমুন্নত ছাদের। (৫২-৫)

وَالسَّقْفِ الْمَرْفُوعِ

উচ্চ, সুউচ্চ, উন্নত, উন্নিত, উত্তোলিত

مَرْفُوعٌ، مَرْفُوعَةٌ

খেজুরের কাঁদি থেকে গুচ্ছ (বের করি) যা নুয়ে থাকে। (৬-৯৯)

وَمِنَ النَّخْلِ مِن طَلْعِهَا قِنْوَانٌ دَانِيَةٌ

নিচু

دَانٍ، دَانِيَةٌ

নিঃসন্দেহে মুনাফেকরা রয়েছে দোযখের সর্বনিম্ন স্তরে। (৪-১৪৫)

إِنَّ الْمُنَافِقِينَ فِي الدَّرْكِ الْأَسْفَلِ مِنَ النَّارِ

সর্ব নিম্ন

دَرْكٌ

আমি আপনাকে (হে মুহাম্মদ), তাদের জন্য রক্ষণাবেক্ষণকারী নিযুক্ত করে পাঠাইনি। (৪-৮০)

فَمَا أَرْسَلْنَاكَ عَلَيْهِمْ حَفِيظًا

রক্ষণাবেক্ষণকারী, সংরক্ষক, রক্ষাকারী

حَفِيظٌ ج حَفَظَةٌ

এবং আমি নিজেই এর সংরক্ষক। (১৫-৯)

وَإِنَّا لَهُ لَحَافِظُونَ

রক্ষণাবেক্ষণকারী, সংরক্ষক, রক্ষাকারী

حَافِظٌ ج حَافِظُونَ (حَافِظَاتٌ)

এবং সেগুলোর বিষয়বস্তুর রক্ষণাবেক্ষণকারী। (৫-৪৮)

وَمُهَيْمِنًا عَلَيْهِ

রক্ষক, আশ্রয়দাতা

مُهَيْمِنٌ

তাদের মধ্য থেকে কেউ কেউ পরামর্শ করে রাতের বেলায়। (৪-৮১)

بَيَّتَ طَائِفَةٌ مِّنْهُمْ

রাতে পরামর্শ করা

بَيَّتَ-يُبَيِّتُ

আর যখন তাদের কছে পৌঁছে কোন সংবাদ শান্তি-সংক্রান্ত কিংবা ভয়ের, তখন তারা সেগুলোকে রটিয়ে দেয়। (৪-৮৩)

وَإِذَا جَاءَهُمْ أَمْرٌ مِّنَ الْأَمْنِ أَوِ الْخَوْفِ أَذَاعُوا بِهِ

রটিয়ে দেয়া

أَذَاعَ-يُذِيعُ

তখন অনুসন্ধান করে দেখা যেত সেসব বিষয়, যা তাতে রয়েছে অনুসন্ধান করার মত। (৪-৮৩)

لَعَلِمَهُ الَّذِينَ يَسْتَنبِطُونَهُ مِنْهُمْ

যাচাই করা

اِسْتَنْبَطَ-يَسْتَنْبِطُ

আর আপনি মুসলমানদেরকে উৎসাহিত করতে থাকুন। (৪-৮৩)

وَحَرِّضِ الْمُؤْمِنِينَ

উৎসাহিত করা, উদ্বুদ্ধ করা, সঞ্জীবিত করা

حَرَّضَ-يُحَرِّضُ

এবং মিসকীনকে আহার্য দিতে উৎসাহিত করত না। (৬৯-৩৪)

وَلَا يَحُضُّ عَلَىٰ طَعَامِ الْمِسْكِينِ

উৎসাহিত করা, উদ্বুদ্ধ করা,

حَضَّ-يَحُضُّ

এবং মিসকীনকে অন্নদানে পরস্পরকে উৎসাহিত কর না। (৮৯-১৮)

وَلَا تَحَاضُّونَ عَلَىٰ طَعَامِ الْمِسْكِينِ

পরস্পরে অনুপ্রাণিত করা

تَحَاضَّ-يَتَحَاضُّ

আর তোমাদেরকে যদি কেউ অভিবাদন জানায়,তাহলে তোমরাও তার জন্য অভিবাদন জানাও। (৪-৮৬)

وَإِذَا حُيِّيتُم بِتَحِيَّةٍ فَحَيُّوا

অভিবাদন জানানো

حَيَّى-يُحَيِّي (تَحِيَّةٌ)

তাদের জন্যে অভিনন্দন নেই। (৩৮-৫৯)

لَا مَرْحَبًا بِهِمْ

অভিনন্দন

مَرْحَبٌ

অথবা তোমাদের কাছে এভাবে আসে যে,তাদের অন্তর তোমাদের সাথে যুদ্ধ করতে অনিচ্ছুক। (৪-৯০)

أَوْ جَاءُوكُمْ حَصِرَتْ صُدُورُهُمْ أَن يُقَاتِلُوكُمْ

অবদমিত হওয়া, নিবৃত্ত হওয়া, বন্দি করা

حَصِرَ-يَحْصَرُ

যদি আল্লাহ ইচ্ছে করতেন, তবে তোমাদের উপর তাদেরকে প্রবল করে দিতেন। (৪-৯০)

وَلَوْ شَاءَ اللَّهُ لَسَلَّطَهُمْ عَلَيْكُمْ

প্রবল করে দেয়া

سَلَّطَ-يُسَلِّطُ

এবং একজন মুসলমান ক্রীতদাস মুক্ত করবে। (৪-৯২)

وَتَحْرِيرُ رَقَبَةٍ مُّؤْمِنَةٍ

মুক্ত করা, আজাদ করা, মুক্তি দেয়া

تَحْرِيرٌ

তা হচ্ছে দাসমুক্তি। (৯০-১৩)

فَكُّ رَقَبَةٍ

মুক্ত করা, আজাদ করা, ছাড়ানো

فَكُّ رَقَبَةٍ

এই যে, তুমি বনী-ইসলাঈলকে গোলাম বানিয়ে রেখেছ। (২৬-২২)

أَنْ عَبَّدتَّ بَنِي إِسْرَائِيلَ

দাস বানানো

عَبَّدَ-يُعَبِّدُ

সে আল্লাহর কাছ থেকে গোনাহ মাফ করানোর জন্যে উপর্যুপুরি দুই মাস রোযা রাখবে। (৪-৯২)

فَصِيَامُ شَهْرَيْنِ مُتَتَابِعَيْنِ تَوْبَةً مِّنَ اللَّهِ

 ক্রমাগত, একের পর এক

مُتَتَابِعٌ

যা তিনি প্রবাহিত করেছিলেন তাদের উপর সাত রাত্রি ও আট দিবস পর্যন্ত অবিরাম। (৬৯-৭)

سَخَّرَهَا عَلَيْهِمْ سَبْعَ لَيَالٍ وَثَمَانِيَةَ أَيَّامٍ حُسُومًا

অবিরাম, অশুভ

حَاسِمٌ ج حُسُومٌ

যে ব্যক্তি স্বেচ্ছাক্রমে মুসলমানকে হত্যা করে। (৪-৯৩)

وَمَن يَقْتُلْ مُؤْمِنًا مُّتَعَمِّدًا

ইচ্ছাপূর্বক

مُتَعَمِّدٌ

বস্তুতঃ আল্লাহর কাছে অনেক সম্পদ রয়েছে। (৪-৯৪)

فَعِندَ اللَّهِ مَغَانِمُ كَثِيرَةٌ

গণিমত

مَغْنَمٌ ج مَغَانِمٌ (غَنِمَ-يَغْنَمُ)

আপনার কাছে জিজ্ঞেস করে, গনীমতের হুকুম। (৮-১)

يَسْأَلُونَكَ عَنِ الْأَنفَالِ

গনিমতের বণ্টনোর্ধ সম্পদ, গনিমতের মাল,

نَفْلٌ ج أَنْفَالٌ

আমরা তো এখানেই বসলাম। (৫-২৪)

إِنَّا هَاهُنَا قَاعِدُونَ

পেছনে পড়ে থাকা ব্যক্তি

قَاعِدٌ ج قَاعِدُونَ

যখন দুই ফেরেশতা ডানে ও বামে বসে তার আমল গ্রহণ করে। (৫০-১৭)

إِذْ يَتَلَقَّى الْمُتَلَقِّيَانِ عَنِ الْيَمِينِ وَعَنِ الشِّمَالِ قَعِيدٌ

উপবিষ্ট, উপবেশনরত,

 বসা,

قَعِيدٌ

এবং আমি জেনে রেখেছি পশ্চাদগামীদেরকে। (১৫-২৪০

وَلَقَدْ عَلِمْنَا الْمُسْتَأْخِرِينَ

পশ্চাৎগামী, পরবর্তী

مُسْتَأْخِرٌ ج مُسْتَأْخِرُونَ

কাজেই পেছনে পড়ে থাকা লোকদের সাথেই বসে থাক। (৯-৮৩)

فَاقْعُدُوا مَعَ الْخَالِفِينَ

পশ্চাৎমুখী, পশ্চাৎবর্তী,

خَالِفٌ ج خَالِفُونَ

যারা পেছনে পড়ে থাকা লোকদের সাথে থাকতে পেরে আনন্দিত হয়েছে। (৯-৯৩)

رَضُوا بِأَن يَكُونُوا مَعَ الْخَوَالِفِ

পশ্চাৎমুখী, পশ্চাৎবর্তী

خَالِفَةٌ ج خَوَالِفُ

সে ধ্বংস প্রাপ্তদের অন্তর্ভূক্ত থাকবে। (২৯-৩৩)

كَانَتْ مِنَ الْغَابِرِينَ

পশ্চাদ্বর্তী, পরবর্তী, অনুগামী, পেছনে পড়া

غَابِرٌ ج غَابِرُونَ

গৃহে অবস্থানকারী মরুবাসীদেরকে বলে দিন। (৪৮-১৬)

قُل لِّلْمُخَلَّفِينَ مِنَ الْأَعْرَابِ

পশ্চাৎমুখী, পশ্চাৎবর্তী

مُخَلَّفٌ ج مُخَّلَفُونَ

এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ আল্লাহর নির্দেশক্রমে কল্যাণের পথে এগিয়ে গেছে। (৩৫-৩২)

وَمِنْهُمْ سَابِقٌ بِالْخَيْرَاتِ بِإِذْنِ اللَّهِ

অগ্রগামী

سَابِقٌ

আমি জেনে রেখেছি তোমাদের অগ্রগামীদেরকে। (১৫-২৪)

وَلَقَدْ عَلِمْنَا الْمُسْتَقْدِمِينَ مِنكُمْ

অগ্রগামী, অগ্রসর, অগ্রগতিকামী,

مُسْتَقْدِمٌ ج مُسْتَقْدِمُونَ

তবে তার সওয়াব আল্লাহর কাছে অবধারিত হয়ে যায়। (৪-১০০)

فَقَدْ وَقَعَ أَجْرُهُ عَلَى اللَّهِ

সাব্যস্ত হওয়া, অবধারিত হওয়া

وَقَعَ-يَقَعُ (وَقْعَةٌ)

আপনার পালনকর্তার শাস্তি অবশ্যম্ভাবী (৫২-)

إِنَّ عَذَابَ رَبِّكَ لَوَاقِعٌ

ঘটমান, ঘটনশীল, পতনশীল

وَاقِعٌ

তারা কোন উপায় করতে পারে না

لَا يَسْتَطِيعُونَ حِيلَةً

উপায়, কৌশল, তদবির

حِيلَةٌ

এবং তারা যেন স্বীয় অস্ত্র সাথে নেয়। (৪-১০২)

وَلْيَأْخُذُوا أَسْلِحَتَهُمْ

অস্ত্র

سِلَاحٌ ج أَسْلِحَةٌ

আর তোমরা কামনা করছিলে যাতে কোন রকম কন্টক নেই। (৮-৭)

وَتَوَدُّونَ أَنَّ غَيْرَ ذَاتِ الشَّوْكَةِ

কাঁটা, কণ্টক

شَوْكَةٌ

অতঃপর কোন নিরপরাধের উপর অপবাদ আরোপ করে। (৪-১১২)

ثُمَّ يَرْمِ بِهِ بَرِيئًا

নিরপরাধ, নির্দোষ, দায়িত্বমুক্ত, অসন্তুষ্ট

بَرِيءٌ ج بُرَآءُ

তাদের সম্পর্কে লোকে যা বলে, তার সাথে তারা সম্পর্কহীন। (২৪-২৬)

أُولَٰئِكَ مُبَرَّءُونَ مِمَّا يَقُولُونَ

নির্দোষ, নিষ্কলুষ

مُبَرَّؤٌ ج مُبَرَّءُونَ

আল্লাহ তা থেকে তাঁকে নির্দোষ প্রমাণ করেছিলেন। (৩৩-৬৯)

فَبَرَّأَهُ اللَّهُ مِمَّا قَالُوا

নির্দোষ প্রমাণ করা, দোষমুক্ত করা

بَرَّأَ-يُبَرِّئُ

তাদের অধিকাংশ সলা-পরামর্শ ভাল নয়। (৪-১১৪)

لَّا خَيْرَ فِي كَثِيرٍ مِّن نَّجْوَاهُمْ

গোপন শলাপরামর্শ

نَجْوَى

এবং গুঢ়তত্ত্ব আলোচনার উদ্দেশে তাকে নিকটবর্তী করলাম। (১৯-৫২)

وَقَرَّبْنَاهُ نَجِيًّا

পরামর্শকারী, পরামর্শার্থে, একান্তসঙ্গি

نَجِيٌّ

তোমরা রসূলের কাছে কানকথা বলতে চাইলে তৎপূর্বে সদকা প্রদান করবে। (৫৮-১২)

إِذَا نَاجَيْتُمُ الرَّسُولَ فَقَدِّمُوا بَيْنَ يَدَيْ نَجْوَاكُمْ صَدَقَةً

পরস্পরে কানকথা বলা, মুনাজাত করা

نَاجَى-يُنَاجِي

তোমরা যখন কানাকানি কর, তখন পাপাচার এর বিষয়ে কানাকানি করো না। (৫৮-৯)

إِذَا تَنَاجَيْتُمْ فَلَا تَتَنَاجَوْا بِالْإِثْمِ

কানাকানি করা

تَنَاجَى-يَتَنَاجَى

সে তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দেয় এবং তাদেরকে আশ্বাস দেয়। (৪-১২০)

يَعِدُهُمْ وَيُمَنِّيهِمْ

আশা তৈরী করা

مَنَّى-يُمَنِّي

তাদেরকে পশুদের কর্ণ ছেদন করতে বলব। (৪-১১৯)

وَلَآمُرَنَّهُمْ فَلَيُبَتِّكُنَّ آذَانَ الْأَنْعَامِ

কাটা, চিরা, ছেদন করা

بَتَّكَ-يُبَتِّكُ

যখন তারা নৌকায় আরোহণ করল, তখন তিনি তাতে ছিদ্র করে দিলেন। (১৮-৭১)

إِذَا رَكِبَا فِي السَّفِينَةِ خَرَقَهَا

ছিদ্র করা, বিদীর্ণ করা, অপবাদ দেয়া

خَرَقَ-يَخْرِقُ

অতএব,সম্পূর্ণ ঝুঁকে পড়ো না। (৪-১২৯)

فَلَا تَمِيلُوا كُلَّ الْمَيْلِ

ঝুঁকে পড়া

مَالَ-يَمِيلُ (مَيْلٌ)

আর যদি তারা সন্ধি করতে আগ্রহ প্রকাশ করে, তাহলে তুমিও সে দিকেই আগ্রহী হও। (৮-৬১)

وَإِن جَنَحُوا لِلسَّلْمِ فَاجْنَحْ لَهَا

ঝুঁকে পড়া, হাত বাড়ানো, আকৃষ্ট হওয়া

جَنَحَ-يَجْنَحُ

যদি আপনি তাদের চক্রান্ত আমার উপর থেকে প্রতিহত না করেন, তবে আমি তাদের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়ব ১২:৩৩

وَإِلَّا تَصْرِفْ عَنِّي كَيْدَهُنَّ أَصْبُ إِلَيْهِنَّ

ঝুঁকে পড়া, হাত বাড়ানো, আকৃষ্ট হওয়া

صَبَا-يَصْبُو

অতঃপর আপনি কিছু লোকের অন্তরকে তাদের প্রতি আকৃষ্ট করুন। (১৪-৩৭)

فَاجْعَلْ أَفْئِدَةً مِّنَ النَّاسِ تَهْوِي إِلَيْهِمْ

পতন হওয়া, ধ্বংস হওয়া, হাওয়া হয়ে যাওয়া

هَوَى-يَهْوِي

আপনি তাদের প্রতি কিছুটা ঝুঁকেই পড়তেন। (১৭-৭৪)

لَقَدْ كِدتَّ تَرْكَنُ إِلَيْهِمْ شَيْئًا قَلِيلًا

ঝোঁকা, আকৃষ্ট হওয়া, ধাবিত হওয়া

رَكَنَ-يَرْكُنُ

তাদের অন্তর যেন এদিকে ঝুঁকে পড়ে। (৬-১১৩)

وَلِتَصْغَىٰ إِلَيْهِ

ঝোঁকা, অবনত হওয়া, আকৃষ্ট হওয়া

صَغَى-يَصْغِي

যে,একজনকে ফেলে রাখ দোদুল্যমান অবস্থায়। (৪-১২৯)

فَتَذَرُوهَا كَالْمُعَلَّقَةِ

ঝুলন্ত

مُعَلَّقَةٌ

যতক্ষণ না তারা অন্য কথায় লিপ্ত হয় (৪-১৪০)

يَخُوضُوا فِي حَدِيثٍ غَيْرِهِ

আজেবাজে কথায় লিপ্ত হওয়া, সমালোচনা করা

خَاضَ-يَخُوضُ  (خَوضٌ)

বরং আমরা বৃথা তর্ক করতাম বৃথা তর্ককারীদের সঙ্গে। (৭৪-৪৫)

وَكُنَّا نَخُوضُ مَعَ الْخَائِضِينَ

বাচাল, বাজে প্রসঙ্গ আলোচনাকারী

خَائِضٌ ج خَائِضُونَ

এরা দোদুল্যমান অবস্থায় ঝুলন্ত। (৪-১৪৩)

مُّذَبْذَبِينَ بَيْنَ ذَٰلِكَ

দোদুল্যমান

مُذَبْذَبٌ ج مُذَبْذَبُونَ

একান্ত শিথিল ভাবে লোক দেখানোর জন্য দাঁড়ায়। (৪-১৪২)

قَامُوا كُسَالَىٰ يُرَاءُونَ النَّاسَ

অলস

كِسَلٌ، كَسْلَانُ ج كُسَالَى

এবং আমার স্মরণে শৈথিল্য করো না। (২০-৪২)

وَلَا تَنِيَا فِي ذِكْرِي

অলসতা করা, শৈথিল্য করা, শিথিলতা করা

وَنِيَ-يَوْنَى

অথচ তারা না তাঁকে হত্যা করেছে, আর না শুলীতে চড়িয়েছে। (৪-১৫৭)

وَمَا قَتَلُوهُ وَمَا صَلَبُوهُ

শূলে চড়ানো

صَلَبَ-يَصْلُبُ

এবং আমি তোমাদেরকে খর্জুর বৃক্ষের কান্ডে শূলে চড়াব। (২০-৭১)

وَلَأُصَلِّبَنَّكُمْ فِي جُذُوعِ النَّخْلِ

শূলে চড়ানো/ আগুনে প্রবেশ করানো

صَلَّبَ-يُصَلِّبُ

যাদের ইতিবৃত্ত আমি আপনাকে শুনিয়েছি। (৪-১৬৪)

قَدْ قَصَصْنَاهُمْ عَلَيْكَ

বর্ণনা করা

قَصَّ-يَقُصُّ

তোমাদের মুখ থেকে সাধারনতঃ যেসব মিথ্যা বের হয়ে আসে সেগুলো বল না। (১৬-১১৬)

وَلَا تَقُولُوا لِمَا تَصِفُ أَلْسِنَتُكُمُ الْكَذِبَ

গুণকীর্তন করা, বর্ণনা করা, বলা, ব্যক্ত করা

وَصَفَ-يَصِفُ (وَصْفٌ)

কোর্স বিষয়বস্তু

11 চ্যাপ্টার • 79 পাঠ