এবং শেষরাতে ক্ষমা প্রার্থনাকারী। (৩-১৭) |
وَالْمُسْتَغْفِرِينَ بِالْأَسْحَارِ |
ক্ষমা প্রার্থনাকারী |
مُسْتَغْفِرٌ ج مُسْتَغْفِرُونَ |
রাতের শেষ প্রহরে তারা ক্ষমাপ্রার্থনা করত। (৫১-১৮) |
وَبِالْأَسْحَارِ هُمْ يَسْتَغْفِرُونَ |
ক্ষমা প্রার্থনা করা
|
اِسْتَغْفَرَ-يَسْتَغْفِرُ (اسْتِغْفَارٌ) |
তাহলে তোমার দায়িত্ব হলো শুধু পৌছে দেয়া। (৩-২০) |
فَإِنَّمَا عَلَيْكَ الْبَلَاغُ |
পৌঁছানো, প্রচার করা |
بَلَاغٌ |
আর যদি আপনি এরূপ না করেন, তবে আপনি তাঁর পয়গাম কিছুই পৌছালেন না। (৫-৬৭) |
وَإِن لَّمْ تَفْعَلْ فَمَا بَلَّغْتَ رِسَالَتَهُ |
পৌঁছানো, প্রচার করা |
بَلَّغَ-يُبَلِّغُ |
আমি তোমাদেরকে প্রতিপালকের পয়গাম পৌছে দিয়েছি। (৭-৯৩) |
لَقَدْ أَبْلَغْتُكُمْ رِسَالَاتِ رَبِّي |
পৌঁছানো |
أَبْلَغَ-يُبْلِغُ |
আমি তাদের কাছে উপর্যুপরি বাণী পৌছিয়েছি। (২৮-৫১) |
وَلَقَدْ وَصَّلْنَا لَهُمُ الْقَوْلَ |
বারবার পাঠানো, সংযুক্ত করা |
وَصَّلَ-يُوَصِّلُ |
ইয়া আল্লাহ! তুমিই সার্বভৌম শক্তির অধিকারী। (৩-২৫) |
اللَّهُمَّ مَالِكَ الْمُلْكِ |
হে আল্লাহ! |
اللهُمَّ |
এবং যার কাছ থেকে ইচ্ছা রাজ্য ছিনিয়ে নাও । (৩-২৫) |
وَتَنزِعُ الْمُلْكَ مِمَّن تَشَاءُ |
কেড়ে নেয়া |
نَزَعَ-يَنْزَعُ |
এবং যাকে ইচ্ছা সম্মান দান কর । (৩-২৫) |
وَتُعِزُّ مَن تَشَاءُ |
সম্মানিত করা |
أَعَزَّ-يُعِزُّ |
নিশ্চয় আমি আদম সন্তানকে মর্যাদা দান করেছি। (১৭-৭০) |
وَلَقَدْ كَرَّمْنَا بَنِي آدَمَ |
মর্যাদা দেওয়া, |
كَرَّمَ-يُكَرِّمُ |
আল্লাহ যাকে ইচ্ছা লাঞ্ছিত করেন, তাকে কেউ সম্মান দিতে পারে না। (২২-১৮) |
وَمَن يُهِنِ اللَّهُ فَمَا لَهُ مِن مُّكْرِمٍ |
সম্মানদাতা,মর্যাদাদাতা |
مُكْرِمٌ |
আর যাকে ইচ্ছা অপমানে পতিত কর। (৩-২৬) |
وَتُذِلُّ مَن تَشَاءُ |
অপমানিত করা |
أَذَلَّ-يُذِلُّ |
অথবা তাদের লাঞ্ছিত করেন। (৩-১২৭) |
أَوْ يَكْبِتَهُمْ |
অপমানিত করা,লাঞ্চনা দেওয়া |
كَبَتَ-يَكْبِتُ |
এবং অতিথিদের ব্যাপারে আমাকে লজ্জিত করো না। (১১-৭৮) |
وَلَا تُخْزُونِ فِي ضَيْفِي |
অপমান করা, অপদস্থ করা |
أَخْزَى-يُخْزِي |
অতএব আমাকে লাঞ্ছিত করো না। (১৫-৬৮) |
فَلَا تَفْضَحُونِ |
লাঞ্চিত করা,অপমান করা |
فَضحَ-يَفْضَحُ |
আমার পালনকর্তা আমাকে হেয় করেছেন। (৮৯-১৬) |
رَبِّي أَهَانَنِ |
লাঞ্চিত করা,অপমান করা |
أَهَانَ-يُهِينُ |
আর নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফেরদিগকে লাঞ্ছিত করে থাকেন। (৯-২) |
وَأَنَّ اللَّهَ مُخْزِي الْكَافِرِينَ |
অপমানকারী, লাঞ্ছনাকারী, |
مُخْزٍ |
সেদিন প্রত্যেকেই যা কিছু সে ভাল কাজ করেছে; চোখের সামনে দেখতে পাবে। (৩-৩০) |
يَوْمَ تَجِدُ كُلُّ نَفْسٍ مَّا عَمِلَتْ مِنْ خَيْرٍ مُّحْضَرًا |
হাজির, উপস্থাপিত, উপস্থাপনের সময়, উপস্থিতযোগ্য |
مُحْضَرٌ ج مُحْضَرُونَ |
এবং পালাক্রমে উপস্থিত হতে হবে। (৫৪-২৮) |
كُلُّ شِرْبٍ مُّحْتَضَرٌ |
হাজির, উপস্থাপিত, উপস্থাপনের সময় |
مُحْتَضَرٌ |
আমার গর্ভে যা রয়েছে আমি তাকে তোমার নামে উৎসর্গ করলাম সবার কাছ থেকে মুক্ত রেখে। (৩-৩৫) |
رَبِّ إِنِّي نَذَرْتُ لَكَ مَا فِي بَطْنِي مُحَرَّرًا |
মুক্ত, উৎসর্গিত, নিবেদিত |
مُحَرَّرٌ |
অতঃপর যখন তাকে প্রসব করলো। (৩-৩৬) |
فَلَمَّا وَضَعَتْهَا |
প্রসব করা |
وَضَعَ- يَضَعُ |
অভিশপ্ত শয়তানের থেকে। (৩-৩৬) |
مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ |
বিতাড়িত |
رَجِيمٌ |
বের হয়ে যা এখান থেকে লাঞ্ছিত ও অপমানিত হয়ে। (৭-১৮) |
اخْرُجْ مِنْهَا مَذْءُومًا مَّدْحُورًا |
বিতাড়িত হওয়া, বের হয়ে যাওয়া, |
مَدْحُورٌ |
আর তাঁকে যাকারিয়ার তত্ত্বাবধানে সমর্পন করলেন। (৩-৩৭) |
وَكَفَّلَهَا زَكَرِيَّا |
প্রতিপালনের দায়িত্ব দেয়া |
كَفَّلَ- يُكَفِّلُ |
কে প্রতিপালন করবে মারইয়ামকে। (৩-৪৪) |
أَيُّهُمْ يَكْفُلُ مَرْيَمَ |
প্রতিপালনের দায়িত্ব নেয়া |
كَفَلَ-يَكْفُلُ |
এটি আমাকে দিয়ে দাও। (৩৮-২৩) |
أَكْفِلْنِيهَا |
দায়িত্বে দেওয়া, অভিভাবক বানানো, |
أَكْفَلَ-يُكْفِلُ |
যখনই যাকারিয়া মেহরাবের মধ্যে তার কছে আসতেন তখনই কিছু খাবার দেখতে পেতেন। (৩-৩৭) |
كُلَّمَا دَخَلَ عَلَيْهَا زَكَرِيَّا الْمِحْرَابَ وَجَدَ عِندَهَا رِزْقًا |
ইবাদতের কক্ষ, অস্ত্রাগার, দূর্গ, যুদ্ধক্ষেত্র, প্রাসাদ |
مِحْرَابٌ ج مَحَارِيبُ |
আল্লাহ তোমাকে সুসংবাদ দিচ্ছেন ইয়াহইয়া সম্পর্কে, যিনি সাক্ষ্য দেবেন আল্লাহর নির্দেশের সত্যতা সম্পর্কে, যিনি নেতা হবেন এবং নারীদের সংস্পর্শে যাবেন না। (৩-৩৯) |
أَنَّ اللَّهَ يُبَشِّرُكَ بِيَحْيَىٰ مُصَدِّقًا بِكَلِمَةٍ مِّنَ اللَّهِ وَسَيِّدًا وَحَصُورًا |
সংযমী, আত্মনিয়ন্ত্রক |
حَصُورٌ |
এবং আমার স্ত্রী বন্ধ্যা। (৩-৪০) |
وَامْرَأَتِي عَاقِرٌ |
বন্ধ্যা |
عَاقِرٌ |
বললঃ আমি তো বৃদ্ধা,বন্ধ্যা। (৫১-২৯) |
قَالَتْ عَجُوزٌ عَقِيمٌ |
বন্ধ্যা, নির্বংশক, অশুভ |
عَقِيمٌ |
এ হলো গায়েবী সংবাদ। (৩-৪৪) |
ذَٰلِكَ مِنْ أَنبَاءِ الْغَيْبِ |
সংবাদ |
نَبَأٌ ج أَنْبَاءٌ |
সম্ভবতঃ আমি সেখান থেকে তোমাদের কাছে কোন খবর নিয়ে আসতে পারি। (২৮-২৯) |
لَّعَلِّي آتِيكُم مِّنْهَا بِخَبَرٍ |
খবর, সংবাদ, বৃত্তান্ত, অবস্থা |
خَبَرٌ ج أَخْبَارٌ |
যা আমি আপনার প্রতি নাযিল করি। (৩-৪৪) |
نُوحِيهِ إِلَيْكَ |
ওহি নাযিল করা, জানিয়ে দেয়া |
أَوْحَى-يُوْحِي |
অতঃপর তাকে তার অসৎকর্ম ও সৎকর্মের জ্ঞান দান করেছেন। (৯১-৮) |
فَأَلْهَمَهَا فُجُورَهَا وَتَقْوَاهَا |
জ্ঞান দান , ইলহাম করা, অন্তরে কথা ঢেলে দেওয়া |
أَلْهَمَ-يُلْهِمُ |
আপনার প্রতি আল্লাহর ওহী সম্পুর্ণ হওয়ার পূর্বে আপনি কোরআন গ্রহণের ব্যপারে তাড়াহুড়া করবেন না। (২০-১১৪) |
وَلَا تَعْجَلْ بِالْقُرْآنِ مِن قَبْلِ أَن يُقْضَىٰ إِلَيْكَ وَحْيُهُ |
ওহী পাঠানো,প্রত্যাদেশ করা,ইলাহী বার্তা পাঠানো |
وَحْيٌ |
আর তুমি তাদের কাছে ছিলে না যখন তারা তাদের কলম নিক্ষেপ করছিল। (৩-৪৫) |
وَمَا كُنتَ لَدَيْهِمْ إِذْ يُلْقُونَ أَقْلَامَهُمْ |
কলম, ভাগ্য গণনার তীর |
قَلَمٌ ج أَقْلَامٌ |
এই যে মদ, জুয়া, প্রতিমা এবং ভাগ্য-নির্ধারক শরসমূহ এসব শয়তানের অপবিত্র কার্য বৈ তো নয়। (৫-৯০) |
إِنَّمَا الْخَمْرُ وَالْمَيْسِرُ وَالْأَنصَابُ وَالْأَزْلَامُ رِجْسٌ مِّنْ عَمَلِ الشَّيْطَانِ |
ভাগ্য নির্ধারক তীর,তীর, ভাগ্য, ভাগ্যতীর |
أَزْلَامٌ |
ইহকালে ও পরকালে সম্মানিত। (৩-৪৫) |
وَجِيهًا فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ |
সম্মানিত |
وَجِيهٌ |
বরং তারা তো তাঁর সম্মানিত বান্দা। (২১-২৬) |
بَلْ عِبَادٌ مُّكْرَمُونَ |
সম্মানিত, সম্মানার্হ, শ্রদ্ধেয়, অভিজাত, কুলীন |
مُكْرَمٌ ج مُكْرَمُونَ |
এটা লিখিত আছে সম্মানিত। (৮০-১৩) |
فِي صُحُفٍ مُّكَرَّمَةٍ |
সম্মানিত, সম্মানার্হ, শ্রদ্ধেয়, অভিজাত, কুলীন |
مُكَرَّمٌ |
সম্মানিত কোরআনের শপথ। (৫০-১) |
وَالْقُرْآنِ الْمَجِيدِ |
প্রভাবশালী, মহান, মহিয়ান |
مَجِيدٌ |
এবং তথায় লাঞ্ছিত অবস্থায় চিরকাল বসবাস করবে। (২৫-৬৯) |
وَيَخْلُدْ فِيهِ مُهَانًا |
লাঞ্ছিত |
مُهَانٌ |
আল্লাহ বললেনঃ বের হয়ে যা এখান থেকে লাঞ্ছিত ও অপমানিত হয়ে। (৭-১৮) |
قَالَ اخْرُجْ مِنْهَا مَذْءُومًا مَّدْحُورًا |
ঘৃণিত, অপমানিত, লাঞ্চিত, |
مَذْءُومٌ |
আমি অবশ্যই তাদেরকে অপদস্থ করে সেখান থেকে বহিষ্কৃত করব এবং তারা হবে লাঞ্ছিত। (২৭-৩৭) |
وَلَنُخْرِجَنَّهُم مِّنْهَا أَذِلَّةً وَهُمْ صَاغِرُونَ |
হেয়, লাঞ্চিত, তুচ্ছ, অপমানিত |
صَاغِرٌ ج صَاغِرُونَ |
তাহলে তো আমরা অপমানিত ও হেয় হওয়ার পূর্বেই আপনার নিদর্শন সমূহ মেনে চলতাম। (২০- ১৩৪) |
فَنَتَّبِعَ آيَاتِكَ مِن قَبْلِ أَن نَّذِلَّ وَنَخْزَىٰ |
লাঞ্ছিত হওয়া, ধিকৃত হওয়া, লজ্জিত হওয়া |
خَزِيَ-يَخْزَى |
তাহলে তো আমরা অপমানিত ও হেয় হওয়ার পূর্বেই আপনার নিদর্শন সমূহ মেনে চলতাম। (২০- ১৩৪) |
فَنَتَّبِعَ آيَاتِكَ مِن قَبْلِ أَن نَّذِلَّ وَنَخْزَىٰ |
অপমানিত হওয়া, লাঞ্চিত হওয়া নুয়ে পড়া |
ذَلَّ-يَذِلُّ |
আর তিনি লোকদের সাথে কথা বলবেন দোলনায় এবং বার্ধক্যকালে। (৩-৪৬) |
وَيُكَلِّمُ النَّاسَ فِي الْمَهْدِ وَكَهْلًا |
দোলনা |
مَهْدٌ |
|
|
প্রাপ্তবয়স্ক |
كَهْلٌ |
আমি তোমাদের জন্য মাটির দ্বারা পাখীর আকৃতি তৈরী করে দেই। (৩-৪৯) |
أَنِّي أَخْلُقُ لَكُم مِّنَ الطِّينِ كَهَيْئَةِ الطَّيْرِ |
আকৃতি |
هَيْئَةٌ |
যিনি তোমাকে তাঁর ইচ্ছামত আকৃতিতে গঠন করেছেন। (৮২-৮) |
فِي أَيِّ صُورَةٍ مَّا شَاءَ رَكَّبَكَ |
আকার,আকৃতি,গঠন,কায়া,সুরত,রূপ |
صُوْرَةٌ ج صُوَرٌ |
আমি সৃষ্টি করেছি মানুষকে সুন্দরতর অবয়বে। (৯৫-৪) |
لَقَدْ خَلَقْنَا الْإِنسَانَ فِي أَحْسَنِ تَقْوِيمٍ |
গঠন,আকৃতি,কাঠামো |
تَقْوِيمٌ |
আমি তাদেরকে সৃষ্টি করেছি এবং মজবুত করেছি তাদের গঠন। (৭৬-২৮) |
نَّحْنُ خَلَقْنَاهُمْ وَشَدَدْنَا أَسْرَهُمْ |
গঠন,আকৃতি,কাঠামো |
أَسْرٌ |
এরপর পূর্ণাকৃতিবিশিষ্ট ও অপূর্ণাকৃতিবিশিষ্ট মাংসপিন্ড থেকে। (২২-৫) |
ثُمَّ مِن مُّضْغَةٍ مُّخَلَّقَةٍ وَغَيْرِ مُخَلَّقَةٍ |
পূর্ণাংগ সৃষ্টি, পূর্ণাকৃতিবিশিষ্ট |
مُخَلَّقَةٌ |
তারপর তাতে যখন ফুৎকার প্রদান করি, তখন তা উড়ন্ত পাখীতে পরিণত হয়ে যায় আল্লাহর হুকুমে। (৩-৪৯) |
ففَأَنفُخُ فِيهِ فَيَكُونُ طَيْرًا بِإِذْنِ اللَّهِ |
ফুঁকে দেয়া |
نَفَخَ-يَنْفُخُ |
যেদিন শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে। (৭৪-৮) |
فَإِذَا نُقِرَ فِي النَّاقُورِ |
ছিদ্রে (ফুঁৎকার ,ফুঁক,ফুঁ) দেওয়া |
نَقَرَ |
যখন শিংগায় ফুৎকার দেয়া হবে-একটি মাত্র ফুৎকার। (৬৯-১৩) |
فَإِذَا نُفِخَ فِي الصُّورِ نَفْخَةٌ وَاحِدَةٌ |
ফুঁৎকার |
نَفْخَةٌ |
গ্রন্থিতে ফুঁৎকার দিয়ে জাদুকারিনীদের অনিষ্ট থেকে। (১১৩-৪) |
وَمِن شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ |
ফুঁৎকার কারিনী |
نَفَّثَةٌ ج نَفَّثَاتٌ |
আর আমি সুস্থ করে তুলি জন্মান্ধকে এবং শ্বেত কুষ্ঠ রোগীকে। (৩-৪৯) |
وَأُبْرِئُ الْأَكْمَهَ وَالْأَبْرَصَ |
কুষ্ঠরোগী |
أَبْرَصُ |
এবং যা তোমরা ঘরে রেখে আস। (৩-৪৯) |
وَمَا تَدَّخِرُونَ فِي بُيُوتِكُمْ |
সঞ্চয় করা |
اِدَّخَرَ-يَدَّخِرُ |
আর যারা স্বর্ণ ও রূপা জমা করে রাখে। (৯-৩৪) |
وَالَّذِينَ يَكْنِزُونَ الذَّهَبَ وَالْفِضَّةَ |
পঞ্জীভূত করা, জমিয়ে রাখা, |
كَنَزَ-يَكْنِزُ |
এবং কাফেরেরা চক্রান্ত করেছে আর আল্লাহও কৌশল অবলম্বন করেছেন। (৩-৫৪) |
وَمَكَرُوا وَمَكَرَ اللَّهُ |
কৌশল করা |
مَكَرَ-يَمْكُرُ |
তাহলে তারা তোমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করবে। (১২-৫) |
فَيَكِيدُوا لَكَ كَيْدًا |
ষড়যন্ত্র করা, ফন্দি আঁটা, |
كَادَ-يَكِيدُ |
এটা প্রতারণা। (৭-১২৩) |
إِنَّ هَٰذَا لَمَكْرٌ |
ষড়যন্ত্র করা, ফন্দি আঁটা, |
مَكْرٌ |
নিঃসন্দেহে তোমাদের ছলনা খুবই মারাত্নক। (১২-২৮) |
إِنَّ كَيْدَكُنَّ عَظِيمٌ |
ষড়যন্ত্র করা, ফন্দি আঁটা, |
كَيْدٌ |
বস্তুতঃ আল্লাহ হচ্ছেন সর্বোত্তম কুশলী। (৩-৫৪) |
وَاللَّهُ خَيْرُ الْمَاكِرِينَ |
কুশলী |
مَاكِرٌ ج مَاكِرُونَ |
কিন্ত যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তারা নিজেরাই ষড়যন্ত্রে জড়িয়ে পড়বে। (৫২-৪২) |
فَالَّذِينَ كَفَرُوا هُمُ الْمَكِيدُونَ |
কৌশলের শিকার |
مَكِيدٌ ج مَكِيدُونَ |
আর তারপর চল আমরা সবাই মিলে প্রার্থনা করি এবং তাদের প্রতি আল্লাহর অভিসম্পাত করি যারা মিথ্যাবাদী। (৩-৬১) |
ثُمَّ نَبْتَهِلْ فَنَجْعَل لَّعْنَتَ اللَّهِ عَلَى الْكَاذِبِينَ |
প্রার্থনা করা, মুবাহালা করা |
ابْتَهَلَ- يَبْتَهِلُ |
নিঃসন্দেহে এটাই হলো সত্য ঘটনা। (৩-৬২) |
إِنَّ هَٰذَا لَهُوَ الْقَصَصُ الْحَقُّ |
ঘটনা |
قَصَصٌ |
তারা বলে - সেকেলে গালগল্প!’’ (১৬-২৪) |
قَالُوا أَسَاطِيرُ الْأَوَّلِينَ |
উপকথা,কিসসা-কাহিনী,রূপকথা |
أَسَاطِيرُ |
আর তোদের মধ্যে অনেক এমনও রয়েছে যারা একটি দীনার গচ্ছিত রাখলেও ফেরত দেবে না। (৩-৭৫) |
وَمِنْهُم مَّنْ إِن تَأْمَنْهُ بِدِينَارٍ لَّا يُؤَدِّهِ |
স্বর্ণমুদ্রা |
دِيْنَارٌ |
ওরা তাকে কম মূল্যে বিক্রি করে দিল গনাগুণতি কয়েক দেরহাম। (১২-২০) |
وَشَرَوْهُ بِثَمَنٍ بَخْسٍ دَرَاهِمَ مَعْدُودَةٍ |
রৌপ্যমুদ্রা |
دِرْهَمٌ ج دَرَاهِمُ |
তোমাদের একজনকে তোমাদের এই মুদ্রাসহ শহরে প্রেরণ কর। (১৮-১৯) |
فَابْعَثُوا أَحَدَكُم بِوَرِقِكُمْ هَٰذِهِ إِلَى الْمَدِينَةِ |
মুদ্রা |
وَرِقٌ |
বিকৃত উচ্চারণে মুখ বাঁকিয়ে কিতাব পাঠ করে। (৩-৭৮) |
يَلْوُونَ أَلْسِنَتَهُم بِالْكِتَابِ |
বিকৃত করা |
لَوَى-يَلْوُونَ (لَيٌّ) |
তারা মাথা ঘুরিয়ে নেয়। (৬৩-৫) |
لَوَّوْا رُءُوسَهُمْ |
বাঁকা করা,প্যাঁচানো কথা,কথা প্যাঁচানো, |
لَوَّى-يُلَوِّي |
অতঃপর সে ভ্রূকুঞ্চিত করেছে ও মুখ বিকৃত করেছে। (৭৪-২২) |
ثُمَّ عَبَسَ وَبَسَرَ |
মুখভার করা, মলিন হওয়া |
بَسَرَ-يَبْسُرُ |
নিশ্চয় যারা আমার আয়াতসমূহের ব্যাপারে বক্রতা অবলম্বন করে। (৪১-৪০) |
إِنَّ الَّذِينَ يُلْحِدُونَ فِي آيَاتِنَا |
সত্যচ্যুত হওয়া, বিপদ্গামী হওয়া, |
أَلْحَدَ-يُلْحِدُ (إلْحَادٌ) |
বিকৃত উচ্চারণে মুখ বাঁকিয়ে কিতাব পাঠ করে। (৩-৭৮) |
يَلْوُونَ أَلْسِنَتَهُم بِالْكِتَابِ |
জিহ্বা |
لِسَانٌ ج أَلْسِنَةٌ |
কোন মানুষকে আল্লাহ কিতাব, হেকমত ও নবুওয়ত দান করার পর সে বলবে যে,‘তোমরা আমার বান্দা হয়ে যাও’। (৩-৭৯) |
مَا كَانَ لِبَشَرٍ أَن يُؤْتِيَهُ اللَّهُ الْكِتَابَ وَالْحُكْمَ وَالنُّبُوَّةَ ثُمَّ يَقُولَ لِلنَّاسِ كُونُوا عِبَادًا لِّي |
নবুয়ত |
نُبُوَّةٌ |
যারা ঈমান আনার পর অস্বীকার করেছে এবং অস্বীকৃতিতে বৃদ্ধি ঘটেছে। (৩-৯০) |
إِنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا بَعْدَ إِيمَانِهِمْ ثُمَّ ازْدَادُوا كُفْرًا |
বেড়ে যাওয়া |
اِزْدَادَ-يَزْدِيدُ |
আল্লাহর কাছে তা বৃদ্ধি পায় না। (৩০-৩৯) |
فَلَا يَرْبُو عِندَ اللَّهِ ۖ |
বৃদ্ধি পাওয়া, বর্ধিত হওয়া, |
رَبَا-يَرْبُو |
আমি ধনে ও সন্তানে তোমার চাইতে কম। (১৮-৩৯) |
أَنَا أَقَلَّ مِنكَ مَالًا وَوَلَدًا |
কম হওয়া, অল্প হওয়া, |
قَلَّ |
এবং গর্ভাশয়ে যা সঙ্কুচিত ও বর্ধিত হয়। (১৩-৮) |
وَمَا تَغِيضُ الْأَرْحَامُ وَمَا تَزْدَادُ |
কম করা,হ্রাস করা,কমানো |
غَاضَ-يَغِيضُ |
পৃথিবী পরিমাণ স্বর্ণ। (৩-৯১) |
مِّلْءُ الْأَرْضِ ذَهَبًا |
ভরা, পূর্ণ |
مِلْءٌ |
এবং পূর্ণ পানপাত্র। (৭৮-৩৪) |
وَكَأْسًا دِهَاقًا |
পরিপূর্ণ, উপচে পড়া, |
دِهَاقٌ |
জাহান্নামই হবে তাদের সবার শাস্তি-ভরপুর শাস্তি। (১৭-৬৩) |
فَإِنَّ جَهَنَّمَ جَزَاؤُكُمْ جَزَاءً مَّوْفُورًا |
পরিপূর্ণ,ভরপুর |
مَوْفُورٌ |
আর তোমরা সকলে আল্লাহর রজ্জুকে সুদৃঢ় হস্তে ধারণ কর। (৩-১০২) |
وَاعْتَصِمُوا بِحَبْلِ اللَّهِ جَمِيعًا |
রশি,দড়ি,রজ্জু |
حَبْلٌ ج حِبَالٌ |
তার গলদেশে খর্জুরের রশি নিয়ে। (১১১-৫) |
فِي جِيدِهَا حَبْلٌ مِّن مَّسَدٍ |
খেজুরের বাকলের রশি, দড়ি |
مَسَدٌ |
৬৬:৫ |
|
তওবা |
تَوْبٌ، تَوْبَةٌ |
তোমরা এক অগ্নিকুন্ডের পাড়ে অবস্থান করছিলে। (৩-১০২) |
وَكُنتُمْ عَلَىٰ شَفَا حُفْرَةٍ مِّنَ النَّارِ |
প্রান্ত, কিনারা |
شَفَا |
আর প্রশংসা কর দিনের বেলায়,যাতে তুমি সন্তষ্টি লাভ করতে পারো। (২০-১৩০) |
فَسَبِّحْ وَأَطْرَافَ النَّهَارِ لَعَلَّكَ تَرْضَىٰ |
কিনারা,প্রান্ত,দিক,চতুর্দিক,প্রান্তসমূহ |
طَرَفٌ ج أَطْرَافٌ |
এবং ফেরেশতাগণ আকাশের প্রান্তদেশে থাকবে। (৬৯-১৭) |
وَالْمَلَكُ عَلَىٰ أَرْجَائِهَا |
কিনারা,রান্ত,পার্শ্ব দেওয়াল |
رَجَا ج أَرْجَاءٌ |
যখন সে তার কাছে পৌছল, তখন প্রান্ত থেকে তাকে আওয়াজ দেয়া হল। (২৮-৩০) |
فَلَمَّا أَتَاهَا نُودِيَ مِن شَاطِئِ |
প্রান্ত,কিনারা,পার্শ্ব |
شَاطِئٌ |
আর যখন তোমরা ছিলে সমরাঙ্গনের এ প্রান্তে। (৮-৪২) |
مإِذْ أَنتُم بِالْعُدْوَةِ الدُّنْيَا |
উপত্যকার(প্রান্ত,কিনারা) |
عُدْوَةٌ |
মানুষের মধ্যে কেউ কেউ দ্বিধা-দ্বন্দ্বে জড়িত হয়ে আল্লাহর এবাদত করে। (২২-১১) |
وَمِنَ النَّاسِ مَن يَعْبُدُ اللَّهَ عَلَىٰ حَرْفٍ |
প্রান্ত, কিনারা, কূল, ঠুনকো, |
حَرْفٌ |
নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের প্রান্ত। (৫৫-৩৩) |
أَقْطَارِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ |
প্রান্ত, কিনারা, অঁজপাড়া গাঁ, |
قُطْرٌ ج أَقْطَارٌ |
অতঃপর দরিয়া তাকে তীরে ঠেলে দেবে। (২০-৩৯) |
فَلْيُلْقِهِ الْيَمُّ بِالسَّاحِلِ |
কিনারা, তট, সমুদ্রের তীর, |
سَاحِلٌ |
কোর্স বিষয়বস্তু