তাদের উদাহরণ সে ব্যক্তির মত, যে লোক কোথাও আগুন জ্বালালো (২-১৭) |
مَثَلُهُمْ كَمَثَلِ الَّذِي اسْتَوْقَدَ نَارًا |
আগুন জ্বালানো |
اِسْتَوْقَدَ-يَسْتَوْقِدُ |
||
তারা যখনই যুদ্ধের আগুন প্রজ্জ্বলিত করে ৫:৬৪ |
كُلَّمَا أَوْقَدُوا نَارًا لِّلْحَرْبِ |
আগুন জ্বালানো |
أَوْقَدَ-يُوقِدُ |
||
তোমরা যে অগ্নি প্রজ্জ্বলিত কর, সে সম্পর্কে ভেবে দেখেছ কি? ৫৬:৭১ |
أَفَرَأَيْتُمُ النَّارَ الَّتِي تُورُونَ |
আগুন জ্বালানো |
أَوْرَى- يُورِي- تُوْرُونَ |
||
যখন জাহান্নামের অগ্নি প্রজ্বলিত করা হবে ৮১:১২ |
وَإِذَا الْجَحِيمُ سُعِّرَتْ |
আগুন ধরিয়ে দেয়া |
سَعَّرَ- يُسَعِّرُ |
||
যখন সমুদ্রকে উত্তাল করে তোলা হবে ৮১:৬ |
وَإِذَا الْبِحَارُ سُجِّرَتْ |
উপচাইয়া ত্তঠা |
سَجَّرَ-يسَجِّرُ |
||
অতএব, আমি তোমাদেরকে প্রজ্বলিত অগ্নি সম্পর্কে সতর্ক করে দিয়েছি। ৯২:১৪ |
فَأَنذَرْتُكُمْ نَارًا تَلَظَّىٰ |
দাউ দাউ করে জ্বলা |
تَلَظَّى-يَتَلَظَّى |
||
আল্লাহ তা নির্বাপিত করে দেন। ৫:৬৪
|
أَطْفَأَهَا اللَّهُ |
নিভিয়ে দেয়া, নিঃশেষ হয়ে যাওয়া |
أَطْفَأَ-يُطْفِئُ |
||
যখনই নির্বাপিত হল ১৭:৯৭ |
كُلَّمَا خَبَتْ |
নিভে যাওয়া, |
خَبَا-يَخْبُو |
||
শেষ পর্যন্ত আমি তাদেরকে করে দিলাম যেন কর্তিত শস্য ও নির্বাপিত অগ্নি। ২১:১৫ |
حَتَّىٰ جَعَلْنَاهُمْ حَصِيدًا خَامِدِينَ |
নির্বাপিত, স্তিমিত |
خَامِدٌ ج خَامِدُونَ |
||
|
|
আগুন |
نَارٌ |
||
কখনই নয়। নিশ্চয় এটা লেলিহান অগ্নি। ৭০:১৫ |
كَلَّا ۖ إِنَّهَا لَظَىٰ |
লেলিহান শিখা, জ্বলন্ত আগুন, |
لَظَى |
||
যখন তার চারদিক আলোকিত হলো আল্লাহ আলোকে উঠিয়ে নিলেন |
فَلَمَّا أَضَاءَتْ مَا حَوْلَهُ ذَهَبَ اللَّهُ بِنُورِهِمْ |
আলোকিত করা |
أَضَاءَ- يُضِيءُ |
||
পৃথিবী তার পালনকর্তার নূরে উদ্ভাসিত হবে ৩৯:৬৯ |
وَأَشْرَقَتِ الْأَرْضُ بِنُورِ رَبِّهَا |
নূরে উদ্ভাসিত হবে |
أَشْرَقَ - يُشْرِقُ |
||
শপথ প্রভাতকালের যখন তা আলোকোদ্ভাসিত হয়, ৭৪:৩৪ |
وَالصُّبْحِ إِذَا أَسْفَرَ |
আলোকময় হওয়া |
أَسْفَرَ-يُسْفِرُ |
||
আবার যখন অন্ধকার হয়ে যায়, তখন ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকে। ২:২০ |
وَإِذَا أَظْلَمَ عَلَيْهِمْ قَامُوا |
অন্ধকারহওয়া, অন্ধকারকরা |
أَظْلَمَ-يُظْلِمُ |
||
তিনি এর রাত্রিকে করেছেন অন্ধকারাচ্ছন্ন এবং এর সূর্যোলোক প্রকাশ করেছেন। ৭৯:২৯ |
وَأَغْطَشَ لَيْلَهَا وَأَخْرَجَ ضُحَاهَا |
আঁধারময় করা |
أَغْطَشَ- يُغْطِشُ |
||
অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে, যখন তা সমাগত হয় ১১৩:৩ |
وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ |
অন্ধকার আচ্ছন্ন করা |
وَقَبَ- يَقِبُ |
||
যখন তার চারদিক আলোকিত হলো আল্লাহ আলোকে উঠিয়ে নিলেন |
فَلَمَّا أَضَاءَتْ مَا حَوْلَهُ ذَهَبَ اللَّهُ بِنُورِهِمْ |
চতুর্দিক |
حَوْلَ |
||
|
|
যাওয়া |
ذَهَبَ- يَذْهَبُ (ذَهَابٌ) |
||
অতঃপর সে গৃহে গেল ৫১:২৬ |
فَرَاغَ إِلَىٰ أَهْلِهِ |
গোপনে প্রবেশ করা, যাওয়া, |
رَاغَ- يَرُوغُ |
||
সে বললঃ আমি আমার পালনকর্তার দিকে চললাম ৩৭:৯৯ |
وَقَالَ إِنِّي ذَاهِبٌ إِلَىٰ رَبِّي |
গমনকারী, গমনশীল |
ذَاهِبٌ |
||
যারা সম্মানিত গৃহ অভিমুখে যাচ্ছে, যারা স্বীয় পালনকর্তার অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনা করে। ৫:২ |
آمِّينَ الْبَيْتَ الْحَرَامَ يَبْتَغُونَ فَضْلًا مِّن رَّبِّهِمْ وَرِضْوَانًا |
গমনেচ্ছুক, আকাঙ্ক্ষী |
آمٍّ ج آمُّونَ |
||
যে একটি সৎকর্ম করবে, সে তার দশগুণ পাবে ৬:১৬০ |
مَن جَاءَ بِالْحَسَنَةِ فَلَهُ عَشْرُ أَمْثَالِهَا |
আসা, পৌঁছা, |
جَاءَ- يَجِيءُ |
||
প্রসব বেদনা তাঁকে এক খেজুর বৃক্ষ-মূলে আশ্রয় নিতে বাধ্য করল ১৯:২৩ |
فَأَجَاءَهَا الْمَخَاضُ إِلَىٰ جِذْعِ النَّخْلَةِ |
নিয়ে আসা, সমাগত করা |
أَجَاءَ- يُجِيءُ |
||
অথবা আল্লাহ ও ফেরেশতাদেরকে আমাদের সামনে নিয়ে আসবেন। ১৭:৯২ |
أَوْ تَأْتِيَ بِاللَّهِ وَالْمَلَائِكَةِ قَبِيلًا |
আসা, নিয়ে আসা |
أَتَى- يَأْتِي |
||
এমনকি, তোমরা কবরস্থানে পৌছে যাও। ১০২:২ |
حَتَّىٰ زُرْتُمُ الْمَقَابِرَ |
সাক্ষাৎ করা |
زَارَ- يَزُورُ |
||
যেখানে আমরা ছিলাম এবং ঐ কাফেলাকে, যাদের সাথে আমরা এসেছি। ১২:৮২ |
كُنَّا فِيهَا وَالْعِيرَ الَّتِي أَقْبَلْنَا فِيهَا |
অগ্রসর হওয়া |
أَقْبَلَ- يُقْبِلُ |
||
আর তাদেরকে বলা হল এসো, আল্লাহর রাহে লড়াই কর ৩:১৬৭ |
وَقِيلَ لَهُمْ تَعَالَوْا قَاتِلُوا فِي سَبِيلِ اللَّهِ |
সুমহান হওয়া, গৌরবান্বিত হওয়া, উর্ধ্বে ওঠা, |
تَعَالَى- يَتَعَلَى |
||
আপনি বলুনঃ তোমাদের সাক্ষীদেরকে আন ৬:১৫০ |
قُلْ هَلُمَّ شُهَدَاءَكُمُ |
তুমি আসো, উপস্থিত কর |
هَلُمَّ |
||
আমি তোমাদের কাছে প্রকাশ্য প্রমাণ উপস্থিত করছি ৪৪:১৯ |
إِنِّي آتِيكُم بِسُلْطَانٍ مُّبِينٍ |
আসন্ন, আগত, আগমনকারী |
آتٍ، آتِيَةٌ |
||
|
|
আলো |
نُورٌ |
||
অথবা আকাশের বৃষ্টির মত যাতে থাকে আঁধার ২:১৯ |
أَوْ كَصَيِّبٍ مِّنَ السَّمَاءِ فِيهِ ظُلُمَاتٌ |
অন্ধকার |
ظُلُمَةٌ ج ظُلُمَاتٌ |
||
তাদের মুখমন্ডল যেন ঢেকে দেয়া হয়েছে আধাঁর রাতের টুকরো দিয়ে। ১০:২৭ |
كَأَنَّمَا أُغْشِيَتْ وُجُوهُهُمْ قِطَعًا مِّنَ اللَّيْلِ مُظْلِمًا |
অন্ধকারাচ্ছন্ন |
مُظْلِمٌ |
||
আর তাদের মুখমন্ডলকে আবৃত করবে না মলিনতা ১০:২৬ |
وَلَا يَرْهَقُ وُجُوهَهُمْ قَتَرٌ |
ধূলা, মলিনতা |
قَتَرٌ، قَتَرَةٌ |
||
সূর্য ঢলে পড়ার সময় থেকে রাত্রির অন্ধকার পর্যন্ত নামায কায়েম করুন ১৭:৭৮ |
أَقِمِ الصَّلَاةَ لِدُلُوكِ الشَّمْسِ إِلَىٰ غَسَقِ اللَّيْلِ |
অন্ধকারাচ্ছন্ন হওয়া, অন্ধকার |
غَسَقٌ، غَاسِقٌ |
||
এবং তাদেরকে অন্ধকারে ছেড়ে দিলেন। ফলে, তারা কিছুই দেখতে পায় না। (২-১৭) |
وَتَرَكَهُمْ فِي ظُلُمَاتٍ لَّا يُبْصِرُونَ |
ত্যাগ করা, পরিত্যাগকরা, বর্জন করা |
تَرَكَ- يَتْرُكُ |
||
এবং অপবিত্রতা থেকে দূরে থাকুন। ৭৪:৫ |
وَالرُّجْزَ فَاهْجُرْ |
বর্জন করা, বকাবকি করা |
هَجَرَ- يَهْجُرُ (هَجْرٌ) |
||
এবং সুদের যে সমস্ত বকেয়া আছে, তা পরিত্যাগ কর ২:২৭৮ |
وَذَرُوا مَا بَقِيَ مِنَ الرِّبَا |
পরিত্যাগ করা |
وَذَرَ-يَذَرُ |
||
এ যে ছোট বড় কোন কিছুই বাদ দেয়নি-সবই এতে রয়েছে। ১৮:৪৯ |
لَا يُغَادِرُ صَغِيرَةً وَلَا كَبِيرَةً إِلَّا أَحْصَاهَا |
বাদ দেওয়া |
غَادَرَ- يُغَادِرُ |
||
তবে তাদের পথ ছেড়ে দাও। ৯:৫ |
فَخَلُّوا سَبِيلَهُمْ |
খালি করা, মুক্ত করা, পথ ছেড়ে দেয়া |
خَلَّى- يُخَلِّي |
||
আপনার পালনকর্তা আপনাকে ত্যাগ করেনি ৯৩:৩ |
مَا وَدَّعَكَ رَبُّكَ وَمَا قَلَىٰ |
বিদায় করা |
وَدَّعَ- يُوَدِّعُ |
||
যখন দশ মাসের গর্ভবতী উষ্ট্রীসমূহ উপেক্ষিত হবে ৮১:৪ |
وَإِذَا الْعِشَارُ عُطِّلَتْ |
উপেক্ষিত, অনুপস্থিত |
عَطَّلَ- يُعَطِّلُ |
||
আর যদি তিনি তোমাদের সাহায্য না করেন ৩:১৬০ |
وَإِن يَخْذُلْكُمْ |
পরিত্যাগ করা, সহায়হীন করা |
خَذَلَ-يَخْذُلُ |
||
আমরা তোমার কথায় আমাদের দেব-দেবীদের বর্জন করতে পারি না ১১:৫৩ |
وَمَا نَحْنُ بِتَارِكِي آلِهَتِنَا عَن قَوْلِكَ |
বর্জনকারী, |
تَارِكٌ |
||
|
|
দেখা, অনুধাবন করা |
أَبْصَرَ-يُبْصِرُ |
||
সে বললঃ আমি দেখলাম যা অন্যেরা দেখেনি। ২০:৯৬ |
قَالَ بَصُرْتُ بِمَا لَمْ يَبْصُرُوا بِهِ |
দেখা, অনুধাবন করা |
بَصُرَ-يَبْصُرُ |
||
অনন্তর যখন রজনীর অন্ধকার তার উপর সমাচ্ছন্ন হল, তখন সে একটি তারকা দেখতে পেল ৬:৭৬ |
فَلَمَّا جَنَّ عَلَيْهِ اللَّيْلُ رَأَىٰ كَوْكَبًا |
দৃষ্টিগোচর হওয়া, প্রত্যক্ষ করা |
رَأَى-يَرَى (رَأْيٌ) |
||
তখন সে তুর পর্বতের দিক থেকে আগুন দেখতে পেল। ২৮:২৯ |
آنَسَ مِن جَانِبِ الطُّورِ نَارًا |
দেখা |
آنَسَ-يُأَنِسُ |
||
অথচ তোমরা দেখছিলে। ২:৫০ |
وَأَنتُمْ تَنظُرُونَ |
তাকানো, লক্ষ্য করা, |
نَظَرَ-يَنْظُرُ (نَظْرٌ) |
||
যখন উভয় দল পরস্পরকে দেখল ২৬:৬১ |
فَلَمَّا تَرَاءَى الْجَمْعَانِ |
সম্মুখিন হওয়া |
تَرَاءَى- يَتَرَاءَى |
||
তারা বধির, মূক ও অন্ধ। সুতরাং তারা ফিরে আসবে না। (২-১৮) |
صُمٌّ بُكْمٌ عُمْيٌ فَهُمْ لَا يَرْجِعُونَ |
বধির |
أَصَمٌّ ج صُمٌّ (صَمَّ-يَصُمُّ) |
||
অতঃপর তাদেরকে বধির ও দৃষ্টিশক্তিহীন করেন। (৪৭:২৩) |
فَأَصَمَّهُمْ وَأَعْمَىٰ أَبْصَارَهُمْ |
বধির বানানো |
أَصَمَّ-يُصِمُّ |
||
অতঃপর তাকে করে দিয়েছি শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন। (৭৬:২) |
فَجَعَلْنَاهُ سَمِيعًا بَصِيرًا |
শ্রবণশক্তিসম্পন্ন |
سَمِيعٌ |
||
|
|
বোবা |
أَبْكَمُ ج بُكْمٌ |
||
তারা বলবে, যে আল্লাহ সব কিছুকে বাকশক্তি দিয়েছেন, তিনি আমাদেরকেও বাকশক্তি দিয়েছেন। ৪১:২১ |
قَالُوا أَنطَقَنَا اللَّهُ الَّذِي أَنطَقَ كُلَّ شَيْءٍ |
বাক শক্তি দেওয়া |
أَنْطَقَ-يُنْطِقُ |
||
|
|
অন্ধ |
أَعْمَى ج عُمْيٌ (عَمِيَ- يَعْمَى) |
||
আর আমি সুস্থ করে তুলি জন্মান্ধকে ৩:৪৯ |
وَأُبْرِئُ الْأَكْمَهَ |
অন্ধ |
أَكْمَهٌ |
||
সেদিন আমি অপরাধীদেরকে সমবেত করব নীল চক্ষু অবস্থায়। ২০:১০২ |
وَنَحْشُرُ الْمُجْرِمِينَ يَوْمَئِذٍ زُرْقًا |
নীল চোখ বিশিষ্ট, দৃষ্টিহীন, অন্ধাবস্থা |
أَزْرَقٌ ج زُرْقٌ |
||
যে ব্যক্তি দয়াময় আল্লাহর স্মরণ থেকে চোখ ফিরিয়ে নেয় ৪৩:৩৬ |
وَمَن يَعْشُ عَن ذِكْرِ |
দৃষ্টি ফিরানো, রাতকানা হওয়া, উদাসীন থাকা |
عَشَا- يَعْشُو |
||
ফলে তারা আরও অন্ধ ও বধির হয়ে গেল। ৫:৭১ |
فَعَمُوا وَصَمُّوا |
অন্ধ করে দেয়া |
أَعْمَى-يُعْمِي |
||
আর কোরআন তাদের জন্যে অন্ধত্ব। ৪১:৪৪ |
وَقْرٌ وَهُوَ عَلَيْهِمْ عَمًى |
অন্ধত্ব |
عَمًى |
||
নিশ্চয় তারা ছিল অন্ধ। ৭:৬৪ |
إِنَّهُمْ كَانُوا قَوْمًا عَمِينَ |
মনের দিক দিয়ে অন্ধ |
عَمِيٌ ج عَمُونَ |
||
এবং তখনই তাদের বিবেচনাশক্তি জাগ্রত হয়ে উঠে। ৭:২০১ |
فَإِذَا هُم مُّبْصِرُونَ |
দৃষ্টিসম্পন্ন, বুঝমান, স্পষ্ট |
مُبْصِرٌ (مُبْصِرَةٌ) ج مُبْصِرُونَ |
||
অমনি তিনি দৃষ্টি শক্তি ফিরে পেলেন। ১২:৯৬ |
فَارْتَدَّ بَصِيرًا |
পর্যবেক্ষক, দ্রষ্টা |
بَصِيرٌ |
||
এবং তারা ছিল হুশিয়ার। ২৯:৩৮ |
وَكَانُوا مُسْتَبْصِرِينَ |
চক্ষুষ্মান, দর্শনকারী, বুঝমান |
مُصْتَبْصِرٌ ج مُصْتَبْصِرُونَ |
||
তারা বধির, মূক ও অন্ধ। সুতরাং তারা ফিরে আসবে না। (২-১৮) |
صُمٌّ بُكْمٌ عُمْيٌ فَهُمْ لَا يَرْجِعُونَ |
ফিরে আসা, প্রত্যাবর্তন করা |
رَجَعَ-يَرْجِعُ (رَجْعٌ، رُجْعَى، مَرْجِعٌ) |
||
যদি দ্বিতীয় স্বামী তালাক দিয়ে দেয়, তাহলে তাদের উভয়ের জন্যই পরস্পরকে পুনরায় বিয়ে করাতে কোন পাপ নেই। ২:২৩০ |
فَإِن طَلَّقَهَا فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِمَا أَن يَتَرَاجَعَا |
প্রত্যাহার করে নেওয়া |
تَرَاجَعَ-يَتَرَاجَعُ |
||
যদি আমরা তোমাদের ধর্মে প্রত্যাবর্তন করি ৭:৮৯ |
إِنْ عُدْنَا فِي مِلَّتِكُم |
পুনরাবৃত্তি করা |
عَادَ-يَعُودُ |
||
সে মনে করত যে, সে কখনও ফিরে যাবে না। ৮৪:১৪ |
إِنَّهُ ظَنَّ أَن لَّن يَحُورَ |
ফিরে আসা |
حَارَ-يَحُورُ |
||
যদি ফিরে আসে, তবে তোমরা তাদের মধ্যে ন্যায়ানুগ পন্থায় মীমাংসা করে দিবে ৪৯:৯ |
فَإِن فَاءَتْ فَأَصْلِحُوا بَيْنَهُمَا بِالْعَدْلِ |
প্রত্যাবর্তন করা |
فَاءَ- يَفِيءُ |
||
তাঁরই দিকে তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে। ২৯:২১ |
وَإِلَيْهِ تُقْلَبُونَ |
উলটে যাওয়া, ফিরে আসা, ঘুরা |
قَلَبَ - يَقْلبُ |
||
তারা যখন তাদের পরিবার-পরিজনের কাছে ফিরত ৮৩:৩১ |
وَإِذَا انقَلَبُوا إِلَىٰ أَهْلِهِمُ |
প্রত্যাবর্তনস্থল |
اِنْقَلَبَ- يَنْقَلِبُ (مُنْقَلَبٌ) |
||
শুনে রাখ, আল্লাহ তা’আলার কাছেই সব বিষয়ে পৌঁছে। ৪২:৫৩ |
إِلَى اللَّهِ تَصِيرُ الْأُمُورُ |
পৌছা বশীভুত করা |
صَارَ- يَصِيرُ |
||
আমরা তোমার দিকে প্রত্যাবর্তন করছি। ৭:১৫৬ |
إِنَّا هُدْنَا إِلَيْكَ |
ইহুদী হওয়া, ফিরে আসা |
هَادَ-يَهُودُ |
||
চিন্তা-ভাবনা তারাই করে, যারা আল্লাহর দিকে রুজু থাকে। ৪০:১৩ |
وَمَا يَتَذَكَّرُ إِلَّا مَن يُنِيبُ |
প্রত্যাবর্তন করা |
أَنَابَ- يُنِيبُ |
||
তখন সে মুখ ফিরিয়ে বিপরীত দিকে পালাতে লাগল এবং পেছন ফিরে দেখল না। ২৮:৩১ |
وَلَّىٰ مُدْبِرًا وَلَمْ يُعَقِّبْ |
পিছন ফেরা, ফিরে চাওয়া |
عَقَّبَ- يُعَقِّبُ |
||
অতঃপর আমি তাকে জননীর কাছে ফিরিয়ে দিলাম ২৮:১৩ |
فَرَدَدْنَاهُ إِلَىٰ أُمِّهِ |
ফিরিয়ে দিয়া |
رَدَّ-يَرُدُّ (رَدٌّ، مَرَدٌّ) |
||
সে জামাটি তাঁর মুখে রাখল। অমনি তিনি দৃষ্টি শক্তি ফিরে পেলেন। ১২:৯৬ |
أَلْقَاهُ عَلَىٰ وَجْهِهِ فَارْتَدَّ بَصِيرًا |
পিছন ফেরা, ফিরে চাওয়া |
اِرْتَدَّ-يَرْتَدُّ |
||
নিশ্চয় তাদের প্রত্যাবর্তন আমারই নিকট, ৮৮:২৫ |
إِنَّ إِلَيْنَا إِيَابَهُمْ |
প্রত্যাবর্তন, |
إيَابٌ |
||
|
|
বৃষ্টি |
صَيِّبٌ |
||
যদি বৃষ্টির কারণে তোমাদের কষ্ট হয় অথবা তোমরা অসুস্থ হও তবে স্বীয় অস্ত্র পরিত্যাগ করায় তোমাদের কোন গোনাহ নেই ৪:১০২ |
وَلَا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ إِن كَانَ بِكُمْ أَذًى مِّن مَّطَرٍ أَوْ كُنتُم مَّرْضَىٰ أَن تَضَعُوا أَسْلِحَتَكُمْ |
বৃষ্টি, জলধারা, অঝোরধারা |
مَطَرٌ (أَمْطَرَ-يُمْطِرُ) |
||
যদি এমন প্রবল বৃষ্টিপাত নাও হয়, তবে হাল্কা বর্ষণই যথেষ্ট। ২:২৬৫ |
فَإِن لَّمْ يُصِبْهَا وَابِلٌ فَطَلٌّ |
প্রবলবর্ষণ |
وَابِلٌ |
||
যদি এমন প্রবল বৃষ্টিপাত নাও হয়, তবে হাল্কা বর্ষণই যথেষ্ট। ২:২৬৫ |
فَإِن لَّمْ يُصِبْهَا وَابِلٌ فَطَلٌّ |
ঝিরঝিরে হালকা বৃষ্টি |
طَلٌّ |
||
অতঃপর তুমি দেখ যে, তার মধ্য থেকে বারিধারা নির্গত হয়। ২৪:৪৩ |
فَتَرَى الْوَدْقَ يَخْرُجُ مِنْ خِلَالِهِ |
বৃষ্টি |
وَدْقٌ |
||
মানুষ নিরাশ হয়ে যাওয়ার পরে তিনি বৃষ্টি বর্ষণ করেন এবং স্বীয় রহমত ছড়িয়ে দেন। ৪২:২৮ |
وَهُوَ الَّذِي يُنَزِّلُ الْغَيْثَ مِن بَعْدِ مَا قَنَطُوا وَيَنشُرُ رَحْمَتَهُ |
বৃষ্টি দিয়ে সাহায্য করা |
غَيثٌ (غَاثَ- يَغُوثُ) |
||
তিনি তোমাদের উপর অজস্র বৃষ্টিধারা ছেড়ে দিবেন, ৭১:১১ |
يُرْسِلِ السَّمَاءَ عَلَيْكُم مِّدْرَارًا |
আধিক (বৃষ্টি) |
مِدْرَارٌ |
কোর্স বিষয়বস্তু