অতঃপর তাকে বাধ্য করবো আগুনের শাস্তির দিকে। (২:১২৬) |
ثُمَّ أَضْطَرُّهُ إِلَىٰ عَذَابِ النَّارِ |
বাধ্যকরা |
اضْطَرَّ-يَضْطِرُّ |
তুমি কি মানুষকে বাধ্য করবে ? (১০:৯৯) |
أَفَأَنتَ تُكْرِهُ النَّاسَ |
বল প্রয়োগ করা, শক্তি খাটানো, বাধ্য করা |
أَكْرَهَ-يُكْرِهُ |
আমি কি তা তোমাদের উপর তোমাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধেই বাধ্যতামূলক করে দিতে পারি? (১১:২৮) |
أَنُلْزِمُكُمُوهَا وَأَنتُمْ لَهَا كَارِهُونَ |
আবশ্যিক করা, বাধ্যতামূলক করা, |
أَلْزَمَ-يُلْزِمُ |
কে বিপদগ্রস্থের ডাকে সাড়া দেন যখন সে তাকে ডাকে? (২৭:৬২) |
أَمَّن يُجِيبُ الْمُضْطَرَّ إِذَا دَعَاهُ |
ক্ষতিগ্রস্ত, বিপদগ্রস্ত, নিরুপায়, |
مُضْطَرٌ |
এবং আল্লাহর দিকেই প্রত্যাবর্তনস্থল। (২৪:৪২) |
وَإِلَى اللَّهِ الْمَصِيرُ |
গন্তব্যস্থল, প্রত্যাবর্তনস্থল |
مَصِيرٌ |
এবং তাঁর দিকেই তওবারস্থল। (১৩:৩০) |
وَإِلَيْهِ مَتَابِ |
প্রত্যাবর্তনস্থল, তওবাস্থল |
مَتَابٌ |
নিশ্চয়ই তাঁর ওয়াদা আগমনস্থলে। (১৯:৬১) |
إِنَّهُ كَانَ وَعْدُهُ مَأْتِيًّا |
গন্তব্য, আগমনস্থল |
مَأْتِيٌّ |
যখন ইব্রাহীম ও ইসমাঈল কা’বাগৃহের ভিত্তি উত্তোলন করছিল। (২:১২৭) |
وَإِذْ يَرْفَعُ إِبْرَاهِيمُ الْقَوَاعِدَ مِنَ الْبَيْتِ وَإِسْمَاعِيلُ |
ভিত্তি |
قَاعِدَةٌ (ج) قَوَاعِدُ |
এবং আমাদের ইবাদতেরপন্থা দেখিয়ে দিন এবং আমাদের ক্ষমা করুন। (২:১২৮) |
وَأَرِنَا مَنَاسِكَنَا وَتُبْ عَلَيْنَا |
ইবাদাতেরপন্থা |
مَنْسَكٌ (ج) مَنَاسِكُ |
আমি প্রত্যেক উম্মতের জন্যে এবাদতের একটি বিধি-বিধান দিয়েছি,তারা সে বিধান পালনকারী। (২২:৬৭) |
لِّكُلِّ أُمَّةٍ جَعَلْنَا مَنسَكًا هُمْ نَاسِكُوهُ |
বিধান পালনকারী |
نَاسِكٌ |
এবং তাকে দিয়েছিলাম প্রজ্ঞা। (৩৮:২০) |
وَآتَيْنَاهُ الْحِكْمَةَ |
প্রজ্ঞা, সূক্ষ্ম জ্ঞান, বিচারশক্তি, সুন্নাত |
حِكْمَةٌ |
আমি মানুষকে তার পিতা-মাতার সাথে ভাল ব্যবহার করতে অসিয়ত করেছি। (৪৬:১৫) |
وَوَصَّيْنَا الْإِنسَانَ بِوَالِدَيْهِ إِحْسَانًا |
অসিয়ত করা |
وَصَّى-يُوَصِّي (تَوْصِيةٌ) |
আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্দেশ। (৪:১২) |
وَصِيَّةً مِّنَ اللَّهِ |
ওসিয়ত, উপদেশ, নসীহত, নির্দেশ |
وَصِيَّةٌ |
যদি কেউ ওসীয়তকারীর পক্ষ থেকে আশংকা করে পক্ষপাতিত্বের অথবা কোন অপরাধমূলক সিদ্ধান্তের (২:১৮২) |
فَمَنْ خَافَ مِن مُّوصٍ جَنَفًا أَوْ إِثْمًا |
ওসিয়তকারী, পরামর্শদাতা, |
مُوصٍ |
যখন কারো মৃত্যু উপস্থিত হয়। (২:১৮০) |
إِذَا حَضَرَ أَحَدَكُمُ الْمَوْتُ |
উপস্থিত হওয়া, বিদ্যমান হওয়া, আসা, পৌঁছা |
حَضَرَ-يَحْضُرُ |
নিশ্চয়ই তোমাদের উপাস্য এক। (৩৭:৪) |
إِنَّ إِلَٰهَكُمْ لَوَاحِدٌ |
উপাস্য, মাবুদ, আরাধ্য |
إلَاهٌ (ج) آلِهَةٌ |
যে অস্বীকার করবে মিথ্যা উপাস্যের এবং আল্লাহর উপর ঈমান আনবে সে এমন এক দৃঢ় রজ্জু ধারন করল যা কখনো ভাংবে না। (২:২৫৬) |
فَمَن يَكْفُرْ بِالطَّاغُوتِ وَيُؤْمِن بِاللَّهِ فَقَدِ اسْتَمْسَكَ بِالْعُرْوَةِ الْوُثْقَىٰ |
মিথ্যা উপাস্য |
طَاغُوتٌ |
একনিষ্ঠ ভাবে ইব্রাহীমের ধর্মের অনুসরণ কর। (৩:৯৫) |
فَاتَّبِعُوا مِلَّةَ إِبْرَاهِيمَ حَنِيفًا |
একনিষ্ঠ, সৎপরায়ণ, আল্লাহমুখী |
حَنِيفُ (ج) حُنَفَاءُ |
বরং যারা কাফের, তারা অহংকার ও বিরোধিতায় লিপ্ত। (৩৮:২) |
بَلِ الَّذِينَ كَفَرُوا فِي عِزَّةٍ وَشِقَاقٍ |
বিরোধ, মতভেদ |
شِقَاقٌ |
মানুষ সব বস্তু থেকে অধিক ঝগড়াটে। (১৮:৫৪) |
وَكَانَ الْإِنسَانُ أَكْثَرَ شَيْءٍ جَدَلًا |
ঝগড়াকারী, ঝগড়াটে, ঝগড়াচ্ছলে |
جَدَلٌ |
বরং সে অধিকতর ঝগড়াটে। (২:২০৪) |
وَهُوَ أَلَدُّ الْخِصَامِ |
শত্রুতা, কলহ, ঝগড়া, |
خِصَامٌ |
নিশ্চয়ই এটা বাস্তব সত্য, জাহান্নামীদের এই পারস্পারিক বাকবিতণ্ডা। (৩৮:৬৪) |
إِنَّ ذَٰلِكَ لَحَقٌّ تَخَاصُمُ أَهْلِ النَّارِ |
পরস্পর ঝগড়া করা, বাকবিতণ্ডা করা, |
تَخَاصُمٌ |
আল্লাহ তোমাদের উভয়ের সংলাপ শুনেন। (৫৮:১) |
وَاللَّهُ يَسْمَعُ تَحَاوُرَكُمَا |
তর্কাতর্কি করা, বাদানুবাদ করা, |
تَحَاوُرٌ |
আর সাক্ষী হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট। (৪৮:২৮) |
وَكَفَىٰ بِاللَّهِ شَهِيدًا |
যথেষ্টহওয়া |
كَفَى-يَكْفِي |
হে নাবী! তোমার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট এবং মুমিনদের মধ্যে যারা তোমার অনুসরণ করে। (৮:৬৪) |
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ حَسْبُكَ اللَّهُ وَمَنِ اتَّبَعَكَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ |
যথেষ্ট, বদলা, শুধুমাত্র |
حَسْبٌ |
আল্লাহ কি তাঁর বান্দার জন্য যথেষ্ট নয়? (৩৯:৩৬) |
أَلَيْسَ اللَّهُ بِكَافٍ عَبْدَهُ |
যথেষ্ট, রক্ষণশীল, অনেক বেশি |
كَافٍ |
বল, আমি কেবল আল্লাহরই ইবাদত করি, তাঁর জন্য আমার আনুগত্যকে একনিষ্ঠ রেখে। (৩৯:১৪) |
قُلِ اللَّهَ أَعْبُدُ مُخْلِصًا لَّهُ دِينِي |
একনিষ্ঠ, একাগ্রচিত্ত |
مُخُلِصٌ (ج) مُخْلِصُونَ |
তাদের মধ্য থেকে আপনার মনোনীত বান্দারা ছাড়া। (৩৮:৮৩) |
إِلَّا عِبَادَكَ مِنْهُمُ الْمُخْلَصِينَ |
মনোনীত, আত্মনিষ্ঠ, সংযত |
مُخْلَصٌ (ج) مُخْلَصُونَ |
অতঃপর তাদের জন্য সাক্ষ্য হচ্ছে, তারা আল্লাহর কসম করে চারবার সাক্ষ্য দিবে, যে সে সত্যবাদী। (২৪:৬) |
فَشَهَادَةُ أَحَدِهِمْ أَرْبَعُ شَهَادَاتٍ بِاللَّهِ إِنَّهُ لَمِنَ الصَّادِقِينَ |
সাক্ষ্য |
شَهَادَةٌ (ج) شَهَادَاتٌ (شَهَدَ-يَشْهَدُ) |
তাদের নিজেদের উপর সাক্ষী করলাম, আমি কি তোমাদের রব নই? তারা বলল অবশ্যই, আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি। (৭:১৭২) |
وَأَشْهَدَهُمْ عَلَىٰ أَنفُسِهِمْ أَلَسْتُ بِرَبِّكُمْ قَالُوا بَلَىٰ شَهِدْنَا |
সাক্ষী বানানো, উপস্থিত করা, হাজির করা |
أَشْهَدَ-يُشْهِدُ |
সাক্ষী দিতে বল তোমাদের মধ্য থেকে দুজন পুরুষকে। (২:২৮২) |
وَاسْتَشْهِدُوا شَهِيدَيْنِ مِن رِّجَالِكُمْ |
সাক্ষ্য দিতে বলা, সাক্ষী বানানো |
اسْتَشْهَدَ-يَسْتَشْهِدُ |
এবং সাক্ষ্য দিয়েছে বানী ইসরাইলের মধ্য থেকে একজন সাক্ষ্যদাতা তার উপর এবং ঈমান এনেছে আত তোমরা অহংকার করছ। (৪৬:১০) |
وَشَهِدَ شَاهِدٌ مِّن بَنِي إِسْرَائِيلَ عَلَىٰ مِثْلِهِ فَآمَنَ وَاسْتَكْبَرْتُمْ |
সাক্ষী, সাক্ষ্যদাতা, প্রত্যক্ষদর্শী, সাক্ষীস্বরূপ |
شَاهِدٌ (ج) شُهُودٌ، أَشْهَادٌ |
অবশ্যই আমি তোমাকে সে কেবলার দিকেই ফিরিয়ে দেব যেটিকে তুমি পছন্দ কর। (২:১৪৪) |
فَلَنُوَلِّيَنَّكَ قِبْلَةً تَرْضَاهَا |
ক্বিবলা, সালাতে মুখ করার দিক |
قِبْلَةٌ |
আর এভাবে আমি তোমাদেরকে মধ্যপন্থী সম্প্রদায় করেছি। (২:১৪৩) |
وَكَذَٰلِكَ جَعَلْنَاكُمْ أُمَّةً وَسَطًا |
মধ্যপন্থী |
وَسَطٌ |
যদি সে মারা যায়, অথবা নিহত হয় এর ফলে কি তোমরা ফিরে যাবে? (৩:১৪৪) |
أَفَإِن مَّاتَ أَوْ قُتِلَ انقَلَبْتُمْ عَلَىٰ أَعْقَابِكُمْ |
গোড়ালি, পরিনাম, ফলাফল |
عَقِبٌ (ج) أَعْقَابٌ |
মাসেহ কর তোমাদের মাথা এবং তোমাদের পা, দুই টাখনু পর্যন্ত।(৫:৬) |
وَامْسَحُوا بِرُءُوسِكُمْ وَأَرْجُلَكُمْ إِلَى الْكَعْبَيْنِ |
গোড়ালির উপরস্থ উঁচু হাড্ডি, পায়ের টাখনু, |
كَعْبٌ |
তারা স্বলাতকে নষ্ট করল এবং প্রবৃত্তির অনুসরণ করল। (১৯:৫৯) |
أَضَاعُوا الصَّلَاةَ وَاتَّبَعُوا الشَّهَوَاتِ |
নষ্টকরেদেয়া |
أَضَاعَ-يُضِيعُ |
অতঃপর আল্লাহ তাদের কাজগুলোকে নিষ্ফল করে দিয়েছেন। (৩৩:১৯) |
فَأَحْبَطَ اللَّهُ أَعْمَالَهُمْ |
নস্যাৎ করা, নষ্ট করা, ব্যর্থ করা, নিষ্ফল করা, ধ্বংস করা |
أَحْبَطَ-يُحْبِطُ |
হে ঈমানদারগন খোটা এবং কষ্ট দিয়ে তোমাদের দানগুলো নষ্ট করে দিওনা। (২:২৬৪) |
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تُبْطِلُوا صَدَقَاتِكُم بِالْمَنِّ وَالْأَذَىٰ |
বাতিল করা, রহিত করা, নষ্ট করা, মিথ্যা প্রমাণিত করা |
أَبْطَلَ-يُبْطِلُ |
তিনি কখনও তোমাদের কর্ম হ্রাস করবেন না। (৪৭:৩৫) |
وَلَن يَتِرَكُمْ أَعْمَالَكُمْ |
কম করা, কমিয়ে দেওয়া, হ্রাস করা |
وَتَرَ-يَتِرُ |
যেদিন কিয়ামত সংগঠিত হবে সেদিন অকার্যকারীরা হবে ক্ষতিগ্রস্ত। (৪৫:২৭) |
وَيَوْمَ تَقُومُ السَّاعَةُ يَوْمَئِذٍ يَخْسَرُ الْمُبْطِلُونَ |
অনর্থকারী, অকার্যকারী |
مُبْطِلٌ (ج) مُبْطِلُونَ |
আমি দেখেছি তোমার চেহেরা আকাশের দিকে ঘুরে যাওয়া। (২:১৪৪) |
قَدْ نَرَىٰ تَقَلُّبَ وَجْهِكَ فِي السَّمَاءِ |
উলটে যাওয়া, ফিরে যাওয়া, ঘুরে যাওয়া, |
تَقَلُّبٌ (تَقَلَّبَ-يَتَقَلَّبُ) |
আল্লাহ, তোমাদের প্রত্যাবর্তনস্থল ও অবস্থান সম্পর্কে জ্ঞাত। (৪৭:১৯) |
وَاللَّهُ يَعْلَمُ مُتَقَلَّبَكُمْ وَمَثْوَاكُمْ |
প্রত্যাবর্তনস্থল, ঘূর্ণনকেন্দ্র, |
مُتَقَلَّبٌ |
অতএব, তোমার চেহেরা মাসজিদুল হারামের দিকে ফিরাও। (২:১৫০) |
فَوَلِّ وَجْهَكَ شَطْرَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ |
দিকে |
شَطْرَ |
পূর্ব কিংবা পশ্চিমদিকে মুখকরা সৎকর্ম নয়। (২:১৭৭) |
لَّيْسَ الْبِرَّ أَن تُوَلُّوا وُجُوهَكُمْ قِبَلَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ |
অভিমুখ, দিক, পক্ষ, সম্মুখগতি, মোকাবেলার শক্তি |
قِبَلَ |
অতএব, তোমার চেহেরা কা’বার দিকে ফিরাও। (২:১৫০) |
فَوَلِّ وَجْهَكَ شَطْرَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ |
কা’বা |
الْمَسْجِدُ الحَرَامُ |
প্রত্যেকের রয়েছে একটি দিক, যেদিকে সে মুখ ফিরায়। (২:১৪৮) |
وَلِكُلٍّ وِجْهَةٌ هُوَ مُوَلِّيهَا |
লক্ষ্য, দিক |
وِجْهَةٌ |
প্রত্যেকের রয়েছে একটি দিক, যেদিকে সে মুখ ফিরায়। (২:১৪৮) |
وَلِكُلٍّ وِجْهَةٌ هُوَ مُوَلِّيهَا |
যে মুখ ফেরায় |
مُوَلٍّ |
যা থেকে তোমরা বিমুখতাপ্রদর্শনকারী। (৩৮:৬৮) |
أَنتُمْ عَنْهُ مُعْرِضُونَ |
বিমুখ, বিমুখতাপ্রদর্শনকারী, অবজ্ঞাকারী |
مُعْرِضٌ (ج) مُعْرِضُونَ |
ভালো কাজের প্রতিযোগিতা কর। (২:১৪৮) |
فَاسْتَبِقُوا الْخَيْرَاتِ |
ধাবিতহওয়া, প্রতিযোগিতা করা |
اِسْتَبَقَ-يَسْتَبِقُ |
দৌড়ে যাও তোমাদের প্রতিপালকের ক্ষমা ও জান্নাতের দিকে। (৫৭:২১) |
سَابِقُوا إِلَىٰ مَغْفِرَةٍ مِّن رَّبِّكُمْ وَجَنَّةٍ |
দৌড়াদৌড়ি করা, তারা করা, প্রতিযোগিতা করা, |
سَابَقَ-يُسَابِقُ |
এ বিষয়ে প্রতিযোগীদের প্রতিযোগিতা করা উচিত। (৮৩:২৬) |
وَفِي ذَٰلِكَ فَلْيَتَنَافَسِ الْمُتَنَافِسُونَ |
নিঃশ্বাস নেওয়া, আকাঙ্ক্ষা করা, প্রতিযোগিতা করা |
تَنَافَسَ-يَتَنَافَسُ |
এ বিষয়ে প্রতিযোগীদের প্রতিযোগিতা করা উচিত। (৮৩:২৬) |
وَفِي ذَٰلِكَ فَلْيَتَنَافَسِ الْمُتَنَافِسُونَ |
আগ্রহী, উদ্যোমী, প্রতিযোগী, আকাঙ্ক্ষী |
مُتَنَافِسٌ (ج) مُتَنَافِسُونَ |
ক্ষুধায় উপকার করবে না। (৮৮:৭) |
وَلَا يُغْنِي مِن جُوعٍ |
ক্ষুধা |
جُوْعٌ (جَاعَ-يَجُوعُ) |
অথবা দুর্ভিক্ষের দিনে খাবার খাওয়ানো। (৯০:১৪) |
أَوْ إِطْعَامٌ فِي يَوْمٍ ذِي مَسْغَبَةٍ |
ক্ষুধা, দুর্ভিক্ষ, ক্ষুধার্ত হওয়া |
مَسْغَبَةٌ |
এবং আল্লাহর রাস্তায় ক্ষুধার জ্বালা নেই। (৯:১২০) |
وَلَا مَخْمَصَةٌ فِي سَبِيلِ اللَّهِ |
তীব্র ক্ষুধা, ক্ষুধার জ্বালা |
مَخْمَصَةٌ |
এবং ফল ফসলের ক্ষয়-ক্ষতির দ্বারা যাতে করে তারা উপদেশ গ্রহণ করে। (৭:১৩০) |
وَنَقْصٍ مِّنَ الثَّمَرَاتِ لَعَلَّهُمْ يَذَّكَّرُونَ |
কমতি, ক্ষয়-ক্ষতি |
نَقْصٌ |
অতএব সে কোন ক্ষয়ক্ষতি ও লোকসান এর ভয় করবেনা। (৭২:১৩) |
فَلَا يَخَافُ بَخْسًا وَلَا رَهَقًا |
ক্ষতি, অল্পমূল্য |
بَخْسٌ |
অতঃপর সে জুলুম ও আত্মসাত এর আশঙ্কা করবে না। (২০:১১২) |
فَلَا يَخَافُ ظُلْمًا وَلَا هَضْمًا |
আত্মসাত করা, হজম করা, নেকি কমানো, পুন্যহ্রাস করা |
هَضْمٌ |
নিশ্চয়ই মানুষ ক্ষতির মধ্যে নিপতিত। (১০৩:২) |
إِنَّ الْإِنسَانَ لَفِي خُسْرٍ |
ক্ষতি, খেসারত, ধ্বংস, লোকসান, সর্বনাশ |
خُسْرٌ، خَسَارٌ، خُسْرَانٌ، تَخْسِيرٌ |
আর নিশ্চয় আমি তাদেরকে আযাবের ভাগ পুরোপুরি দান করবো হ্রাসকৃত বিহীন। (১১:১০৯) |
وَإِنَّا لَمُوَفُّوهُمْ نَصِيبَهُمْ غَيْرَ مَنقُوصٍ |
হ্রাসকৃত |
مَنْقُوصٌ |
মূলত কোন মাসকে পিছিয়ে দেওয়া কুফরিকে বৃদ্ধি করে। (৯:৩৭) |
إِنَّمَا النَّسِيءُ زِيَادَةٌ فِي الْكُفْرِ |
বৃদ্ধি, অতিরিক্ত |
زِيَادَةٌ |
সেদিন সম্পদ ও সন্তান কোন কাজে আসবেনা। (২৬:৮৮) |
يَوْمَ لَا يَنفَعُ مَالٌ وَلَا بَنُونَ |
সম্পদ |
مَالٌ (ج) أَمْوَالٌ |
এর নিচে ছিল তাদের দুজনের পুঞ্জিভূত সম্পদ। (১৮:৮২) |
وَكَانَ تَحْتَهُ كَنزٌ لَّهُمَا |
পুঞ্জীভূত সম্পদ, ভাণ্ডার, স্তুপ, |
كَنْزٌ (ج) كُنُوزٌ |
এবং বিলাসদ্রব্য তাতে তারা আনন্দ পেত। (৪৪:২৭) |
وَنَعْمَةٍ كَانُوا فِيهَا فَاكِهِينَ |
উপভোগ্যবস্তু, বিলাসদ্রব্য, বিলাস সামগ্রী |
نَعْمَةٌ |
তোমাদের মধ্যে যাদের সম্পদ সামর্থ্য নেই কোন মুসলিম নারীকে বিয়ে করার। (৪:২৫) |
وَمَن لَّمْ يَسْتَطِعْ مِنكُمْ طَوْلًا أَن يَنكِحَ الْمُحْصَنَاتِ |
সম্পদ, ধন, আয়, সামর্থ্য |
طَوْلٌ |
ভাল যা কিছু তোমার উপর আপতিত হয় তা আল্লাহর পক্ষ থেকে। (৪:৭৯) |
مَّا أَصَابَكَ مِنْ حَسَنَةٍ فَمِنَ اللَّهِ |
আপতিত হওয়া |
أَصَابَ-يُصِيبُ |
নিশ্চয়ই তাদের যা স্পর্শ করবে তাকেও তা স্পর্শ করবে। (১১:৮১) |
إِنَّهُ مُصِيبُهَا مَا أَصَابَهُمْ |
স্পর্শকারী, আক্রান্তকারী, মুসিবত, |
مُصِيبٌ |
এবং যে বিপদ ই তোমাদের উপর আপতিত হয়, তা তোমাদের হাতের কামাই। (৪২:৩০) |
وَمَا أَصَابَكُم مِّن مُّصِيبَةٍ فَبِمَا كَسَبَتْ أَيْدِيكُمْ |
বিপদ |
مُصِيْبَةٌ |
আমি তাকে ও তার পরিবারবর্গকে এক মহা বিপদ থেকে রক্ষা করেছিলাম। (৩৭:৭৬) |
وَنَجَّيْنَاهُ وَأَهْلَهُ مِنَ الْكَرْبِ الْعَظِيمِ |
বিপদ, বিভীষিকা, দুশ্চিন্তা, |
كَرْبٌ |
আর যখন মানুষকে যখন অনিষ্ট স্পর্শ করে, আমাকে ডাকতে থাকে। (১০:১২) |
وَإِذَا مَسَّ الْإِنسَانَ الضُّرُّ دَعَانَا |
ক্ষতি করা, অনিষ্ট করা, অপকার করা, |
ضُرٌّ |
অতঃপর সমুদ গোত্রকে ধ্বংস করা হয়েছিল পাপাচারের জন্য। (৬৯:৫) |
فَأَمَّا ثَمُودُ فَأُهْلِكُوا بِالطَّاغِيَةِ |
অবাধ্যতা, স্বেচ্ছাচারিতা, |
طَاغِيَةٌ |
কোর্স বিষয়বস্তু