অতঃপর তাকে বাধ্য করবো আগুনের শাস্তির দিকে। (২:১২৬)

ثُمَّ أَضْطَرُّهُ إِلَىٰ عَذَابِ النَّارِ

বাধ্যকরা

اضْطَرَّ-يَضْطِرُّ

তুমি কি মানুষকে বাধ্য করবে ? (১০:৯৯)

أَفَأَنتَ تُكْرِهُ النَّاسَ

বল প্রয়োগ করা, শক্তি খাটানো, বাধ্য করা

أَكْرَهَ-يُكْرِهُ

আমি কি তা তোমাদের উপর তোমাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধেই বাধ্যতামূলক করে দিতে পারি? (১১:২৮)

أَنُلْزِمُكُمُوهَا وَأَنتُمْ لَهَا كَارِهُونَ

আবশ্যিক করা, বাধ্যতামূলক করা,

أَلْزَمَ-يُلْزِمُ

কে বিপদগ্রস্থের ডাকে সাড়া দেন যখন সে তাকে ডাকে? (২৭:৬২)

أَمَّن يُجِيبُ الْمُضْطَرَّ إِذَا دَعَاهُ

ক্ষতিগ্রস্ত, বিপদগ্রস্ত, নিরুপায়,

مُضْطَرٌ

এবং আল্লাহর দিকেই প্রত্যাবর্তনস্থল(২৪:৪২)

وَإِلَى اللَّهِ الْمَصِيرُ

গন্তব্যস্থল, প্রত্যাবর্তনস্থল

مَصِيرٌ

এবং তাঁর দিকেই তওবারস্থল। (১৩:৩০)

وَإِلَيْهِ مَتَابِ

প্রত্যাবর্তনস্থল, তওবাস্থল

مَتَابٌ

নিশ্চয়ই তাঁর ওয়াদা আগমনস্থলে। (১৯:৬১)

إِنَّهُ كَانَ وَعْدُهُ مَأْتِيًّا

গন্তব্য, আগমনস্থল

مَأْتِيٌّ

যখন ইব্রাহীম ও ইসমাঈল কাবাগৃহের ভিত্তি উত্তোলন করছিল। (২:১২৭)

وَإِذْ يَرْفَعُ إِبْرَاهِيمُ الْقَوَاعِدَ مِنَ الْبَيْتِ وَإِسْمَاعِيلُ

ভিত্তি

قَاعِدَةٌ (ج) قَوَاعِدُ

এবং আমাদের ইবাদতেরপন্থা দেখিয়ে দিন এবং আমাদের ক্ষমা করুন। (২:১২৮)

وَأَرِنَا مَنَاسِكَنَا وَتُبْ عَلَيْنَا

ইবাদাতেরপন্থা

مَنْسَكٌ (ج) مَنَاسِكُ

আমি প্রত্যেক উম্মতের জন্যে এবাদতের একটি বিধি-বিধান দিয়েছি,তারা সে বিধান পালনকারী। (২২:৬৭)

لِّكُلِّ أُمَّةٍ جَعَلْنَا مَنسَكًا هُمْ نَاسِكُوهُ

বিধান পালনকারী

نَاسِكٌ

এবং তাকে দিয়েছিলাম প্রজ্ঞা। (৩৮:২০)

وَآتَيْنَاهُ الْحِكْمَةَ

প্রজ্ঞা, সূক্ষ্ম জ্ঞান, বিচারশক্তি, সুন্নাত

حِكْمَةٌ

আমি মানুষকে তার পিতা-মাতার সাথে ভাল ব্যবহার করতে অসিয়ত করেছি। (৪৬:১৫)

وَوَصَّيْنَا الْإِنسَانَ بِوَالِدَيْهِ إِحْسَانًا

অসিয়ত করা

وَصَّى-يُوَصِّي (تَوْصِيةٌ)

আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্দেশ। (৪:১২)

وَصِيَّةً مِّنَ اللَّهِ

ওসিয়ত, উপদেশ, নসীহত, নির্দেশ

وَصِيَّةٌ

যদি কেউ ওসীয়তকারীর পক্ষ থেকে আশংকা করে পক্ষপাতিত্বের অথবা কোন অপরাধমূলক সিদ্ধান্তের (:১৮২)

فَمَنْ خَافَ مِن مُّوصٍ جَنَفًا أَوْ إِثْمًا

ওসিয়তকারী, পরামর্শদাতা,

مُوصٍ

যখন কারো মৃত্যু উপস্থিত হয়। (২:১৮০)

إِذَا حَضَرَ أَحَدَكُمُ الْمَوْتُ

উপস্থিত হওয়া, বিদ্যমান হওয়া, আসা, পৌঁছা

حَضَرَ-يَحْضُرُ

নিশ্চয়ই তোমাদের উপাস্য এক। (৩৭:৪)

إِنَّ إِلَٰهَكُمْ لَوَاحِدٌ

উপাস্য, মাবুদ, আরাধ্য

إلَاهٌ (ج) آلِهَةٌ

যে অস্বীকার করবে মিথ্যা উপাস্যের এবং আল্লাহর উপর ঈমান আনবে সে এমন এক দৃঢ় রজ্জু ধারন করল যা কখনো ভাংবে না। (২:২৫৬)

فَمَن يَكْفُرْ بِالطَّاغُوتِ وَيُؤْمِن بِاللَّهِ فَقَدِ اسْتَمْسَكَ بِالْعُرْوَةِ الْوُثْقَىٰ

মিথ্যা উপাস্য

طَاغُوتٌ

একনিষ্ঠ ভাবে ইব্রাহীমের ধর্মের অনুসরণ কর। (৩:৯৫)

فَاتَّبِعُوا مِلَّةَ إِبْرَاهِيمَ حَنِيفًا

একনিষ্ঠ, সৎপরায়ণ, আল্লাহমুখী

حَنِيفُ (ج) حُنَفَاءُ

বরং যারা কাফের, তারা অহংকার ও বিরোধিতায় লিপ্ত। (৩৮:২)

بَلِ الَّذِينَ كَفَرُوا فِي عِزَّةٍ وَشِقَاقٍ

বিরোধ, মতভেদ

شِقَاقٌ

মানুষ সব বস্তু থেকে অধিক ঝগড়াটে(১৮:৫৪)

وَكَانَ الْإِنسَانُ أَكْثَرَ شَيْءٍ جَدَلًا

ঝগড়াকারী, ঝগড়াটে, ঝগড়াচ্ছলে

جَدَلٌ

বরং সে অধিকতর ঝগড়াটে। (২:২০৪)

وَهُوَ أَلَدُّ الْخِصَامِ

শত্রুতা, কলহ, ঝগড়া,

خِصَامٌ

নিশ্চয়ই এটা বাস্তব সত্য, জাহান্নামীদের এই পারস্পারিক বাকবিতণ্ডা। (৩৮:৬৪)

إِنَّ ذَٰلِكَ لَحَقٌّ تَخَاصُمُ أَهْلِ النَّارِ

পরস্পর ঝগড়া করা, বাকবিতণ্ডা করা,

تَخَاصُمٌ

আল্লাহ তোমাদের উভয়ের সংলাপ শুনেন। (৫৮:১)

وَاللَّهُ يَسْمَعُ تَحَاوُرَكُمَا

তর্কাতর্কি করা, বাদানুবাদ করা,

تَحَاوُرٌ

আর সাক্ষী হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট। (৪৮:২৮)

وَكَفَىٰ بِاللَّهِ شَهِيدًا

যথেষ্টহওয়া

كَفَى-يَكْفِي

হে নাবী! তোমার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট এবং মুমিনদের মধ্যে যারা তোমার অনুসরণ করে। (৮:৬৪)

يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ حَسْبُكَ اللَّهُ وَمَنِ اتَّبَعَكَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ

যথেষ্ট, বদলা, শুধুমাত্র

حَسْبٌ

আল্লাহ কি তাঁর বান্দার জন্য যথেষ্ট নয়? (৩৯:৩৬)

أَلَيْسَ اللَّهُ بِكَافٍ عَبْدَهُ

যথেষ্ট, রক্ষণশীল, অনেক বেশি

كَافٍ

বল, আমি কেবল আল্লাহরই ইবাদত করি, তাঁর জন্য আমার আনুগত্যকে একনিষ্ঠ রেখে। (৩৯:১৪)

قُلِ اللَّهَ أَعْبُدُ مُخْلِصًا لَّهُ دِينِي

একনিষ্ঠ, একাগ্রচিত্ত

مُخُلِصٌ (ج) مُخْلِصُونَ

তাদের মধ্য থেকে আপনার মনোনীত বান্দারা ছাড়া। (৩৮:৮৩)

إِلَّا عِبَادَكَ مِنْهُمُ الْمُخْلَصِينَ

মনোনীত, আত্মনিষ্ঠ, সংযত

مُخْلَصٌ (ج) مُخْلَصُونَ

অতঃপর তাদের জন্য সাক্ষ্য হচ্ছে, তারা আল্লাহর কসম করে চারবার সাক্ষ্য দিবে, যে সে সত্যবাদী। (২৪:৬)

فَشَهَادَةُ أَحَدِهِمْ أَرْبَعُ شَهَادَاتٍ بِاللَّهِ إِنَّهُ لَمِنَ الصَّادِقِينَ

সাক্ষ্য

شَهَادَةٌ (ج) شَهَادَاتٌ (شَهَدَ-يَشْهَدُ)

তাদের নিজেদের উপর সাক্ষী করলাম, আমি কি তোমাদের রব নই? তারা বলল অবশ্যই, আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি। (৭:১৭২)

وَأَشْهَدَهُمْ عَلَىٰ أَنفُسِهِمْ أَلَسْتُ بِرَبِّكُمْ قَالُوا بَلَىٰ شَهِدْنَا

সাক্ষী বানানো, উপস্থিত করা, হাজির করা

أَشْهَدَ-يُشْهِدُ

সাক্ষী দিতে বল তোমাদের মধ্য থেকে দুজন পুরুষকে। (২:২৮২)

وَاسْتَشْهِدُوا شَهِيدَيْنِ مِن رِّجَالِكُمْ

সাক্ষ্য দিতে বলা, সাক্ষী বানানো 

اسْتَشْهَدَ-يَسْتَشْهِدُ

এবং সাক্ষ্য দিয়েছে বানী ইসরাইলের মধ্য থেকে একজন সাক্ষ্যদাতা তার উপর এবং ঈমান এনেছে আত তোমরা অহংকার করছ। (৪৬:১০)

وَشَهِدَ شَاهِدٌ مِّن بَنِي إِسْرَائِيلَ عَلَىٰ مِثْلِهِ فَآمَنَ وَاسْتَكْبَرْتُمْ

সাক্ষী, সাক্ষ্যদাতা, প্রত্যক্ষদর্শী, সাক্ষীস্বরূপ

شَاهِدٌ (ج) شُهُودٌ، أَشْهَادٌ

অবশ্যই আমি তোমাকে সে কেবলার দিকেই ফিরিয়ে দেব যেটিকে তুমি পছন্দ কর। (২:১৪৪)

فَلَنُوَلِّيَنَّكَ قِبْلَةً تَرْضَاهَا

ক্বিবলা, সালাতে মুখ করার দিক

قِبْلَةٌ

আর এভাবে আমি তোমাদেরকে মধ্যপন্থী সম্প্রদায় করেছি। (২:১৪৩)

وَكَذَٰلِكَ جَعَلْنَاكُمْ أُمَّةً وَسَطًا

মধ্যপন্থী

وَسَطٌ

যদি সে মারা যায়, অথবা নিহত হয় এর ফলে কি তোমরা ফিরে যাবে? (৩:১৪৪)

أَفَإِن مَّاتَ أَوْ قُتِلَ انقَلَبْتُمْ عَلَىٰ أَعْقَابِكُمْ

গোড়ালি, পরিনাম, ফলাফল

عَقِبٌ (ج) أَعْقَابٌ

মাসেহ কর তোমাদের মাথা এবং তোমাদের পা, দুই টাখনু পর্যন্ত।(৫:৬)

وَامْسَحُوا بِرُءُوسِكُمْ وَأَرْجُلَكُمْ إِلَى الْكَعْبَيْنِ

গোড়ালির উপরস্থ উঁচু হাড্ডি, পায়ের টাখনু,

كَعْبٌ

তারা স্বলাতকে নষ্ট করল এবং প্রবৃত্তির অনুসরণ করল। (১৯:৫৯)

أَضَاعُوا الصَّلَاةَ وَاتَّبَعُوا الشَّهَوَاتِ

নষ্টকরেদেয়া

أَضَاعَ-يُضِيعُ

অতঃপর আল্লাহ তাদের কাজগুলোকে নিষ্ফল করে দিয়েছেন। (৩৩:১৯)

فَأَحْبَطَ اللَّهُ أَعْمَالَهُمْ

নস্যাৎ করা, নষ্ট করা, ব্যর্থ করা, নিষ্ফল করা, ধ্বংস করা

أَحْبَطَ-يُحْبِطُ

হে ঈমানদারগন খোটা এবং কষ্ট দিয়ে তোমাদের দানগুলো নষ্ট করে দিওনা। (২:২৬৪)

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تُبْطِلُوا صَدَقَاتِكُم بِالْمَنِّ وَالْأَذَىٰ

বাতিল করা, রহিত করা, নষ্ট করা, মিথ্যা প্রমাণিত করা

أَبْطَلَ-يُبْطِلُ

তিনি কখনও তোমাদের কর্ম হ্রাস করবেন না(৪৭:৩৫)

وَلَن يَتِرَكُمْ أَعْمَالَكُمْ

কম করা, কমিয়ে দেওয়া, হ্রাস করা

وَتَرَ-يَتِرُ

যেদিন কিয়ামত সংগঠিত হবে সেদিন অকার্যকারীরা হবে ক্ষতিগ্রস্ত। (৪৫:২৭)

وَيَوْمَ تَقُومُ السَّاعَةُ يَوْمَئِذٍ يَخْسَرُ الْمُبْطِلُونَ

অনর্থকারী, অকার্যকারী

مُبْطِلٌ (ج) مُبْطِلُونَ

আমি দেখেছি তোমার চেহেরা আকাশের দিকে ঘুরে যাওয়া  (:১৪৪)

قَدْ نَرَىٰ تَقَلُّبَ وَجْهِكَ فِي السَّمَاءِ

উলটে যাওয়া, ফিরে যাওয়া, ঘুরে যাওয়া,

تَقَلُّبٌ (تَقَلَّبَ-يَتَقَلَّبُ)

আল্লাহ, তোমাদের প্রত্যাবর্তনস্থল ও অবস্থান সম্পর্কে জ্ঞাত(৪৭:১৯)

وَاللَّهُ يَعْلَمُ مُتَقَلَّبَكُمْ وَمَثْوَاكُمْ

প্রত্যাবর্তনস্থল, ঘূর্ণনকেন্দ্র,

مُتَقَلَّبٌ

অতএব, তোমার চেহেরা মাসজিদুল হারামের দিকে ফিরাও। (২:১৫০)

فَوَلِّ وَجْهَكَ شَطْرَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ

দিকে

شَطْرَ

পূর্ব কিংবা পশ্চিমদিকে মুখকরা সৎকর্ম নয়। (২:১৭৭)

لَّيْسَ الْبِرَّ أَن تُوَلُّوا وُجُوهَكُمْ قِبَلَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ

অভিমুখ, দিক, পক্ষ, সম্মুখগতি, মোকাবেলার শক্তি

قِبَلَ

অতএব, তোমার চেহেরা কা’বার দিকে ফিরাও। (২:১৫০)

فَوَلِّ وَجْهَكَ شَطْرَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ

কা’বা

الْمَسْجِدُ الحَرَامُ

প্রত্যেকের রয়েছে একটি দিক, যেদিকে সে মুখ ফিরায়। (২:১৪৮)

وَلِكُلٍّ وِجْهَةٌ هُوَ مُوَلِّيهَا

লক্ষ্য, দিক

وِجْهَةٌ

প্রত্যেকের রয়েছে একটি দিক, যেদিকে সে মুখ ফিরায়। (২:১৪৮)

وَلِكُلٍّ وِجْهَةٌ هُوَ مُوَلِّيهَا

যে মুখ ফেরায়

مُوَلٍّ

যা থেকে তোমরা বিমুখতাপ্রদর্শনকারী(৩৮:৬৮)

أَنتُمْ عَنْهُ مُعْرِضُونَ

বিমুখ, বিমুখতাপ্রদর্শনকারী, অবজ্ঞাকারী

مُعْرِضٌ (ج) مُعْرِضُونَ

ভালো কাজের প্রতিযোগিতা কর। (২:১৪৮)

فَاسْتَبِقُوا الْخَيْرَاتِ

ধাবিতহওয়া, প্রতিযোগিতা করা

اِسْتَبَقَ-يَسْتَبِقُ

দৌড়ে যাও তোমাদের প্রতিপালকের ক্ষমা ও জান্নাতের দিকে। (৫৭:২১)

سَابِقُوا إِلَىٰ مَغْفِرَةٍ مِّن رَّبِّكُمْ وَجَنَّةٍ

দৌড়াদৌড়ি করা, তারা করা, প্রতিযোগিতা করা,

سَابَقَ-يُسَابِقُ

এ বিষয়ে প্রতিযোগীদের প্রতিযোগিতা করা উচিত। (৮৩:২৬)

وَفِي ذَٰلِكَ فَلْيَتَنَافَسِ الْمُتَنَافِسُونَ

নিঃশ্বাস নেওয়া, আকাঙ্ক্ষা করা, প্রতিযোগিতা করা

تَنَافَسَ-يَتَنَافَسُ

এ বিষয়ে প্রতিযোগীদের প্রতিযোগিতা করা উচিত। (৮৩:২৬)

وَفِي ذَٰلِكَ فَلْيَتَنَافَسِ الْمُتَنَافِسُونَ

আগ্রহী, উদ্যোমী, প্রতিযোগী, আকাঙ্ক্ষী

مُتَنَافِسٌ (ج) مُتَنَافِسُونَ

ক্ষুধায় উপকার করবে না। (৮৮:৭)

وَلَا يُغْنِي مِن جُوعٍ

ক্ষুধা

جُوْعٌ (جَاعَ-يَجُوعُ)

অথবা দুর্ভিক্ষের দিনে খাবার খাওয়ানো। (৯০:১৪)

أَوْ إِطْعَامٌ فِي يَوْمٍ ذِي مَسْغَبَةٍ

ক্ষুধা, দুর্ভিক্ষ, ক্ষুধার্ত হওয়া

مَسْغَبَةٌ

এবং আল্লাহর রাস্তায় ক্ষুধার জ্বালা নেই। (৯:১২০)

وَلَا مَخْمَصَةٌ فِي سَبِيلِ اللَّهِ

তীব্র ক্ষুধা, ক্ষুধার জ্বালা

مَخْمَصَةٌ

এবং ফল ফসলের ক্ষয়-ক্ষতির দ্বারা যাতে করে তারা উপদেশ গ্রহণ করে। (৭:১৩০)

وَنَقْصٍ مِّنَ الثَّمَرَاتِ لَعَلَّهُمْ يَذَّكَّرُونَ

কমতি, ক্ষয়-ক্ষতি

نَقْصٌ

অতএব সে কোন ক্ষয়ক্ষতি ও লোকসান এর ভয় করবেনা। (৭২:১৩)

فَلَا يَخَافُ بَخْسًا وَلَا رَهَقًا

ক্ষতি, অল্পমূল্য

بَخْسٌ

অতঃপর সে জুলুম ও আত্মসাত এর আশঙ্কা করবে না। (২০:১১২)

فَلَا يَخَافُ ظُلْمًا وَلَا هَضْمًا

আত্মসাত করা, হজম করা, নেকি কমানো, পুন্যহ্রাস করা

هَضْمٌ

নিশ্চয়ই মানুষ ক্ষতির মধ্যে নিপতিত। (১০৩:২)

إِنَّ الْإِنسَانَ لَفِي خُسْرٍ

ক্ষতি, খেসারত, ধ্বংস, লোকসান, সর্বনাশ

خُسْرٌ، خَسَارٌ، خُسْرَانٌ، تَخْسِيرٌ

আর নিশ্চয় আমি তাদেরকে আযাবের ভাগ পুরোপুরি দান করবো হ্রাসকৃত বিহীন। (১১:১০৯)

وَإِنَّا لَمُوَفُّوهُمْ نَصِيبَهُمْ غَيْرَ مَنقُوصٍ

হ্রাসকৃত

مَنْقُوصٌ

মূলত কোন মাসকে পিছিয়ে দেওয়া কুফরিকে বৃদ্ধি করে। (৯:৩৭)

إِنَّمَا النَّسِيءُ زِيَادَةٌ فِي الْكُفْرِ

বৃদ্ধি, অতিরিক্ত

زِيَادَةٌ

সেদিন সম্পদ ও সন্তান কোন কাজে আসবেনা। (২৬:৮৮)

يَوْمَ لَا يَنفَعُ مَالٌ وَلَا بَنُونَ

সম্পদ

مَالٌ (ج) أَمْوَالٌ

এর নিচে ছিল তাদের দুজনের পুঞ্জিভূত সম্পদ। (১৮:৮২)

وَكَانَ تَحْتَهُ كَنزٌ لَّهُمَا

পুঞ্জীভূত সম্পদ, ভাণ্ডার, স্তুপ,

كَنْزٌ (ج) كُنُوزٌ

এবং বিলাসদ্রব্য তাতে তারা আনন্দ পেত। (৪৪:২৭)

وَنَعْمَةٍ كَانُوا فِيهَا فَاكِهِينَ

উপভোগ্যবস্তু, বিলাসদ্রব্য, বিলাস সামগ্রী

نَعْمَةٌ

তোমাদের মধ্যে যাদের সম্পদ সামর্থ্য নেই কোন মুসলিম নারীকে বিয়ে করার। (৪:২৫)

وَمَن لَّمْ يَسْتَطِعْ مِنكُمْ طَوْلًا أَن يَنكِحَ الْمُحْصَنَاتِ

সম্পদ, ধন, আয়, সামর্থ্য

طَوْلٌ

ভাল যা কিছু তোমার উপর আপতিত হয় তা আল্লাহর পক্ষ থেকে। (৪:৭৯)

مَّا أَصَابَكَ مِنْ حَسَنَةٍ فَمِنَ اللَّهِ

আপতিত হওয়া

أَصَابَ-يُصِيبُ

নিশ্চয়ই তাদের যা স্পর্শ করবে তাকেও তা স্পর্শ করবে। (১১:৮১)

إِنَّهُ مُصِيبُهَا مَا أَصَابَهُمْ

স্পর্শকারী, আক্রান্তকারী, মুসিবত,

مُصِيبٌ

এবং যে বিপদ ই তোমাদের উপর আপতিত হয়, তা তোমাদের হাতের কামাই। (৪২:৩০)

وَمَا أَصَابَكُم مِّن مُّصِيبَةٍ فَبِمَا كَسَبَتْ أَيْدِيكُمْ

বিপদ

مُصِيْبَةٌ

আমি তাকে ও তার পরিবারবর্গকে এক মহা বিপদ থেকে রক্ষা করেছিলাম। (৩৭:৭৬)

وَنَجَّيْنَاهُ وَأَهْلَهُ مِنَ الْكَرْبِ الْعَظِيمِ

বিপদ, বিভীষিকা, দুশ্চিন্তা,

كَرْبٌ

আর যখন মানুষকে যখন অনিষ্ট স্পর্শ করে, আমাকে ডাকতে থাকে। (১০:১২)

وَإِذَا مَسَّ الْإِنسَانَ الضُّرُّ دَعَانَا

ক্ষতি করা, অনিষ্ট করা, অপকার করা,

ضُرٌّ

অতঃপর সমুদ গোত্রকে ধ্বংস করা হয়েছিল পাপাচারের জন্য। (৬৯:৫)

فَأَمَّا ثَمُودُ فَأُهْلِكُوا بِالطَّاغِيَةِ

অবাধ্যতা, স্বেচ্ছাচারিতা,

طَاغِيَةٌ

কোর্স বিষয়বস্তু

11 চ্যাপ্টার • 79 পাঠ