কারো উপরে সামর্থ্যের বাহিরে কিছুই চাপিয়ে দেওয়া হবে না। (২:২৩৩) |
لَا تُكَلَّفُ نَفْسٌ إِلَّا وُسْعَهَا |
চাপিয়ে দেয়া |
تَكَلَّفَ-يَتَكَلَّفُ |
হে আমাদের পালনকর্তা! এবং আমাদের উপর এমন দায়িত্ব অর্পণ করো না, যেমন আমাদের পূর্ববর্তীদের উপর অর্পণ করেছ। (২:২৮৫) |
رَبَّنَا وَلَا تَحْمِلْ عَلَيْنَا إِصْرًا كَمَا حَمَلْتَهُ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِنَا |
বোঝা চাপানো, বহন করানো, দায়িত্ব অর্পন করা |
حَمَّلَ-يُحَمِّلُ |
কারো উপরে সামর্থ্যের বাহিরে কিছুই চাপিয়ে দেওয়া হবে না। (২:২৩৩) |
لَا تُكَلَّفُ نَفْسٌ إِلَّا وُسْعَهَا |
সাধ্য, সামর্থ্য |
وُسْعٌ |
তারা আল্লাহর যথাযথ মর্যাদা দিতে পারেনি। (২২:৭৪) |
مَا قَدَرُوا اللَّهَ حَقَّ قَدْرِهِ |
সম্মান, সম্মাননীয়, উপযুক্ত, যথার্থ, নির্ধারিত, |
قَدْرٌ |
তাদেরকে থাকতে দাও তাদের প্রাপ্য অনুযায়ী তোমরা যেভাবে থাকো। (৬৫:৬) |
أَسْكِنُوهُنَّ مِنْ حَيْثُ سَكَنتُم مِّن وُجْدِكُمْ |
পাওনা, সাধ্য, সম্পদ, ধনসম্পদ |
وُجْدٌ |
এরাই উত্তরাধিকারী। (২৩:১০) |
أُولَٰئِكَ هُمُ الْوَارِثُونَ |
উত্তরাধিকারী |
وَارِثٌ (ج) وَارِثُونَ، وَرَثَةٌ (وَرِثَ-يَرَثُ) |
অতঃপর আমি কিতাবের উত্তরাধিকারী করেছি তাদেরকে যাদেরকে আমি আমার বান্দাদের মধ্য থেকে মনোনীত করেছি। (৩৫:৩২) |
ثُمَّ أَوْرَثْنَا الْكِتَابَ الَّذِينَ اصْطَفَيْنَا مِنْ عِبَادِنَا |
ওয়ারিস বানানো, উত্তরাধিকারী বানানো, মালিক বানানো |
أَوْرَثَ-يُوْرِثُ |
এবং তোমরা মৃতের ত্যাজ্য সম্পত্তি সম্পূর্ণরূপে কুক্ষিগত করে ফেল। (৮৯:১৯) |
وَتَأْكُلُونَ التُّرَاثَ أَكْلًا لَّمًّا |
মৃত ব্যক্তির ত্যাজ্যসম্পত্তি, মিরাস, উত্তরাধিকার |
تُرَاثٌ |
আর আল্লাহ হচ্ছেন আসমান ও যমীনের পরম সত্ত্বাধিকারী। (৩:১৮০) |
وَلِلَّهِ مِيرَاثُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ |
মৃত ব্যক্তির ত্যাজ্যসম্পত্তি, মিরাস, উত্তরাধিকার |
مِيرَاثٌ |
তাহলে দু’বছরের ভিতরেই নিজেদের পারস্পরিক পরামর্শক্রমে দুধ পান করানো ছাড়িয়ে দিতে পারে। (২:২৩৩) |
فَإِنْ أَرَادَا فِصَالًا عَن تَرَاضٍ مِّنْهُمَا وَتَشَاوُرٍ |
পরামর্শ |
تَشَاوُرٌ |
স্বলাত কায়েম করে; পারস্পরিক পরামর্শক্রমে কাজ করে। (৪২:৩৮) |
وَأَقَامُوا الصَّلَاةَ وَأَمْرُهُمْ شُورَىٰ بَيْنَهُمْ |
পরামর্শ, মন্ত্রণা, মশোয়ারা |
شُورَى |
কাজেই আপনি তাদের ক্ষমা করে দিন এবং তাদের জন্য মাগফেরাত কামনা করুন এবং কাজে কর্মে তাদের পরামর্শ করুন। (৩:১৫৯) |
فَاعْفُ عَنْهُمْ وَاسْتَغْفِرْ لَهُمْ وَشَاوِرْهُمْ فِي الْأَمْرِ |
পরামর্শ করা, মশোয়ারা করা, মন্ত্রণা দেওয়া |
شَاوَرَ-يُشَاوِرُ |
পরস্পর সংযতভাবে পরামর্শ করবে। (৬৫:৬)
|
وَأْتَمِرُوا بَيْنَكُم بِمَعْرُوفٍ |
পরামর্শ করা, মন্ত্রণা দেয়া, আদেশ পালন করা |
ائْتَمَرَ-يَئْتَمِرُ |
তাহলে যদি তোমরা সাব্যস্তকৃত প্রচলিত বিনিময় দিয়ে দাও তাতেও কোন পাপ নেই। (২:২৩৩) |
فَلَا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ إِذَا سَلَّمْتُم مَّا آتَيْتُم بِالْمَعْرُوفِ |
আদায় করা, বিনিময় প্রদান করা |
سَلَّمَ-يُسَلِّمُ (تَسْلِيمٌ) |
এবং তিনিই জ্ঞানময়, সর্বজ্ঞ। (৬:১৮) |
وَهُوَ الْحَكِيمُ الْخَبِيرُ |
পূর্ণজ্ঞাত, সর্বজ্ঞ, বিজ্ঞ, জ্ঞানী |
خَبِيرٌ |
কোন দোষ নেই, যেদিকে তোমরা ইংগিত কর। (২:২৩৫) |
وَلَا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ فِيمَا عَرَّضْتُم |
ইংগিত করা |
عَرَّضَ-يُعَرِّضُ |
অতঃপর তিনি তাঁর দিকে ইঙ্গিত করলেন। (১৯:২৯) |
فَأَشَارَتْ إِلَيْهِ |
ইশারা করা, ইঙ্গিত করা, পরামর্শ দেওয়া |
أَشَارَ-يُشِيرُ |
তোমার জন্য নিদর্শন হলো এই যে, তুমি তিন দিন পর্যন্ত কারও সাথে কথা বলবে না, ইশারা ছাড়া। (৩:৪১) |
قَالَ آيَتُكَ أَلَّا تُكَلِّمَ النَّاسَ ثَلَاثَةَ أَيَّامٍ إِلَّا رَمْزًا |
ইশারা, আকার, ইঙ্গিত, সঙ্কেত |
رَمْزٌ |
কোন দোষ নেই, যেদিকে যা দ্বারা তোমরা বিয়ের প্রস্তাবের দিকে ইংগিত কর। (২:২৩৫) |
وَلَا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ فِيمَا عَرَّضْتُم بِهِ مِنْ خِطْبَةِ النِّسَاءِ |
বিয়ের প্রস্তাব |
خِطْبَةٌ |
অথবা বিয়ের চুক্তি যার হাতে সে যদি ক্ষমা করে দেয়। (২:২৩৭) |
أَوْ يَعْفُوَ الَّذِي بِيَدِهِ عُقْدَةُ النِّكَاحِ |
বন্ধন, চুক্তি |
عُقْدَةٌ (ج) عُقَدٌ |
যদি তাদের থেকে প্রয়োজন পূরণ করে থাকে। (৩৩:৩৭) |
إِذَا قَضَوْا مِنْهُنَّ وَطَرًا |
কামনা, প্রয়োজন |
وَطَرٌ |
তোমরা কাফেরদের সাথে বিবাহবন্ধন আঁকড়ে ধরে থেকো না। (৬০:১০) |
وَلَا تُمْسِكُوا بِعِصَمِ الْكَوَافِرِ |
আকড়ানোর বস্তু, রশি, বন্ধন, বিবাহবন্ধন, দাম্পত্য |
عِصْمَةٌ (ج) عِصَمٌ |
তাকে তার নির্ধারিত মোহর দান কর। (৪:২৪) |
فَآتُوهُنَّ أُجُورَهُنَّ فَرِيضَةً |
মোহর |
فَرِيضَةٌ |
আর তোমরা স্ত্রীদেরকে তাদের মোহর দিয়ে দাও খুশীমনে। (৪:৪) |
وَآتُوا النِّسَاءَ صَدُقَاتِهِنَّ نِحْلَةً |
মোহরানা, বধুপণ, দেনমোহর, স্ত্রীপণ |
صَدُقَةٌ (ج) صَدُقَاتٌ |
সুতরাং যদি তোমরা ভয় করো, তাহলে হেঁটে কিংবা আরোহী হয়ে। (২:২৩৯) |
فَإِنْ خِفْتُمْ فَرِجَالًا أَوْ رُكْبَانًا |
আরোহী |
رُكْبَانٌ |
তোমার কাছে আসে পায়ে হেঁটে। (২২:২৭) |
يَأْتُوكَ رِجَالًا |
পদাতিক, পায়ে হাঁটা |
رَاجِلٌ (ج) رِجَالٌ |
এবং আক্রমন করো তোমার অশ্বারোহী পদাতিক সৈন্য দ্বারা। (১৭:৬৪) |
وَأَجْلِبْ عَلَيْهِم بِخَيْلِكَ وَرَجِلِكَ |
পদাতিক সৈন্য, পদব্রজী বাহিনী, পদযাত্রী সৈন্যদল |
رَجِلٌ |
যে আল্লাহকে উত্তম ধার দিবে। (৫৭:১১) |
يُقْرِضُ اللَّهَ قَرْضًا حَسَنًا |
ধার দেয়া |
قَرَضَ-يَقْرِضُ |
যখন তোমরা কোন নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে ঋনের আদান-প্রদান কর, তখন তা লিপিবদ্ধ করে নাও। (২:২৮২) |
إِذَا تَدَايَنتُم بِدَيْنٍ إِلَىٰ أَجَلٍ مُّسَمًّى فَاكْتُبُوهُ |
ঋণ করা, ঋণ গ্রহণ করা, লেনদেন করা, |
تَدَايَنَ-يَتَدَايَنُ |
এবং আল্লাহকে উত্তম ঋণ দাও। (৭৩:২০) |
وَأَقْرِضُوا اللَّهَ قَرْضًا حَسَنًا |
ঋণ, কর্জ, ধার, দেনা |
قَرْضٌ |
ওছিয়্যতের পর, যা অসিয়ত করে গেছে কিংবা ঋণ পরিশোধের পর। (৪:১১) |
مِن بَعْدِ وَصِيَّةٍ يُوصِي بِهَا أَوْ دَيْنٍ |
ঋন, ধার, কর্জ, দেনা |
دَيْنٌ |
আল্লাহই সংকোচিত করেন এবং তিনিই প্রশস্ততা দান করেন এবং তাঁরই নিকট তোমরা সবাই ফিরে যাবে। (২:২৪৫) |
وَاللَّهُ يَقْبِضُ وَيَبْسُطُ وَإِلَيْهِ تُرْجَعُونَ |
সংকুচিত করা |
قَبَضَ-يَقْبِضُ (قَبْضٌ) |
তাদেরকে কষ্ট দেওয়ার জন্য তাদের উপর সংকীর্ণ করোনা। (৬৫:৬) |
وَلَا تُضَارُّوهُنَّ لِتُضَيِّقُوا عَلَيْهِنَّ |
সংকীর্ণ করা, অপ্রশস্ত করা, অপ্রসন্ন করা |
ضَيَّقَ-يُضَيِّقُ |
এবং তিনি স্বাস্থ্য ও জ্ঞানের দিক দিয়ে তাকে প্রাচুর্য দান করেছেন। (২-২৪৭) |
وَزَادَهُ بَسْطَةً فِي الْعِلْمِ وَالْجِسْمِ |
দেহ, দেহ, আকৃতি |
جِسْمٌ ج أَجْسَامٌ |
অতএব আজকের দিনে বাঁচিয়ে দিচ্ছি আমি তোমার দেহকে। (১০-৯২) |
فَالْيَوْمَ نُنَجِّيكَ بِبَدَنِكَ |
হৃষ্টপুষ্ট শরীর, স্থূলদেহ |
بَدَنٌ |
আমি তাদেরকে এমন দেহ বিশিষ্ট করিনি যে,তারা খাদ্য ভক্ষণ করত না এবং তারা চিরস্থায়ীও ছিল না। (২১-৮)
|
وَمَا جَعَلْنَاهُمْ جَسَدًا لَّا يَأْكُلُونَ الطَّعَامَ وَمَا كَانُوا خَالِدِينَ |
শরীর, দেহ, অবয়ব |
جَسَدٌ |
যে,তুমি তাকে (মূসাকে) সিন্দুকে রাখ। (২০-৩৯)
|
أَنِ اقْذِفِيهِ فِي التَّابُوتِ |
সিন্দুক |
تَابُوت |
তার (তালূতের) নেতৃত্বের চিহ্ন হলো এই যে,তোমাদের কাছে একটা সিন্দুক আসবে তোমাদের পালকর্তার পক্ষ থেকে তোমাদের মনের সন্তুষ্টির নিমিত্তে। (২-২৪৮) |
إِنَّ آيَةَ مُلْكِهِ أَن يَأْتِيَكُمُ التَّابُوتُ فِيهِ سَكِينَةٌ مِّن رَّبِّكُمْ |
প্রশান্তি |
سَكِينَةٌ |
আর তাতে থাকবে মূসা,হারুন এবং তাঁদের সন্তানবর্গের পরিত্যক্ত কিছু সামগ্রী।(২-২৪৮) |
وَبَقِيَّةٌ مِّمَّا تَرَكَ آلُ مُوسَىٰ وَآلُ هَارُونَ |
অবশিষ্ঠাংশ, শ্রেষ্ঠত্ব, পুণ্য |
بَقِيَّةٌ |
আপনি তাদের কোন অস্তিত্ব দেখতে পান কি? (৬৯-৮) |
فَهَلْ تَرَىٰ لَهُم مِّن بَاقِيَةٍ |
অবশিষ্ট বস্তু, স্থায়ী |
بَاقٍ (بَاقِيَةٌ) ج بَاقُونَ (بَاقِيَاتٌ) |
এবং সুদের যে সমস্ত বকেয়া আছে, তা পরিত্যাগ কর। (২-২৭৮) |
وَذَرُوا مَا بَقِيَ مِنَ الرِّبَا |
অবশিষ্ট থাকা, স্থায়ী থাকা |
بَقِيَ-يَبْقَى |
এটা অক্ষত রাখবে না এবং ছাড়বেও না। (৭৪-২৮) |
لَا تُبْقِي وَلَا تَذَرُ |
অবশিষ্ট রাখা, স্থায়ী রাখা, দীর্ঘস্থায়ী করা |
أَبْقَى-يُبْقِي |
যারা আরশ বহন করে এবং যারা তার চারপাশে আছে, তারা তাদের পালনকর্তার সপ্রশংস পবিত্রতা বর্ণনা করে।(৪০-৭) |
الَّذِينَ يَحْمِلُونَ الْعَرْشَ وَمَنْ حَوْلَهُ يُسَبِّحُونَ بِحَمْدِ رَبِّهِمْ |
বহন করা, ভ্রমণ করা, গর্ভধারন করা, |
حَمَلَ-يَحْمِلُ |
অতঃপর স্রোতধারা স্ফীত ফেনারাশি উপরে নিয়ে আসে। (১৩-১৭) |
فَاحْتَمَلَ السَّيْلُ زَبَدًا رَّابِيًا |
বহন করা, সহ্য করা, সধৈর্যে বহন করা |
احْتَمَلَ-يَحْتَمِلُ |
(কিতাবে) এই আছে যে, কোন ব্যক্তি কারও গোনাহ নিজে বহন করবে না। (৫৩-৩৮) |
أَلَّا تَزِرُ وَازِرَةٌ وِزْرَ أُخْرَىٰ |
বোঝা বহন করা, ভার গ্রহণ করা |
وَزَرَ-يَزِرُ |
এমনকি যখন বায়ুরাশি পানিপূর্ন মেঘমালা বয়ে আনে, তখন আমি এ মেঘমালাকে একটি মৃত শহরের দিকে হাঁকিয়ে দেই। (৭-৫৭) |
حَتَّىٰ إِذَا أَقَلَّتْ سَحَابًا ثِقَالًا سُقْنَاهُ لِبَلَدٍ مَّيِّتٍ |
সহজে বহন করা, হালকা ভারে বহন করা, |
أَقَلَّ-يُقِلُّ |
এতে নিদর্শনাবলী রয়েছে এবং আমি পরীক্ষাকারী। (২৩-৩০) |
إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَاتٍ وَإِن كُنَّا لَمُبْتَلِينَ |
যে পরীক্ষা করে |
مُبْتَلٍ ج مُبْتَلُونَ |
সে ব্যতীত যে হাতের আঁজলা ভরে (সামান্য খেয়ে) নেবে।(২-২৪৯) |
إِلَّا مَنِ اغْتَرَفَ غُرْفَةً بِيَدِهِ |
আঁজলা ভরে নেয়া |
اِغْتَرَفَ-يَغْتَرِفُ |
সে ব্যতীত যে হাতের আঁজলা ভরে (সামান্য খেয়ে) নেবে।(২-২৪৯) |
إِلَّا مَنِ اغْتَرَفَ غُرْفَةً بِيَدِهِ |
এক আঁজলা |
غُرْفَةٌ |
ছোট দল আল্লাহ্র হুকুমে বড় দলকে পরাজিত করেছে। (২-২৪৯) |
كَم مِّن فِئَةٍ قَلِيلَةٍ غَلَبَتْ فِئَةً كَثِيرَةً بِإِذْنِ اللَّهِ |
জয়ী হওয়া |
غَلَبَ-يَغْلِبُ (غَلَبٌ) |
অতএব আল্লাহ্র হুকুমে তারা তাদের পরাজিত করল (২-২৫১) |
فَهَزَمُوهُم بِإِذْنِ اللَّهِ |
পরাজিত করা, পরাভূত করা, |
هَزَمَ-يَهْزُمُ |
পরিশেষে যখন তোমরা তাদের পরাজিত করবে তখন মজবুত করে বাঁধবে (৪৭-৪) |
حَتَّىٰ إِذَا أَثْخَنتُمُوهُمْ فَشُدُّوا الْوَثَاقَ |
পরাভূত করা, প্রবল হওয়া, হত্যা করা, |
أَثْخَنَ-يُثْخِنُ |
তাদের উপরে তিনি তোমাদের বিজয় দান করার পরে। (৪৮-২৪) |
بَعْدِ أَنْ أَظْفَرَكُمْ عَلَيْهِمْ |
জয় করা, বিজয় করা, জয়ী বানানো, |
أَظْفَرَ-يُظْفِرُ |
আজ যে জয়ী হবে,সেই সফলকাম হবে। (২০-৬৪) |
وَقَدْ أَفْلَحَ الْيَوْمَ مَنِ اسْتَعْلَىٰ |
জয়ী হওয়া, কর্তৃত্ব লাভ করা |
اسْتَعْلَى-يَسْتَعْلِي |
আমাদেরকে দৃঢ়পদ রাখ। (২-২৫০) |
ثَبِّتْ أَقْدَامَنَا |
অবিচল রাখা, দৃঢ়পদ করা, |
ثَبَّتَ-يُثَبِّتُ (تَثْبِيتٌ) |
আমি তাদের মন দৃঢ় করেছিলাম। (১৮-১৪) |
وَرَبَطْنَا عَلَىٰ قُلُوبِهِمْ |
বাঁধা, দৃঢ় করা, |
رَبَطَ-يَرْبِطُ |
যারা বলে, আমাদের পালনকর্তা আল্লাহ অতঃপর অবিচল থাকে। (৪৬-১৩) |
قَالُوا رَبُّنَا اللَّهُ ثُمَّ اسْتَقَامُوا |
অটল থাকা, দৃঢ়পদ থাকা, সোজা চলা, সঠিক হওয়া, |
اِسْتَقَامَ-يَسْتَقِيمُ |
আল্লাহ যদি একজনকে অপরজনের দ্বারা প্রতিহত না করতেন, তাহলে গোটা দুনিয়া বিধ্বস্ত হয়ে যেতো। (২-২৫১) |
وَلَوْلَا دَفْعُ اللَّهِ النَّاسَ بَعْضَهُم بِبَعْضٍ لَّفَسَدَتِ الْأَرْضُ |
প্রতিহত |
دَفْعٌ |
কাফেরদের জন্যে, যার প্রতিরোধকারী কেউ নেই।(৭০-২) |
لِّلْكَافِرِينَ لَيْسَ لَهُ دَافِعٌ |
প্রতিহতকারী |
دَافِعٌ |
আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই, তিনি চিরঞ্জীব,সবকিছুর ধারক। (২-২৫৫) |
اللَّهُ لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ |
চিরকায়েম, স্বাধিষ্ঠপ্রভু, স্রষ্টানিয়ন্তা |
قَيُّومٌ |
তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না এবং নিদ্রাও নয়। (২-২৫৫) |
لَا تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ |
তন্দ্রা |
سِنَةٌ |
যখন তিনি আরোপ করেন তোমাদের উপর তন্দ্রাচ্ছন্ন তা নিজের পক্ষ থেকে তোমাদের প্রশান্তির জন্য। (৮-১১) |
إِذْ يُغَشِّيكُمُ النُّعَاسَ أَمَنَةً مِّنْهُ |
তন্দ্রা, ঝিমুনি, নিদ্রাবেশ, প্রমীলা, ঘুমঘুম ভাব, অবসাদ, শ্রান্তি |
نُعَاسٌ |
তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না এবং নিদ্রাও নয়। (২-২৫৫) |
لَا تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ |
ঘুম |
نَومٌ |
তারা ঘুমন্ত ছিল। (৬৮-১৯) |
هُمْ نَائِمُونَ |
ঘুমন্ত |
نَائِمٌ ج نَائِمُونَ |
তুমি মনে করবে তারা জাগ্রত, অথচ তারা নিদ্রিত। (১৮-১৮) |
وَتَحْسَبُهُمْ أَيْقَاظًا وَهُمْ رُقُودٌ |
ঘুমন্ত, নিদ্রিত, নিদ্রামগ্ন, নিদ্রাচ্ছন্ন, ঘুমকাতর |
رَاقِدٌ ج رُقُودٌ |
তাদের কাছে আমার আযাব রাত্রি বেলায় পৌছেছে অথবা দ্বিপ্রহরে বিশ্রামরত অবস্থায়। (৭-৪) |
فَجَاءَهَا بَأْسُنَا بَيَاتًا أَوْ هُمْ قَائِلُونَ |
দুপুরে নিদ্রামগ্ন, দুপুরে শোয়া ব্যক্তি, দ্বিপ্রহরে নিদ্রাবস্থা |
قَائِلٌ |
তারা রাত্রির সামান্য অংশেই নিদ্রা যেত। (৫১-১৭) |
كَانُوا قَلِيلًا مِّنَ اللَّيْلِ مَا يَهْجَعُونَ |
ঘুমানো, নিদ্রা যাওয়া, শয়ন করা |
هَجَعَ-يَهْجَعُ |
তুমি মনে করবে তারা জাগ্রত, অথচ তারা নিদ্রিত। (১৮-১৮) |
وَتَحْسَبُهُمْ أَيْقَاظًا وَهُمْ رُقُودٌ |
জাগ্রত, নির্ঘুম, সজাগ, অনিদ্রা |
أَيْقَاظٌ |
আর সেগুলোকে ধারণ করা তাঁর পক্ষে কঠিন নয়। (২-২৫৫) |
وَلَا يَئُودُهُ حِفْظُهُمَا |
ক্লান্ত করা, অবসন্ন করা |
آدَ-يَؤُودُ |
নিশ্চয় তিনি সর্বোচ্চ প্রজ্ঞাময়। (৪২-৫১) |
إِنَّهُ عَلِيٌّ حَكِيمٌ |
সুউচ্চ |
عَلِيٌّ، عَالٍ |
তিনি সকল গোপন ও প্রকাশ্য বিষয় অবগত,মহোত্তম,সর্বোচ্চ মর্যাদাবান। (১৩-১৯) |
عَالِمُ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ الْكَبِيرُ الْمُتَعَالِ |
সর্বোচ্চ মর্যাদাবান, মহামহিয়ান, সুমহান |
مُتْعَالٍ |
এটা নীচু করে দেবে,সমুন্নত করে দেবে। (৫৬-৩) |
خَافِضَةٌ رَّافِعَةٌ |
উচ্চকারী, উঁচুকারী, উন্নিতকারী, উত্তোলনকারী, |
رَافِعٌ |
যাতে তারা যথেষ্ট অপমানিত হয়।(৪১-২৯) |
لِيَكُونَا مِنَ الْأَسْفَلِينَ |
নিম্নমুখী, অধমুখী, তলদেশ, নিকৃষ্ট, অধম |
سَافِلٌ ج سَافِلُونَ |
আর আমাদের মধ্যে যারা ইতর ও স্থুল-বুদ্ধিসম্পন্ন তারা ব্যতীত কাউকে তো আপনার আনুগত্য করতে দেখি না (১১-২৭) |
وَمَا نَرَاكَ اتَّبَعَكَ إِلَّا الَّذِينَ هُمْ أَرَاذِلُنَا بَادِيَ الرَّأْيِ |
থুড়থুড়ে বুড়ো, থুত্থুড়ে, জরাগ্রস্ত |
أَرْذَل ج أَرْذَلُونَ، أَرَاذِلُ |
এটা নীচু করে দেবে,সমুন্নত করে দেবে। (৫৬-৩) |
خَافِضَةٌ رَّافِعَةٌ |
অবনতকারী |
خَافِضَةٌ |
দ্বীনের ব্যাপারে কোন জবরদস্তি বা বাধ্য-বাধকতা নেই। (২-২৫৬) |
لَا إِكْرَاهَ فِي الدِّينِ |
জবরদস্তি |
إكْرَاهٌ |
সে বলপ্রয়োগে প্রত্যেকটি নৌকা ছিনিয়ে নিত। (১৮-৭৯) |
يَأْخُذُ كُلَّ سَفِينَةٍ غَصْبًا |
ছিনিয়ে নেওয়া, জোরপূর্বক নেওয়া, শোষণ করা |
غَصَبٌ |
সে ধারণ করে নিয়েছে সুদৃঢ় হাতল। (২-২৫৬) |
فَقَدِ اسْتَمْسَكَ بِالْعُرْوَةِ الْوُثْقَىٰ |
আঁকড়ে ধরা |
اسْتَمْسَكَ-يَسْتَمْسِكُ |
আর তোমরা সকলে আল্লাহর রজ্জুকে সুদৃঢ় হস্তে ধারণ কর। (৩-১০৩) |
وَاعْتَصِمُوا بِحَبْلِ اللَّهِ جَمِيعًا |
আকড়ে ধরা, শক্ত করে ধরা, ধারণ করা |
اعْتَصَمَ-يَعْتَصِمُ |
আর যেসব লোক সুদৃঢ়ভাবে কিতাবকে আঁকড়ে থাকে। (৭-১৭০) |
وَالَّذِينَ يُمَسِّكُونَ بِالْكِتَابِ |
আটকে রাখা, আবদ্ধ রাখা, ধরে রাখা, ধারণ করা, |
مَسَّكَ-يُمَسِّكُ |
আমি কি তাদেরকে কোরআনের পূর্বে কোন কিতাব দিয়েছি, অতঃপর তারা তাকে আঁকড়ে রেখেছে? (৪৩-২১) |
أَمْ آتَيْنَاهُمْ كِتَابًا مِّن قَبْلِهِ فَهُم بِهِ مُسْتَمْسِكُونَ |
আটককারী, বাধাদাতা, প্রতিবন্ধক, বিরতকারী |
مُسْتَمْسِكٌ ج مُسْتَمْسِكُونَ |
সে ধারণ করে নিয়েছে সুদৃঢ় হাতল। (২-২৫৬) |
فَقَدِ اسْتَمْسَكَ بِالْعُرْوَةِ الْوُثْقَىٰ |
হাতল |
عُرْوَةٌ |
সে ধারণ করে নিয়েছে সুদৃঢ় হাতল। (২-২৫৬) |
فَقَدِ اسْتَمْسَكَ بِالْعُرْوَةِ الْوُثْقَىٰ |
মজবুত |
وُثْقَى |
আল্লাহ তা’আলা মুমিনদেরকে মজবুত বাক্য দ্বারা মজবুত করেন। (১৪-২৭) |
يُثَبِّتُ اللَّهُ الَّذِينَ آمَنُوا بِالْقَوْلِ الثَّابِتِ |
সুদৃঢ়, মজবুত, অটল, প্রমাণযোগ্য |
ثَابِتٌ |
নিঃসন্দেহে আমার কৌশল সুনিপুণ। (৭-১৮৩) |
إِنَّ كَيْدِي مَتِينٌ |
সুদৃঢ়, মজবুত, প্রচণ্ড, শক্ত, প্রচণ্ড শক্তি |
مَتِينٌ |
কিন্তু যারা তাদের মধ্যে জ্ঞানপক্ক ও ঈমানদার,তারা তা মান্য করে যা আপনার উপর অবতীর্ণ হয়েছে। (৪-১৬২) |
لَّٰكِنِ الرَّاسِخُونَ فِي الْعِلْمِ مِنْهُمْ وَالْمُؤْمِنُونَ يُؤْمِنُونَ بِمَا أُنزِلَ إِلَيْكَ |
সুদক্ষ, পণ্ডিত, পারদর্শী, সুগভীর, বিশেষজ্ঞ, বিচক্ষণ |
رَاسِخٌ ج رَاسِخُونَ |
যা ভাংবার নয়। (২-২৫৬) |
لَا انفِصَامَ لَهَا |
ছিন্নতা |
انْفِصَامٌ |
অতঃপর যে কুফুরি করেছিল সে হতভম্ব হয়ে গেল। (২-২৫৮) |
فَبُهِتَ الَّذِي كَفَرَ |
নিরুত্তর করা, হতভম্ব বানানো, |
بَهَتَ-يَبْهَتُ |
যেগুলোর উপর দিয়ে তারা পথ অতিক্রম করে এবং তারা এসবের দিকে মনোনিবেশ করে না। (১২-১০৫) |
يَمُرُّونَ عَلَيْهَا وَهُمْ عَنْهَا مُعْرِضُونَ |
পাশ দিয়ে যাওয়া, অতিক্রম করা |
مَرَّ-يَمُرُّ |
তারপর তিনি যখন উহা পার হয়ে গেলেন। (২-২৪৯) |
فَلَمَّا جَاوَزَهُ |
অতিক্রম করা, পার হওয়া, ক্ষমা করা |
جَاوَزَ-يُجَاوِزُ |
আর রাত্রির কথা যখন তা বিগত হয়। (৮৯-৪) |
وَاللَّيْلِ إِذَا يَسْرِ |
গত হওয়া, বিদায় নেওয়া, রাত পোহানো |
سَرَى-يَسْرِي |
যদি তোমরা বের হয়ে যাওয়ার ক্ষমতা রাখ। (৫৫-৩৩) |
إِنِ اسْتَطَعْتُمْ أَن تَنفُذُ |
বের হয়ে যাওয়া, অতিক্রম করা, |
نَفَذَ-يَنْفُذُ |
এই সব (জনপদ) এখন ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে। (২২-৪৫) |
فَهِيَ خَاوِيَةٌ عَلَىٰ عُرُوشِهَا |
উপুড় হয়ে পড়ে থাকা |
خَاوِيَةٌ |
নিজেদের গৃহে উপুড় হয়ে পড়ে রইল।(২৯-১৭) |
فَأَصْبَحُوا فِي دَارِهِمْ جَاثِمِينَ |
অধোমুখী, অধোবদন, উপুড় হয়ে, হুমড়িয়ে পতিত |
جَاثِمٌ ج جَاثِمُونَ |
তাদের সংবাদ কি এদের কানে এসে পৌঁছায়নি, যারা ছিল তাদের পূর্বে; নূহের আ’দের ও সামুদের সম্প্রদায় এবং ইব্রাহীমের সম্প্রদায়ের এবং মাদইয়ানবাসীদের? এবং সেসব জনপদের যেগুলোকে উল্টে দেয়া হয়েছিল? (৯-৭০) |
أَلَمْ يَأْتِهِمْ نَبَأُ الَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ قَوْمِ نُوحٍ وَعَادٍ وَثَمُودَ وَقَوْمِ إِبْرَاهِيمَ وَأَصْحَابِ مَدْيَنَ وَالْمُؤْتَفِكَاتِ |
উল্টোমুখী, বিধস্ত |
مُؤْتِفِكَةٌ ج مُؤْتِفِكَاتٌ |
এবার চেয়ে দেখ নিজের খাবার ও পানীয়ের দিকে-সেগুলো পচে যায় নি। (২-২৫৯) |
فَانظُرْ إِلَىٰ طَعَامِكَ وَشَرَابِكَ لَمْ يَتَسَنَّهْ |
পচে যাওয়া |
تَسَنَّهَ-يَتَسَنَّهُ |
এবং দেখ নিজের গাধাটির দিকে।(২-২৫৯) |
وَانظُرْ إِلَىٰ حِمَارِكَ |
গাধা |
حِمَارٌ ج حُمُرٌ، حَمِيرٌ |
আর হাড়গুলোর দিকে চেয়ে দেখ। (২-২৫৯) |
وَانظُرْ إِلَى الْعِظَامِ |
হাড় |
عَظْمٌ ج عِظَامٌ |
যাতে অন্তরে প্রশান্তি লাভ করতে পারি।(২-২৬০) |
وَلَٰكِن لِّيَطْمَئِنَّ قَلْبِي |
প্রশান্তি লাভ করা |
اِطْمَأَنَّ-يَطْمَئِنُّ |
হে প্রশান্ত মন। (৮৯-২৭) |
يَا أَيَّتُهَا النَّفْسُ الْمُطْمَئِنَّةُ |
প্রশান্ত |
مُطْمَئِنٌّ (مُطْمَئِنَّةٌ) |
তাহলে চারটি পাখী ধরে নাও।(২-২৬০) |
فَخُذْ أَرْبَعَةً مِّنَ الطَّيْرِ |
পাখি |
طَيْرٌ |
যত প্রকার পাখী দু’ ডানাযোগে উড়ে বেড়ায়। (৬-৩৮) |
طَائِرٍ يَطِيرُ بِجَنَاحَيْهِ |
অশুভ লক্ষণ, অলক্ষ্মণ, অলক্ষ্মী পাখী, অশুভপাখী |
طَائِرٌ |
অতঃপর সেগুলোকে নিজের পোষ মানিয়ে নাও। (২-২৬০) |
فَصُرْهُنَّ إِلَيْكَ |
পোষ মানানো |
صَارَ-يَصُورُ |
অতঃপর প্রত্যেক পাহাড়ের উপর রেখে দেও ... (২-২৬০) |
ثُمَّ اجْعَلْ عَلَىٰ كُلِّ جَبَلٍ |
পাহাড় |
جَبَلٌ ج جِبَالٌ |
বিশাল পর্বতসদৃশ। (২৬-৬৩) |
كَالطَّوْدِ الْعَظِيمِ |
পর্বত, মহাপর্বত, পর্বতচূড়া |
طَوْدٌ |
সমুদ্রে ভাসমান পর্বতসম জাহাজসমূহ তাঁর অন্যতম নিদর্শন। (৪২-৩২) |
وَمِنْ آيَاتِهِ الْجَوَارِ فِي الْبَحْرِ كَالْأَعْلَامِ |
পাহাড়, পর্বত, গিরি, প্রাসাদ, টাওয়ার |
عَلَمٌ ج أَعْلَامٌ |
তিনি পৃথিবীতে স্থাপন করেছেন পর্বতমালা। (৩১-১০) |
وَأَلْقَىٰ فِي الْأَرْضِ رَوَاسِيَ |
স্থিরক, স্থিরকারী পাহাড় পর্বত, অনঢ়পাহাড়, |
رَاسٍ ج رَوَاسٍ |
যখন পাহাড়ের মধ্যবর্তী ফাঁকা স্থান পূর্ণ হয়ে গেল। (১৮-৯৬) |
إِذَا سَاوَىٰ بَيْنَ الصَّدَفَيْنِ |
দুই পর্বতের পার্শ্ব |
صَدَفٌ |
এবং ঐ বৃক্ষ সৃষ্টি করেছি, যা সিনাই পর্বতে জন্মায়। (২৩-২০) |
وَشَجَرَةً تَخْرُجُ مِن طُورِ سَيْنَاءَ |
তুর পর্বত, সিনাই পর্বত |
طُورٌ |
এবং তা থেকে উৎপন্ন করি শস্য। (৩৬-৩৩) |
وَأَخْرَجْنَا مِنْهَا حَبًّا |
দানা, বীজ, শস্য |
حَبٌّ، حَبَّةٌ |
নিশ্চয় আল্লাহই বীজ ও আঁটি থেকে অঙ্কুর সৃষ্টিকারী। (৬-৯৫) |
إِنَّ اللَّهَ فَالِقُ الْحَبِّ وَالنَّوَىٰ |
আঁটি, খেজুরের আঁটি, বিচি |
نَوَاةٌ ج نَوًى |
যা থেকে সাতটি শীষ জন্মায়। (২-২৬১) |
أَنبَتَتْ سَبْعَ سَنَابِلَ |
শীষ |
سُنْبُلٌ، سُنْبُلَةٌ ج سَنَابِلُ، سُنْبُلَاتٌ |
সে ব্যক্তির মত যে নিজের ধন-সম্পদ লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে ব্যয় করে। (২-২৬৪) |
كَالَّذِي يُنفِقُ مَالَهُ رِئَاءَ النَّاسِ |
লোক দেখানো |
رِئَاءٌ |
যারা তা লোক-দেখানোর জন্য করে। (১০৭-৬) |
الَّذِينَ هُمْ يُرَاءُونَ |
লোক দেখানো, রিয়া করা, প্রদর্শন করা, |
رَاءَى-يُرَائِي |
অতএব, এ ব্যাক্তির দৃষ্টান্ত একটি মসৃণ পাথরের মত যার উপর কিছু মাটি পড়েছিল। (২-২৬৪) |
فَمَثَلُهُ كَمَثَلِ صَفْوَانٍ عَلَيْهِ تُرَابٌ |
মাটি |
تُرَابٌ |
আমি মানুষকে মাটির সারাংশ থেকে সৃষ্টি করেছি। (২৩-১২) |
وَلَقَدْ خَلَقْنَا الْإِنسَانَ مِن سُلَالَةٍ مِّن طِينٍ |
কাদামাটি |
طِينٌ |
আপনি তাকে পচা কর্দম থেকে তৈরী ঠনঠনে বিশুষ্ক মাটি দ্বারা সৃষ্টি করেছেন। (১৫-৩৩) |
خَلَقْتَهُ مِن صَلْصَالٍ مِّنْ حَمَإٍ مَّسْنُونٍ |
পচাকাদা |
حَمَأٌ، حَمِئَةٌ |
আমি মানবকে পচা কর্দম থেকে তৈরী বিশুস্ক ঠনঠনে মাটি দ্বারা সৃষ্টি করেছি। (১৫-২৬) |
وَلَقَدْ خَلَقْنَا الْإِنسَانَ مِن صَلْصَالٍ مِّنْ حَمَإٍ مَّسْنُونٍ |
শুকনো কাদা |
صَلْصَالٌ |
তিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন পোড়া মাটির ন্যায় শুষ্ক মৃত্তিকা থেকে। (৫৫-১৪) |
خَلَقَ الْإِنسَانَ مِن صَلْصَالٍ كَالْفَخَّارِ |
পোড়ামাটি |
فَخَّارٌ |
তবে পাক-পবিত্র মাটির দ্বারা তায়াম্মুম করে নাও। (৪-৪৩) |
فَتَيَمَّمُوا صَعِيدًا طَيِّبًا |
মাটি |
صَعِيدٌ |
এবং তাদের উপর কঙ্করের প্রস্থর বর্ষণ করলাম। (১৫-৭৪) |
وَأَمْطَرْنَا عَلَيْهِمْ حِجَارَةً مِّن سِجِّيلٍ |
নাম লিখা পাথর, নথিকৃত প্রস্তরখণ্ড, কঙ্কর, পাথর |
سِجِّيلٌ |
অতঃপর এর উপর প্রবল বৃষ্টি বর্ষিত হলো, অনন্তর তাকে সম্পূর্ণ পরিষ্কার করে দিল। (২-২৬৪) |
فَأَصَابَهُ وَابِلٌ فَتَرَكَهُ صَلْدًا |
শক্ত ও মসৃণ |
صَلْدٌ |
টিলায় অবস্থিত বাগানের মত উদহারন। (২-২৬৫) |
كَمَثَلِ جَنَّةٍ بِرَبْوَةٍ |
উঁচুভূমি, টিলা |
رَبْوَةٌ |
তুমি তাতে মোড় ও টিলা দেখবে না।(২০-১০৭) |
لَّا تَرَىٰ فِيهَا عِوَجًا وَلَا أَمْتًا |
টিলা, অসমতল, বন্ধুর |
أَمْتٌ |
তারা প্রত্যেক উচ্চভুমি থেকে দ্রুত ছুটে আসবে। (২১-৯৬) |
هُم مِّن كُلِّ حَدَبٍ يَنسِلُونَ |
টিলা, উচ্চস্থান, মালভূমি |
حَدَبٌ |
তোমরা কি প্রতিটি উচ্চস্থানে অযথা নিদর্শন নির্মান করছ? (২৬-১২৮) |
أَتَبْنُونَ بِكُلِّ رِيعٍ آيَةً تَعْبَثُونَ |
টিলা, পাহাড়, পর্বত, মালভূমি, উচ্চস্থান |
رِيْعٌ |
অতঃপর দ্বিগুণ ফসল দান করে। (২-২৬৫) |
فَآتَتْ أُكُلَهَا ضِعْفَيْنِ |
ফল, খাদ্য, অন্ন |
أُكُلٌ |
খেজুরের বাগান। (২-২৬৬) |
جَنَّةٌ مِّن نَّخِيلٍ |
খেজুর |
نَخْلٌ، نَخْلَةٌ، نَخِيلٌ |
তা থেকে তোমার উপর সুপক্ক খেজুর পতিত হবে। (১৯-২৫) |
تُسَاقِطْ عَلَيْكِ رُطَبًا جَنِيًّا |
পাকা খেজুর |
رُطَبٌ |
তোমরা যে কিছু কিছু খর্জুর বৃক্ষ কেটে দিয়েছ। (৫৯-৫) |
مَا قَطَعْتُم مِّن لِّينَةٍ |
খেজুর গাছ |
لِيْنَةٌ |
অবশেষে সে পুরাতন খর্জুর শাখার অনুরূপ হয়ে যায়। (৩৬-৩৯) |
حَتَّىٰ عَادَ كَالْعُرْجُونِ الْقَدِيمِ |
খেজুরের শাখা |
عُرْجُونٌ |
একটি খেজুর ও আঙ্গুরের বাগান। (২-২৫৬) |
جَنَّةٌ مِّن نَّخِيلٍ وَأَعْنَابٍ |
আঙ্গুর |
عِنَبٌ، عِنَبَةٌ ج أَعْنَابٌ |
সে বার্ধক্যে পৌছবে। (২-২৫৬) |
أَصَابَهُ الْكِبَرُ |
বার্ধক্য |
كِبَرٌ (كَبِرَ-يَكْبَرُ) |
অতঃপর শক্তির পর দেন দুর্বলতা ও বার্ধক্য। (৩০-৫৪) |
ثُمَّ جَعَلَ مِن بَعْدِ قُوَّةٍ ضَعْفًا وَشَيْبَةً |
চুলের শুভ্রতা, প্রবীণতা, বৃদ্ধদশা, বার্ধক্য, বার্ধক্যবশত |
شَيْبَةٌ |
বার্ধক্যে আমার মস্তক সুশুভ্র হয়েছে। (১৯-৪) |
وَاشْتَعَلَ الرَّأْسُ شَيْبًا |
শুভ্রোজ্জ্বল হওয়া, চুল পাকা, শুভ্র হওয়া, শুভ্রতা ধারণ করা |
اشْتَعَلَ-يَشْتَعِلُ |
অতঃপর তা পুড়ে গেল। (২-২৫৬) |
فَاحْتَرَقَتْ |
পুড়ে যাওয়া, ভস্মীভূত হওয়া |
اِحْتَرَقَ-يَحْتَرِقُ |
আর তারা শীঘ্রই প্রবেশ করবে জ্বলন্ত আগুনে। (৪-১০) |
وَسَيَصْلَوْنَ سَعِيرًا |
আগুনে প্রবেশ করা, দগ্ধ হওয়া, পোড়া |
صَلِيَ-يَصْلَى (صَلِيٌ) |
যতবার তাদের চামড়া পুরোপুরি পুড়ে যাবে। (৪-৫৬) |
كُلَّمَا نَضِجَتْ جُلُودُهُم |
পোড়া, দগ্ধ হওয়া, পুড়ে যাওয়া, ভস্ম হওয়া, ছাই হওয়া |
نَضِجَ-يَنْضَجُ |
তারা নিশ্চয়ই জাহান্নামে প্রবেশ করবে।(৩৮-৫৯) |
إِنَّهُمْ صَالُو النَّارِ |
অগ্নিতে প্রবেশকারী, অগ্নিদগ্ধ, দগ্ধিভূত |
صَالٍ ج صَلُونَ |
যদি না তোমরা তাতে চোখ বন্ধ করে নেও। (২-২৬৭) |
إِلَّا أَن تُغْمِضُوا فِيهِ |
চোখ বন্ধ করা |
أَغْمَضَ-يُغْمِضُ |
অজ্ঞ লোকেরা যাঞ্চা না করার কারণে তাদেরকে অভাবমুক্ত মনে করে। (২-২৭৩) |
يَحْسَبُهُمُ الْجَاهِلُ أَغْنِيَاءَ مِنَ التَّعَفُّفِ |
যাঞ্ছা না করা |
تَعَفُّفٌ |
এবং আহার করাও যে কিছু যাচ্ঞা করে না তাকে এবং যে যাচ্ঞা করে তাকে। (২২-৩৬) |
وَأَطْعِمُوا الْقَانِعَ وَالْمُعْتَرَّ |
অল্পেতুষ্ট, সংযমী, অভাবী |
قَانِعٌ |
তারা মানুষের কাছে কাকুতি-মিনতি করে ভিক্ষা চায় না। (২-২৭৩) |
لَا يَسْأَلُونَ النَّاسَ إِلْحَافًا |
নাছোড় |
إلْحَافٌ |
আল্লাহ তা’আলা সুদকে নিশ্চিহ্ন করেন। (২-২৭৬) |
يَمْحَقُ اللَّهُ الرِّبَا |
সুদ |
رِبَا |
যাকে শয়তান আসর করে মোহাবিষ্ট করে দেয়। (২-২৭৫) |
الَّذِي يَتَخَبَّطُهُ الشَّيْطَانُ مِنَ الْمَسِّ |
মোহাবিষ্ট করা, মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটানো, বিপদ্গ্রস্থ করা |
تَخَبَّطَ-يَتَخَبَّطُ |
যাকে শয়তানরা বনভুমিতে বিপথগামী করে দিয়েছে। (৬-৭১) |
كَالَّذِي اسْتَهْوَتْهُ الشَّيَاطِينُ فِي الْأَرْضِ |
প্রবৃত্তিপরায়ণ বানাতে চাওয়া, পদস্খলন কামনা করা, |
اسْتَهْوَى-يَسْتَهْوِي |
তোমরা এগুলোকে সফরকালে ও অবস্থান কালে পাও। (১৬-৮০) |
تَسْتَخِفُّونَهَا يَوْمَ ظَعْنِكُمْ وَيَوْمَ إِقَامَتِكُمْ |
উদ্ভ্রান্ত বানানো, বিচলিত করা, সহজে লাভ করা, হালকা মনে করা |
اسْتَخَفَّ-يَسْتَخِفُّ |
তাদের কাউকেই তোমরা তার (আল্লাহর) সম্পর্কে বিভ্রান্ত করতে পারবে না। (৩৭-১৬২) |
مَا أَنتُمْ عَلَيْهِ بِفَاتِنِينَ |
বিপদাপন্নকারী, বিপদ আনয়নকারী, বিপদগ্রস্তকারী, |
فَاتِنٌ ج فَاتِنُونَ |
পূর্বে যা হয়ে গেছে,তা তার। (২-২৭৫) |
فَلَهُ مَا سَلَفَ |
অতীত হওয়া |
سَلَفَ-يَسْلُفُ (سَلَفٌ) |
পূর্বে যা ঘটেছে। (২০-৯৯) |
مَا قَدْ سَبَقَ |
অগ্রীম হওয়া, আগে হওয়া, অগ্রগামী হওয়া, |
سَبَقَ-يَسْبِقُ (سَبْقٌ) |
বিগত দিনে তোমরা যা প্রেরণ করেছিলে। (৬৯-২৪) |
بِمَا أَسْلَفْتُمْ فِي الْأَيَّامِ الْخَالِيَةِ |
খালি, মুক্ত, গত, অতীত |
خَالِيَةٌ |
আল্লাহ তা’আলা সুদকে নিশ্চিহ্ন করেন। (২-২৭৫) |
يَمْحَقُ اللَّهُ الرِّبَا |
নির্মূল করা, নিশ্চিহ্ন করা |
مَحَقَ-يَمْحَقُ |
আল্লাহ যা ইচ্ছা মিটিয়ে দেন। (১৩-৩৯) |
يَمْحُو اللَّهُ مَا يَشَاءُ |
মুছে ফেলা, বিলীন করা, মুছে দেওয়া, নিশ্চিহ্ন করা, |
مَحَا-يَمْحُو |
তখন তা লিপিবদ্ধ করে নাও। (২-২৮২) |
فَاكْتُبُوهُ |
লেখক |
كَاتِبٌ |
লিপিকারের হস্তে। (৮০-১৫) |
بِأَيْدِي سَفَرَةٍ |
লেখক, লিপিকার |
سَافِرٌ ج سَفَرَةٌ |
যাঁর সম্পর্কে তারা নিজেদের কাছে রক্ষিত তওরাত ও ইঞ্জিলে লেখা দেখতে পায়। (৭-১৫৭) |
الَّذِي يَجِدُونَهُ مَكْتُوبًا عِندَهُمْ فِي التَّوْرَاةِ وَالْإِنجِيلِ |
লিখিত |
مَكْتُوبٌ |
এটা লিপিবদ্ধ খাতা। (৮৩-৯) |
كِتَابٌ مَّرْقُومٌ |
স্তরে স্তরে সন্নিবেশিত, স্তরবিশিষ্ট |
مَرْكُومٌ |
এবং লিখিত কিতাবের। (৫২-২) |
وَكِتَابٍ مَّسْطُورٍ |
লিপিবদ্ধ, লিখিত |
مَسْطُورٌ |
ছোট ও বড় সবই লিপিবদ্ধ।(৫৪-৫৩) |
وَكُلُّ صَغِيرٍ وَكَبِيرٍ مُّسْتَطَرٌ |
লিপিবদ্ধ, লিখিত |
مُسْتَطَرٌ |
"আর যা কিছু তাতে লেখা ছিল,তা ছিল সে সমস্ত লোকের জন্য হেদায়েত ও রহমত। (৭-১৫৪) |
وَفِي نُسْخَتِهَا هُدًى وَرَحْمَة |
অনুলিপি, প্রতিলিপি, কপি, নুসখা |
نُسْخَةٌ |
সে তা (লেখার বিষয়বস্তু) বলে দিতে অক্ষম হয়। (২-২৮২) |
لَا يَسْتَطِيعُ أَن يُمِلَّ هُوَ |
বলে দেয়া, নির্দেশনা দেয়া |
أَمَلَّ-يُمِلُّ |
তার উচিত অন্যের প্রাপ্য পরিশোধ করা। (২-২৮৩) |
فَلْيُؤَدِّ الَّذِي اؤْتُمِنَ أَمَانَتَهُ |
আদায় করা, পরিশোধ করা, প্রাপ্য দেয়া |
أَدَّى-يُؤَدِّي |
তার উচিত অন্যের প্রাপ্য পরিশোধ করা। (২-২৮৩) |
فَلْيُؤَدِّ الَّذِي اؤْتُمِنَ أَمَانَتَهُ |
আমানত রাখা, গচ্ছিত থাকা |
ائْتَمَنَ-يَأْتَمِنُ |
তোমরা যদি তাদের কাছে বহু ধন-সম্পদ আমানত রাখ, তাহলেও তা তোমাদের যথারীতি পরিশোধ করবে। (৩-৭৫) |
مَنْ إِن تَأْمَنْهُ بِقِنطَارٍ يُؤَدِّهِ إِلَيْكَ |
আমানত রাখা, বিশ্বাস করা, নিরাপদ থাকা, নিশ্চিত হওয়া |
أَمِنَ-يَأْمَنُ |
বিশ্বস্ত ফেরেশতা একে নিয়ে অবতরণ করেছে। (২৬-১৯৩) |
نَزَلَ بِهِ الرُّوحُ الْأَمِينُ |
বিশ্বস্ত, ভরসাস্থল, নিরাপদ |
أَمِينٌ |
তোমরা এটা লিখতে অলসতা করোনা। (২-২৮২) |
وَلَا تَسْأَمُوا أَن تَكْتُبُوهُ |
অবজ্ঞা করা |
سَئِمَ-يَسْأَمُ |
অহংকারবশে তুমি মানুষকে অবজ্ঞা করো না। (৩১-১৮) |
وَلَا تُصَعِّرْ خَدَّكَ لِلنَّاسِ |
ঘৃণায় মুখ ফিরানো, মুখ বাঁকানো, মুখভার করা |
صَعَّرَ-يُصَعِّرُ |
মসীহ আল্লাহর বান্দা হবেন, তাতে তার কোন লজ্জাবোধ নেই। (৪-১৭২) |
لَّن يَسْتَنكِفَ الْمَسِيحُ أَن يَكُونَ عَبْدًا لِّلَّهِ |
লাঞ্ছিত মনে করা, লজ্জাবোধ |
اِسْتَنْكَفَ -يَسْتَنْكِفُ |
তোমাদের দৃষ্টিতে যারা লাঞ্ছিত। (১১-৩১) |
تَزْدَرِي أَعْيُنُكُمْ |
ঘৃণা করা, তুচ্ছ ভাবা, তাচ্ছিল্য করা, |
ازْدَرَى-يَزْدَرِي |
তারা বলবেঃ হায় আফসোস, এর ব্যাপারে আমরা কতই না ক্রটি করেছি।(৬-৩১) |
قَالُوا يَا حَسْرَتَنَا عَلَىٰ مَا فَرَّطْنَا فِيهَا |
অতিছাড় দেওয়া, নরমানো, কমানো, লাঘব করা, |
فَرَّطَ-يُفَرٍّطُ |
তবুও কি তোমরা এই বাণীর প্রতি শৈথিল্য পদর্শন করবে? (৫৬-৮১) |
أَفَبِهَٰذَا الْحَدِيثِ أَنتُم مُّدْهِنُونَ |
শিথিলকারী, |
مُدْهِنٌ ج مُدْهِنُونَ |
সোজা দাঁড়ি-পাল্লায় ওজন কর। (২৬-১৮২) |
وَزِنُوا بِالْقِسْطَاسِ الْمُسْتَقِيمِ |
ন্যায়সঙ্গত |
قِسْطٌ |
এমতাবস্থায় এটা তো হবে খুবই অসংগত বন্টন। (৫৩-২২) |
تِلْكَ إِذًا قِسْمَةٌ ضِيزَىٰ |
অন্যায় বণ্টন, অসংগত, অন্যায্য |
ضِيزَى |
এবং যদি কোন লেখক না পাও তবে বন্ধকী বন্তু হস্তগত রাখা উচিত।(২-২৮৩) |
وَلَمْ تَجِدُوا كَاتِبًا فَرِهَانٌ مَّقْبُوضَةٌ |
বন্ধকী বস্তু |
رَهْنٌ ج رِهَانٌ |
এবং যদি কোন লেখক না পাও তবে বন্ধকী বন্তু হস্তগত রাখা উচিত।(২-২৮৩) |
وَلَمْ تَجِدُوا كَاتِبًا فَرِهَانٌ مَّقْبُوضَةٌ |
হস্তগত |
مَقْبُوضَةٌ |
হে আমাদের পালনকর্তা, যদি আমরা ভুলে যাই কিংবা ভুল করি, তবে আমাদেরকে অপরাধী করো না। (২-২৮৬) |
رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَا إِن نَّسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا |
ভুল করা |
أَخْطَأَ-يُخْطِئُ |
তারা তোমাদের অমঙ্গল সাধনে কোন ক্রটি করে না। (৩-১১৮) |
لَا يَأْلُونَكُمْ خَبَالًا |
ত্রুটি করা, কম করা |
أَلَا-يَأْلُو |
যে ব্যক্তি মুসলমানকে ভূলক্রমে হত্যা করে। (৪-৯২) |
وَمَن قَتَلَ مُؤْمِنًا خَطَأً |
ভুলবশত |
خَطَأٌ |
কোর্স বিষয়বস্তু