অতপর তারা ঢুকে গেল ঘরের আনাচে কানাচে (১৭:৫)

فَجَاسُوا خِلَالَ الدِّيَارِ

ঢুকে পড়া, সন্ধান করা

جَاسَ-يَجُوسُ

অতপর তদ্বারা বাহিনী ভেদ করে যায় (১০০:৫)

فَوَسَطْنَ بِهِ جَمْعًا

ঢুকে পড়া

وَسَطَ-يَسِطُ

সেখানে ভেড়া ঢুকে পড়েছিল রাতের বেলা (২১:৭৮)

نَفَشَتْ فِيهِ غَنَمُ

রাতে ফসল নষ্ট করা

نَفَشَ-يَنْفُشُ

এক কিতাব যা তার সম্মুখীন হবে উন্মোচিত হয়ে (১৭:১৩)

كِتَابًا يَلْقَاهُ مَنشُورًا

উন্মুক্ত, খোলা

مَنْشُورٌ

তাদের দেয়া হোক উম্মুক্ত গ্রন্থ (৭৪:৫২)

يُؤْتَىٰ صُحُفًا مُّنَشَّرَةً

উন্মুক্ত

مُنْشَرٌّ

অতএব এরাই তারা যাদের প্রচেষ্টা হবে স্বীকৃত (১৭:১৯)

فَأُولَـٰئِكَ كَانَ سَعْيُهُم مَّشْكُورًا

স্বীকৃত, গৃহীত

مَشْكُورٌ

এবং আপনার পালকর্তার দান সীমাবদ্ধ নয় (১৭:২০)

وَمَا كَانَ عَطَاءُ رَبِّكَ مَحْظُورًا

বাধাপ্রাপ্ত, নিষিদ্ধ, সীমাবদ্ধ

مَحْظُورٌ

আর কোরবানীর জন্তুদেরকে বাধাপ্রাপ্ত করা হয়েছিল যথাস্থানে পৌছতে (৪৮:২৫)

وَالْهَدْيَ مَعْكُوفًا أَن يَبْلُغَ مَحِلَّهُ

অবস্থিত, আটকানো, বাধাপ্রাপ্ত

مَعْكُوفٌ

আর তারা বলবে -- ''অলঙ্ঘনীয় ব্যবধান’’ (২৫:২২)

وَيَقُولُونَ حِجْرًا مَّحْجُورًا

বাধাপ্রাপ্ত, দুর্লঙ্ঘনীয়, সংরক্ষিত

مَحْجُورٌ

তাহলে তুমি নিন্দিত ও অসহায় হয়ে বসবে (১৭:২২)

فَتَقْعُدَ مَذْمُومًا مَّخْذُولًا

অসহায়, পরিত্যক্ত, লাঞ্ছিত

مَخْذُولٌ

অত:পর তারা উপুড় হয়ে পড়েছে তাদের ছাদসমূহের উপরে আর কূপ পরিত্যক্ত হয়েছে (২২:৪৫)

فَهِيَ خَاوِيَةٌ عَلَىٰ عُرُوشِهَا وَبِئْرٍ مُّعَطَّلَةٍ

অবকাশ যোগ্য, বর্জনীয়, অকেজো, পরিত্যক্ত, নষ্ট

مُعَطَّلَةٌ

নিঃসন্দেহ আমার স্বজাতি এই কুরআনকে পরিত্যজ্য বলে ধরে নিয়েছিল (২৫:৩০)

إِنَّ قَوْمِي اتَّخَذُوا هَـٰذَا الْقُرْآنَ مَهْجُورًا

পরিত্যজ্য বলে ধরা

مَهْجُورٌ

তবে তাদেরকে ‘উহ’ শব্দটিও বলো না এবং তাদেরকে ধমক দিও না (১৭:২৩)

فَلَا تَقُل لَّهُمَا أُفٍّ

وَلَا تَنْهَرْهُمَا

বিরক্তি বা অবজ্ঞা সূচক শব্দ

أُفٍّ

 

 

ধমক দেয়া

نَهَرَ-يَنْهَرُ

আর যারা সন্ত্রস্ত করে ধমকে ধমকে (৩৭:২)

فَالزَّاجِرَاتِ زَجْرًا

ধমক, একধমক, সতর্ক করা

زَجْرٌ

 

 

ধমক

زَاجِرَةٌ ج زَاجِرَاتٌ

আর তদুভয়ের প্রতি বিনয়ের ডানা মেলে দাও মমতার সাথে (১৭:২৪)

وَاخْفِضْ لَهُمَا جَنَاحَ الذُّلِّ مِنَ الرَّحْمَةِ

নম্রতা

ذُلٌّ

হে পালনকর্তা, তাদের উভয়ের প্রতি রহম কর, যেমন তারা আমাকে শৈশবকালে লালন-পালন করেছেন (১৭:২৪)

رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرًا

প্রতিপালন করা

رَبَّى-يُرَبِّي

যে অলংকারে লালিত-পালিত (৪৩:১৮)

مَن يُنَشَّأُ فِي الْحِلْيَةِ

তিলেতিলে বড় করা, বাড়িয়ে তোলা, রচিত করা, প্রতিপালন করা,

نَشَّأَ-يُنَشِّئُ

আর অপব্যয় করো না অমিতব্যয়ীভাবে (১৭:২৬)                                  

وَلَا تُبَذِّرْ تَبْذِيرًا

অপব্যয় করা, অপচয় করা, অনর্থক খরচ করা

بَذَّرَ-يُبَذِّرُ (تَبْذِيرٌ)

 

 

অপব্যয়কারী, অমিতব্যয়ী

مُبَذِّرٌ ج مُبَذِّرُونَ

নিঃসন্দেহ তিনি অমিতব্যয়ীদের ভালোবাসেন না (৭:৩১)

إِنَّهُ لَا يُحِبُّ الْمُسْرِفِينَ

অমিতব্যয়ী

مُسْرِفُونَ

তখন তাদের সাথে নম্র কথা বল (১৭:২৮)

فَقُل لَّهُمْ قَوْلًا مَّيْسُورًا

নম্র

مَيْسُورٌ

তখন বলেঃ আমার পালনকর্তা আমাকে হেয় করেছেন (৮৯:১৬)

فَيَقُولُ رَبِّي أَهَانَنِ

অপমান করা, লাঞ্ছিত করা,

هَوْنٌ

আর যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে নিহত হয় (১৭:৩৩)

وَمَن قُتِلَ مَظْلُومًا

অন্যায়ের স্বীকার

مَظْلُومٌ

নিশ্চয় সে সাহায্যপ্রাপ্ত (১৭:৩৩)

إِنَّهُ كَانَ مَنصُورًا

সাহায্যপ্রাপ্ত

مَنْصُورٌ ج مَنْصُورُونَ

আর আমি তাদের পদাঙ্কের পশ্চাদবর্তী করেছি মরিয়ম তনয় ঈসাকে (৫:৪৬)

وَقَفَّيْنَا عَلَىٰ آثَارِهِم بِعِيسَى ابْنِ مَرْيَمَ

পেছনে পড়া

قَفَا-يَقْفُو

এদের প্রতিটিই তার সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে (১৭:৩৬)

كُلُّ أُولَـٰئِكَ كَانَ عَنْهُ مَسْئُولًا

জিজ্ঞাসিত

مَسْئُولٌ

এবং উচ্চতায় পাহাড়ের নাগাল পেতে পারবে না (১৭:৩৭)

وَلَن تَبْلُغَ الْجِبَالَ طُولًا

উচ্চতা

طُولٌ

তাদের জন্যে আরও রয়েছে লোহার মুগুর (২২:২১)

وَلَهُم مَّقَامِعُ مِنْ حَدِيدٍ

লোহা, ধারালো

حَدِيدٌ ج حِدَادٌ

তত্‍ক্ষণাত্‍ তারা আপনার প্রতি মাথা নাড়বে (১৭:৫১)

فَسَيُنْغِضُونَ إِلَيْكَ رُءُوسَهُمْ

নাড়ানো, ঝাঁকানো

أَنْغَضَ-يُنْغِضُ

নিশ্চয় আপনার পালনকর্তার শাস্তি ভয়াবহ (১৭:৫৭)

إِنَّ عَذَابَ رَبِّكَ كَانَ مَحْذُورًا

ভয়াবহ, ভীতিপ্রদ, ভয়ংকর

مَحْذُورٌ

যেদিন আহবানকারী আহবান করবে এক অপ্রীতিকর ব্যাপারের প্রতি (৫৪:৬)

يَوْمَ يَدْعُ الدَّاعِ إِلَىٰ شَيْءٍ نُّكُرٍ

অপরিচিত, অপ্রিয়, মন্দ, অপ্রিতিকর, অশ্লিলতা

نُكُرٌ

আমরা আমাদের পালনকর্তার তরফ থেকে এক ভীতিপ্রদ ভয়ংকর দিনের ভয় রাখি (৭৬:১০)

إِنَّا نَخَافُ مِن رَّبِّنَا يَوْمًا عَبُوسًا قَمْطَرِيرًا

কঠোর, কঠিনদিবস, কিয়ামত

قَمْطَرِيرٌ

তোমরা তোমাদের কন্ঠস্বর নবীর কন্ঠস্বরের উপর উঁচু করো না

لَا تَرْفَعُوا أَصْوَاتَكُمْ فَوْقَ صَوْتِ النَّبِيِّ

কথা, আওয়াজ, স্বর

صَوْتٌ ج أَصْوَاتٌ

আর তাদের উপরে হামলা চালাও তোমার ঘোড়সওয়ারদের দ্বারা, আর তোমার পদাতিক বাহিনীর দ্বারা (১৭:৬৪)

وَأَجْلِبْ عَلَيْهِم بِخَيْلِكَ وَرَجِلِكَ

সমবেত করা, আনা

أَجْلَبَ-يُجْلِبُ

তারা চায় তাদের উপরে লাফিয়ে পড়তে যারা আমাদের বাণীসমূহ তাদের কাছে পড়ে শুনায় (২২:৭২)

يَكَادُونَ يَسْطُونَ بِالَّذِينَ يَتْلُونَ عَلَيْهِمْ آيَاتِنَا

আক্রমণ করা, হামলা করা,

سَطَا-يَسْطُو

আর তাদের অংশী হও ধনসম্পত্তিতে এবং সন্তানসন্ততিতে (১৭:৬৪)

وَشَارِكْهُمْ فِي الْأَمْوَالِ وَالْأَوْلَادِ

অংশ নেয়া/ ভাগ বসানো

شَارَكَ-يُشَارِكُ

যে তোমরা আযাবের অংশীদার(৪৩:৩৯)

أَنَّكُمْ فِي الْعَذَابِ مُشْتَرِكُونَ

অংশীদার, শরীক, ভোগকারী

مُشْتَرِكٌ ج مُشْتَرِكُونَ

নামায কায়েম করুন সূর্য ঢলে পড়ার সময় থেকে রাত্রির অন্ধকার পর্যন্ত (১৭:৭৮)

أَقِمِ الصَّلَاةَ لِدُلُوكِ الشَّمْسِ إِلَىٰ غَسَقِ اللَّيْلِ

ঢলে পড়া৷

دُلُوكٌ

আর রাতের মধ্যে থেকে এর দ্বারা জাগরণে কাটাও (১৭:৭৯)

وَمِنَ اللَّيْلِ فَتَهَجَّدْ بِهِ

তাহাজ্জুদ আদায় করা, রাত জাগা

تَهَجَّدَ-يَتَهَجَّدُ

আর এ কুরআন -- আমরা এটিকে ভাগভাগ করেছি যেন তুমি তা লোকদের কাছে ক্রমে ক্রমে পড়তে পার (১৭:১০৬)

وَقُرْآنًا فَرَقْنَاهُ لِتَقْرَأَهُ عَلَى النَّاسِ عَلَىٰ مُكْثٍ

ভাগে ভাগে

مُكْثٌ

আর তারা কাঁদতে কাঁদতে লুটিয়ে পড়ে চিবুকের উপরে (১৭:১০৯)

وَيَخِرُّونَ لِلْأَذْقَانِ يَبْكُونَ

চিবুক

ذَقْنٌ ج أَذْقَانٌ

আর মানুষের প্রতি তোমার চিবুক ঘুরিয়ে নিও না (৩১:১৮)

وَلَا تُصَعِّرْ خَدَّكَ لِلنَّاسِ

গাল, গণ্ড

خَدٌّ

অত:পর হয়তবা তাদের পেছনে ঘুরে ঘুরে আপনি পরিতাপে নিজ প্রাণ নিপাত করবেন (১৮:৬)

فَلَعَلَّكَ بَاخِعٌ نَّفْسَكَ عَلَىٰ آثَارِهِمْ

আত্মবিনাশী

بَاخِعٌ

এবং তার উপর যাকিছু রয়েছে, অবশ্যই তা আমি উদ্ভিদশূন্য মাটিতে পরিণত করে দেব (১৮:৮)

وَإِنَّا لَجَاعِلُونَ مَا عَلَيْهَا صَعِيدًا جُرُزًا

অনাবাদি ভূমি, অফলা, উষর

جُرُزٌ

অতঃপর ভোর হতেই বিরান ভূমি (১৮:৪০)

فَتُصْبِحَ صَعِيدًا زَلَقًا

শূন্য, পরিষ্কার

زَلَقٌ

অতঃপর তাকে মসৃণ সমতল করে ছাড়বেন (২০:১০৬)

فَيَذَرُهَا قَاعًا صَفْصَفًا

মসৃণ, পরিষ্কার

صَفْصَفٌ

তুমি ভূমিকে পতিত দেখতে পাও (২২:৫)

وَتَرَى الْأَرْضَ هَامِدَةً

শুষ্ক, মৃত

هَادِمَةٌ

এবং আমাদের জন্যে আমাদের কাজ সঠিকভাবে পূর্ণ করুন (১৮:১০)

وَهَيِّئْ لَنَا مِنْ أَمْرِنَا رَشَدًا

সহজ করা, মসৃণ করা

هَيَّأَ-يُهَيِّئُ

আর আমরা তো অবশ্যই কুরআনকে উপদেশগ্রহণের জন্য সহজবোধ্য করে দিয়েছি (৫৪:৩২)

وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِّكْرِ

সহজ

يَسَّرَ-يُيَسِّرُ

অতএব কুরআন থেকে যতটা তোমাদের জন্য সহজ ততটা পড়তে থাকো (৭৩:২০)

فَاقْرَءُوا مَا تَيَسَّرَ مِنَ الْقُرْآنِ

সহজ

تَيَسَّرَ-يَتَيَسَّرُ

আর তার জন্য আমি সহজ করে দিয়েছিলাম স্বচ্ছন্দভাবে (৭৪:১৪)

وَمَهَّدتُّ لَهُ تَمْهِيدًا

প্রস্তুত করা, বিছানা বিছানো, শয্যা পাতা,

مَهَّدَ-يُمَهِّدُ (تَمْهِيدٌ)

তাহলে তাদের নিজেদের জন্যেই তারা সুখশয্যা পাতে (৩০:৪৪)

فَلِأَنفُسِهِمْ يَمْهَدُونَ

প্রস্তুত করা, বিছানা বিছানো, শয্যা পাতা,

مَهَدَ-يَمْهَدُ

আমি ভূমিকে বিছিয়ে দিয়েছি, অত:পর কত সুন্দর এই বিস্তারকারী! (৫১:৪৮)

وَالْأَرْضَ فَرَشْنَاهَا فَنِعْمَ الْمَاهِدُونَ

শয্যাদাতা, শয্যা রচয়িতা, বিছানা প্রস্তুতকারী

مَاهِدٌ ج مَاهِدُونَ

আর সূর্যকে দেখতে যখন উদয় হত তখন তাদের গুহার ডান দিকে হেলে যেত (১৮:১৭)

وَتَرَى الشَّمْسَ إِذَا طَلَعَت تَّزَاوَرُ عَن كَهْفِهِمْ ذَاتَ الْيَمِينِ

পাশ কেটে যাওয়া, হেলে যাওয়া

تَزَاوَرَ-يَتَزَاوَرُ

আর যখন অস্ত যেত তখন বাম পাশ কেটে যেত (১৮:১৭)

وَإِذَا غَرَبَت تَّقْرِضُهُمْ ذَاتَ الشِّمَالِ

পাশ কেটে যাওয়া, নেমে আসা

قَرَضَ-يَقْرِضُ

আর তারা উহার উন্মুক্ত চত্ত্বরেই ছিল (১৮:১৭)

وَهُمْ فِي فَجْوَةٍ مِّنْهُ

প্রশস্ত চত্ত্বর

فَجْوَةٌ

অতঃপর তা যখন তাদের আঙ্গিনায় অবতরণ করবে (৩৭:১৭৭)

فَإِذَا نَزَلَ بِسَاحَتِهِمْ

আঙিনা, উঠান

سَاحَةٌ

আর তাদের কুকুরটি সামনের পাদুটি মেলে রয়েছিল গুহামুখে (১৮:১৭)

وَكَلْبُهُم بَاسِطٌ ذِرَاعَيْهِ بِالْوَصِيدِ

সামনের দুই পা

ذِرَاعٌ

গুহার মুখ

وَصِيدٌ

যদি তুমি তাদের কাছে উপস্থিত হতে, তবে পেছন ফিরে পলায়ন করতে (১৮:১৭)

لَوِ اطَّلَعْتَ عَلَيْهِمْ لَوَلَّيْتَ مِنْهُمْ فِرَارًا

পলায়ন

فِرَارٌ (فَرَّ-يَفِرُّ)

অতঃপর যখন তারা আমার আযাবের আভাস পেল, তখনই তারা সেখান থেকে পলায়ন করতে লাগল (২১:১২)

فَلَمَّا أَحَسُّوا بَأْسَنَا إِذَا هُم مِّنْهَا يَرْكُضُونَ

দৌড়নো, দ্রুত চলা, দৌড়ে পালানো

رَكَضَ-يَرْكُضُ

যখন তিনি কেটে পড়লেন বোঝাই নৌকার উদ্দেশ্যে (৩৭:১৪০)

إِذْ أَبَقَ إِلَى الْفُلْكِ الْمَشْحُونِ

পালানো, চম্পট দেয়া, ভেগে পড়া

أَبَقَ-يَأْبقُ/يَأْبُقُ

এবং পলায়নের দ্বারাও তাঁকে এড়াতে পারব না (৭২:১২)

وَلَن نُّعْجِزَهُ هَرَبًا

পলায়ন

هَرَبٌ

অতঃপর তারা আর্তনাদ করছিল কিন্তু সেই সময়ে আর পরিত্রাণের উপায় ছিল না (৩৮:৩)

فَنَادَوا وَّلَاتَ حِينَ مَنَاصٍ

পলায়ন, নিষ্কৃতি লাভ, মুক্তি, নিস্তার

مَنَاصٌ

যদি আপনি দেখতেন, যখন তারা ভীতসস্ত্রস্ত হয়ে পড়বে তখন কোনো নিস্তার থাকবে না (৩৪:৫১)

وَلَوْ تَرَىٰ إِذْ فَزِعُوا فَلَا فَوْتَ

ফউত হওয়া, হারানো, হাতছাড়া হওয়া,

فَوْتٌ

যেন তারা ভীতসন্ত্রস্ত গাধার দল (৭৪:৫০)

كَأَنَّهُمْ حُمُرٌ مُّسْتَنفِرَةٌ

পলায়নপর

مُسْتَنْفِرَةٌ

আর সে যেন সন্তর্পনে চলে এবং তোমাদের খবর কাউকে না জানায় (১৮:১৯)

وَلْيَتَلَطَّفْ وَلَا يُشْعِرَنَّ بِكُمْ أَحَدًا

সতর্কতার সাথে করা, চুপে চুপে করা

تَلَطَّفَ-يَتَلَطَّفُ

সুতরাং তিনি সেখান থেকে বেরিয়ে গেলেন ভীত অবস্থায়, সতর্ক দৃষ্টি মেলে (২৮:২১)

فَخَرَجَ مِنْهَا خَائِفًا يَتَرَقَّبُ

অপেক্ষা করা, পর্যবেক্ষণ করা

تَرَقَّبَ-يَتَرَقَّبُ

তোমাদের মধ্যে যারা সরে পড়ে চুপিসারে (২৪:৬৩)

يَتَسَلَّلُونَ مِنكُمْ لِوَاذًا

চুপিসারে

لِوَاذٌ

অগ্নি যার বেষ্টনী তাদের কে পরিবেষ্টন করে থাকবে (১৮:২৯)

نَارًا أَحَاطَ بِهِمْ سُرَادِقُهَا

বেষ্টনী

سُرَادِق

তাঁবুর ভেতরে থাকবে অন্তঃপুরবাসিনী হূরগণ (৫৫:৭২)

حُورٌ مَّقْصُورَاتٌ فِي الْخِيَامِ

তাঁবু

خَيْمٌ ج خِيَامٌ

তাদের পান করানো হবে গলিত সীসার মতো পানি (১৮:২৯)

يُغَاثُوا بِمَاءٍ كَالْمُهْلِ

গলিত সীসা/ পুঁজ/ ঘন কালো তেল

مُهْلٌ

তারা সেখানে অলংকৃত হবে সোনার কাঁকন দ্বারা (১৮:৩১)

يُحَلَّوْنَ فِيهَا مِنْ أَسَاوِرَ مِن ذَهَبٍ

চুড়ি

سِوَارٌ ج أَسَاوِرُ

তবে কেন সোনার কঙ্কন তার প্রতি ছোড়া হল না (৪৩:৫৩)

فَلَوْلَا أُلْقِيَ عَلَيْهِ أَسْوِرَةٌ مِّن ذَهَبٍ

চুড়ি, বালা,

سُوَارٌ ج أَسْوِرَةٌ

তাদের পরানো হবে মিহি ও পুরু রেশমের সবুজ পোশাক (১৮:৩১)

وَيَلْبَسُونَ ثِيَابًا خُضْرًا مِّن سُندُسٍ وَإِسْتَبْرَقٍ

রেশম

سُنْدُسٌ

সেখানে তাদের পোশাক হবে রেশমের (৩৫:৩৩)

وَلِبَاسُهُمْ فِيهَا حَرِيرٌ

রেশম, উষ্ণ রেশমি বস্ত্র

حَرِيرٌ

তারা হেলান দিয়ে বসবে গালিচার উপরে যার আস্তর কারুকার্যময় রেশমের (৫৫:৫৪)

مُتَّكِئِينَ عَلَىٰ فُرُشٍ بَطَائِنُهَا مِنْ إِسْتَبْرَقٍ

ঝকমকি রেশমি কাপড়, চোখ ঝলসানো সিল্ক

اِسْتَبَرَقٌ

সে বলল -- আমি মনে করি না যে এসব কখনো নিঃশেষ হয়ে যাবে (১৮:৩৫)

قَالَ مَا أَظُنُّ أَن تَبِيدَ هَـٰذِهِ أَبَدًا

ধ্বংস হওয়া, বিলুপ্ত হওয়া

بَادَ-يَبِيدُ

তাদের চক্রান্ত হবে ব্যর্থ (৩৫:১০)

وَمَكْرُ أُولَـٰئِكَ هُوَ يَبُورُ

ধ্বংস হওয়া, বিলুপ্ত হওয়া

بَارَ-يَبُورُ

সেজন্য তোমাকে এ থেকে সে যেন না ফেরায় যে এতে বিশ্বাস করে না আর যে তার কামনার অনুবর্তী হয়, পাছে তুমি ধ্বংস হয়ে যাও (২০:১৬)

فَلَا يَصُدَّنَّكَ عَنْهَا مَن لَّا يُؤْمِنُ بِهَا وَاتَّبَعَ هَوَاهُ فَتَرْدَىٰ

অকেজো হওয়া, অচল হওয়া, পতন ঘটা, পড়ে যাওয়া, পতিত হওয়া,

رَدِيَ-يَرْدَى

আর তার ধনসম্পদ তার কোনো কাজে আসবে না যখন সে অধঃপাতে পড়বে (৯২:১১)

وَمَا يُغْنِي عَنْهُ مَالُهُ إِذَا تَرَدَّىٰ

অধঃপতিত

تَرَدَّى-يَتَرَدَّى

প্রভাতেইএর পানি তলিয়ে যাবে ভূগর্ভে (১৮:৪১)

يُصْبِحَ مَاؤُهَا غَوْرًا

গভীরে, ভূগর্ভে

غَوْرٌ

তারা বলে -- ''আমরা পরস্পরের সাহায্যকারী আস্ত একটা দল’’ (৫৪:৪৪)

يَقُولُونَ نَحْنُ جَمِيعٌ مُّنتَصِرٌ

মোকাবিলা

مُنْتَصِرٌ ج مُنْتَصِرُونَ

যে অত্যাচারিত হওয়ার পর প্রতিশোধ গ্রহণ করে  (৪২:৪১)

وَلَمَنِ انتَصَرَ بَعْدَ ظُلْمِهِ

প্রতিশোধ নেওয়া, বদলা নেওয়া

انْتَصَرَ-يَنْتَصِرُ

তাকে উড়িয়ে নিয়ে যায় বাতাস (১৮:৪৫)

تَذْرُوهُ الرِّيَاحُ

উড়িয়ে নেয়া

ذَرَا-يَذْرُو (ذَرْوٌ)

কসম উড়িয়ে নেওয়া ঝঞ্ঝাবায়ুর (৫১:১)

 

ঝঞ্ঝাবায়ু

ذَارِيذةٌ ج ذَارِيَاتٌ

এবং পৃথিবীকে দেখবেন একটি উম্মুক্ত প্রান্তর (১৮:৪৭)

وَتَرَى الْأَرْضَ بَارِزَةً وَحَشَرْنَاهُمْ

উন্মুক্ত প্রান্তর

بَارِزَةٌ

অতঃপর আমি তাঁকে ফেলে দিলাম এক বিস্তীর্ণ-বিজন প্রান্তরে (৩৭:১৪৫)

فَنَبَذْنَاهُ بِالْعَرَاءِ وَهُوَ سَقِيمٌ

বিস্তীর্ণ-বিজন প্রান্তর

عَرَاءٌ

তারা আপনার পালনকর্তার সামনে উপস্থাপিত হবে সারিবদ্ধ ভাবে (১৮:৪৮)

وَعُرِضُوا عَلَىٰ رَبِّكَ صَفًّا

সারি

صَفٌّ

শপথ তাদের যারা সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়ানো (৩৭:১)

وَالصَّافَّاتِ صَفًّا

সারিবদ্ধ

صَافَّةٌ ج صَافَّاتٌ، صَوَافٌّ

 এবং সারি সারি গালিচা (৮৮:১৫)

وَنَمَارِقُ مَصْفُوفَةٌ

গালিচা

مَصْفُوفَةٌ

তাদের মধ্যস্থলে রেখে দেব মরণফাঁদ (১৮:৫২)

وَجَعَلْنَا بَيْنَهُم مَّوْبِقًا

মরণফাঁদ, ধ্বংস গহ্বর

مَوْبِقٌ

ফলে তারা বুঝবে যে তারা নিশ্চয়ই এতে পতিত হচ্ছে (১৮:৫৩)

فَظَنُّوا أَنَّهُم مُّوَاقِعُوهَا

পতিত হওয়া

مُوَاقِعٌ ج مُوَاقِعُونَ

আর তা থেকে তারা কোনো পরিত্রাণ পাবে না (১৮:৫৩)

وَلَمْ يَجِدُوا عَنْهَا مَصْرِفًا

পালানোর রাস্তা/ উপায়

مَصْرِفٌ

আর আল্লাহ্ প্রকাশ করছিলেন যা তোমরা লুকোতে চাইছিলে (২:৭২)

وَاللَّـهُ مُخْرِجٌ مَّا كُنتُمْ تَكْتُمُونَ

বহির্দ্বার, বের হওয়ার রাস্তা

مَخْرَجٌ

আর তারা তর্ক করত মিথ্যার ভিত্তিতে তদ্বারা সত্যকে পরাভূত করতে (৪০:৫)

وَجَادَلُوا بِالْبَاطِلِ لِيُدْحِضُوا بِهِ الْحَقَّ

দূর্বল/ ব্যর্থ করে দেয়া

أَدْحَضَ-يُدْحِضُ

তাঁর ভৃত্যকে বললেন, ''আমাদের প্রাত:রাশ এনে দাও ... (১৮:৬২)

قَالَ لِفَتَاهُ آتِنَا غَدَاءَنَا

দুপুরের খাবার

غَدَاءٌ

আপনি তো এক গুরুতর ব্যাপার ঘটালেন! (১৮:৭১)

لَقَدْ جِئْتَ شَيْئًا إِمْرًا

অপছন্দনীয়, বিস্ময়কর, উস্কানিমূলক

إمْرٌ

আপনি তো এক ভয়ানক ব্যাপার ঘটালেন! (১৮:৭৪)

لَّقَدْ جِئْتَ شَيْئًا نُّكْرًا

অপরিচিত, অন্যায়, অশ্লিলতা

نُكْرٌ

হে মরিয়ম, তুমি তো এক অঘটন ঘটিয়ে বসেছ (১৯:২৭)

يَا مَرْيَمُ لَقَدْ جِئْتِ شَيْئًا فَرِيًّا

দোষারোপ যোগ্যমারাত্মক, অঘটন, অদ্ভূত

فَرِيٌّ

তোমরা তো এক জঘন্য ব্যপার অবতারণা করেছ (১৯:৮৯)

لَّقَدْ جِئْتُمْ شَيْئًا إِدًّا

জঘন্য, মন্দ, অশোভনীয়

إدٌّ

আর আমার ব্যাপারে আপনি আমার উপর কঠোরতা আরোপ না (১৮:৭৩)

وَلَا تُرْهِقْنِي مِنْ أَمْرِي عُسْرًا

কঠিনতা আরোপ করা

أَرْهَقَ

তবে আর আমাকে সঙ্গে রাখবেন না (১৮:৭৬)

فَلَا تُصَاحِبْنِي

সঙ্গ দেয়া

صَاحَبَ-يُصَاحِبُ

তারপর তাঁরা সেখানে পেলেন একটি দেয়াল (১৮:৭৭)

فَوَجَدَا فِيهَا جِدَارًا

দেয়াল, প্রাচীর

جِدَارٌ ج جُدُرٌ

অতঃপর তাদের মাঝখানে দাঁড় করানো  হবে একটি প্রাচীর (৫৭:১৩)

فَضُرِبَ بَيْنَهُم بِسُورٍ

প্রাচীর, দেয়াল, নগরপ্রাচীর, সীমান্তপ্রাচীর

سُورٌ

আপনি আমাদের মধ্যে ও তাদের মধ্যে এক প্রাচীর বানিয়ে দেবেন (১৮:৯৪)

تَجْعَلَ بَيْنَنَا وَبَيْنَهُمْ سَدًّا

প্রাচীর, বাধা

سَدٌّ

আমি তোমাদের ও তাদের মধ্যে একটি সুদৃঢ় প্রাচীর নির্মাণ করে দেব (১৮:৯৫)

أَجْعَلْ بَيْنَكُمْ وَبَيْنَهُمْ رَدْمًا

অটল প্রাচীর, সুদৃঢ় প্রাচীর, মজবুত দেয়াল

رَدْمٌ

তাই আমি সেটিকে নষ্ট করতে চেয়েছিলাম (১৮:৭৯)

فَأَرَدتُّ أَنْ أَعِيبَهَا

ত্রুটিযুক্ত করা

عَابَ-يَعِيبُ

তিনি যখন সূর্যের উদয়াচলে পৌছলেন (১৮:৯০)

إِذَا بَلَغَ مَطْلِعَ الشَّمْسِ

সূর্য উঠার স্থান

مَطْلِعٌ

এক প্রশান্তি যা ফজরের উদয় পর্যন্ত অব্যাহত থাকে (৯৭:৫)

سَلَامٌ هِيَ حَتَّىٰ مَطْلَعِ الْفَجْرِ

সূর্য উঠার সময়

مَطْلَعٌ

যখন পাহাড়দ্বয়ের মাঝখানে পূর্ণ হল (১৮:৯৬)

إِذَا سَاوَىٰ بَيْنَ الصَّدَفَيْنِ

সমান করা

سَاوَى-يُسَاوِي

আমি এর উপরে ঢেলে দেব গলিত তামা (১৮:৯৬)

أُفْرِغْ عَلَيْهِ قِطْرًا

গলিত তামা

قِطْرٌ

আর তারা এটি ভেদ করতেও পারবে না (১৮:৯৭)

وَمَا اسْتَطَاعُوا لَهُ نَقْبًا

ভেদ করা

نَقْبٌ

সাগর যদি কালি হত (১৮:১০৯)

لَّوْ كَانَ الْبَحْرُ مِدَادًا

কালি

مِدَادٌ

আমি বার্ধক্যের শেষ সীমায় পৌঁছে গেছি (১৯:৮)

بَلَغْتُ مِنَ الْكِبَرِ عِتِيًّا

শেষ পর্যায়

عِتِيٌّ

আর তুমি নিজের দিকে খেজুর গাছের কান্ডে নাড়া দাও (১৯:২৫)

وَهُزِّي إِلَيْكِ بِجِذْعِ النَّخْلَةِ

গাছের গুঁড়ি, কাণ্ড, মূল

جِذْعٌ ج جُذُوعٌ

যেন তারা খেজুর গাছের অন্ত:শূণ্য গুড়ি (৬৯:৭)

 

كَأَنَّهُمْ أَعْجَازُ نَخْلٍ خَاوِيَةٍ

গাছের গুঁড়ি, কাণ্ড

عَجُزٌ ج أَعْجَازٌ

আর তুমি নিজের দিকে খেজুর গাছের কান্ডে নাড়া দাও (১৯:২৫)

وَهُزِّي إِلَيْكِ بِجِذْعِ النَّخْلَةِ

নাড়া দেয়া, নাড়ানো

هَزَّ-يَهُزُّ

এর দ্বারা তোমার জিহবা নাড়িও না (৭৫:১৬)

لَا تُحَرِّكْ بِهِ لِسَانَكَ

নাড়ানো, ঝাঁকানো

حَرَّكَ-يُحَرِّكُ

অতঃপর যখন তিনি সেটিকে লাঠিকে সর্পের ন্যায় দৌড়াদৌড়ি করতে দেখলেন (২৮:৩১)

فَلَمَّا رَآهَا تَهْتَزُّ كَأَنَّهَا جَانٌّ

নড়াচড়া করা

اِهْتَزَّ-يَهْتِزُّ

অতএব খাও ও পান করো এবং চোখ জুড়াও (১৯:২৬)

فَكُلِي وَاشْرَبِي وَقَرِّي عَيْنًا

চোখ জুড়ানো

قَرَّ-يَقَرُّ

চোখের শীতলতা আমার ও আপনার (২৮:৯)

قُرَّتُ عَيْنٍ لِّي وَلَكَ

প্রশান্তি, সান্তনা, শীতলতা, শীতলকারী

قُرَّةٌ

এবং তথায় রয়েছে মনে যা চায় এবং নয়ন যাতে তৃপ্ত হয় (৪৩:৭১)

وَفِيهَا مَا تَشْتَهِيهِ الْأَنفُسُ وَتَلَذُّ الْأَعْيُنُ

সুস্বাদু ও মজাদার ভাবা

لَذَّ-يَلَذُّ

নিশ্চয়ই তাঁর প্রতি‌শ্রুতি আসন্ন (১৯:৬১)

إِنَّهُ كَانَ وَعْدُهُ مَأْتِيًّا

পূর্ণ/ পৌঁছানো

مَأْتِيٌّ

এটা আপনার পালনকর্তার অনিবার্য ফায়সালা (১৯:৭১)

كَانَ عَلَىٰ رَبِّكَ حَتْمًا مَّقْضِيًّا

অনিবার্য, আবশ্যিক, অপরিহার্য

حَتْمٌ

অতএব সত্বর নেমে আসবে অনিবার্য শাস্তি (২৫:৭৭)

فَسَوْفَ يَكُونُ لِزَامًا

আবশ্যিক, অবশ্যম্ভাবী

لِزَامٌ

আর অন্যায়কারীদের সেখানে ফেলে রাখব নতজানু অবস্থায় (১৯:৭২)

وَّنَذَرُ الظَّالِمِينَ فِيهَا جِثِيًّا

নতজানু

جَاثٍ (جَاثِيَةٌ) جِثِيٌّ

দুই দলের মধ্যে কোনটি মর্যাদায় শ্রেষ্ঠ এবং মজলিসও উত্তম (১৯:৭৩)

أَيُّ الْفَرِيقَيْنِ خَيْرٌ مَّقَامًا وَأَحْسَنُ نَدِيًّا

মজলিস

نَدِيٌّ

যখন তোমাদের বলা হয় মজলিসে জায়গা করে দাও, তখন জায়গা করে দিয়ো (৫৮:১১)

إِذَا قِيلَ لَكُمْ تَفَسَّحُوا فِي الْمَجَالِسِ فَافْسَحُوا

সভা, জালসা, মজলিস, বৈঠক, অধিবেশন

مَجْلِسٌ ج مَجَالِسُ

সন্তান গ্রহণ করা দয়াময়ের জন্য সঙ্গত নয় (১৯:৯২)

وَمَا يَنبَغِي لِلرَّحْمَـٰنِ أَن يَتَّخِذَ وَلَدًا

সমীচীন হওয়া, শোভা পাওয়া,

اِنْبَغَى-يَنْبَغِي

যথাযথ প্রতিদান (৭৮:২৬)

جَزَاءً وِفَاقًا

আনুকূল্য, যথাযোগ্য, সামঞ্জস্যপূর্ণ

وِفَاقٌ

যা কিছু আছে আকাশমন্ডলীতে ও জমিনে ও যা কিছু এ দুইয়ের মধ্যে রয়েছে আর যা রয়েছে মাটির নিচে সে-সবই তাঁর (২০:৬)

لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا وَمَا تَحْتَ الثَّرَىٰ

মাটি, পাতাল, রসাতল

ثَرًى

আমাদের নযর দাও, তোমাদের আলোক থেকে আমরাও নিব (৫৭:১৩)

اُنظُرُونَا نَقْتَبِسْ مِن نُّورِكُمْ

আগুনের উৎস খোঁজা

اقْتَبَسَ-يَقْتَبِسُ

অতএব তোমার জুতো খুলে ফেল (২০:১২)

 

فَاخْلَعْ نَعْلَيْكَ

জুতা

نَعْلٌ

আমি এর উপরে ভর দিই (২০:১৮)

أَتَوَكَّأُ عَلَيْهَا

ভর দেয়া

تَوَكَّأَ-يَتَوَكَّأُ

আর এ দিয়ে আমার মেষপালের জন্য আমি গাছের পাতা পেড়ে থাকি (২০:১৮)

وَأَهُشُّ بِهَا عَلَىٰ غَنَمِي

পাতা ঝাড়া

هَشَّ-يَهُشُّ

এবং এতে আমার অন্যান্য প্রয়োজনও আছে (২০:১৮)

وَلِيَ فِيهَا مَآرِبُ أُخْرَىٰ

চাহিদা, প্রয়োজন

مَآرِبُ

তোমার হাত তোমার বগলের দিকে টেনে নাও (২০:২২)

وَاضْمُمْ يَدَكَ إِلَىٰ جَنَاحِكَ

কাছে নেয়া/ রাখা/ টানা

ضَمَّ-يَضُمُّ

আমি কি আপনাদেরকে দেখিয়ে দেব কে তাকে লালন পালন করতে পারবে? (২০:৪০)

هَلْ أَدُلُّكُمْ عَلَىٰ مَن يَكْفُلُهُ

বলে দেয়া, দেখিয়ে দেয়া, নির্দেশ করা

دَلَّ-يَدُلُّ

আমরা আশঙ্কা করি যে, সে আমাদের প্রতি উত্তেজিত হয়ে উঠবে (২০:৪৫)

إِنَّنَا نَخَافُ أَن يَفْرُطَ عَلَيْنَا

উত্তেজিত হয়ে উঠা/ জুলুম করা

فَرَطَ-يَفْرُطُ

তাঁর মনে হল যেন তাদের যাদুতে সেটি ছুটাছুটি করছে (২০:৬৬)

يُخَيَّلُ إِلَيْهِ مِن سِحْرِهِمْ أَنَّهَا تَسْعَىٰ

মনে হওয়া

خَيَّلَ-يُخَيِّلُ

তবে কি প্রতি‌শ্রুত সময় তোমাদের জন্য দীর্ঘ মনে হয়েছিল (২০:৮৬)

أَفَطَالَ عَلَيْكُمُ الْعَهْدُ

দীর্ঘ হওয়া

طَالَ-يَطُولُ

অতঃপর তাদের উপর অনেক যুগ অতিবাহিত হয়েছে (২৮:৪৫)

فَتَطَاوَلَ عَلَيْهِمُ الْعُمُرُ

দীর্ঘায়িত হওয়া, বিলম্বিত হওয়া

تَطَاوَلَ-يَتَطَاوَلُ

অতঃপর তাদের উপর অনেক যুগ অতিবাহিত হয়েছে (২৮:৪৫)

فَتَطَاوَلَ عَلَيْهِمُ الْعُمُرُ

দীর্ঘ

طَوِيلٌ

আর যখন তাকে অনিষ্ট স্পর্শ করে, তখন সুদীর্ঘ দোয়ায় রত থাকে (৪১:৫১)

وَإِذَا مَسَّهُ الشَّرُّ فَذُو دُعَاءٍ عَرِيضٍ

প্রশস্ত, বিরাট, বিশালাকার

عَرِيضٌ

আর তুমি নিশ্চয়ই সেখানে পিপাসার্ত হবে না অথবা রোদেও পুড়বে না (২০:১১৯)

وَأَنَّكَ لَا تَظْمَأُ فِيهَا وَلَا تَضْحَىٰ

রোদে পোড়া

ضَحِيَ-يَضْحَى

আমার দাড়ি পাকড়ো না (২০:৯৪)

لَا تَأْخُذْ بِلِحْيَتِي

দাড়ি

لِحْيَةٌ

আমরা নিশ্চয়ই এটিকে ছিন্নভিন্ন করে ছিটিয়ে দেব সাগরে (২০:৯৭)

لَنَنسِفَنَّهُ فِي الْيَمِّ نَسْفًا

ধূলিকণা

نَسْفٌ

তারপর তাকে বিক্ষিপ্ত ধূলিকণা বানিয়ে দেব (২৫:২৩)

فَجَعَلْنَاهُ هَبَاءً مَّنثُورًا

ধুলো

هَبَاءٌ

এবং অনেক মুখমন্ডল সেদিন হবে মলিন (৮০:৪০)

 

وَوُجُوهٌ يَوْمَئِذٍ عَلَيْهَا غَبَرَةٌ

ধূলাবালি, মলিনতা, ধূলো, আবর্জনা

غَبَرَةٌ

অত:পর তদ্বারা ধূলি উড়ায় (১০০:৪)

 

فَأَثَرْنَ بِهِ نَقْعًا

ধূলা, ধূলাবালি, ধুলো

نَقْعٌ

এখানে তোমার জন্য এই যে তুমি এতে ক্ষুধার্ত হবে না এবং বস্ত্রহীন হবে না (২০:১১৮)

إِنَّ لَكَ أَلَّا تَجُوعَ فِيهَا وَلَا تَعْرَىٰ

বস্ত্রহীন থাকা

عَرِيَ-يَعْرَى

আর আমরা আকাশকে করেছি এক সুরক্ষিত ছাদ (২১:৩২)

وَجَعَلْنَا السَّمَاءَ سَقْفًا مَّحْفُوظًا

সুরক্ষিত, সংরক্ষিত, সযত্নে

مَحْفُوظٌ

সুরক্ষিত জন-বসতির ভেতরে (৫৯:১৪)

فِي قُرًى مُّحَصَّنَةٍ

সুরক্ষিত, দুর্ভেদ্য

مُحَصَّنَةٌ

তাঁবুর ভেতরে থাকবে অন্তঃপুরবাসিনী হূরগণ (৫৫:৭২)

حُورٌ مَّقْصُورَاتٌ فِي الْخِيَامِ

তাঁবু

مَقْصُورَةٌ ج مَقْصُورَاتٌ

আবরণে রক্ষিত মুক্তার ন্যায় (৫৬:২৩)

كَأَمْثَالِ اللُّؤْلُؤِ الْمَكْنُونِ

গুপ্ত, পর্দাবৃত, আবরিত,

مَكْنُونٌ

প্রত্যেকেই আপন আপন কক্ষপথে সন্তরণ করে (৩৬:৪০)

وَكُلٌّ فِي فَلَكٍ يَسْبَحُونَ

সাঁতার কাটা, সন্তরণ করা

سَبَحَ-يَسْبَحُ (سَبْحٌ)

আর শপথ সন্তরণকারীদের দ্রত সন্তরণের (৭৯:৩)

وَالسَّابِحَاتِ سَبْحًا

দ্রুতচলমান, দ্রুতধাবমান,

سَابِحَةٌ ج سَابِحَاتٌ

আর যদি তোমার প্রভুর শাস্তির ছোয়াও তাদের স্পর্শ করত (২১:৪৬)

وَلَئِن مَّسَّتْهُمْ نَفْحَةٌ مِّنْ عَذَابِ رَبِّكَ

নিঃশ্বাস (স্পর্শ)

نَفْحَةٌ

যদিও বা সেটি হয় সরিষার দানার ওজন পরিমাণ (২১:৪৭)

وَإِن كَانَ مِثْقَالَ حَبَّةٍ مِّنْ خَرْدَلٍ

সরিষা, রাই, অণু,

خَرْدَلَةٌ ج خَرْدَلٌ

আর আমরা তাঁকে বর্ম তৈরি করা শিখিয়েছিলাম (২১:৮০)

وَعَلَّمْنَاهُ صَنْعَةَ لَبُوسٍ

বর্ম

لَبُوسٌ

তৈরি কর চওড়া বর্ম (৩৪:১১)

اِعْمَلْ سَابِغَاتٍ

প্রশস্ত লৌহবর্ম

سَابِغَةٌ ج سَابِغَاتٌ

আর শয়তানদের কতক তাঁর জন্য ডুব দিত (২১:৮২)

وَمِنَ الشَّيَاطِينِ مَن يَغُوصُونَ لَهُ

ডুব দেয়া

غَاصَ-يَغُوصُ

আর শয়তানদের -- প্রতেকেই নির্মাণকারী ও ডুবুরী (৩৮:৩৭)

وَالشَّيَاطِينَ كُلَّ بَنَّاءٍ وَغَوَّاصٍ

ডুবুরী

غَوَّاصٌ

এবং যারা নিজেদের যৌনাঙ্গকে সংযত রাখে (২৩:৫)

وَالَّذِينَ هُمْ لِفُرُوجِهِمْ حَافِظُونَ

গোপন অঙ্গ

فَرْجٌ ج فُرُوجٌ

যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ (২৪:৩১)

لَمْ يَظْهَرُوا عَلَىٰ عَوْرَاتِ النِّسَاءِ

গুপ্ত, গুপ্তাঙ্গ, গোপনীয়,

عَوْرَةٌ ج عَوْرَاتٌ

তাদেরকে এ থেকে দূরে সরিয়ে রাখা হবে (২১:১০১)

أُولَـٰئِكَ عَنْهَا مُبْعَدُونَ

দূরে অবস্থিত, দূরীভূত

مُبْعَدٌ ج مُبْعَدُونَ

 

তাদেরকে তো শ্রবণের জায়গা থেকে দূরে রাখা রয়েছে (২৬:২১২)

إِنَّهُمْ عَنِ السَّمْعِ لَمَعْزُولُونَ

অপসারিত, পরিত্যাক্ত, বরখাস্ত, বিদূরিত

مَعْزُولٌ ج مَعْزُولُونَ

সেই দিনে আমরা আকাশকে গুটিয়ে নেব যেমন গুটানো হয় লিখিত নথিপত্র (২১:১০৪)

يَوْمَ نَطْوِي السَّمَاءَ كَطَيِّ السِّجِلِّ لِلْكُتُبِ

ভাঁজ করা, গুটিয়ে ফেলা

طَوَى-يَطْوِي (طَيٌّ)

এবং আসমান সমূহ গুটানো থাকবে তাঁর ডান হাতে (৩৯:৬৭)

وَالسَّمَاوَاتُ مَطْوِيَّاتٌ بِيَمِينِهِ

সঙ্কুচিত, গুটানো, কুঞ্চিত

مَطْوِيَّةٌ ج مَطْوِيَّاتٌ

অতঃপর রক্তপিন্ডকে বানিয়েছি মাংসপিন্ড (২৩:১৪)

فَخَلَقْنَا الْعَلَقَةَ مُضْغَةً

মাংসপিণ্ড

مُضْغَةٌ

এর দ্বারা গলে যাবে যা কিছু আছে তাদের পেটের ভেতরে (২২:২০)

يُصْهَرُ بِهِ مَا فِي بُطُونِهِمْ

গলে যাওয়া

صَهرَ

আর তাদের জন্য রয়েছে লোহার মুগুর (২২:২১)

وَلَهُم مَّقَامِعُ مِنْ حَدِيدٍ

লোহার মুগুর

مِقْمَعَةٌ ج مَقَامِعُ

তারপর তারা সমাধা করুক তাদের পরিচ্ছন্নতা (২২:২৯)

ثُمَّ لْيَقْضُوا تَفَثَهُمْ

দৈহিক অপরিচ্ছন্নতা, হজ্বের বিধানাবলী

تَفَثٌ

আর তারা তওয়াফ করুক এই প্রাচীন গৃহের (২২:২৯)

وَلْيَطَّوَّفُوا بِالْبَيْتِ الْعَتِيقِ

প্রাচীন/ মুক্ত

عَتِيقٌ

আর মাছি যদি তাদের কাছ থেকে কোন কিছু ছিনিয়ে নেয়, তবে তারা তার কাছ থেকে তা উদ্ধার করতে পারবে না, (২২:৭৩)

وَإِن يَسْلُبْهُمُ الذُّبَابُ شَيْئًا لَّا يَسْتَنقِذُوهُ مِنْهُ

মাছি

ذُبَابٌ

পুনরুদ্ধার করা

اِسْتَنْقَذَ

আমরা মানুষকে সৃষ্টি করেছি কাদার নির্যাস থেকে (২৩:১২)

خَلَقْنَا الْإِنسَانَ مِن سُلَالَةٍ مِّن طِينٍ

সারাংশ

سُلَالَةٌ

তারপর আমরা শুক্রবিন্দুকে বানাই রক্তপিন্ড (২৩:১৪)

ثُمَّ خَلَقْنَا النُّطْفَةَ عَلَقَةً

জমাটবাঁধা ঝুলন্ত পিণ্ড

عَلَقٌ، عَلَقَةٌ

 উৎপাদন করে তেল (২৩:২০)

تَنبُتُ بِالدُّهْنِ

তেল

دُهْنٌ

তার যাইতুনের তেলটা যেন প্রজ্জ্বলিত (২৪:৩৫)

يَكَادُ زَيْتُهَا يُضِيءُ

যাইতুনের তেল

زَيْتٌ

অতএব তাদের কিছু কালের জন্যে তাদের অজ্ঞানতায় ছেড়ে দিন (২৩:৫৪)

فَذَرْهُمْ فِي غَمْرَتِهِمْ حَتَّىٰ حِينٍ

অজ্ঞানতা

غَمْرَةٌ

অহংকারের সাথে এ ব্যাপারে নৈশ আড্ডা করতে (২৩:৬৭)

مُسْتَكْبِرِينَ بِهِ سَامِرًا

রাতে গল্পগুজব করা

سَامِرٌ

তাদের অবাধ্যতায় নিমজ্জিত থাকবে (২৩:৭৫)

لَجُّوا فِي طُغْيَانِهِمْ

লেগে থাকা, ডুবে থাকা

لَجَّ

 উভয়ের মাঝখানে রয়েছে এক অন্তরাল, যা তারা অতিক্রম করে না (৫৫:২০)

بَيْنَهُمَا بَرْزَخٌ لَّا يَبْغِيَانِ

অন্তরাল, প্রতিবন্ধক, সীমারেখা

بَرْزَخٌ

আর তারা সেখানে হবে বিকৃত-বীভৎস (২৩:১০৪)

وَهُمْ فِيهَا كَالِحُونَ

বীভৎস চেহারা

كَالِحٌ ج كَالِحُونَ

তিনি বলবেনঃ তোমরা এখানেই লাঞ্ছিত হতে থাক (২৩:১০৮)

قَالَ اخْسَئُوا فِيهَا

লাঞ্ছিত হওয়া, অপদস্থ হওয়া, ধিকৃত হয়ে পড়ে থাকা

خَسِئَ-يَخْسَأُ

তদুভয়ের মধ্যেকার সবাইকে চাবুক মার প্রত্যেককে একশত ঘা করে (২৪:২)

فَاجْلِدُوا كُلَّ وَاحِدٍ مِّنْهُمَا مِائَةَ جَلْدَةٍ

চাবুক মারা, / কশাঘাত করা

جَلَدَ-يَجْلِدُ (جَلْدَةٌ)

অতঃপর আপনার পালনকর্তা তাদের উপরে হেনেছিলেন শাস্তির কশাঘাত (৮৯:১৩)

فَصَبَّ عَلَيْهِمْ رَبُّكَ سَوْطَ عَذَابٍ

চাবুক / কষাঘাত

سَوْطٌ

তারা ভালবাসে যে যারা ঈমান এনেছে তাদের মধ্যে অশ্লীলতা প্রসার করুক (২৪:১৯)

يُحِبُّونَ أَن تَشِيعَ الْفَاحِشَةُ فِي الَّذِينَ آمَنُوا

বিস্তৃতি ঘটা, প্রসার লাভ করা

شَاعَ-يَشِيعُ

এমন দিন যার অনিষ্ট হবে সুদূরপ্রসারী (৭৬:৭)

ويَوْمًا كَانَ شَرُّهُ مُسْتَطِيرًا

সুদূরপ্রসারী

مُستَطِيرٌ

এমন ঘর যেখানে কোনো বাসিন্দা নেই (২৪:২৯)

بُيُوتًا غَيْرَ مَسْكُونَةٍ

বসবাস

مَسْكُونَةٌ

চাকর-নকর যাদের কাম-লালসা নেই (২৪:৩১)

التَّابِعِينَ غَيْرِ أُولِي الْإِرْبَةِ

যৌন চাহিদা, কামভাব

إرْبَةٌ

আর যেন তারা তাদের মাথার কাপড় টেনে তাদের বুকের উপর ঢেকে রাখে (২৪:৩১)

وَلْيَضْرِبْنَ بِخُمُرِهِنَّ عَلَىٰ جُيُوبِهِنَّ

মাথার কাপড়

خُمْرٌ

আর যেন তারা তাদের মাথার কাপড় টেনে তাদের বুকের উপর ঢেকে রাখে (২৪:৩১)

وَلْيَضْرِبْنَ بِخُمُرِهِنَّ عَلَىٰ جُيُوبِهِنَّ

বক্ষদেশ, বগল, গলাবন্ধ

جَيْبٌ ج جُيُوبٌ

আর বিয়ে দিয়ে দাও তোমাদের মধ্যের অবিবাহিতদের (২৪:৩২)

وَأَنكِحُوا الْأَيَامَىٰ مِنكُمْ

অবিবাহিত

أَيِّمٌ ج أَيَامَى

তাঁর আলোকের উপমা হচ্ছে যেন একটি কুলঙ্গী যাতে আছে একটি প্রদীপ (২৪:৩৫)

مَثَلُ نُورِهِ كَمِشْكَاةٍ فِيهَا مِصْبَاحٌ

প্রদীপ

مِصْبَاحٌ ج مَصَابِيحُ

আর সূর্যকে বানিয়েছেন একটি প্রদীপ (৭১-১৬)

وَجَعَلَ الشَّمْسَ سِرَاجًا

বাতি, প্রদীপ, দীপ,

سِرَاجٌ

প্রদীপটি রয়েছে একটি কাঁচপাত্রের ভেতরে (২৪:৩৫)

الْمِصْبَاحُ فِي زُجَاجَةٍ

কাঁচের পাত্র

زُجَاجَةٌ

তাদের ক্রিয়াকর্ম মরুভূমির মরীচিকার ন্যায়, পিপাসার্ত তাকে পানি বলে মনে করে (২৪:৩৯)

أَعْمَالُهُمْ كَسَرَابٍ بِقِيعَةٍ يَحْسَبُهُ الظَّمْآنُ مَاءً

মরীচিকা

سَرَابٌ

 

 

বালুকাময়, মরুভূমি

قِيعَةٌ

অথবা গভীর সমুদ্রের মধ্যেকার অন্ধকারের ন্যায় (২৪:৪০)

أَوْ كَظُلُمَاتٍ فِي بَحْرٍ لُّجِّيٍّ

গভীর

لُجِّيٌّ

তার বিদ্যুতের ঝলক দৃষ্টিশক্তি প্রায় নিয়েই নেয় (২৪:৪৩)

يَكَادُ سَنَا بَرْقِهِ يَذْهَبُ بِالْأَبْصَارِ

চমক , ঝলক

سَنَا

দুপুরে যখন তোমরা বস্ত্র সরিয়ে রাখ (২৪:৫৮)

وَحِينَ تَضَعُونَ ثِيَابَكُم مِّنَ الظَّهِيرَةِ

মধ্য দুপুর

ظَهِيرَةٌ

বস্ত্র সরিয়ে রাখে সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে (২৪:৬০)

يَضَعْنَ ثِيَابَهُنَّ غَيْرَ مُتَبَرِّجَاتٍ بِزِينَةٍ

সৌন্দর্য প্রদর্শন কারিণী

مُتَبَرِّجَةٌ ج مُتَبَرِّجَاتٌ

আর পূর্ববর্তী অজ্ঞানতার যুগের প্রদর্শনীর ন্যায় প্রদর্শন করো না (৩৩:৩৩)

وَلَا تَبَرَّجْنَ تَبَرُّجَ الْجَاهِلِيَّةِ الْأُولَىٰ

সৌন্দর্য প্রদর্শন করা, দৃষ্টিরঞ্জন করা

تَبَرَّجَ-يَتَبَرَّجُ (تَبَرُّجٌ)

খোঁড়ার উপরে দোষ নেই (২৪:৬১)

وَلَا عَلَى الْأَعْرَجِ حَرَجٌ

খোঁড়া

أَعْرَجُ

এবং হাটে-বাজারে চলাফেরা করে (২৫:৭)

وَيَمْشِي فِي الْأَسْوَاقِ

বাজার

سُوْقٌ ج أَسْوَاقٌ

সুন্দরতর বিশ্রামস্থল (২৫:২৪)

أَحْسَنُ مَقِيلًا

বিশ্রামস্থল

مَقِيلٌ

হায়! কি আফসোস! আমি যদি অমুক কে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করতাম (২৫:২৮)

يَا وَيْلَتَىٰ لَيْتَنِي لَمْ أَتَّخِذْ فُلَانًا خَلِيلًا

অমুক

فُلَانٌ

তাঁর প্রতি সমগ্র কোরআন একদফায় অবতীর্ণ হল না কেন (২৫:৩২)

لَوْلَا نُزِّلَ عَلَيْهِ الْقُرْآنُ جُمْلَةً وَاحِدَةً

একবারে, একত্রে, পুরোপুরি, সম্পূর্ণ

جُمْلَةٌ

তিনি ইচ্ছা করলে একে স্থির রাখতে পারতেন (২৫:৪৫)

وَلَوْ شَاءَ لَجَعَلَهُ سَاكِنًا

নিশ্চল, গতিহীন

سَاكِنٌ

ফলে তারা তার পিঠে নিশ্চল হয়ে পড়ে (৪২-৩৩)

فَيَظْلَلْنَ رَوَاكِدَ عَلَىٰ ظَهْرِهِ

অচল, স্থির, নিশ্চল,

رَاكِدَةٌ ج رَوَاكِدُ

আর সমুদ্রকে রেখে যাও শান্ত অবস্থায় (৪৪-২৪)

وَاتْرُكِ الْبَحْرَ رَهْوًا

শান্ত, নিশ্চল, স্থির,

رَهْوٌ

আর তুমি পাহাড়গুলোকে দেখছ, তাদের ভাবছ অচল-অনড় (২৭:৮৮)

وَتَرَى الْجِبَالَ تَحْسَبُهَا جَامِدَةً

জড় বস্তু, জমাট, অচল, স্থির

جَامِدَةٌ

সূর্যকে এর উপরে নির্দেশক বানিয়েছি (২৫:৪৫)

جَعَلْنَا الشَّمْسَ عَلَيْهِ دَلِيلًا

নির্দেশক

دَلِيلٌ

এবং যারা রাত্রি যাপন করে পালনকর্তার উদ্দেশ্যে সেজদাবনত হয়ে ও দন্ডায়মান হয়ে (২৫:৬৪)

وَالَّذِينَ يَبِيتُونَ لِرَبِّهِمْ سُجَّدًا وَقِيَامًا

রাত অতিবাহিত করা

بَاتَ-يَبِيتُ

নিশ্চয় এর শাস্তি নিশ্চিত বিনাশ (২৫:৬৫)

إِنَّ عَذَابَهَا كَانَ غَرَامًا

ভয়াবহ বিপদ/ নিশ্চিত বিনাশ

غَرَامٌ

আমার পালনকর্তা তোমাদের পরওয়া করেন না (২৫:৭৭)

 مَا يَعْبَأُ بِكُمْ رَبِّي

পরোয়া করা, প্রয়োজন পড়া

عَبَا-يَعْبُو

কোর্স বিষয়বস্তু

11 চ্যাপ্টার • 79 পাঠ