তোমরা এহরাম অবস্থায় শিকার বধ করো না। (৫-৯৪) |
لَا تَقْتُلُوا الصَّيْدَ وَأَنتُمْ حُرُمٌ |
শিকার |
صَيْدٌ |
যখন তোমরা এহরাম থেকে বের হয়ে আস,তখন শিকার কর। (৫-২) |
وَإِذَا حَلَلْتُمْ فَاصْطَادُوا |
শিকার করা |
اِصْطَادَ-يَصْطِيدُ |
সেই সম্প্রদায়ের শুত্রুতা যেন তোমাদেরকে সীমালঙ্ঘনে প্ররোচিত না করে। (৫-২) |
وَلَا يَجْرِمَنَّكُمْ شَنَآنُ قَوْمٍ أَن صَدُّوكُمْ |
পাপাসক্ত করা, অপরাধপ্রবণ বানানো, |
جَرَمَ-يَجْرِمُ |
অতঃপর তার অন্তর তাকে ভ্রাতৃহত্যায় উদুদ্ধ করল। (৫-৩০) |
فَطَوَّعَتْ لَهُ نَفْسُهُ قَتْلَ أَخِيهِ |
অনুগত বানানো, বশে আনা, আগ্রহী করা, উদ্বুদ্ধ করা |
طَوَّعَ-يُطَوِّعُ |
তারা তাদেরকে বিশেষভাবে (মন্দকর্মে) উৎসাহিত করে। (১৯-৮৩) |
تَؤُزُّهُمْ أَزًّا |
উস্কানি দেয়া, প্ররোচিত করা |
أَزَّ-يَؤُزُّ (أَزٌّ) |
নিশ্চয় মানুষের মন মন্দ কর্মপ্রবণ কিন্তু সে নয়-আমার পালনকর্তা যার প্রতি অনুগ্রহ করেন। (১২-৫৩) |
إِنَّ النَّفْسَ لَأَمَّارَةٌ بِالسُّوءِ إِلَّا مَا رَحِمَ رَبِّي |
প্ররোচনা দানকারী, কুচক্রী |
أَمَّارَةٌ |
সেটা তার জন্যে কাফফারাহ। (৫-৪৫) |
فَهُوَ كَفَّارَةٌ لَّهُ |
কাফফারা |
كَفَّارَةٌ |
হালাল মনে করো না আল্লাহর নিদর্শনসমূহ এবং সম্মানিত মাসসমূহকে এবং হরমে কুরবানীর জন্যে নির্দিষ্ট জন্তুকে এবং ঐসব জন্তুকে, যাদের গলায় কন্ঠাভরণ রয়েছে। (৫-২) |
لَا تُحِلُّوا شَعَائِرَ اللَّهِ وَلَا الشَّهْرَ الْحَرَامَ وَلَا الْهَدْيَ وَلَا الْقَلَائِدَ |
গলার মালা, কন্ঠাবরণ |
قِلَادَةٌ ج قَلَائِدُ |
এবং যা ভাগ্য নির্ধারক শর দ্বারা বন্টন করা হয়। (৫-৩) |
وَأَن تَسْتَقْسِمُوا بِالْأَزْلَامِ |
ভাগ্য নির্ণয় করা |
اِسْتَقْسَمَ- يَسْتَقْسِمُ |
অতঃপর লটারী (সুরতি) করালে তিনি দোষী সাব্যস্ত হলেন। (৩৭-১৪১) |
فَسَاهَمَ فَكَانَ مِنَ الْمُدْحَضِينَ |
লটারি করা, ভাগ্যপরিক্ষা করা, কিছু নিক্ষেপ করে লটারি করা |
سَاهَمَ-يُسَاهِمُ |
যেমন আমি নাযিল করেছি যারা বিভিন্ন মতে বিভক্ত তাদের উপর। (১৫-৯০) |
كَمَا أَنزَلْنَا عَلَى الْمُقْتَسِمِينَ |
বিভিন্ন ভাগে বন্টিত |
مُسْتَقْسِمٌ ج مُسْتَقْسِمُونَ |
যে ব্যাক্তি তীব্র ক্ষুধায় কাতর হয়ে পড়ে; কিন্তু কোন গোনাহর প্রতি প্রবণতা না থাকে। (৫-৩) |
فَمَنِ اضْطُرَّ فِي مَخْمَصَةٍ غَيْرَ مُتَجَانِفٍ لِّإِثْمٍ |
পক্ষপাতিত্বকারী, অন্যায়প্রবণ |
مُتَجَانِفٌ |
যেসব শিকারী জন্তুকে তোমরা প্রশিক্ষণ দান কর শিকারের প্রতি প্রেরণের জন্যে। (৫-৪) |
وَمَا عَلَّمْتُم مِّنَ الْجَوَارِحِ مُكَلِّبِينَ |
যারা শিকার করার প্রশিক্ষণ দেয় |
مُكَلَّبٌ ج مُكَلَّبُونَ |
তখন স্বীয় মুখমন্ডল ও হস্তসমূহ কনুই পর্যন্ত ধৌত কর। (৫-৬) |
فَاغْسِلُوا وُجُوهَكُمْ وَأَيْدِيَكُمْ إِلَى الْمَرَافِقِ |
কনুই |
مِرْفَقٌ ج مَرَافِقُ |
অতঃপর আমি কেয়ামত পর্যন্ত তাদের মধ্যে পারস্পরিক শত্রুতা ও বিদ্বেষ সঞ্চারিত করে দিয়েছি। (৫-১৪) |
فَأَغْرَيْنَا بَيْنَهُمُ الْعَدَاوَةَ وَالْبَغْضَاءَ إِلَىٰ يَوْمِ الْقِيَامَةِ |
জিইয়ে দেয়া, সঞ্চারিত করা |
أَغْرَى-يُغْرِي |
আল্লাহ এক কাক প্রেরণ করলেন। (৫-৩১) |
فَبَعَثَ اللَّهُ غُرَابًا |
কাক |
غُرَابٌ |
সে মাটি খনন করছিল। (৫-৩১) |
يَبْحَثُ فِي الْأَرْضِ |
খনন করা, অনুসন্ধান করা |
بَحثَ-يَبْحَثُ |
যাতে তাকে শিক্ষা দেয় যে, আপন ভ্রাতার মৃতদেহ কিভাবে আবৃত করবে। (৫-৩১) |
لِيُرِيَهُ كَيْفَ يُوَارِي سَوْءَةَ أَخِيهِ |
আবৃত করা |
وَارَى-يُوَارِي |
তাকে শোনানো সুসংবাদের দুঃখে সে লোকদের কাছ থেকে মুখ লুকিয়ে থাকে। (১৬-৬৯) |
يَتَوَارَىٰ مِنَ الْقَوْمِ مِن سُوءِ مَا بُشِّرَ بِهِ |
আবৃত হওয়া, গোপন হওয়া, সুপ্ত হওয়া, ঢেকে যাওয়া |
تَوَارَى-يَتَوَارَى |
এবং তারা জান্নাতের বৃক্ষ-পত্র দ্বারা নিজেদেরকে আবৃত করতে শুরু করল। (২০-১২১) |
وَطَفِقَا يَخْصِفَانِ عَلَيْهِمَا مِن وَرَقِ الْجَنَّةِ |
জড়িয়ে নেয়া, সেলাই করা, জোড়া দিয়ে পরিধান করা |
خَصَفَ-يَخْصِفُ |
অতএব তুমি জুতা খুলে ফেল। (২০-১২) |
فَاخْلَعْ نَعْلَيْكَ |
খুলে ফেলা, উন্মুক্ত করা |
خَلَعَ-يَخْلَعُ |
যাতে তাকে শিক্ষা দেয় যে, আপন ভ্রাতার মৃতদেহ কিভাবে আবৃত করবে। (৫-৩১) |
لِيُرِيَهُ كَيْفَ يُوَارِي سَوْءَةَ أَخِيهِ |
মৃতদেহ |
سَوْأَةٌ |
এ কারণেই আমি বনী-ইসলাঈলের প্রতি লিখে দিয়েছি। (৫-৩২) |
مِنْ أَجْلِ ذَٰلِكَ كَتَبْنَا عَلَىٰ بَنِي إِسْرَائِيلَ |
কারণ, হেতু, জন্য |
أَجْلٌ |
অথবা দেশ থেকে বহিষ্কার করা হবে। (৫-৩৩) |
أَوْ يُنفَوْا مِنَ الْأَرْضِ |
নির্বাসন দেয়া |
نَفَا-يَنْفُو |
আল্লাহ যদি তাদের জন্যে নির্বাসন অবধারিত না করতেন। (৫৯-৩) |
وَلَوْلَا أَن كَتَبَ اللَّهُ عَلَيْهِمُ الْجَلَاءَ |
নির্বাসন, দেশান্তর |
جَلَاءٌ |
তাঁর নৈকট্য অন্বেষন কর। (৫-৩৫) |
وَابْتَغُوا إِلَيْهِ الْوَسِيلَةَ |
নৈকট্য |
وَسِيلَةٌ |
যে পুরুষ চুরি করে এবং যে নারী চুরি করে তাদের হাত কেটে দাও। (৫-৩৮) |
وَالسَّارِقُ وَالسَّارِقَةُ فَاقْطَعُوا أَيْدِيَهُمَا |
চোর |
سَارِقٌ (سَارِقَةٌ) ج سَارِقُونَ |
তারা বলতে লাগলঃ যদি সে চুরি করে থাকে, তবে তার এক ভাইও ইতিপূর্বে চুরি করেছিল। (১২-৭৭) |
قَالُوا إِن يَسْرِقْ فَقَدْ سَرَقَ أَخٌ لَّهُ مِن قَبْلُ |
চুরি করা |
سَرَقَ-يَسْرِقُ |
কিন্তু যে চুরি করে শুনে পালায়। (১৫-১৮) |
إِلَّا مَنِ اسْتَرَقَ السَّمْعَ |
চুরি করা, আড়ি পেতে শোনা |
اِسْتَرَقَ-يَسْتَرِقُ |
মিথ্যাবলার জন্যে তারা গুপ্তচর বৃত্তি করে। (৫-৪১) |
سَمَّاعُونَ لِلْكَذِبِ |
গুপ্তচর |
سَمَّاعٌ ج سَمَّاعُونَ |
এবং গোপনীয় বিষয় সন্ধান করো না। (৪৯-১২) |
وَلَا تَجَسَّسُوا |
গুপ্তচর বৃত্তি করা, গোপনে দোষ খোঁজা |
تَجَسَّسَ-يَتَجَسَّسُ |
ওরা উর্ধ্ব জগতের কোন কিছু শ্রবণ করতে পারে না। (৩৭-৮) |
لَّا يَسَّمَّعُونَ إِلَى الْمَلَإِ الْأَعْلَىٰ |
কানপেতে শোনা, কান খাড়া করা |
تَسَمَّعَ-يَسَّمَّعُ |
আল্লাহ্র কিতাবের যা তারা সংরক্ষণ করতো তারদ্বারা। (৫-৪৪) |
بِمَا اسْتُحْفِظُوا مِن كِتَابِ اللَّهِ |
দেখাশুনা করার দায়িত্ব দেয়া, সংরক্ষণের প্রত্যাশা করা |
اسْتَحْفَظَ-يَسْتَحْفِظُ |
এবং নাকের বিনিময়ে নাক। (৫-৪৫) |
وَالْأَنفَ بِالْأَنفِ |
নাক |
أَنْفٌ |
আমি তার নাসিকা দাগিয়ে দিব। (৬৮-১৬) |
سَنَسِمُهُ عَلَى الْخُرْطُومِ |
শুঁড়, নাক |
خُرْطُومٌ |
এবং দাঁতের বিনিময়ে দাঁত। (৫-৪৫) |
وَالسِّنَّ بِالسِّنِّ |
দাঁত |
سِنٌّ |
আমি তোমাদের প্রত্যেককে একটি আইন ও পথ দিয়েছি। (৫-৪৮) |
لِكُلٍّ جَعَلْنَا مِنكُمْ شِرْعَةً وَمِنْهَاجًا |
আইন, শরীয়ত |
شِرْعَةٌ |
এরপর আমি আপনাকে রেখেছি ধর্মের এক বিশেষ শরীয়তের উপর। (৪৫-১৮) |
ثُمَّ جَعَلْنَاكَ عَلَىٰ شَرِيعَةٍ مِّنَ الْأَمْرِ |
পথ, রাস্তা, পন্থা, তরিকা, পদ্ধতি, শরীয়ত, দীন, বিধান |
شَرِيعَةٌ |
তিনি তোমাদের জন্যে দ্বীনের ক্ষেত্রে সে পথই নিধারিত করেছেন, যার আদেশ দিয়েছিলেন নূহকে। (৪২-১৩) |
شَرَعَ لَكُم مِّنَ الدِّينِ مَا وَصَّىٰ بِهِ نُوحًا |
আইন প্রণয়ন করা, শরয়ী বিধিবিধান দেওয়া, শরিয়তসম্মত করা |
شَرَعَ-يَشْرَعُ |
এবং কোন তিরস্কারকারীর তিরস্কারে ভীত হবে না। (৫-৫৪) |
وَلَا يَخَافُونَ لَوْمَةَ لَائِمٍ |
নিন্দা, তিরস্কার |
لَوْمَةٌ |
মহিলা বললঃ এ ঐ ব্যক্তি, যার জন্যে তোমরা আমাকে ভৎর্সনা করছিলে। (১২-৩২) |
قَالَتْ فَذَٰلِكُنَّ الَّذِي لُمْتُنَّنِي فِيهِ |
তিরস্কার করা, ভর্ৎসনা, পরনিন্দা করা, কুৎসা করা, |
لَامَ-يَلُومُ |
অতঃপর তারা একে অপরকে ভৎর্সনা করতে লাগল। (৬৮-৩০) |
فَأَقْبَلَ بَعْضُهُمْ عَلَىٰ بَعْضٍ يَتَلَاوَمُونَ |
পরস্পরে নিন্দা করা, |
تَلَاوَمَ-يَتَلَاوَمُ |
এবং কোন তিরস্কারকারীর তিরস্কারে ভীত হবে না। (৫-৫৪) |
وَلَا يَخَافُونَ لَوْمَةَ لَائِمٍ |
নিন্দুক, তিরস্কারকারী |
لَائِمٌ |
তাহলে অভিযুক্ত ও আল্লাহর অনুগ্রহ থেকে বিতাড়িত অবস্থায় জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবেন। (১৭-৩৯) |
فَتُلْقَىٰ فِي جَهَنَّمَ مَلُومًا مَّدْحُورًا |
নিন্দিত |
مَلُومٌ ج مَلُومُونَ |
তাহলে তুমি নিন্দিত ও অসহায় হয়ে পড়বে। (১৭-২২) |
فَتَقْعُدَ مَذْمُومًا مَّخْذُولًا |
নিন্দিত, তিরষ্কৃত, অপ্রিয়, মন্দ |
مَذْمُومٌ |
তখন তিনি অপরাধী গণ্য হয়েছিলেন। (৩৭-১৪২) |
وَهُوَ مُلِيمٌ |
নিন্দিত, নিন্দনীয়, তিরস্কৃত, |
مُلِيمٌ |
যারা তোমাদের ধর্মকে উপহাস ও খেলা মনে করে। (৫-৫৭) |
الَّذِينَ اتَّخَذُوا دِينَكُمْ هُزُوًا وَلَعِبًا |
খেলা |
لَعِبٌ (لَعِبَ-يَلْعَبُ) |
পার্থিব জীবন ক্রীড়া ও কৌতুক ব্যতীত কিছুই নয়। (৬-৩২) |
وَمَا الْحَيَاةُ الدُّنْيَا إِلَّا لَعِبٌ وَلَهْوٌ |
উদাসীন্য সামগ্রী, খেলনা, খেলা, |
لَهْوٌ |
তোমরা কি ধারণা কর যে, আমি তোমাদেরকে অনর্থক সৃষ্টি করেছি। (২৩-১১৫) |
أَفَحَسِبْتُمْ أَنَّمَا خَلَقْنَاكُمْ عَبَثًا |
অনর্থক কাজে লিপ্ত থাকা, খেল-তামাশা করা, খেলাধুলা করা |
عَبَثٌ (عَبَثَ-يَبْعَثُ) |
আকাশ পৃথিবী এতদুভয়ের মধ্যে যা আছে, তা আমি ক্রীড়াচ্ছলে সৃষ্টি করিনি। (২১-১৬) |
وَمَا خَلَقْنَا السَّمَاءَ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا لَاعِبِينَ |
খেলার ছলে |
لَاعِبٌ ج لَاعِبُونَ |
তোমরা ক্রীড়া-কৌতুক করছ। (৫৩-৬১) |
وَأَنتُمْ سَامِدُونَ |
উদাসীন, অন্যমনস্ক, ক্রিড়ারত, বিমুখ, অবিবেচক |
سَامِدٌ ج سَامِدُونَ |
আল্লাহর হাত বন্ধ হয়ে গেছে। (৫-৬৪) |
يَدُ اللَّهِ مَغْلُولَةٌ |
আবদ্ধ |
مَغْلُولَةٌ |
বরং তাঁর উভয় হস্ত উম্মুক্ত। (৫-৬৪) |
بَلْ يَدَاهُ مَبْسُوطَتَانِ |
প্রসারিত, বিস্তীর্ণ, বিস্তৃত |
بِسَاطٌ، مَبْسُوطَةٌ |
যেমন কেউ দু’ হাত পানির দিকে প্রসারিত করে। (১৩-১৪) |
كَبَاسِطِ كَفَّيْهِ إِلَى الْمَاءِ |
প্রসারী, প্রসারণকারী |
بَاسِطٌ |
যেন তারা ছড়িয়ে পড়া পঙ্গপাল। (৫৪-৭) |
كَأَنَّهُمْ جَرَادٌ مُّنتَشِرٌ |
ছড়িয়ে পড়া, বিক্ষিপ্ত, এলোমেলো, ছিন্নভিন্ন, ছত্রভঙ্গ |
مُنْتَشِرٌ |
মেঘবিস্তৃতকারী বায়ুর শপথ। (৭৭-৩) |
وَالنَّاشِرَاتِ نَشْرًا |
মেঘমালা বিস্তৃতকারী ফেরেশতা বা বায়ু, বিস্তারক |
نَاشِرَةٌ ج نَاشِرَاتٌ |
এর কারণ এই যে, খ্রীষ্টানদের মধ্যে আলেম রয়েছে, দরবেশ রয়েছে এবং তারা অহঙ্কার করে না। (৫-৮২) |
ذَٰلِكَ بِأَنَّ مِنْهُمْ قِسِّيسِينَ وَرُهْبَانًا وَأَنَّهُمْ لَا يَسْتَكْبِرُونَ |
দরবেশ |
رَاهِبٌ ج رُهْبَانٌ |
আর বৈরাগ্য,সে তো তারা নিজেরাই উদ্ভাবন করেছে; আমি এটা তাদের উপর ফরজ করিনি। (৫৭-২৭) |
وَرَهْبَانِيَّةً ابْتَدَعُوهَا مَا كَتَبْنَاهَا عَلَيْهِمْ |
বৈরাগ্য, সর্বত্যাগ, তাপস্য, উপরতি |
رَهْبَنِيَّةٌ |
তখন আপনি তাদের চোখ অশ্রু সজল দেখতে পাবেন। (৫-৮২) |
تَرَىٰ أَعْيُنَهُمْ تَفِيضُ مِنَ الدَّمْعِ |
উপচে পড়া |
فَاضَ-يَفِيضُ |
তখন আপনি তাদের চোখ অশ্রু সজল দেখতে পাবেন। (৫-৮২) |
تَرَىٰ أَعْيُنَهُمْ تَفِيضُ مِنَ الدَّمْعِ |
অশ্রু |
دَمْعٌ |
যে পর্যন্ত তোমাদের হাত ও বর্শা সহজেই পৌছতে পারবে। (৫-৯৪) |
تَنَالُهُ أَيْدِيكُمْ وَرِمَاحُكُمْ |
বর্শা |
رُمحٌ ج رِمَاحٌ |
আর তার (সমুদ্রের) খাদ্য তোমাদের জন্য ও পর্যটকদের জন্য উপকরণ। (৫-৯৬) |
وَطَعَامُهُ مَتَاعًا لَّكُمْ وَلِلسَّيَّارَةِ |
কাফেলা |
سَيَّارَهٌ |
অথচ কাফেলা তোমাদের থেকে নীচে নেমে গিয়েছিল। (৮-৪২) |
وَالرَّكْبُ أَسْفَلَ مِنكُمْ |
আরোহী, আরোহণকারী, যাত্রী |
رَكْبٌ |
যখন কাফেলা রওয়ানা হল। (১২-৯৪) |
وَلَمَّا فَصَلَتِ الْعِيرُ |
কাফেলা, যাত্রীদল, ভ্রমণকারী, অভিযাত্রীদল |
عِيرٌ |
আল্লাহ ‘বহিরা’ ‘সায়েবা’ ওসীলা’ এবং ‘হামী’ কে শরীয়তসিদ্ধ করেননি। (৫-১০৩) |
مَا جَعَلَ اللَّهُ مِن بَحِيرَةٍ وَلَا سَائِبَةٍ وَلَا وَصِيلَةٍ وَلَا حَامٍ |
দেবতার জন্য উৎসর্গীকৃত পাঁচবার প্রজনন করা কানকাটা বাঁধনমুক্ত উটনী বা এমন পশু, ধর্মের ষাঁড় |
بَحِيرَةٌ |
আল্লাহ ‘বহিরা’ ‘সায়েবা’ ওসীলা’ এবং ‘হামী’ কে শরীয়তসিদ্ধ করেননি। (৫-১০৩) |
مَا جَعَلَ اللَّهُ مِن بَحِيرَةٍ وَلَا سَائِبَةٍ وَلَا وَصِيلَةٍ وَلَا حَامٍ |
ধারাবাহিক দশবার মাদী বাচ্চা প্রসবীনী কানকাটা বাঁধনমুক্ত মানতের উটনী, দেবীর নামে ছাড়া পশু |
سَائِبَةٌ |
আল্লাহ ‘বহিরা’ ‘সায়েবা’ ওসীলা’ এবং ‘হামী’ কে শরীয়তসিদ্ধ করেননি। (৫-১০৩) |
مَا جَعَلَ اللَّهُ مِن بَحِيرَةٍ وَلَا سَائِبَةٍ وَلَا وَصِيلَةٍ وَلَا حَامٍ |
দেবীর নামে উৎসর্গিত উট |
وَصِيلَةٌ |
আল্লাহ ‘বহিরা’ ‘সায়েবা’ ওসীলা’ এবং ‘হামী’ কে শরীয়তসিদ্ধ করেননি। (৫-১০৩) |
مَا جَعَلَ اللَّهُ مِن بَحِيرَةٍ وَلَا سَائِبَةٍ وَلَا وَصِيلَةٍ وَلَا حَامٍ |
মূর্তির তরে সমর্পিত উট, দেবতার নামে উৎসর্গিত দশবার প্রজননকারী পুরুষ উট |
حَامٍ |
তাহলে তারা নিশ্চয়ই বলবে কোন জিনিসে (আযাব) ঠেকিয়ে রাখছে? (১১-৮) |
لَّيَقُولُنَّ مَا يَحْبِسُهُ |
বন্দি করা, আটকানো, বাধা দেয়া |
حَبَسَ-يَحْبِسُ |
যদি তোমরা বাধা প্রাপ্ত হও, তাহলে কোরবানীর জন্য যা কিছু সহজলভ্য, তাই তোমাদের উপর ধার্য। (২-১৯৬) |
فَإِنْ أُحْصِرْتُمْ فَمَا اسْتَيْسَرَ مِنَ الْهَدْيِ |
আবদ্ধ করা, আটকা পড়া |
أَحْصَرَ-يُحْصِرُ |
পক্ষান্তরে যদি আবিস্কার করা হয় যে তাদের দু’জনই পাপের যোগ্যতা লাভ করেছে। (৫-১০৭) |
فَإِنْ عُثِرَ عَلَىٰ أَنَّهُمَا اسْتَحَقَّا إِثْمًا |
উপযুক্ত হওয়া, যোগ্য হওয়া |
استَحَقَّ-يَسْتَحِقُّ |
যে, আমাদের জন্যে আকাশ থেকে খাদ্যভর্তি খাঞ্চা অবতরণ করে দেবেন। (৫-১১২) |
أَن يُنَزِّلَ عَلَيْنَا مَائِدَةً مِّنَ السَّمَاءِ |
খাদ্য ভর্তি খাঞ্চা |
مَآئِدَةٌ |
তা আমাদের জন্যে আনন্দোৎসব হবে। (৫-১১৪) |
تَكُونُ لَنَا عِيدًا |
উৎসব |
عِيدٌ |
কোর্স বিষয়বস্তু