তোমরা এহরাম অবস্থায় শিকার বধ করো না। (৫-৯৪)

لَا تَقْتُلُوا الصَّيْدَ وَأَنتُمْ حُرُمٌ

শিকার

صَيْدٌ

যখন তোমরা এহরাম থেকে বের হয়ে আস,তখন শিকার কর। (৫-২)

وَإِذَا حَلَلْتُمْ فَاصْطَادُوا

শিকার করা

اِصْطَادَ-يَصْطِيدُ

সেই সম্প্রদায়ের শুত্রুতা যেন তোমাদেরকে সীমালঙ্ঘনে প্ররোচিত না করে।  (৫-২)

وَلَا يَجْرِمَنَّكُمْ شَنَآنُ قَوْمٍ أَن صَدُّوكُمْ

পাপাসক্ত করা, অপরাধপ্রবণ বানানো,

جَرَمَ-يَجْرِمُ

অতঃপর তার অন্তর তাকে ভ্রাতৃহত্যায় উদুদ্ধ করল। (৫-৩০)

فَطَوَّعَتْ لَهُ نَفْسُهُ قَتْلَ أَخِيهِ

অনুগত বানানো, বশে আনা, আগ্রহী করা, উদ্বুদ্ধ করা

طَوَّعَ-يُطَوِّعُ

তারা তাদেরকে বিশেষভাবে (মন্দকর্মে) উৎসাহিত করে। (১৯-৮৩)

تَؤُزُّهُمْ أَزًّا

উস্কানি দেয়া, প্ররোচিত করা

أَزَّ-يَؤُزُّ (أَزٌّ)

নিশ্চয় মানুষের মন মন্দ কর্মপ্রবণ কিন্তু সে নয়-আমার পালনকর্তা যার প্রতি অনুগ্রহ করেন। (১২-৫৩)

إِنَّ النَّفْسَ لَأَمَّارَةٌ بِالسُّوءِ إِلَّا مَا رَحِمَ رَبِّي

প্ররোচনা দানকারী, কুচক্রী

أَمَّارَةٌ

সেটা তার জন্যে কাফফারাহ। (৫-৪৫)

فَهُوَ كَفَّارَةٌ لَّهُ

কাফফারা

كَفَّارَةٌ

হালাল মনে করো না আল্লাহর নিদর্শনসমূহ এবং সম্মানিত মাসসমূহকে এবং হরমে কুরবানীর জন্যে নির্দিষ্ট জন্তুকে এবং ঐসব জন্তুকে, যাদের গলায় কন্ঠাভরণ রয়েছে। (৫-২)

لَا تُحِلُّوا شَعَائِرَ اللَّهِ وَلَا الشَّهْرَ الْحَرَامَ وَلَا الْهَدْيَ وَلَا الْقَلَائِدَ

গলার মালা,

 কন্ঠাবরণ

قِلَادَةٌ ج  قَلَائِدُ

এবং যা ভাগ্য নির্ধারক শর দ্বারা বন্টন করা হয়। (৫-৩)

وَأَن تَسْتَقْسِمُوا بِالْأَزْلَامِ

ভাগ্য নির্ণয় করা

اِسْتَقْسَمَ- يَسْتَقْسِمُ

অতঃপর লটারী (সুরতি) করালে তিনি দোষী সাব্যস্ত হলেন। (৩৭-১৪১)

فَسَاهَمَ فَكَانَ مِنَ الْمُدْحَضِينَ

লটারি করা, ভাগ্যপরিক্ষা করা, কিছু নিক্ষেপ করে লটারি করা

سَاهَمَ-يُسَاهِمُ

যেমন আমি নাযিল করেছি যারা বিভিন্ন মতে বিভক্ত তাদের উপর। (১৫-৯০)

كَمَا أَنزَلْنَا عَلَى الْمُقْتَسِمِينَ

বিভিন্ন ভাগে বন্টিত

مُسْتَقْسِمٌ ج مُسْتَقْسِمُونَ

যে ব্যাক্তি তীব্র ক্ষুধায় কাতর হয়ে পড়ে; কিন্তু কোন গোনাহর প্রতি প্রবণতা না থাকে। (৫-৩)

فَمَنِ اضْطُرَّ فِي مَخْمَصَةٍ غَيْرَ مُتَجَانِفٍ لِّإِثْمٍ

পক্ষপাতিত্বকারী, অন্যায়প্রবণ

مُتَجَانِفٌ

যেসব শিকারী জন্তুকে তোমরা প্রশিক্ষণ দান কর শিকারের প্রতি প্রেরণের জন্যে। (৫-৪)

وَمَا عَلَّمْتُم مِّنَ الْجَوَارِحِ مُكَلِّبِينَ

যারা শিকার করার প্রশিক্ষণ দেয়

مُكَلَّبٌ ج مُكَلَّبُونَ

তখন স্বীয় মুখমন্ডল ও হস্তসমূহ কনুই পর্যন্ত ধৌত কর। (৫-৬)

فَاغْسِلُوا وُجُوهَكُمْ وَأَيْدِيَكُمْ إِلَى الْمَرَافِقِ

কনুই

مِرْفَقٌ ج مَرَافِقُ

অতঃপর আমি কেয়ামত পর্যন্ত তাদের মধ্যে পারস্পরিক শত্রুতা ও বিদ্বেষ সঞ্চারিত করে দিয়েছি। (৫-১৪)

فَأَغْرَيْنَا بَيْنَهُمُ الْعَدَاوَةَ وَالْبَغْضَاءَ إِلَىٰ يَوْمِ الْقِيَامَةِ

জিইয়ে দেয়া, সঞ্চারিত করা

أَغْرَى-يُغْرِي

আল্লাহ এক কাক প্রেরণ করলেন। (৫-৩১)

فَبَعَثَ اللَّهُ غُرَابًا

কাক

غُرَابٌ

সে মাটি খনন করছিল। (৫-৩১)

يَبْحَثُ فِي الْأَرْضِ

খনন করা, অনুসন্ধান করা

بَحثَ-يَبْحَثُ

যাতে তাকে শিক্ষা দেয় যে, আপন ভ্রাতার মৃতদেহ কিভাবে আবৃত করবে। (৫-৩১)

لِيُرِيَهُ كَيْفَ يُوَارِي سَوْءَةَ أَخِيهِ

আবৃত করা

وَارَى-يُوَارِي

তাকে শোনানো সুসংবাদের দুঃখে সে লোকদের কাছ থেকে মুখ লুকিয়ে থাকে। (১৬-৬৯)

يَتَوَارَىٰ مِنَ الْقَوْمِ مِن سُوءِ مَا بُشِّرَ بِهِ

আবৃত হওয়া, গোপন হওয়া, সুপ্ত হওয়া, ঢেকে যাওয়া

تَوَارَى-يَتَوَارَى

এবং তারা জান্নাতের বৃক্ষ-পত্র দ্বারা নিজেদেরকে আবৃত করতে শুরু করল। (২০-১২১)

وَطَفِقَا يَخْصِفَانِ عَلَيْهِمَا مِن وَرَقِ الْجَنَّةِ

জড়িয়ে নেয়া, সেলাই করা, জোড়া দিয়ে পরিধান করা

خَصَفَ-يَخْصِفُ

অতএব তুমি জুতা খুলে ফেল। (২০-১২)

فَاخْلَعْ نَعْلَيْكَ

খুলে ফেলা, উন্মুক্ত করা

خَلَعَ-يَخْلَعُ

যাতে তাকে শিক্ষা দেয় যে, আপন ভ্রাতার মৃতদেহ কিভাবে আবৃত করবে। (৫-৩১)

لِيُرِيَهُ كَيْفَ يُوَارِي سَوْءَةَ أَخِيهِ

মৃতদেহ

سَوْأَةٌ

এ কারণেই আমি বনী-ইসলাঈলের প্রতি লিখে দিয়েছি। (৫-৩২)

مِنْ أَجْلِ ذَٰلِكَ كَتَبْنَا عَلَىٰ بَنِي إِسْرَائِيلَ

কারণ, হেতু, জন্য

أَجْلٌ

অথবা দেশ থেকে বহিষ্কার করা হবে। (৫-৩৩)

أَوْ يُنفَوْا مِنَ الْأَرْضِ

নির্বাসন দেয়া

نَفَا-يَنْفُو

আল্লাহ যদি তাদের জন্যে নির্বাসন অবধারিত না করতেন। (৫৯-৩)

وَلَوْلَا أَن كَتَبَ اللَّهُ عَلَيْهِمُ الْجَلَاءَ

নির্বাসন, দেশান্তর

جَلَاءٌ

তাঁর নৈকট্য অন্বেষন কর। (৫-৩৫)

وَابْتَغُوا إِلَيْهِ الْوَسِيلَةَ

নৈকট্য

وَسِيلَةٌ

যে পুরুষ চুরি করে এবং যে নারী চুরি করে তাদের হাত কেটে দাও। (৫-৩৮)

وَالسَّارِقُ وَالسَّارِقَةُ فَاقْطَعُوا أَيْدِيَهُمَا

চোর

سَارِقٌ (سَارِقَةٌ) ج سَارِقُونَ

তারা বলতে লাগলঃ যদি সে চুরি করে থাকে, তবে তার এক ভাইও ইতিপূর্বে চুরি করেছিল। (১২-৭৭)

قَالُوا إِن يَسْرِقْ فَقَدْ سَرَقَ أَخٌ لَّهُ مِن قَبْلُ

চুরি করা

سَرَقَ-يَسْرِقُ

কিন্তু যে চুরি করে শুনে পালায়। (১৫-১৮)

إِلَّا مَنِ اسْتَرَقَ السَّمْعَ

চুরি করা, আড়ি পেতে শোনা

اِسْتَرَقَ-يَسْتَرِقُ

মিথ্যাবলার জন্যে তারা গুপ্তচর বৃত্তি করে। (৫-৪১)

سَمَّاعُونَ لِلْكَذِبِ

গুপ্তচর

سَمَّاعٌ ج سَمَّاعُونَ

এবং গোপনীয় বিষয় সন্ধান করো না। (৪৯-১২)

وَلَا تَجَسَّسُوا

গুপ্তচর বৃত্তি করা, গোপনে দোষ খোঁজা

تَجَسَّسَ-يَتَجَسَّسُ

ওরা উর্ধ্ব জগতের কোন কিছু শ্রবণ করতে পারে না। (৩৭-৮)

لَّا يَسَّمَّعُونَ إِلَى الْمَلَإِ الْأَعْلَىٰ

কানপেতে শোনা, কান খাড়া করা

تَسَمَّعَ-يَسَّمَّعُ

আল্লাহ্‌র কিতাবের যা তারা সংরক্ষণ করতো তারদ্বারা। (৫-৪৪)

بِمَا اسْتُحْفِظُوا مِن كِتَابِ اللَّهِ

দেখাশুনা করার দায়িত্ব দেয়া, সংরক্ষণের প্রত্যাশা করা

اسْتَحْفَظَ-يَسْتَحْفِظُ

এবং নাকের বিনিময়ে নাক। (৫-৪৫)

وَالْأَنفَ بِالْأَنفِ

নাক

أَنْفٌ

আমি তার নাসিকা দাগিয়ে দিব। (৬৮-১৬)

سَنَسِمُهُ عَلَى الْخُرْطُومِ

শুঁড়, নাক

خُرْطُومٌ

এবং দাঁতের বিনিময়ে দাঁত। (৫-৪৫)

وَالسِّنَّ بِالسِّنِّ

দাঁত

سِنٌّ

আমি তোমাদের প্রত্যেককে একটি আইন ও পথ দিয়েছি। (৫-৪৮)

لِكُلٍّ جَعَلْنَا مِنكُمْ شِرْعَةً وَمِنْهَاجًا

আইন, শরীয়ত

شِرْعَةٌ

এরপর আমি আপনাকে রেখেছি ধর্মের এক বিশেষ শরীয়তের উপর। (৪৫-১৮)

ثُمَّ جَعَلْنَاكَ عَلَىٰ شَرِيعَةٍ مِّنَ الْأَمْرِ

পথ, রাস্তা, পন্থা, তরিকা, পদ্ধতি, শরীয়ত, দীন, বিধান

شَرِيعَةٌ

তিনি তোমাদের জন্যে দ্বীনের ক্ষেত্রে সে পথই নিধারিত করেছেন, যার আদেশ দিয়েছিলেন নূহকে। (৪২-১৩)

شَرَعَ لَكُم مِّنَ الدِّينِ مَا وَصَّىٰ بِهِ نُوحًا

আইন প্রণয়ন করা, শরয়ী বিধিবিধান দেওয়া, শরিয়তসম্মত করা

شَرَعَ-يَشْرَعُ

এবং কোন তিরস্কারকারীর তিরস্কারে ভীত হবে না। (৫-৫৪)

وَلَا يَخَافُونَ لَوْمَةَ لَائِمٍ

নিন্দা, তিরস্কার

لَوْمَةٌ

মহিলা বললঃ এ ঐ ব্যক্তি, যার জন্যে তোমরা আমাকে ভৎর্সনা করছিলে। (১২-৩২)

قَالَتْ فَذَٰلِكُنَّ الَّذِي لُمْتُنَّنِي فِيهِ

তিরস্কার করা, ভর্ৎসনা, পরনিন্দা করা, কুৎসা করা,

لَامَ-يَلُومُ

অতঃপর তারা একে অপরকে ভৎর্সনা করতে লাগল। (৬৮-৩০)

فَأَقْبَلَ بَعْضُهُمْ عَلَىٰ بَعْضٍ يَتَلَاوَمُونَ

পরস্পরে নিন্দা করা,

تَلَاوَمَ-يَتَلَاوَمُ

এবং কোন তিরস্কারকারীর তিরস্কারে ভীত হবে না। (৫-৫৪)

وَلَا يَخَافُونَ لَوْمَةَ لَائِمٍ

নিন্দুক, তিরস্কারকারী

لَائِمٌ

তাহলে অভিযুক্ত ও আল্লাহর অনুগ্রহ থেকে বিতাড়িত অবস্থায় জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবেন। (১৭-৩৯)

فَتُلْقَىٰ فِي جَهَنَّمَ مَلُومًا مَّدْحُورًا

নিন্দিত

مَلُومٌ ج مَلُومُونَ

তাহলে তুমি নিন্দিত ও অসহায় হয়ে পড়বে। (১৭-২২)

فَتَقْعُدَ مَذْمُومًا مَّخْذُولًا

নিন্দিত, তিরষ্কৃত, অপ্রিয়, মন্দ

مَذْمُومٌ

 

তখন তিনি অপরাধী গণ্য হয়েছিলেন। (৩৭-১৪২)

وَهُوَ مُلِيمٌ

নিন্দিত, নিন্দনীয়, তিরস্কৃত,

مُلِيمٌ

যারা তোমাদের ধর্মকে উপহাস ও খেলা মনে করে। (৫-৫৭)

الَّذِينَ اتَّخَذُوا دِينَكُمْ هُزُوًا وَلَعِبًا

খেলা

لَعِبٌ (لَعِبَ-يَلْعَبُ)

পার্থিব জীবন ক্রীড়া ও কৌতুক ব্যতীত কিছুই নয়। (৬-৩২)

وَمَا الْحَيَاةُ الدُّنْيَا إِلَّا لَعِبٌ وَلَهْوٌ

উদাসীন্য সামগ্রী, খেলনা, খেলা,

لَهْوٌ

তোমরা কি ধারণা কর যে, আমি তোমাদেরকে অনর্থক সৃষ্টি করেছি। (২৩-১১৫)

أَفَحَسِبْتُمْ أَنَّمَا خَلَقْنَاكُمْ عَبَثًا

অনর্থক কাজে লিপ্ত থাকা, খেল-তামাশা করা, খেলাধুলা করা

عَبَثٌ (عَبَثَ-يَبْعَثُ)

আকাশ পৃথিবী এতদুভয়ের মধ্যে যা আছে, তা আমি ক্রীড়াচ্ছলে সৃষ্টি করিনি। (২১-১৬)

وَمَا خَلَقْنَا السَّمَاءَ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا لَاعِبِينَ

খেলার ছলে

لَاعِبٌ ج لَاعِبُونَ

তোমরা ক্রীড়া-কৌতুক করছ। (৫৩-৬১)

وَأَنتُمْ سَامِدُونَ

উদাসীন, অন্যমনস্ক, ক্রিড়ারত, বিমুখ, অবিবেচক

سَامِدٌ ج سَامِدُونَ

আল্লাহর হাত বন্ধ হয়ে গেছে। (৫-৬৪)

يَدُ اللَّهِ مَغْلُولَةٌ

আবদ্ধ

مَغْلُولَةٌ

বরং তাঁর উভয় হস্ত উম্মুক্ত। (৫-৬৪)

بَلْ يَدَاهُ مَبْسُوطَتَانِ

প্রসারিত, বিস্তীর্ণ, বিস্তৃত

بِسَاطٌ، مَبْسُوطَةٌ

যেমন কেউ দুহাত পানির দিকে প্রসারিত করে। (১৩-১৪)

كَبَاسِطِ كَفَّيْهِ إِلَى الْمَاءِ

প্রসারী, প্রসারণকারী

بَاسِطٌ

যেন তারা ছড়িয়ে পড়া পঙ্গপাল। (৫৪-৭)

كَأَنَّهُمْ جَرَادٌ مُّنتَشِرٌ

ছড়িয়ে পড়া, বিক্ষিপ্ত, এলোমেলো, ছিন্নভিন্ন, ছত্রভঙ্গ

مُنْتَشِرٌ

মেঘবিস্তৃতকারী বায়ুর শপথ। (৭৭-৩)

وَالنَّاشِرَاتِ نَشْرًا

মেঘমালা বিস্তৃতকারী ফেরেশতা বা বায়ু, বিস্তারক

نَاشِرَةٌ ج نَاشِرَاتٌ

এর কারণ এই যে, খ্রীষ্টানদের মধ্যে আলেম রয়েছে, দরবেশ রয়েছে এবং তারা অহঙ্কার করে না। (৫-৮২)

ذَٰلِكَ بِأَنَّ مِنْهُمْ قِسِّيسِينَ وَرُهْبَانًا وَأَنَّهُمْ لَا يَسْتَكْبِرُونَ

দরবেশ

رَاهِبٌ ج رُهْبَانٌ

আর বৈরাগ্য,সে তো তারা নিজেরাই উদ্ভাবন করেছে; আমি এটা তাদের উপর ফরজ করিনি। (৫৭-২৭)

وَرَهْبَانِيَّةً ابْتَدَعُوهَا مَا كَتَبْنَاهَا عَلَيْهِمْ

বৈরাগ্য, সর্বত্যাগ, তাপস্য, উপরতি

رَهْبَنِيَّةٌ

তখন আপনি তাদের চোখ অশ্রু সজল দেখতে পাবেন। (৫-৮২)

تَرَىٰ أَعْيُنَهُمْ تَفِيضُ مِنَ الدَّمْعِ

উপচে পড়া

فَاضَ-يَفِيضُ

তখন আপনি তাদের চোখ অশ্রু সজল দেখতে পাবেন। (৫-৮২)

تَرَىٰ أَعْيُنَهُمْ تَفِيضُ مِنَ الدَّمْعِ

অশ্রু

دَمْعٌ

যে পর্যন্ত তোমাদের হাত ও বর্শা সহজেই পৌছতে পারবে। (৫-৯৪)

تَنَالُهُ أَيْدِيكُمْ وَرِمَاحُكُمْ

বর্শা

رُمحٌ ج رِمَاحٌ

আর তার (সমুদ্রের)  খাদ্য তোমাদের জন্য ও পর্যটকদের জন্য উপকরণ। (৫-৯৬)

وَطَعَامُهُ مَتَاعًا لَّكُمْ وَلِلسَّيَّارَةِ

কাফেলা

سَيَّارَهٌ

অথচ কাফেলা তোমাদের থেকে নীচে নেমে গিয়েছিল। (৮-৪২)

وَالرَّكْبُ أَسْفَلَ مِنكُمْ

আরোহী, আরোহণকারী, যাত্রী

رَكْبٌ

যখন কাফেলা রওয়ানা হল। (১২-৯৪)

    وَلَمَّا فَصَلَتِ الْعِيرُ

কাফেলা, যাত্রীদল, ভ্রমণকারী, অভিযাত্রীদল

عِيرٌ

আল্লাহ বহিরা’ ‘সায়েবাওসীলাএবং হামীকে শরীয়তসিদ্ধ করেননি। (৫-১০৩)

مَا جَعَلَ اللَّهُ مِن بَحِيرَةٍ وَلَا سَائِبَةٍ وَلَا وَصِيلَةٍ وَلَا حَامٍ

দেবতার জন্য উৎসর্গীকৃত পাঁচবার প্রজনন করা কানকাটা বাঁধনমুক্ত উটনী বা এমন পশু, ধর্মের ষাঁড়

بَحِيرَةٌ

আল্লাহ বহিরা’ ‘সায়েবাওসীলাএবং হামীকে শরীয়তসিদ্ধ করেননি। (৫-১০৩)

مَا جَعَلَ اللَّهُ مِن بَحِيرَةٍ وَلَا سَائِبَةٍ وَلَا وَصِيلَةٍ وَلَا حَامٍ

ধারাবাহিক দশবার মাদী বাচ্চা প্রসবীনী কানকাটা বাঁধনমুক্ত মানতের উটনী, দেবীর নামে ছাড়া পশু

سَائِبَةٌ

আল্লাহ বহিরা’ ‘সায়েবাওসীলাএবং হামীকে শরীয়তসিদ্ধ করেননি। (৫-১০৩)

مَا جَعَلَ اللَّهُ مِن بَحِيرَةٍ وَلَا سَائِبَةٍ وَلَا وَصِيلَةٍ وَلَا حَامٍ

দেবীর নামে উৎসর্গিত উট

وَصِيلَةٌ

আল্লাহ বহিরা’ ‘সায়েবাওসীলাএবং হামীকে শরীয়তসিদ্ধ করেননি। (৫-১০৩)

مَا جَعَلَ اللَّهُ مِن بَحِيرَةٍ وَلَا سَائِبَةٍ وَلَا وَصِيلَةٍ وَلَا حَامٍ

মূর্তির তরে সমর্পিত উট, দেবতার নামে উৎসর্গিত দশবার প্রজননকারী পুরুষ উট

حَامٍ

তাহলে তারা নিশ্চয়ই বলবে কোন জিনিসে (আযাব) ঠেকিয়ে রাখছে? (১১-)

لَّيَقُولُنَّ مَا يَحْبِسُهُ

বন্দি করা, আটকানো, বাধা দেয়া

حَبَسَ-يَحْبِسُ

যদি তোমরা বাধা প্রাপ্ত হও, তাহলে কোরবানীর জন্য যা কিছু সহজলভ্য, তাই তোমাদের উপর ধার্য। (২-১৯৬)

فَإِنْ أُحْصِرْتُمْ فَمَا اسْتَيْسَرَ مِنَ الْهَدْيِ

আবদ্ধ করা, আটকা পড়া

أَحْصَرَ-يُحْصِرُ

পক্ষান্তরে যদি আবিস্কার করা হয় যে তাদের দুজনই পাপের যোগ্যতা লাভ করেছে। (৫-১০৭)

فَإِنْ عُثِرَ عَلَىٰ أَنَّهُمَا اسْتَحَقَّا إِثْمًا

উপযুক্ত হওয়া, যোগ্য হওয়া

استَحَقَّ-يَسْتَحِقُّ

যে, আমাদের জন্যে আকাশ থেকে খাদ্যভর্তি খাঞ্চা অবতরণ করে দেবেন। (৫-১১২)

أَن يُنَزِّلَ عَلَيْنَا مَائِدَةً مِّنَ السَّمَاءِ

খাদ্য ভর্তি খাঞ্চা

مَآئِدَةٌ

তা আমাদের জন্যে আনন্দোৎসব হবে। (৫-১১৪)

تَكُونُ لَنَا عِيدًا

উৎসব

عِيدٌ

কোর্স বিষয়বস্তু

11 চ্যাপ্টার • 79 পাঠ