তোমরা এক অগ্নিকুন্ডের পাড়ে অবস্থান করছিলে। (৩-১০২) |
وَكُنتُمْ عَلَىٰ شَفَا حُفْرَةٍ مِّنَ النَّارِ |
গর্ত, খাদ, কূপ |
حُفْرَةٌ |
যে তার ভিত্তি স্থাপন করেছে পতনপ্রায় ধসের কিনারার উপরে। (৯-১০৮) |
مَّنْ أَسَّسَ بُنْيَانَهُ عَلَىٰ شَفَا جُرُفٍ هَارٍ |
গর্ত, স্রোতে কাটা গর্ত |
جُرُفٌ |
খন্দকগুলোর মালিকদের নিপাত করা হয়েছে। (৮৫-৪) |
قُتِلَ أَصْحَابُ الْأُخْدُودِ |
গভীর গর্ত, গুহা |
أُخْدُودٌ |
এবার সে কুফরীর বিনিময়ে আযাবের আস্বাদ গ্রহণ কর। (৩-১০৬) |
فَذُوقُوا الْعَذَابَ بِمَا كُنتُمْ تَكْفُرُونَ |
স্বাদ গ্রহণ করা |
ذَاقَ-يَذُوقُ |
আর দুধের নদীসমূহ যার স্বাদ বদলায় না। (৪৭-১৫) |
وَأَنْهَارٌ مِّن لَّبَنٍ لَّمْ يَتَغَيَّرْ طَعْمُهُ |
স্বাদ |
طَعْمٌ |
এটা উত্তপ্ত পানি ও পুঁজ। অতএব তারা একে আস্বাদন করুক। (৩৮-৫৭) |
هَٰذَا فَلْيَذُوقُوهُ حَمِيمٌ وَغَسَّاقٌ |
আস্বাদন করানো |
أَذَاقَ-يُذِيقُ |
প্রত্যেক প্রাণীকে আস্বাদন করতে হবে মৃত্যু। (৩-১৮৫) |
كُلُّ نَفْسٍ ذَائِقَةُ الْمَوْتِ |
আস্বাদনকারী |
ذَائِقٌ (ذَائِقَةٌ) ج ذَائِقُونَ |
ঝড়ো হাওয়ার মতো, যাতে রয়েছে তুষারের শৈত্য। (৩-১১৭) |
كَمَثَلِ رِيحٍ فِيهَا صِرٌّ |
শৈত্য |
صِرٌّ |
তারা সেখানে দেখতে পাবে না সূর্যোত্তাপ, না কোনো কনকনে ঠান্ডা । (৭৬-১৩) |
لَا يَرَوْنَ فِيهَا شَمْسًا وَلَا زَمْهَرِيرًا |
শৈতপ্রবাহ, প্রচন্ড শীত, |
زَمْهَرِيرٌ |
তুমি শীতল ও শান্ত হও ইব্রাহীমের উপরে। (২১-৬৯) |
كُونِي بَرْدًا وَسَلَامًا عَلَىٰ إِبْرَاهِيمَ |
শীতল, ঠাণ্ডা, শৈত্য, শিলা |
بَرْدٌ، بَارِدٌ |
তিনি আকাশস্থিত শিলাস্তুপ থেকে শিলাবর্ষণ করেন। (২৪-৪৩) |
وَيُنَزِّلُ مِنَ السَّمَاءِ مِن جِبَالٍ فِيهَا مِن بَرَدٍ |
শীলা, বর্ষপল, |
بَرَدٌ |
তাদের ধ্বংস করা হয়েছিল এক প্রচন্ড ঝঞ্জাবায়ূ দ্বারা। (৬৯-৬) |
فَأُهْلِكُوا بِرِيحٍ صَرْصَرٍ عَاتِيَةٍ |
তুফান, ঝঞ্জাবায়ু, ঘূর্ণিঝড়, |
صَرْصَرٌ |
আসক্তির কারণে তাদের শীত ও গ্রীষ্মকালীন সফরের। (১০৬-২) |
إِيلَافِهِمْ رِحْلَةَ الشِّتَاءِ وَالصَّيْفِ |
শীতকাল,শীতের সময় |
الشِتَاءُ |
এবং বলেছে, এই গরমের মধ্যে অভিযানে বের হয়ো না। (৯-৮১) |
وَقَالُوا لَا تَنفِرُوا فِي الْحَرِّ |
গরম, তাপ, উষ্ণতা, গ্রীষ্ম |
حَرٌّ |
সমান নয় ছায়া ও তপ্তরোদ। (৩৫-২১) |
وَلَا الظِّلُّ وَلَا الْحَرُورُ |
গরম, তাপ, উষ্ণতা, গ্রীষ্ম |
حَرُورٌ |
আসক্তির কারণে তাদের শীত ও গ্রীষ্মকালীন সফরের। (১০৬-২) |
إِيلَافِهِمْ رِحْلَةَ الشِّتَاءِ وَالصَّيْفِ |
গরমকাল, গ্রীষ্মকাল |
الصَيْفُ |
তারা তোমাদের অমঙ্গল সাধনে কোন ক্রটি করে না। (৩-১১৮) |
لَا يَأْلُونَكُمْ خَبَالًا |
ক্ষতি, বিপর্যয় |
خَبَالٌ |
তোমরা কষ্টে থাক,তাতেই তাদের আনন্দ। (৩-১১৮) |
وَدُّوا مَا عَنِتُّمْ |
কষ্টের সম্মুখীন হওয়া |
عَنِتَ-يَعْنَتَ |
যার চাবি বহন করা কয়েকজন শক্তিশালী লোকের পক্ষে কষ্টসাধ্য ছিল। (২৮-৭৬) |
إِنَّ مَفَاتِحَهُ لَتَنُوءُ بِالْعُصْبَةِ أُولِي الْقُوَّةِ |
কষ্টকর হওয়া |
نَاءَ-يَنُوءُ |
যারা আল্লাহর সঙ্গে অঙ্গীকারাবদ্ধ হওয়ার পর তা ভঙ্গ করে। (২-২৭) |
الَّذِينَ يَنقُضُونَ عَهْدَ اللَّهِ |
ভাঙ্গা, ভঙ্গ করা, |
أَنْقَضَ-يُنْقِضُ |
শত্রুতাপ্রসুত বিদ্বেষ তাদের মুখেই ফুটে বেরোয়। (৩-১১৮) |
قَدْ بَدَتِ الْبَغْضَاءُ مِنْ أَفْوَاهِهِمْ |
মুখ |
فُوهٌ ج أَفْوَاهٌ |
পক্ষান্তরে তারা যখন পৃথক হয়ে যায়, তখন তোমাদের উপর রোষবশতঃ আঙ্গুল কামড়াতে থাকে। (৩-১১৯) |
وَإِذَا خَلَوْا عَضُّوا عَلَيْكُمُ الْأَنَامِلَ مِنَ الْغَيْظِ |
কামড়ানো |
عَضَّ-يَعَضُّ |
আর আপনি যখন পরিজনদের কাছ থেকে সকাল বেলা বেরিয়ে গেলেন। (৩-১২১) |
وَإِذْ غَدَوْتَ مِنْ أَهْلِكَ |
সকালে বের হওয়া |
غَدَا-يَغْدُو |
আর আমি সোলায়মানের অধীন করেছিলাম বায়ুকে, যা সকালে এক মাসের পথ এবং বিকালে এক মাসের পথ অতিক্রম করত। (৩৪-১২) |
وَلِسُلَيْمَانَ الرِّيحَ غُدُوُّهَا شَهْرٌ وَرَوَاحُهَا شَهْرٌ |
প্রভাত,প্রাতঃকাল,ঊষা,ঊষাকাল,প্রত্যুষ,সকাল |
غُدُوٌّ |
আর আমি সোলায়মানের অধীন করেছিলাম বায়ুকে, যা সকালে এক মাসের পথ এবং বিকালে এক মাসের পথ অতিক্রম করত। (৩৪-১২) |
وَلِسُلَيْمَانَ الرِّيحَ غُدُوُّهَا شَهْرٌ وَرَوَاحُهَا شَهْرٌ |
সন্ধ্যাভ্রমণ,বিকালের ভ্রমণ,সন্ধ্যাবিহার,বিকালের গতিপথ |
رَوَاحٌ |
যুদ্ধের অবস্থান। (৩-১২১) |
مَقَاعِدَ لِلْقِتَالِ |
অবস্থান |
مَقْعَدٌ ج مَقَاعِدُ |
কালামগুলো তাদের স্থান থেকে সরিয়ে দেয়। (৪-৪৬) |
يُحَرِّفُونَ الْكَلِمَ عَن مَّوَاضِعِهِ |
স্থান,জায়গা,পা রাখার স্থান,রণাঙ্গণ,চারণভূমি,যুদ্ধক্ষেত্র |
مَوْضِعٌ ج مَوَاضِعُ |
না, আমি কিন্তু শপথ করছি নক্ষত্ররাজির অবস্থানের। (৫৬-৭৫) |
فَلَا أُقْسِمُ بِمَوَاقِعِ النُّجُومِ |
ঘটনাস্থল, আকুলস্থল, স্থল, |
مَوْقِعٌ ج مَوَاقِعُ |
যখন তোমাদের দুটি দল সাহস হারাবার উপক্রম হলো। (৩-১২২) |
إِذْ هَمَّت طَّائِفَتَانِ مِنكُمْ أَن تَفْشَلَا |
মনস্থ করা, উপক্রম হওয়া |
هَمَّ-يَهُمُّ |
যখন তোমাদের দুটি দল সাহস হারাবার উপক্রম হলো। (৩-১২২) |
إِذْ هَمَّت طَّائِفَتَانِ مِنكُمْ أَن تَفْشَلَا |
সাহস হারানো |
فَشِلَ-يَفْشَلُ |
তাদের পশ্চাদ্ধাবনে শৈথিল্য করো না। (৪-১০৪) |
وَلَا تَهِنُوا فِي ابْتِغَاءِ الْقَوْمِ |
কষ্ট করা, ভেঙ্গে পড়া, ভঙ্গুর হওয়া, দুর্বল হওয়া, নরম হওয়া |
وَهَنَ-يَهِنُ (وَهْنٌ) |
আর আল্লাহর উপরই ভরসা করা মুমিনদের উচিত। (৩-১২২) |
وَعَلَى اللَّهِ فَلْيَتَوَكَّلِ الْمُؤْمِنُونَ |
ভরসা করা |
تَوَكَّلَ-يَتَوَكَّلُ |
আল্লাহ তাওয়াক্কুল কারীদের ভালবাসেন। (৩-১৫৯) |
إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ الْمُتَوَكِّلِينَ |
নির্ভরকারী, ভরসাকারী |
مُتَوَكِّلٌ ج مُتَوَكِّلُونَ |
অবশ্য তোমরা যদি সবর কর এবং বিরত থাক আর তারা যদি তখনই তোমাদের উপর চড়াও হয়। (৩-১২৫) |
إِن تَصْبِرُوا وَتَتَّقُوا وَيَأْتُوكُم مِّن فَوْرِهِمْ |
আকস্মিক |
فَوْرٌ |
এমনকি, যখন কিয়ামত তাদের কাছে অকস্মাৎ এসে যাবে। (৬-৩১) |
حَتَّىٰ إِذَا جَاءَتْهُمُ السَّاعَةُ بَغْتَةً |
সহসা, হঠাৎ, আকস্মাৎ |
بَغْتَةٌ |
চিহ্নিত ফেরেশতাগণ। (৩-১২৫) |
الْمَلَائِكَةِ مُسَوِّمِينَ |
চিহ্নিত |
مُسَوِّمٌ ج مُسَوِّمُونَ |
যার সীমানা হচ্ছে আসমান ও যমীন। (৩-১৩৩) |
عَرْضُهَا السَّمَاوَاتُ وَالْأَرْضُ |
বিস্তৃতি, প্রস্থ |
عَرْضٌ |
তোমরা চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ খেয়ো না। (৩-১৩০) |
لَا تَأْكُلُوا الرِّبَا أَضْعَافًا مُّضَاعَفَةً |
বহুগুণ, অগণিত |
أَضْعَافٌ |
তোমরা চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ খেয়ো না। (৩-১৩০) |
لَا تَأْكُلُوا الرِّبَا أَضْعَافًا مُّضَاعَفَةً |
বর্ধিত |
مُضَاعَفَةٌ |
যারা রাগ সংবরন করে। (৩-১৩৪) |
وَالْكَاظِمِينَ الْغَيْظَ |
সংবরণকারী |
كَاظِمٌ ج كَاظِمُونَ |
তিনি সংবরণকারী ছিলেন। (১২-৮৪) |
فَهُوَ كَظِيمٌ |
রাগ সংবরণকারী |
كَظِيمٌ |
তারা যা করেছিল তাতে আঁকড়ে ধরে থাকে না। (৩-১৩৫) |
وَلَمْ يُصِرُّوا عَلَىٰ مَا فَعَلُوا |
অটল থাকা, জিদ করা |
أَصَرَّ-يُصِرُّ |
এবং দেখ যারা মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে তাদের পরিণতি কি হয়েছে। (৩-১৩৭) |
فَانظُرُوا كَيْفَ كَانَ عَاقِبَةُ الْمُكَذِّبِينَ |
পরিণতি |
عَاقِبَةٌ، عُقْبٌ، عُقْبَى |
এই হলো মানুষের জন্য বর্ণনা। (৩-১৩৮) |
هَٰذَا بَيَانٌ لِّلنَّاسِ |
সুস্পষ্ট বর্ণনা |
بَيَانٌ |
তোমরা যদি আহত হয়ে থাক। (৩-১৪০) |
إِن يَمْسَسْكُمْ قَرْحٌ |
আঘাত |
قَرْحٌ |
এবং যখম সমূহের বিনিময়ে সমান যখম। (৫-৪৫) |
وَالْجُرُوحَ قِصَاصٌ |
জখম, আঘাত |
جَرْحٌ ج جُرُوحٌ |
(এ দিনগুলোকে) আমি মানুষের মধ্যে পালাক্রমে আবর্তন ঘটিয়ে থাকি। (৩-১৪০) |
نُدَاوِلُهَا بَيْنَ النَّاسِ |
আবর্তন ঘটানো |
دَاوَلَ-يُدَاوِلُ |
যাতে ধনৈশ্বর্য্য কেবল তোমাদের বিত্তশালীদের মধ্যেই পুঞ্জীভূত না হয়। (৫৯-৭) |
كَيْ لَا يَكُونَ دُولَةً بَيْنَ الْأَغْنِيَاءِ مِنكُمْ |
আবর্তিত |
دُوَلَةٌ |
লিপিবদ্ধ থাকা নির্ধারিত সময়। (৩-১৪৫) |
كِتَابًا مُّؤَجَّلًا |
নির্ধারিত, নির্দিষ্ট, ধার্যকৃত সময় |
مُؤَجَّلٌ |
তোমাদিগকে সরিয়ে দিলেন ওদের উপর। (৩-১৫২) |
صَرَفَكُمْ عَنْهُمْ |
ঘুরিয়ে দেয়া |
صَرَفَ-يَصْرِفُ (صَرْفٌ) |
তুমি কি আমাদেরকে সে পথ থেকে ফিরিয়ে দিতে এসেছ যাতে আমরা পেয়েছি আমাদের বাপ-দাদাদেরকে? (১০-৭৮) |
أَجِئْتَنَا لِتَلْفِتَنَا عَمَّا وَجَدْنَا عَلَيْهِ آبَاءَنَا |
ফিরানো, পিছনে ফিরানো, ঘুরিয়ে দেওয়া |
لَفَتَ-يَلْفِتُ |
অথচ আল্লাহ তা’আলা তাদেরকে ঘুরিয়ে দিয়েছেন তাদের মন্দ কাজের কারনে। (৪-৮৮) |
وَاللَّهُ أَرْكَسَهُم بِمَا كَسَبُوا |
ঘুরিয়ে দেওয়া, উল্টে দেওয়া, |
أَرْكَسَ-يُرْكِسُ |
আমি যাকে দীর্ঘ জীবন দান করি, তাকে সৃষ্টিগত পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে নেই। (৩৬-৬৮) |
وَمَن نُّعَمِّرْهُ نُنَكِّسْهُ فِي الْخَلْقِ |
উল্টোমুখী করা , মাথা নত করা, উল্টানো |
نَكَّسَ-يُنَكِّسُ |
শুনে রাখ,যেদিন তাদের উপর (আযাব) এসে পড়বে,সেদিন কিন্তু তা ফিরে যাওয়ার নয়। (১১-৮) |
أَلَا يَوْمَ يَأْتِيهِمْ لَيْسَ مَصْرُوفًا عَنْهُمْ |
ফেরতযোগ্য,প্রত্যাহত,প্রতিরোধ্য |
مَصْرُوفٌ |
যাতে তোমরা হাত থেকে বেরিয়ে যাওয়া বস্তুর জন্য দুঃখ না কর। (৩-১৫৩) |
لِّكَيْلَا تَحْزَنُوا عَلَىٰ مَا فَاتَكُمْ |
হারানো, ফসকানো |
فَاتَ-يَفُوتُ |
তারা ওদের দিকে মুখ করে বললঃ তোমাদের কি হারিয়েছে? (১২-৭১) |
قَالُوا وَأَقْبَلُوا عَلَيْهِم مَّاذَا تَفْقِدُونَ |
হারানো,হারিয়ে ফেলা,খোঁয়ানো,খুঁইয়ে ফেলা |
فَقَدَ-يَفْقِدُ |
তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ ঝিমোচ্ছিল। (৩-১৫৪) |
يَغْشَىٰ طَائِفَةً مِّنكُمْ |
বশীভূত করা, আচ্ছন্ন করা |
غَشِيَ-يَغْشَى |
যখন তিনি আরোপ করেন তোমাদের উপর তন্দ্রাচ্ছন্ন। (৮-১১) |
إِذْ يُغَشِّيكُمُ النُّعَاسَ |
ঢেকে নেওয়া, আচ্ছন্ন করা, |
غَشَّى-يُغَشِّي |
তিনি দিনকে আবৃত করেন রাত্রি দিয়ে। (৭-৫৪) |
يُغْشِي اللَّيْلَ النَّهَارَ |
ঢেকে নেওয়া, আচ্ছন্ন করা, |
أَغْشَى-يُغْشِي |
তারা মুখমন্ডল বস্ত্রাবৃত করেছে। (৭১-৭) |
وَاسْتَغْشَوْا ثِيَابَهُمْ |
কাপড় জড়ানো, আবরণে ঢাকা, |
اسْتَغْشَى-يَسْتَغْشِي |
তিনি রাত্রিকে দিবস দ্বারা আচ্ছাদিত করেন। (৩৯-৫) |
يُكَوِّرُ اللَّيْلَ عَلَى النَّهَارِ |
প্যাঁচানো, জড়িয়ে নেওয়া, আলো গুটিয়ে নেওয়া, |
كَوَّرَ-يُكَوِّرُ |
আর তাদের মুখমন্ডলকে আবৃত করবে না মলিনতা কিংবা অপমান। (১০-২৬) |
وَلَا يَرْهَقُ وُجُوهَهُمْ قَتَرٌ وَلَا ذِلَّةٌ |
আচ্ছন্ন করা, আবৃত করা, |
رَهِقَ-يَرْهَقُ |
অনন্তর যখন রজনীর অন্ধকার তার উপর সমাচ্ছন্ন হল। (৬-৭৬) |
فَلَمَّا جَنَّ عَلَيْهِ اللَّيْلُ |
পর্দা ফেলা, আচ্ছন্ন করা, আচ্ছাদিত করা |
جَنَّ-يَجُنُّ |
আর কেউ কেউ প্রাণের ভয় করছিল। (৩-১৫৪) |
وَطَائِفَةٌ قَدْ أَهَمَّتْهُمْ أَنفُسُهُمْ |
উদ্বিগ্ন করা |
أَهَمَّ-يُهِمُّ |
কিংবা জেহাদে যায়। (৩-১৫৬) |
أَوْ كَانُوا غُزًّى |
যোদ্ধা |
غَازٍ ج غُزًّى |
যে পর্যন্ত না ফুটিয়ে তুলি তোমাদের জেহাদকারীদেরকে। (৪৭-৩১) |
حَتَّىٰ نَعْلَمَ الْمُجَاهِدِينَ مِنكُمْ |
মুসলিম যোদ্ধা |
مُجَاهِدٌ ج مُجَاهِدُونَ |
আল্লাহর রহমতেই আপনি তাদের জন্য কোমল হৃদয় হয়েছেন। (৩-১৫৯) |
فَبِمَا رَحْمَةٍ مِّنَ اللَّهِ لِنتَ لَهُمْ |
নমনীয় হওয়া |
لَانَ-يَلِينُ |
তবে কথাবার্তায় তোমরা কোমল হয়ো না। (৩৩-৩২) |
فَلَا تَخْضَعْنَ بِالْقَوْلِ |
অবনত করা, ক্ষীণ করা, অনুচ্চ করা |
خَضَعَ-يَخْضَعُ |
তারা চায় যে তুমি যদি নমনীয় হও তাহলে তারাও নমনীয় হবে। (৬৮-৯) |
وَدُّوا لَوْ تُدْهِنُ فَيُدْهِنُونَ |
শৈথিল্য প্রদর্শণ করা, নমনীয় হওয়া |
أَدْهَنَ-يُدْهِنُ |
আর তাদের প্রতি কঠোর হও। (৯-৭৩) |
وَاغْلُظْ عَلَيْهِمْ |
কঠোর হওয়া |
غَلُظَ-يَغْلُظُ |
সুতরাং এতীমের ক্ষেত্রে -- তুমি তবে রূঢ় হয়ো না। (৯৩-৯) |
فَأَمَّا الْيَتِيمَ فَلَا تَقْهَرْ |
শক্তি খাটানো, জুলুম করা, ক্ষমতা প্রয়োগ করা |
قَهرَ-يَقْهَرُ |
পক্ষান্তরে আপনি যদি রাগ ও কঠিন হৃদয় হতেন। (৩-১৫৯) |
وَلَوْ كُنتَ فَظًّا غَلِيظَ الْقَلْبِ |
রূঢ়, কর্কশ, রাগী |
فَظٌّ |
তোমরা যদি নিজেদের ঘরেও থাকতে তবুও তারা অবশ্যই বেরিয়ে আসতে। (৩-১৫৪) |
لَّوْ كُنتُمْ فِي بُيُوتِكُمْ لَبَرَزَ |
বের হওয়া, সামনে আসা, প্রকাশিত হওয়া |
بَرَزَ-يَبْرُزُ |
সেদিন মানুষ বিভিন্ন দলে প্রকাশ পাবে। (৯৯-৬) |
يَوْمَئِذٍ يَصْدُرُ النَّاسُ أَشْتَاتًا |
প্রস্থান করা,ফেরা,ফিরে যাওয়া,প্রত্যাবর্তন করা |
صَدَرَ-يَصْدُرُ |
আর সমস্ত মুমিনের অভিযানে বের হওয়া সঙ্গত নয়। (৯-১২২) |
وَمَا كَانَ الْمُؤْمِنُونَ لِيَنفِرُوا كَافَّةً |
বের হওয়া, বাইরে যাওয়া, সফর করা |
نَفَرَ-يَنْفِرُ |
তারা আপনার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতো। (৩-১৫৯) |
لَانفَضُّوا مِنْ حَوْلِكَ |
সরে পড়া |
اِنْفَضَّ-يَنْفِضُّ |
অতঃপর সরে পড়ে। (৯-১২৭) |
ثُمَّ انصَرَفُوا |
ফিরে যাওয়া,ফেরত যাওয়া,ঘুরে যাওয়া |
اِنْصَرَفَ-يَنْصَرِفُ |
সে অতি দ্রুত পায়ে পেছনে দিকে পালিয়ে গেল। (৮-৪৮) |
نَكَصَ عَلَىٰ عَقِبَيْهِ |
প্রস্থান করা, ফিরে যাওয়া, চলে যাওয়া |
نَكَصَ-يَنْكُصُ |
যারা তোমাদের মধ্যে চুপিসারে সরে পড়ে। (২৪-৬৩) |
الَّذِينَ يَتَسَلَّلُونَ مِنكُمْ لِوَاذًا |
সরে পড়া,সটকে পড়া,বের হয়ে যাওয়া,কেটে পড়া |
سَلَّلَ-يُسَلِّلُ |
কোর্স বিষয়বস্তু