সুতরাং যারা কাবা ঘরে হজ্ব বা উমরাহ পালন করে, তাদের এ দুটিতে প্রদক্ষিণ করাতে কোন দোষ নেই। (২:১৫৮)

فَمَنْ حَجَّ الْبَيْتَ أَوِ اعْتَمَرَ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِ أَن يَطَّوَّفَ بِهِمَا

হজ্ব করা

حَجَّ-يَحُجُّ (حَجٌّ)

আর মানুষের মধ্যে যার সেখানে যাওয়ার সামর্থ্য আছে আল্লাহর জন্য ঐ ঘরের হজ্ব করা তার জন্য আবশ্যক। (৩:৯৭)

وَلِلَّهِ عَلَى النَّاسِ حِجُّ الْبَيْتِ مَنِ اسْتَطَاعَ إِلَيْهِ سَبِيلًا

হজ্ব করা, হজব্রত পালন করা, কাবায় গমনের ইচ্ছা করা

حِجٌّ

সুতরাং যারা কাবা ঘরে হজ্ব বা উমরাহ পালন করে, তাদের এ দুটিতে প্রদক্ষিণ করাতে কোন দোষ নেই। (২:১৫৮)

فَمَنْ حَجَّ الْبَيْتَ أَوِ اعْتَمَرَ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِ أَن يَطَّوَّفَ بِهِمَا

উমরা করা

اِعْتَمَرَ-يَعْتَمِرُ

এবং আল্লাহর জন্য হজ্ব ও উমরাহ পালন করো। (২:১৯৬)

وَأَتِمُّوا الْحَجَّ وَالْعُمْرَةَ لِلَّهِ

উমরা হজ পালন

عُمْرَةٌ

এবং যে স্বেচ্ছায় সৎকাজ করবে তবে নিশ্চয়ই আল্লাহ উত্তম পুরুস্কারদাতা, সর্বজ্ঞ। (২:১৫৮)

وَمَن تَطَوَّعَ خَيْرًا فَإِنَّ اللَّهَ شَاكِرٌ عَلِيمٌ

স্বেচ্ছায়করা

تَطَوَّعَ-يَتَطَوَّعُ

বল, তোমরা ইচ্ছায় কিংবা অনিচ্ছায় ব্যয় কর, তোমাদের থেকে কবুল করা হবেনা। (৯:৫৩)

قُلْ أَنفِقُوا طَوْعًا أَوْ كَرْهًا لَّن يُتَقَبَّلَ مِنكُمْ

অনুগত হওয়া, স্বেচ্ছায়, সদিচ্ছায়, অনুগত হয়ে

طَوْعٌ

মুমিনদের মধ্যে যারা বেশি বেশি ছদকাকারী। (৯:৭৯)

الْمُطَّوِّعِينَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ

নফল দানকারী,

مُطَوِّعٌ (ج) مُطَوِّعُونَ

বলপূর্বক নারীদেরকে উত্তরাধিকারে গ্রহন করা তোমাদের জন্যে হালাল নয়। (৪:১৯)

لَا يَحِلُّ لَكُمْ أَن تَرِثُوا النِّسَاءَ كَرْهًا

বলপূর্বক, বল প্রয়োগে, বাধ্য হয়ে, অনিচ্ছায়,

كَرْهٌ

তাদের উপর আল্লাহর অভিশাপ এবং অভিশম্পাতকারীদের অভিশাপ। (২:১৫৯)

يَلْعَنُهُمُ اللَّهُ وَيَلْعَنُهُمُ اللَّاعِنُونَ

অভিসম্পাতকারী

لَاعِنٌ (ج) لَاعِنُونَ

তুমি এবং তোমার সাথে যারা নৌকার উপরে আছে। (২৩:২৮)

أَنتَ وَمَن مَّعَكَ عَلَى الْفُلْكِ

নৌকা

فُلْكٌ

অতঃপর আমি তাঁকে ও নৌকারোহীগণকে রক্ষা করলাম। (২৯:১৫)

فَأَنجَيْنَاهُ وَأَصْحَابَ السَّفِينَةِ

নৌকা, খেয়া নৌকা, জাহাজ, নৌযান, কিশতি, তরণী

سَفِينَةٌ

আমি তোমাদেরকে চলন্ত নৌযানে আরোহণ করিয়েছিলাম। (৬৯:১১)

حَمَلْنَاكُمْ فِي الْجَارِيَةِ

নৌযান, প্রবাহমান

جَارِيَةٌ (ج) جَارِيَاتٌ، جَوَارٍ

এতে ছড়িয়ে দিয়েছেন সর্বপ্রকার প্রাণী(৩১:১০)

فِيهَا مِن كُلِّ دَابَّةٍ

ছড়ানো, বিক্ষিপ্ত করা, প্রসার করা, বিস্তার করা

بَثَّ-يَبُثُّ

তিনি তার রহমত ছড়িয়ে দেন। (৪২:২৮)

وَيَنشُرُ رَحْمَتَهُ

ছড়ানো, বিক্ষিপ্ত করা,

نَشَرَ-يَنْشُرُ (نَشْرٌ)

পৃথিবীকে এর পরে বিস্তৃত করেছেন। (৭৯:৩০)

وَالْأَرْضَ بَعْدَ ذَٰلِكَ دَحَاهَا

বিছানো, বিস্তৃত করা, সম্প্রসারিত করা

دَحَا-يَدْحُو

শপথ পৃথিবীর এবং যিনি তা বিস্তৃত করেছেন(৯১:৬)

وَالْأَرْضِ وَمَا طَحَاهَا

বিছানো, বিস্তৃত করা, প্রশস্ত করা

طَحَا-يَطْحُو

অতঃপর তা আকাশে ছড়িয়ে দেন। (৩০:৪৮)

فَيَبْسُطُهُ فِي السَّمَاءِ

ছড়ানো, প্রসারিত করা, প্রাচূর্য দেয়া

بَسَطَ-يَبْسُطُ (بَسْطٌ)

সুতরাং যখন স্বলাত সমাপ্ত হয় পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়। (৬২:১০)

فَإِذَا قُضِيَتِ الصَّلَاةُ فَانتَشِرُوا فِي الْأَرْضِ

ছড়িয়ে পড়া, বিক্ষিপ্ত হওয়া,

انْتَشَرَ-يَنْتَشِرُ

যখন নক্ষত্রসমূহ ছিটকে পড়বে। (৮২:২)

وَإِذَا الْكَوَاكِبُ انتَثَرَتْ

বিক্ষিপ্ত হওয়া, ছড়িয়ে পড়া,

انْتَثَرَ-يَنْتَثِرُ

যেদিন মানুষ হবে বিক্ষিপ্ত পতংগের মত। (১০১:৪)

يَوْمَ يَكُونُ النَّاسُ كَالْفَرَاشِ الْمَبْثُوثِ

বিক্ষিপ্ত, বিচ্ছিন্ন, ছিন্নভিন্ন

مَبْثُوثٌ، مَبْثُوثَةٌ

অতঃপর তা হয়ে যাবে উৎক্ষিপ্ত ধূলিকণা। (৫৬:৬)

فَكَانَتْ هَبَاءً مُّنبَثًّا

বিক্ষিপ্ত, উৎক্ষিপ্ত, উড়ন্ত

مُنَبَّثٌ

অতঃপর সেগুলোকে বিক্ষিপ্ত ধুলিকণারূপে করে দেব। (২৫:২৩)

فَجَعَلْنَاهُ هَبَاءً مَّنثُورًا

বিক্ষিপ্ত, এলোমেলো,

مَنْثُورٌ

 

এতে ছড়িয়ে দিয়েছেন সর্বপ্রকার প্রাণী। (৩১:১০)

فِيهَا مِن كُلِّ دَابَّةٍ

প্রাণী

دَابَّةٌ (ج) دَوَّابٌ

 

যখন বন্য পশুরা একত্রিত হয়ে যাবে। (৮১:৫)

وَإِذَا الْوُحُوشُ حُشِرَتْ

পশু, বন্যপশু, হিংস্রপ্রাণী,

وَحْشٌ (ج) وُحُوشٌ

 

তোমাদের জন্য গৃহপালিত চতুস্পদ পশু হালাল করা হয়েছে। (৫:১)

أُحِلَّتْ لَكُم بَهِيمَةُ الْأَنْعَامِ

গৃহপালিত চতুষ্পদ পশু

بَهِيمَةٌ (ج) بَهَائِمُ

 

যা সে হত্যা করেছে চতুষ্পদজন্তু থেকে। (৫:৯৫)

مَا قَتَلَ مِنَ النَّعَمِ

পশু সম্পদ, গৃহপালিত পশু,

نَعَمٌ (ج) أَنْعَامٌ

 

তিনি পৃথিবীকে স্থাপন করেছেন সৃষ্টজীবের জন্যে। (৫৫:১০)

وَالْأَرْضَ وَضَعَهَا لِلْأَنَامِ

সৃষ্টি, সৃষ্টিকুল, সৃষ্টজীব

أَنَامٌ

 

এবং যা হিংস্র জন্তু ভক্ষণ করেছে। (৫:৩)

وَمَا أَكَلَ السَّبُعُ

হিংস্র প্রাণী, বন্যপশু

سَبُعٌ

 

যেসব শিকারী জন্তুকে তোমরা প্রশিক্ষণ দান কর শিকারের জন্য। (৫:৪)

وَمَا عَلَّمْتُم مِّنَ الْجَوَارِحِ مُكَلِّبِينَ

শিকারী প্রাণী, জখমকারী প্রাণী

جَارِحَةٌ (ج) جَوَارِحُ

 

বাতাসের গতি পরিবর্তনের মাঝে বোধসম্পন্নদের জন্য নিদর্শন রয়েছে। (৪৫:৫)

وَتَصْرِيفِ الرِّيَاحِ آيَاتٌ لِّقَوْمٍ يَعْقِلُونَ

গতি পরিবর্তন বা নিয়ন্ত্রণ

تَصْرِيْفٌ

 

বাতাসের গতি পরিবর্তনের মাঝে বোধসম্পন্নদের জন্য নিদর্শন রয়েছে। (৪৫:৫)

وَتَصْرِيفِ الرِّيَاحِ آيَاتٌ لِّقَوْمٍ يَعْقِلُونَ

বাতাস

رِيْحٌ (ج) رِيَاحٌ

 

আমি পানিবাহী বায়ু প্রেরন করি। (১৫:২২)

وَأَرْسَلْنَا الرِّيَاحَ لَوَاقِحَ

পানিবাহী বায়ু, বৃষ্টি বহনকারী বাতাস,

 

لَاقِحٌ (ج) لَوَاقِحُ

 

অতঃপর তোমাদের উপর বাতাস থেকে তুফান প্রেরন করবেন। (১৭:৬৯)

فَيُرْسِلَ عَلَيْكُمْ قَاصِفًا مِّنَ الرِّيحِ

তুফান, ঝঞ্ঝাবায়ু, ঝড় তুফান,

قَاصِفٌ

 

অতঃপর আপতিত হবে এক অগ্নিবৃষ্টি অতপর টা জ্বলে যাবে। (২:২৬৬)

فَأَصَابَهَا إِعْصَارٌ فِيهِ نَارٌ فَاحْتَرَقَتْ

নিম্নচাপ, অগ্নিবৃষ্টি, অগ্নিবর্ষণ,

إِعْصَارٌ

 

তোমাদের উপর প্রস্তরবর্ষী ঝটিকা বায়ূ প্রেরন করবেন। (১৭:৬৮)

يُرْسِلَ عَلَيْكُمْ حَاصِبًا

পাথর বৃষ্টি, বজ্রসহ বৃষ্টি, শিলা মেঘ,

حَاصِبٌ

 

উত্তপ্তবায়ু ও গরম পানির মধ্যে। (৫৬:৪২)

فِي سَمُومٍ وَحَمِيمٍ

উত্তপ্ত, অগ্নিস্ফুলিঙ্গ, লুহাওয়া,

سَمُومٌ

 

এগুলোর উপর আসল দুর্যোগপূর্ণ বাতাস। (১০:২২)

جَاءَتْهَا رِيحٌ عَاصِفٌ

ঝঞ্ঝাবায়ু, তুফান, ঘূর্ণিঝড়,

عَاصِفٌ، عَاصِفَةٌ (ج) عَاصِفَاتٌ

 

অতঃপর তাদের ধ্বংস করা হয়েছিল এক প্রচন্ড ঝঞ্জাবায়ূ দ্বারা। (৬৯:৬)

فَأُهْلِكُوا بِرِيحٍ صَرْصَرٍ عَاتِيَةٍ

তুফান, ঝঞ্ঝাবায়ু, ঘূর্ণিঝড়, তুষারঝড়

صَرْصَرُ

 

তারকাগুলো তারই হুকুমের আয়ত্বাধীন(১৬:১২)

وَالنُّجُومُ مُسَخَّرَاتٌ بِأَمْرِهِ

আয়ত্বাধীন

مُسَخَّرٌ (سَخَّرَ-يُسَخِّرُ)

 

আমি এগুলোকে তাদের হাতে অসহায় করে দিয়েছি এদের মধ্যে কিছু তাদের বাহন এবং কিছু তারা ভক্ষণ করে। (৩৬:৭২)

وَذَلَّلْنَاهَا لَهُمْ فَمِنْهَا رَكُوبُهُمْ وَمِنْهَا يَأْكُلُونَ

অধীন করা, অনুগত কর,

ذَلَّلَ-يُذَلِّلُ ٠تَذْلِيلٌ)

 

উভয়ের মধ্যে রয়েছে এক অন্তরাল, যা তারা অতিক্রম করে না। (৫৫:২০)

بَيْنَهُمَا بَرْزَخٌ لَّا يَبْغِيَانِ

মধ্যে

بَيْنَ

 

আর নিশ্চয়ই সে ধন-সম্পদের ভালবাসায় মত্ত। (১০০:৮)

وَإِنَّهُ لِحُبِّ الْخَيْرِ لَشَدِيدٌ

ভালোবাসা

حُبٌّ

 

আমি তোমার প্রতি মুহাব্বত সঞ্চারিত করেছিলাম আমার পক্ষ থেকে। (২০:৩৯)

وَأَلْقَيْتُ عَلَيْكَ مَحَبَّةً مِّنِّي

প্রেম, ভালোবাসা, অনুরাগ, প্রণয়, মুহাব্বত, আসক্তি

مَحَبَّةٌ

 

রহমান তাদের জন্য ভালবাসা সৃষ্টি করে দিবেন। (১৯:৯৬)

سَيَجْعَلُ لَهُمُ الرَّحْمَٰنُ وُدًّا

কামনা করা, বাসনা করা, ভালোবাসা, পছন্দ করা, চাওয়া

وُدٌّ

 

এবং তিনি তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক অন্তরঙ্গতা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন। (৩০:২১)

وَجَعَلَ بَيْنَكُم مَّوَدَّةً وَرَحْمَةً

বন্ধুত্ব, হৃদ্যতা, অন্তরঙ্গতা, প্রিতি,

مَوَدَّةٌ

 

যেদিন থাকবেনা কোন লেনদেন এবং না কোন বন্ধুত্ব আর না কোন সুপারিশ। (২:২৫৪)

يَوْمٌ لَّا بَيْعٌ فِيهِ وَلَا خُلَّةٌ وَلَا شَفَاعَةٌ

বন্ধুত্ব, সৌহার্দ্য, মাঝে, অভ্যন্তর

خُلَّةٌ (ج) خِلَالٌ

 

তাদের মুখ থেকে তো শত্রুতা প্রকাশ পেয়ে গিয়েছে। (৩:১১৮)

قَدْ بَدَتِ الْبَغْضَاءُ مِنْ أَفْوَاهِهِمْ

ঘৃণা, শত্রুতা, হিংসা, অসন্তুষ্টি

بَغْضَاءُ

 

কোন সম্প্রদায়ের প্রতি শত্রুতা তোমাদেরকে যেন সুবিচার বর্জনে প্ররোচিত না করে। (৫:৮)

وَلَا يَجْرِمَنَّكُمْ شَنَآنُ قَوْمٍ عَلَىٰ أَلَّا تَعْدِلُوا

শত্রুতা, বিদ্বেষ, দুশমনি

شَنْآنٌ

 

অতঃপর আমি কেয়ামত পর্যন্ত তাদের মধ্যে পারস্পরিক শত্রুতা ও বিদ্বেষ সঞ্চারিত করে দিয়েছি। (৫:১৪)

فَأَغْرَيْنَا بَيْنَهُمُ الْعَدَاوَةَ وَالْبَغْضَاءَ إِلَىٰ يَوْمِ الْقِيَامَةِ

শত্রুতা, বৈরিতা, দুশমনি

عَدَوَاةٌ

 

যাদের অন্তরে রোগ আছে, তারা কি মনে করে যে, আল্লাহ তাদের অন্তরের বিদ্বেষ প্রকাশ করে দেবেন না? (৪৭:২৯)

أَمْ حَسِبَ الَّذِينَ فِي قُلُوبِهِم مَّرَضٌ أَن لَّن يُخْرِجَ اللَّهُ أَضْغَانَهُمْ

হিংসা, ঘৃণা, বিদ্বেষ, মনোবিদ্বেষ, অনিচ্ছা, অসন্তুষ্টি

ضِغْنٌ (ج) أَضْغَانٌ

 

যা তার মধ্যে প্রকাশ্য কিংবা গোপন এবং পাপাচারিতা ও শত্রুতা। (৭:৩৩)

مَا ظَهَرَ مِنْهَا وَمَا بَطَنَ وَالْإِثْمَ وَالْبَغْيَ

বিদ্বেষ, হিংসা, শত্রুতা, বিদ্রোহ, জুলুম

بَغْيٌ

 

তাহলে আমরাও তাদের প্রতি তেমনি অসন্তুষ্ট হয়ে যেতাম, যেমন তারা অসন্তুষ্ট হয়েছে আমাদের প্রতি। (২:১৬৭)

فَنَتَبَرَّأَ مِنْهُمْ كَمَا تَبَرَّءُوا مِنَّا

দায়িত্বমুক্ত হওয়া, অসন্তুষ্ট হওয়া

تَبَرَّأَ-يَتَبَرَّأُ

 

নিশ্চয়ই আমি দায়মুক্ত তা থেকে যার তোমরা ইবাদত কর। (৪৩:২৬)

إِنَّنِي بَرَاءٌ مِّمَّا تَعْبُدُونَ

দায়মুক্তি, ছাড়পত্র

بَرَاءٌ، بَرَاءَةٌ

 

যদি আমাদের জন্য আবার পালা আসতো?! (২:১৬৭)

لَوْ أَنَّ لَنَا كَرَّةً

পালা, বার

كَرَّةٌ

 

আমি তোমাদের আরেকবার বের করবো। (২০:৫৫)

نُخْرِجُكُمْ تَارَةً أُخْرَىٰ

একবার, বার, দফা

تَارَّةٌ

 

তারা কি লক্ষ্য করে না, প্রতি বছর তারা একবার অথবা দুইবার বিপর্যস্ত হচ্ছে? (৯:১২৬)

أَوَلَا يَرَوْنَ أَنَّهُمْ يُفْتَنُونَ فِي كُلِّ عَامٍ مَّرَّةً أَوْ مَرَّتَيْنِ

বার, দফা, কিস্তি, পর্ব, একবার, বহুবার, বারংবার

مَرَّةٌ (ج) مَرَّاتٌ

 

নিশ্চয় এটি কাফেরদের জন্যে অনুতাপের কারণ। (৬৯;৫০)

وَإِنَّهُ لَحَسْرَةٌ عَلَى الْكَافِرِينَ

অনুতাপ, আক্ষেপ, আফসোস, দুঃখ, ক্ষোভ

حَسْرَةٌ (ج) حَسَرَاتٌ

 

তারা যখন শাস্তি দেখবে, তখন মনের অনুতাপ মনেই রাখবে। (৩৪:৩৩)

وَأَسَرُّوا النَّدَامَةَ لَمَّا رَأَوُا الْعَذَابَ

অনুতাপ, অনুশোচনা, মর্মবেদনা, পরিতাপ

نَدَامَةٌ

 

অতঃপর সে অনুতপ্ত হল। (৫:৩১)

فَأَصْبَحَ مِنَ النَّادِمِينَ

অনুতপ্ত, অনুশোচনাকারী,

نَادِمٌ (ج) نَادِمُونَ

 

সে ওখান থেকে বের হতে পারছেনা। (:১২২)

لَيْسَ بِخَارِجٍ مِّنْهَا

যে বের হয়

خَارِجٌ

কোর্স বিষয়বস্তু

11 চ্যাপ্টার • 79 পাঠ