যদি আল্লাহ তোমাদের সহায়তা করেন, তাহলে কেউ তোমাদের উপর পরাক্রান্ত হতে পারবে না। (৩-১৬০)

إِن يَنصُرْكُمُ اللَّهُ فَلَا غَالِبَ لَكُمْ

বিজয়ী

غَالِبٌ ج غَالِبُونَ

আমি অক্ষম, অতএব, তুমি প্রতিবিধান কর। (৫৪-১০)

أَنِّي مَغْلُوبٌ فَانتَصِرْ

পরাজিত

مَغْلُوبٌ

এক্ষেত্রে বহু বাহিনীর মধ্যে ওদেরও এক বাহিনী আছে, যা পরাজিত হবে। (৩৮-১১)

جُندٌ مَّا هُنَالِكَ مَهْزُومٌ مِّنَ الْأَحْزَابِ

পরাজিত, পরাভূত, পরাস্থ

مَهْزُومٌ

অতঃপর লটারী (সুরতি) করালে তিনি দোষী সাব্যস্ত হলেন। (৩৭-১৪১)

فَسَاهَمَ فَكَانَ مِنَ الْمُدْحَضِينَ

ব্যর্থ,বাতিল,স্থানচ্যুত,প্রতিহত

مُدْحَضٌ ج مُدْحَضُونَ

আর কোন বিষয় গোপন করে রাখা নবীর কাজ নয়। (৩-১৬১)

وَمَا كَانَ لِنَبِيٍّ أَن يَغُلَّ

খেয়ানত করা

غَلَّ-يَغُلُّ

এবং তাদেরকে যাতে সনাক্ত করা যায় যারা মুনাফিক ছিল। (৩-১৬৭)

وَلِيَعْلَمَ الَّذِينَ نَافَقُوا

কপটতা করা

نَافَقَ-يُنَافِقُ (نِفاقٌ)

মুনাফিকরা অবশ্যই মিথ্যাবাদী। (৬৩-১)

إِنَّ الْمُنَافِقِينَ لَكَاذِبُونَ

কপট, ভন্ড, প্রতারক, দ্বিমুখী, মুনাফিক

مُنَافِقٌ ج مُنَافِقُونَ (مُنَافِقَاتٌ)

কিংবা শত্রুদিগকে প্রতিহত কর। (৩-১৬৭)

أَوِ ادْفَعُوا

প্রতিহত করা

دَفَعَ-يَدْفَعُ

এবার তোমাদের নিজেদের উপর থেকে মৃত্যুকে সরিয়ে দাও। (৩-১৬৮)

فَادْرَءُوا عَنْ أَنفُسِكُمُ الْمَوْتَ

সরিয়ে নেয়া

دَرَأَ-يَدْرَأُ

তারপর যাকে দোযখ থেকে দূরে রাখা হবে। (৩-১৮৫)

فَمَن زُحْزِحَ عَنِ النَّارِ

অপসারণ করা, দূরিভূত করা,

زَحْزَحَ-يُزَحْزِحُ

এবং তাদের মনের ক্ষোভ দূর করবেন। (৯-১৫)

وَيُذْهِبْ غَيْظَ قُلُوبِهِمْ

নিয়ে যাওয়া, ছিনিয়ে নেওয়া,

أَذْهَبَ-يُذْهِبُ

তোমাদের থেকে তোমাদের পাপকে সরিয়ে দেবেন। (৮-২৯)

وَيُكَفِّرْ عَنكُمْ سَيِّئَاتِكُمْ

কাফফারা,

পাপের আবরণী,  

كَفَّرَ-يُكَفِّرُ

আমি তা থেকে দিনকে অপসারিত করি। (৩৬-৩৭)

نَسْلَخُ مِنْهُ النَّهَارَ

টেনে বের করা, চামড়া ছিলে আনা

سَلَخَ-يَسْلَخُ

এখন তোমার কাছ থেকে যবনিকা সরিয়ে দিয়েছি। (৫০-২২)

فَكَشَفْنَا عَنكَ غِطَاءَكَ

খোলা, খুলে ফেলা, উন্মুক্ত করা, প্রকাশ করা

 

كَشَفَ-يَكْشِفُ (كَشْفٌ)

যখন আকাশের আবরণ অপসারিত হবে। (৮১-১১)

وَإِذَا السَّمَاءُ كُشِطَتْ

গুটিয়ে ফেলা, অপসারণ করা,

كَشطَ

আর যারা এখনও তাদের কাছে এসে পৌঁছেনি তাদের জন্যে আনন্দ প্রকাশ করে। (৩-১৭০)

وَيَسْتَبْشِرُونَ بِالَّذِينَ لَمْ يَلْحَقُوا بِهِم

খুশি হওয়া, সুসংবাদ গ্রহণ করা

اِسْتَبْشَرَ-يَسْتَبْشِرُ

এবং তোমাদের প্রতিশ্রুত জান্নাতের সুসংবাদ শোন। (৪১-৩০)

وَأَبْشِرُوا بِالْجَنَّةِ الَّتِي كُنتُمْ تُوعَدُونَ

খুশি হওয়া, সুসংবাদ গ্রহণ করা

أَبْشَرَ-يُبْشِرُ

সহাস্য ও প্রফুল্ল। (৮০-৩৯)

ضَاحِكَةٌ مُّسْتَبْشِرَةٌ

উৎফুল্ল, সুসংবাদপ্রাপ্ত

مُسْتَبْشِرةٌ

আল্লাহ নিজের অনুগ্রহ থেকে যা দান করেছেন তার প্রেক্ষিতে তারা আনন্দ উদযাপন করছে। (৩-১৭০)

فَرِحِينَ بِمَا آتَاهُمُ اللَّهُ مِن فَضْلِهِ

উল্লাসী,  আমোদী, মহাখুশি,    

فَرِحٌ ج فَرِحُونَ

এদিন জান্নাতীরা আনন্দে মশগুল থাকবে। (৩৬-৫৫)

إِنَّ أَصْحَابَ الْجَنَّةِ الْيَوْمَ فِي شُغُلٍ فَاكِهُونَ

সহাস্য,  হাসিমুখ, রসিক,  

فَاكِهٌ ج فَاكِهُونَ

তারা যখন তাদের পরিবার-পরিজনের কাছে ফিরত, তখনও হাসাহাসি করে ফিরত। (৮৩-৩১)

وَإِذَا انقَلَبُوا إِلَىٰ أَهْلِهِمُ انقَلَبُوا فَكِهِينَ

সহাস্য, হাসিমুখ, রসিক,  

فَكِهٌ ج فَكِهُونَ

যারা পরকালে বিশ্বাস করে না, তাদের অন্তর সংকুচিত হয়ে যায়। (৩৯-৪৫)

اشْمَأَزَّتْ قُلُوبُ الَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ بِالْآخِرَةِ

বিতৃষ্ণ হয়ে যাওয়া

اِشْمَأَزَّ-يَشْمَئِزُّ

আমাদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট; কতই না চমৎকার কামিয়াবীদানকারী। (৩-১৭৩)

حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ

কর্মবিধায়ক

وَكِيلٌ

যাতে তারা কার্পন্য করে সে সমস্ত ধন-সম্পদকে তাদের গলায় বেড়ী বানিয়ে পরানো হবে। (৩-১৮০)

سَيُطَوَّقُونَ مَا بَخِلُوا بِهِ

বেড়ি পরানো

طَوَّقَ-يُطَوِّقُ

আস্বাদন কর জ্বলন্ত আগুনের আযাব। (৩-১৮১)

ذُوقُوا عَذَابَ الْحَرِيقِ

ভস্মকারী, দগ্ধকারী, প্রজ্জ্বলনকারী

حَرِيْقٌ

জ্বলন্ত উল্কাপিন্ড। (৩৭-১০)

شِهَابٌ ثَاقِبٌ

উজ্জ্বল, দ্যুতিশীল

ثَاقِبٌ

তারা জ্বলন্ত আগুনে পতিত হবে। (৮৮-৪)

تَصْلَىٰ نَارًا حَامِيَةً

দহনশীল, উত্তপ্ত আগুন, অগ্নিগর্ভ

حَامِيَةٌ

এটা আল্লাহর প্রজ্জ্বলিত অগ্নি। (১০৪-৬)

 نَارُ اللَّهِ الْمُوقَدَةُ

প্রজ্বলিত

مُوقَدَةٌ

তারা  নিদর্শন সমূহ নিয়ে এসেছিলেন। এবং এনেছিলেন সহীফা ও প্রদীপ্ত গ্রন্থ। (৩-১৮৪)

جَاءُوا بِالْبَيِّنَاتِ وَالزُّبُرِ وَالْكِتَابِ الْمُنِيرِ

দীপ্তিময়

مُنِيرٌ

কাঁচপাত্রটি উজ্জ্বল নক্ষত্র সদৃশ্য। (২৪-৩৫)

كَأَنَّهَا كَوْكَبٌ دُرِّيٌّ

আলোক বিচ্ছুরক, উজ্জ্বল, জ্যোতির্ময়,

دُرِّيٌّ

তিনিই সে মহান সত্তা, যিনি বানিয়েছেন সুর্যকে উজ্জল আলোকময়। (১০-৫)

هُوَ الَّذِي جَعَلَ الشَّمْسَ ضِيَاءً

দীপ্তিময়

ضِيَاءٌ

অনেক মুখমন্ডল সেদিন হবে উজ্জ্বল। (৮০-৩৮)

وُجُوهٌ يَوْمَئِذٍ مُّسْفِرَةٌ

আলোকোজ্জ্বল, নির্মল, সহাস্যবদন

مُسْفِرَةٌ

এবং একটি উজ্জ্বল প্রদীপ সৃষ্টি করেছি। (৭৮-১৩)

وَجَعَلْنَا سِرَاجًا وَهَّاجًا

জ্যোতির্ময়

وَهَّاجٌ

অতঃপর যখন সূর্যকে চকচক করতে দেখল। (৬-৭৮)

فَلَمَّا رَأَى الشَّمْسَ بَازِغَةً

চকচকে, উদীয়মান

بَازِغٌ، بَازِغَةٌ

সেদিন অনেক মুখমন্ডল উজ্জ্বল হবে। (৭৫-২২)

وُجُوهٌ يَوْمَئِذٍ نَّاضِرَةٌ

লাবণ্যময়, সুন্দর, উজ্জ্বল, সজীব

نَاضِرَةٌ

অনেক মুখমন্ডল সেদিন হবে, সজীব। (৮৮-৮)

وُجُوهٌ يَوْمَئِذٍ نَّاعِمَةٌ

নিয়ামতপূর্ণ, আনন্দিত,

نَاعِمَةٌ

যখন নক্ষত্র মলিন হয়ে যাবে। (৮১-২)

وَإِذَا النُّجُومُ انكَدَرَتْ

মলিন হওয়া, মলিন হয়ে খসে পড়া

انْكَدَرَ-يَنْكَدِرُ

আর অনেক মুখমন্ডল সেদিন উদাস হয়ে পড়বে। (৭৫-২৪)

وَوُجُوهٌ يَوْمَئِذٍ بَاسِرَةٌ

মলিন, বিষণ্ণ, মুখভার

بَاسِرَةٌ

যাঁরা দাঁড়িয়ে, বসে, ও শায়িত অবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ করে। (৩-১৯১)

الَّذِينَ يَذْكُرُونَ اللَّهَ قِيَامًا وَقُعُودًا وَعَلَىٰ جُنُوبِهِمْ

পার্শ্ব, নৈকট্য, সমীপে, শায়িতাবস্থা

جَنْبٌ ج جُنُوبٌ

তুর পর্বতের দিক থেকে। (২৮-২৯)

مِن جَانِبِ الطُّورِ

পার্শ্ব, কিনারা, দিক

جَانِبٌ

সে পার্শ্ব পরিবর্তন করে বিতর্ক করে, যাতে আল্লাহর পথ থেকে বিভ্রান্ত করে দেয়। (২২-৯)

ثَانِيَ عِطْفِهِ لِيُضِلَّ عَن سَبِيلِ اللَّهِ

পার্শ্ব, কাঁধ, ঘাড়, গ্রীবা

عِطْفٌ

আল্লাহর পক্ষ থেকে আপ্যায়ন। (৩-১৯৮)

نُزُلًا مِّنْ عِندِ اللَّهِ

তিথ্য

نُزُلٌ

হে ঈমানদানগণ! ধৈর্য্য ধারণ কর। (৩-২০০)

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اصْبِرُوا

দৃঢ়হওয়া

صَابَرَ-يُصَابِرُ

হে ঈমানদানগণ! ধৈর্য্য ধারণ কর এবং মোকাবেলায় দৃঢ়তা অবলম্বন কর। (৩-২০০)

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اصْبِرُوا وَصَابِرُوا وَرَابِطُوا

দৃঢ়থাকা

رَابَطَ-يُرَابِطُ

তখন সুদৃঢ় থাক এবং আল্লাহকে অধিক পরিমাণে স্মরণ কর। (৮-৪৫)

فَاثْبُتُوا وَاذْكُرُوا اللَّهَ كَثِيرًا

অটল থাকা, দৃঢ়পদ থাকা, অবিচল থাকা

ثَبَتَ-يَثْبُتُ

(ثُبُوتٌ)

কোর্স বিষয়বস্তু

11 চ্যাপ্টার • 79 পাঠ