অতঃপর তোমরা পরিভ্রমণ কর এ দেশে চার মাসকাল। (৯-২) |
فَسِيحُوا فِي الْأَرْضِ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ |
পরিভ্রমণ করা, চলাফেরা করা |
سَاحَ-يَسِيحُ |
...অতএব তারা নগরসমূহে বিচরণ করত (৫০:৩৬) |
فَنَقَّبُوا فِي الْبِلَادِ |
বিচরণ করা, চষে বেড়ানো |
نَقَّبَ-يُنَقِّبُ |
আর জেনে রেখো, তোমরা আল্লাহকে পরাভূত করতে পারবে না (৯-২) |
وَاعْلَمُوا أَنَّكُمْ غَيْرُ مُعْجِزِي اللَّهِ |
নত করা, পরাভূত করা |
مُعْجِزٌ ج مُعْجِزُونَ |
এবং যারা আমাদের নিদর্শনসমূহকে ব্যর্থ করতে দৌড়াদৌড়ি করে ... (২২:৫১) |
وَالَّذِينَ سَعَوْا فِي آيَاتِنَا مُعَاجِزِينَ |
অক্ষমকামী, অক্ষম, পরাজিত, |
مُعَاجِزٌ ج مُعَاجِزُعنَ |
না আমরা যমিনে আল্লাহকে ফাঁকি দিতে পারব, না তাঁকে পালিয়ে ফাঁকি দিতে পারব (৭২:১২) |
لَنْ نُّعْجِزَ اللّٰـهَ فِي الْأَرْضِ وَلَن نُّعْجِزَهُ هَرَبًا |
অক্ষম করে দেওয়া, অপারগ করা, পরাজিত করা, |
أَعْجَزَ-يُعْجِزُ |
নিশ্চিত, আপনার পালনকর্তা পর্যবেক্ষণেই থাকেন (৮৯: ১৪) |
إِنَّ رَبَّكَ لَبِالْمِرْصَادِ |
ঘাঁটি, প্রহরামঞ্চ, পর্যবেক্ষণকেন্দ্র |
مَرْصَدٌ، مِرْصَادٌ |
অত:পর এখন যে শুনতে যায় তার জন্য ওঁত পাতা উল্কার দেখা পায় (৭২:৯) |
فَمَنْ يَّسْتَمِعِ الْآنَ يَجِدْ لَهُ شِهَابًا رَّصَدًا |
সীমান্ত প্রহরী, ওঁত পেতে রাখা উল্কাপিণ্ড, প্রহরা |
رَصَدٌ، إرْصَادٌ |
মুশরিকদের জন্য (অনুমোদিত) নয় যে তারা আল্লাহর মসজিদসমূহ গড়ে তোলে (৯:১৭) |
مَا كَانَ لِلْمُشْرِكِينَ أَنْ يَّعْمُرُوْا مَسَاجِدَ اللّٰهِ |
দেখাশুনা করা, আবাদ করা |
عَمَرَ-يَعْمُرُ |
তোমরা কি হাজীদের পানি সরবরাহ করা ও মসজিদুল হারামের দেখাশোনা করাকে তুল্যজ্ঞান করো তার সাথে যে আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস করেছে আর আল্লাহ্র পথে সংগ্রাম করেছে? (৯:১৯) |
أَجَعَلْتُمْ سِقَايَةَ الْحَاجِّ وَعِمَارَةَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ كَمَنْ آمَنَ بِاللَّـهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ وَجَاهَدَ فِي سَبِيلِ اللَّـهِ |
চাষাবাদ করা, আবাদ করা, রক্ষাণাবেক্ষণ করা, উৎকর্ষ সাধন করা, বাস করা, বসবাস করা |
عِمَارَةٌ |
কসম আবাদকৃত ঘর (বায়তুল মামুর)-এর (৫২:৪) |
وَالْبَيْتِ الْمَعْمُورِ |
উর্ধ্বাকাশে অবস্থিত ফেরেশতাদের কাবা |
مَعْمُورٌ |
এবং যেই ব্যবসায় মন্দার আশংকা করছ (৯:২৪) |
وَتِجَارَةٌ تَخْشَوْنَ كَسَادَهَا |
মন্দা, বন্ধ |
كَسَادٌ |
আল্লাহ্ ইতিমধ্যে তোমাদেরকে সাহায্য করেছেন অনেক ক্ষেত্রে আর হুনাইনের দিনেও (৯:২৫) |
لَقَدْ نَصَرَكُمُ اللَّهُ فِي مَوَاطِنَ كَثِيرَةٍ وَيَوْمَ حُنَيْنٍ |
যুদ্ধক্ষেত্র |
مَوْطِنٌ ج مَوَاطِنُ |
এবং যমীন প্রশস্ত হওয়া সত্ত্বেও তোমাদের কাছে (মনে) হয়েছিল সংকুচিত (৯:২৫) |
وَضَاقَتْ عَلَيْكُمُ الْأَرْضُ بِمَا رَحُبَتْ |
সংকীর্ণ হওয়া |
ضَاقَ-يَضِيقُ |
তারা যা বলে থাকে তদ্দ্বারা আপনার অন্তরটা সংকুচিত হয়ে যায় তা আমরা ইতিমধ্যেই জানি (১৫:৯৭) |
وَلَقَدْ نَعْلَمُ أَنَّكَ يَضِيقُ صَدْرُكَ بِمَا يَقُولُونَ |
|
ضَاقَ-يَضِيقُ |
|
|
|
رَحُبَ-يَرْحُبُ |
যতক্ষণ না তারা জিযিয়া প্রদান করে স্বহস্তে এবং ছোট হয়ে (৯:২৯) |
حَتَّىٰ يُعْطُوا الْجِزْيَةَ عَنْ يَدٍ وَهُمْ صَاغِرُونَ |
জিজিয়া, কর, রক্ষণ কর |
جِزْيَةٌ |
তবে কি আমরা আপনার প্রতি কর ধার্য্য করব ... ? (১৮:৯৪) |
فَهَلْ نَجْعَلُ لَكَ خَرْجًا |
কর, চাঁদা, আহার্য, রিজিক |
خَرْجٌ، خَرَاجٌ |
যেদিন উহার উপরে উত্তাপ দেওয়া হবে জাহান্নামের আগুনে, অত:পর তদ্বারা ছ্যাঁকা দেয়া হবে তাদের কপালে ও তাদের পার্শ্বদেশে ও তাদের পিঠে ... (৯:৩৫) |
يَوْمَ يُحْمَىٰ عَلَيْهَا فِي نَارِ جَهَنَّمَ فَتُكْوَىٰ بِهَا جِبَاهُهُمْ وَجُنُوبُهُمْ وَظُهُورُهُمْ |
উত্তপ্ত করা, গরম করা |
حَمَى-يَحْمِي |
|
|
দাগ/ ছ্যাঁকা দেয়া |
كَوَى-يَكْوِي |
নিশ্চয় এতে চিন্তাশীলদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে। (১৫:৭৫) |
إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَاتٍ لِّلْمُتَوَسِّمِينَ |
পোড়া দাগ দেওয়া, , চিহ্ন দেওয়া, নিদর্শন দেওয়া |
وَسَمَ-يَسِمُ |
তদ্বারা ছ্যাঁকা দেয়া হবে তাদের কপালে (৯:৩৫) |
فَتُكْوَىٰ بِهَا جِبَاهُهُمْ |
কপাল |
جَبْهَةٌ ج جِبَاهٌ |
এবং তাকে শায়িত করলো কপালের উপর (৩৭:১০৩) |
وَتَلَّهُ لِلْجَبِينِ |
কপাল |
جَبِينٌ |
নিশ্চয়ই (হারাম মাসকে) পেছানো অবিশ্বাসকে কেবল বৃদ্ধিই করে (৯:৩৭) |
إِنَّمَا النَّسِيءُ زِيَادَةٌ فِي الْكُفْرِ |
পিছিয়ে দেয়া |
نَسِيءٌ |
যাতে গণনাকে সমন্বয় করে নেয় (৯:৩৭) |
لِّيُوَاطِئُوا عِدَّةَ |
পাল্লা দিতে, পূর্ণ করতে |
وَاطَأَ-يُوَاطِئُ |
ন্যূজ হয়ে পড়ছ যমিনের দিকে (৯:৩৮) |
اِثَّاقَلْتُمْ إِلَى الْأَرْضِ |
ভারী হয়ে বসা, ভারাক্রান্ত হয়ে পড়া, |
اِثَّاقَلَ |
যখন তোমরা দুজন ছিলে গুহায় (৯:৪০) |
إِذْ هُمَا فِي الْغَارِ |
গুহা |
غَارٌ |
যদি তারা পায় কোন ঠাঁই বা গুহা বা ডেরা (৯:৫৭) |
لَوْ يَجِدُونَ مَلْجَأً أَوْ مَغَارَاتٍ أَوْ مُدَّخَلًا |
পর্বতের গুহা |
مَغَارَةٌ ج مَغَارَاتٌ |
যখন যুবকেরা চলে গেল গুহার দিকে (১৮:১০) |
إِذْ أَوَى الْفِتْيَةُ إِلَى الْكَهْفِ |
পাহাড়ের প্রশস্ত গুহা, |
كَهْفٌ |
যদি নিকট প্রাপ্তির এবং সোজা সফর হতো (৯:৪২) |
لَوْ كَانَ عَرَضًا قَرِيبًا وَسَفَرًا قَاصِدًا |
সহজ, সংক্ষিপ্ত, সুগম |
قَاصِدٌ (قَصَدَ-يَقْصِدُ) |
তাদের নিকট যাত্রাপথ সুদীর্ঘ মনে হল (৯:৪২) |
بَعُدَتْ عَلَيْهِمُ الشُّقَّةُ |
পথ, দূরত্ব |
شُقَّةٌ |
অতএব তারা তাদের সংশয়ের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে (৯:৪৫) |
فَهُمْ فِي رَيْبِهِمْ يَتَرَدَّدُونَ |
ঘুরপাক খাওয়া |
تَرَدَّدَ-يَتَرَدَّدُ |
তোমাদের মাঝে ছুটোছুটি করতো (৯:৪৭) |
وَلَأَوْضَعُوا خِلَالَكُمْ |
ছুটাছুটি করা |
أَوْضَعَ-يُوْضِعُ |
যখন তাদের সবচেয়ে ইতর লোকটি দাঁড়িয়ে গেল (৯১:১২) |
إِذِ انبَعَثَ أَشْقَاهَا |
উঠা, দাঁড়ানো, চলা, পুনরুত্থিত হওয়া |
اِنْبَعَثَ-يَنْبَعِثُ (انْبِعَاثٌ) |
যদি তারা পায় কোন ঠাঁই বা গুহা বা ডেরা (৯:৫৭) |
لَوْ يَجِدُونَ مَلْجَأً أَوْ مَغَارَاتٍ أَوْ مُدَّخَلًا |
লুকানোর জায়গা |
مُدَّخَلٌ |
আর পাহাড় সমূহে তোমাদের জন্যে আশ্রয়স্থল বসিয়েছেন (১৬:৮১) |
وَجَعَلَ لَكُم مِّنَ الْجِبَالِ أَكْنَانًا |
পর্দা, গেলাফ, আবরণ, |
كِنٌّ ج أَكْنَانٌ |
আর মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে; (১৭:৮১) |
وَزَهَقَ الْبَاطِلُ |
প্রাণ যাওয়া, বিলুপ্ত হওয়া |
زَهَقَ-يَزْهَقُ |
নিশ্চয় মিথ্যা বিলুপ্ত হওয়ারই ছিল (১৭:৮১) |
إِنَّ الْبَاطِلَ كَانَ زَهُوقًا |
ধ্বংস হওয়া, বিলীন হওয়া, |
زَاهِقٌ، زَهُوقٌ |
এবং তারা ছুটে পালাতো (৯:৫৭) |
وَهُمْ يَجْمَحُونَ |
দৌড়ে পালানো, পলায়নপর হওয়া, |
جَمَحَ-يَجْمَحُ |
পরিণতিতে তাদেরকে দিয়েছেন অন্তরের কপটতা (৯:৭৭) |
فَأَعْقَبَهُمْ نِفَاقًا فِي قُلُوبِهِمْ |
ফলস্বরুপ দেয়া |
أَعْقَبَ-يُعْقِبُ |
আপনাকে দোষারোপ করে সাদাকাসমূহের ব্যাপারে (৯:৫৮) |
يَلْمِزُكَ فِي الصَّدَقَاتِ |
দোষারোপ করা |
لَمزَ-يَلْمِزُ |
নিশ্চয়ই সাদাকাসমূহ ফকিরদের জন্য ... এবং দাসমুক্তিতে আর ঋণগ্রস্তদের জন্য ... (৯:৬০) |
إِنَّمَا الصَّدَقَاتُ لِلْفُقَرَاءِ... وَفِي الرِّقَابِ وَالْغَارِمِينَ ... |
ঋণগ্রস্থ |
غَارِمٌ ح غَارِمُونَ |
আমরা তো নিশ্চিত ঋণভারে পড়লাম (৫৬:৬৬) |
إِنَّا لَمُغْرَمُونَ |
ঋণগ্রস্ত, জরিমানাদাতা |
مُغْرَمٌ ج مُغْرَمُونَ |
... এবং তাদের অন্তরসমূহকে মিলিয়ে দিতে ... (৯:৬০) |
وَالْمُؤَلَّفَةِ قُلُوبُهُمْ |
মিলন ঘটিত, সংযোজিত |
مُؤَلَّفَةٌ |
তথায় তাদের জন্যে রয়েছে চিরস্থায়ী সুখস্বাচ্ছন্দ্য (৯:২১) |
لَهُمْ فِيهَا نَعِيمٌ مُقِيمٌ |
স্থায়ী |
مُقِيمٌ |
অতএব আপনি কাফেরদের আনুগত্য করবেন না এবং তাদের সাথে এর সাহায্যে কঠোর সংগ্রাম করুন। (২৫: ৫২) |
فَلَا تُطِعِ الْكَافِرِينَ وَجَاهِدْهُم بِهِ جِهَادًا كَبِيرًا |
পরিশ্রম, চেষ্টা, যুদ্ধ |
جُهْدٌ، جَهْدٌ، جَاهَدَ، جِهَادٌ |
মানুষকে আমরা সৃজন করেছি ভোগান্তির মধ্যে (৯০:৪) |
خَلَقْنَا الْإِنْسَانَ فِي كَبَدٍ |
শ্রমসাধ্যতা, সহ্যক্ষমতা, সুঠাম দেহ, কষ্ট, ক্লান্তি |
كَبَدٌ |
হে মানুষ! নিশ্চয় তুমি এক দু:সাধ্যের প্রচেষ্টা করে যাবে তোমার রবের উদ্দেশ্যে (৮৪:৬) |
يَا أَيُّهَا الْإِنسَانُ إِنَّكَ كَادِحٌ إِلَىٰ رَبِّكَ كَدْحًا |
আপ্রাণ চেষ্টা করা, ঘামঝরা মেহনত করা, |
كَدْحٌ |
অত:পর, যারা ঈমান এনেছিল তারা এই দিনে হাসতে থাকবে অবিশ্বাসীদের প্রতি (৮৩:৩৪) |
فَالْيَوْمَ الَّذِينَ آمَنُوا مِنَ الْكُفَّارِ يَضْحَكُونَ |
হাসা |
ضَحِكَ-يَضْحَكُ |
ওর কথায় তিনি মুচকি হাসলেন (২৭:১৯) |
فَتَبَسَّمَ ضَاحِكًا مِّن قَوْلِهَا |
হাসা, মুচকি হাসা |
تَبَسَّمَ-يَتَبَسَّمُ |
তিনিই হাসান এবং কাঁদান (৫৩:৪৩) |
هُوَ أَضْحَكَ وَأَبْكَىٰ |
হাসানো |
أَضْحَكَ-يُضْحِكُ |
সহাস্য, উল্লসিত (২৭:১৯) |
ضَاحِكَةٌ مُسْتَبْشِرَةٌ |
সহাস্য, হাসিমাখা, হাসিপূর্ণ |
ضَاحِكٌ، ضَاحِكَةٌ |
অতএব, তারা সামান্য হেসে নিক, আর প্রচুর কাঁদবে তাদের কৃতকর্মের প্রতিদানে (৯:৮২) |
فَلْيَضْحَكُوا قَلِيلًا وَلْيَبْكُوا كَثِيرًا جَزَاءً بِمَا كَانُوا يَكْسِبُونَ |
কাঁদা |
بَكَى-يَبْكِي |
তিনিই হাসান এবং কাঁদান (৫৩:৪৩) |
هُوَ أَضْحَكَ وَأَبْكَىٰ |
কাঁদানো |
أَبْكَى-يُبْكِي |
তারা কাঁদতে কাঁদতে সিজদায় লুটিয়ে পড়ত (১৯:৫৮) |
خَرُّوا سُجَّدًا وَبُكِيًّا |
কান্নাজড়িত, ক্রন্দনরত |
بُكِيٌّ |
আর যখন কবরগুলো উন্মোচিত করা হবে (৮২:৪) |
وَإِذَا الْقُبُورُ بُعْثِرَتْ |
কবর |
قَبْرٌ ج قُبُورٌ |
যতক্ষণ না তোমরা কবরস্থানের দর্শন পাও (১০২:২) |
حَتَّىٰ زُرْتُمُ الْمَقَابِرَ |
গোরস্থান, কবরস্থান, |
مَقْبَرَةٌ ج مَقَابِرُ |
বেরোতে থাকবে কবরসমূহ থেকে (৫৪:৭) |
يَخْرُجُونَ مِنَ الْأَجْدَاثِ |
কবর, সমাধি |
جَدَثٌ ج جَدَثٌ ج أَجْدَاثٌ |
আর বেদুইনদের মধ্যের ওজর প্রদর্শনকারীরা এসেছিল (৯:৯০) |
وَجَاءَ الْمُعَذِّرُونَ مِنَ الْأَعْرَابِ |
ওজর পেশকারী |
مُعَذِّرٌ ج مُعَذِّرُونَ |
তোমাদের কাছে অজুহাত দেখাবে (৯:৯৪) |
يَعْتَذِرُونَ إِلَيْكُمْ |
ওজর পেশ করা |
اِعْتَذَرَ-يَعْتَذِرُ |
আর বেদুইনদের মধ্যের ওজর প্রদর্শনকারীরা এসেছিল (৯:৯০) |
وَجَاءَ الْمُعَذِّرُونَ مِنَ الْأَعْرَابِ |
বেদুঈন |
أَعْرَابٌ |
তারা বেদুইনদের মরুবাসীদের মধ্য থেকে তোমাদের খোঁজখবর জেনে নিতেই পছন্দ করতো (৩৩:২০) |
يَوَدُّوا لَوْ أَنَّهُم بَادُونَ فِي الْأَعْرَابِ يَسْأَلُونَ عَنْ أَنبَائِكُمْ |
মরুবাসী, যাযাবর, বহিরাগত |
بَادٍ ج بَادُونَ |
নিঃসন্দেহ শয়তান কেবলই চায় যে তোমাদের মধ্যে শত্রুতা জাগরিত হোক (৫:৯১) |
إِنَّمَا يُرِيدُ الشَّيْطَانُ أَنْ يُوقِعَ بَيْنَكُمُ الْعَدَاوَةَ |
ঘটানো |
أَوْقَعَ-يُوقِعُ |
ফলে তারা ধারকর্জ করে ভারাক্রান্ত হয়ে গেছে (৬৮:৪৬) |
فَهُم مِّن مَّغْرَمٍ مُّثْقَلُونَ |
জরিমানা |
مَغْرَمٌ |
আর তোমাদের দুর্দিনের প্রতীক্ষা করে (৯:৯৮) |
وَيَتَرَبَّصُ بِكُمُ الدَّوَائِرَ |
দুর্দিন |
دَائِرَةٌ ج دَوَائِرُ |
অত:পর তার কোনো রদ নেই (১৩:১১) |
فَلَا مَرَدَّ لَهُ |
অনড় থাকা |
مَرَدَ-يَمْرُدُ |
আর অন্যরা তাদের অপরাধ স্বীকার করেছে (৯:১০২) |
وَآخَرُونَ اعْتَرَفُوا بِذُنُوبِهِمْ |
স্বীকার করা |
اِعْتَرَفَ-يَعْتَرِفُ |
আমরা আপনার কাছে ঘোষণা করছি যে আমাদের মধ্যে কেউই সাক্ষী নই (৪১:৪৭) |
آذَنَّاكَ مَا مِنَّا مِن شَهِيدٍ |
ডাকা, আহ্বান করা, ঘোষণা করা |
آذَانَ-يُآذِنُ |
যে মসজিদ ধর্মনিষ্ঠার উপরে স্থাপিত (৯:১০৮) |
أَفَمَنْ أَسَّسَ بُنْيَانَهُ عَلَىٰ تَقْوَىٰ مِنَ اللَّـهِ |
ভিত্তি স্থাপন করা, বুনিয়াদ রাখা |
أَسَّسَ-يُؤَسِّسُ |
যে তার ভিত্তি স্থাপন করেছে পতনপ্রায় পর্বতের কিনারায় (৯:১০৯) |
مَّنْ أَسَّسَ بُنْيَانَهُ عَلَىٰ شَفَا جُرُفٍ هَارٍ |
ভিত্তি, প্রাচীর, প্রাসাদ |
بُنْيَانٌ |
ধ্বংসোন্মুখ |
هَارٍ |
||
অতএব তা তাকে নিয়ে ভেঙে পড়লো (৯:১০৯) |
فَانْهَارَ بِهِ |
ধ্বসে পড়া |
اِنْهَارَ-يَنْهِيرُ |
একটি দেয়াল যা ভেঙে পড়ার উপক্রম করছিল (১৮:৭৭) |
جِدَارًا يُرِيدُ أَن يَنقَضَّ |
পতনোন্মুখ হওয়া, ভেঙে পড়া |
اِنْقَضَّ-يَنْقِضُّ |
সৎকর্মে নিদের্শ- দানকারীরা (৯:১১২) |
الْآمِرُونَ بِالْمَعْرُوفِ |
আদেশকারী, অনুপ্রেরনা দাতা |
آمِرٌ ج آمِرُونَ |
অসৎকর্মে নিষেধকারীরা (৯:১১২) |
وَالنَّاهُونَ عَنِ الْمُنكَرِ |
নিষেধকারী |
نَاهٍ ج نَاهُونَ |
ভালো কাজে নিষেধকারী (৫০:২৫) |
مَّنَّاعٍ لِّلْخَيْرِ |
বারণকারী, নিষেধকারী, |
مَانِعٌ، مَنَّاعٌ
|
নিঃসন্দেহে ইব্রাহীম ছিলেন কোমল হৃদয়ের, সহনশীল (৯:১১৪) |
إِنَّ إِبْرَاهِيمَ لَأَوَّاهٌ حَلِيمٌ |
কোমল হৃদয়, মানব দরদী |
أَوَّاهٌ |
কঠোর স্বভাব, তদুপরি অসচ্চরিত্র (৬৮:১৩) |
عُتُلٍّ بَعْدَ ذَٰلِكَ زَنِيمٍ |
কঠোর স্বভাবের |
عُتُلٌّ |
তার উপরে রয়েছে অনমনীয়, কঠোর ফিরিশতাগণ (৬৬:৬) |
عَلَيْهَا مَلَائِكَةٌ غِلَاظٌ شِدَادٌ |
কঠোর, নির্দয়, বদমেজাজি |
غِلَاظٌ |
তাদের গ্রাস করে না পিপাসা (৯:১২০) |
لَا يُصِيبُهُمْ ظَمَأٌ |
তৃষ্ণা |
ظَمَأٌ (ظَمَأَ-يَظْأَمُ) |
পিপাসার্ত তাকে পানি মনে করে (২৪:৩৯) |
يَحْسَبُهُ الظَّمْآنُ مَاءً |
পিপাসার্ত, তৃষ্ণাতুর, তৃষ্ণার্ত |
ظَمْآنُ |
তাদের না গ্রাস করে পিপাসা না ক্লান্তি (৯:১২০) |
لَا يُصِيبُهُمْ ظَمَأٌ وَلَا نَصَبٌ |
ক্লান্তি |
نَصَبٌ |
আর কোনো ক্লান্তি আমাদের স্পর্শ করে নি (৫০:৩৮) |
وَمَا مَسَّنَا مِن لُّغُوبٍ |
ক্লান্তি, ক্লেশ, দুর্বলতা |
لُغُوبٌ |
পরিশ্রান্ত, অবসন্ন (৮৮:৩) |
عَامِلَةٌ نَّاصِبَةٌ |
ক্লান্ত |
نَاصِبَةٌ |
আর তা হবে ক্লান্ত (৬৭:৪) |
وَهُوَ حَسِيرٌ |
ক্লান্ত, পরিশ্রান্ত, দূর্বল, অনুতপ্ত |
حَسِيرٌ |
তারা রাত্রিদিন তাঁর মহিমা বর্ণনা করে, শিথিলতা করে না (২১:২০) |
يُسَبِّحُونَ اللَّيْلَ وَالنَّهَارَ لَا يَفْتُرُونَ |
কমানো, হ্রাস করা, বিরতি দেওয়া |
فَتَرَ-يَفْتَرُ |
তারা তাঁর ইবাদতে অহংকার করে না এবং অলসতাও করে না (২১:১৯) |
لَا يَسْتَكْبِرُونَ عَنْ عِبَادَتِهِ وَلَا يَسْتَحْسِرُونَ |
ক্লান্ত হওয়া, অলসতা করা |
اسْتَحْسَرَ-يَسْتَحْسِرُ |
তারা পদচালনা করে এমন পদক্ষেপে যা কাফেরদের ক্রুদ্ধ করে (৯:১২০) |
يَطَئُونَ مَوْطِئًا يَغِيظُ الْكُفَّارَ |
পদক্ষেপ নেয়া |
وَطَأَ-يَطَأُ |
|
|
চলার স্থান, চারণভূমি, রাস্তা |
مَوْطِئٌ |
তোমাদের মঙ্গলকামী (৯:১২৮) |
حَرِيصٌ عَلَيْكُم |
কল্যাণকামী, উচ্চাকাঙ্ক্ষী |
حَرِيصٌ |
কোর্স বিষয়বস্তু