নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের ব্যাপারে সচেতন রয়েছেন। (৪-১) |
إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَيْكُمْ رَقِيبًا |
পর্যবেক্ষক, তত্ত্বাবধায়ক |
رَقِيبٌ |
আল্লাহ সর্ব বিষয়ে ক্ষমতাশীল। (৪-৮৫) |
وَكَانَ اللَّهُ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ مُّقِيتًا |
আহার্যদাতা, রিজিকদাতা, |
مُقِيتٌ |
এইটিই বেশী সঙ্গত যেন তোমরা পক্ষপাতিত্ব না কর। (৪-৩) |
ذَٰلِكَ أَدْنَىٰ أَلَّا تَعُولُوا |
পক্ষপাতিত্ব বা অবিচার করা |
عَالَ-يَعُولُ |
আর তোমরা স্ত্রীদেরকে তাদের মোহর দিয়ে দাও খুশীমনে। (৪-৪) |
وَآتُوا النِّسَاءَ صَدُقَاتِهِنَّ نِحْلَةً |
স্বতস্ফূর্তভাবে |
نِحْلَةٌ |
তবে তা তোমরা স্বাচ্ছন্দ্যে ভোগ কর।(৪-৪) |
فَكُلُوهُ هَنِيئًا مَّرِيئًا |
তৃপ্তি সহকারে |
هَنِئَةٌ |
তবে তা তোমরা স্বাচ্ছন্দ্যে ভোগ কর।(৪-৪) |
فَكُلُوهُ هَنِيئًا مَّرِيئًا |
স্বাচ্ছন্দ্যে |
مَرِئٌ |
যারা স্বচ্ছল তারা অবশ্যই বিরত থাকবে। (৪-৬) |
وَمَن كَانَ غَنِيًّا فَلْيَسْتَعْفِفْ |
বিরত থাকা |
اِسْتَعَفَّ-يَسْتَعِفُّ |
এবং তাগুত থেকে নিরাপদ থাক। (১৬-৩৬) |
وَاجْتَنِبُوا الطَّاغُوتَ |
দূরে থাকা, পরিত্যাগ করা |
اِجْتَنَبَ-يَجْتَنِبُ |
আর যে, হতভাগা, সে তা উপেক্ষা করবে। (৮৭-১১) |
وَيَتَجَنَّبُهَا الْأَشْقَى |
|
تَجَنَّبَ-يَتَجَنَّبُ |
এবং আমাকে ও আমার সন্তান সন্ততিকে মূর্তি পূজা থেকে দূরে রাখুন। (১৪-৩৫) |
وَاجْنُبْنِي وَبَنِيَّ أَن نَّعْبُدَ الْأَصْنَامَ |
দূরে রাখা, রক্ষা করা |
جَنَبَ-يَجْنُبُ |
এ থেকে দূরে রাখা হবে খোদাভীরু ব্যক্তিকে। (৯২-১৭) |
وَسَيُجَنَّبُهَا الْأَتْقَى |
|
جَنَّبَ-يُجَنِّبُ |
আমাদের ভ্রমণের পরিসর বাড়িয়ে দাও। (৩৪-১৯) |
بَاعِدْ بَيْنَ أَسْفَارِنَا |
দূরত্ব বাড়ানো, দীর্ঘ করে দেয়া |
بَاعَدَ-يُبَاعِدُ |
এ অংশ নির্ধারিত। (৪-৭) |
نَصِيبًا مَّفْرُوضًا |
নির্ধারিত |
مَفْرُوضٌ |
আল্লাহর আদেশ নির্ধারিত, অবধারিত। (৩৩-৩৮) |
وَكَانَ أَمْرُ اللَّهِ قَدَرًا مَّقْدُورًا |
মূল্যায়নযোগ্য, উপযুক্ত, নির্ধারিত, |
مَقْدُورٌ |
এটা তো এক স্থিরীকৃত ব্যাপার। (১৯-২১) |
وَكَانَ أَمْرًا مَّقْضِيًّا |
চূড়ান্ত, বিচার্য, |
مَقْضِيٌّ |
সম্পতি বন্টনের সময়। (৪-৮) |
وَإِذَا حَضَرَ الْقِسْمَةَ |
বণ্টন |
قِسْمَةٌ (قَسَمَ-يَقْسِمُ) |
কর্ম বন্টনকারী ফেরেশতাগণের শপথ। (৫১-৪) |
فَالْمُقَسِّمَاتِ أَمْرًا |
বন্টন কারী |
مُقَسِّمَةٌ ج مُقَسِّمَاتٌ |
কে তোমাদের জন্যে অধিক উপকারী তোমরা জান না। (৪-১১) |
لَا تَدْرُونَ أَيُّهُمْ أَقْرَبُ لَكُمْ نَفْعًا |
জানা |
دَرَى-يَدْرِي |
আপনি সর্বদা তাদের কোন না কোন প্রতারণা সম্পর্কে অবগত হতে থাকেন। (৫-১৩) |
وَلَا تَزَالُ تَطَّلِعُ عَلَىٰ خَائِنَةٍ مِّنْهُمْ |
অবগত হওয়া, উঁকি দিয়ে দেখা |
اطَّلَعَ-يَطَّلِعُ |
তোমরা কি তাকে উকি দিয়ে দেখতে চাও? (৩৭-৫৪) |
هَلْ أَنتُم مُّطَّلِعُونَ |
অবগত, অনুসন্ধানী |
مُطَّلِعٌ ج مُطَّلِعُونَ |
আর যদি কোনো পুরুষকে নিঃসন্তান-ভাবে উত্তরাধিকার করতে হয়। (৪-১২) |
وَإِن كَانَ رَجُلٌ يُورَثُ كَلَالَةً |
সন্তান ও পিতার দিক থেকে ওয়ারিশহীন ব্যক্তি |
كَلَالَةٌ |
এ হল বিরাট সাফল্য। (৪-১৩) |
وَذَٰلِكَ الْفَوْزُ الْعَظِيمُ |
সাফল্য |
فَوْزٌ، مَفَازٌ |
ফেরাউনের চক্রান্ত ব্যর্থ হওয়ারই ছিল। (৪০-৩৭) |
وَمَا كَيْدُ فِرْعَوْنَ إِلَّا فِي تَبَابٍ |
ধ্বংস হওয়া, বিলুপ্ত হওয়া, |
تَبَابٌ |
তোমাদের ফুফুরা। (৪-২৩) |
عَمَّاتُكُمْ |
ফুফু |
عَمَّةٌ ج عَمَّاتٌ |
এবং আপনার চাচাতো ভগ্নি। (৩৩-৫০) |
وَبَنَاتِ عَمِّكَ |
চাচা |
عَمٌّ ج أَعْمَامٌ |
তোমাদের খালারা। (৪-২৩) |
خَالَاتُكُمْ |
খালা |
خَالَةٌ ج خَلَاتٌ |
এবং মামাতো ভগ্নি। (৩৩-৫০) |
وَبَنَاتِ خَالِكَ |
মামা |
خَالٌ ج أَخْوَالٌ |
কন্যারা যারা তোমাদের লালন-পালনে আছে। (৪-২৩) |
وَرَبَائِبُكُمُ اللَّاتِي فِي حُجُورِكُم |
কোল, তত্ত্বাবধান |
حُجُرٌ ج حُجُورٌ |
যারা সতী-সাধ্বী নারীর প্রতি অপবাদ আরোপ করে। (২৪-৪) |
وَالَّذِينَ يَرْمُونَ الْمُحْصَنَاتِ |
বিশুদ্ধ চরিত্রের অধিকারিণী, |
مُحْصَنَةٌ ج مُحْصَنَاتٌ |
এবং নিয়ম অনুযায়ী তাদেরকে মোহরানা প্রদান কর এমতাবস্থায় যে, তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবে-ব্যভিচারিণী হবে না। (৪-২৫) |
وَآتُوهُنَّ أُجُورَهُنَّ بِالْمَعْرُوفِ مُحْصَنَاتٍ غَيْرَ مُسَافِحَاتٍ |
ব্যভিচারিণী |
مُسَافِحَةٌ ج مُسَافِحَاتٌ |
এবং ব্যভিচারিণীকে কেবল ব্যভিচারী অথবা মুশরিক পুরুষই বিয়ে করে (২৪-৩) |
وَالزَّانِيَةُ لَا يَنكِحُهَا إِلَّا زَانٍ أَوْ مُشْرِكٌ |
ব্যভিচারিণী |
زَانِيَةٌ |
এবং আমি ব্যভিচারিণীও কখনও ছিলাম না ? (১৯-২০) |
وَلَمْ أَكُ بَغِيًّا |
পাপাচারী, ব্যভিচারী |
بَغِيٌّ |
এবং নারীদের মধ্যে সকল সধবা স্ত্রীলোক। (৪-২৪) |
وَالْمُحْصَنَاتُ مِنَ النِّسَاءِ |
লজ্জাস্থানের পবিত্রতা রক্ষাকারিণী, |
مُحْصِنٌ ج مُحْصِنُونَ |
এবং নিয়ম অনুযায়ী তাদেরকে মোহরানা প্রদান কর এমতাবস্থায় যে, তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবে-ব্যভিচারিণী হবে না। (৪-২৫) |
وَآتُوهُنَّ أُجُورَهُنَّ بِالْمَعْرُوفِ مُحْصَنَاتٍ غَيْرَ مُسَافِحَاتٍ |
ব্যভিচারী |
مُسَافِحٌ ج مُسَافِحُونَ |
ব্যভিচারী পুরুষ কেবল ব্যভিচারিণী নারী অথবা মুশরিকা নারীকেই বিয়ে করে। (২৪-৩) |
الزَّانِي لَا يَنكِحُ إِلَّا زَانِيَةً أَوْ مُشْرِكَةً |
ব্যভিচারী |
زَانٍ |
অনন্তর তাদের মধ্যে যাকে তোমরা ভোগ করবে। (৪-২৪) |
فَمَا اسْتَمْتَعْتُم بِهِ مِنْهُنَّ |
উপভোগ করা |
اِسْتَمْتَعَ-يَسْتَمْتِعُ |
কিংবা উপ-পতি গ্রহণকারিণী হবে না। (৪-২৫) |
وَلَا مُتَّخِذَاتِ أَخْدَانٍ |
উপপত্নী গ্রহণকারী, গোপন প্রেমিকা |
خِدْنٌ ج أَخْدَانٌ |
তাকে খুব শীঘ্রই আগুনে নিক্ষেপ করা হবে। (৪-৩০) |
فَسَوْفَ نُصْلِيهِ نَارًا |
পোড়ানো, দগ্ধ করা |
أَصْلَى-يَصْلِي |
অতঃপর নিক্ষেপ কর জাহান্নামে। (৬৯-৩১) |
ثُمَّ الْجَحِيمَ صَلُّوهُ |
আগুনে প্রবেশ করানো, অগ্নিদগ্ধ করা |
صَلَّى-يُصَلِّي (تَصْلِيَةٌ) |
তারা বললঃ একে পুড়িয়ে দাও. (২১-৬৮) |
قَالُوا حَرِّقُوهُ |
পোড়ানো, জ্বালিয়ে দেয়া, |
حَرَّقَ-يُحَرِّقُ |
তাদের মুখমন্ডল দগ্ধ করবে। (১৮-২৯) |
يَشْوِي الْوُجُوهَ |
চামড়া দগ্ধ করা, ভুনা করা, |
شَوَى-يَشْوِي |
আগুন তাদের মুখমন্ডল দগ্ধ করবে। (২৩-১০৪) |
تَلْفَحُ وُجُوهَهُمُ النَّارُ |
পোড়ানো, দগ্ধ করা, জ্বালিয়ে দেওয়া, |
لَفحَ-يَلْفَحُ |
অতঃপর তাদেরকে আগুনে জ্বালানো হবে। (৪০-৭২) |
ثُمَّ فِي النَّارِ يُسْجَرُونَ |
অগ্নিপূর্ণ করা, আগুন ধরানো, দাহ করা, |
سَجرَ-يَسْجرُ |
মানুষকে দগ্ধ করবে। (৭৪-২৯) |
لَوَّاحَةٌ لِّلْبَشَرِ |
ভস্মকারী, দগ্ধকারী, |
لَوَّاحَةٌ |
এটা আল্লাহর পক্ষে খুবই সহজসাধ্য। (৪-৩০) |
وَكَانَ ذَٰلِكَ عَلَى اللَّهِ يَسِيرًا |
সহজ |
يَسِيرٌ |
তোমার পালনকর্তা বলেছেন, এটা আমার জন্যে সহজ সাধ্য। (১৯-২১) |
قَالَ رَبُّكِ هُوَ عَلَيَّ هَيِّنٌ |
সহজ, সহজ ব্যাপার, নগণ্য, |
هَيِّنٌ |
এবং কাফেরদের পক্ষে দিনটি হবে কঠিন। (২৫-২৬) |
وَكَانَ يَوْمًا عَلَى الْكَافِرِينَ عَسِيرًا |
কঠিন |
عسيرٌ |
পুরুষেরা নারীদের উপর কৃর্তত্বশীল। (৪-৩৪) |
الرِّجَالُ قَوَّامُونَ عَلَى النِّسَاءِ |
কর্তৃত্বশীল |
قَوَّامٌ ج قَوَّامُونَ |
সম্মান জনক স্থান। (৪-৩১) |
مُّدْخَلًا كَرِيمًا |
প্রবিষ্ট, প্রবেশপথ |
مُدْخَلٌ |
যাদের ব্যাপারে ভয় কর, তাদের উপদেশ দেও। (৪-৩৪) |
وَاللَّاتِي تَخَافُونَ نُشُوزَهُنَّ |
উপেক্ষা, অসদাচরণ |
نُشُوزٌ |
আর নিকট প্রতিবেশীর এবং দুরের প্রতিবেশীর। (৪-৩৬) |
وَالْجَارِ ذِي الْقُرْبَىٰ وَالْجَارِ الْجُنُبِ |
প্রতিবেশী, সাহায্যকারী |
جَارٌ |
অতঃপর এই শহরে আপনার প্রতিবেশী অল্পই থাকবে। (৩৩-৬০) |
ثُمَّ لَا يُجَاوِرُونَكَ فِيهَا إِلَّا قَلِيلًا |
প্রতিবেশী হওয়া |
جَاوَرَ-يُجَاوِرُ |
তোমরা যখন নেশাগ্রস্ত থাক, তখন নামাযের ধারে-কাছেও যেওনা। (৪-৪৩) |
لَا تَقْرَبُوا الصَّلَاةَ وَأَنتُمْ سُكَارَىٰ |
নেশাগ্রস্থ |
سَكْرَانُ ج سُكَارَى |
তোমরা যখন নেশাগ্রস্ত থাক, তখন নামাযের ধারে-কাছেও যেওনা, যতক্ষণ না বুঝতে সক্ষম হও যা কিছু তোমরা বলছ এবং যখন তোমরা জুনুব (গোসল ফরয) অবস্থায় থাক। (৪-৪৩) |
لَا تَقْرَبُوا الصَّلَاةَ وَأَنتُمْ سُكَارَىٰ حَتَّىٰ تَعْلَمُوا مَا تَقُولُونَ وَلَا جُنُبًا |
গোসল ফরয অবস্থা, দূর, দূরত্ব |
جُنُبٌ |
যতক্ষণ না গোসল করে নাও। (৪-৪৩) |
حَتَّىٰ تَغْتَسِلُوا |
ধৌত করা |
اِغْتَسَلَ-يَغْتَسِلُ |
তখন স্বীয় মুখমন্ডল ধৌত কর। (৫-৬) |
فَاغْسِلُوا وُجُوهَكُمْ |
ধোয়া, ধৌত করা, প্রক্ষালন করা, ধোলাই করা |
غَسَلَ-يَغْسِلُ |
ঝরণা নির্গত হল গোসল করার জন্যে শীতল ও পান করার জন্যে। (৩৮-৪২) |
هَٰذَا مُغْتَسَلٌ بَارِدٌ وَشَرَابٌ |
গোসলের পানি, গোসলখানা, হাম্মাম, হাম্মামখানা |
مُغْتَسَلٌ |
তোমাদের কেউ শৌচাগার থেকে আসে। (৪-৪৩) |
جَاءَ أَحَدٌ مِّنكُم مِّنَ الْغَائِطِ |
শৌচাগার |
غَائِطٌ |
তবে পাক-পবিত্র মাটির দ্বারা তায়াম্মুম করে নাও। (৪-৪৩) |
فَتَيَمَّمُوا صَعِيدًا طَيِّبًا |
তায়াম্মুম করা |
تَيَمَّمَ-يَتَيَمَّمُ |
মুখমন্ডল ও হাতকে ঘষে নাও। (৪-৪৩) |
فَامْسَحُوا بِوُجُوهِكُمْ وَأَيْدِيكُمْ |
হাত বুলানো |
مَسَحَ-يَمْسَحُ (مَسْحٌ) |
কোর্স বিষয়বস্তু