আর সেদিন যথার্থই ওজন হবে। (৭-৮) |
وَالْوَزْنُ يَوْمَئِذٍ الْحَقُّ |
ওজন, পরিমাণ |
وَزْنٌ (وَزَنَ) |
|
এবং তাঁর কাছে প্রত্যেক বস্তুরই একটা পরিমাণ রয়েছে। (১৩-৮) |
وَكُلُّ شَيْءٍ عِندَهُ بِمِقْدَارٍ |
পরিমাণ, নির্ধারিত, ধার্য |
مِقْدَارٌ |
|
নিশ্চয়ই আল্লাহ কারো প্রাপ্য হক বিন্দু-বিসর্গও রাখেন না। (৪-৪০) |
إِنَّ اللَّهَ لَا يَظْلِمُ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ |
ওজন, পরিমাণ, সমপরিমাণ |
مِثْقَالٌ |
|
এবং তাতে প্রত্যেক বস্তু সুপরিমিতভাবে উৎপন্ন করেছি। (১৫-১৯) |
وَأَنبَتْنَا فِيهَا مِن كُلِّ شَيْءٍ مَّوْزُونٍ |
পরিমাণমত, যথাযথ |
مَوْزُونٌ |
|
এবং যাদের পাল্লা হাল্কা হবে। (৭-৯) |
وَمَنْ خَفَّتْ مَوَازِينُهُ |
হালকা হওয়া, ভারহীন হওয়া |
خَفَّ-يَخِفُّ |
|
অতএব যার পাল্লা ভারী হবে। (১০১-৬) |
فَأَمَّا مَن ثَقُلَتْ مَوَازِينُهُ |
ভারী হওয়া, ওজন বেশি হওয়া |
ثَقُلَ-يَثْقُلُ |
|
তারপর যখন বোঝা হয়ে গেল, তখন উভয়েই আল্লাহকে ডাকল যিনি তাদের পালনকর্তা। (৭-১৮৯) |
فَلَمَّا أَثْقَلَت دَّعَوَا اللَّهَ رَبَّهُمَا |
ভারাক্রান্ত করা, বোঝা চাপানো, ভারী মনে করা |
أَثْقَلَ-يُثْقِلُ |
|
আমি তোমাদেরকে পৃথিবীতে ঠাই দিয়েছি। (৭-১০) |
وَلَقَدْ مَكَّنَّاكُمْ فِي الْأَرْضِ |
ঠাই দেয়া |
مَكَّنَ-يُمَكِّنُ |
|
এবং বাম দিক থেকে। (৭-১৭) |
وَعَن شَمَائِلِهِمْ |
বাম |
شِمَالٌ ج شَمَائِلُ |
|
আমি তাকে আহবান করলাম তূর পাহাড়ের ডান দিক থেকে। (১৯-৫২) |
وَنَادَيْنَاهُ مِن جَانِبِ الطُّورِ الْأَيْمَنِ |
ডানপার্শ্ব, বরকতপূর্ণ, পবিত্র |
أَيْمَنٌ |
|
এরাই হচ্ছে দক্ষিণপন্থীয়দের দলভুক্ত। (৯০-১৮) |
أُولَٰئِكَ أَصْحَابُ الْمَيْمَنَةِ |
সৌভাগ্য, শুভ, ডানপার্শ্বস্থ; |
مَيْمَنَةٌ |
|
নিশ্চয় আমি তোদের সবার দ্বারা জাহান্নাম পূর্ণ করে দিব। (৭-১৮) |
لَأَمْلَأَنَّ جَهَنَّمَ مِنكُمْ أَجْمَعِينَ |
ভর্তি করা |
مَلَأَ-يَمْلَأُ |
|
যেদিন আমি জাহান্নামকে জিজ্ঞাসা করব; তুমি কি পূর্ণ হয়ে গেছ? (৫০-৩০) |
يَوْمَ نَقُولُ لِجَهَنَّمَ هَلِ امْتَلَأْتِ |
পূর্ণ হওয়া |
اِمْتَلَأَ-يَمْتَلِئُ |
|
এবং চন্দ্রের,যখন তা পূর্ণরূপ লাভ করে। (৮৪-১৮) |
وَالْقَمَرِ إِذَا اتَّسَقَ |
পূর্ণ হওয়া, পূর্ণতা লাভ করা, |
اِتَّسَقَ-يَتَّسِقُ |
|
এবং এর দ্বারা উদর পূর্ণ করবে।(৩৭-৬৬) |
فَمَالِئُونَ مِنْهَا الْبُطُونَ |
পূরণকারী, |
مَالِئٌ ج مَالِئُونَ |
|
এবং পৃথিবী তার গর্ভস্থিত সবকিছু বাইরে নিক্ষেপ করবে ও শুন্যগর্ভ হয়ে যাবে। (৮৪-৪) |
وَأَلْقَتْ مَا فِيهَا وَتَخَلَّتْ |
খালি হওয়া, উন্মুক্ত হওয়া, |
تَخَلَّى-يَتَخَلَّى |
|
অতঃপর শয়তান উভয়কে প্ররোচিত করল। (৭-২০) |
فَوَسْوَسَ لَهُمَا الشَّيْطَانُ |
কুমন্ত্রণা দেয়া |
وَسْوَسَ-يُوَسْوِسُ (وَسْوَاسٌ) |
|
আর যদি শয়তানের প্ররোচনা তোমাকে প্ররোচিত করে।(৭-২০০) |
وَإِمَّا يَنزَغَنَّكَ مِنَ الشَّيْطَانِ نَزْغٌ |
উসকানি দেওয়া, প্ররোচনা দেওয়া, |
نَزَغَ-يَنْزَغُ (نَزْغٌ) |
|
হে আমার পালনকর্তা! আমি শয়তানের প্ররোচনা থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করি। (২৩-৯৭) |
رَّبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ |
নিন্দা, পরনিন্দা, কুৎসা, ভর্ৎসনা, |
هَمَزَةٌ ج هَمَزَاتٌ |
|
এবং তারা নিজের উপর বেহেশতের পাতা জড়াতে লাগল। (৭-২২) |
وَطَفِقَا يَخْصِفَانِ عَلَيْهِمَا مِن وَرَقِ الْجَنَّةِ |
শুরু করা |
طَفِقَ-يَطْفَقُ |
|
আর এরাই প্রথম তোমাদের সাথে বিবাদের সূত্রপাত করেছে। (৯-১৩) |
وَهُم بَدَءُوكُمْ أَوَّلَ مَرَّةٍ |
সূচনা করা, সৃষ্টি করা, আরম্ভ করা, |
بَدَأَ-يَبْدَأُ |
|
আল্লাহ কিভাবে সৃষ্টিকর্ম শুরু করেন অতঃপর তাকে পুনরায় সৃষ্টি করবেন?(২৯-১৯) |
كَيْفَ يُبْدِئُ اللَّهُ الْخَلْقَ ثُمَّ يُعِيدُهُ |
সৃষ্টির সূচনা করা, নবায়ন করা |
أَبْدَأَ-يُبْدِئُ |
|
একদলকে পথ প্রদর্শন করেছেন এবং একদলের জন্যে পথভ্রষ্টতা অবধারিত হয়ে গেছে। (৭-৩০) |
فَرِيقًا هَدَىٰ وَفَرِيقًا حَقَّ عَلَيْهِمُ الضَّلَالَةُ |
অবধারিত হওয়া, যথাযথ হওয়া, ন্যায় হওয়া |
حَقَّ-يَحِقُّ |
|
আল্লাহর পক্ষ থেকে যে সত্য এসেছে, তার ব্যতিক্রম কিছু না বলার ব্যাপারে আমি সুদৃঢ়। (৭-১০৫) |
حَقِيقٌ عَلَىٰ أَن لَّا أَقُولَ عَلَى اللَّهِ إِلَّا الْحَقَّ |
অবধারিত, যোগ্য, বাস্তবসম্মত |
حَقِيقٌ |
|
এমনকি, যখন তাতে সবাই পতিত হবে |
حَتَّىٰ إِذَا ادَّارَكُوا فِيهَا جَمِيعًا |
একত্রিত হওয়া/ পেয়ে বসা/ সামাল দেয়া |
تَدَارَكَ (ادَّارَكَ) |
|
যে পর্যন্ত না সূচের ছিদ্র দিয়ে উট প্রবেশ করে। (৭-৪০) |
حَتَّىٰ يَلِجَ الْجَمَلُ فِي سَمِّ الْخِيَاطِ |
ছিদ্র |
سَمٌّ |
|
যে পর্যন্ত না সূচের ছিদ্র দিয়ে উট প্রবেশ করে। (৭-৪০) |
حَتَّىٰ يَلِجَ الْجَمَلُ فِي سَمِّ الْخِيَاطِ |
সূচ |
خِيَاطٌ |
|
অতঃপর একজন ঘোষক উভয়ের মাঝখানে ঘোষণা করবেঃ আল্লাহর অভিসম্পাত জালেমদের উপর। (৭-৪৪) |
فَأَذَّنَ مُؤَذِّنٌ بَيْنَهُمْ أَن لَّعْنَةُ اللَّهِ عَلَى الظَّالِمِينَ |
ডাকা, আহ্বান করা, |
أَذَّنَ-يُؤَذِّنُ |
|
যখন তোমাদের পালনকর্তা ঘোষণা করলেন যে, যদি কৃতজ্ঞতা স্বীকার কর, তবে তোমাদেরকে আরও দেব। (১৪-৭) |
وَإِذْ تَأَذَّنَ رَبُّكُمْ لَئِن شَكَرْتُمْ لَأَزِيدَنَّكُمْ |
ডাকা, আহ্বান করা, |
تَأَذَّنَ-يَتَأَذَّنُ |
|
আল্লাহ ও তাঁর রসূলের পক্ষ থেকে লোকদের প্রতি ঘোষণা। (৯-৩) |
وَأَذَانٌ مِّنَ اللَّهِ وَرَسُولِهِ |
ডাকা, আহ্বান করা, |
أَذَانٌ |
|
অতঃপর একজন ঘোষক ডেকে বললঃ হে কাফেলার লোকজন, তোমরা অবশ্যই চোর। (১২-৭০) |
ثُمَّ أَذَّنَ مُؤَذِّنٌ أَيَّتُهَا الْعِيرُ إِنَّكُمْ لَسَارِقُونَ |
ঘোষক, ঘোষণাকারী |
مُؤَذِّنٌ |
|
বরকতময় যিনি বিশ্বজগতের প্রতিপালক। (৭-৫৪) |
تَبَارَكَ اللَّهُ رَبُّ الْعَالَمِينَ |
সুমহান হওয়া, বরকতপূর্ণ হওয়া |
تَبَارَكَ-يَتَبَارَكُ |
|
তা তাঁর আদেশে প্রবাহিত হত ঐ দেশের দিকে, যেখানে আমি কল্যাণ দান করেছি। (২১-৮১) |
تَجْرِي بِأَمْرِهِ إِلَى الْأَرْضِ الَّتِي بَارَكْنَا فِيهَا |
বরকত দেয়া, প্রাচূর্য দেয়া, |
بَارَكَ-يُبَارِكُ |
|
যা দ্রতগতিতে তার অনুসরণ করে। (৭-৫৪) |
يَطْلُبُهُ حَثِيثًا |
খোঁজ করা |
طَلَبَ-يَطْلُبُ (طَلَبٌ) |
|
ইউসুফ ও তার ভাইকে তালাশ কর। (১২-৮৭) |
فَتَحَسَّسُوا مِن يُوسُفَ وَأَخِيهِ |
অনুসন্ধান করা |
تَحَسَّسَ-يَتَحَسَّسُ |
|
যারা আজ্ঞাবহ হয়, তারা সৎপথ বেছে নিয়েছে। (৭২-১৪)
|
فَمَنْ أَسْلَمَ فَأُولَٰئِكَ تَحَرَّوْا رَشَدًا |
অবলম্বন করা, সংকল্প করা, |
تَحَرَّى-يَتَحَرَّى |
|
প্রার্থনাকারী ও যার কাছে প্রার্থনা করা হয়, উভয়েই শক্তিহীন (২২:৭৩) |
ضَعُفَ الطَّالِبُ وَالْمَطْلُوبُ |
প্রার্থনাকারী, অন্বেষী, |
طَالِبٌ |
|
প্রার্থনাকারী ও যার কাছে প্রার্থনা করা হয়,উভয়েই শক্তিহীন। (২২-৭৩) |
ضَعُفَ الطَّالِبُ وَالْمَطْلُوبُ |
অনুসন্ধানযোগ্য, প্রার্থনীয়, |
مَطْلُوبٌ |
|
যখন (বায়ুরাশি) পানিপূর্ন মেঘমালা বয়ে আনে। (৭-৫৭) |
حَتَّىٰ إِذَا أَقَلَّتْ سَحَابًا ثِقَالًا |
ভারী, জমাট, কঠিন, ওজনদার |
ثَقِيلٌ ج ثِقَالٌ |
|
ফলে তাদের উপর জরিমানার বোঝা পড়ছে। (৬৮-৪৬) |
فَهُم مِّن مَّغْرَمٍ مُّثْقَلُونَ |
বোঝাইকৃত, ভারী, ভারাক্রান্ত |
مُثْقَلَةٌ ج (مُثْقَلُونَ) |
|
হে জিন ও মানব! আমি শীঘ্রই তোমাদের জন্যে কর্মমুক্ত হয়ে যাব। (৫৫-৩১) |
سَنَفْرُغُ لَكُمْ أَيُّهَ الثَّقَلَانِ |
ভারবাহী, বাহক |
ثَقَلٌ |
|
অতঃপর পুরুষ যখন নারীকে আবৃত করল,তখন,সে গর্ভবতী হল। অতি হালকা গর্ভ। (৭-১৮৯) |
فَلَمَّا تَغَشَّاهَا حَمَلَتْ حَمْلًا خَفِيفًا |
হালকা, লঘু, সহজলভ্য |
خَفِيفٌ ج خِفَافٌ |
|
তখন আমি এ (মেঘমালাকে) একটি মৃত শহরের দিকে হাঁকিয়ে দেই। (৭-৫৭) |
سُقْنَاهُ لِبَلَدٍ مَّيِّتٍ |
হাঁকিয়ে নেয়া |
سَاقَ-يَسُوقُ |
|
প্রসব বেদনা তাঁকে এক খেজুর বৃক্ষ-মূলে আশ্রয় নিতে বাধ্য করল। (১৯-২৩) |
فَأَجَاءَهَا الْمَخَاضُ إِلَىٰ جِذْعِ النَّخْلَةِ |
নিয়ে আসা, সমাগত করা, উপনিত করা, আনা |
أَجَاءَ-يُجِيءُ |
|
আল্লাহ মেঘমালাকে সঞ্চালিত করেন (২৪-৪৩) |
أَنَّ اللَّهَ يُزْجِي سَحَابًا |
সঞ্চালিত করা |
زَجَا-يُزْجِي |
|
প্রত্যেক ব্যক্তি আগমন করবে। তার সাথে থাকবে চালক ও কর্মের সাক্ষী। (৫০-২১) |
وَجَاءَتْ كُلُّ نَفْسٍ مَّعَهَا سَائِقٌ وَشَهِيدٌ |
চালক, তাড়নাকারী, বিতাড়ক |
سَائِقٌ |
|
সেদিন,আপনার পালনকর্তার নিকট সবকিছু নীত হবে। (৭৫-৩০) |
إِلَىٰ رَبِّكَ يَوْمَئِذٍ الْمَسَاقُ |
চালনার গন্তব্য, তাড়িয়ে নেওয়ার স্থান |
مَسَاقٌ |
|
হে আমার পালনকর্তা, তুমি আমাকে সামর্থ্য দাও, যাতে আমি তোমার নিয়ামতের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারি। (২৭-১৯) |
رَبِّ أَوْزِعْنِي أَنْ أَشْكُرَ نِعْمَتَكَ |
শক্তি যোগানো, নিয়ন্ত্রণ করা, তাওফিক দেওয়া |
أَوْزَعَ |
|
তোমরা কি আশ্চর্যবোধ করছ। (৭-৬৩) |
أَوَعَجِبْتُمْ |
আশ্চর্যান্বিত হওয়া |
عَجِبَ-يَعْجَبُ |
|
অতঃপর হয়ে যাবে তোমরা বিস্ময়াবিষ্ট। (৫৬-৬৫) |
فَظَلْتُمْ تَفَكَّهُونَ |
প্রলাপ বকা, বিস্ময়াবিষ্ট হওয়া, |
تَفَكَّهَ-يَتَفَكَّهُ |
|
আমরা বিস্ময়কর কোরআন শ্রবণ করেছি। (৭২-১) |
إِنَّا سَمِعْنَا قُرْآنًا عَجَبًا |
বিস্ময়কর, আশ্চর্যজনক, |
عَجَبٌ |
|
এতো ভারী আশ্চর্য কথা। (১১-৭২) |
إِنَّ هَٰذَا لَشَيْءٌ عَجِيبٌ |
বিস্ময়কর, আশ্চর্যজনক, |
عَجِيبٌ |
|
নিশ্চয় এটা এক বিস্ময়কর ব্যাপার। (৩৮-৫) |
إِنَّ هَٰذَا لَشَيْءٌ عُجَابٌ |
বিস্ময়কর, আশ্চর্যজনক, |
عجَابٌ |
|
|
|
বেশি, বলিষ্ঠ |
بَصْطَةٌ |
|
তোমাদেরকে পৃথিবীতে ঠিকানা দিয়েছেন। (৭-৭৪) |
وَبَوَّأَكُمْ فِي الْأَرْضِ |
বাসস্থান দেয়া, আশ্রয় দেয়া |
بَوَّأَ-يُبَوِّئُ |
|
হে আমাদের পালনকর্তা, আমি নিজের এক সন্তানকে তোমার পবিত্র গৃহের সন্নিকটে চাষাবাদহীন উপত্যকায় আবাদ করেছি। (১৪-৩৭) |
رَّبَّنَا إِنِّي أَسْكَنتُ مِن ذُرِّيَّتِي بِوَادٍ غَيْرِ ذِي زَرْعٍ عِندَ بَيْتِكَ الْمُحَرَّمِ |
বসবাস করানো, অধ্যুষিত করা, |
أَسْكَنَ-يُسْكِنُ |
|
তন্মধ্যে তোমাদেরকে বসতি দান করেছেন। (১১-৬১) |
وَاسْتَعْمَرَكُمْ فِيهَا |
আবাদ করানো, বসবাস করানো, |
اِسْتَعْمَرَ-يَسْتَعْمِرُ |
|
অতঃপর সে বনী ইসরাঈলকে দেশ থেকে উৎখাত করতে চাইল। (১৭-১০৩) |
فَأَرَادَ أَن يَسْتَفِزَّهُم مِّنَ الْأَرْضِ |
উৎখাত করা |
اِسْتَفَزَّ-يَسْتَفِزُّ |
|
তোমরা নরম মাটিতে অট্টালিকা নির্মান কর। (৭-৭৪) |
تَتَّخِذُونَ مِن سُهُولِهَا قُصُورًا |
সমতল |
سَهْلٌ ج سُهُولٌ |
|
তখনই তারা ময়দানে আবির্ভূত হবে। (৭৯-১৪) |
فَإِذَا هُم بِالسَّاهِرَةِ |
সমতল ময়দান, সরলপ্রান্তর |
سَاهِرَةٌ |
|
অতঃপর পৃথিবীকে মসৃণ সমতলভূমি করে ছাড়বেন। (২০-১০৪) |
فَيَذَرُهَا قَاعًا صَفْصَفًا |
মরুভূমি, সমভূমি, সমতলভূমি, |
قَاعٌ |
|
এবং পর্বত গাত্র খনন করে প্রকোষ্ঠ নির্মাণ কর। (৭-৭৪) |
وَتَنْحِتُونَ الْجِبَالَ بُيُوتًا |
প্রাসাদ |
قَصْرٌ ج قُصُورٌ |
|
তাকে বলা হল,এই প্রাসাদে প্রবেশ কর। (২৭-৪৪) |
قِيلَ لَهَا ادْخُلِي الصَّرْحَ |
রাজপ্রাসাদ, অট্টালিকা, |
صَرْحٌ |
|
এবং বড় বড় প্রাসাদ নির্মাণ করছ। (২৬-১২৯) |
وَتَتَّخِذُونَ مَصَانِعَ |
কারখানা, সুরক্ষিত দূর্গ, দুর্ভেদ্য দূর্গ |
مَصْنَعٌ ج مَصَانٍعُ |
|
এবং পর্বত গাত্র খনন করে প্রকোষ্ঠ নির্মাণ কর। (৭-৭৪) |
وَتَنْحِتُونَ الْجِبَالَ بُيُوتًا |
খোদাই করা |
نَحَتَ-يَنْحِتُ |
|
এবং সামুদ গোত্রের সাথে, যারা উপত্যকায় পাথর কেটে গৃহ নির্মাণ করেছিল। (৮৯-৯) |
وَثَمُودَ الَّذِينَ جَابُوا الصَّخْرَ بِالْوَادِ |
কেটে মসৃণ করা, কাটা |
جَابَ-يَجُوبُ |
|
অতঃপর তারা উষ্ট্রীকে হত্যা করল। (৭-৭৭) |
فَعَقَرُوا النَّاقَةَ |
হত্যা করা, পায়ের রগ কেটে দেয়া, |
عَقَرَ-يَعْقِرُ |
|
নিয়ে এস যদ্দ্বারা আমাদেরকে ভয় দেখাতে। (৭-৭৭) |
ائْتِنَا بِمَا تَعِدُنَا |
হুমকি দেয়া |
أَوْعَدَ-يُوْعِدُ |
|
এবং বলেছিলঃ এ তো উম্মাদ। তাঁরা তাকে হুমকি প্রদর্শন করেছিল। (৫৪-৯) |
وَقَالُوا مَجْنُونٌ وَازْدُجِرَ |
ধমক দেওয়া, ধমকি দেওয়া, ঝাড়ি মারা |
ازْدَجَرَ-يَزْدَجِرُ |
|
এটা ঐ ব্যক্তি পায়, যে আমার সামনে দন্ডায়মান হওয়াকে এবং আমার আযাবের ওয়াদাকে ভয় করে। (১৪-১৪) |
ذَٰلِكَ لِمَنْ خَافَ مَقَامِي وَخَافَ وَعِيدِ |
শাস্তির প্রতিশ্রুতি, প্রতিশ্রুতশাস্তি, হুমকি, ভীতিপ্রদর্শন |
وَعِيدٌ |
|
যাতে সাবধানবাণী রয়েছে। (৫৪-৪) |
مَا فِيهِ مُزْدَجَرٌ |
ধমক, ধমকি, তিরস্কার, উপদেশ |
مُزْدَجَرٌ |
|
এবং তাৎক্ষণাৎ তা জলজ্যান্ত এক অজগরে রূপান্তরিত হয়ে গেল। (৭-১০৭) |
فَإِذَا هِيَ ثُعْبَانٌ مُّبِينٌ |
সাপ, অজগর |
ثُعْبَانٌ |
|
অতঃপর তিনি তা নিক্ষেপ করলেন, অমনি তা সাপ হয়ে ছুটাছুটি করতে লাগল। (২০-২০) |
فَأَلْقَاهَا فَإِذَا هِيَ حَيَّةٌ تَسْعَىٰ |
সাপ, সর্প, ফণী, নাগ, বিষধর, ফণাকার |
حَيَّةٌ |
|
এবং তা সঙ্গে সঙ্গে দর্শকদের চোখে ধবধবে উজ্জ্বল দেখাতে লাগল। (৭-১০৮) |
فَإِذَا هِيَ بَيْضَاءُ لِلنَّاظِرِينَ |
দর্শক |
نَاظِرٌ (نَاظِرَةٌ) ج نَاظِرُونَ |
|
অতএব সঙ্গে সঙ্গে তা সে সমুদয়কে গিলতে লাগল, যা তারা বানিয়েছিল যাদু বলে। (৭-১১৭) |
فَإِذَا هِيَ تَلْقَفُ مَا يَأْفِكُونَ |
গিলে ফেলা |
لَقِفَ-يَلْقَفُ |
|
হে পৃথিবী! তোমার পানি গিলে ফেল। (১১-৪৪) |
يَا أَرْضُ ابْلَعِي مَاءَكِ |
শোষণ করা, চুষে নেয়া |
بَلَعَ-يَبْلَعُ |
|
আর সে তা সহজে গলাধঃকরণ করতে পারবে না। (১৪-১৭) |
وَلَا يَكَادُ يُسِيغُهُ |
গিলা, গিলে ফেলা, |
أَسَاغَ-يُسِيغُ |
|
তখন একটি মাছ তাঁকে মুখে তুলে নিল, যদিও তিনি দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন। (৩৭-১৪২) |
فَالْتَقَمَهُ الْحُوتُ وَهُوَ مُلِيمٌ |
গিলা, গিলে ফেলা, গ্রাস করা, |
اِلْتَقَمَ-يَلْتَقِمُ |
|
হে আমাদের পরওয়ারদেগার আমাদের জন্য ধৈর্য্যের দ্বার খুলে দাও। (৭-১২৬) |
رَبَّنَا أَفْرِغْ عَلَيْنَا صَبْرًا وَتَوَفَّنَا مُسْلِمِينَ |
খুলে দেয়া, দান করা, অভিষিক্ত করা |
أَفْرَغَ-يُفْرِغُ |
|
আর যদি অকল্যাণ এসে উপস্থিত হয় তবে তাতে মূসার এবং তাঁর সঙ্গীদের অলক্ষণ বলে অভিহিত করে। (৭-১৩১) |
وَإِن تُصِبْهُمْ سَيِّئَةٌ يَطَّيَّرُوا بِمُوسَىٰ وَمَن مَّعَهُ |
অলুক্ষণে ভাবা |
اِطَّيَّرَ-يَطَّيِّرُ |
|
তারা বললে,তোমাদের থেকে আমরা অবশ্যই অমঙ্গল আশঙ্কা করি। (৩৬-১৮) |
قَالُوا إِنَّا تَطَيَّرْنَا بِكُمْ |
অশুভ লক্ষণ ভাবা, অলক্ষ্মী মনে করা, অলক্ষ্মুণে ভাবা |
تَطَيَّرَ-يَتَطَيَّرُ |
|
সুতরাং আমি তাদের উপর পাঠিয়ে দিলাম তুফান। (৭-১৩৩) |
فَأَرْسَلْنَا عَلَيْهِمُ الطُّوفَانَ |
প্লাবন |
طُوفَانٌ |
|
তাই আমরা তাদের উপরে পাঠিয়েছিলাম আল্-আরিমের বন্যা। (৩৪-১৬) |
فَأَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ سَيْلَ الْعَرِمِ |
প্রবাহ, শ্রোত, বন্যা |
سَيْلٌ |
|
সুতরাং আমি তাদের উপর পাঠিয়ে দিলাম তুফান, পঙ্গপাল, উকুন, ব্যাঙ। (৭-১৩৩) |
فَأَرْسَلْنَا عَلَيْهِمُ الطُّوفَانَ وَالْجَرَادَ وَالْقُمَّلَ وَالضَّفَادِعَ |
পঙ্গপাল, টিড্ডি, পতঙ্গ |
جَرَادَةٌ ج جَرَادٌ |
|
সুতরাং আমি তাদের উপর পাঠিয়ে দিলাম তুফান, পঙ্গপাল, উকুন, ব্যাঙ। (৭-১৩৩) |
فَأَرْسَلْنَا عَلَيْهِمُ الطُّوفَانَ وَالْجَرَادَ وَالْقُمَّلَ وَالضَّفَادِعَ |
উকুন |
قُمَّلَةٌ ج قُمَّلٌ |
|
সুতরাং আমি তাদের উপর পাঠিয়ে দিলাম তুফান, পঙ্গপাল, উকুন, ব্যাঙ। (৭-১৩৩) |
فَأَرْسَلْنَا عَلَيْهِمُ الطُّوفَانَ وَالْجَرَادَ وَالْقُمَّلَ وَالضَّفَادِعَ |
ব্যাঙ |
ضَفَادِعُ |
|
আর যে- সব তারা বানিয়েছিল। (৭-১৩৭) |
وَمَا كَانُوا يَعْرِشُونَ |
নির্মাণ করা |
عَرشَ-يَعْرِشُ |
|
হে হামান! আমার জন্য একটি মিনার তৈরি কর। (৪০-৩৬) |
يَا هَامَانُ ابْنِ لِي صَرْحًا |
বানানো, নির্মাণ করা, তৈরি করা |
بَنَى-يَبْنِي |
|
আর আমরা তাঁকে শিখিয়েছিলাম তোমাদের জন্য বর্ম তৈরি করতে। (২১-৮০) |
وَعَلَّمْنَاهُ صَنْعَةَ لَبُوسٍ لَّكُمْ |
নির্মাণ, শিল্প, কারিগরি, দক্ষতা |
صَنْعَةٌ |
|
তাদের জন্য রয়েছে উঁচু আবাসস্থল, তাদের উপরে উঁচু আবাসস্থল সুপ্রতিষ্ঠিত। (৩৯-২০) |
لَهُمْ غُرَفٌ مِّن فَوْقِهَا غُرَفٌ مَّبْنِيَّةٌ |
নির্মিত, স্থাপিত |
مَبْنِيَةٌ |
|
এরা যে, কাজে নিয়োজিত রয়েছে তা নিশ্চয়ই ধ্বংস হবে। (৭-১৩৯) |
إِنَّ هَٰؤُلَاءِ مُتَبَّرٌ مَّا هُمْ فِيهِ |
ধ্বংসপ্রাপ্ত, চুরমার, বিধস্ত, বিলীন |
مُتَبَّرٌ |
|
হে ফেরাউন,আমার ধারণায় তুমি ধ্বংস হতে চলেছো। (১৭-১০২) |
وَإِنِّي لَأَظُنُّكَ يَا فِرْعَوْنُ مَثْبُورًا |
ধ্বংসপ্রাপ্ত, চুরমার, বিধস্ত, বিলীন |
مَثْبُورٌ |
|
ফলে তারা ধ্বংস প্রাপ্ত হল। (২৩-৪৮) |
فَكَانُوا مِنَ الْمُهْلَكِينَ |
ধ্বংসপ্রাপ্ত, ধ্বংসকৃত, |
مُهْلَكٌ ج مُهْلَكُونَ |
|
আপনার পালনকর্তা জনপদসমূহকে ধ্বংস করেন না। (২৮-৫৯) |
وَمَا كَانَ رَبُّكَ مُهْلِكَ الْقُرَىٰ |
ধ্বংসকারী |
مُهْلِكٌ ج مُهْلِكُونَ |
|
সেটি যদি স্বস্থানে দঁড়িয়ে থাকে তবে তুমিও আমাকে দেখতে পাবে। (৭-১৪৩) |
فَإِنِ اسْتَقَرَّ مَكَانَهُ فَسَوْفَ تَرَانِي |
স্থির থাকা |
اِسْتَقَرَّ-يَسْتَقِرُّ |
|
অতঃপর সুলায়মান যখন তা সামনে রক্ষিত দেখলেন। (২৭-৪০) |
فَلَمَّا رَآهُ مُسْتَقِرًّا عِندَهُ |
অবস্থানকারী, স্থির, সুস্থির, |
مُسْتَقِرٌّ |
|
তারপর যখন তার পরওয়ারদগার পাহাড়ের উপর আপন জ্যোতির বিকিরণ ঘটালেন। (৭-১৪৩) |
فَلَمَّا تَجَلَّىٰ رَبُّهُ لِلْجَبَلِ |
বিচ্ছুরণ ঘটানো, বিকিরণ করা |
تَجَلَّى |
|
সেটিকে বিধ্বস্ত করে দিলেন। (৭-১৪৩) |
جَعَلَهُ دَكًّا |
চূর্ণ-বিচূর্ণ |
دَكٌّ، دَكَّةٌ، دَكَّاءٌ (دَكَّ) |
|
এবং পর্বতমালা ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যাবে। (৫৬-৫) |
وَبُسَّتِ الْجِبَالُ بَسًّا |
চুরমার করা, চূর্ণবিচূর্ণ করা |
بَسٌّ-يَبُسُّ (بَسَّ) |
|
অন্যথায় সুলায়মান ও তার বাহিনী তোমাদেরকে পিষ্ট করে ফেলবে। (২৭-১৮) |
لَا يَحْطِمَنَّكُمْ سُلَيْمَانُ وَجُنُودُهُ |
পিষ্ট, নিষ্পেষিত, গুঁড়ো, চূর্ণবিচূর্ণ |
حَطْمَةٌ، حُطَامٌ (حَطَمَ-يَحْطِمُ) |
|
এবং পর্বতমালা চূর্ণ-বিচুর্ণ হবে। (১৯-৯০) |
وَتَخِرُّ الْجِبَالُ هَدًّا |
ভেঙে পড়া, ভূমিস্মাৎ হওয়া |
هَدٌّ |
|
যখন আমরা অস্থিতে পরিণত ও চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে যাব, তখনও কি উত্থিত হব? (১৭-৪৯) |
أَإِذَا كُنَّا عِظَامًا وَرُفَاتًا أَإِنَّا لَمَبْعُوثُونَ |
চূর্ণবিচূর্ণ, গুড়াগুড়া |
رُفَاتٌ |
|
অতঃপর (সত্য মিথ্যার মস্তক) চুর্ণ-বিচূর্ণ করে দেয়, অতঃপর মিথ্যা তৎক্ষণাৎ নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। (২০-১৮) |
فَيَدْمَغُهُ فَإِذَا هُوَ زَاهِقٌ |
ভীষণ আঘাত করা, মাথা গুড়িয়ে দেওয়া, |
دَمَغَ-يَدْمَغُ |
|
এবং মূসা অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেলেন। (৭-১৪৩) |
وَخَرَّ مُوسَىٰ صَعِقًا |
অজ্ঞান হওয়া |
صَعِقٌ (صَعِقَ-يَصْعَقُ) |
|
অতঃপর যখন তাঁর জ্ঞান ফিরে এল; বললেন,হে প্রভু! তোমার সত্তা পবিত্র, তোমার দরবারে আমি তওবা করছি। (৭-১৪৩) |
فَلَمَّا أَفَاقَ قَالَ سُبْحَانَكَ تُبْتُ إِلَيْكَ |
জ্ঞান আসা |
أَفاقَ-يُفِيقُ |
|
আর আমি তোমাকে পটে লিখে দিয়েছি। (৭-১৪৫) |
وَكَتَبْنَا لَهُ فِي الْأَلْوَاحِ |
ফলক |
لَوْحٌ ج أَلْوَاحٌ |
|
আর বানিয়ে নিল মূসার সম্প্রদায় তার অনুপস্থিতিতে নিজেদের অলংকারাদির দ্বারা একটি বাছুর। (৭-১৪৮) |
وَاتَّخَذَ قَوْمُ مُوسَىٰ مِن بَعْدِهِ مِنْ حُلِيِّهِمْ عِجْلًا |
অলঙ্কার, গহনা |
حُلِّيٌّ ج حِلْيَةٌ |
|
এবং তাদেরকে পরিধান করোনো হবে রৌপ্য নির্মিত কংকণ। (৭৬-২১) |
وَحُلُّوا أَسَاوِرَ مِن فِضَّةٍ |
অলঙ্কৃত করা, সজ্জিত করা |
حَلَّى-يُحَلِّي |
|
তা থেকে বেরুচ্ছিল ‘হাম্বা হাম্বা’ শব্দ। (৭-১৪৮) |
جَسَدًا لَّهُ خُوَارٌ |
হাম্বা রব |
خُوَارٌ |
|
তারপর যখন মূসা নিজ সম্প্রদায়ে ফিরে এলেন রাগাম্বিত ও অনুতপ্ত অবস্থায়। (৭-১৫০) |
وَلَمَّا رَجَعَ مُوسَىٰ إِلَىٰ قَوْمِهِ غَضْبَانَ أَسِفًا |
রাগান্বিত |
غَضْبَانُ |
|
যখন তিনি ক্রুদ্ধ হয়ে চলে গিয়েছিলেন। (২১-৮৭) |
إِذ ذَّهَبَ مُغَاضِبًا |
রাগান্বিত, ক্রোধান্বিত, |
مُغَاضِبٌ |
|
তারপর যখন মূসা নিজ সম্প্রদায়ে ফিরে এলেন রাগাম্বিত ও অনুতপ্ত অবস্থায়। (৭-১৫০) |
وَلَمَّا رَجَعَ مُوسَىٰ إِلَىٰ قَوْمِهِ غَضْبَانَ أَسِفًا |
মর্মাহত, অনুতপ্ত, দুঃখিত |
أَسِفٌ |
|
এবং তারা আমাদের ক্রোধের উদ্রেক করেছে।(২৬-৫৫) |
وَإِنَّهُمْ لَنَا لَغَائِظُونَ |
ক্রোধ উদ্রেককারী |
غَائِطٌ ج غَائِطُونَ |
|
এবং নিজের ভাইয়ের মাথার চুল চেপে ধরে নিজের দিকে টানতে লাগলেন। (৭-১৫০) |
وَأَخَذَ بِرَأْسِ أَخِيهِ يَجُرُّهُ إِلَيْهِ |
টেনে আনা |
جَرَّ-يَجُرُّ |
|
এবং তাদের উপর থেকে সে বোঝা নামিয়ে দেন এবং বন্দীত্ব অপসারণ করেন যা তাদের উপর বিদ্যমান ছিল। (৭-১৫৭) |
وَيَضَعُ عَنْهُمْ إِصْرَهُمْ وَالْأَغْلَالَ الَّتِي كَانَتْ عَلَيْهِمْ |
শৃঙ্খল |
غُلٌّ ج أَغْلَالٌ |
|
অতঃপর তাকে শৃঙ্খলিত কর সত্তর গজ দীর্ঘ এক শিকলে। (৬৯-৩২) |
ثُمَّ فِي سِلْسِلَةٍ ذَرْعُهَا سَبْعُونَ ذِرَاعًا فَاسْلُكُوهُ |
শিকল, শৃঙ্খল, লৌহশৃঙ্খল, জিঞ্জির |
سِلْسِلَةٌ ج سَلَاسِلُ |
|
নিশ্চয় আমার কাছে আছে শিকল ও অগ্নিকুন্ড। (৭৩-১২) |
إِنَّ لَدَيْنَا أَنكَالًا وَجَحِيمًا |
লৌহ শৃঙ্খল, শিকল, জিঞ্জীর, লৌহ বেড়ী |
نِكْلٌ ج أَنْكَالٌ |
|
তুমি ঐদিন পাপীদেরকে পরস্পরে শৃংখলা বদ্ধ দেখবে। (১৪-৪৯) |
وَتَرَى الْمُجْرِمِينَ يَوْمَئِذٍ مُّقَرَّنِينَ فِي الْأَصْفَادِ |
শিকল, জিঞ্জির, শৃঙ্খল, বেড়ী |
صَفَدٌ ج أَصْفَادٌ |
|
তুমি ঐদিন পাপীদেরকে পরস্পরে শৃংখলা বদ্ধ দেখবে। (১৪-৪৯) |
وَتَرَى الْمُجْرِمِينَ يَوْمَئِذٍ مُّقَرَّنِينَ فِي الْأَصْفَادِ |
শৃঙ্খলাবদ্ধ |
مُقَرَّنٌ ج مُقَرَّنُونَ |
|
যখন আসতে লাগল মাছগুলো তাদের কাছে শনিবার দিন। (৭-১৬৩) |
إِذْ تَأْتِيهِمْ حِيتَانُهُمْ يَوْمَ سَبْتِهِمْ |
মাছ |
حُوْتٌ ج حِيْتَانٌ |
|
এবং মাছওয়ালার কথা স্মরণ করুন তিনি ক্রুদ্ধ হয়ে চলে গিয়েছিলেন। (২১-৮৭) |
وَذَا النُّونِ إِذ ذَّهَبَ مُغَاضِبًا |
মাছ, বৃহৎ মৎস |
نُوْنٌ |
|
অতঃপর সে তা পরিহার করে বেরিয়ে গেছে। (৭-১৭৫) |
فَانسَلَخَ مِنْهَا |
এড়িয়ে যাওয়া |
انْسَلَخَ-يَنْسَلِخُ |
|
এ থেকেই তুমি টালবাহানা করতে। (৫০-১৯) |
ذَٰلِكَ مَا كُنتَ مِنْهُ تَحِيدُ |
সরে পড়া, টালবাহানা করা, এড়িয়ে চলা |
حَادَ-يَحِيدُ |
|
আর পাকড়াও করলাম, গোনাহগারদেরকে নিকৃষ্ট আযাবের মাধ্যমে। (৭-১৬৫) |
وَأَخَذْنَا الَّذِينَ ظَلَمُوا بِعَذَابٍ |
প্রচণ্ড, যন্ত্রণাদায়ক |
بَئِيسٌ |
|
কিন্তু সে যে অধঃপতিত। (৭-১৭৬) |
وَلَٰكِنَّهُ أَخْلَدَ إِلَى الْأَرْضِ |
জমিন আঁকড়ে ধরা, অধোমুখী হওয়া, চিরকাল রাখা |
أَخْلَدَ-يُخْلِدُ |
|
সুতরাং তার অবস্থা হল কুকুরের মত। (৭-১৭৬) |
فَمَثَلُهُ كَمَثَلِ الْكَلْبِ |
কুকুর |
كَلْبٌ |
|
যদি তাকে তাড়া কর তবুও হাঁপাবে আর যদি ছেড়ে দাও তবুও হাঁপাবে। (৭-১৭৬) |
إِن تَحْمِلْ عَلَيْهِ يَلْهَثْ أَوْ تَتْرُكْهُ يَلْهَث |
হাঁপানো |
لَهثَ-يَلْهَثُ |
|
শপথ উর্ধ্বশ্বাসে চলমান অশ্বসমূহের। (১০০-১) |
وَالْعَادِيَاتِ ضَبْحًا |
চালানো, হাঁকানো, সশব্দে উর্ধশ্বাসে চলা |
ضَبْحٌ |
|
বস্তুতঃ যারা মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে আমার আয়াতসমূহকে, আমি তাদেরকে ক্রমান্বয়ে পাকড়াও করব। (৭-১৮২) |
وَالَّذِينَ كَذَّبُوا بِآيَاتِنَا سَنَسْتَدْرِجُهُم |
ক্রমান্বয়ে ঘটানো |
اِسْتَدْرَجَ-يَسْتَدْرِجُ |
|
আপনাকে জিজ্ঞেস করে, কেয়ামত কখন অনুষ্ঠিত হবে?(৭-১৮৭) |
يَسْأَلُونَكَ عَنِ السَّاعَةِ أَيَّانَ مُرْسَاهَا |
সংঘটনের সময়, স্থিতি |
مُرْسَى |
|
আপনাকে জিজ্ঞেস করতে থাকে, যেন আপনি তার অনুসন্ধানে লেগে আছেন। (৭-১৮৭) |
يَسْأَلُونَكَ كَأَنَّكَ حَفِيٌّ عَنْهَا |
উৎসুক, অনুসন্ধানী, স্নেহশীল, নমনীয় |
حَفِيٌّ |
|
তাদের সঙ্গী লোকটির মস্তিষ্কে কোন বিকৃতি নেই। (৭-১৮৪) |
مَا بِصَاحِبِهِم مِّن جِنَّةٍ |
উন্মাদনা, মস্তিষ্ক বিকৃতি |
جِنَّهٌ |
|
তবে তো আমরা বিপথগামী ও বিকার গ্রস্থরূপে গণ্য হব। (৫৪-২৪) |
إِنَّا إِذًا لَّفِي ضَلَالٍ وَسُعُرٍ |
মাথার গরমি, পাগলামি, উন্মত্ততা, বাতুলতা |
سُعُرٌ |
|
তোমাদের প্রতি প্রেরিত তোমাদের রসূলটি নিশ্চয়ই বদ্ধ পাগল। (২৬-২৭) |
إِنَّ رَسُولَكُمُ الَّذِي أُرْسِلَ إِلَيْكُمْ لَمَجْنُونٌ |
উন্মাদ, পাগল |
مَجْنُونٌ |
|
কে তোমাদের মধ্যে বিকারগ্রস্ত। (৬৮-৬) |
بِأَييِّكُمُ الْمَفْتُونُ |
বিপদগ্রস্ত, ফেতনাপূর্ণ, পাগল, |
مَفْتُونٌ |
|
আর আমি যদি গায়বের কথা জেনে নিতে পারতাম, তাহলে বহু মঙ্গল অর্জন করে নিতে পারতাম। (৭-১৮৮) |
وَلَوْ كُنتُ أَعْلَمُ الْغَيْبَ لَاسْتَكْثَرْتُ مِنَ الْخَيْرِ |
বাড়িয়ে নেয়া |
اسْتَكْثَرَ-يَسْتَكْثِرُ |
|
প্রাচুর্যের লালসা তোমাদেরকে গাফেল রাখে। (১০২-১) |
أَلْهَاكُمُ التَّكَاثُرُ |
প্রাচুর্য, আধিক্য, সম্পদের মোহ, ধনসম্পদ, ধনবর্ধন |
تَكَاثُرٌ |
|
তাদেরকে আহবান জানানো কিংবা নীরব থাকা উভয়টিই তোমাদের জন্য সমান। (৭-১৯৩) |
سَوَاءٌ عَلَيْكُمْ أَدَعَوْتُمُوهُمْ أَمْ أَنتُمْ صَامِتُونَ |
নীরব |
صَامِتٌ ج صَامِتُونَ |
|
অতঃপর পুরুষ যখন নারীকে আবৃত করল,তখন,সে গর্ভবতী হল। (৭-১৮৯) |
فَلَمَّا تَغَشَّاهَا حَمَلَتْ |
গর্ভস্থ সন্তান, গর্ভ |
حَمْلٌ ج أَحْمَالٌ |
|
অতঃপর তাতে কোন কমতি করে না। (৭-২০২) |
ثُمَّ لَا يُقْصِرُونَ |
কমতি করা, ত্রুটি করা |
أَقْصَرَ-يُقْصِرُ |
|
এটা ভাববার বিষয় তোমাদের পরওয়ারদেগারের পক্ষ থেকে। (৭-২০৩) |
هَٰذَا بَصَائِرُ مِن رَّبِّكُمْ |
সাক্ষ্য, দৃশ্যমান প্রমাণ, দৃষ্টিশক্তি, সুস্পষ্ট উপদেশ |
بَصِيرَةٌ ج بَصَائِرُ |
|
এটা জ্ঞান আহরণ ও স্মরণ করার মত ব্যাপার প্রত্যেক অনুরাগী বান্দার জন্যে।(৫০-৮) |
تَبْصِرَةً وَذِكْرَىٰ لِكُلِّ عَبْدٍ مُّنِيبٍ |
|
تَبْصِرَةٌ |
কোর্স বিষয়বস্তু