সালিম ক্রিয়ার কর্মবাচ্য রূপ اَلْفِعْلُ الْمَجْهُوْلُ

 

 

অতীত কালের ক্রিয়ার কর্মবাচ্যে    عকালিমায় যের এবং   ل কালিমায়  যবর বসে (ইলা)এর পূর্বে যেকোন অক্ষরে “পেশ” বসবে যদি তাতে সুকুন না থাকে।

অতীতকাল

কর্মবাচ্য ক্রিয়া

কর্তৃবাচ্য ক্রিয়া

সে কৃত হল

فُعِلَ

فَعَلَ

তাকে সাহায্য করা হল

نُصِرَ

نَصَرَ

তাকে শোনানো হল

سُمِعَ

سَمِعَ

সে অবতীর্ন হল 

أُنْزِلَ

أَنْزَلَ

সে অবতীর্ন হল 

نُزِّلَ

نَزَّلَ

সে ব্যবহৃত হল

اُسْتُخْدِمَ

اِسْتَخْدَمَ

সে ব্যবহৃত হল

اُسْتُعْمِلَ

اِسْتَعْمَلَ

তাকে ডাকা হল

نُوْدِيَ

نَادَى

 

أَنْزَلَ ، ، نَزَّلَ   إِسْتَخْدَمَ ، نَادَى  ইত্যাদি যেগুলো তিন অক্ষরের বেশি সেগুলোকে বলা হয় মাজিদ ক্রিয়া।   বিস্তারিত আমরা অধ্যায়-২৫ এ দেখব ইং শা~ আল্লাহ।

বর্তমান কালের ক্রিয়ার কর্মবাচ্যে  ع কালিমায় যবর  ل কালিমায়  পেশ বসে (আলু)। এর পুর্বে হারফু মুদারিয়া বাদে যেকোন অক্ষরে “যবর” বসবে যদি তাতে সুকুন না থাকে। মাদি ও মুদারী উভয় ক্ষেত্রে প্রথম অক্ষরে পেশ হবে।

বর্তমান/ভবিষ্যৎ

কর্মবাচ্য ক্রিয়া

কর্তৃবাচ্য ক্রিয়া

তাকে সাহায্য করা হয়/হবে

يُنْصَرُ

يَنْصُرُ

তাকে প্রহার করা হয়/হবে

يُضْرَبُ

يَضْرِبُ

তাকে অবতীর্ণ করা হয়/ হবে

يُنْزَلُ

يَنْزِلُ

তাকে অবতীর্ণ করা হয়/ হবে

يُنَزَّلُ

يُنَزِّلُ

তাকে ব্যবহার করা হয়/ হবে

يُسْتَعْمَلُ

يَسْتَعْمِلُ

 

** উল্লেখ্য কর্মবাচ্য ক্রিয়াগুলো মাবনী।

 

কর্তার সাথে কর্মবাচ্যের ক্রিয়ার রূপ পরিবর্তনঃ

অতীতকালের ক্রিয়া

نُصِرُوْا

نُصِرَا

نُصِرَ

نُصِرْنَ

نُصِرَتَا

نُصِرَتْ

نُصِرْتُمْ

نُصِرْتُمَا

نُصِرْتَ

نُصِرْتُنَّ

نُصِرْتُمَا

نُصِرْتِ

نُصِرْنَا

 

نُصِرْتُ

 

বর্তমানকালের ক্রিয়া

يُنْصَرُوْنَ

يُنْصَرَانِ

يُنْصَرُ

يُنْصَرْنَ

تُنْصَرَانِ

تُنْصَرُ

تُنْصَرُوْنَ

تُنْصَرَانِ

تُنْصَرُ

تُنْصَرْنَ

تُنْصَرَانِ

تُنْصَرِيْنَ

نُنْصَرُ

 

أُنْصَرُ

 

কর্মবাচ্য ক্রিয়ার কিছু উদাহরণ

মানুষ সৃষ্টি হয়েছিল মাটি থেকে

خُلِقَ الْإنْسَانُ مِنْ طِيْنٍ

কোন বছরে তুমি জন্মেছিলে?

فِيْ اَيِّ عَامٍ وُلِدْتَ؟

তিনি কাউকে জন্ম দেননি তাকেও কেউ জন্ম দেননি

لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُوْلَدْ.

আমিনা কি নিয়ে জিজ্ঞাসিত হয়েছিল?

عَمَّ سُئِلَتْ اَمِنَةُ؟

মানুষ কি মনে করেছে “আমরা ঈমান এনেছি” এ কথা বললেই তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে অথচ তাদের পরীক্ষা করা হবে না?

أَحَسِبَ النَّاسُ أَن يُتْرَكُوا أَن يَقُولُوا آمَنَّا وَهُمْ لَا يُفْتَنُونَ

জান্নাতকে ঘিরে রাখা হয়ছে অপছন্দনীয় দ্বারা আর জাহান্নামকে ঘিরে রাখা হয়েছে পছন্দনীয় দ্বারা

حُفَّتِ الْجَنَّةُ بِالْمَكَارِهِ وَحُفَّتِ النَّارُ بِالشَّهَوَاتِ

নিশ্চয়ই যখন রুহ কবয করা হয় দৃষ্টি তার অনুসরণ করে

إنَّ الرُّوحَ إذاَ قُبِضَ تَبِعَهُ الْبَصَرُ

 

কর্তৃবাচক ক্রিয়া থেকে কর্মবচক ক্রিয়ায় রুপান্তরঃ

কর্তৃবাচক ক্রিয়া থেকে কর্মবাচক ক্রিয়ায় রুপান্তর করা হলে ফায়িল বিলুপ্ত হয় এবং এর মাফুলুন বিহি নায়েবে ফায়িলে পরিনত হয়। اَلْفِعْلُ الْمَجْهُوْلُ যার উপর আপতিত হয় তাকে বলা হয়  نَائِبُ الفَاعِلِ যা সর্বদা মারফু।  যেমনঃ

نَائِبُ الفَاعِلِ

اَلْفِعْلُ الْمَجْهُوْلُ

কর্মবাচক

اَلْفِعْلُ الْمَعْلُومُ

কতৃবাচক

الْإنْسَانُ

خُلِقَ الْإنْسَانُ مِنْ طِيْنٍ

خَلَقَ اللهُ الْإنْسَانَ مِنْ طِيْنٍ

الدَّرْسُ

يُشْرَحُ الدَّرْسُ مَرَّتَيْنِ

يَشْرَحُ الْمُدَرِّسُ الدَّرْسَ مَرَّتَيْنِ

الْمَسِيْحُ

مَا صُلِبَ الْمَسِيْحُ

مَا صَلَبَ اليَهُوْدُ الْمَسِيْحَ

القَهْوَةُ

صُبَّ القَهْوَةُ فِي الفَنَاجِيْنِ

صَبَّ الرَّجُلُ القَهْوَةَ فِي الفَنَاجِيْنِ

 

যদি মাফউলুন বিহি সর্বনাম হয় তাহলে نَائِبُ الفَاعِلِ সর্বনামের মারফু অবস্থায় আসবে।

نَائِبُ الفَاعِلِ

اَلْفِعْلُ الْمَجْهُوْلُ

কর্মবাচক

اَلْفِعْلُ الْمَعْلُومُ

কতৃবাচক

تَ

عَمَّ سُئِلْتَ؟

عَمَّ سَأَلَكَ الْمُدِيْرُ؟

وْ

قُتِلُوا بِالْمُسَدَّسِ

قَتَلَهُم الْمُجْرِمُ بِالْمُسَدَّسِ

وْ

لَا يُسْأَلُونَ عَنْ سَبَبِ

لَا يَسْأَلُهُم أحَدٌ عَنْ سَبَبِ

نَا

ضُرِبْنَا بِا لْعَصَا

ضَرَبَنَا الرَّجُلُ بِا لْعَصَا

 

একধিক কর্ম থাকলে প্রথম মাফুলুন বিহি নায়িবু ফায়িল হিসেবে মারফু হবে আর দ্বিতীয়টি মানসুব থাকবে। যেমন,

পাসকৃতকে পুরুস্কার দেওয়া হয়েছিলো

أُعْطِيَ النَّاجِحُ جَائِزَةً