الْأَجْوَفُ বা আজওয়াফ ক্রিয়া

الْأَجْوَفُ ক্রিয়ার ع কালিমা দুর্বল।  অর্থাৎ দ্বিতীয় বর্ণ  و  বা ي  হয়লিখিত রূপে و এবং ي  কে  ا (আলিফ) দ্বারা পরিবর্তন করা হয়। যেমনঃ

خَافَ (خَوِفَ)

نَامَ (نَوِمَ)

سَارَ (سَيَرَ)

قَالَ (قَوَلَ)

সে ভয় পেল

সে ঘুমালো

সে হাটলো

সে বলল

 

এখানে তাঁর ১৪ টি গঠন দেখি,

الْمَاضِي  অতীত কালের ক্রিয়া

বহুবচন

দ্বিবচন

একবচন

 

جَاؤُوْا

جَاءَا

جَاءَ

পুং

جِئْنَ *  

جَاءَتَا

جَاءَتْ

স্ত্রী

جِئْتُمْ

جِئْتُمَا

جِئْتَ

পুং

جِئْتُنَّ

جِئْتُمَا

جِئْتِ

স্ত্রী

جِئْنَا

 

جِئْتُ

উভয়

 

*মূলত এটা ছিল  جَاْئْنَ দুই সুকুনের মিলন রোধে দুর্বলটা বাদ দেওয়া হয়েছে।  আর বাব  نَصَرَ     হলে ف  কালিমায় পেশ, নইলে যের।

 

الْمَاضِي অতীত কালের ক্রিয়া

বহুবচন

দ্বিবচন

একবচন

 

قَالُوْا

قَالاَ

قَالَ

পুং

قُلْنَ *

قَالَتَا

قَالَتْ

স্ত্রী

قُلْتُمْ

قُلْتُمَا

قُلْتَ

পুং

قُلْتُنَّ

قُلْتُمَا

قُلْتِ

স্ত্রী

قُلْنَا

 

قُلْتُ

উভয়

 

*মূলত এটা ছিল قَاْلْنَ দুই সুকুনের মিলন রোধে দুর্বলটা বাদ দেওয়া হয়েছে। আর বাব  نَصَرَ হলে  ف    কালিমায় পেশ, নইলে যের।

 

الْمَاضِي অতীত কালের ক্রিয়া

বহুবচন

দ্বিবচন

একবচন

 

نَامُوْا

نَامَا

نَامَ

পুং

نِمْنَ *

نَامَتَا

نَامَتْ

স্ত্রী

نِمْتُمْ

نِمْتُمَا

نِمْتَ

পুং

نِمْتُنَّ

نِمْتُمَا

نِمْتِ

স্ত্রী

نِمْنَا

 

نِمْتُ

উভয়

 

*মূলত এটা ছিল  نَاْمْنَ দুই সুকুনের মিলন রোধে দুর্বলটা বাদ দেওয়া হয়েছে।  আর বাব  نَصَرَ হলে ف   কালিমায় পেশ, নইলে যের।

 

الْمَاضِي  অতীত কালের ক্রিয়া

বহুবচন

দ্বিবচন

একবচন

 

بَاعُوْا

بَاعَا

بَاعَ

পুং

بِعْنَ  

بَاعَتَا

بَاعَتْ

স্ত্রী

بِعْتُمْ

بِعْتُمَا  

بِعْتَ  

পুং

بِعْتُنَّ

بِعْتُمَا  

بِعْتِ  

স্ত্রী

بِعْنَا

 

بِعْتُ  

উভয়

 

নিচে এর অতীত কাল থেকে বর্তমান কালে পরিবর্তন দেখি,

الْمُضَارِعُ

<< পরিবর্তন <<

الْمَاضِي

يَقْوُلُ > يَقُوْلُ

يَخْاَفُ > يَخَافُ

يَسْيِرُ > يَسِيْرُ

উচ্চারণের সুবিধার জন্য সুকুন হারাকাত তাদের অবস্থানের বদল করবে

قَالَ (قَوَلَ)

خَافَ (خَوِفَ)

سَارَ (سَيَرَ)

 

الْمُضَارِعُ  বর্তমান কালের ক্রিয়া

বহুবচন

দ্বিবচন

একবচন

 

يَجِيْئُوْنَ

يَجِيْئَانِ

يَجِيْءُ

পুং

يَجِئْنَ

تَجِيْئَانِ

تَجِيْءُ

স্ত্রী

تَجِيْئُوْنَ

تَجِيْئَانِ

تَجِيْءُ

পুং

تَجِئْنَ

تَجِيْئَانِ

تَجِيْئِيْنَ

স্ত্রী

نَجِيْءُ

 

أَجِيْءُ

উভয়

 

الْمُضَارِعُ   বর্তমান কালের ক্রিয়া

বহুবচন

দ্বিবচন

একবচন

 

يَقُوْلُوْنَ

يَقُوْلاَنِ

يَقُوْلُ

পুং

يَقُلْنَ

تَقُوْلاَنِ

تَقُوْلُ

স্ত্রী

تَقُوْلُوْنَ

تَقُوْلاَنِ

تَقُوْلُ

পুং

تَقُلْنَ

تَقُوْلاَنِ

تَقُوْلِيْنَ

স্ত্রী

نَقُوْلُ

 

أَقُوْلُ

উভয়

 

الْمُضَارِعُ   বর্তমান কালের ক্রিয়া

বহুবচন

দ্বিবচন

একবচন

 

يَنَامُوْنَ

يَنَامَانِ

يَنَامُ

পুং

يَنَمْنَ

تَنَامَانِ

تَنَامُ

স্ত্রী

تَنَامُوْنَ

تَنَامَانِ

تَنَامُ

পুং

تَنَمْنَ

تَنَامَانِ

تَنَامِيْنَ

স্ত্রী

نَنَامُ

 

أَنَامُ

উভয়

 

الْمُضَارِعُ   বর্তমান কালের ক্রিয়া

বহুবচন

দ্বিবচন

একবচন

 

يَبِيْعُوْنَ

يَبِيْعَانِ

يَبِيْعُ

পুং

يَبِعْنَ

تَبِيْعَانِ

تَبِيْعُ

স্ত্রী

تَبِيْعُوْنَ

تَبِيْعَانِ

تَبِيْعُ

পুং

تَبِعْنَ

تَبِيْعَانِ

تَبِيْعِيْنَ

স্ত্রী

نَبِيْعُ

 

أَبِيْعُ

উভয়

 

الْأَجْوَفُ ক্রিয়ার বর্তমান কাল থেকে আদেশবাচকে পরিবর্তনঃ

أَمْرٌ

<< পরিবর্তন <<

الْمُضَارِعُ

قُوْلْ > قُلْ

سِيْرْ > سِرْ

خَافْ > خَفْ

এক্ষেত্রে হামজাতুল ওয়াসলি আনতে হয় না যেহেতু হারফু মুদারিয়া বাদ দিলে উচ্চারনে সমস্যা হয় না। আর দুই সাকিনের মিলন রোধ করতে দুর্বল অক্ষরটি উঠে যাবে।  

تَقُوْلُ

تَسِيْرُ

تَخَافُ

 

 

أَمْرٌ  আদেশ

বহুবচন

দ্বিবচন

একবচন

 

قُوْلُوْا

قُوْلَا

قُلْ

পুং

قُلْنَ

قُوْلَا

قُوْلِيْ

স্ত্রী

نَهِيْ  নিষেধ

لَا تَقُوْلُوْا

لَا تَقُوْلَا

لَا تَقُلْ

পুং

لَا تَقُلْنَ

لَا تَقُوْلَا

لَا تَقُوْلِيْ

স্ত্রী

 

 

أَمْرٌ  আদেশ

বহুবচন

দ্বিবচন

একবচন

 

جِئُوْا

جِئَا

جِئْ

পুং

جِئْنَ

جِئَا

جِئِيْ

স্ত্রী

 

نَهِيْ  নিষেধ

لا تَجِئُوْا

لا تَجِئَا

لا تَجِئْ

পুং

لا تَجِئْنَ

لا تَجِئَا

لا تَجِئِيْ

স্ত্রী

 

আজওয়াফ ক্রিয়ার উদাহরণ

الْمَصْدَرُ

أَمْرٌ

الْمُضَارِعُ

الْمَاضِي

ক্রিয়া

تَوْبَةٌ

تُبْ

يَتُوبُ

تَابَ

তাওবা করা

ذَوْقٌ

ذُقْ

يَذُوقُ

ذَاقَ

স্বাদ নেওয়া

فَوْزٌ

فُزْ

يَفُوزُ

فَازَ

সফল হওয়া

قَوْلٌ

قُلْ

يَقُولُ

قَالَ *

বলা

قِيَامٌ، قَوْمَةٌ

قُمْ

يَقُومُ

قَامَ

দাঁড়ানো

كَوْنٌ

كُنْ

يَكُونُ

كَانَ *

হওয়া

مَوْتٌ

مُتْ

يَمُوتُ

مَاتَ

মরে যাওয়া

خَوْفٌ

خَفْ

يَخَافُ

خَافَ

ভীত হওয়া

كَوْدٌ

كَدْ

يَكَادُ

كَادَ

প্রায় হওয়া

كَيْدٌ

كِدْ

يَكِيدُ

كَادَ

কৌশল করা

زِيَادَةٌ

زِدْ

يَزِيدُ

زَادَ *

বাড়ানো

بَيْعٌ

بِعْ

يَبِيْعُ

بَاعَ

বিক্রি করা

سَيْرٌ

سِرْ

يَسِيْرُ

سَارَ

হাঁটা

عَيْشٌ

عِشْ

يَعِيْشُ

عَاشَ

বেঁচে থাকা

غِيَابٌ

غِبْ

يَغِيْبُ

غَابَ

অনুপস্থিত থাকা

عِيَاذٌ

عُذْ

يَعُوذُ

عَاذَ

আশ্রয় চাওয়া

كَيْلٌ

كِلْ

يَكِيْلُ

كَالَ

পরিমাপ করা

زِيَارَةٌ

زُرْ

يَزُوْرُ

زَارَ

পরিদর্শন করা

طَوْفٌ

طُفْ

يَطُوْفُ

طَافَ

তাওয়াফ করা

 

কুরানীয় উদাহরণঃ

তিনি বললেন, হে আদম, ফেরেশতাদেরকে বলে দাও এসবের নাম।

قَالَ يَا آدَمُ أَنبِئْهُم بِأَسْمَائِهِمْ

তারা বললঃ আল্লাহ মহান, আমরা তার সম্পর্কে মন্দ কিছু জানি না।

قُلْنَ حَاشَ لِلَّهِ مَا عَلِمْنَا عَلَيْهِ مِن سُوءٍ

তারা ইতিপূর্বে স্বাচ্ছন্দ্যশীল ছিল।

إِنَّهُمْ كَانُوا قَبْلَ ذَٰلِكَ مُتْرَفِينَ

তবে যারা তওবা করে এবং বর্ণিত তথ্যাদির সংশোধন করে মানুষের কাছে তা বর্ণনা করে দেয়, সে সমস্ত লোকের তওবা আমি কবুল করি

إِلَّا الَّذِينَ تَابُوا وَأَصْلَحُوا وَبَيَّنُوا فَأُولَٰئِكَ أَتُوبُ عَلَيْهِمْ

আমি মানুষকে তার পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহারের আদেশ দিয়েছি। তার জননী তাকে কষ্টসহকারে গর্ভে ধারণ করেছে এবং কষ্টসহকারে প্রসব করেছে।

وَوَصَّيْنَا الْإِنسَانَ بِوَالِدَيْهِ إِحْسَانًا ۖ حَمَلَتْهُ أُمُّهُ كُرْهًا وَوَضَعَتْهُ كُرْهًا ۖ

অতঃপর মূসা (আঃ) যখন সেই মেয়াদ পূর্ণ করল এবং সপরিবারে যাত্রা করল, তখন সে তুর পর্বতের দিক থেকে আগুন দেখতে পেল।

فَلَمَّا قَضَىٰ مُوسَى الْأَجَلَ وَسَارَ بِأَهْلِهِ آنَسَ مِن جَانِبِ الطُّورِ نَارًا

তারা ছিল কয়েকজন যুবক। তারা তাদের পালনকর্তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছিল এবং আমি তাদের সৎপথে চলার শক্তি বাড়িয়ে দিয়েছিলাম।

إِنَّهُمْ فِتْيَةٌ آمَنُوا بِرَبِّهِمْ وَزِدْنَاهُمْ هُدًى

অতঃপর তারা যখন বক্রতা অবলম্বন করল, তখন আল্লাহ তাদের অন্তরকে বক্র করে দিলেন।

فَلَمَّا زَاغُوا أَزَاغَ اللَّهُ قُلُوبَهُمْ

তোমাদের পুর্বে যারা কাফের ছিল, তাদের বৃত্তান্ত কি তোমাদের কাছে পৌছেনি? তারা তাদের কর্মের শাস্তি আস্বাদন করেছে,

أَلَمْ يَأْتِكُمْ نَبَأُ الَّذِينَ كَفَرُوا مِن قَبْلُ فَذَاقُوا وَبَالَ أَمْرِهِمْ

এমনকি, তোমরা কবরস্থানে পৌছে যাও।

حَتَّىٰ زُرْتُمُ الْمَقَابِرَ

যদি কেউ ওসীয়তকারীর পক্ষ থেকে আশংকা করে পক্ষপাতিত্বের অথবা কোন অপরাধমূলক সিদ্ধান্তের এবং তাদের মধ্যে মীমাংসা করে দেয়, তবে তার কোন গোনাহ হবে না।

فَمَنْ خَافَ مِن مُّوصٍ جَنَفًا أَوْ إِثْمًا فَأَصْلَحَ بَيْنَهُمْ فَلَا إِثْمَ عَلَيْهِ

অতঃপর যখন তুমি তার সম্পর্কে বিপদের আশংকা কর, তখন তাকে দরিয়ায় নিক্ষেপ কর এবং ভয় করো না, দুঃখও করো না।

فَإِذَا خِفْتِ عَلَيْهِ فَأَلْقِيهِ فِي الْيَمِّ وَلَا تَخَافِي وَلَا تَحْزَنِي ۖ

তারা বলল, এবার সঠিক তথ্য এনেছ। অতঃপর তারা সেটা জবাই করল, অথচ জবাই করবে বলে মনে হচ্ছিল না।

قَالُوا الْآنَ جِئْتَ بِالْحَقِّ ۚ فَذَبَحُوهَا وَمَا كَادُوا يَفْعَلُونَ

আমরা যখন মরে যাব, এবং মাটি ও হাড়ে পরিণত হয়ে যাব, তখনও কি আমরা পুনরুত্থিত হব?

أَإِذَا مِتْنَا وَكُنَّا تُرَابًا وَعِظَامًا أَإِنَّا لَمَبْعُوثُونَ

নিশ্চয় যারা কুফরী করে এবং কাফের অবস্থায়ই মৃত্যুবরণ করে, সে সমস্ত লোকের প্রতি আল্লাহর ফেরেশতাগনের এবং সমগ্র মানুষের লানত।

إِنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا وَمَاتُوا وَهُمْ كُفَّارٌ أُولَٰئِكَ عَلَيْهِمْ لَعْنَةُ اللَّهِ وَالْمَلَائِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ

আর যখন কোন সূরা অবতীর্ণ হয়, তখন তাদের কেউ কেউ বলে, এ সূরা তোমাদের মধ্যেকার ঈমান কতটা বৃদ্ধি করলো? অতএব যারা ঈমানদার, এ সূরা তাদের ঈমান বৃদ্ধি করেছে এবং তারা আনন্দিত হয়েছে

وَإِذَا مَا أُنزِلَتْ سُورَةٌ فَمِنْهُم مَّن يَقُولُ أَيُّكُمْ زَادَتْهُ هَٰذِهِ إِيمَانًا ۚ فَأَمَّا الَّذِينَ آمَنُوا فَزَادَتْهُمْ إِيمَانًا وَهُمْ يَسْتَبْشِرُونَ

আর যখন তাদের মধ্যে থেকে এক সম্প্রদায় বলল, কেন সে লোকদের সদুপদেশ দিচ্ছেন,

وَإِذْ قَالَتْ أُمَّةٌ مِّنْهُمْ لِمَ تَعِظُونَ قَوْمًا

বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি প্রভাতের পালনকর্তার,

قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ

যে আপনার কাছে দৌড়ে আসলো

وَأَمَّا مَن جَاءَكَ يَسْعَىٰ

তারা তথায় যা চাইবে, তাই পাবে এবং আমার কাছে রয়েছে আরও অধিক।

لَهُم مَّا يَشَاءُونَ فِيهَا وَلَدَيْنَا مَزِيدٌ