সুরা ফাতিহা (১-৪)

আল্লাহর নামে (১:১)

بِسْمِ اللَّهِ

নাম

اسْمٌ (ج) أَسْمَاءٌ

মূল শব্দ

এবং একে অপরকে মন্দ নামে ডেকো না (৪৯-১১)

وَلَا تَنَابَزُوا بِالْأَلْقَابِ

উপাধি

لَقَبٌ (ج)  أَلْقَابٌ

সমার্থক শব্দ

 

 

নাম ধরে ডাকা

سَمَّي

 

তারাই ফেরেশতাকে নারীবাচক নাম দিয়ে থাকে (৫৩-২৭)

لَيُسَمُّونَ الْمَلَائِكَةَ تَسْمِيَةَ الْأُنثَى

নাম রাখা

تَسْمِيَةٌ

 

এবং একে অপরকে মন্দ নামে ডেকো না (৪৯-১১)

وَلَا تَنَابَزُوا بِالْأَلْقَابِ

নামে ডাকা

تَنَابَزَ

 

আর অপর নির্দিষ্টকাল আল্লাহর কাছে আছে (৬-২)

وَأَجَلٌ مُّسمًّى عِندَهُ

নামধারী, নির্ধারিত

مُسَمًّى

 

ইতিপূর্বে এই নামে আমি কারও নাম করণ করিনি (১৯-৭)

لَمْ نَجْعَل لَّهُ مِن قَبْلُ سَمِيًّا

নামবিশিষ্ট, সমতুল্য

سَمِيًّا

 

 

 

 

 

 

পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

(১:১)

الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ

দয়ালু

رَحْمٰن

(رَحِمَ-يَرْحَمُ)

মূল শব্দ

এবং তুমি সর্বাধিক করুণাময় (৭-১৫১)

وَأَنتَ أَرْحَمُ الرَّاحِمِينَ

করুণাময়

رَاحِمٌ (ج) رَاحِمُوْنَ

সমার্থক শব্দ

নিজেদের মধ্যে পরস্পর সহানুভূতিশীল (৪৮-২৯)

رُحَمَاءُ بَيْنَهُمْ

সহানুভূতিশীল

رَحِيمٌ (ج) رُحَمَاءُ

 

মুমিনদের প্রতি স্নেহশীল, দয়াময় (৯-১২৮)

بِالْمُؤْمِنِينَ رَءُوفٌ رَّحِيمٌ

স্নেহশীল

رَؤُوْفٌ

 

আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি দয়ালু (৪২-১৯)

اللَّهُ لَطِيفٌ بِعِبَادِهِ

দয়ালু

لَطِيْفٌ

 

 

 

 

 

 

যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তাআলার (১-২)

الْحَمْدُ لِلَّهِ

প্রশংসা

حَمْدٌ (حَمِدَ-يَحْمَدُ)

মূল শব্দ

এবং তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান ও কৃতজ্ঞতা কামনা করি না। (৭৬:৯)

لَا نُرِيدُ مِنكُمْ جَزَاءً وَلَا شُكُورًا

কৃতজ্ঞতা

شُكْرٌ (ج) شُكُوْرٌ (شَكَرَ-يَشْكُرُ)

সমার্থক শব্দ

তারা তওবাকারী, এবাদতকারী, শোকরগোযার (৯:১১২)

التَّائِبُونَ الْعَابِدُونَ الْحَامِدُونَ

শোকরগোযার

حَامِدٌ (ج) حَامِدُوْنَ

 

তবে আমরা অবশ্যই কৃতজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাব।

 (৬:৬৩)

لَنَكُونَنَّ مِنَ الشَّاكِرِينَ

কৃতজ্ঞদের

شَاكِرٌ (ج) شَاكِرُوْنَ

 

নিশ্চয় এতে প্রত্যেক সহনশীল, কৃতজ্ঞ ব্যক্তির জন্যে নিদর্শন রয়েছে।  (৩১:৩১)

إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَاتٍ لِّكُلِّ صَبَّارٍ شَكُورٍ

কৃতজ্ঞ

شَكُوْرٌ

 

আর যে অকৃতজ্ঞ হয়, আল্লাহ অভাবমুক্ত, প্রশংসিত। (৩১:১২)

وَمَن كَفَرَ فَإِنَّ اللَّهَ غَنِيٌّ حَمِيدٌ

প্রশংসাযোগ্য

حَمِيْدٌ

 

যিনি আমার পরে আগমন করবেন। তাঁর নাম আহমদ। (৬১:৬)

يَأْتِي مِن بَعْدِي اسْمُهُ أَحْمَدُ 

আহমদ

أَحْمَدُ

 

আপনার পালনকর্তা আপনাকে মোকামে মাহমুদে পৌঁছাবেন (১৭:৭৯)

أَن يَبْعَثَكَ رَبُّكَ مَقَامًا مَّحْمُودًا

 

مَحْمُوْدٌ

 

আর মুহাম্মদ একজন রসূল বৈ তো নয় (-১৪৪)

وَمَا مُحَمَّدٌ إِلَّا رَسُولٌ

প্রশংসিত,

মুহাম্মাদ ()

مُحَمَّدٌ

 

তোমাদের প্রচেষ্টা স্বীকৃতি লাভ করেছে। (৭৬:২২)

وَكَانَ سَعْيُكُم مَّشْكُورًا

কৃতজ্ঞতার সঙ্গে গৃহীত

مَشْكُوْرٌ

 

মানুষ বড়ই অকৃতজ্ঞ। (১৭:৬৭)

وَكَانَ الْإِنسَانُ كَفُورًا

অকৃতজ্ঞ

كَفُوْرٌ

বিপরীতার্থক শব্দ

নিশ্চয় মানুষ অত্যন্ত অন্যায়কারী, অকৃতজ্ঞ। (১৪:৩৪)

إِنَّ الْإِنسَانَ لَظَلُومٌ كَفَّارٌ

অকৃতজ্ঞ

كَفَّارٌ

 

নিশ্চয় মানুষ তার পালনকর্তার প্রতি অকৃতজ্ঞ। (১০০:৬)

إِنَّ الْإِنسَانَ لِرَبِّهِ لَكَنُودٌ

অকৃতজ্ঞ

كَنُوْدٌ

 

 

 

 

 

 

সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা। (-২)

رَبِّ الْعَالَمِينَ

প্রতিপালক

رَبٌّ (ج) أَرْبَابٌ

মূল শব্দ

তুমিই সার্বভৌম শক্তির অধিকারী। (৩:২৬)

 

مَالِكَ الْمُلْكِ تُؤْتِي الْمُلْكَ

মালিক

مَالِكٌ (ج) مَالِكُون

সমার্থক শব্দ

অতএব শীর্ষ মহিমায় আল্লাহ, তিনি সত্যিকার মালিক (২৩:১১৬)

فَتَعَالَى اللَّهُ الْمَلِكُ الْحَقُّ 

মালিক

مَلِكٌ (ج) مُلُوكٌ

 

সর্বাধিপতি সম্রাটের সান্নিধ্যে। (৫৪:৫৫)

عِندَ مَلِيكٍ مُّقْتَدِرٍ

সম্রাট

مَلِيكٌ

 

তোমরা যেন প্রাপ্য আমানতসমূহ প্রাপকদের নিকট পৌছে দাও (৪:৫৮)

أَن تُؤَدُّوا الْأَمَانَاتِ إِلَىٰ أَهْلِهَا

পরিবার/

পরিজন

أَهْلٌ

 

দাস দাসের বদলায় (২.১৭৮)

وَالْعَبْدُ بِالْعَبْدِ

দাস

عَبْد

বিপরীতার্থক শব্দ

অবশ্য মুসলমান ক্রীতদাসী মুশরেক নারী অপেক্ষা উত্তম (২.২২১)

وَلَعَبْدٌ مُّؤْمِنٌ خَيْرٌ مِّن مُّشْرِكٍ

দাসী

أَمَة

 

এতীম-মিসকীন, মুসাফির-ভিক্ষুক ও মুক্তিকামী ক্রীতদাসদের জন্যে। (.১৭৭)

وَالْيَتَامَىٰ وَالْمَسَاكِينَ وَابْنَ السَّبِيلِ وَالسَّائِلِينَ وَفِي الرِّقَابِ

দাস

رَقَبَة

 

তোমাদের দক্ষিণ হস্ত যাদের মালিক হয়ে যায় (৪.২৪)

مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُكُمْ

 

مُلْك يَمِين

 

 

 

 

 

 

সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা। (-২) 

رَبِّ الْعَالَمِينَ

বিশ্বজগত, মহাজগত

عَالَمٌ (ج) عَالَمُوْنَ

মূল শব্দ

 

 

 

 

 

যিনি বিচার দিনের মালিক। (১-৪)  

مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ

পুনরুত্থান দিবস

يَومُ الدِين

মূল শব্দ

কেয়ামত কখন অনুষ্ঠিত হবে?

:১৮৭

السَّاعَةِ أَيَّانَ مُرْسَاهَا 

কেয়ামত

السَّاعَة

সমার্থক শব্দ

কেয়ামতের বৃত্তান্ত ৮৮:

حَدِيثُ الْغَاشِيَةِ

কেয়ামত

الغَاشِيَة

 

যখন কিয়ামতের ঘটনা ঘটবে,

৫৬:

إِذَا وَقَعَتِ الْوَاقِعَةُ

কেয়ামত

الوَاقِعَة

 

অতঃপর যেদিন কর্ণবিদারক নাদ আসবে,৮০:৩৩

فَإِذَا جَاءَتِ الصَّاخَّةُ

কর্ণবিদারক নাদ

الصَاخَّة

 

আদ সামুদ গোত্র মহাপ্রলয়কে মিথ্যা বলেছিল।

৬৯:

كَذَّبَتْ ثَمُودُ وَعَادٌ بِالْقَارِعَةِ

মহাপ্রলয়

القَارِعَة

 

অতঃপর যখন মহাসংকট এসে যাবে। ৭৯:৩৪

فَإِذَا جَاءَتِ الطَّامَّةُ الْكُبْرَىٰ

মহাসংকট

الطَامَّةُ

 

কেয়ামতের দিন তাদের সবাই তাঁর কাছে একাকী অবস্থায় আসবে। (১৯:৯৫)

وَكُلُّهُمْ آتِيهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَرْدًا

কেয়ামতের দিন

يَوْمُ القِيَامَةِ

 

আমরা আল্লাহ পরকালের প্রতি ঈমান (:)

آمَنَّا بِاللَّهِ وَبِالْيَوْمِ الْآخِرِ

পরকাল

اليَومُ الآخِرُ

 

আপনি তাদেরকে আসন্ন দিন সম্পর্কে সতর্ক করুন (৪০:১৮)

وَأَنذِرْهُمْ يَوْمَ الْآزِفَةِ

আসন্ন দিন

يَوْمُ الآزِفَةِ

 

আমি তোমাদের ব্যাপারে এক যন্ত্রণাদায়ক দিনের আযাবের ভয় করছি। (১১:২৬)

أَخَافُ عَلَيْكُمْ عَذَابَ يَوْمٍ أَلِيمٍ

যন্ত্রণাদায়ক দিন

يَوْمٌ أَلِيْمٌ

 

আল্লাহর কিতাব মতে পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত (৩০:৫৬)

فِي كِتَابِ اللَّهِ إِلَىٰ يَوْمِ الْبَعْثِ

পুনরুত্থান দিবস

يَومُ البَعْث

 

দিন হার-জিতের দিন। (৬৪:)

ذَٰلِكَ يَوْمُ التَّغَابُنِ 

হার-জিতের দিন।

يَوْمُ التَّغَابُنِ

 

সাক্ষাতের দিন সম্পর্কে সকলকে সতর্ক করে। (৪০:১৫)

لِيُنذِرَ يَوْمَ التَّلَاقِ

সাক্ষাতের দিন

يَوْمُ التَّلاَقِ

 

আমি তোমাদের জন্যে প্রচন্ড হাঁক-ডাকের দিনের আশংকা করি। (৪০:৩২)

إِنِّي أَخَافُ عَلَيْكُمْ يَوْمَ التَّنَادِ

আর্তনাদের/হাঁক-ডাকের দিন

 

يَوْمُ التَّنَادِ

 

এক কঠিন দিবসকে পশ্চাতে ফেলে রাখে। (৭৬:২৭)

وَرَاءَهُمْ يَوْمًا ثَقِيلًا

কঠিন দিবস

يَوْمٌ ثَقِيْلٌ

 

সতর্ক করেন সমাবেশের দিন সম্পর্কে (৪২:)

وَتُنذِرَ يَوْمَ الْجَمْعِ

সমাবেশের দিন

يَوْمُ الجَمْعِ

 

আমাদের প্রাপ্য অংশ হিসাব দিবসের আগেই দিয়ে দাও। (৩৮:১৬)

لَّنَا قِطَّنَا قَبْلَ يَوْمِ الْحِسَابِ

হিসাব দিবস

يَوْمُ الحِسَاب

 

তাদেরকে পরিতাপের দিবস সম্পর্কে হুশিয়ার করে দিন (১৯:৩৯)

وَأَنذِرْهُمْ يَوْمَ الْحَسْرَةِ

পরিতাপের দিবস

يَوْمُ الحَسْرَةِ

 

এই দিবস সত্য। (৭৮:৩৯)

ذَٰلِكَ الْيَوْمُ الْحَقُّ

সুনিশ্চিত/সত্য দিবস

اليَوْمُ الحَقُّ

 

সেদিনই পুনরত্থান দিবস। (৫০:৪২)

ذَٰلِكَ يَوْمُ الْخُرُوجِ

পুনরত্থান দিবস।

يَوْمُ الخُرُوجِ

 

এটাই অনন্তকাল বসবাসের জন্য প্রবেশ করার দিন।

(৫০:৩৪)

ذَٰلِكَ يَوْمُ الْخُلُودِ

চিরন্তন (জীবনের)দিবস

يَوْمُ الخُلُودِ

 

আমরা আমাদের পালনকর্তার তরফ থেকে এক ভীতিপ্রদ ভয়ংকর দিনের ভয় রাখি। (৭৬:১০)

إِنَّا نَخَافُ مِن رَّبِّنَا يَوْمًا عَبُوسًا قَمْطَرِيرًا

ভীতিপ্রদ ভয়ংকর দিবস

يَوْمٌ عَبُوسٌ قَمْطَرِيرٌ

 

আমি যদি স্বীয় পরওয়ারদেগারের নাফরমানী করি, তবে কঠিন দিবসের আযাবের ভয় করি। (১০:১৫)

إِنِّي أَخَافُ إِنْ عَصَيْتُ رَبِّي عَذَابَ يَوْمٍ عَظِيمٍ

কঠিন দিবস

يَوْمٌ عَظِيمٌ

 

তাদের উপরে এসে পড়ে এক ধ্বংসা‌ত্মক দিনে শাস্তি। (২২:৫৫)

يَأْتِيَهُمْ عَذَابُ يَوْمٍ عَقِيمٍ

নিষ্ফল /ধ্বংসা‌ত্মক দিবস

يَوْمٌ عَقِيمٌ

 

বলুন, ফয়সালার দিনে কাফেরদের ঈমান তাদের কোন কাজে আসবে না (৩২:২৯)

قُلْ يَوْمَ الْفَتْحِ لَا يَنفَعُ الَّذِينَ كَفَرُوا إِيمَانُهُمْ

ফয়সালার দিবস

يَوْمُ الفَتْحِ

 

আমি তোমাদের উপর এক মহা দিবসের আযাবের আশঙ্কা করছি। (১১:)

أَخَافُ عَلَيْكُمْ عَذَابَ يَوْمٍ كَبِيرٍ

মহাদিবস

يَوْمٌ كبِيرٌ

 

আমি তোমাদের উপর এমন একদিনের আযাবের আশঙ্কা করছি যেদিনটি পরিবেষ্টনকারী (১১:৮৪)

أَخَافُ عَلَيْكُمْ عَذَابَ يَوْمٍ مُّحِيطٍ

পরিবেষ্টনকারী দিবস

يَوْمٌ مُحِيطٌ

 

সবাই একত্রিত হবে এক নির্দিষ্ট দিনের নির্দিষ্ট সময়ে। (৫৬:৫০)

لَمَجْمُوعُونَ إِلَىٰ مِيقَاتِ يَوْمٍ مَّعْلُومٍ

নির্ধারিত/নির্দিষ্ট

দিবস

يَوْمٌ مَعْلُومٌ

 

এবং প্রতিশ্রুত দিবসের, (৮৫:২)

وَالْيَوْمِ الْمَوْعُودِ

প্রতিশ্রুত দিবস

اليَوْمُ المَوْعُودُ

 

এটা হবে ভয় প্রদর্শনের দিন। (৫০:২০)

ذَٰلِكَ يَوْمُ الْوَعِيدِ

ভয় প্রদর্শনের দিন

يَوْمُ الوَعِيدِ

 

এটাই ফয়সালার দিন (৩৭:২১)

هَٰذَا يَوْمُ الْفَصْلِ

ফয়সালার দিন

يَوْمُ الفَصْلِ

 

 

রসুল (সা.) এশার নামাজের পর তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে যেতেন এবং রাতের শেষভাগে উঠে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করতেন। আবু হুরায়রা (রা)-এর মতে, 'রসুল (সা.) এশার নামাজের পর ঘুমাতে পছন্দ করতেন। তিনি এশার পর কথা বলা পছন্দ করতেন না। - See more at: http://www.bd-pratidin.com/islam/2014/11/19/44451#sthash.pnG18ZwN.dpuf
রসুল (সা.) এশার নামাজের পর তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে যেতেন এবং রাতের শেষভাগে উঠে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করতেন। আবু হুরায়রা (রা)-এর মতে, 'রসুল (সা.) এশার নামাজের পর ঘুমাতে পছন্দ করতেন। তিনি এশার পর কথা বলা পছন্দ করতেন না। - See more at: http://www.bd-pratidin.com/islam/2014/11/19/44451#sthash.pnG18ZwN.dpuf