ضَمِيْرٌ সর্বনাম

 

আরবীতে সর্বনামকে বলা হয় ضَمِيْرٌএরা দুই প্রকার। এক প্রকার সর্বনাম কোন শব্দের সাথে যুক্ত না হয়ে মুক্তাবস্থায় বসে আর অন্য প্রকার সর্বনাম ইসম বা ক্রিয়ার সাথে যুক্তাবস্থায় বসে। সর্বনামগুলো নির্দিষ্ট।

 

    মুক্তসর্বনাম       مُنْفَصِلٌ ضَمِيْرٌ

বহুবচন

দ্বিবচন

একবচন

 

 

هُمْ

هُمَا

هُوَ

 

 

الغَائِبُ

৩য় পুরুষ

তারা

তারা দুজন

সে

পুং

هُنَّ

هُمَا

هِيَ

 

তারা

তারা দুজন

সে

স্ত্রী

أَنْتُمْ

أَنْتُمَا

أَنْتَ

 

 

الْمُخَاطَبُ

২য় পুরুষ

তোমরা

তোমরা দুজন

তুমি

পুং

أَنْتُنَّ

أَنْتُمَا

أَنْتِ

 

তোমরা

তোমরা দুজন

তুমি

স্ত্রী

نَحْنُ

نَحْنُ

أَنَا

 

الْمُتَكَلِّمُ

১ম পুরুষ

আমরা

আমরা দুজন

আমি

উভয়

 

 

          সংযুক্ত সর্বনাম     ضَمِيْرٌ مُتَّصِلٌ

বহুবচন

দ্বিবচন

একবচন

 

 

هُمْ

هُمَا

هُ

 

 

الغَائِبُ

৩য় পুরুষ

তাদের/

তাদেরকে

তাদের দুজনের/

তাদের দুজনকে

তার/

তাকে

পুং

هُنَّ

هُمَا

هَا

 

তাদের/

তাদেরকে

তাদের দুজনের/

তাদের দুজনকে

তার/

তাকে

স্ত্রী

كُمْ

كُمَا

كَ

 

 

الْمُخَاطَبُ

২য় পুরুষ

তোমাদের/

তোমাদেরকে

তোমাদের দুজনের/

তোমাদের দুজনকে

তোমার/

তোমাকে

পুং

كُنَّ

كُمَا

كِ

 

তোমাদের/

তোমাদেরকে

তোমাদের দুজনের/

তোমাদের দুজনকে

তোমার/

তোমাকে

স্ত্রী

نَا

نَا

ي

 

الْمُتَكَلِّمُ

১ম পুরুষ

আমাদের/

আমাদেরকে

আমাদের দুজনের/

আমাদের দুজনকে

আমার/

আমাকে

উভয়

 

লক্ষ্যণীয়ঃ 

  • ‘আমরা সকল’ এবং ‘আমরা দুজন’  দুই ক্ষেত্রে একই সর্বনাম ব্যবহৃত হয়।
  • মুক্ত সর্বনামগুলো সাধারণত মারফু অবস্থায় থাকে। সংযুক্ত সর্বনামগুলো মানসুব বা মাজরুর অবস্থায় আসে।
  • ي কে বলা হয় ইয়া মুতাকাল্লিম

 

ইসমের সাথে সংযুক্ত সর্বনামগুলোর ব্যবহার

بَيْتُهُمْ

بَيْتُهُمَا

بَيْتُهُ

তাদের বাড়ি

তাদের দুজনের বাড়ি

তার বাড়ি

بَيْتُهُنَّ

بَيْتُهُمَا

بَيْتُهَا

তাদের বাড়ি

তাদের দুজনের বাড়ি

তার বাড়ি

بَيْتُكُمْ

بَيْتُكُمَا

بَيْتُكَ

তোমাদের বাড়ি

তোমাদের দুজনের বাড়ি

তোমার বাড়ি

بَيْتُكُنَّ

بَيْتُكُمَا

بَيْتُكِ

তোমাদের বাড়ি

তোমাদের দুজনের বাড়ি

তোমার বাড়ি

بَيتُنَا

بَيتُنَا

بَيْتِي*

আমাদের বাড়ি

আমাদের দুজনের বাড়ি

আমার বাড়ি

 

*  “ইয়া মুতাকাল্লিম” এর পূর্বে যের/যবর/পেশ আসলে এতে সাকিন হয় এবং এর পুর্বের বর্ণে যের হয়। যেমনঃ

 

আমার কলম

قَلَمُ+ي = قَلَمِيْ

আমার কলমকে

قَلَمَ+ي = قَلَمِيْ

আমার কলমের

قَلَمِ+ي = قَلَمِيْ

 

ক্রিয়ার সাথে সংযুক্ত সর্বনামগুলোর ব্যবহার (رَأَيْتُ = আমি দেখেছিলাম, رَأَيْتَ = তুমি দেখেছিলে)

رَأَيْتُهُمْ

رَأَيْتُهُمَا

رَأَيْتُهُ

তাদেরকে দেখেছিলাম

তাদের দুজনকে দেখেছিলাম

তাকে দেখেছিলাম

رَأَيْتُهُنَّ

رَأَيْتُهُمَا

رَأَيْتُهَا

তাদেরকে দেখেছিলাম

তাদের দুজনকে দেখেছিলাম

তাকে দেখেছিলাম

رَأَيْتُكُمْ

رَأَيْتُكُمَا

رَأَيْتُكَ

তোমাদেরকে দেখেছিলাম

তোমাদের দুজনকে দেখেছিলাম

তোমাকে দেখেছিলাম

رَأَيْتُكُنَّ

رَأَيْتُكُمَا

رَأَيْتُكِ

তোমাদেরকে দেখেছিলাম

তোমাদের দুজনকে দেখেছিলাম

তোমাকে দেখেছিলাম

رَأَيْتَنَا

رَأَيْتَنَا

رَأَيْتَنِي*

আমাদেরকে দেখেছিলে

আমাদের দুজনকে দেখেছিলে

আমাকে দেখেছিলে

 

* ইয়া মুতাকাল্লিম” ক্রিয়ার সাথে যুক্ত হলে পুর্বে একটা نِ আসে, তখন হয়   نِيْ যেমনঃ  رَأَيْتَنِيْ  আবার অনেক সময় نِيْ এর يْ বাদ যায়

যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তিনিই আমাকে পথপ্রদর্শন করেন

الَّذِي خَلَقَنِي فَهُوَ يَهْدِينِ

তোমাদের কর্ম কর্মফল তোমাদের জন্যে এবং আমার কর্ম কর্মফল আমার জন্যে।

لَكُمْ دِينُكُمْ وَلِيَ دِينِ

 

হারফ জারের সাথে সংযুক্ত সর্বনামের কিছু উদাহরণঃ

فِيْهِمْ

فِيهِمَا

فِيْهِ

 

مِنْهُمْ

مِنهُمَا

مِنْهُ*

فِيْهِنَّ

فِيهِمَا

فِيْهَا

 

مِنْهُنَّ

مِنهُمَا

مِنْهَا

فِيْكُمْ

فِيكُمَا

فِيْكَ

 

مِنْكُمْ

مِنْكُمَا

مِنْكَ

فِيْكُنَّ

فِيكُمَا

فِيْكِ

 

مِنْكُنَّ

مِنْكُمَا

مِنْكِ

فِيْنَا

 

فِيَّ

 

مِنَّا

 

مِنِّيْ

 

لَهُمْ

لَهُمَا

لَهُ

 

عَلَيهِمْ

عَلَيهِمَا

عَلَيْهِ

لَهُنَّ

لَهُمَا

لَهَا

 

عَلَيهِنَّ

عَلَيهِمَا

عَلَيْهَا

لَكُم

لَكُمَا

لَكَ

 

عَلَيكُمْ

عَلَيكُمَا

عَلَيْكَ

لَكُنَّ

لَكُمَا

لَكِ

 

عَلَيكُنَّ

عَلَيكُمَا

عَلَيْكِ

لَنَا

 

لِيْ

 

عَلَيْنَا

 

عَلَيَّ

 

* লক্ষ্যনীয়ঃ  সর্বনামগুলো মাবনী। যেমন আমরা উপরোক্ত উদাহরণগুলোতে দেখছি যে  মুদাফ ইলাইহি হিসেবে بَيْتُهُ বা হারফ জারের পরে মাজরুর অবস্থায়  مِنْهُ কিংবা ক্রিয়ার কর্ম হিসেবে মানসুব অবস্থায়  رَأَيْتُهُ  তাদের চেহারায় পরিবর্তন হয়নি। তবে,

  • هُ  هُمَا  هُمْ  هُنَّ  এই চারটি সর্বনামের আগে যের বা ي আসলে এদের প্রথম অক্ষর যের বিশিষ্ট হয়। যেমনঃ     بِهِ،  فِيْهِ، عَلَيْهِمْ ، إلَيْهِمْ،  بِهِمْ،  فِيْهِنَّইত্যাদি  [ব্যতিক্রম সুরা ৪৮-১০]   عَاهَدَ عَلَيْهُ اللَّهَ
  • لِ+هُ=لَهُ ইত্যাদি উচ্চারণের সুবিধার্থে
  • ى  এর পর কোন বর্ণ যোগ হলে তা ي তে পরিণত হয়যেমনঃ   عَلَى+ كَ = عَلَيكَ
  • ইয়া মুতাকাল্লিম” এর পূর্বে   ى বা ا    আসলে এতে যবর হয়।  যেমনঃ  عَلَى+  يْ = عَلَيْيَ = عَلَيَّ

 

কুরআনীয় উদাহরণ (বাক্যের পূর্ণ গঠন বোঝার জন্য নয়, কেবল ضَمِيْرٌ  এর ব্যবহার দ্রষ্টব্য

বলুন, তিনি আল্লাহ, এক

قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ

যখন তারা তার কিনারায় বসেছিল

إِذْ هُمْ عَلَيْهَا قُعُودٌ

আর আমি তাদেরকে যে রুযী দান করেছি তা থেকে ব্যয় করে

وَمِمَّا رَزَقْنَاهُمْ يُنفِقُونَ

তিনি আমাদের বলে দিন যে, সেটা কিরূপ

يُبَيِّن لَّنَا مَا هِيَ

হে মানব সমাজ! তোমরা তোমাদের পালনকর্তার এবাদত কর, যিনি তোমাদিগকে এবং তোমাদের পূর্ববর্তীদিগকে সৃষ্টি করেছেন। তাতে আশা করা যায়, তোমরা পরহেযগারী অর্জন করতে পারবে

يَا أَيُّهَا النَّاسُ اعْبُدُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ وَالَّذِينَ مِن قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ

এবং আমি আদমকে হুকুম করলাম যে, তুমি তোমার স্ত্রী জান্নাতে বসবাস করতে থাক

وَقُلْنَا يَا آدَمُ اسْكُنْ أَنتَ وَزَوْجُكَ الْجَنَّةَ

এমতাবস্থায় যে, সে ভয় করে

وَهُوَ يَخْشَىٰ

তার মধ্যে থাকবে সচ্চরিত্রা সুন্দরী রমণীগণ

فِيهِنَّ  خَيْرَاتٌ حِسَانٌ

আমি কি আপনার জন্য আপনার বক্ষ উম্মুক্ত করে দেইনি

أَلَمْ نَشْرَحْ لَكَ صَدْرَكَ

আর যখন ফেরেশতা বলল হে মারইয়াম!, আল্লাহ তোমাকে পছন্দ করেছেন এবং তোমাকে পবিত্র পরিচ্ছন্ন করে দিয়েছেন। আর তোমাকে বিশ্ব নারী সমাজের উর্ধ্বে মনোনীত করেছেন।

وَإِذْ قَالَتِ الْمَلَائِكَةُ يَا مَرْيَمُ إِنَّ اللَّهَ اصْطَفَاكِ وَطَهَّرَكِ وَاصْطَفَاكِ عَلَىٰ نِسَاءِ الْعَالَمِينَ

তারা বলে, আমরা তো মীমাংসার পথ অবলম্বন করেছি

قَالُوا إِنَّمَا نَحْنُ مُصْلِحُونَ

এবং আমি এবাদতকারী নই, যার এবাদত তোমরা কর।

وَلَا أَنَا عَابِدٌ مَّا عَبَدتُّمْ

 

 

 

 

 


Abu Sakib Mahmud

হারফ জার কি?

reply

Admin

http://alquranervasha.com/lesson/16/5/76

reply

Amatullaah

"মুক্ত সর্বনামগুলো সাধারণত মারফু অবস্থায় থাকে। সংযুক্ত সর্বনামগুলো মানসুব বা মাজরুর অবস্থায় আসে।"-বুঝিনি।

reply

Admin

মারফু অবস্থা হল কর্তৃবাচক অবস্থা। যেমন সে একজন ছাত্র। এর আরবী হল هو طالبٌ এখানে "সে/হুয়া" ইসমের মারফু (কর্তৃবাচক) অবস্থা যেহেতু তা সাবজেক্ট। খেয়াল করেন এক্ষেত্রে সর্বনামের মুক্ত অবস্থা হুয়া এসেছে। আবার যদি বলি "তার বাড়িটি সুন্দর" তার আরবী হল ٌبيتُهُ جَميل এখানে তার/ هُ হল ইসমের মাজরুর অবস্থা। যা বাইতু এর সাথে যুক্ত অবস্থায় এসেছে। ভিডিও দেখবেন। ধন্যবাদ।

reply

Amatullaah

বুঝেছি, ধন্যবাদ।

reply

Binte Syed

[ব্যতিক্রম সুরা ৪৮-১০] عَاهَدَ عَلَيْهُ اللَّهَ ব্যাপারটা আরেকটু ডিটেইল্সে বলবেন শাইখ? এখানে কি اللَّهَ শব্দের জন্য ব্যতিক্রম হল? ক্বুরআনের সব জায়গায় ই কি আল্লহ্ শব্দের জন্য হু এসেছে? মানে ব্যতিক্রমটা কি শুধু আল্লহ্ শব্দের আগেই?

reply

Admin

না। সব ক্ষেত্রে নয়। আল্লাহু এর সাথেও এর সম্পর্ক নাই। এটা ব্যতিক্রম।

reply

Binte Syed

শাইখ فِيهِنَّ خَيْرَاتٌ حِسَانٌ এখানে فِيهِنَّ মানে তো 'তাদের মধ্যে' তাইনা?এখানে 'তার মধ্যে' দেয়া যে? আর 'তাদের' বলতে এখানে বিভিন্ন জান্নাত কে বোঝনো হয়েছে না,যেহেতু জান্নাত বিভিন্ন class এর থাকবে? আরবি ব্যাকরণে কি দুনিয়া,জান্নাত, এগুলো স্ত্রী লিঙ্গ হয়?

reply

Admin

জি। আরবীতে প্রতিটা শব্দ হয় পুরুষবাচক অথবা স্ত্রীবাচক। লিংগ ও বচন চাপ্টার দেখুন।

reply

Amatullaah

why don't we generally say "assalaamu'alaika" or ki/kunna....? does kum indicate showing respect..?

reply

Admin

it is sunnah

reply

Amatullaah

is it sunnah to say "assalaamu'alaikum'',I mean 'kum' to females too?

reply

Admin

yes

reply

Duha

হাদীসের অনেক ইবারতে আমি আসসালামু আলাইকা বা আলাইকি বলতে দেখেছি

reply

Duha

উস্তাদ,এটা যে এটার কোন রেফারেন্স দেওয়া যাবে প্লিজ?

reply

Duha

এটা যে সুন্নাহ তার কোন রেফারেন্স দেওয়া যাবে উস্তাদ?

reply