الإِعْرَابُ বা কারক ও বিভক্তি

 

ইসমগুলোর শেষাক্ষরের হরকত পরিবর্তনশীল। শেষের বর্ণটি কখনো পেশ, কখনও যবর আবার কখনও যের বিশিষ্ট হয়। যেমন আমাদের পরিচিত কয়েকটি বাক্য লক্ষ্য করি,

مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللهِ

اللَّهُ الصَّمَدُ

মুহাম্মাদ() আল্লাহর রসুল

আল্লাহ অমুখাপেক্ষী

آتِ مُحَمَّدًا الْوَسِيْلَةَ

فَاتَّقُوا اللَّهَ

মুহাম্মাদ () কে ওসিলা দান কর

সুতরাং আল্লাহকে ভয় কর

اللّٰهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ

نَارُ اللَّهِ الْمُوقَدَةُ

মুহাম্মাদ () এর উপর শান্তি প্রেরন কর

আল্লাহর প্রজ্জলিত আগুন

 

 

উপরের বাক্যগুলোতে আমরা দেখছি   مُحَمَّدٌ   اللهُ  শব্দদ্বয় ভিন্ন ভিন্ন রুপে এসেছে। কখনও শেষে পেশ, কখনও যবর আবার কখনও যের হয়েছে। ইসমের এই পরিবর্তনকে  الإِعْرَابُ বলে।  বোঝার সুবিধার্থে আমরা আগের বাক্যটির আরবী বিবেচনা করি,

 

বেলাল হামিদকে খালিদের পিছনে দেখলো

رَأَى بِلَالٌ حَامِدًا خَلْفَ خَالِدٍ

 

আরবী ব্যাকরণ অনুযায়ী,

 

بِلَالٌ   অর্থবেলাল”।  এটা ইসমের  مَرْفُوْعٌ (কর্তৃবাচক) অবস্থা যার লক্ষণ শেষে  পেশ 

حَامِدًا  অর্থহামিদকে”।  এটা ইসমের  مَنْصُوْبٌ (কর্মবাচক) অবস্থা যার লক্ষণ শেষে  যবর*।   

خَالِدٍ   অর্থখালিদের”।  এটা ইসমের  مَجْرُوْرٌ (সম্মন্ধসূচক) বস্থা যার লক্ষণ শেষে  যের।   

 

* শব্দের শেষে দুই যবর হলে একটা অতিরিক্ত আলিফ যোগ হয়।  যেমনঃ    حَامِدًا   مُحَمَّدًا  شَيْئًا    তবে শেষ   ء  এর পুর্বে আলিফ থাকলে এবং ة   এর ক্ষেত্রে হবে না।  যেমনঃ  مَاءً      حَقِيْبَةً      جَنَّةً     جَزَاءً

 

অর্থাৎ, আমরা মনে রাখবো,

بِلَالٍ

بِلَالاً 

بِلَالٌ

বেলালের

বেলালকে

বেলাল

(مَجْرُوْرٌ)

(مَنْصُوْبٌ)

(مَرْفُوْعٌ)

 

 

তবে কিছু কিছু ইসমের পরিবর্তন দুইরকম। এদেরকেদ্বিত্ত্ববলে।  যেমনঃ    أَحْمَدُ

 

أَحْمَدَ

أَحْمَدَ

أَحْمَدُ

আহমাদের

আহমাদকে

আহমাদ

(مَجْرُوْرٌ)

(مَنْصُوْبٌ)

(مَرْفُوْعٌ)

 

 

আবার কিছু ইসমের পরিবর্তন হয় না এদেরকে  “মাবনী”  বলে। যেমনঃ   هٰذَا 

 

هٰذَا 

هٰذَا 

هٰذَا 

এটার

এটাকে

এটা

(مَجْرُوْرٌ)

(مَنْصُوْبٌ)

(مَرْفُوْعٌ)

 

[দ্বিত্ব ও মাবনী সম্পর্কে আমরা চাপ্টার ১৩ এ বিস্তারিত জানবো ই শা আল্লাহ]

 


Abu Sakib Mahmud

অনুশীলনে আমার ভুল কোথায় এটা দেখালে সমস্যা কি?

reply

Admin

ইম্প্রুভমেন্টের নাম্বার পরে আর মেধাতালিকায় যোগ হবে না।

reply

Amatullaah

assalaamu'alaikum ustad কখন শব্দের শেষএ তানয়ীন হবে আর কখন হবেনা কীভাবে বুঝবো? যেমন বিলালুন,বিলালান,বিলালিন,নির্দিষ্ট,তানয়ীন হবে বুঝলাম,কিন্তু আহমদু,আহমাদা,এই শব্দ গুলাও তো নির্দিষ্ট,তাইনা?তাহলে তানয়ীন হলোনা কেন?

reply

Admin

কিছু শব্দ যেমন আহমাদু, আজমালু, মারইয়ামু, ফাতিমাতু ইত্যাদি শব্দের শেষে তানয়ীন হয় না। এদেরকে বলা হয় দিত্ব। ২য় পাঠের অধ্যায় ১৩ তে বিস্তারিত আছে। ধন্যবাদ।

reply

Amatullaah

ধন্যবাদ।

reply

Amatullaah

ভুল প্রশ্ন করেছি, দুঃখিত। নির্দিষ্ট হলে তানয়ীন হবেনা,অনির্দিষ্ট হলে হবে। কেউ যাতে প্রশ্ন দেখে কনফিউজড হয়ে না যান এজন্য ক্লিয়ার করলাম।

reply