সুরা বাকারাহ (২২-২৪)

যে পবিত্রসত্তা তোমাদের জন্য ভূমিকে বিছানা এবং আকাশকে ছাদ স্বরূপ স্থাপন করে দিয়েছেন (২-২২)

الَّذِي جَعَلَ لَكُمُ الْأَرْضَ فِرَاشًا وَالسَّمَاءَ بِنَاءً

বিছানা, আসন

فِرَاشٌ ج فُرُشٌ

আমি কি করিনি ভূমিকে বিছানা

৭৮:

أَلَمْ نَجْعَلِ الْأَرْضَ مِهَادًا

 

مِهَادٌ

তাদের পার্শ্ব শয্যা থেকে আলাদা থাকে। ৩২:১৬

تَتَجَافَىٰ جُنُوبُهُمْ عَنِ الْمَضَاجِعِ

শয্যা

مَضْجَعٌ ج مَضَاجِعُ

তারা সিংহাসনে সমাসীন হবে

১৮:৩১

مُّتَّكِئِينَ فِيهَا عَلَى الْأَرَائِكِ

সিংহাসন, মসনদ

أَرِيكَةٌ ج أَرَائِكُ

এবং তাদের গৃহের জন্যে দরজা দিতাম এবং পালংক দিতাম যাতে তারা হেলান দিয়ে বসত। ৪৩:৩৪

وَلِبُيُوتِهِمْ أَبْوَابًا وَسُرُرًا عَلَيْهَا يَتَّكِئُونَ

বিছানা

سَرِيرٌ ج سُرُرٌ

এবং তিনি পিতা-মাতাকে সিংহাসনের উপর বসালেন এবং তারা সবাই তাঁর সামনে সেজদাবনত হল। ১২:১০০

وَرَفَعَ أَبَوَيْهِ عَلَى الْعَرْشِ وَخَرُّوا لَهُ سُجَّدًا

আরশ, সিংহাসন, ছাদ

عَرْشٌ ج عُرُوشٌ

আমি সোলায়মানকে পরীক্ষা করলাম এবং রেখে দিলাম তার সিংহাসনের উপর একটি নিস্প্রাণ দেহ। ৩৮:৩৪

وَلَقَدْ فَتَنَّا سُلَيْمَانَ وَأَلْقَيْنَا عَلَىٰ كُرْسِيِّهِ جَسَدًا

সিংহাসন

كُرْسِيٌّ

 

 

ছাদ, চালা

بِنَاءٌ

আমি আকাশকে সুরক্ষিত ছাদ করেছি ২১:৩২

وَجَعَلْنَا السَّمَاءَ سَقْفًا مَّحْفُوظًا

ছাদ, ছাউনি, চালা

سَقْفٌ ج سُقُفٌ، سُقُوفٌ

তিনি একে উচ্চ করেছেন সুবিন্যস্ত করেছেন। ৭৯:২৮

رَفَعَ سَمْكَهَا فَسَوَّاهَا

উচ্চতা, ছাদ, আকাশতল

سَمْكٌ

আর তিনি আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেছেন (২-২২)

وَأَنزَلَ مِنَ السَّمَاءِ مَاءً

পানি

مَاءٌ

তোমাদের জন্য ফল-ফসল উৎপাদন করেছেন তোমাদের খাদ্য হিসাবে। (২-২২)

فَأَخْرَجَ بِهِ مِنَ الثَّمَرَاتِ رِزْقًا لَّكُمْ

বের করা, বহিষ্কার করা, প্রকাশ করা

أَخْرَجَ - يُخْرِجُ (إخْرَاجٌ)

এবং নিজেদের গুপ্তধন উদ্ধার করুক। ১৮:৮২

وَيَسْتَخْرِجَا كَنزَهُمَا

বের করে নেয়া, নির্গত করা

اسْتَخْرَجَ-يَسْتَخْرِجُ

আপনার হাত আপনার বগলে ঢুকিয়ে দিন২৭:১২

وَأَدْخِلْ يَدَكَ فِي جَيْبِكَ

প্রবেশ করানো

أَدْخَلَ-يُدْخِلُ

আল্লাহ রাত্রিকে দিনের মধ্যে এবং দিনকে রাত্রির মধ্য দাখিল করে দেন ২২:৬১

وَيُولِجُ النَّهَارَ فِي اللَّيْلِ

অনুপ্রবেশ করানো

أَوْلَجَ - يُولِجُ

 

 

ফল, ফলমূল

ثَمَرَةٌ، ثَمَرٌ ج ثَمَرَاتٌ

তথায় তোমাদের জন্যে আছে প্রচুর ফল-মূল, ৪৩:৭৩

لَكُمْ فِيهَا فَاكِهَةٌ كَثِيرَةٌ

ফলমূল

فَاكِهَةٌ ج فَوَاكِهُ

উভয় উদ্যানের ফল তাদের নিকট ঝুলবে। ৫৫:৫৪

وَجَنَى الْجَنَّتَيْنِ دَانٍ

উভয়, জোড়া

جَنَى

এবং তার ফলসমূহ তাদের আয়ত্তাধীন রাখা হবে। ৭৬:১৪

وَذُلِّلَتْ قُطُوفُهَا تَذْلِيلًا

ফলগুচ্ছ

قِطْفٌ ج  قُطُوفٌ

অতএব, আল্লাহর সাথে তোমরা অন্য কাকেও সমকক্ষ করো না

فَلَا تَجْعَلُوا لِلَّهِ أَندَادًا

সমকক্ষ, অংশীদার

نِدٌّ ج أَنْدَادٌ

আল্লাহ এক দৃষ্টান্ত বর্ণনা করেছেনঃ একটি লোকের উপর পরস্পর বিরোধী কয়জন মালিক রয়েছে,

৩৯:২৯

ضَرَبَ اللَّهُ مَثَلًا رَّجُلًا فِيهِ شُرَكَاءُ مُتَشَاكِسُونَ

অংশীদার

شَرِيكٌ ج شُرَكَاءُ

এবং তার সমতুল্য কেউ নেই।

১১২:

وَلَمْ يَكُن لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ

সমতুল্য, মতো, অনুরুপ

كُفُوٌ

শরীকদের অনেকেই একে অপরের প্রতি জুলুম করে থাকে। ৩৮:২৪

وَإِنَّ كَثِيرًا مِّنَ الْخُلَطَاءِ لَيَبْغِي بَعْضُهُمْ عَلَىٰ بَعْضٍ

মিশ্রণকারী, অংশীদার, শরীক

خَلِيطٌ ج خُلَطَاءُ

এতদসম্পর্কে যদি তোমাদের কোন সন্দেহ থাকে যা আমি আমার বান্দার প্রতি অবতীর্ণ করেছি (২-২৩)

وَإِن كُنتُمْ فِي رَيْبٍ مِّمَّا نَزَّلْنَا عَلَىٰ عَبْدِنَا

দাস, বান্দা, গোলাম, ভৃত্য

عَبْدٌ ج عِبَادٌ، عَبِيدٌ

আযীযের স্ত্রী স্বীয় গোলামকে কুমতলব চরিতার্থ করার জন্য ফুসলায়। ১২:৩০

امْرَأَتُ الْعَزِيزِ تُرَاوِدُ فَتَاهَا عَن نَّفْسِهِ

যুবক, বালক, সেবক, চালক

فَتًى ج فِتْيَةٌ

সুরক্ষিত মোতিসদৃশ কিশোররা তাদের সেবায় ঘুরাফেরা করবে।

৫২:২৪

وَيَطُوفُ عَلَيْهِمْ غِلْمَانٌ لَّهُمْ

বালক, সেবক

غُلَامٌ ج غِلْمَانٌ

তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহহীন, তাদের বিবাহ সম্পাদন করে দাও এবং তোমাদের দাস দাসীদের মধ্যে যারা সৎকর্মপরায়ন, তাদেরও। ২৪:৩২

وَأَنكِحُوا الْأَيَامَىٰ مِنكُمْ وَالصَّالِحِينَ مِنْ عِبَادِكُمْ وَإِمَائِكُمْ

দাসী, বাঁদি, ক্রীতদাসী

أَمَةٌ ج إِمَاءٌ

সে তোমাদের অধিকারভুক্ত মুসলিম ক্রীতদাসীদেরকে বিয়ে করবে।

:২৫

فَمِن مَّا مَلَكَتْ أَيْمَانُكُم مِّن فَتَيَاتِكُمُ الْمُؤْمِنَاتِ

ক্রীতদাসী, সেবিকা

فَتَاةٌ ج  فَتَيَاتٌ

স্বাধীন ব্যক্তি স্বাধীন ব্যক্তির বদলায়, দাস দাসের বদলায়

:২৭৮

الْحُرُّ بِالْحُرِّ وَالْعَبْدُ بِالْعَبْدِ

স্বাধীন, মুক্ত, আজাদ

حُرٌّ

তাহলে এর মত একটি সূরা রচনা করে নিয়ে এস। (২-২৩)

فَأْتُوا بِسُورَةٍ مِّن مِّثْلِهِ

কুরআনের সুরা

سُوْرَةٌ ج سُوَرٌ

সেসব সাহায্যকারীদেরকে ডেকে নাও-এক আল্লাহকে ছাড়া, যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকো (২-২৩)

وَادْعُوا شُهَدَاءَكُم مِّن دُونِ اللَّهِ إِن كُنتُمْ صَادِقِينَ

ডাকা, আহ্বানকরা

دَعَا- يَدْعُو (دُعَاءٌ، دَعْوَةٌ، دَعْوَى)

যখন তিনি কামরার ভেতরে নামাযে দাঁড়িয়েছিলেন, তখন ফেরেশতারা তাঁকে ডেকে বললেন ৩:৩৯

فَنَادَتْهُ الْمَلَائِكَةُ وَهُوَ قَائِمٌ يُصَلِّي فِي الْمِحْرَابِ

আহ্বান করা

نَادَى-يُنَادِي (نِدَاءٌ)

সকালে তারা একে অপরকে ডেকে বলল, ৬৮:২১

فَتَنَادَوْا مُصْبِحِينَ

ডাকাডাকি করা

تَنَادَى- يَتَنَادَى (تَنَادٍ)

এবং আল্লাহর আদেশক্রমে তাঁর দিকে আহবায়করূপে এবং উজ্জ্বল প্রদীপরূপে। ৩৩:৪৬

وَدَاعِيًا إِلَى اللَّهِ بِإِذْنِهِ وَسِرَاجًا مُّنِيرًا

আহবায়ক

دَاعٍ

হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা নিশ্চিতরূপে শুনেছি একজন আহবানকারীকে ঈমানের প্রতি আহবান করতে যে ৩:১৯৩

رَّبَّنَا إِنَّنَا سَمِعْنَا مُنَادِيًا يُنَادِي لِلْإِيمَانِ

ঘোষক, আহ্বানকারী

مُنَادٍ

বল তো কে নিঃসহায়ের ডাকে সাড়া দেন যখন সে ডাকে এবং কষ্ট দূরীভূত করেন ২৭:৬২

أَمَّن يُجِيبُ الْمُضْطَرَّ إِذَا دَعَاهُ وَيَكْشِفُ السُّوءَ

উত্তর দেয়া, সাড়া দেয়া

أَجَابَ-يُجِيبُ

তখন আমি তাঁর দোয়া কবুল করেছিলাম ২১:৭৬

فَاسْتَجَبْنَا لَهُ

সাড়া দেয়া, আনুগত্য করা

اسْتَجَابَ -يَسْتَجِيبُ

আমার পালনকর্তা নিকটেই আছেন, কবুল করে থাকেন; সন্দেহ নেই।

১১:৬১

إِنَّ رَبِّي قَرِيبٌ مُّجِيبٌ

সাড়া দানকারী, কবুলকারী

مُجِيبٌ

সেসব সাহায্যকারীদেরকে ডেকে নাও-এক আল্লাহকে ছাড়া, যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকো (২-২৩)

وَادْعُوا شُهَدَاءَكُم مِّن دُونِ اللَّهِ إِن كُنتُمْ صَادِقِينَ

সাহায্যকারী,

 সাক্ষী

شَهِيدٌ ج شُهَدَاءُ

এবং সাহায্যকারী হিসাবেও আল্লাহই যথেষ্ট :৪৫

وَكَفَىٰ بِاللَّهِ نَصِيرًا

সাহায্যকারী, পৃষ্ঠপোষক

نَاصِرٌ،نَصِيرٌ ج نَاصِرُونَ، أَنْصَارٌ

এবং আমার পরিবারবর্গের মধ্য থেকে আমার একজন সাহায্যকারী করে দিন। ২০:২৯

وَاجْعَل لِّي وَزِيرًا مِّنْ أَهْلِي

সাহায্যকারী, মন্ত্রী

وَزِيرٌ

আমি তোমাদিগকে সাহায্য করব ধারাবহিকভাবে আগত হাজার ফেরেশতার মাধ্যমে। :

أَنِّي مُمِدُّكُم بِأَلْفٍ مِّنَ الْمَلَائِكَةِ مُرْدِفِينَ

সাহায্যকারী, সাহায্যদাতা

مُمِدٌّ

এবং আমি এমনও নই যে, বিভ্রান্ত কারীদেরকে সাহায্যকারীরূপে গ্রহণ করবো। ১৮:৫১

وَمَا كُنتُ مُتَّخِذَ الْمُضِلِّينَ عَضُدًا

বাহু, শক্তি, সাহায্যকারী

عَضُدٌ

এবং তাদের কেউ আল্লাহর সহায়কও নয়। ৩৪:২২

وَمَا لَهُ مِنْهُم مِّن ظَهِيرٍ

সাহায্যকারী, সদাজয়ী,

ظَهِيرٌ

অতএব, তাকে আমার সাথে সাহায্যের জন্যে প্রেরণ করুন। সে আমাকে সমর্থন জানাবে। ২৮:৩৪

فَأَرْسِلْهُ مَعِيَ رِدْءًا يُصَدِّقُنِي

সহকারী

رِدْءٌ

তারা আল্লাহ ব্যতীত অন্যান্য ইলাহ গ্রহণ করেছে, যাতে তারা তাদের জন্যে সাহায্যকারী হয়।  ১৯:৮১

وَاتَّخَذُوا مِن دُونِ اللَّهِ آلِهَةً لِّيَكُونُوا لَهُمْ عِزًّا

সন্মান, সাহায্যকারী

عِزٌّ

তখন তোমরা আমার বিরুদ্ধে বিষয়ে সাহায্যকারী কাউকে পাবে না। ১৭:৬৯

ثُمَّ لَا تَجِدُوا لَكُمْ عَلَيْنَا بِهِ تَبِيعًا

সাহায্যকারী, অনুসারী, সহকারী

تَبِيعٌ

আমি তোমাদের উদ্ধারে সাহায্যকারী নই। ১৪:২২

مَّا أَنَا بِمُصْرِخِكُمْ

উদ্ধারকারী

مُصْرِخٌ، صَرِيخٌ

 

 

সত্যবাদী

صَادِقٌ ج صَادِقُونَ (صَادِقَاتٌ)

আর তার জননী একজন ওলী।

:৭৫

وَأُمُّهُ صِدِّيقَةٌ

ওলী, সত্যবাদী

صِدِّقٌ (صِدِّقَةٌ) ج صِدِّقُونَ

যে পর্যন্ত না আপনার কাছে পরিষ্কার হয়ে যেত সত্যবাদীরা এবং জেনে নিতেন মিথ্যাবাদীদের। :৪৩

حَتَّىٰ يَتَبَيَّنَ لَكَ الَّذِينَ صَدَقُوا وَتَعْلَمَ الْكَاذِبِينَ

মিথ্যাবাদী

كَاذِبٌ ج كَاذِنُونَ

বরং সে একজন মিথ্যাবাদী, দাম্ভিক। ৫৪:২৫

بَلْ هُوَ كَذَّابٌ أَشِرٌ

মিথ্যাবাদী

كَذَّابٌ

তারা অবতীর্ণ হয় প্রত্যেক মিথ্যাবাদী, গোনাহগারের উপর।

২৬:২২২

تَنَزَّلُ عَلَىٰ كُلِّ أَفَّاكٍ أَثِيمٍ

মিথ্যাবাদী, নিন্দুক

أَفَّاكٌ

তোমরা সবাই মিথ্যা আরোপ করছ। ১১:৫০

إِنْ أَنتُمْ إِلَّا مُفْتَرُونَ

উদ্ভাবক

مُفْتَرٍ ج مُفْتَرُونَ

আর যদি তা না পার-অবশ্য তা তোমরা কখনও পারবে না (২-২৪)

فَإِن لَّمْ تَفْعَلُوا وَلَن تَفْعَلُوا فَاتَّقُوا النَّارَ

করা

فَعَلَ- يَفْعَلُ (فِعْلٌ،فَعْلَةٌ)

এবং যে বিশ্বাস স্থাপন করে সৎকর্ম করে ১৮:৮৮

وَأَمَّا مَنْ آمَنَ وَعَمِلَ صَالِحًا

কাজ করা

عَمِلَ-يَعْمَلُ (عَمَلٌ ج أَعْمَالٌ)

যারা দুস্কর্ম উপার্জন করেছে তারা কি মনে করে যে, আমি তাদেরকে সে লোকদের মত করে দেব,

৪৫:২১

أَمْ حَسِبَ الَّذِينَ اجْتَرَحُوا السَّيِّئَاتِ أَن نَّجْعَلَهُمْ

সমর্পণ করা, অঙ্গীকার করা, বিশ্বাস করে রাখতে দেওয়া

اِجْتَرَحَ- يَجْتَرِحُ

তবে ইচ্ছাকৃত হলে ভিন্ন কথা।

৩৩:

وَلَٰكِن مَّا تَعَمَّدَتْ قُلُوبُكُمْ

ইচ্ছা করে কিছু করা, স্বেচ্ছায় করা

تَعَمَّدَ- يَتَعَمَّدُ

তারা খুবই মন্দ কাজ করছে।

:৬৩

لَبِئْسَ مَا كَانُوا يَصْنَعُونَ

করা, গড়া

صَنَعَ-يَصْنَعُ (صُنْعٌ)

আপনি কোন কাজের বিষয়ে বলবেন না যে, সেটি আমি আগামী কাল করব। ১৮:২৩

وَلَا تَقُولَنَّ لِشَيْءٍ إِنِّي فَاعِلٌ ذَٰلِكَ غَدًا

কর্তা, সংঘটক

فَاعِلٌ، فَعَّالٌ ج فَاعِلُونَ

হে আমার সম্প্রদায়, তোমরা স্বস্থানে কাজ করে যাও, আমিও কাজ করি। :১৩৫

يَا قَوْمِ اعْمَلُوا عَلَىٰ مَكَانَتِكُمْ إِنِّي عَامِلٌ

আমলকারী, পালনকারী, কর্মী, পরিশ্রমী

عَامِلٌ ج عَامِلُونَ

তারা একেও পছন্দ করে নেয় এবং যাতে ঐসব কাজ করে, যা তারা করছে। :১১৩

وَلِيَرْضَوْهُ وَلِيَقْتَرِفُوا مَا هُم مُّقْتَرِفُونَ

অর্জনকারী, উপার্জনকারী

مُقْتَرِفٌ ج مُقْتَرِفُونَ

 

 

দোজখ

النَّارُ

হে আমার পালনকর্তা, আমাদের কাছথেকে জাহান্নামের শাস্তি হটিয়ে দাও। ২৫:৬৫

رَبَّنَا اصْرِفْ عَنَّا عَذَابَ جَهَنَّمَ

জাহান্নাম

جَهَنَّمُ

তার ঠিকানা হবে জাহান্নাম।

৭৯:৩৯

فَإِنَّ الْجَحِيمَ هِيَ الْمَأْوَىٰ

প্রজ্জ্বলিত অগ্নি, অগ্নিগর্ভ

جَحِيمٌ

অগ্নির খাদ্য আস্বাদন কর।

৫৪:৪৮

ذُوقُوا مَسَّ سَقَرَ

জাহান্নামের নাম, অগ্নিময় দোযখ

سَقَرٌ

একদল জান্নাতে এবং একদল জাহান্নামে প্রবেশ করবে। ৪২:

فَرِيقٌ فِي الْجَنَّةِ وَفَرِيقٌ فِي السَّعِيرِ

জ্বলন্ত আগুন

السَعِيرُ

তার ঠিকানা হবে হাবিয়া।

১০১:

فَأُمُّهُ هَاوِيَةٌ

হাবিয়া: জাহান্নামের নাম, জ্বলন্ত আগুন কূপ

هَاوِيةٌ

সে অবশ্যই নিক্ষিপ্ত হবে পিষ্টকারীর মধ্যে। ১০৪:

لَيُنبَذَنَّ فِي الْحُطَمَةِ

পেষণকারী দোযখ

حُطَمَةٌ

যেমন সে তোমাদের পিতামাতাকে জান্নাত থেকে বের করে দিয়েছে

:২৭

كَمَا أَخْرَجَ أَبَوَيْكُم مِّنَ الْجَنَّةِ يَنزِعُ عَنْهُمَا

জান্নাত

جَنَّةٌ ج جَنَّاتٌ

তাদের অভ্যর্থনার জন্যে আছে জান্নাতুল ফেরদাউস। ১৮:১০৭

كَانَتْ لَهُمْ جَنَّاتُ الْفِرْدَوْسِ نُزُلًا

জান্নাতুল ফেরদাউস: জন্নাতের নাম

الفِرْدَوْسُ

হে আমাদের পালনকর্তা, আর তাদেরকে দাখিল করুন চিরকাল বসবাসের জান্নাতে ৪০:

رَبَّنَا وَأَدْخِلْهُمْ جَنَّاتِ عَدْنٍ

আদন: জন্নাতের নাম, স্থায়ী বসবাস,

عَدْنٌ

তাকে নেয়ামতের জান্নাতে দাখিল করা হবে? ৭০:৩৮

أَن يُدْخَلَ جَنَّةَ نَعِيمٍ

নেয়ামতের  জান্নাত

نَعِيمٌ

তাহলে সে দোযখের আগুন থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা কর, যার জ্বালানী হবে মানুষ পাথর

فَاتَّقُوا النَّارَ الَّتِي وَقُودُهَا النَّاسُ وَالْحِجَارَةُ

জ্বালানী

وَقُودٌ

সেগুলো দোযখের ইন্ধন। ২১:৯৮

حَصَبُ جَهَنَّمَ

ইন্ধন, জ্বালানী, কাষ্ঠ

حَصَبٌ

আর যারা অন্যায়কারী, তারা তো জাহান্নামের ইন্ধন। ৭২:১৫

وَأَمَّا الْقَاسِطُونَ فَكَانُوا لِجَهَنَّمَ حَطَبًا

ইন্ধন, জ্বালানী, কাষ্ঠ

حَطَبٌ

তারা প্রাচীরে ঠেকানো কাঠসদৃশ্য।

৬৩:

كَأَنَّهُمْ خُشُبٌ مُّسَنَّدَةٌ

কাঠ

خَشَبٌ ج خُشُبٌ

অথবা কোন জ্বলন্ত কাষ্ঠখন্ড আনতে পারি ২৮:২৯

أَوْ جَذْوَةٍ مِّنَ النَّارِ

জ্বলন্ত কয়লা, জ্বলন্ত অঙ্গার

جَذْوَةٌ

 

 

পাথর, পাষাণ

حَجَرٌ ج حِجَارَةٌ

এবং সামুদ গোত্রের সাথে, যারা উপত্যকায় পাথর কেটে গৃহ নির্মাণ করেছিল।  ৮৯:

وَثَمُودَ الَّذِينَ جَابُوا الصَّخْرَ بِالْوَادِ

বড় পাথর

صَخْرٌ، صَخْرَةٌ

অতএব, ব্যাক্তির দৃষ্টান্ত একটি মসৃণ পাথরের মত যার উপর কিছু মাটি পড়েছিল। :২৬৪

فَمَثَلُهُ كَمَثَلِ صَفْوَانٍ عَلَيْهِ تُرَابٌ

শক্তমসৃণপাথর

صَفْوَانٌ

যা প্রস্তুত করা হয়েছে কাফেরদের জন্য। (২-২৪)

أُعِدَّتْ لِلْكَافِرِينَ

প্রস্তুতকরা

أَعَدَّ- يُعِدُّ (عُدَّةٌ)

আমি জালেমদের জন্যে অগ্নি প্রস্তুত করে রেখেছি (১৮:২৯)

إِنَّا أَعْتَدْنَا لِلظَّالِمِينَ نَارًا

প্রস্তুত করা, প্রস্তুত রাখা, তৈরি করা

أَعْتَدَ-يُعْتِدُ

সে যে কথাই উচ্চারণ করে, তাই গ্রহণ করার জন্যে তার কাছে সদা প্রস্তুত প্রহরী রয়েছে। ৫০:১৮

مَّا يَلْفِظُ مِن قَوْلٍ إِلَّا لَدَيْهِ رَقِيبٌ عَتِيدٌ

প্রস্তুত, উপস্থিত, স্থাপিত

عَتِيدٌ

এবং সংরক্ষিত পানপাত্র (৮৮:১৪)

وَأَكْوَابٌ مَّوْضُوعَةٌ

স্থাপিত, রক্ষিত

مَوْضُوعَةٌ