সুরা বাকারাহ (১৯-২১)

আর তাদের উদাহরণ সেসব লোকের মত যারা দুর্যোগপূর্ণ ঝড়ো রাতে পথ চলে, যাতে থাকে আঁধার, গর্জন বিদ্যুৎচমক (২-১৯)

أَوْ كَصَيِّبٍ مِّنَ السَّمَاءِ فِيهِ ظُلُمَاتٌ وَرَعْدٌ وَبَرْقٌ

বজ্রধ্বনি

رَعْدٌ

অতএব, তাদের উপর বজ্রপাত হয়েছে তাদের পাপের দরুন :১৫৩

فَأَخَذَتْهُمُ الصَّاعِقَةُ بِظُلْمِهِمْ

বজ্রধ্বনি

صَاعِقَةٌ ج صَوَاعِقُ

 

 

বিজলী, চমক,

بَرْقٌ

মৃত্যুর ভয়ে গর্জনের সময় কানে আঙ্গুল দিয়ে রক্ষা পেতে চায়।  (২-১৯)

يَجْعَلُونَ أَصَابِعَهُمْ فِي آذَانِهِم مِّنَ الصَّوَاعِقِ حَذَرَ الْمَوْتِ

করা, বানানো, সৃষ্টিকরা

جَعَلَ- يَجْعَلُ

আমি পৃথিবীতে একজন প্রতিনিধি বানাতে যাচ্ছি :৩০

إِنِّي جَاعِلٌ فِي الْأَرْضِ خَلِيفَةً

পরিকল্পক, স্রষ্টা,

جَاعِلٌ ج جَاعِلُونَ

 

 

আঙ্গুল

إصْبَعٌ ج أَصَابِعُ

পরন্ত আমি তার অংগুলিগুলো পর্যন্ত সঠিকভাবে সন্নিবেশিত করতে সক্ষম।

৭৫:

بَلَىٰ قَادِرِينَ عَلَىٰ أَن نُّسَوِّيَ بَنَانَهُ

আঙ্গুলের ডগা

بَنَانَةٌ ج  بَنَانٌ

পক্ষান্তরে তারা যখন পৃথক হয়ে যায়, তখন তোমাদের উপর রোষবশতঃ আঙ্গুল কামড়াতে থাকে। :১১৯

وَإِذَا خَلَوْا عَضُّوا عَلَيْكُمُ الْأَنَامِلَ مِنَ الْغَيْظِ

আঙ্গুলসমুহ, অঙ্গুলি

أَنْمِلَةٌ ج أَنَامِلُ

মৃত্যুর ভয়ে গর্জনের সময় কানে আঙ্গুল দিয়ে রক্ষা পেতে চায়। (২-১৯)

يَجْعَلُونَ أَصَابِعَهُمْ فِي آذَانِهِم مِّنَ الصَّوَاعِقِ حَذَرَ الْمَوْتِ

কান, শ্রুতি, শ্রোতা

أُذُنٌ ج آذَانٌ

 

 

ভয়, সতর্কতা, সাবধানতা

حَذَرٌ (حَذِرَ- يَحْذَرُ)

আর যখন তাদের কছে পৌঁছে কোন সংবাদ শান্তি-সংক্রান্ত কিংবা ভয়ের, তখন তারা সেগুলোকে রটিয়ে দেয় :৮৩

 

وَإِذَا جَاءَهُمْ أَمْرٌ مِّنَ الْأَمْنِ أَوِ الْخَوْفِ أَذَاعُوا بِهِ

ভয় করা, আঁতকে ওঠা, আশঙ্কা করা, অনিষ্টের আশঙ্কা করা

خَوْفٌ، خِيفَةٌ، تَخَوُّفٌ

 (خَافَ - يَخَافُ)

তৎক্ষণাৎ তাদের মধ্যে একদল লোক মানুষকে ভয় করতে আরম্ভ করল, যেমন করে ভয় করা হয় আল্লাহকে। :৭৭

إِذَا فَرِيقٌ مِّنْهُمْ يَخْشَوْنَ النَّاسَ كَخَشْيَةِ اللَّهِ

ভয়, আতঙ্ক, আশংকা, সমীহ

خَشْيَةٌ

(خَشِيَ- يَخْشَى)

নিশ্চয় তোমরা তাদের অন্তরে আল্লাহ তাআলা অপেক্ষা অধিকতর ভয়াবহ। ৫৯:১৩

لَأَنتُمْ أَشَدُّ رَهْبَةً فِي صُدُورِهِم مِّنَ اللَّهِ

ভয় করা, আশঙ্কা, উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা

رَهْبٌ، رَهْبَةٌ، رَهَبٌ (رَهِبَ- يَرْهَبُ)

এবং সেদিন তারা গুরুতর অস্থিরতা থেকে নিরাপদ থাকবে। ২৭:৮৯

وَهُم مِّن فَزَعٍ يَوْمَئِذٍ آمِنُونَ

অস্থির হওয়া, হতভম্ব হওয়া, আতকে ওঠা

فَزَعٌ (فَزِعَ-يَفْزَعُ)

এবং তাদের ভয়ে আতংক গ্রস্ত হয়ে পড়তে। ১৮:১৮

وَلَمُلِئْتَ مِنْهُمْ رُعْبًا

ভয়, প্রতাপ

رُعْبٌ

অতঃপর যখন ইব্রাহীম (আঃ) এর আতঙ্ক দূর হল এবং তিনি সুসংবাদ প্রাপ্ত হলেন, ১১:৭৪

فَلَمَّا ذَهَبَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ الرَّوْعُ وَجَاءَتْهُ الْبُشْرَىٰ

ভয়, শঙ্কা

رَوْعٌ

তবে যদি তোমরা তাদের পক্ষ থেকে কোন অনিষ্টের আশঙ্কা কর,

:২৮

إِلَّا أَن تَتَّقُوا مِنْهُمْ تُقَاةً ۗ

ভয়

تُقَاةٌ

তোমরা কি কানকথা বলার পূর্বে সদকা প্রদান করতে ভীত হয়ে গেলে ৫৮:১৩

أَأَشْفَقْتُمْ أَن تُقَدِّمُوا بَيْنَ يَدَيْ نَجْوَاكُمْ صَدَقَاتٍ

ভীত হওয়া

أَشْفَقَ- يُشْفِقُ

মনে মনে তাঁদের সম্পর্কে ভয় অনুভব করতে লাগলেন। ১১:৭০

وَأَوْجَسَ مِنْهُمْ خِيفَةً

ভয় পাওয়া

أَوْجَسَ- يُوجِسُ

অথচ তারা তোমাদের অন্তর্ভূক্ত নয়, অবশ্য তারা তোমাদের ভয় করে।

:৫৬

وَمَا هُم مِّنكُمْ وَلَٰكِنَّهُمْ قَوْمٌ يَفْرَقُونَ

বিচ্ছেদের আশঙ্কা করা, ভয় করা

فَرِقَ-يَفْرَقُ

 

 

মৃত্যু (মারাযাওয়া)

مَوْتٌ

(مَاتَ- يَمُوتُ)

মৃত্যুমুখে পতিত হয়, তবে তার সওয়াব আল্লাহর কাছে অবধারিত হয়ে যায় :১০০

ثُمَّ يُدْرِكْهُ الْمَوْتُ فَقَدْ وَقَعَ أَجْرُهُ عَلَى اللَّهِ

মৃত্যু

مَوْتَةٌ

তখন আমি অবশ্যই আপনাকে ইহজীবনে পরজীবনে দ্বিগুণ শাস্তির আস্বাদন করাতাম। ১৭:৭৫

إِذًا لَّأَذَقْنَاكَ ضِعْفَ الْحَيَاةِ وَضِعْفَ الْمَمَاتِ

মৃত্যু

مَمَاتٌ

যিনি সৃষ্টি করেছেন মরণ জীবন, যাতে তোমাদেরকে পরীক্ষা করেন

৬৭:

الَّذِي خَلَقَ الْمَوْتَ وَالْحَيَاةَ لِيَبْلُوَكُمْ

জীবন, প্রাণ, ইহজীবন

حَيَاةٌ (حَيَّ- يَحَيُّ)

গৃহই প্রকৃত জীবন

২৯:৬৪

وَإِنَّ الدَّارَ الْآخِرَةَ لَهِيَ الْحَيَوَانُ

প্রাণ, আসল জীবন

حَيَوَانٌ

আপনি বলুনঃ আমার নামায, আমার কোরবাণী এবং আমার জীবন মরন বিশ্ব-প্রতিপালক আল্লাহরই জন্যে। :১৬২

قُلْ إِنَّ صَلَاتِي وَنُسُكِي وَمَحْيَايَ وَمَمَاتِي لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ

আয়ু

مَحْيَا

অথচ সমস্ত কাফেরই আল্লাহ কর্তৃক পরিবেষ্ঠিত। (২-১৯)

وَاللَّهُ مُحِيطٌ بِالْكَافِرِينَ

পরিবেষ্টনকারী,  আয়ত্তবান, নিয়ন্ত্রক

مُحِيطٌ، مُحِيطَةٌ (أَحَاطَ- يُحِيطُ)

আপনি ফেরেশতাগণকে দেখবেন, তারা আরশের চার পাশ ঘিরে তাদের পালনকর্তার পবিত্রতা ঘোষনা করছে। ৩৯:৭৫

وَتَرَى الْمَلَائِكَةَ حَافِّينَ مِنْ حَوْلِ الْعَرْشِ يُسَبِّحُونَ بِحَمْدِ رَبِّهِمْ

পরিবেষ্টনকারী,  প্রদক্ষিণকারী

حَافٌّ ج حَافُّونَ (حَفَّ- يَحُفُّ)

আর দেখবে, তাদের দুস্কর্মসমূহ এবং যে বিষয়ে তারা ঠাট্টা-বিদ্রুপ করত, তা তাদেরকে ঘিরে নেবে। ৩৯:৪৮

وَبَدَا لَهُمْ سَيِّئَاتُ مَا كَسَبُوا وَحَاقَ بِهِم مَّا كَانُوا بِهِ يَسْتَهْزِئُونَ

বেষ্টন করা, ঘিরে নেয়া, আপতিত হওয়া

حَاقَ- يَحِيقُ

তারা অগ্নিপরিবেষ্টিত অবস্থায় বন্দী থাকবে। ১০৪:

عَلَيْهِمْ نَارٌ مُّؤْصَدَةٌ

 

مُوصَدَةٌ

বিদ্যুতালোকে যখন সামান্য আলোকিত হয়

يَكَادُ الْبَرْقُ يَخْطَفُ أَبْصَارَهُمْ

প্রায়

كَادَ

বিদ্যুতালোক আলোক যেন তাদের দৃষ্টিকে ছিনিয়ে নেয় (২-২০)

يَكَادُ الْبَرْقُ يَخْطَفُ أَبْصَارَهُمْ

কেড়ে নেয়া, হরণ করা

خَطِفَ- يَخْطَفُ (خَطْفَةٌ)

আর মাছি যদি তাদের কাছ থেকে কোন কিছু ছিনিয়ে নেয়, তবে তারা তার কাছ থেকে তা উদ্ধার করতে পারবে না ২২:৭৩

وَإِن يَسْلُبْهُمُ الذُّبَابُ شَيْئًا لَّا يَسْتَنقِذُوهُ مِنْهُ

ছিনিয়ে নেওয়া

سَلَبَ-يَسْلُبُ

যখন সামান্য আলোকিত হয়, তখন কিছুটা পথ চলে (২-২০)

كُلَّمَا أَضَاءَ لَهُم مَّشَوْا فِيهِ

হাটা, এগিয়ে যাওয়া, চলা

مَشَى-يَمْشِي (مَشْيٌ)

দুই সমুদ্রের সঙ্গমস্থলে না পৌছা পর্যন্ত আমি আসব না অথবা আমি যুগ যুগ ধরে চলতে থাকব। ১৮:৬০

لَا أَبْرَحُ حَتَّىٰ أَبْلُغَ مَجْمَعَ الْبَحْرَيْنِ أَوْ أَمْضِيَ حُقُبًا

গমন করা

مَضَى-يَمْضِي (مَضِيٌّ)

এবং পর্বতমালা হবে চলমান,

৫২:১০

وَتَسِيرُ الْجِبَالُ سَيْرًا

সফর করা

سَارَ-يَسِيرٌ (سَيْرٌ)

অতঃপর তারা চলল ফিসফিস করে কথা বলতে বলতে, ৬৮:২৩

فَانطَلَقُوا وَهُمْ يَتَخَافَتُونَ

চলল

اِنْطَلَقَ-يَنْطَلِقُ

এবং আপন পালনকর্তার উম্মুক্ত পথ সমূহে চলমান হও। ১৬:৬৯

فَاسْلُكِي سُبُلَ رَبِّكِ ذُلُلًا

চলা, চালানো

سَلَكَ-يَسْلُكُ

আবার যখন অন্ধকার হয়ে যায়, তখন ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকে (২-২০)

وَإِذَا أَظْلَمَ عَلَيْهِمْ قَامُوا

দাঁড়ানো

قَامَ-يَقُومُ (قِيَامٌ)

এবং তাদেরকে থামাও, তারা জিজ্ঞাসিত হবে; (৩৭: ২৪)

وَقِفُوهُمْ إِنَّهُم مَّسْئُولُونَ

দাড় করানো, থামানো

وَقَفَ-يَقِفُ

যখন বলা হয়ঃ উঠে যাও, তখন উঠে যেয়ো। ৫৮:১১

وَإِذَا قِيلَ انشُزُوا فَانشُزُوا

উঁচু হওয়া, উঠে দাড়ানো

نَشَزَ-يَنْشُزُ

স্মরণ হওয়ার পর জালেমদের সাথে উপবেশন করবেন না। :৬৮

فَلَا تَقْعُدْ بَعْدَ الذِّكْرَىٰ

বসা

قَعَدَ-يَقْعُدُ (قُعُودٌ)

যদি আল্লাহ ইচ্ছা করেন, তাহলে তাদের শ্রবণশক্তি দৃষ্টিশক্তি ছিনিয়ে নিতে পারেন

وَلَوْ شَاءَ اللَّهُ لَذَهَبَ بِسَمْعِهِمْ وَأَبْصَارِهِمْ

চাওয়া, ইচ্ছা করা

شَاءَ-يَشَاءُ

অথচ বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করার বাসনা রাখ। :১২৭

وَتَرْغَبُونَ أَن تَنكِحُوهُنَّ

ইচ্ছা

رَغِبَ- يَرْغَبُ (رَغَبٌ)

তোমরা পার্থিব জীবনের সম্পদ অন্বেষণ কর, :৯৪

تَبْتَغُونَ عَرَضَ الْحَيَاةِ الدُّنْيَا

কামনা করা, সন্ধান করা, উদ্দেশ্য হিসেবে নেয়া

اِبْتَغَى-يَبْتَغِي (اِبْتِغَاءٌ)

এবং তথায় রয়েছে মনে যা চায় এবং নয়ন যাতে তৃপ্ত হয়। ৪৩:৭১

وَفِيهَا مَا تَشْتَهِيهِ الْأَنفُسُ وَتَلَذُّ الْأَعْيُنُ

ইচ্ছা, আকাঙ্ক্ষা করা

اِشْتَهَى- يَشْتَهِي (شَهْوَةٌ ج شَهْوَاتٌ)

আর যদি তারা বের হবার সংকল্প নিত, তবে অবশ্যই কিছু সরঞ্জাম প্রস্তুত করতো। :৪৬

وَلَوْ أَرَادُوا الْخُرُوجَ لَأَعَدُّوا لَهُ عُدَّةً

ইচ্ছা করা

أَرَادَ-يُرِيدُ

তোমরা কখনও নারীদেরকে সমান রাখতে পারবে না, যদিও এর আকাঙ্ক্ষী হও। :১২৯

وَلَن تَسْتَطِيعُوا أَن تَعْدِلُوا بَيْنَ النِّسَاءِ وَلَوْ حَرَصْتُمْ

আকাঙ্ক্ষা করা, লোভ করা

حَرَصَ- يَحْرُصُ

এবং সেখানে তোমাদের জন্যে আছে তোমরা দাবী কর। ৪১:৩১

وَلَكُمْ فِيهَا مَا تَدَّعُونَ

চাওয়া,  সন্ধান লত্তয়া, অনুরোধ করা

ادَّاعَ - يَدِّيعُ

আল্লাহ যাবতীয় বিষয়ের উপর সর্বময় ক্ষমতাশীল।

إِنَّ اللَّهَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

প্রত্যেক, সকল

كُلٌّ

তিনিই সে সত্ত্বা যিনি সৃষ্টি করেছেন তোমাদের জন্য যা কিছু জমীনে রয়েছে সে সমস্ত। :২৯

هُوَ الَّذِي خَلَقَ لَكُم مَّا فِي الْأَرْضِ جَمِيعًا

সকলে, একত্রে, সব, সম্মিলিত

جَمِيعٌ ج أَجْمَعُونَ

এবং জনগণের মধ্যে ঘোষণা করা হল, তোমরাও সমবেত হও।  ২৬:৩৯

وَقِيلَ لِلنَّاسِ هَلْ أَنتُم مُّجْتَمِعُونَ

একত্র, মিলিত

مُجْتَمِعٌ

অতঃপর সেগুলোর দেহের একেকটি অংশ বিভিন্ন পাহাড়ের উপর রেখে দাও। ২:২৬০

ثُمَّ اجْعَلْ عَلَىٰ كُلِّ جَبَلٍ مِّنْهُنَّ جُزْءًا

অংশ বিশেষ, টুকরো, খণ্ড

جُزْءٌ

অতঃপর তিনি সেগুলোকে চূর্ণ-বিচুর্ণ করে দিলেন ২১:৫৮

فَجَعَلَهُمْ جُذَاذًا

চূর্ণবিচূর্ণ, টুকরো, খণ্ড, অংশ

جُذَاذَةٌ ج جُذَاذٌ

তবে কি তোমরা গ্রন্থের কিয়দংশ বিশ্বাস কর এবং কিয়দংশ অবিশ্বাস কর :৮৫

أَفَتُؤْمِنُونَ بِبَعْضِ الْكِتَابِ وَتَكْفُرُونَ بِبَعْضٍ

কতক, কিছু, কোন, কেউ

بَعْضٌ

যারা কোরআনকে খন্ড খন্ড করেছে। ১৫:৯১

 

খন্ড খন্ডক

عِضِينٌ

তা বিদীর্ণ হয়ে গেল এবং প্রত্যেক ভাগ বিশাল পর্বতসদৃশ হয়ে গেল।

২৬:৬৩

فَانفَلَقَ فَكَانَ كُلُّ فِرْقٍ كَالطَّوْدِ الْعَظِيمِ

ভিন্নাংশ, খণ্ড

فِرْقٌ

একজন পুরুষের অংশ দু?জন নারীর অংশের সমান। :১১

لِلذَّكَرِ مِثْلُ حَظِّ الْأُنثَيَيْنِ

অংশ, সৌভাগ্য,

حَظٌّ

আখেরাতে তাদের কেন অংশ নেই।

:৭৭

أُولَٰئِكَ لَا خَلَاقَ لَهُمْ فِي الْآخِرَةِ

অংশ, প্রাপ্য, ভাগ

خَلاَقٌ

আর দিনের দুই প্রান্তেই নামায ঠিক রাখবে, এবং রাতের প্রান্তভাগে

১১:১১৪

وَأَقِمِ الصَّلَاةَ طَرَفَيِ النَّهَارِ وَزُلَفًا مِّنَ اللَّيْلِ

প্রথমাংশ, সূচনালগ্ন, নিকটবর্তী সময়

زُلَفٌ

পিতা-মাতা আত্নীয়-স্বজনদের পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে পুরুষদেরও অংশ আছে :

لِّلرِّجَالِ نَصِيبٌ مِّمَّا تَرَكَ الْوَالِدَانِ وَالْأَقْرَبُونَ

এক অংশ

نَصِيْبٌ

আর যে লোক সুপারিশ করবে মন্দ কাজের জন্যে সে তার বোঝারও একটি অংশ পাবে। :৮৫

وَمَن يَشْفَعْ شَفَاعَةً سَيِّئَةً يَكُن لَّهُ كِفْلٌ مِّنْهَا

এক অংশ

كِفْلٌ

তবে আকাশের কোন টুকরো আমাদের উপর ফেলে দাও। ২৬:১৮৭

فَأَسْقِطْ عَلَيْنَا كِسَفًا مِّنَ السَّمَاءِ

টুকরা

كِسفٌ ج كِسَفٌ

অতঃপর মানুষ তাদের বিষয়কে বহুধা বিভক্ত করে দিয়েছে।

২৩:৫৩

فَتَقَطَّعُوا أَمْرَهُم بَيْنَهُمْ زُبُرًا

সম্প্রদায়, জনসাধারণের শ্রেণী

 

زُبرَةٌ ج زُبُرٌ، زُبَرٌ

এবং যমিনে বিভিন্ন শস্য ক্ষেত্র রয়েছে ১৩:

وَفِي الْأَرْضِ قِطَعٌ مُّتَجَاوِرَاتٌ

টুকরা, খণ্ড, অংশ

قِطْعَةٌ ج قِطَعٌ

অতএব, এই যালেমদের প্রাপ্য তাই, যা ওদের অতীত সহচরদের প্রাপ্য ছিল। ৫১:৫৯

فَإِنَّ لِلَّذِينَ ظَلَمُوا ذَنُوبًا مِّثْلَ ذَنُوبِ أَصْحَابِهِمْ

পাপের শাস্তি, প্রাপ্য

ذَنُوْبٌ

তোমরা মহিলার মত হয়ো না, যে পরিশ্রমের পর কাটা সূতা টুকরো টুকরো করে ছিড়ে ফেলে ১৬:৯২

وَلَا تَكُونُوا كَالَّتِي نَقَضَتْ غَزْلَهَا مِن بَعْدِ قُوَّةٍ أَنكَاثًا

টুকরা টুকরা, ভাঙ্গা

نِكْثٌ ج أَنْكَاثٌ

হে আমাদের পরওয়ারদেগার, আমাদের প্রাপ্য অংশ হিসাব দিবসের আগেই দিয়ে দাও। ৩৮:১৬

رَبَّنَا عَجِّل لَّنَا قِطَّنَا قَبْلَ يَوْمِ الْحِسَابِ

আমলনামা, প্রাপ্য, অংশ, রিজিক

قِطٌّ

 

 

কিছু

شَيْءٌ ج أَشْيَاء

 

 

ক্ষমতাশীল, শক্তিবান

قَدِيرٌ (قَدَرَ-يَقْدِرُ)

তবু তাদের উপর আমার পূর্ণ ক্ষমতা রয়েছে। ৪৩:৪২

فَإِنَّا عَلَيْهِم مُّقْتَدِرُونَ

পূর্ণ ক্ষমতা আছে

مُقْتَدِرٌ ج مُقْتَدِرُونَ

আমি তাদেরকে যে বিষয়ের ওয়াদা দিয়েছি, তা আপনাকে দেখাতে অবশ্যই ২৩:৯৫

وَإِنَّا عَلَىٰ أَن نُّرِيَكَ مَا نَعِدُهُمْ لَقَادِرُونَ

সক্ষম, ক্ষমতাবান

قَادِرٌ ج قَادِرُونَ

এবং আমি একাজে শক্তিবান, বিশ্বস্ত। ২৭:৩৯

وَإِنِّي عَلَيْهِ لَقَوِيٌّ أَمِينٌ

শক্তিশালী, সামর্থবান

قَوِيٌّ

আপনি তাদের শাসক নন ৮৮:

لَّسْتَ عَلَيْهِم بِمُصَيْطِرٍ

শাসক, তত্ত্বাবধায়ক, ক্ষমতাবান

مُصَيطِرٌ

আল্লাহ কি পরাক্রমশালী, প্রতিশোধ গ্রহণকারী নন ৩৯:৩৭

أَلَيْسَ اللَّهُ بِعَزِيزٍ ذِي انتِقَامٍ

মিশরের বাদশা, সম্মানিত, বিজয়ী, পরাক্রমশালী

عَزِيزٌ ج أَعِزَّةٌ

(عَزَّ-يَعُزُّ)

বস্তুতঃ আমরা তাদের উপর প্রবল।

:১২৭

وَإِنَّا فَوْقَهُمْ قَاهِرُونَ

প্রবল, শক্তিশালী, বিজয়ী

قَاهِرٌ، قَهَّارٌ ج قَاهِرُونَ

এবং আমরা এদেরকে বশীভূত করতে সক্ষম ছিলাম না। ৪৩:১৩

وَمَا كُنَّا لَهُ مُقْرِنِينَ

শৃঙ্খলাবদ্ধকারী,  বশীভূত করা

مُقْرِنٌ ج مُقْرِنُونَ

শয়তান তাদেরকে বশীভূত করে নিয়েছে ৫৮:১৯

اسْتَحْوَذَ عَلَيْهِمُ الشَّيْطَانُ

বশীভূত করা, দূর্বল করা,

اِسْتَوْحَذَ- يَسْتَوحِذُ

তবে আমি সামান্য সংখ্যক ছাড়া তার বংশধরদেরকে সমূলে নষ্ট করে দেব। ১৭:৬২

لَأَحْتَنِكَنَّ ذُرِّيَّتَهُ إِلَّا قَلِيلًا

লাগাম পরানো, দূর্বল করা, ধর্মচ্যূত করা

اِحْتَنَكَ- يَحْتَنِكُ

দূর্বল, রুগ্ন, ব্যয়ভার বহনে অসমর্থ লোকদের জন্য কোন অপরাধ নেই

:৯১

لَّيْسَ عَلَى الضُّعَفَاءِ وَلَا عَلَى الْمَرْضَىٰ وَلَا عَلَى الَّذِينَ لَا يَجِدُونَ مَا يُنفِقُونَ حَرَجٌ

দুর্বল, অক্ষম, ক্ষমতাহীন, কমজোর

ضَعِيفٌ ج ضُعَفَاءُ، ضِعَافٌ

(ضَعُفَ- يَضْعُفُ)

তারা বলেঃ ভূখন্ডে আমরা অসহায় ছিলাম। :৯৭

قَالُوا كُنَّا مُسْتَضْعَفِينَ فِي الْأَرْضِ

নির্যাতিত, নিগৃহীত

مُسْتَضْعَفٌ ج مُسْتَضْعَفُونَ

বস্তুতঃ আল্লাহ বদরের যুদ্ধে তোমাদের সাহায্য করেছেন, অথচ তোমরা ছিলে দুর্বল। :১২৩

وَلَقَدْ نَصَرَكُمُ اللَّهُ بِبَدْرٍ وَأَنتُمْ أَذِلَّةٌ

দুর্বল

ذَلِيلٌ ج أَذِلَّةٌ

হে মানব সমাজ! তোমরা তোমাদের পালনকর্তার এবাদত কর, যিনি তোমাদিগকে সৃষ্টি করেছেন।

يَا أَيُّهَا النَّاسُ اعْبُدُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ

সৃষ্টিকরা, গঠন করা, রূপ দেয়া, রচনা করা

خَلَقَ-يَخْلُقُ (خَلْقٌ)

কিন্তু তা জগত সৃষ্টির পূর্বেই কিতাবে লিপিবদ্ধ আছে। ৫৭:২২

إِلَّا فِي كِتَابٍ مِّن قَبْلِ أَن نَّبْرَأَهَا

সৃষ্টি করা, স্পষ্ট বর্ণনা করা

بَرَأَ-يَبْرَأُ

আমি এক মুখী হয়ে স্বীয় আনন সত্তার দিকে করেছি, যিনি নভোমন্ডল ভুমন্ডল সৃষ্টি করেছেন

:৭৯

إِنِّي وَجَّهْتُ وَجْهِيَ لِلَّذِي فَطَرَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ حَنِيفًا

সৃষ্টি করা, বিদীর্ণ করা, উদ্ভাবন করা, আবিষ্কার করা

فَطَرَ- يَفْطُرُ

তিনিই যমীন হতে তোমাদেরকে পয়দা করেছেন ১১:৬১

هُوَ أَنشَأَكُم مِّنَ الْأَرْضِ

উত্পাদিত,

সৃষ্ট

أَنْشَأَ- يُنْشِيءُ (إنْشَاءٌ)

আর আমি সৃষ্টি করেছি দোযখের জন্য বহু জ্বিন মানুষ। :১৭৯

وَلَقَدْ ذَرَأْنَا لِجَهَنَّمَ كَثِيرًا مِّنَ الْجِنِّ وَالْإِنسِ

 

ذَرأَ- يَذْرَأُ