সুরা ফাতিহা (১-৫)

আল্লাহর নামে (১-১) 

بِسْمِ اللَّهِ

নাম

اِسْمٌ (ج) أَسْمَاءٌ

এবং একে অপরকে মন্দ নামে ডেকো না (৪৯-১১) 

وَلَا تَنَابَزُوا بِالْأَلْقَابِ

উপাধি

لَقَبٌ (ج)  أَلْقَابٌ

তারাই ফেরেশতাকে নারীবাচক নাম দিয়ে থাকে (৫৩-২৭) 

لَيُسَمُّونَ الْمَلَائِكَةَ تَسْمِيَةَ الْأُنثَى

নাম দেওয়া

سَمَّى-يُسَمِّى (تَسْمِيَةٌ)

এবং একে অপরকে মন্দ নামে ডেকো না (৪৯-১১) 

وَلَا تَنَابَزُوا بِالْأَلْقَابِ

নামে ডাকা

تَنَابَزَ-يَتَنَابَزُ

আর অপ নির্দিষ্টকাল আল্লাহর কাছে আছে (-২)

وَأَجَلٌ مُّسمًّى عِندَهُ

নামধারী, নির্ধারিত

مُسَمًّى

ইতিপূর্বে এই নামে আমি কারও নাম করণ করিনি (১৯-)

لَمْ نَجْعَل لَّهُ مِن قَبْلُ سَمِيًّا

নাম বিশিষ্ট, সমতুল্য

سَمِيٌّ

পরম করুণাময়, অতি দয়ালু (-)

الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ

দয়ালু

رَحْمٰنُ

এবং তুমি সর্বাধিক করুণাময়

(-১৫১)

وَأَنتَ أَرْحَمُ الرَّاحِمِينَ

করুণাময়

رَاحِمٌ (ج) رَاحِمُوْنَ

নিজেদের মধ্যে পরস্পর সহানুভূতিশীল (৪৮-২৯)

رُحَمَاءُ بَيْنَهُمْ

সহানুভূতিশীল

رَحِيمٌ (ج) رُحَمَاءُ

মুমিনদের প্রতি স্নেহশীল, দয়াময় (-১২৮)

بِالْمُؤْمِنِينَ رَءُوفٌ رَّحِيمٌ

স্নেহশীল

رَؤُوْفٌ

আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি দয়ালু (৪২-১৯)

اللَّهُ لَطِيفٌ بِعِبَادِهِ

দয়ালু,  সুক্ষ্ম

لَطِيْفٌ

নিশ্চয়ই আমার পরওয়ারদেগার খুবই মেহেরবান অতিস্নেহময়। (১১-৯০)

إِنَّ رَبِّي رَحِيمٌ وَدُودٌ

স্নেহ পরায়ণ, প্রেমময়

وَدُودٌ

যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তাআলার (-)

الْحَمْدُ لِلَّهِ

প্রশংসা

حَمْدٌ (حَمِدَ-يَحْمَدُ)

এবং তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান কৃতজ্ঞতা কামনা করি না (৭৬-)

لَا نُرِيدُ مِنكُمْ جَزَاءً وَلَا شُكُورًا

কৃতজ্ঞতা

شُكْرٌ (ج) شُكُوْرٌ (شَكَرَ-يَشْكُرُ)

তারা তওবাকারী, এবাদতকারী, শোকরগোযার (-১১২)

التَّائِبُونَ الْعَابِدُونَ الْحَامِدُونَ

শোকর গোযার

حَامِدٌ (ج) حَامِدُوْنَ

তবে আমরা অবশ্যই কৃতজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাব (-৬৩)

لَنَكُونَنَّ مِنَ الشَّاكِرِينَ

কৃতজ্ঞ

شَاكِرٌ (ج) شَاكِرُوْنَ

নিশ্চয় এতে প্রত্যেক সহনশীল, কৃতজ্ঞ ব্যক্তির জন্যে নিদর্শন রয়েছে (৩১-৩১)

إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَاتٍ لِّكُلِّ صَبَّارٍ شَكُورٍ

কৃতজ্ঞ

شَكُوْرٌ

আর যে অকৃতজ্ঞ হয়, আল্লাহ অভাবমুক্ত, প্রশংসিত। (৩১:১২)

وَمَن كَفَرَ فَإِنَّ اللَّهَ غَنِيٌّ حَمِيدٌ

প্রশংসিত

حَمِيْدٌ

আপনার পালনকর্তা আপনাকে মোকামে মাহমুদে পৌঁছাবেন (১৭:৭৯)

أَن يَبْعَثَكَ رَبُّكَ مَقَامًا مَّحْمُودًا

প্রশংসিত

مَحْمُوْدٌ

মানুষ বড়ই অকৃতজ্ঞ। (১৭:৬৭)

وَكَانَ الْإِنسَانُ كَفُورًا

অকৃতজ্ঞ

كَفُوْرٌ

নিশ্চয় মানুষ অত্যন্ত অন্যায়কারী, অকৃতজ্ঞ। (১৪:৩৪)

إِنَّ الْإِنسَانَ لَظَلُومٌ كَفَّارٌ

অকৃতজ্ঞ

كَفَّارٌ

নিশ্চয় মানুষ তার পালনকর্তার প্রতি অকৃতজ্ঞ। (১০০:)

إِنَّ الْإِنسَانَ لِرَبِّهِ لَكَنُودٌ

অকৃতজ্ঞ

كَنُوْدٌ

সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।

 (-২)

رَبِّ الْعَالَمِينَ

প্রতিপালক

رَبٌّ (ج) أَرْبَابٌ

সাম্রাজ্যের অধিকারী, তুমি সাম্রাজ্য দান কর। (৩:২৬)

 

مَالِكَ الْمُلْكِ تُؤْتِي الْمُلْكَ

মালিক

مَالِكٌ (ج) مَالِكُون

অতএব শীর্ষ মহিমায় আল্লাহ, তিনি সত্যিকার মালিক (২৩:১১৬)

فَتَعَالَى اللَّهُ الْمَلِكُ الْحَقُّ

মালিক

مَلِكٌ (ج) مُلُوكٌ

সর্বাধিপতি সম্রাটের সান্নিধ্যে। (৫৪:৫৫)

عِندَ مَلِيكٍ مُّقْتَدِرٍ

সম্রাট

مَلِيكٌ

সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।

(১-২)

رَبِّ الْعَالَمِينَ

বিশ্বজগত, মহাজগত

عَالَمٌ (ج) عَالَمُوْنَ

যিনি বিচার দিনের মালিক (১-৪)

مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ

বিচারের দিন

يَومُ الدِّيْنِ

কেয়ামত কখন অনুষ্ঠিত হবে?

(-১৮৭)

السَّاعَةِ أَيَّانَ مُرْسَاهَا

পুনুরুত্থানের সময়

السَّاعَةُ

কেয়ামতের বৃত্তান্ত। (৮৮-)

حَدِيثُ الْغَاشِيَةِ

আচ্ছন্নকারী

الغَاشِيَةُ

যখন কিয়ামতের ঘটনা ঘটবে

(৫৬-)

إِذَا وَقَعَتِ الْوَاقِعَةُ

দুর্যোগ, ঘটনা

الوَاقِعَةُ

অতঃপর যেদিন কর্ণবিদারক নাদ আসবে (৮০- ৩৩)

فَإِذَا جَاءَتِ الصَّاخَّةُ

কর্ণ বিদারক শব্দ

الصَاخَّةُ

আদ সামুদ গোত্র মহাপ্রলয়কে মিথ্যা বলেছিল। (৬৯:)

كَذَّبَتْ ثَمُودُ وَعَادٌ بِالْقَارِعَةِ

মহাপ্রলয়

القَارِعَةُ

অতঃপর যখন মহাসংকট এসে যাবে। (৭৯:৩৪)

فَإِذَا جَاءَتِ الطَّامَّةُ الْكُبْرَىٰ

মহাসংকট

الطَامَّةُ

কেয়ামতের দিন তাদের সবাই তাঁর কাছে একাকী অবস্থায় আসবে। (১৯:৯৫)

وَكُلُّهُمْ آتِيهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَرْدًا

কেয়ামতের দিন

يَوْمُ القِيَامَةِ

আমরা আল্লাহ পরকালের প্রতি ঈমান (:)

آمَنَّا بِاللَّهِ وَبِالْيَوْمِ الْآخِرِ

পরকাল

اليَومُ الآخِرُ

আপনি তাদেরকে আসন্ন দিন সম্পর্কে সতর্ক করুন (৪০:১৮)

وَأَنذِرْهُمْ يَوْمَ الْآزِفَةِ

আসন্ন দিন

يَوْمُ الآزِفَةِ

আমি তোমাদের ব্যাপারে এক যন্ত্রণাদায়ক দিনের আযাবের ভয় করছি। (১১:২৬)

أَخَافُ عَلَيْكُمْ عَذَابَ يَوْمٍ أَلِيمٍ

যন্ত্রণাদায়ক দিন

يَوْمٌ أَلِيْمٌ

আল্লাহর কিতাব মতে পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত (৩০:৫৬)

فِي كِتَابِ اللَّهِ إِلَىٰ يَوْمِ الْبَعْثِ

পুনরুত্থান দিবস

يَومُ البَعْثِ

এদিন হার-জিতের দিন।(৬৪:)

ذَٰلِكَ يَوْمُ التَّغَابُنِ

হার-জিতের দিন

يَوْمُ التَّغَابُنِ

সাক্ষাতের দিন সম্পর্কে সকলকে সতর্ক করে। (৪০:১৫)

لِيُنذِرَ يَوْمَ التَّلَاقِ

সাক্ষাতের দিন

يَوْمُ التَّلاَقِ

আমি তোমাদের জন্যে প্রচন্ড হাঁক-ডাকের দিনের আশংকা করি।(৪০:৩২)

إِنِّي أَخَافُ عَلَيْكُمْ يَوْمَ التَّنَادِ

আর্তনাদের/হাঁক-ডাকের দিন

يَوْمُ التَّنَادِ

এক কঠিন দিবসকে পশ্চাতে ফেলে রাখে। (৭৬:২৭)

وَرَاءَهُمْ يَوْمًا ثَقِيلًا

ভার বহনের দিন, কঠিন দিবস

يَوْمٌ ثَقِيْلٌ

সতর্ক করেন সমাবেশের দিন সম্পর্কে(৪২:)

وَتُنذِرَ يَوْمَ الْجَمْعِ

সমাবেশের দিন

يَوْمُ الجَمْعِ

আমাদের প্রাপ্য অংশ হিসাব দিবসের আগেই দিয়ে দাও।(৩৮:১৬)

لَّنَا قِطَّنَا قَبْلَ يَوْمِ الْحِسَابِ

হিসাব দিবস

يَوْمُ الحِسَابِ

তাদেরকে পরিতাপের দিবস সম্পর্কে হুশিয়ার করে দিন(১৯:৩৯)

وَأَنذِرْهُمْ يَوْمَ الْحَسْرَةِ

পরিতাপের দিবস

يَوْمُ الحَسْرَةِ

এই দিবস সত্য। (৭৮:৩৯)

ذَٰلِكَ الْيَوْمُ الْحَقُّ

সুনিশ্চিত/সত্যদিবস

اليَوْمُ الحَقُّ

সেদিনই পুনরত্থান দিবস।(৫০:৪২)

ذَٰلِكَ يَوْمُ الْخُرُوجِ

বের হওয়ার দিবস

يَوْمُ الخُرُوجِ

এটাই অনন্তকাল বসবাসের জন্য প্রবেশ করার দিন।

(৫০:৩৪)

ذَٰلِكَ يَوْمُ الْخُلُودِ

চিরন্তন (জীবনের) দিবস

يَوْمُ الخُلُودِ

আমরা আমাদের পালনকর্তার তরফ থেকে একভীতিপ্রদ ভয়ংকরদিনের ভয় রাখি।(৭৬:১০)

إِنَّا نَخَافُ مِن رَّبِّنَا يَوْمًا عَبُوسًا قَمْطَرِيرًا

দুখ দুর্দশার দিবস

يَوْمٌ عَبُوسٌ قَمْطَرِيرٌ

আমি যদি স্বীয় পরওয়ারদেগারের নাফরমানীকরি, তবে কঠিন দিবসের আযাবের ভয় করি।(১০:১৫)

إِنِّي أَخَافُ إِنْ عَصَيْتُ رَبِّي عَذَابَ يَوْمٍ عَظِيمٍ

মহান দিবস

يَوْمٌ عَظِيمٌ

তাদের উপরে এসে পড়ে এক ধ্বংসাত্মক দিনে শাস্তি। (২২:৫৫)

يَأْتِيَهُمْ عَذَابُ يَوْمٍ عَقِيمٍ

নিষ্ফল দিবস

يَوْمٌ عَقِيمٌ

বলুন, ফয়সালার দিনে কাফেরদের ঈমান তাদের কোন কাজে আসবেনা(৩২:২৯)

قُلْ يَوْمَ الْفَتْحِ لَا يَنفَعُ الَّذِينَ كَفَرُوا إِيمَانُهُمْ

ফয়সালার দিবস

يَوْمُ الفَتْحِ

আমি তোমাদের উপর এক মহাদিবসের আযাবের আশঙ্কা করছি।(১১:)

أَخَافُ عَلَيْكُمْ عَذَابَ يَوْمٍ كَبِيرٍ

মহাদিবস

يَوْمٌ كبِيرٌ

আমি তোমাদের উপর এমন একদিনের আযাবের আশঙ্কা করছি যেদিনটি পরিবেষ্টনকারী(১১:৮৪)

أَخَافُ عَلَيْكُمْ عَذَابَ يَوْمٍ مُّحِيطٍ

পরিবেষ্টনকারীদিবস

يَوْمٌ مُحِيطٌ

সবাই একত্রিত হবে এক নির্দিষ্ট দিনের নির্দিষ্ট সময়ে।(৫৬:৫০)

لَمَجْمُوعُونَ إِلَىٰ مِيقَاتِ يَوْمٍ مَّعْلُومٍ

নির্ধারিত/নির্দিষ্টদিবস

يَوْمٌ مَعْلُومٌ

এবং প্রতিশ্রুত দিবসের, (৮৫:)

وَالْيَوْمِ الْمَوْعُودِ

প্রতিশ্রুত দিবস

اليَوْمُ الْمَوْعُودُ

এটা হবে ভয়প্রদর্শনের দিন।(৫০:২০)

ذَٰلِكَ يَوْمُ الْوَعِيدِ

ভয়প্রদর্শনের দিন

يَوْمُ الوَعِيدِ

এটাই ফয়সালার দিন (৩৭:২১)

هَٰذَا يَوْمُ الْفَصْلِ

ফয়সালার দিন

يَوْمُ الفَصْلِ

আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি (-)

إِيَّاكَ نَعْبُدُ

উপাসনাকরা,দাসত্ব করা

عَبَدَ-يَعْبُدُ (عِبَادَةٌ)

এবং আমি এবাদতকারী নই, যার এবাদত তোমরা কর। (১০৯:)

وَلَا أَنَا عَابِدٌ مَّا عَبَدتُّمْ

উপাসনাকারী

عَابِدٌ (ج) عَابِدُونَ

এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি। (-)

وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ

সাহায্য চাওয়া

اِسْتَعَانَ-يَسْتَعِينُ

গতকল্য যে ব্যক্তি তাঁর সাহায্য চেয়েছিল (২৮:১৮)

الَّذِي اسْتَنصَرَهُ بِالْأَمْسِ

সাহায্য কামনা করা

اِسْتَنْصَرَ-يَسْتَنْصِرُ

অতঃপর যে তাঁর নিজ দলের সে তাঁর শত্রু দলের লোকটির বিরুদ্ধে তাঁর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করল। (২৮:১৫)

فَاسْتَغَاثَهُ الَّذِي مِن شِيعَتِهِ عَلَى الَّذِي مِنْ عَدُوِّهِ

সাহায্য চাওয়া

اسْتَغَاثَ-يَسْتَغِيثُ

সে বিষয়ে একমাত্র আল্লাহই আমার সাহায্য স্থল। (১২:১৮)

وَاللَّهُ الْمُسْتَعَانُ عَلَىٰ مَا تَصِفُونَ

সাহায্যের আধার, ভরসাস্থল

مُسْتَعَانٌ

এবং অন্য লোকেরা তাঁকে সাহায্য করেছে। (২৫.)

وَأَعَانَهُ عَلَيْهِ قَوْمٌ آخَرُونَ

সাহায্য করা

أَعَانَ-يُعِينُ

যদি আল্লাহ তোমাদের সহায়তা করেন, তাহলে কেউ তোমাদের উপর পরাক্রান্ত হতে পারবে না। (.১৬০)

إِن يَنصُرْكُمُ اللَّهُ فَلَا غَالِبَ لَكُمْ

সাহায্য করা

نَصَرَ-يَنْصُرُ

এবং তাঁকে সাহায্য সম্মান কর (৪৮.)

وَتُعَزِّرُوهُ وَتُوَقِّرُوهُ

সাহায্য করা, সম্মান প্রদর্শন করা

عَزَّرَ-يُعَزِّرُ

তোমাদের সাহায্যার্থে তোমাদের পালনকর্তা আসমান থেকে অবতীর্ণ তিন হাজার ফেরেশতা পাঠাবেন। (:১২৪)

أَن يُمِدَّكُمْ رَبُّكُم بِثَلَاثَةِ آلَافٍ مِّنَ الْمَلَائِكَةِ مُنزَلِينَ

সাহায্য করা

أَمَدَّ-يُمِدُّ

এবং তোমাদের বিরুদ্ধে কাউকে সাহায্যও করেনি(.)

وَلَمْ يُظَاهِرُوا عَلَيْكُمْ أَحَدًا

সাহায্য করা, সমর্থন করা

ظَاهَرَ-يُظَاهِرُ

সৎকর্ম খোদাভীতিতে একে অন্যের সাহায্য কর। (.)

وَتَعَاوَنُوا عَلَى الْبِرِّ وَالتَّقْوَىٰ

পরস্পরে সাহায্য করা

تَعَاوَنَ-يَتَعَاوَنُ

তোমাদের কি হল যে, তোমরা একে অপরের সাহায্য করছ না? (৩৭.২৫)

مَا لَكُمْ لَا تَنَاصَرُونَ

পরস্পরে সাহায্য করা

تَنَاصَرَ-يَتَانَصَرُ

আর যদি নবীর বিরুদ্ধে একে অপরকে সাহায্য কর, তবে জেনে রেখ আল্লাহ তাঁর সহায়। ( ৬৬-৪ )

وَإِن تَظَاهَرَا عَلَيْهِ فَإِنَّ اللَّهَ هُوَ مَوْلَاهُ

পরস্পরে সাহায্য করা, আক্রমণ করা,

تَظَاهَرَ

 


মফিজুর রহমান

আল কুরানের ভাষা ও সুন্দর শব্দ সমূহ বই দুটি কোথায় পাওয়া যাবে?

reply

Admin

www.wafilife.com

reply